
যারা জানে না সেই সব পাঠকদের জন্য বলি একটু। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ পত্র রাষ্ট্রপতির কাছে নাই এমন খবর প্রকাশের পরে খুব গরম হয়ে গেল সমন্বয়কসহ উপদেষ্টারা। পারলে সেদিনই নামিয়ে ফেলেন রাষ্ট্রপতিকে তার পদ থেকে। এমন কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করা হল তাকে যে বলার মতো না। যে এই রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে উপদেষ্টা হয়েছে সেও বলতে লাগল চুপ্পুকে টেনে নামানো হবে। তার পদে থেকে যে তিনি রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারেন না, বললে তা আইন লঙ্ঘন হবে এইটা বুঝার বা চিন্তা করার প্রয়োজনও বোধ করে নাই এরা। দেড় দুইশজন মিলে বঙ্গভবনের সামনে খুব আন্দোলন করল। সাধারণ মানুষ পাত্তাও দিল না এই সবে। সেনাপ্রধান দেশের বাহিরে, এই ফাঁকে কিছু করে ফেলবে এমন একটা শঙ্কার কথা আমি গত লেখায় লিখেছিলাম। এরপরে কী হল? এরপরে ম্যালা দোষে দোষী, এতদিন ধরে যারে ইচ্ছামতো গালিগালাজ করছি, সেই বিএনপি একটা ঐতিহাসিক কাজ করল। তারা সোজা জানিয়ে দিল রাষ্ট্রপতিকে এই মুহূর্তে সরিয়ে সাংবিধানিক যে জটিলতা তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে এতে তারা সায় দিচ্ছে না, এটা তারা চায় না! বিএনপির এই একটা ঘোষণা সব এক ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিল। কই গেল আল্টিমেটাম, কই গেলে আজকেই, ত্রিশ মিনিটের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে বলে আস্ফালন! সব দিঘির জলের মতো শান্ত নিটোল! ... ...

এদেশের ট্রাম্প থামপিং মোদী ভারতীয়রা জানেনা, এরা হিন্দুধর্মকেই কী ভীষণ ঘৃণা করে। কতবার যে মা কালীকে নিয়ে কুৎসিত কথা বলেছে এই মনস্টারগুলো! ... ...

সংসারের অন্যান্য দায়িত্বের সাথে সাথে শ্বশুরকে ভোরের চা থেকে আরম্ভ করে রাতের খাবার দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত কিছু বিমলা খুব আন্তরিকতার সঙ্গে করে। এখন টুকটাক কিছু কাজ ছাড়া মলিনাকে প্রায় কিছু করতেই হয় না। সবই বৌমা করে। কাজের ভার কমলে খারাপ লাগার কথা নয়। কিন্তু সমস্যা তো অন্য যায়গায়। সারা জীবন এই সংসার একা চালিয়েছেন। যা উচিৎ মনে করছেন তাই হয়েছে। সেই সংসারেই কাজ কমার সাথে সাথে কমে যাচ্ছে কর্তৃত্ব। এখন তাঁর ইচ্ছে অনিচ্ছেটাই শেষ কথা নয়, বৌমার মতটাই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। আর সব থেকে বিরক্তির ব্যাপার হল যে, এতে সত্যেনের প্রচ্ছন্ন আশকারা আছে। শাশুড়ি বউএর মনমালিন্য নতুন কিছু নয়। হয় না এমন বাড়ি খুব কমই আছে। কিন্তু এই তরজার কিছু নিয়ম আছে। শ্বশুরের জীবিতাবস্থায় শাশুড়ি যতদিন কর্মক্ষম থাকে ততদিন এই দ্বৈরথে বিজয় তিলক তাঁর কপালেই থাকে। তারপর ধীরে ধীরে অবস্থার পরিবর্তন হয়। কিন্তু এ তো সময় দিল না। আসার কিছুদিনের মধ্যেই মলিনাকে একেবারে নক্ - আউট করে দিল। বৌমা চিৎকার চেঁচামেচি করে না। যা করবে ঠিক করে তা করে ছাড়ে। যেটা মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে কখনই সম্ভব নয়। তাই চেঁচামেচি তাঁকেই করতে হয়। প্রথম দিকে অল্প ছিল কিন্তু বৌমার দখলদারি বাড়ার সাথে সাথে অশান্তিও পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগল। সেবা যত্ন করে শ্বশুরকেও হাত করে নিয়েছে। সেবা তাঁকেও যে করেনা তা নয়। কিন্তু সেটাই তো স্বাভাবিক। যা স্বাভাবিক নয় তা হল বৌমার মাতব্বরি। ... ...



