
নিজের আচার্য, পিতামহ, জ্যেঠতুতো দাদা ও ভাইদের এবং আরও বহু আত্মীয়-বন্ধুকে যে যুদ্ধে হত্যা করতে হবে - সে যুদ্ধের পরিণতির কথা চিন্তা করেছেন অর্জুন। তিনি বিষণ্ণ হয়েছেন, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছেন, হতাশায় আচ্ছন্ন হয়েছেন। ... ...

বিজাপুরের সেনার প্রধান সম্পদই ছিল বিরাট আকারের সব কামান। তুরস্ক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের অফিসাররা এসে এখানে কামান বানাতেন, সেনাকে শেখাতেন কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। ... ...


হরিহর আর বুক্ক রায় বলে দুই ভাই বানিয়েছিলেন এই বিজয়নগর সাম্রাজ্য। ~১৫০০ সালে কৃষ্ণদেবরায়ের আমলে সেটা শীর্ষে পৌঁছয়। তার কিছুদিন আগেই ভাস্কো দ্য গামা নেমেছেন কালিকুটে। ডমিংগো পেজের মত পর্তুগিজ, অন্যান্য ইতালিয়ান পর্যটকরা বিজয়নগরের কথা লিখে গেছেন। তাদের লেখায় বিজয়নগর রোমের চেয়েও বড় শহর ছিল। ... ...

স্কুলছুট - এই কথাটার মধ্যে এক গভীর অন্ধকারের আভাস আছে। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এ এক গভীর সমস্যা। কেন শিক্ষার্থীরা স্কুলের নির্দিষ্ট পাঠবর্ষ শেষ করার আগেই স্কুলছুট হয় তা নিয়ে অনেক অনেক অনুসন্ধান ও গবেষণা হয়েছে।কারণ বহুবিধ। এমন সব স্কুলছুটদের স্কুল ছাড়ার পেছনের কাহিনি নিয়েই এই নিবন্ধ। ... ...

স্বপ্ন বিনা এ জীবন জাগিব কী রীতে? শোণিতে কন্টক তুলি কমল পিরিতে। ... ...

একলা ট্রেন যাত্রার পথে হঠাৎ উদয় হল এক সহযাত্রীর - তারপর কী হল? ... ...

দেবীও প্রসন্ন আননে কল্পতরুর মতোই পূর্ণ করলেন সকলের অভিলাষ (না করে উপায়ই বা কি - মর্তের মানুষ মনোমত বরাশীর্বাদ না পেলে দেবীর পুজোই বন্ধ হয়ে যাবে যে)। আগামী নির্বাচনে ভোট মিলবে না একটিও। ... ...

কৈলাশশিখর ছেয়ে আছে গলানো প্ল্যাটিনামে, ছেয়ে আছে অন্যান্য শৃঙ্গগুলো। চাঁদের আলোর যে এত রংবদল হতে পারে, বরফশৃঙ্গে তার আলো ছায়ার এত বৈচিত্র্যময় শেড দেখা যেতে পারে তা হয়ত কল্পা না গেলে জানাই হোত না। ঠান্ডায় হাত ঠোঁট অসাড় হয়ে যাচ্ছে, তবু চোখ সরে না। এই ক্ষুদ্র অকিঞ্চিৎকর জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল এই রাত। ... ...

এটা আক্ষরিক অর্থেই আনন্দ-সংবাদ, কারণ গোদি-মিডিয়া, হিন্দুত্ববাদী শক্তি আর সোসাল-মিডিয়া কীকরম ভয়ানক গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করছে, তার প্রমাণ পেল গুরুচণ্ডালি এবং পেলাম ব্যক্তিগতভাবে আমি, গতকাল। এদের এই যৌথ গোয়ালঘরে যে আমরা সাফল্যমন্ডিত ভাবে ধোঁয়া দিতে পেরেছি, তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ ব্যাটারা নিজেরাই দিয়ে গেছে গতকাল। গোদি মিডিয়া নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখে আসছি, ভিডিও করে আসছি। কাল ছিল "সীমান্তে বাংলাদেশীদের ভিড়" নামক গুলবাজির মুখোশ খোলার ভিডিও। সকালে উঠে দেখি অভাবনীয় ব্যাপার। ক্ষেপে গিয়ে এবিপি আনন্দ, তার মিডিয়া এজেন্টদের দিয়ে খুঁজে খুঁজে বার করেছে গুরুচণ্ডালির কোন কোন ভিডিওয় এবিপি আনন্দের ক্লিপ আছে। তারপর কপিরাইট ক্লেম করে অনেকগুলো নামিয়ে দিয়েছে। ফেসবুক এবং ইউটিউব জুড়ে। বেশি ভিউ যেগুলোর সেগুলো নামিয়েছে, সবকটা পারেনি, অত অধ্যবসায় থাকলে তো হয়েই যেত। ... ...



