এখন বসন্ত অপেক্ষায় ছিলাম বসন্ত উন্মুক্ত আকাশের নিচে নিজের দুই বাহু ছড়িয়ে শ্বাস নেওয়ার অপেক্ষায়… শীতের কাঠিন্য থেকে মুক্তির আস্বাদন.. মৃদু মন্দ বাতাসের হিল্লোল বয়ে আনছে সুগন্ধ.. চারিদিকে নানা রঙে মাখানো মেশানো জড়াজড়িড্যাফোডিল, টিউলিপ, লিলি, চেরি,বেরি আরও কতো...নাম না জানা ফুল পায়ে পায়ে জড়িয়ে নতুন জন্মানো সবুজ ঘাস অনেক বছর আগে......ছোট্ট বেলার বসন্তে রঙ অন্য রকম.. অপেক্ষায় বসন্ত তখনও তোমার ...অশোক পলাশ কৃষ্ণচূড়াদের ভিড়... বসন্তের রং শুধুই লাল ...সাথে রবি ঠাকুরের গান ... রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও ..এখনো বসন্ত আসে .. রং অনেক হয়েছে ফিকে....বসন্ত এখন ভীষণ একলা আপন ...আমি ধ্যানরতা সমাহিত ..ডুবে গেছি সেই অতলে.. আমার প্রতিটি শিরায় মজ্জায় বসন্ত আসুক সেই অনুভবে, সেই গভীরে ... বসন্ত মধ্যমে বসন্ত. এসে গেলো ... ...
কনা হতাম যত্নশাখানা হতাম দীনরোগনা হলাম ঘনঋণীওড়াই নতুনচোখ খবিচ্ছিরি আছেনীলবিচ্ছিরি সুতোমনবিচ্ছিরি শতচাওয়াগলিতে অবাকশোন গক্ষতি আসে চুপিতোরক্ষতি আসে শীতেক্রোধ ক্ষতি আসে অভিবাজদিলাম এই গতিশোধ ঘ দাগঘড়ি উড়েহারপায়ে পড়ি খিদেভাত রঙিন এই সূচনায়, সংখ্যায় ষোলোসাত
ছটফটে চিন্তারা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সোজা রাস্তায় দৌড়তে শুরু করলো। টাটকা সব্জিগুলো নতুন সকালের গন্ধ আনছিল পাড়ার ঘরে ঘরে। সূর্যও তেমনি লালটুস হ’য়ে আকাশকে দেখিয়ে দিচ্ছিল দিনবদল কাকে বলে... রিকশা চালাতে চালাতে পিভু গেয়ে উঠছিল সুমনের গান: “বৈশাখী ঝড়ে আমি তোমাকে চাইআষাঢ়ের মেঘে আমি তোমাকে চাইশ্রাবণে শ্রাবণে আমি তোমাকে চাই অকালবোধনে আমি তোমাকে চাই”মনে মনে রঙিন পূর্বাভাস ছিল মনভাঙার। ভাঙতে ভাঙতে ইলিশ মাছের গন্ধ যেই পেল, অমনি দেখলাম–চালের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু গরম ভাতের লোভ সামলে ওঠা যায়নি। ধ্যাৎ মুশকিল! সবুজ সবুজ ঘাস পেলে একদল মাঠও আদালতে ওঠে। সময় রূপ নেয় খরগোশবাহানায়। সিগারেট ধরিয়ে গাইতে থাকি চন্দ্রিলের লেখা গান: “ভেসে যায় আদরের ... ...
তোমার মনের আঙ্গিনায় কোনোআপোষের ঠাঁই নেই;তুমি হার-মানা-হার পরো না।মুহুর্তে চোখের সুলভ ঘৃনায়ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠো।জাগে নির্মম এক বাসনা;অদ্ভুত এক প্রতিশোধ স্পৃহাছাপিয়ে যায় তোমাকে;তুমি যন্ত্রণায় নীল হও।তোমার বন্ধু ফুল-পাখিরাভালোবেসে গান গাইলে -তুমি নিজেকে খুঁজে পাও।মেঘেরা সরে পথ করে দেয়আলোর ভেলায় ভাসাতে;তুমি রঙ-তুলি খুঁজে নাও।তোমার নয়নে দুর্লভ হাসি-বৃষ্টির পরে রামধনু;তুমি অপরুপা হয়ে যাও!তোমার প্রেমের বাণী সুন্দর সুর অতি ধ্রুপদী;হায় অপেরা সফল নয়।তোমার প্রেম জীবন যুদ্ধে-অতন্দ্র এক প্রহরী!তবু সীমান্তে শহীদ হয়!! ... ...
