• খেরোর খাতা

  • বসন্তবরণ (ছোটোগল্প)

    Arpita Kundu লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ক্যাম্পাসে পা রাখতেই কেমন যেন মনের সব ভয়, দুশ্চিন্তা, মন কেমন করা ভাব, অস্থিরতা, পেট গুড়গুড় করা _ ইত্যাদি আরও যা কিছু নিয়ে ভোরে হল থেকে বেরিয়েছিল সবকিছু কেমন যেন এক নিমিষে দূর হয়ে গেলো। বরং খুশির একটা দমকা হাওয়া যেন পলকে মনকে ছুঁয়ে দিয়ে গেল। কী সুন্দর বসন্তের সাজ গোটা ক্যাম্পাস জুড়ে, যা ভোরবেলায় তার নজর এড়িয়ে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রস্তুতি যেন পূর্ণরূপে প্রকাশ পেয়েছে আজকের সাজে। বেশিরভাগটা শোলার আর কাগজের ফুলের সাজ হলেও অনেক জায়গাই সত্যিকারের ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। আর এমনিতেও তাদের ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান রকম ফুলের গাছ। বসন্ত তো ফুলের, বলা ভালো রঙের ঋতু। রঙিন ফুলগুলো মনই ভালো করে দেয় যে কারোর। সাজ দেখতে দাঁড়িয়ে পড়েছিল মহুল। হঠাৎ করেই বন্ধুরা দূর থেকে ডাক দিল তাকে। সবাই আগেভাগেই তৈরি হয়ে গেছে আজকে। সবার হলুদ শাড়ি, হলুদ পাঞ্জাবি আর ফুলেল বিভিন্ন গয়নার সাজ দেখে তার নিজের দিকে খেয়াল হলো, সে তো এক্কেবারে আটপৌরে সাজে এখনও। অথচ অনুষ্ঠান শুরু হতে তো বেশি বাকি নেই! বন্ধুদের কাছে এগিয়ে গেলো মহুল। পিয়াস তাকে বলল, “কোথায় ছিলি তুই?” উত্তর না দিয়ে সামান্য হাসল সে। “জলদি হলে চল, রেডি হবি না? সক্কাল সক্কাল না বলে কয়ে বেরিয়ে গেছিস! ঘড়ির দিকে খেয়াল রাখবি তো!” বলল ঋতি। “চল। আমার শাড়ির সাথে গয়নাগুলো রেডি রেখেছিস তো?” জিজ্ঞেস করতে করতে দলের মেয়েগুলোর সাথে হলের দিকে পা চালালো মহুল। ছেলেগুলো চলে গেলো অনুষ্ঠান মঞ্চের দিকে।
    হলুদের সাথে লাল আর সবুজের মিশেলের শাড়িটা আজকের দিনের জন্য মহুল অনেক আগে থেকে ঠিক করে রেখেছিল। বাবাই কিনে দিয়েছিলেন বেশ আগে। অবশ্য এখনও একদিনও পরা হয় নি। পাটভাঙা নতুন শাড়িটা কি তার গায়ে মানাচ্ছে নাকি বেশিই ফুলে ফেঁপে আছে! লাল ব্লাউজটা মানাচ্ছে নাকি সবুজ পরলে ভালো হতো! মাথায় ফুলের রিঙটা পরবে নাকি খোঁপায় গাঁজরার মতো করে বেলী ফুলের মালা জড়াবে! সাজটা ঠিক আছে নাকি বেশিই চোখে লাগছে! রুমের আয়নাটার সামনে দাঁড়িয়ে এসবই সাতপাঁচ ভাবছিল সে। “মহুল, কী করছিস? প্রোগ্রাম শুরু হতে দেরি করলে চরম বকা খাবো কিন্তু। জলদি কর,” ঋতি তাড়া দিল। “কোন টিপটা পরব বলতো?” একপাতা টিপ ঋতির দিকে এগিয়ে ধরলেও চোখ আয়না থেকে সরালো না। ঋতি নিজেই সবুজ রঙের একটা পাতার মতো টিপ বেছে কপালে লাগিয়ে দিল। এরপর আয়নায় তাকিয়ে দেখল, আদতেই মহুলকে অত্যন্ত সুন্দর লাগছে। সামান্য একটু সাজের ছোঁয়া যে এই উড়নচণ্ডী মেয়েটার রূপের খোলস এভাবে খুলে দিতে পারে তা কি তারা কেউ জানত! মহুলের কাঁধে হাত রাখল ঋতি, “তুই ঠিক আছিস?” আয়নার ভেতর দিয়েই দুজনের চোখাচোখি হলো। নিঃশব্দে হাসি দিয়ে মাথা নাড়ল মহুল। ঘাড় ঘুরিয়ে সর্বক্ষণের সঙ্গী ক্যামেরাটার দিকে একবার তাকাল মহুল। এরপর রুম থেকে বেরিয়ে গেল। একটা নিঃশ্বাস ফেলে ঋতিও বেরিয়ে এলো।
