নিজস্ব সংবাদদাতা – মাট্ন, চিকেন, সয়াবিন বা মাশরুম-এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি পুষ্টিকর একটি খাদ্যের আবিষ্কার করেছেন দুই ভারতীয় মহাপুরুষ, শ্রীযুত নরহরি মুদি ও শ্রীযুত গোমিত সাহা। নব-আবিষ্কৃত এই খাদ্যটির নাম, ‘জুমলা’। ভারত সরকারের কৃপাধন্য কিছু ব্যাকরণ শিং, বি এ, খাদ্যবিশারদের মতে এই খাদ্যটির মাহাত্ম্য হলো, এটি খেলে আর অন্য কোনো পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের দরকার পড়ে না কারণ শর্করা, প্রোটিন ও সব রকমের ভিটামিন এই একটি খাদ্যের ভেতরেই বিরাজমান। এর অপর এক বৈশিষ্ট্য হলো, এই একটি খাবারই দিনে চার বেলা দিব্যি খাওয়া যায়। যেমন, সকালে পাউরুটি বা আটার রুটিতে জুমলার মাখন বা মার্জারিন মাখিয়ে সুস্বাদু প্রাতরাশ খাওয়া যায়। যারা প্রাতরাশে ... ...
সাদা পাতা অপেক্ষায় আছে।লেখা তুমি ফিরে এসো...
জলঙ্গীর বাঁকে নধরের ভেলা: এক অস্তিত্বের মন্থর প্রতিবাদ আজ কৃষ্ণনগর পৌরসভার হলে ‘নধরের ভেলা’ সিনেমাটি দেখার সুযোগ হলো। প্রথাগত মাল্টিপ্লেক্সের চাকচিক্য ছেড়ে মিউনিসিপ্যাল হলের এই সাদামাটা পরিবেশে সিনেমাটি দেখা যেন গল্পের ‘নধর’-এর মতোই এক সহজ ও মাটির কাছাকাছি অভিজ্ঞতা। তবে এই ছবি দেখার পর আমার মনের ভেতর কিছু অন্যরকম ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। সিনেমাটির সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব আমার কাছে মনে হয়েছে এর ‘ধীরতার রাজনীতি’। যখন পুরো পৃথিবী জেতার জন্য দৌড়াচ্ছে, তখন নধর যেন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে—তাল মেলাতে না পারা কোনো অপরাধ নয়। অভিনেতা অমিত সাহার অসামান্য অভিনয় নধর চরিত্রটিকে এক ... ...
কিস্তির জলছাপঅয়ন মুখোপাধ্যায় শালিকাপুরে ভোর আসে চোরের মতো, খুব সাবধানে। অন্ধকার প্রথমে সরে বাঁশবাগান থেকে, তারপর রাস্তার নেড়ি কুকুরগুলোর চোখের মণি থেকে। নির্মল সর্দার যখন সেকেন্ড শিফট সেরে ফেরেন, আলো তখনও পাড়ায় ঢোকার পারমিশন পায়নি। এ পাড়ায় সকালের একটা নিজস্ব গিল্ট কমপ্লেক্স আছে। যেন সে জানে, এই জানলাগুলোর ওপারে একদিন মানুষ মুঠো মুঠো স্বপ্ন গুনেছিল, আর আজ সেখানে শুধু শূন্যতা ঝুলে থাকে। নির্মলের বয়স বাহান্ন। কিন্তু শরীরটা একটা পাবলিক নোটিশ বোর্ড। যেখানে রাগ, সন্দেহ আর প্রতারণার দাগগুলো নীল হয়ে আছে। মার খেলে মানুষের শরীর নিজের থাকে না, সেটা হয়ে যায় পাবলিক প্রোপার্টি। বাড়ির সামনে রাখা নীল বালতিতে বৃষ্টির জল জমেছে। সেই জলে ভাঙা আকাশের ... ...