( ১০ ) বাড়ি ফেরার সময়ে গাড়িতে বাবা ছেলে দুজনের মধ্যে কোন কথা হল না। গড়িয়াহাটের মোড় আসতে অনুমিত বলল, ' একটু দাঁড়াও... আমি এখানে নামব... ' অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' ঠিক আছে। বাট লেট মি নো ইয়োর ডিসিশান কুইকলি। ডোন্ট হ্যাঙ্গ অন উইথ ইট ফর টু লঙ... ' অনুমিত ' হুঁ... ' বলে দরজা খুলে নেমে গেল। অনুমিত ওখান থেকে একটা ক্যাব ধরে পার্ক স্ট্রিটে পৌঁছল। পার্ক হোটেলের পাশে একটা বারে গিয়ে ঢুকল। পকেটে তেমন টাকা না থাকলেও ক্রেডিট কার্ড আছে। ক্রেডিট কার্ডের দেনা ক্রমশ স্ফীত হয়ে উঠছে। বাবা টাকা না দিলে সমস্যার ফাঁস ... ...
“তবুও দেখা হবে শহুরে পথে তারার কুচি রেখো পায়ে মেঘের বিয়ে হবে বৃষ্টিমতে পালকি যাবে দূর গাঁয়ে” –Srijato মেঘ সাজছিল আচমকা হঠাৎ। আকাশ জানতো, চিঠি লেখার ঝক্কি আজকাল তেমন আর কেউ নেয় না। অলস বাস্তব রুমাল খুঁজে বেড়াচ্ছিল, যদি কোথাও যদি কোনওখানে অন্তত চোখের জল পাওয়া যায়! সেসব আর যায়নি। এসব জানা সত্ত্বেও কোথাও না কোথাও একদিন না একদিন মেঘ সাজছিল আচমকা হঠাৎ। কাউকে দেখাবে ব’লে কি? কে জানে! মেঘেরা যুবক না যুবতী— এসব কেউ জানে না ব’লেই, মেঘের মতলব, মেঘের গোপন আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে তেমন কথা কেউ নাড়াচাড়া করতে পারেনি। পারেও না।মেঘের ... ...
এই আর্টিকল #: 34512 রাষ্ট্রনায়কদের হাতে ধর্মবিশ্বাস, ক্ষমতা ও যুদ্ধের রাজনৈতিক স্থাপত্য********************************************সম্ভবত আমরা যাকে “ধর্ম পরিচালনা” বলে ভাবি, বাস্তবে তা অনেক সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতা কাঠামোর মধ্যে যুদ্ধ পরিচালনারই এক সূক্ষ্ম রূপ।সমকালীন পৃথিবীতে যুদ্ধ আর কেবল যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না। তার বিস্তার পৌঁছে যায় মানবসভ্যতার প্রায় প্রতিটি স্তরে। ব্যাংক ও বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসস্থান, সড়কপথ, জলপথ ও আকাশপথ—সবই ক্রমশ সংগঠিত সহিংসতার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে। মানুষ, পশুপাখি, জলাধার, উর্বর উপত্যকা, পাহাড় ও নদী, বনভূমি ও খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চল, হাসপাতাল ও শরণার্থী শিবির—কিছুই যেন ধ্বংসের পরিধির বাইরে থাকে না।ফলে আধুনিক যুদ্ধ কেবল দুই বাহিনীর সংঘর্ষ নয়; এটি ধীরে ধীরে জীবনব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ... ...