    অনুষ্ঠান শুরু হতে আর কিছুক্ষণ। দর্শকসারি মুখর হয়ে আছে শিক্ষার্থীদের কলরবে। কেউ সেজেগুজে ছবি তুলছে, কেউ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার। সামনের সারিগুলোয় শিক্ষকেরা বসা, গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বরাও আছেন কয়েকজন, যারা নিমন্ত্রিত ছিলেন। এছাড়াও বহিরাগত প্রচুর মানুষ। মহুল, ঋতি ও অন্যান্যরা মঞ্চে উঠবার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিল সামনের দিকে। অনেকেই যারা মহুলকে আগে থেকে চেনেন অবাক হয়ে দেখছিল তার দিকে। লায়লা ম্যাডাম তো বলেই বসলেন, “আজকে ক্যামেরাম্যানের হাতে ক্যামেরা নেই কেন?” মহুল উত্তর দিল, “আজ ভিন্নরূপে আত্মপ্রকাশ করব, ম্যাম।” বরাবরই এলোমেলো, অগোছালো, গলার ক্যামেরা নিয়ে ঘোরা মহুলকে দেখে অনেকেই আজ মেলাতে পারছে না। মঞ্চের ঠিক পাশেই পিয়াস দাঁড়ানো ছিল। মহুলকে দেখে বলল, “তোকে খুব সুন্দর লাগছে। এরকম আগুন সুন্দরীর পাশে দাঁড়িয়ে আমার কথা জড়িয়ে গেলে তো মহা মুশকিল। তখন তো লোকে টমেটো ছুঁড়বে।” “টমেটো নয়, লাল গোলাপ পাবি। আয়,” বলে মঞ্চের দিকে এগোল মহুল। সবাই না হলেও পরিচিতরা অবাক হয়ে দেখল, ক্যাম্পাসের ফটোগ্রাফার বলে খ্যাত মেয়েটা মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোনের দিকে এগিয়ে গেল। পাশেই গিয়ে দাঁড়াল পিয়াস। মঞ্চ থেকে সামনেটা কেমন দেখায় তা যে মহুল এই প্রথম দেখছে, এমন নয়। তবুও এক মুহুর্তের জন্য যেন জড়তা গ্রাস করল তাকে। এক মুহুর্তের জন্য চোখ বুজল, মনে হলো সামনে বাবা বসে আছেন। চোখ মেলে মাইকটা টেনে নিল সে।
    আবৃত্তির ঢঙে উচ্চারণ করল, “আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে......” নিজের সাবলীলতা পাশে দাঁড়ানো পিয়াসকে তো বটেই, তাকে নিজেকেই অবাক করে দিল। জড়তার, অনিচ্ছার, অনাগ্রহের খোলস যেন আপনিই ভেঙে গেল। চমৎকার সাবলীল ও হাস্যরসপূর্ণ, পরিমিত গাম্ভীর্যবোধ সম্পন্ন উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটিকে অন্য উচ্চতায় নিলে গেল। নাচ, গান, আবৃত্তি ইত্যাদি সবই হলো। পিয়াস ঘোষণা করল, “অনুষ্ঠানটির সর্বশেষ পর্যায়ে সমাপনী বক্তব্য রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সঙ্ঘের প্রেসিডেন্ট মাননীয়া অধ্যাপিকা লায়লা আরজুমানকে। ম্যামকে মঞ্চে আসতে অনুরোধ করব।” লায়লা ম্যাডাম মঞ্চে এলেন। সমাপনী বক্তব্য শেষ করলেন। নামতে গিয়েও হঠাৎ কিছু মনে পড়ে গেছে এমন ভঙ্গিতে ফিরে এসে বললেন, “আমার মনে হয় একটা অতিরিক্ত হাততালি আমাদের ক্যাম্পাসের ফটোগ্রাফার মেয়েটির প্রাপ্য। যে আজ অত্যন্ত চমৎকার উপস্থাপনায় তার আরও একটি দিক আমাদের সামনে তুলে ধরল।” পিয়াস খেয়াল করল, মহুলের চোখের কোল ছাপিয়ে অশ্রুবিন্দু কাজল লেপ্টে দিচ্ছে।
