সখী আঁতেল কাহারে কয় ?সেকি কেবলই দেড়েল হয় ?
" আমার ভাষা আমার অধিকার, বলে যাব, লড়ে যাব"...এটি এপারে চলতি শাহবাগ বিক্ষোভের একটি জ্বলন্ত শ্লোগান। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কাশিমপুরে কারা হেফাজতে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুকে ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শাহবাগ। ২খবরে প্রকাশ, ফেসবুকে লেখালেখির কারণে গত বছর বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হন মুশতাক। এরপর ছয় দফায় তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। এদিকে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও মুশতাক হত্যার বিচারের দাবিতে গত দুদিন ধরে বাম ছাত্র সংগঠনগুলো লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশের মুখে শুক্রবার মুখ খুলেছেন সরকারের মন্ত্রীরা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল সাংবাদিকদের বলেছেন, লেখক মুশতাকের মৃত্যুর জন্য কারা কর্তৃপক্ষ দায়ী ... ...
একফালি রোদ হাঁটে / জনপথ ধরে / খোলা জানালাকে অবজ্ঞায় / জানালার প্রেম মরে
পড়তে পড়তে একজনের লেখা বড্ড মনে ধরলো। দেখি বেশ সুন্দর আমার মনের কথাগুলোই তিনি লিখে রেখেছেন। ছোটদের মনের জগতের হদিশ বেশ জানেন তিনি। পাতা উল্টে নাম দেখলাম — লীলা মজুমদার। তাঁর লেখার ভাষাগুলো বসতে লাগলো মনের কোণে। তাঁর গল্পের ছোট্টদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হল।
আগুন মহানন্দে / শবদেহ ছোঁয়
ভালোবাসা ভুলভুলাইয়া / এমনই তার স্বভাব
রবি - জাতক ক্রূর, কৃতান্ত সদৃশ, শ্রবণশক্তিহীন, অতিমূঢ, সদা ক্ষুধিত, মস্তক ও চক্ষুরোগী, পরদ্বাররত এবং প্রবাসী হয়।
কোষ্ঠী শব্দের অর্থ গৃহ অর্থাৎ ঘর। এই কোষ্ঠ শব্দ হতেই কোষ্ঠী কথার উদ্ভব।
রুদ্রাক্ষ এর উপকার অনেক - রুদ্রাক্ষ শব্দটি দুটি শব্দের মিলনে সৃষ্টি হয়েছে। যেমন, রুদ্র + অক্ষ। রুদ্র, অর্থাৎ ভগবান শিব, এবং অক্ষ, অর্থাৎ নেত্র। একত্রে বলা হয় রুদ্রাক্ষ। সাধারণ মানুষ এই থেকেই জানে রুদ্রাক্ষ হল শিবের চক্ষু।
রবি থেকে শনি পর্যন্ত সবগুলি গ্রহের নিজ নিজ ঘর আছে বটে, কিন্তু রাহু ও কেতুর ঘর সম্পর্কে সুস্পর্ষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না।
মানব জীবনে বিভিন্ন সময় রাশি ও লগ্ন অনুযায়ী - এক এক গ্রহ এক এক স্থানে থাকেন। কুষ্ঠিতে রাশিচক্র অংকিত করার সময় তাতে রাশি ও লগ্ন স্থান দেওয়া হয়। তা থেকে যে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোন গ্রহ রাশি বা লগ্ন থেকে কতটা দূরে আছেন তা বিচার করা হয়। গ্রহদের এইভাবে রাশিস্থন ও ঘর পরিবর্তন অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে ফল জানা যায়। ... ...
তোরে ছুঁলি অই আঁচে আমাতে কি পাল্টি হয়
এটা রাজনীতি। পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে ক্যাচাল না। অথচ সেভাবে ভাবতে একটুও অভ্যস্ত নই আমরা। আমাদের সোজা কথা; কংগ্রেস আমার পরিবারের অমুককে মেরেছিলো, সুতরাং আমার ভোট সবসময় লালেই পড়বে। অথবা সিপিএম বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছিলো আমার তমুক আত্মীয়কে, অতএব তৃণমূল ছাড়া আমি আর কাউকে ভোট দেবো না। দরজায় আমেরিকা দাঁড়িয়ে থাকলেও এর অন্যথা হবে না। চাষির ছেলে চাষি হোক না হোক, সিপিএমের ছেলে তো সিপিএমই হবে। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেলো কমরেড অনিল বিশ্বাস একখানি বই লিখেছিলেন; "সমাজতন্ত্রই ভবিষ্যৎ" --- বলাবাহুল্য, নামটি বেশ সুন্দর। কিন্তু তারপর পরলোকগমনের প্রাকমুহূর্তে ফোঁস শব্দে দীর্ঘশ্বাস ফেলে লেখক "সব পেলে নষ্ট জীবন" বলে মারা গিয়েছিলেন ... ...