ভেজা চোখ নিয়ে হরিণকোমল যুদ্ধে নেমেছিল বাতাসেরা। রাতেরা এক, দুই, তিন ক’রে ঝ’রে পড়ত ঘুমের ওপরে। স্বপ্নেরা মর্যাদাদোষে আক্রান্ত হচ্ছিল টুকিটাকি। গতি ক’মে আসছিল জীবনের। শোকেরা তো দ্রুতবেগে ছুটে আসছিল দিনের পরে দিন। হাতের লেখাও প্রজাপতির চাইতেও বয়েসে বড় হ’য়ে উঠছিল। ভেজা চোখ নিয়ে হরিণকোমল যুদ্ধে নেমে প’ড়েছিল বাতাসেরা। রুই মাছের সঙ্গে গল্প করতে ইচ্ছে করছিল বয়স্ক গাছের। জলের খবর যারা দিতো, তারা একদিন জল না পেয়েই মিলিয়ে গিয়েছিল লাজুক আয়নার আড়ালে। বিখ্যাত অপেক্ষার ঝুলিতে শুধুই ছিল সন্দেহের বিষ। মাঠের ওপরে সাইকেল শুইয়ে তারাদেরকে নামতা পড়াত যে যুবক, সে শুনেছিলাম অভাবে ডুবে আত্মহত্যাকে ভালবেসেছিল। ইতিহাস হেসেছিল মেপে। লাজুক আয়নার আড়ালে মিলিয়ে গিয়েছিল জলের ... ...
বাঙালি প্রতিবাদ ভালোবাসে। এটা জিনগত। ডিএনএ পরীক্ষা করলে দেখা যাবে প্রতিটি বাঙালির ক্রোমোজোমে একটি ক্ষুদ্র মাইক্রোফোন এম্বেড করা আছে, যেটা সুযোগ পেলেই অ্যাক্টিভেট হয়ে যায়। জন্মের সময় বাঙালি কাঁদে না — স্লোগান দেয়। "আমাকে ঠিকঠাক খাওয়ানো হচ্ছে না, এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করি।" তারপর সারাজীবন এই থিমের ওপর ভ্যারিয়েশন চলতে থাকে। তো যখন খবর এলো যে এস্প্ল্যানেড মেট্রো চ্যানেলের সামনে 'SIR 2026' — অর্থাৎ ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের মহাধরনা হবে — তখন বাঙালি মন একটা অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব করল। অবশেষে। কিছু একটা হচ্ছে। কোথাও একটা অবিচার হচ্ছে। এবং সেই অবিচারের বিরুদ্ধে কেউ একজন রাস্তায় বসছেন। বাঙালির সকালটা সার্থক হলো। প্রথমে বলা দরকার, ... ...
তত্ত্ব বনাম তপ্ত জিলিপি...বাঙালির রঙিন জগাখিচুড়ি...পন্ডিতদের জন্য এক চিলতে আবির... আজকের এই দোল-পূর্ণিমা-গ্রহণ-মহাপ্রভু-গোপাল পূজা-রবীন্দ্রনাথের মহাজাগতিক বসন্ত উৎসবের ককটেলটি আসলে আমাদের তথাকথিত নাস্তিক আর শুষ্ক তাত্ত্বিক পণ্ডিতদের জন্য এক চরম দুঃস্বপ্ন। যখন কোনো মার্ক্সবাদী সমাজতত্ত্ববিদ চশমা ঠিক করতে করতে ল্যাপটপে টাইপ করেন—"ধর্ম হলো জনসাধারণের আফিম এবং দোল উৎসব হলো আসলে সামন্ততান্ত্রিক আধিপত্যের অবশেষ", ঠিক তখনই তাঁর জানলার বাইরে 'ওরে গৃহবাসী'-র রবীন্দ্র-সুর আর 'হরিবোল' ধ্বনি মিলেমিশে বাংলায় একাকার হয়ে তাঁর থিওরিকে সপাটে চড় মারে। আমাদের এই পণ্ডিতকুল যখন সেমিনারের এসি রুমে বসে ''সাবঅল্টার্ন কালচার" নিয়ে খাতা ভর্তি করেন, তখন রাঢ় বাংলার পিন্ডারের পলাশ বনে আগুন লেগে গেছে, আর সেই পলাশের রঙে রাঙা হয়ে ... ...