    মঞ্চ থেকে নেমে এসে অন্যদের ভীড়ে মিশে গেল না মহুল। ঋতিকে খুঁজতেই চোখে পড়ল একটু দুরেই ফটোসেশনে ব্যস্ত। ক্যামেরা হাতে অংশুকে বেশ লাগছে, আজকের ইভেন্ট ও কভার করছে। হুট করেই কোথা থেকে এসে পিয়াস ওর হাত ধরল, মহুলকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই টেনে নিয়ে যেতে শুরু করল। মহুল চলতে চলতেই প্রশ্ন করল, “কী করছিস?” “চল আমার সাথে,” উত্তর দিল পিয়াস। ক্যাম্পাসের একটা দিকে বিভিন্ন জাতের, বিভিন্ন রঙের গোলাপের চারা লাগানো। এখনও এদিকটায় তেমন ভীড় নেই। গোলাপ বাগানের সামনে ঘাসের উপর বসে পড়ল পিয়াস। অগত্যা মহুলও বসল। “ম্যামের কথা শুনে কাঁদছিলি কেন স্টেজে?” প্রশ্ন করল পিয়াস। মহুল চুপ করে আছে দেখে তার দিকে তাকাল, আবার চোখে জল, নাকি আগের জলটাই শুকোয়নি এখনও। মহুলের হাতের উপর হাত রাখল পিয়াস। মহুল বলতে শুরু করল, “আমার খুব ছোটো থেকে শখ ফটোগ্রাফির। আর বাবার শখ ছিল মেয়ে উপস্থাপিকা হবে। অর্থাৎ বাবার ইচ্ছে মেয়ে ফোরগ্রাউন্ড মিডিয়ায় কাজ করবে, আমার ইচ্ছে আমি ব্যাকগ্রাউন্ড মিডিয়ায় কাজ করব। পড়াশুনার পাশাপাশি যখনই সুযোগ হয়েছে বাবা আমাকে মঞ্চে তুলে দিতে প্রবৃত্ত হয়েছেন। আমি উপস্থাপনা ভালোবাসতে পারি নি কোনোদিন। বাবা ছবিতোলায় নিষেধাজ্ঞা লাগান নি কখনওই। কিন্তু একই সাথে একটা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করা আর ছবিতে কাভার করা তো সম্ভব নয়। কিন্তু বাবাকে খুব ভালোবাসতাম, তাই নিজের ইচ্ছেকে কবর দিয়ে হলেও তার ইচ্ছের দাম দিয়ে যেতাম। মঞ্চ, মাইক, স্ক্রিপ্ট কিচ্ছু আমার কাছে অচেনা, অজানা নয়। আমার স্কুল, কলেজের বন্ধুরা, শিক্ষক-শিক্ষিকারা আমার এই রূপটার সাথেই পরিচিত। কিন্তু ক্যাম্পাসে এসে মনে হলো বাবার নজরবন্দি হয়ে তো আমি আর এখন নেই। যা ইচ্ছে তাই করব। মনের আনন্দে ক্যামেরা নিয়ে ছুটতে শুরু করলাম। দুদিনের উইকেন্ডেই আশেপাশে বেরিয়ে পড়তাম ছবি তোলার নেশায়। এই ক্যাম্পাস আমাকে ক্যামেরাওম্যানের পরিচিতি দিল। কারোর ভালো ছবি তোলা লাগবে? আমি। অনুষ্ঠান কভার করা লাগবে? আমি। গত বছরের পহেলা ফাল্গুনের অনুষ্ঠানের আগে যখন কালচারাল কমিটির মিটিং হলো, আমি মাথাতেই আনি নি এটা আমি উপস্থাপনা করতে পারি। বরং আরামসে ফটোগ্রাফারের দায়িত্বটাই যেচে নিলাম। আমি ভাবিওনি নিজের মেয়েকে মঞ্চে দেখার জন্য আমার বাবা আর মা এখানে চলে আসবেন তাও আমাকে না জানিয়েই, সারপ্রাইস দিতে। বাবা মা এলেন, যথারীতি মঞ্চে আমায় দেখলেন না। বরং দেখতে পেলেন, মঞ্চের আশপাশ দিয়ে, এদিক সেদিক থেকে ছবি তুলে আমি ইভেন্ট কভার করে বেড়াচ্ছি। আর পরনে? একটা প্লেইন কুর্তি! অবাধ্য চুলগুলো এলোমেলো আর গলায় ঝুলছে ক্যামেরা। আমি আজ যে শাড়িটা পরেছি সেটা সেদিন বাবা আমার জন্য এনেছিলেন, কিন্তু তাদের সেদিন আসতে একটু দেরি হয়ে যায়, তাই অনুষ্ঠানের আগে আমাকে এটা দিতে পারেন নি। প্রোগ্রাম শেষে আমি হঠাৎ করেই দেখতে পাই তাদের। বাবার মুখ শুকনো। ‘তোমরা?’ আমি এগিয়ে গিয়ে প্রশ্ন করি। বাবা বললেন, ‘তুই কী করছিস? তোকে এঙ্কারিং করতে নেয় নি?’ আমি নিশ্চুপে রইলাম। ‘কী রে ওদের জানাস নি তোর এত বছরের অভিজ্ঞতা আছে? তোকে করতে দেয় না কীভাবে?’ আমি বাধ্য হয়ে বললা, ‘আমি ওদের বলি নি আমি এঙ্কারিং করতে জানি। আমি ফটোগ্রাফি ভালোবাসি তাই এটাই করি, আর ওরাও আমাকে এইভাবেই চেনে। বাবা জানো, এই পুরো ইভেন্টটা আমি কভার করছি আজকে।’ বাবা খুশি হয়তো হতেন কিন্তু আমি ওদের জানাই পর্যন্ত নি পাছে ওরা আমাকে করতে বলে, এটা বাবাকে আহত করল। আস্তে আস্তে আমাকে বললেন, ‘জানাস নি কেন ওদেরকে?’ ‘কারণ আমি এটা করতে চাই না। ছোটো থেকে তুমি আমাকে দিয়ে ওটা কেবল করিয়েছ, কখনও জানতেও চাও নি আমি ওটা করতে চাই কি না। নিজের ইচ্ছের চাপে আমার ইচ্ছেগুলোকে দাফন করতে চেষ্টা করে গেছ।’ বাবা আর কিছুই বললেন না। সোজা ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে চলে গেলেন। আমি এতই এক্সাইটেড ছিলাম যে এটা নিয়ে আর ভাবলামও না। পরদিন মা ফোন করে বললেন, ‘বাবা অসুস্থ।’ ছুটে গেলাম বাড়িতে। শুনলাম আমার অভিযোগগুলো বাবা নিতে পারেন নি। এমনিতেই বাবার প্রেশারের সমস্যা ছিল তাই আমরা কেউই এমন কিছু করতাম না যাতে তিনি উত্তেজিত হন। কিন্তু কাল বাবা প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছিলেন। ভেতরে সেটা চেপে রাখতে গিয়ে আরও অসুস্থ হয়ে যান। মাইল্ড স্ট্রোক করেন বাবা। তিনি আজীবন নিজের একমাত্র মেয়ের উপর নিজের ইচ্ছের বোঝা চাপিয়ে গেছেন, এই ভাবনা তাকে ভেতর থেকে অদ্ভুত কষ্ট দিচ্ছিল। বাবার জ্ঞান আসতে দেরি হচ্ছিল। মা নিজেও আর স্ট্রেস নিতে পারছিলেন না। কিন্তু বরাবরই মা শান্ত ধরণের। আমাকে শুধু বললেন, ‘মহুল হয় তুমি এই প্রতিবাদটা আগেই করতে, নয়তো কখনও করতেই না। বাবার বয়সটা দেখলে না? যা করার করতে, কিন্তু ওই কথাগুলো না বলতে। তুমি জানো, তোমার বাবা কত অসুস্থ? তারপরেও মেয়ে প্রথমবার ভার্সিটিতে গেছে, মঞ্চে উপস্থাপনা করবে, কত উৎসাহ নিয়ে তিনি তোমার জন্য শাড়ি কিনেছিলেন? সকাল সকালে রওনা দিতে চেয়েছিলেন যাতে অনুষ্ঠানে শাড়িটা তুমি পরতে পারো। কিন্তু বুকে ব্যথা ওঠায় রওনা দিতে দেরি হয়ে যায়, তাকে যাওয়া থেকে নিরস্ত করতে না পেরে আমি বাধ্য হয়েই সাথে যাই।’ আমি কোনো কথা বলতে পারছিলাম না। মা ই আবার বললেন, ‘তোমার বাবা এই আঘাতটা সহ্য করতে পারবেন না। আমি তো উনাকে চিনি। উনি নিজেকে দোষী ভাববেন, আর মাফ করতে পারবেন না।’ জানিস পিয়াস, বাবা আর সত্যিই ফেরেন নি। বাবা আসলেই আগে থেকে অনেক অসুস্থ ছিলেন, আর আমার কথাগুলো..... সেদিনের পর থেকে আমি আর ক্যামেরা ধরি নি।” মহুল চুপ করল।
    পিয়াস মেয়েটার দিকে দেখল। এই কাজল লেপ্টানো চোখ দুটোর ছবি তুলে যদি মহুলকে দেওয়া যেত! চতুর্দিকে ফটোগ্রাফির এলিমেন্ট খুঁজে বেড়ানো মেয়েটা তাহলে কি আবার ক্যামেরা ধরতে রাজি হতো!!!
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
কাগজ  - Sudipta Ray
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন