আমরা কতটুকু পাল্টাই, অর্জন কতটুকু করি? আমি তো প্রতিদিন আমার ফেলে আসা সত্ত্বাকে অনুভব করি, আমার প্রতিটি রোমকূপে। আমি নিজেকে বোঝাবার অনেক চেষ্টা করেছি, আমি আর কালকের আমি নেই, আমি পাল্টে গেছি। কিন্তু তখনই, যেন আমাকে মুখ
বাড়ছে সমুদ্র জলের উচ্চতা….. তারপর ?মাননীয় পাঠক, আপনি কি মুম্বাই শহরে থাকেন? কিংবা আপনি কি পানাজি অথবা চেন্নাইয়ের বাসিন্দা? তাহলে কিন্তু আগাম একটা সাবধান বাণী রয়েছে আপনার জন্য বেঙ্গালুরুর সেন্টার ফর স্টাডি অফ সায়েন্স টেকনোলজি এন্ড পলিসি বা CSTEP এর পক্ষ থেকে। কেন এমন সাবধান বাণী? এই সংস্থার গবেষকদের তরফে অনুমান করা হয়েছে যে বিশ্ব উষ্ণায়নের হাত ধরে আসা বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আগামী ২০৪০ সাল, মানে আজ থেকে মাত্র দেড় দশক সময়কালের মধ্যে ভারতের উপকূলীয় ওই তিনটি জনবহুল জনপদের বর্তমান ক্ষেত্রীয় পরিসরের প্রায় ১০% এলাকা বেড়ে ওঠা সমুদ্র জলের তলায় তলিয়ে যেতে পারে। খুব সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে ... ...
যে ভাবনার অন্তরাল যেন অতীতচারী মন কেবল যে কিনা কোন এক স্থানে আর স্থির না হয়ে অনিদিষ্টে ঠাই নেয়। মস্তিস্কে ঘূর্ণায়মান জগত তাকে এক পাক যেমন ঘুরিয়ে আনে সুসময়ের নির্জন দুপুর প্রিয় আড্ডা মুখর দিনগুলোতে কিংবা রাত্রি
সারা জীবন আমরা প্রত্যেকেই অসংখ্য পরীক্ষা দিই। চলার পথে একেকটা বাধা আসে, সেই বাধাকে হারিয়ে দেওয়া অবশ্যই পরীক্ষা ছাড়া কিছু নয়। তার ওপর একটা বাধা এল আর সেটার সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়ে বাকি জীবনটা আনন্দে কাটিয়ে দিলাম, এমন তো নয়। একটার পর একটা বাধা আসে, পরপর অসুবিধা আর সমস্যা। কোনোটা বড় মাপের, কোনোটা ছোট। প্রতিটি বাধার সঙ্গে লড়তে হয়। বারবার পরীক্ষা দিতে হয়। পরীক্ষার এই ধারাবাহিকতা জীবনের ... ...
স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভে নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক শক্তির হাতেই আছে এটা অর্কর মতো বাংলাদেশের বাস্তবতা জানা বোঝা সর্বোচ্চ মানের সাংবাদিকরা মনে করেন।তাই ওর লেখা দিলাম এখানে। প্রথাগত বামেরা এখানকার সিপিএমের মতোই বাংলাদেশের আন্দোলন সম্পর্কে সন্দিহান। আমার নিজের মতে নতুন বাম এই গণমন্থনের প্রক্রিয়ায় উঠে আসছে। যেটা লোকসভা ভোটে এখানে দেখা
শশী, দিনমণি, ধরণী যেমন সত্য পাহাড়, নির্ঝর, সাগর যেমন সত্য অনন্তলতা, অলকানন্দা, নিশিগন্ধা যেমন সত্য সমুদ্রবল্লভা, ঝটিকা যেমন সত্য গগন, পবন যেমন
প্রতিবেশী বাংলাদেশের গণ অভ্যুথ্বান দেখে একটা কথা মনে হচ্ছে যেটা দুবছর আগের শ্রীলংকার গণ অভ্যুথ্বান এবং আমাদের দেশের এন আর সির বিরুদ্ধে আন্দোলন অথবা কৃষক আন্দোলনেও দেখা গেছে, সেটা হল জনতা নিজেদের মত করে রাজনৈতিক সংগঠন তৈরি করছে এবং স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনে নেমে পড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য কিছু কিছু জায়গাতে ও এই প্রবণতা দেখা গেছে। হাইতিতে কিছুদিন আগে গ্যাংস্টারেরা জনতার একাংশের সহায়তায় ... ...
এটা শেষ বিবৃতি- ★ এক দফা: খুনের দায়ে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। ★ ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করা হবে যাতে বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। ★ অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। ★ পাশাপাশি আগামীকাল ... ...
কোনোদিন ভাবিনি যে বাংলা ওয়েব সিরিজ নিয়ে কিছু লিখতে হবে। যে কটি বাংলা সিরিজ সম্পর্কে সুপারিশ পেয়েছি দেখার সেগুলিকে মাথায় রেখেই বলছি Fridaay নামে নতুন বাংলা বিনোদন অ্যাপে কৌশিক করের ‘ফটাস’ দেখে বেশ চমকে গেছি। এরকম একটা মাধ্যমে যেখানে বিনোদনধর্মীতাকেই একমাত্র মাপকাঠি ধরে নিয়ে যাবতীয় ভাবনা শুরু হয় সেখানে বিনোদনধর্মকে অক্ষুণ্ণ রেখে বা তাকে ছাপিয়ে ... ...
* ঢাকায় (৩ আগস্ট) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে স্মরণকালের বিশাল সমাবেশে লাখো ছাত্র-জনতা। সমাবেশ থেকে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে কাল অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের; জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান। রাতে শাহবাগে অবস্থান শিক্ষার্থীদের। * আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৫৮ সদস্যের সমন্বয়ক টিম গঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
সময় তো আর থেমে থাকবার নয়। বার্ষিক গতিচক্রের নিয়ম মেনে পৃথিবী আরও দুবছরের বুড়ো হয়ে গেল। এল ১৯৬৬ সাল। ১৯৫৯ -এর মতো ১৯৬৬ সালেও শুরু হল ব্যাপক খাদ্য আন্দোলন। চাল ডাল থেকে শুরু করে আলু বেগুনে পর্যন্ত আগুনের ছ্যাঁকা লাগল। চারদিকে সে কি অশান্তি। মধ্যবিত্ত গেরস্থরা একবেলা গমের খিচুড়ি খেতে লাগল। আলুর বদলে কাঁচকলা সেদ্ধ খাওয়া অভ্যেস করে ফেলতে লাগল সরকারের পরামর্শ মেনে। বছর দুই আগে কমিউনিস্টরা দুভাগে ভাগ হয়ে গেছে চিন ভারতের যুদ্ধ নিয়ে মন কষাকষি করে দলের লোকেদের ... ...
তাজা রক্তের ১৯ মে অমর হোকঃ বাংলা ভাষা আন্দোলনের রক্ত ঝরা দিন আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু ঐ অঞ্চলের জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ আন্দোলনের প্রধান উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি১৯৬১ সালের ১৯ মে ঘটে, সেদিন ১১ জন প্রতিবাদীকে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম প্রাদেশিক ... ...
এরকুল পোয়ারো ইস্তাম্বুলে তাঁর প্রিয় ক্যাফেতে সাতসকালে সবে পোচ অর্ডার করেছেন, এমন সময় দুঃসংবাদটা এসে পৌঁছল। ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসে আটজন সন্দেহভাজন খুনি ছিল, তারা একসঙ্গে খতম। হাঁচড় পাচড় করে খবর দিতে এসেছিলেন অফিসার। তদন্তের জন্য এখনই অকুস্থলে রওনা হওয়া দরকার। তাঁকে থামিয়ে পোয়ারো বললেন, দাঁড়ান, তার আগে একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস দেখে নেওয়া দরকার। ওয়েটার, ওয়েটার। ওয়েটার দূর থেকে ... ...