এই আর্টিকল #: 34503কবির কণ্ঠ ধার নিয়ে যারা ক্ষমতার গান গায়, তাদের লোভের নামই ‘গৃধ্নু’। যখন ক্ষমতা সত্যকে সহ্য করতে পারে না, তখন কবিতাকেও বিকৃত করে অস্ত্র বানায়। সত্যের আলো জ্বলুক, প্রশ্নের পথ খোলা থাকুক।—------ রবীন্দ্রনাথ নেই— তাই তাঁর কথাও আজ গৃধ্নুদের মুখপত্র হয়ে উঠতে পারে*************************“যে পদ বা সংস্থাগুলি রাজনীতির বাইরে থাকার কথা, তাদেরও আক্রমণ করতে ছাড়ছে না। দেশের রাষ্ট্রপতি, দেশের নির্বাচন কমিশন, হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, দেশের সেনাবাহিনী— সকলকেই আক্রমণের লক্ষ্য বানানো হচ্ছে। Rabindranath Tagore লিখেছিলেন, ‘অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।’ এই লেখা লিখছি কোনো অনুরোধ জানিয়ে নয়, বরং ধিক্কার জানিয়ে”। লেখক যেই হোন, তাঁর লেখা ... ...
খোলা ছাদে মাদুরের ওপর বাবার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদের খেলা দেখতে দেখতে শুনতাম রেলগাড়ি আর তার ছোটো ভাই ট্রামের গল্প। কলকাতা নামের একটি শহরের নামও শুনেছিলাম তখনই। তার আবার একটা ভালো নামও আছে "ক্যালকাটা"। জাদু ঘর, মনুমেন্ট, প্রিন্সেপ ঘাট, তারামন্ডল, বিধানসভা, রাইটার্স বিল্ডিং, হাওড়া ব্রিজ- আরও কত কিছু - জানতাম বাবার ওই ছবি আঁকার মতো করে গল্প বলার কৌশলে। গড়ের মাঠ, ময়দান, ব্রিগেড এই তিনটি মাঠ ই নাকি ভিক্টোরিয়ার উল্টোদিকে। ময়দান তো এত্তোবড়ো যে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত দেখাই যায় না। - "ব্রিগেডের সমাবেশে জ্যোতি বাবুর বক্তৃতা ... ...
আগের পর্বগুলো জানতে এখানে পড়ুন | পর্ব ১, পর্ব ২, পর্ব ৩, পর্ব ৪, পর্ব ৫ | "Nemesis always walks at the feet of hubris" - ancient Greek proverbজেরুসালেম, আনুমানিক ১০৫ BCE
(জুডিয়া সামারিয়া ও ইদুমিয়া আনুমানিক ১০৫ BCE) (সৌজন্য চ্যাটজিপিটি )তার নিজের ঘরে আলোচনায় বসেছিলেন তার ছেলেদের সঙ্গে হাসমোনিয়ান ইহুদী সম্রাট জন হিরকানুস | আলোচনার জন্যে অনেক কিছুই ছিলো | তার তিন ছেলে আরিস্টোবুলুস, আলেকজান্ডার ও আন্তিগোনেস তিনজনের মধ্যেই তিনি খুব স্পষ্ট গ্রীক প্রভাব দেখতে পাচ্ছিলেন | ম্যাকাবি বংশের সম্মানের ক্ষেত্রে যেটা ঠিক মনে হচ্ছিলোনা তার | হাজার হোক তারা জেরুসালেমের গদীতে বসেছিলেন মিশর ও সিরিয়ার গ্রীক প্রভাব থেকে ... ...