আমি আগুন। আগুনের মেয়ে। কিন্তু। আগুন আমাকে দেয়নি মায়ের দুধ। বাপের নাম। দিয়েছে শুধু দহনের অধিকার। আমার হাতের তালু পোড়া। যেখানে ধরা ছিল সেই পাত্র, যেখান থেকে আমি উঠে এসেছিলাম – রক্ত গরম, চিৎকার শূন্য। চোখে প্রথম আলো সেই যজ্ঞের শিখা, যা আমাকে তৈরি করেছিল একটি অস্ত্র হিসেবে। একটি উত্তর হিসেবে। একটি প্রশ্নের বিরুদ্ধে অন্য প্রশ্ন। আমি কাঁদিনি। আমি শুধু হেঁটেছিলাম, মন্ত্রমুগ্ধ পায়ে, রাজসভার দিকে, যেখানে বৃদ্ধরা চোখ নামায়, যুবকেরা দৃষ্টি স্থির করে, আর নারীরা ফিসফিসায় – “এসেছে। সে এসেছে। আগুনের মেয়ে।”তবে তারা জানে না আমি আসলে বনের মেয়ে। যে বনে মানুষ হাঁটে না- শুধু পায়ের ছাপ ফেলে যায় গাছের ... ...
অনুপমা দীর্ঘজীবী কী অজুহাতে,শেখেনি আশঙ্কার একমাত্রা মন...শৈল্পিকভরসা তায় মাথায় বিরহ শিক্ষণীয় গলিবন্ধ এ-প্রেম বাতিলএখনও ছুটছে দিশা একবিন্দু শীত... বর্ষাআহত স্বপ্নে জটিল এই দৌড়কক্ষণও নেয়নি কেউ,জানে না গহন... বর্ষাআহত, ওহ্ বিশাখাআপন
অফলাইনে বসন্তের খসড়া অয়ন মুখোপাধ্যায় ১. সিগন্যাল লস্ট আকাশের রঙটা আজ ঠিক আইফোনের রিটিনা ডিসপ্লের মতো ঝকঝকে নীল। অনিমেষ ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে জানলার বাইরে তাকাল। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের এই কাঁচঘেরা অফিসটাতে সময় যেন থমকে থাকে। ঘড়িতে বিকেল সাড়ে চারটে। কফিশপে যাওয়ার সময় হয়েছে।আজকাল কার প্রেম গুলো ঠিক ক্লাউড স্টোরেজের মতো। অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে, কিন্তু ছোঁয়া যায় না। অনিমেষ আর তিতিরের সম্পর্কটাও তেমনই। তিন বছরের সম্পর্ক, যার অর্ধেকের বেশি কেটেছে হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলে আর ইনস্টাগ্রামের রিল শেয়ার করে। তিতির এখন ব্যাঙ্গালোরে একটা মাল্টিন্যাশনাল সংস্থায় কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট। আর অনিমেষ কলকাতায় সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট।ফোনের নোটিফিকেশন বেজে উঠল। তিতিরের মেসেজ— "অনি, আজকের দিনটার কথা মনে ... ...
মর্ত্যের ঊর্বশীমুহাম্মদ ফজলুল হক বিভাগের অনতিদূরে সবুজ-শ্যামল মাঠে মগ্ন হয়ে বসে কেমিস্ট্রির জটিল সমীকরণ আত্মস্থ করছে ঊর্বশী। জটিল হলেও এসব সমীকরণে নিজকে খুঁজে পায় সে। যতক্ষণ না আত্মস্থ হবে ততক্ষণ পড়তেই থাকবে। এই লেগে থাকার কারণে জীবনে প্রেমের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পড়াশোনায় সফল ঊর্বশী। বিভাগে ভালো ফলাফলে সবার উপরে। প্রথম দিকে বন্ধুদের নিয়েই বসেছিল ঊর্বশী। যার যার মত চলে গেলেও উঠছে না সে। উঠার আগে আত্মস্থ করা চাই। সন্ধ্যা বাতি জ্বলে উঠে। চারপাশে তাকিয়ে আবার সে পড়াশোনায় মগ্ন হয়ে যায়। সোডিয়ামের আলোতে পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে সামনে তাকিয়ে দেখে পুরু আসছে দুইহাতে কফির কাপ নিয়ে। হেসে উঠে ঊর্বশী। ওরে পুরু তোকে নিয়ে ... ...
