<a href="https://ibb.co/WNLn7Gqm"><img src="
alt="file-0000000052147208a65a5a61172fd81e" border="0"></a> প্রতিদিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি।একটা বাচ্চা ছেলে বিকৃত মুখ,বিকলাঙ্গ শরীর নিয়ে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করছে।তার পাগুলো সরু সরু,কাঠির মতো,হাঁটুর কাছে ভেতরের দিকে মোড়া।হাতদুটোর অবস্থা তার থেকেও খারাপ।কাঁধ থেকে শীর্ণ হাতদুটি নেমে এসে কনুইয়ের কাছে পাগলা বাঁক নিয়েছে,তারপর কব্জির কাছে আবার একবার। এরূপ শ্রীর জন্য সে কাছে যেতে চাইলেই লোকেরা নাক মুখ শিঁটকে দূর দূর করে তাড়াত।তাতে সে কিন্তু হতোদ্যম হতো না,বরং একই ঘ্যানঘ্যানে নাকি গলায় বলত,"বাবু,কিছু দ্যান,কিচ্ছু খাইনি।" বা "দিদি কিছু দ্যান,কিচ্ছু খাইনি।"এর বাইরে সে একটি কথাও বলত না।কিন্তু তার এই রূপের জন্য রোজগার তার ভালোই হতো।অন্তত ওই এলাকার আর দশজনের থেকে বেশিই হতো।আর যে ... ...
শুভ দোলযাত্রা মার্চ ৩, ২০২৬ কলমে : সহেলি বন্দ্যোপাধ্যায় আজ একটা আর্টরুমে গিয়েছিলামসেখানে আঁকিয়েদের সামনে রঙের পাত্রলাল, হলুদ, নীল, সবুজ কত রকমের রঙ তুলি দিয়ে ওখানে রঙ মেশানোর কাজ চলছেআমি একজন কে ডেকে বললাম.. “ ও ভাই, শুভ দোলযাত্রা.. “সে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে দেখলো কিছুক্ষণ. তারপর আবার ছবি আঁকতে বসে গেলো.. বোধহয় সে জীবনের রঙগুলো খাতায় মেশাচ্ছিল.. তার খাতায় সব গাঢ় রঙ ফিকে হচ্ছিল আস্তে আস্তে তারপর সে হঠাৎই জিজ্ঞেস করে বসলো “ আচ্ছা যুদ্ধের রঙ কি? তারপর সে নিজের মনেই বিড়বিড় করতে লাগলো.. “ সব কালো.. কালো কালো ছায়া… অন্ধকার.. নিকষ কালো.. যুদ্ধ.. পাল্টা যুদ্ধ.. শুধু ধোঁয়া.. শুধুই কালো রঙ… “ ... ...
১সোনামণি হারিয়ে গিয়েছিল। ঝড়ে আম কুড়োতে কুড়োতে, সেই যে ঝড়ের পছন্দ হ’য়ে গিয়েছিল সোনামণিকে— তারপরে আর ঝড় কোনওদিন সোনামণিকে ছেড়ে দেয়নি। সোনামণি সংসার পাতলো ঝড়ের সঙ্গে। ঝড় বড় মাতাল। সারাদিন শুধু নেশা। নেশা। নেশা। সোনামণির বরের চোখ বিকেলের আকাশের অপ্রিয় রঙের মতো। সোনামণির রান্নার হাত মরা বেড়ালের গন্ধের মতো। সারা পাড়া ছড়িয়ে যেতে থাকে। যা কেউ পছন্দ করে না, মুখেও তোলা যায় না। সোনামণির রান্না সোনামণিকে একাই খেতে হয়। সোনামণির বর সোনামণির রান্না খায় না। আসলে রান্নার মধ্যে রান্নার লেশ মাত্র থাকে না। রান্না ব্যাপারটা অনেকের কাছেই অলীক। কিন্তু কিছুতেই সোনামণি বিশ্বাস করতে চাই না যে, সে ভাল রান্না করতে ... ...