এই আর্টিকল #: 34499এই দেশে অনেক কিছুই বিশ্বখ্যাত—কিন্তু রেয়াতের হিসেব সব সময় সমান নয়। যেখানে যোগ্যতার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে আনুগত্য,সেখানে রাষ্ট্র ধীরে ধীরেপ্রভুভক্তির বন্দনা তন্ত্রে পরিণত হয়। “প্রভুভক্তির বন্দনা তন্ত্র”*********************কাউকে রেয়াত করা হবে না—গ্রাহ্য হবে শুধু আজ্ঞা পালন ও প্রভুভক্তি।ব্রিটিশ আমলে আমলা গড়ার যে ছক আঁকা হয়েছিল,তার সূক্ষ্ম বিধান আজও বদলায়নি। মুচলেকা দিয়ে পদে অধিষ্ঠিত,সেই পাংশু পেশী করে আস্ফালন—ধমক-চমকে কাজ হাসিল,প্রয়োজনে আইনের অপপ্রয়োগ।ধর্মের প্রতি অপার নিষ্ঠা—রেয়াত যোগ্য! ফুল বেঞ্চ—গোলামীর বাঙ্কার।ডুসুম ডাসুম মাড়াই-এরটার্গেটে জনসাধারণ,বেঞ্চের দায়বদ্ধতাও রেয়াত যোগ্য। গির গরু—গুজরাটের বিশ্বখ্যাত দুগ্ধের গর্ব,রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার—সুন্দরবনের ব্যাঘ্রগর্জন।খ্যাতি আছে দুজনেরই,তবু রেয়াতের হিসেব আলাদা। জীববৈচিত্র্যে ভরা এই দেশ,তবু একটাই নিয়ম—আজ্ঞা পালন, প্রভুভক্তি।সনাতনী মতে ব্যক্তির নিশ্চিত উন্নতি—ফুল বেঞ্চ হাজির,দেশ গড়তে।—- শংকর ... ...
যেই না শীত বাক্স প্যাঁটরা গোছানো শেষ করল - অমনি ন্যাকা ন্যাকা চেহারা নিয়ে 'টুউউকি' বলে উঁকি দিলেন তিনি।তিনি কে মানে? তেনাকে চেনেন না? আপনাদের তো মশাই নাগরিকত্ব কাটা যাবে!ওই যে ফাগুন, আগুন, প্রেম আর একগাদা উটকো আদিখ্যেতা! যাকে ভালোবেসে 'বসন্ত' নামে ডাকেন সবাই!ফাল্গুন আসার মাসখানেক আগে থেকেই 'প্রেমের কবিতা', 'প্রেমের লেখার' জন্য যেভাবে হুমকি আসা শুরু হয়, তাতে মনে হয় প্রেমটা বুঝি কোনো মিউনিসিপ্যালিটির ট্যাক্স - ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে দোল, এই সময়ের মধ্যে প্রেম না করলে রোমিও-জুলিয়েট এসে বাড়িতে ফাইন করবে।শাস্ত্রে বলে "ভজন, ভোজন, খাজানা অউর ইয়ারি - ইয়ে সব পর্দে কি অধিকারি"। এখানে 'ইয়ারি' শব্দটি নারী-পুরুষের প্রেম কে ... ...
রাষ্ট্রের বিনয়ী প্রশ্নপত্র ১ নথি।...... অফিসার বললেন—আপনার নথি কোথায়?আমি একটা ফাইল বাড়িয়ে দিলাম। ভেতরে স্কুলের সার্টিফিকেট,ভোটার কার্ড,রেশন কার্ড,আর কিছু পুরোনো কাগজ। অফিসার সব দেখে বললেন—হুম। তারপর খুব নরম গলায় বললেন—আরও কিছু থাকলে ভালো হত। আমি জিজ্ঞেস করলাম—কি ধরনের? তিনি বললেন—যেগুলো হারিয়ে যায়নি। ২ দাদুর গল্প.......... লাইনে দাঁড়িয়ে একজন বলছিলেন—তার দাদু নাকি নদী পার হয়ে এখানে এসেছিলেন। তখন নদীটা ছিল চওড়া।দেশটা ছিল নতুন। তিনি বললেন—দাদুর কাছে তখন কোনো কাগজ ছিল না। পাশের লোকটি বলল—তাহলে? লোকটি একটু ভেবে বলল— দাদু সম্ভবত নাগরিক ছিলেনকিন্তু প্রমাণটা রেখে যাননি। ৩ বানান........ অফিসার বললেন—আপনার বাবার নামের বানানএখানে একটু আলাদা। আমি বললাম—গ্রামে সবাই এভাবেই কথা বলে। অফিসার বললেন—কিন্তু কাগজে তো আলাদা কথা বলছে। আমি বললাম—কাগজের ভাষা আর মানুষের ভাষাসব সময় এক হয় না। অফিসার মাথা নাড়লেন।কারণ ... ...