মাথায় হাতের স্পর্শে ছবি চমকে উঠেছিল। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল মা। ছবি মাকে জড়িয়ে ধরে বুকে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল। মালতী অবাক হল খুব – ছবিকে এতটা অসহায় ভাবে কাঁদতে বহুদিন দেখেনি। সেই ওর বাবা মারা যাওয়ার সময় ছাড়া। ছবির মাথাটা বুকে চেপে ধরে, মালতী কান্নাধরা গলায় বলল, “কী হয়েছে মা? কীসের কষ্ট তোর? হঠাৎ এভাবে কাঁদছিস কেন - একা একা বসে?” ... ...

সিমলা থেকে কল্পা ২২৪ কিমি, একবারও না থামলে ৭ ঘন্টার যাত্রা। অন্ধকার হয়ে যাবে পৌঁছাতে পৌঁছাতে। আমরা কিছু স্যান্ডউইচ প্যাক করিয়ে নিলাম, যাতে গাড়িতেই খেয়ে নিতে পারি। পথে এক জায়গায় সিএনজি নিতে দাঁড়ানো হল, তারপর সোওজা কল্পার দিকে। ক্রমশ দূরের বরফচুড়ারা কাছে এগিয়ে আসতে থাকে, আমরা উঠে নেমে আবার উঠে এগোতে থাকি কিন্নরভূমের দিকে। ... ...


ত্রয়ী হয়সালা মন্দির - বেলুর, হালেবিদু, সোমনাথপুরা ... ...

কড়ি দিয়ে কিনলাম - এক সাড়া জাগানো উপন্যাস। কড়ির মহিমা সব যুগেই অপার। কড়ি নিয়েই কাড়াকাড়ি এই কারণেই। কড়ি থাকলে আপনি সব কিছুই করায়ত্ত করতে পারবেন -- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা, আনুগত্য, মায় ভালোবাসা পর্যন্ত। আমার অবশ্য মোল্লার মতো মক্তব পর্যন্তই দৌড়ানোর ক্ষমতা। এই নিবন্ধে তারই সুলুক সন্ধানের চেষ্টা। ... ...



যারা জানেন না তাঁদের জন্য জানিয়ে রাখি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি আমার খালাত বোন। খালাত বোন বললে যেমন মনে হয় তেমন না কিন্তু আমাদের সম্পর্ক। জ্যোতির বড় হওয়া আমাদের উঠানে। খালা তখন আমাদের বাড়িতেই থাকে। আমাদের সাথে খেলতে খেলতেই জ্যোতি আজকের তারকা। আক্ষরিক অর্থেই আমাদের কোলেপিঠে করেই ওর বেড়ে উঠা। বাড়িতে মেয়ে শিশু আর না থাকায় জ্যোতির বড় হওয়াটা হয় আমাদের সাথে ক্রিকেট খেলে। আমাদেরও একটা বল বয় দরকার ছিল, বল মেরে কারো বাড়িতে পাঠিয়ে দিছি, জ্যোতি দৌড়… বলার আগেই জ্যোতি তুফান বেগে ছুটে যেত। সবার শেষ ব্যাট দিতাম, ওইটার জন্যই বসে থাকত। লাস্ট ব্যাটার হিসেবে ওকে বলা হত তুই শুধু দাঁড়ায় থাকবি, উইকেট পড়তে দিবি না। ও দাঁত চেপে দাঁড়ায় থাকত। পায়ে বল লাগলেও একটু উশ আস করে আবার দাঁড়ায় থাকত। ব্যথায় যদি কান্না করে তাহলে তো আর আমরা ওকে খেলায় নিব না, তাই ব্যথা চেপে দাঁড়ায় থাকত। এই হল ওর শুরু। এরপরে বিকেএসপিতে ক্যাম্প, এরপরে ধীরে ধীরে শুধু ওর উত্থান। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া, এশিয়া কাপের ফাইনালে জ্যোতির দারুণ সেই ইনিংস, যাতে ভর করে প্রথম কোন বড় টুর্নামেন্ট জেতার স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এর আগে পরে এখন পর্যন্ত নারী পুরুষ দল মিলিয়ে আর কোন কাপ জিততে পারে নাই। এরপরে অধিনায়কত্ব। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া, প্রথম বিশ্বকাপেই নজরকারা পারফর্ম করা, এরপরে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া। দেশের মাটিতে সিরিজ জেতা পাকিস্তানের সাথে, ভারতের সাথে সমতায় সিরিজ শেষ করা, দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে তাদেরকে হারানো, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাটিতে হারানো এমন কত কত অর্জন। সবগুলার পিছনে জ্যোতির অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নাই। এমন করে জ্যোতি নিজেকে নিয়ে গেছে আলাদা উচ্চতায়। এবার ওর তারকা খ্যাতির বিপরীত চিত্র দেখার সুযোগ আসছে। দেখছে কত কুৎসিত হতে পারে দুর্বল বুদ্ধিমত্তার মানুষের হাতে প্রযুক্তি থাকলে কী করতে পারে তারা! ... ...