পঞ্চম দৃশ্য [ মহাদেবের বাড়ি। বারান্দার এক পাশে মহাদেব ও উমা এবং অন্য পাশে তরলা বসে আছে ] মহাদেব : এবার কি হবে সাধনের মা? আজ তো দু’মাস পূর্ণ হয়ে গেল। উমা : তাই তো। কি হবে বুঝতে পারছি না। হ্যাঁ গো, মা তো না চাইতেই সব দিয়েছেন। এতো সুখ, এতো ভালোবাসা… এবার কি সব কেড়ে নেবে! এই দু’মাস ধরে গড়ে ওঠা মধুর সম্পর্ক আজ ভেঙে যাবে? মা কি এতো নিষ্ঠুর হবেন! মহাদেব : কেঁদো না গো কেঁদো না। কপালে থাকলে তাই হবে। নিয়তি তো কেউ পালটাতে পারবে না। উমা : হ্যাঁ গো, আমরা যদি ওই দ্বিতীয় দফার ওষুধ না নিই, তাহলে কি ... ...
চতুর্থ দৃশ্য[গনকের আশ্রম। পরিবেশ আগের মতই। গনক ঠাকুর পুজোয় বসে আছে।] সাধনের প্রবেশ গনক [সাধঙ্কে দেখে] কি ব্যাপার সাধন, হঠাৎ এদিকে? কোন রিপোর্ট আছে নাকি?সাধন আছে মানে, জোরদার রিপোর্ট আছে। তাই তো দৌড়ে এদিকে এলাম। তোমার কাছে রিপোর্ট না করা অব্দি আমার পেটের গুরগুরানি থামবে না।গণক তাহলে দেরি না করে পেটটা খালি করেই ফেল।সাধন কি ওষুধ দিলে গো কাকা! এজে ইস্টবেঙ্গল আর মোহন বাগান একেবারে গলা ধরাধরি করে চলছে গো। আমি তো ফাউলের বাঁশিই বাজাতে ... ...
তৃতীয় দৃশ্য[মহাদেবের বাড়ি। পর্দা উঠলে দেখা যায় তরলা ঠাকুর ঘরে পুজো করছে। মাঝে মাঝে চারিদিক দেখে নিচ্ছে। মহাদেব ও উমা মঞ্চে আসে এবং তরলাকে পুজো করতে দেখে থমকে যায়। তারা উঁকি মেরে দেখে তরলা ঠিক কি করছে। উমা তার আঁচলের তলায় রাখা তেলের শিশিটা মাঝে মাঝে হাত দিয়ে দেখছে, ঠিক জায়গায় আছে কিনা। তারা তরলাকে ডাকতে গিয়েও ডাকতে পারে না। উমা ও মহাদেব ইশারায় কিছু বলার চেষ্টা করে। তরলা সেটা এক ফাঁকে দেখে নেয়। যেন লুকোচুরি খেলা। তরলা এবার শাঁখ বাজিয়ে পুজো ... ...
দ্বিতীয় দৃশ্য[গনক ঠাকুরের আশ্রম। মা কালির ছবিতে মালা পড়িয়ে ধুপ ধুনো জ্বেলে পুজোয় রত গনক ঠাকুর। গায়ে লাল পট্টবস্ত্র, কপালে বড় সিন্দুরের টিপ। ধুপ কাঠি হাতে নিয়ে আরতি করতে করতে গাইছে।] গনক পৃথিবীর কেহ ভালো তো বাসে নাএ পৃথিবী ভালো বাসিতে জানে না,যেথা আছে শুধু ভালোবাসা বাসি সেথা যেতে মন চায় মা।আমার সাধ না মিটিল, আশা না পুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা।[গান চলাকালীন মহাদেব ও উমা আশ্রমে প্রবেশ করে। তারা চুপ করে গনকের ... ...
ফুসমন্তর [ একাঙ্ক নাটক ] ( শরৎচন্দ্র মণ্ডলের ছোটগল্প “সিঁদুরপড়া” অবলম্বনে ) রচনাঃ সাগরময় মণ্ডল পাত্রপাত্রী মহাদেব : নিম্নবিত্ত পরিবারের গৃহকর্তা, বয়স পঞ্চান্ন বছর। সাধাসিধে, ভালো মানুষ। উমা : মহাদেবের বৌ। বয়স পঞ্চাশ বছর। বদ মেজাজি, বউমাকে দেখতে পারে না। সাধন : মহাদেবের ছেলে। বয়স ছাব্বিশ বছর। ফুটবল পাগল। তরলা : সাধনের বৌ। বয়স বাইশ বছর। শাশুড়ির সঙ্গে বনিবনা হয় না। গনক : ঠাকুর সাধক। বয়স পঞ্চাশ বছর। গ্রামের প্রান্তে ছোট আশ্রম করে থাকে। [ নাট্যকারের কথা : খবরের কাগজ, টেলিভিশন, সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র আজ বিজ্ঞাপনের দখলে। আর এই ... ...
ফাল্গুনের মাঝামাঝি মাতাল হাওয়া যেন বনপথে ত্রস্ত প্রেমিকের ব্যস্ত আসা যাওয়া।অঝোর ধারায় ঝরিয়ে চলেছে লক্ষ লক্ষ পাতা। নিস্পৃহ নীরব বৃক্ষ মাতা।যেন কোনদিন তারা ছিল না তার সাথেএমনি করেই কি ঝরিয়ে দিতে হয়! নতুন কে জায়গা দিতে !অজস্র প্রজাপতি যেন ডানা মেলেছে আকাশে, আকাশ ভারাক্রান্ত!অথচ এ চরাচর অদ্ভুত ভাবে শান্ত। আমি যেন পড়ে আছি উজ্জয়িনী নগরে। গোধূলি লগনে শিপ্রা নদীর ধারে। মেঘের দল তারাদের করছে আড়াল।নাকি নক্ষত্র মেঘেদের করেছে ঢাল!চলেছে এক মোহময় লীলাখেলা -বিস্মিত আমি একা এই চরাচরে সন্ধ্যা বেলা।হঠাৎ ধুলোর মতো দুহাতে মেঘ সরিয়ে নক্ষত্রের আলোর দিকে তাকিয়ে -এক বিরল তেজস্বী রূপের ঝলকানি;দ্বিধাগ্ৰস্ত মনে আমার শূদ্রক কাহিনী:অসাধারণ ব্যাক্তিত্বে এমন সৌন্দর্য ও রুচি -যেন কমলহীরের পাথরটাই প্রতীকি!উজ্জয়িনী ... ...
বারুদের ঘ্রাণ ও শিউলির গান— সন্দীপন পালবাতাসে এখন বিষাক্ত কেবল তপ্ত বারুদের ঘ্রাণ,পোড়া মাংসের গন্ধে বুঝি ওষ্ঠাগত আজ প্রাণ।পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলে ওই ধ্বংসের উৎসব,নদীতে ভাসছে নামহীন সব লাশের কলরব।স্কুল ফেরত ছেলেটির দেহ— নিথর এবং একা,ধূর্ত শৃগাল খুবলে খেয়েছে, মেলেনি চিহ্ন রাখা।প্রকৃতি আজ ক্লান্ত ভীষণ, চিৎকার করে কারুণ্যে—ত্রাহি ত্রাহি রব ওঠে এই রক্তমাখা অরণ্যে।সন্তানকে আজ আগলে রাখতে মা-ও যে বড় ব্যর্থ,বোমার ঘায়ে ফুরিয়ে গেছে বেঁচে থাকার সব শর্ত।পুরো পরিবার বিলীন হলো ওই আগুনের শিখায়,বোমার শব্দে প্রহর কাটে মৃত্যুর প্রতীক্ষায়।বারুদ আর পোড়া গন্ধ যখন সয়ে যাবে মনে,বেঁচে থাকার অদম্য জেদ জাগবে প্রতিক্ষণে।হাজার লাশের ভিড়ে ঢাকা সেই শিশুটির দেহ,পচে গলে মিশে যাবে, ... ...