আমরা সবাই hypocrite পোঁদ দুলিয়ে হাত মারিবাসের মধ্যে বিরক্তি,‘ঢ্যামনামো নয় এককালীন’ আমরা সবাই খিস্তিবাজকথায় কথায় মুখ চোদন মায়ের দুধেই বড্ড লাজ–খলবলিয়ে দোষ গোপন...আমরা সবাই চোরচোদাহাস্যমুখে দাঁত ক্যালাইকার কতটা মারব পোঁদ,এই ভেবে রোজ দিন কাটাই...আমরা সবাই hypocriteআমরা সবাই খিস্তিবাজআজ ঘাপালে কালকে শীত–তোমার আমার এটাই কাজ
এই আর্টিকল #: 34493 ধর্মস্থানে প্রণাম, মুখে ভক্তি— আর মানুষের মধ্যে শত্রুতার বীজ। এ কেমন রহস্যময় ভক্তি? ভক্তির আবরণে বিষের রাজনীতি*********************************জাতপাত, হিংসা, বিদ্বেষের ছড়াকার—একমাত্র লক্ষ্য মানুষের মধ্যেশত্রুতার বিষ প্রয়োগ।তারপরইকালীঘাট, বেলুড় মঠ, সিমলেবাড়ি,দক্ষিণেশ্বর, আদ্যপীঠ ও তারাপীঠ গমন। ধর্মের ধ্বজাধারী রাজনৈতিক পদাধিকারীদেরযেমন আচরণ,তেমনি কার্বন কপি করা আচার-ব্যবহারতথাকথিত স্বশাসিত সংস্থাগুলোরদায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যেও সংক্রামিত।সত্যিই দেখার মতোন্যায়ের পথে আনুগত্য! শয়নে, স্বপনে, জাগরণে অসত্য কথন—সুসজ্জিত দেহাবরণ।বঙ্গে এসেই ভক্তিরসে হাবুডুবু;নদের নিমাই—যার কাছে জাতপাতের ঠাঁই নেই,সেখানেও মিথ্যাচার। তৈরি হয়ে যায় ভণ্ডামির মায়াপুর,খোল-করতালে ওঠে সুর।নৈতিকতা দোলায় অঙ্গপেশি—উর্ধ্ববাহু! দৃশ্যপটে মাখামাখিপবিত্রতা ও নির্মলতা;যাত্রাপথ—ধর্মের চৌমাথা বরাবরএ মাথা থেকে ও মাথা। এতো গেল যাত্রার কথা! কিন্তু অগণিত বৈঠকি চালেওহয় নাকি নানা কথাবার্তা।সে যে কর্মযোগেই—যত ভারি গামলাবা লম্বা-চওড়া ধামলাএই বঙ্গভূমিতে আসুক, নাচুক,বৈঠকের ... ...
তুলনায় দুর্বলের প্রতি সবলের বীরত্ব, সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই আছে। প্রায় সব বড় রাজ্য/সাম্রাজ্য এই নিয়মের ব্যত্যয় হতে দেয় নি। তবে ৭/৮ কোটি মানুষের মৃত্যুর পরে, ছয় বছর ব্যাপী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানে রাষ্ট্রনেতা, পুঁজিপতি, সামরিক জেনারেলদের হয়তো মনে হয়েছিল, "বড্ড বেশি মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে" অথবা এই শক্তিক্ষয়ে ওনাদের বেওসার লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হচ্ছিল। যাই হোক না কেন, যুদ্ধ শেষের পর কয়েকটা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলো - যার কেন্দ্রে ছিলো রাষ্ট্রপুঞ্জ (United Nations' Organization)। উদ্দেশ্য বিশ্বে একটা Rule Based Order তৈরি করা, যাতে মানুষের সভ্যতায় "জঙ্গলের নিয়ম" এর অবসান হয়, যুদ্ধের বদলে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা ... ...
(১) যুদ্ধ থামাও! থামাও মৃত্যু! এই দাবানল ছড়িয়ো না।ইগো সরিয়ে হাত বাড়িয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও না!? (২) স্বপ্নের সাধে দুর দিগন্ত! বাতাসে বারুদ-গন্ধ।তোমার শিল্প তোমার গল্প-অনির্দিষ্টকাল বন্ধ!!