সন্ধে সাড়ে ছটার সময় বিভূতিবাবু পাড়ার প্রবীণ চিকিৎসক হরিপদ মিত্রকে নিয়ে এলেন। জন্মেজয়বাবু তখন অঘোরে ঘুমোচ্ছেন। ধুতি পাঞ্জাবী পরা পক্ককেশ স্থূলকায় প্রচুর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হরিপদ মিত্র মশাই কোন তাড়াহুড়ো করলেন না। জন্মেজয়বাবুকে জাগালেনও না। বিছানার সামনে একটা চেয়ারে বসে তাকে একমনে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন কোলের ওপর হাত রেখে। দেখলেন রোগীর পা বেশ ফোলা। শ্বাসের ধরণ ... ...
তখতে বসার পর আলমগীরের বাধ্যবাধকতা ছিল দারা শুকোহর রাজনৈতিক বিরোধিতা করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যার মধ্যে পড়ে দরবারে সংস্কৃত চর্চায় উৎসাহ দেওয়া বন্ধ করা। আগেই জানা গেছে দারা ঘনিষ্ঠ সংস্কৃতজ্ঞ কোবিন্দাচার্য স্বরস্বতীর ভাতা বন্ধ করেছিলেন তিনি। পণ্ডিত প্রবর কোবিন্দাচার্য মোঘল অভিজাত দানিশমন্দ খানের দরবারে পুনর্বাসন পান। তবে ব্যক্তিনিরপেক্ষ শরিয়তি বিধানে ঔরঙ্গজেব আলমগীরের আস্থা গুজরাটে সুবেদারি করার ... ...
জীর্ণতার এন্টিকুইটি জরাজীর্ণতাকে আর্ট ডেকোর সোপিস বানিয়ে তাক আর বাক্সে জীবনের লিভিং রুমে প্রপ্স হিসেবে সাজিয়ে আগলে আটকে রাখতে পারলেন কই, মিসেস সোম ? ‘‘নেলি মাসি এটা জানেন’’ ওগুলোকে ছেড়ে দিন, দুর্বৃত্ত করে খাক। নিয়ে যাক, মনের কাছে অন্তত এইটুকুন সান্ত্বনা পাবেন
পথের পাঁচালির শুটিং সেবার বন্ধ হবার উপক্রম। অপু-দুর্গার ট্রেন-দৃশ্যের শুটিং। অন্য কেউ হলে আস্ত ট্রেনই ভাড়া করত, কিন্তু মানিকবাবুর বাজেট কম, চেয়েচিন্তে কুড়িয়ে বাড়িয়ে সিনেমা হচ্ছে, তাই টাইমটেবিল দেখে শুটিং এর সময় ঠিক হয়েছে। সেই মতো লোকজন হাজির। কাশফুলের ওদিকে রেললাইন। ক্যামেরা বাগিয়ে সুব্রত মিত্র। অপু-দুর্গা পোশাক-টোশাক পরে তৈরি। একজন সরকারি কর্তাও শুটিং দেখতে এসেছেন। সবাই তৈরি, খালি ট্রেন আর আসেনা। মানিকবাবু অধৈর্য্য হয়ে ... ...
ভগবান সত্য। এই বিশ্ব যেমন সত্য ভগবান তেমন সত্য। সূর্য, চন্দ্র, বুধ, মঙ্গল যেমন সত্য ভগবান তেমন সত্য। যূথিকা, জবা, নিশিগন্ধা, হাসনাহেনা যেমন সত্য ভগবান তেমন সত্য। মানুষ যেমন সত্য, পশুপাখি যেমন সত্য, পাহাড়-পর্বত যেমন
অনেক কঠিন সত্যের পথে থাকা, অনেক সহজ মিথ্যার পথে থাকা। সত্যের পথে সবাই থাকতে পারে না, যারা পারে তারাই পায় ভগবানের ভালোবাসা। মিথ্যার পথে থাকলে সুখ দু'দিনের, সত্যের পথে থাকলে সুখ