দু’চার কথা পাঠককে বলছি: দিন দুই-তিন আগে হঠাৎ ক’রেই এই তিনটে কবিতা আমার কাছে এসে প’ড়েছিল। হয়তো আসারই ছিল। কিন্তু লেখা তো আর আগে থেকে লেখককে জানিয়ে আসে না। আর তাই, ভুলে যাব ব’লেই, এই তিনটে কবিতা লেখার খাতায় যত্ন ক’রে তুলে রেখেছিলাম। জানি না, আদৌ এর চার নম্বর কবিতা আমার কাছে আসবে কিনা... আপাতত এই তিনটে কবিতাকে ‘আগামীসমগ্র’ নামেই পরিচয় দিচ্ছি৷ আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। মন্দভাল যাইই লাগুক, জানাতে পারেন। আগামীসমগ্র ১তোমাকে ছুঁয়েছি আমি না-ছোঁয়ার মতো—এবং দিয়েছি ব্যথা মেঘেদের মতো,তোমাকে চিনেছি আমি দিয়েছিলে যত...এখনও তোমার মন হরিণীর মতো,অরণ্য রোজগারে আমরা আহত ২মুখের বানান নিয়ে বাবা ভেসে ওঠে—কিন্তু নানান ছবি কলঙ্কে ওঠে,মুখের না-গান শুনি ... ...
এই আর্টিকল #: 34427From the smallest beginning, the universe journeys toward infinity.Knowing this, humans seek happiness by understanding their own smallness—and by choosing the right path. নিজের পথ(একটি কবিতা) সুখী নয় সে—অসীম অনন্তরে মানে না যে।সুখী সে—যে নিজের ক্ষুদ্রতাকে জানে। অসীম তারে বলে—ওহে!ক্ষুদ্র হয়েও তুমি ক্ষুদ্র নও।ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রের মধ্যেই অনন্ত মিশে—ক্ষুদ্রই প্রথম পথিকৃৎ অসীমের পথে। ক্ষুদ্র হয়েও তুমি ক্ষুদ্র নও,তুমি সৃষ্টির পথিক,তুমি সুখী। অসুখী সে—যে বাসনা-কামনা নিয়ে জগতকে দেখে,ভাবে ব্যর্থ তার আশা,ব্যর্থ তার পরিকল্পনা। তার মানসম্মত ধারণায়যারা হয়নি মানুষ—মানুষকে সে মনে করে লোহার পিণ্ড,নিজেকে ভাবে কামার। মানুষ করার পদ্ধতি তখন হয়ে যায়—লোহা গরম করে পিটিয়েকাস্তে, হাতুড়ি, কোদাল, দাবঁটির মতোগৃহস্থালির সরঞ্জাম তৈরির মতোই। তৈরির ইচ্ছে তখনএক নির্দিষ্ট আকার দেওয়ার,প্রবল চাপে ... ...
পাহাড়, আমার ভালোবাসার পাহাড় তোমার রূপে আমি মুগ্ধ বারংবার।দেবতার রূপে মানুষ যেমন মুগ্ধ হয়ে যায়ঠিক তেমনই তোমার রূপে আমি যেন দিশেহারা হয়ে যাই ---- তোমার কাছে যাবার ইচ্ছে জেগে ওঠে মনে।তুমিই যেন সাক্ষাৎ দেবতা!তুমি দেবতা না হলে তোমার কাছে যাওয়ার জন্য এত প্রাণ আকুল হয় কেন? মানুষ যেমন মন্দিরে যেতে ভালোবাসে হে পাহাড়, তুমি আমার কাছে দেবতা ----আমি তোমার কাছে যেতে ভালোবাসি।আমার ধন-দৌলতের প্রতি কোন লিপ্সা নেই আমার যত টান যত আবেগ ---- সব তোমাকে ঘিরে।তুমিই আমার শিব তুমিই আমার কালী তুমিই আমার কৃষ্ণ তুমিই আমার রাধাতুমিই আমার সাক্ষাৎ দেবতা তোমায় জানাই প্রণাম।---- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী ২৮/২/২০২৬ ... ...