নাগরিকত্বের গোলকধাঁধা ও ২০২৬-এর পাটিগণিত: বাংলার উদ্বাস্তু রাজনীতির এক নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ বাংলার সামাজিক ও রাজনৈতিক মানচিত্রে ‘উদ্বাস্তু’ পরিচয়টি কেবল দেশভাগের ক্ষত নয়, বরং এটি এক চিরস্থায়ী অস্তিত্বের লড়াই। দশকের পর দশক ধরে যারা এদেশের মাটিতে নিজেদের শিকড় গেড়েছেন, আজ তারা এক অভূতপূর্ব মনস্তাত্ত্বিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। বিজেপি যখন ‘নিঃশর্ত নাগরিকত্ব’-এর স্বপ্ন দেখিয়ে মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মন জয় করেছিল, তখন সেই আশ্বাসের পেছনে ছিল এক ধরণের আধ্যাত্মিক স্বস্তি। কিন্তু সিএএ কার্যকর হওয়ার পর সেই স্বস্তি আজ আতঙ্কে রূপান্তরিত হয়েছে। সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে দেখলে, একজন মানুষকে তার বর্তমান নাগরিক পরিচয়কে ‘অবৈধ’ বলে স্বীকার করতে বাধ্য করে ভবিষ্যতের নাগরিকত্বের টোপ দেওয়া আসলে ... ...
দেখছি। না, চোখ দিয়ে নয়। চোখ তো আগেই ছাই। চোখের গর্ত দিয়ে এখন প্রবেশ করে শব্দ, রংহীন শব্দ, যা আলো তৈরি করে অন্ধকারে, ঝাপসা চিত্র, যা নড়ে না, জমে থাকে, বরফের ফুলকির মতো, যা গলে না, শুধু জমাট বেঁধে যায় কালো কাচের ওপর, যাকে বলে আকাশ, কিন্তু আকাশ নয়, এটি একটি পর্দা, একটি তাঁবুর ভিতরের পর্দা, যা রূপালী রেশমের, যে প্রতিটি শ্বাসে নড়ে, কিন্তু কখনো উড়ে যায় না।আমি সেই তাঁবুর ভিতরে। না, তাঁবুর বাইরে। না, আমি নিজেই তাঁবু। আমার শরীর নেই, আমার সীমানা আছে, একটি রূপালী বস্তু, যা শ্বাস নেয়, ফুলে ওঠে, চুপসে যায়, এবং প্রতিবার শ্বাসের সাথে, ভিতরে প্রবেশ ... ...
( ১৭ ) দ্রৌপদি বিকেলবেলায় ফাঁকা মাঠের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মাঠ গেছে বহুদূর। মাঠের শেষে জঙ্গল। মাঠে কোন চাষবাস কিছু নেই। এমনি এমনি নিষ্ফলা পড়ে আছে। সরকারি জমি। দ্রৌপদি সেই ছোটবেলা থেকে শুনছে এখানে অ্যালুমিনিয়ামের কারখানা হবে। আজও কিছু হয়নি। মাঠের এ পারে দাঁড়িয়ে অনেক দূরের ওই জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে আছে দ্রৌপদি। খুব চিন্তায় পড়ে গেছে সে। আসলে শুধু সে না, তার চেনাশোনা অনেকেই চিন্তায় পড়ে গেছে। তার বাড়ির লোকের মধ্যেএকমাত্র তার বাবা ছাড়া সকলেই গভীর জলে গিয়ে পড়েছে। ভোটের লিস্ট থেকে নাম কাটা গেছে। সকলে বলছে বিডিও অফিসে গিয়ে কাগজপত্র দেখাতে হবে যে তারা বাইরের লোক না। ... ...
কি হতে যাচ্ছে। এখনো হিরোশিমা নাগাসাকিতে বিকলাঙ্গ শিশুদের জন্ম হয়। অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে জাপানের মানুষ আতংকে থাকে। আবারও কি তাই হতে যাচ্ছে? প্রস্তর যুগে ফিরে যাওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে আমেরিকা। তাই গত মঙ্গলবারের রাত টি অনেক দীর্ঘ হতে থাকে। স্থানীয় সময় রাত ৮ ঘটিকায় কি হতে যাচ্ছে সেই হাড়হিম করা অপেক্ষা সারা দুনিয়ার মানুষকে রেখেছিল এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির ক্লাইমেক্স দেখতে। ট্রাম্পকে দমানো যাচ্ছে না কোন ভাবেই। বিগত কয়েক দিনের ট্রাম্পের ৪৫ ঘন্টা, পাচ দিন, দশ দিন ইত্যাদি হুমকি গুলো একটা সময় বেহুদা বচন রুপে পরিনত হতে থাকে। আর ততই ইরানের আক্রমণ আরও বাড়তে থাকে। পুর্বে বেশ কিছু আলোচনায় উল্লেখ ... ...