“বিজেপিকে একটিও ভোট নয়” বলবার অধিকার কি অ্যামেরিকাপ্রবাসী একজন ভারতীয়র আছে? এমন বললে কি ভারতের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলান হবে? রিহানা, গ্রেটার নাক গলানোর অধিকার থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি ভারতীয়-জন্মদ্ভুত নাগরিক-অনাগরিকদেরই সেই অধিকার আছে। এটা তাদের জন্মগত অধিকার। তাই “বিজেপি কে একটাও ভোট নয়” বলার সম্পূর্ণ অধিকার আমার আছে। তাই আবার বলি, বিজেপিকে একটিও ভোট দেবেন না। কেন দেবেনা? একটাই কারণ, না আসলে দুটো কারণ; সিএএ আর এনারসি। বাকি কারণগুলো তুচ্ছ যা সব রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধেই প্রয়োগ করা যায়। বাজে বিল বানানো, বাজে বাজেট বানানো; এগুলো চিরন্তন রাজনীতি। পৃথিবীতে এমন কোন গণতন্ত্র নেই যেখানে সব বিল, সব বাজেট নিখুঁত। ... ...
ক্যাম্পাসে পা রাখতেই কেমন যেন মনের সব ভয়, দুশ্চিন্তা, মন কেমন করা ভাব, অস্থিরতা, পেট গুড়গুড় করা ইত্যাদি আরও যা কিছু নিয়ে ভোরে হল থেকে বেরিয়েছিল সবকিছু কেমন যেন এক নিমিষে দূর হয়ে গেলো। বরং খুশির একটা দমকা হাওয়া যেন পলকে মনকে ছুঁয়ে দিয়ে গেল। কী সুন্দর বসন্তের সাজ গোটা ক্যাম্পাস জুড়ে, যা ভোরবেলায় তার নজর এড়িয়ে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রস্তুতি যেন পূর্ণরূপে প্রকাশ পেয়েছে আজকের সাজে। বেশিরভাগটা শোলার আর কাগজের ফুলের সাজ হলেও অনেক জায়গাই সত্যিকারের ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। আর এমনিতেও তাদের ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান রকম ফুলের গাছ। \ ... ...
স্কুল-কলেজে থাকতেই খুব বেশিই সাধারণ টাইপের একজন ছাত্রী ছিলাম। স্কুলে থাকতে যাও বা টুকটাক গান বাজনা করতাম, বা সিনিয়র ব্যাচ হয়ে গেলে যেমন শেষ বছরের সব অনুষ্ঠানগুলো ক্লাস টেন এর মেয়েদেরকেই এরেঞ্জ করা লাগে, সেটুকুই করেছিলাম। অতটুকু অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়েই এলাম শহরের টপ কলেজে। এখানে এসে তো আরও সংকুচিত হয়ে গেলাম। কলেজের স্যারেরা কোনোদিন জানেনই নি যে আমি গান গাইতে পারি, দৌড়াতে পারি, ছবি আঁকতে পারি, উপস্থাপনা করতে পারি, রচনা লিখতে পারি। সব ছেড়ে দিয়েছিলাম। একমাত্র ফোকাস ছিল এডমিশন, ভালো রেজাল্ট। এর মধ্যে অবশ্য বেশ কিছু ঘটনা ঘটতে দেখেছি। কলেজে শহরের, অবশ্য শুধু শহরের বলছি কেন বিভাগেরও অনেক ভালো স্কুলের ... ...
আমি নিজে একটি ধার্মিক ও ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেছি। ছোটবেলায় রীতিমত মেনেছি সবকিছু। সব সেভাবেই চলছিল, শুধু কখনো কখনো আর্থ-সামাজিক কারণে অনেক প্রশ্ন মাথায় আসতো। বেশ মনে আছে, ফাইভের বিজ্ঞান বইতে পড়েছিলাম, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দূষিত পুকুরে সিন্নি টাইপের প্রসাদ বানানোয় অনেক লোক অসুস্থ হয়ে যায়, বিশেষ করে গ্রামের দিকে এরকম প্রচলন রয়েছে। স্নানজল, প্রসাদ খেয়ে মানুষ কেন অসুস্থ হবে? এই ব্যাপারটা তখন মনে এসেছিল, যে যদি ঈশ্বর মানুষের ভালোর জন্যই, তাহলে মানুষের ক্ষতি কেন হলো তারই প্রসাদে? কেন পুজো দিয়ে আসার পথে দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণ যায়? কেন বলি হয়? যদি সব প্রাণীই ঈশ্বরের সৃষ্টি, তারই সন্তান, তাহলে নিজের সন্তানকে কেন ... ...