আমি তোমাকে চাই।আমি যদি কখনও অসুস্থ হইতবে আমি ডাক্তারও দেখাব নাওষুধও খাব নাশুধু তোমার স্পর্শ পেলেইসেরে উঠবতাই আমি তোমাকে চাই।আমি তোমাকে চাই।আমি যদি কখনও ভুল করিসেই ভুল শুধরে দেওয়ার অধিকার তোমার আছেআমাকে শাসন করবার অধিকারও তোমারই আছে তাই আমি তোমাকে চাই।আমি তোমাকে চাই।কবিতা লেখাই আমার শখএখন যেমন তোমার কথা কল্পনা করে কবিতা লিখি তখন তোমাকে পেয়ে গেলেতোমাকে দেখব আর কবিতা লিখবতাই আমি তোমাকে চাই।কবি চায় না ধন-দৌলতগাড়ি-বাড়িপ্রচুর টাকা-পয়সা।আমি কবিআমার ইচ্ছে নেই আকাশ ছোঁয়ারআমার ইচ্ছে হ’ল শুধু তোমাকে ছোঁয়ারতাই আমি তোমাকে চাই।আমি তোমাকে চাই।আমার ঘরে কখনও কিঙ্কিণির আওয়াজ ওঠেনিআমি চাই তুমি হাঁটবে আমার ঘরেআর সেই মাদকতাময় কিঙ্কিণির আওয়াজে মুখরিত হবে আমার ... ...
(১)নদীর শাহ্ লুটছে দেশখাচ্ছে মোহন ভোগ !নদীর শাহ্ র বরাদ্দ'তে 'একশো দিনে ' ও কোপ ! (২)শংসাপত্রে চায়ের দাগ টা-মুছতে পারবে না।নোবেল প্রাপ্ত, হচ্ছে ব্রাত্য- এ কি লাঞ্ছনা!! (৩)দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে না? টাকার দামতো কমবেই!কালোটাকা ফেরাতে হলে বিমূদ্রাকরন ঘটবেই! আর দাঙ্গা হাঙ্গামা বন্ধ করতে মেরুকরণ তো চলছেই!! (৪) চল্লিশ টা কফিন দুলছে ভালোবাসার লগনবুকে তাদের রক্ত গোলাপী ক্ষত! কার স্বার্থে এমন ছন্দ পতন!পারো যদি ফিরে যেও জীবনে প্রেমাস্পদ।! (৫)খুনির ... ...
ছায়ার সীমান্তনাগরিক থেকে ‘আগন্তুক’—একটি মুহূর্তের দূর,বুকের খাঁচায় অচেনা ভয়ের বাজছে করুণ সুর।এখনও আমি মানুষ আছি, এখনও আমিই আমি,একটু পরেই তালিকার ভিড়ে তুচ্ছ এবং দামী।
চলে যাবআমরা সবাই চলে যাবযাঁর কাছ থেকে এসেছিলামতাঁর কাছে।কিছুই নিয়ে যাব না সবকিছুই রেখে যাব।শুধু এই পৃথিবীতেই আমাদের যত 'আমার আমার' ---অহংকারের প্রতিযোগিতা,কিন্তু তাঁর কাছে এসবের কোনো মূল্য নেইতাঁর কাছে একজন ভিখারি ও একজন ধনী দুজনেই সমান।পৃথিবীতে যাদের অহংকারে মাটিতে পা পড়ে নাতারাই সেখানে তাঁর সামনে মাথা নিচু করে থাকবে,পাশেই থাকবে ---সাদামাটা সহজ সরল কেউ ---সেও মাথা নিচু করে আছে।তফাৎটা হলো কোথায়?সেখানে কোনো তফাৎ নেইযত তফাৎ এই এখানে, পৃথিবীতে।---- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী ২৭/২/২০২৬ ... ...