এই যে তুমি চুপ করে যাওএই যে তুমি থামোলাইন দিয়ে দম ফেলো আরফাইন দিয়ে ঘামো এই যে তুমি কথার মাঝেবেখাপ্পা রীল চালাওমাথার ভেতর চরকি বাজিআগুন ছুঁয়ে পালাও এই যে তোমার ইচ্ছে জাগেগোবর-ঘুঁটে শোঁকোরুটিন করে গাইতে থাকোজ্বরের ঘোরে-কোঁ কোঁ এই যে তোমার পেটের ব্যারামআঁচিল...গেঁটে বাতজোয়ান বেলার মুঠোর তলায়একাদশীর চাঁদ এসব কিছুর হিসেব কষেবুঝতে হবে ঠিকতেরঙ্গাটির চাকার টায়ারকোথায় কোথায় লিক ... ...
আল্টিমেট রোমান্স বলতে গেলে এটাই বোধহয় সেই গান। হ্যাঁ এখানে কোত্থাও 'জীবনদেবতা' বা 'তাঁকে' জবরদস্তি করে ঢোকাতে পারবেন না!একদম মানসিক প্রেম, মানসীর সঙ্গে। তবে মজার কথাটা হল পাঁচ স্তবকের এই গানের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তবকদুটি এই গানে স্থান পায়নি যা কবিতায় পেয়েছে মানসী কাব্যগ্রন্থে।'বলিতে বাজিবে না নিজ কানে,চমক লাগিবে না নিজ প্রাণে।সে কথা আঁখিনীরে মিশিয়া যাবে ধীরেএ ভরা বাদলের মাঝখানে।সে কথা মিশে যাবে দুটি প্রাণে।'এবং,' আছে তো তার পরে বারো মাস;উঠিবে কত কথা কত হাস।আসিবে কত লোক কত না দুখশোক,সে কথা কোন্খানে পাবে নাশ।জগৎ চলে যাবে বারোমাস।'এই দুই স্তবক একই সঙ্গে 'যে কথা'র কথা বলছে তা যে জগৎ সংসারের চলনবলনের জন্য ... ...
যাদের ছিল রান্নাঅসুখতাদের দিলাম হঠাৎছুটিগাছের ডালে পাখিই বসুকএতে কী আর তেমন ক্ষতি যাদের ছিল বিকেলখোঁপাতাদের দিলাম শাসনফোঁটাএখন তবু রান্নাঅসুখ, হাওয়ামনের নতুন শ্রোতা স্বাদের পায়েই আরাম পেতামগাছের কাছে পেতাম ছায়া,নিতাম অসুখ...
ধরুন আপনি পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানে বসে আছেন। পাশে দুইজন লোক মারামারি করছে — একজনের নাম আমেরিকা, আরেকজনের নাম ইরান। তাদের মারামারি দেখতে দেখতে আপনি লক্ষ করলেন, একটু দূরে দাঁড়িয়ে দুটো লোক নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করছে, মাঝেমধ্যে একজনের হাতে চুপিচুপি কিছু একটা দিয়ে দিচ্ছে। সেই দুটো লোকের নাম রাশিয়া এবং চীন। এই পরিস্থিতি দেখে হান্স জে. মর্গেনথাউ নামক এক জার্মান-আমেরিকান ভদ্রলোক — যিনি ১৯৫০-এর দশকে বলেছিলেন, "আন্তর্জাতিক রাজনীতি মানেই ক্ষমতার সংগ্রাম" — তিনি তাঁর কবরে নিশ্চয়ই মৃদু হেসে বলছেন, "বলেছিলাম না?" কিন্তু আমরা — মানে আমজনতা — এখনও বিশ্বাস করি যে যুদ্ধ মানে দুটো দেশের ঝগড়া। ঠিক যেমন আমরা বিশ্বাস করি ... ...
হাওয়া হাওয়াইমানুল হকহাওয়া হাওয়াদমবন্ধ হয়ে আসছিল।ভাবলাম, যাই একটু ময়দানে ঘুরে আসি। সেখানেও দেখি মেলা ভিড়।হাঁটতে হাঁটতে নদীর পাড়ের দিকে এগোই।ওই তো নদী।আহ।মন ভালো হয়ে যায়।নদীর ধারে বাঁধানো চৌতালে বসতে যাব, দেখি একটা মার্সিডিজ এসে ব্রেক কষল।কী ব্যাপার ?সাব বুলা রহে !উর্দি পরা চালক বলেন।সাব মানে সাহেব, আমাকে ?বিস্মিত হই।বিস্মিত হতে পারো, কিন্তু বিস্ময় দেখাতে নেই।আধুনিক শাস্ত্র মতে তাই সিদ্ধ।বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভাব করে এগোই। ততোক্ষণে দরজা খুলে গেছে গাড়ির।দেখি দেখি চেনা চেনা লাগে।কী রে ব্যাটা বমকে গেছিস ? চিনতে পারছিস না ? ন্না মানে এই রকম দেখতে একজনকে চিনতাম, স্কুলে পড়তো। কিন্তু সে তো শুনছি, বিদেশে থাকে ?নাম কী ?ভোলা।ওরে ব্যাটা, আমিই সেই। ... ...
দীর্ঘ পথ হাঁটা—এটা তো ভালোই জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখা, ক্লান্ত কাজের মেয়েরা তাদের মাতাল স্বামীদের ঠেকানোর চেষ্টা করছে।রাতে গাঁড়ে লাথ মেরে ভাগিয়ে ছিলাম--- হারামজাদা ভবঘুরে মাতালচোদা নাং টাকে। আবার হাঁটতে যাওয়া কনেদেখা আলোয় পাগল পাগলিকে চান করাচ্ছে রাস্তার কলে প্রায় নগ্নিকা। চান শেষ হলে পাগলটা চায়ের দোকানিকে বললো "এক কাপ কড়া চা দিবি আমার ডার্লিংকে "রাত এখন অনেক বারবার ফোন করছি। আমার শরীর জাগছে আমারমাতাল মাতাল লাগছে। ল্যাবিয়া মাইনরে জমে উঠছে সাদা ঘন থিকথিকে কফ। আজ তার ফোন লাগবেনা আজ রাতে সেই শুওরের বাচ্চাটা নর্দমায় ছোটোলোকমি করবে। কিন্তু যদি লাগে, যদি যদি লাগে বলবো "আয় আমার কাছে আয় দেব যা চেয়েছিলি দেব। কি বা চেয়েছিলি তুই শুধু আমার বুকের দুধ দিয়ে এককাপ চা খেতে। " ... ...
এই গানের সর্বনাশ করে দিয়ে গেছেন শ্রদ্ধেয় পঙ্কজ কুমার মল্লিক। পঙ্কজ কুমার মল্লিক এই কাণ্ড এর আগে 'দিনের শেষে'র সঙ্গেও করেছেন। এমনভাবে সুরটা দিয়েছেন যে অজ্জিনাল ভদ্রলোকও সেটা করতে পারতেন কি না প্রশ্ন থেকে যায় (অপরাধ নেবেন না)। যদিও ১৯৩৭এ 'মুক্তি' সিনেমার জন্য ব্যবহৃত 'শেষ খেয়া' কবিতার শেষাংশ নিয়ে রবি ঠাকুর একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। কিন্তু গানটি শোনার পর আপত্তি করেননি। বরং 'চোখের জল ফেলতে হাসি পায়' জায়গাটি উনি পরিবর্তন করে দেন নিজে থেকেই, 'অশ্রু যাহার ফেলতে হাসি পায়'!অথবা ওই গানগুলো চিন্তা করুন, বাণী ঠাকুরের প্রযোজনায়, মহালয়ায় বিশেষত দুটি গানের কথা। 'ইয়া চণ্ডী' আর 'জয় জয় হে মহিষাসুরমর্দিনী'। এই দুটো স্তোত্র ... ...
এই ছেলেটা ভেলভেলেটা,মাথা চপচপ তেল তেলেটা! লম্ফে ঝম্পে শাখামৃগ নেই শুধু যা পুচ্ছ !