বরণের ভাষা: শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য ও বাংলার প্রথম আত্মসমর্পণ। অয়ন মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ভেতর ভক্তি আন্দোলনের যে স্রোত একদিন নীরবে ঢুকে পড়েছিল, তার একটি বড় ফলাফল মালাধর বসুর লেখা শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য। কাব্যগ্রন্থটি কে আমরা শুধুমাত্র অনুবাদ কাব্য বলবো না বরং বইটি ছিল সেই যুগের মানসিকতার দলিল বাংলা ভাষার বিবর্তনের এক নতুন অধ্যায়। এক সামাজিক পরিবর্তনের চিহ্ন। এক ধর্মীয় জাগরণের নতুন ভাষ্য। বলা যেতে পারে বাংলা ভাষা যখন নিজস্ব ভঙ্গিতে আত্মপ্রকাশ করতে চাইছে, সেই নতুন পরিবর্তনের বাঁকেই এই কাব্যর জন্ম। সুতরাং শ্রীকৃষ্ণ বিজয় কাব্যগ্রন্থের একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্য আছে। পঞ্চদশ শতক। বাংলার সমাজ বদলাচ্ছে। গ্রাম বাড়ছে। বাজার তৈরি হচ্ছে। আঞ্চলিক ভাষা শক্ত হচ্ছে। সংস্কৃত পুঁথি ... ...
অন্ধকার ঘুচলো ঠিকই, কিন্তু যে ক্ষত রয়ে গেল তার দায় কার? অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও মণীশ সিসৌদিয়ার এই আইনি নিষ্কৃতি আসলে ক্ষমতার দম্ভ বনাম ব্যক্তিগত সততার এক অসম লড়াইয়ের সমাপ্তি, যা আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক অন্ধকার দিককে উন্মোচিত করেছে। এটি কেবল একটি আইনি জয় নয়, বরং আধুনিক রাষ্ট্রের সেই সর্বগ্রাসী রূপের বিরুদ্ধে সত্যের প্রতিবাদ, যেখানে আইনি প্রক্রিয়াকেই প্রতিপক্ষ দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কোন প্রমাণ ছাড়াই মাসের পর মাস নির্জন কারাবাস একজন ব্যক্তির আত্মপরিচয় ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর যে গভীর ক্ষত তৈরি করে, তা অপূরণীয়। এটি ছিল তিলে তিলে গড়া একটি রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকে জনমানসে ধূলিসাৎ করার এক সুক্ষ্ম মানসিক ষড়যন্ত্র। ... ...
লিলির মুদ্রা ছোঁড়াসেট থিওরি, বুলিয়ান বীজগণিত আর ফাজি লজিক শেখার পর লিলি আর মিমি এখন গণিতের ওস্তাদ হয়ে গেছে। তারা বুঝতে পেরেছে, পৃথিবীর সবকিছুকে সুনির্দিষ্টভাবে মাপা যায় না — অনেক কিছুই অনিশ্চিত। রাজা এখন চান তারা সম্ভাবনা তত্ত্ব শিখুক — যে তত্ত্ব আমাদের অনিশ্চয়তা বুঝতে সাহায্য করে।গল্প শুরু করি লিলির ঘর থেকে।একদিন সকালে লিলি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল, "মা, আমি একটা মজার জিনিস লক্ষ্য করছি। মুদ্রা ছুঁড়লে কখনও মাথা পড়ে, কখনও লেজ পড়ে। আগে থেকে বলা যায় না কোনটা পড়বে। এর কোনো নিয়ম নেই?"মা বললেন, "নিয়ম আছে, কিন্তু সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এটা হলো সম্ভাবনার জগৎ।"মিমি তখন ঘরে ... ...