“সে দিন কফি শপে আমি খুব বাজে বিহেভ করেছিলাম। তার পরেও আজকে ক্রাইসিসের সময়ে আপনি চলে এলেন, থাকছেন। হসপিটালের ঝামেলার পরেও…” “কফি শপের ইনসিডেন্টের জন্য আপনি আগেই অ্যাপোলোজাইজ করেছেন। আবার বলি, আমি কিছু মনে করিনি ম্যাডাম। আপনি এমনিতেই চাপে আছেন, তার ওপর সেদিন রাতে কিছু কথা বলে আমি আরো স্ট্রেস অ্যাড করেছি। অ্যাজ ইয়োর হাজব্যান্ড’স ডক্টর, আমার নিজেকে কন্ট্রোলে রাখা উচিৎ ছিল।” বিনীতার ফের মনে পড়ে গেল সেদিন তাদের বাড়ি মোবাইল ফোন ফেলে গিয়েছিল ডাক্তার। সেটা ফেরত নিতে এসে তাদের বাড়ির ঠিক বাইরে দাঁড়িয়ে ইন্দ্রনীল তাকে বলেছিল, “আমার মনে থাকে শুধু সেগুলোই যার সঙ্গে আপনি জড়িত।” ফের মুখ খুলল ইন্দ্রনীল, “আমার মনে হচ্ছে সেদিন এটাও বলেছিলাম যে লজ্জা, ঘৃণা, ভয় আমার নেই, কথায় কনট্রোল থাকে না। ফলে অনেক সময়েই সমস্যা তৈরি হয়।” সামান্য সময় চুপ করে থেকে বিনীতা উত্তর দিল, তবে সেটা ডাক্তারের আগের কথার। “আমার হাজব্যান্ডের ডাক্তার বলে আমি অ্যাপোলোজাইজ করিনি। আমার ব্যবহার খারাপ ছিল বলেই করেছি।” এবার ইন্দ্রনীল একটু চুপ করে থাকে। বুক কেসের ওপর রাখা অরুণাভর পরিবারের ছবির দিকে তাকায়। তারপর তাকায় বিনীতার দিকে। “একটা কথা বলি ম্যাডাম, আমি যেটা আপনাকে সেদিন রাতে বলেছি, সেটা আমার ফিলিং, আর প্রফেশনকে আমি ফিলিং-এর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। আপনার কোন ক্ষতি জ্ঞানত আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তবু চাইলে আপনারা ডাক্তার চেঞ্জ করে ফেলতে পারেন।” ... ...



আসিফ নজরুল রাষ্ট্রপতিকে শপথ ভঙ্গ করেছেন বলেছেন। খুব ভালো, রাষ্ট্রপতি আগে বলছে তিনি পদত্যাগ পত্র পেয়েছেন এখন বলছেন পান নাই। এইটা তো মিথ্যাই বলা হয়েছে। হয় তখন বলেছেন অথবা এখন বলছেন। যদিও আমার মনে হয় না তিনি ইচ্ছা করে মিথ্যা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পরে তখন তাঁর আসলে কী করার ছিল? গোঁ ধরে বসে থাকা? না আমি পদত্যাগ পত্র না দেখে ভাষণ দিব না? তাঁর আসলে উপায় ছিল না। সেই সময় অনুযায়ী যা করার তাই তিনি করেছেন। যাই হোক, ধরেই নিলাম মিথ্যাই বলেছেন। শপথ ভঙ্গ করেছেন। মাননীয় আইন উপদেষ্টা জনাব আসিফ নজরুল কি শপথ ভঙ্গের এই একটাই উদাহরণ দেখেছেন এই কয়দিনে? আর কেউ শপথ ভাঙ্গে নাই? আর কেউ সংবিধানের বিপরীতমুখী কথা বলে নাই? জনাব নাহিদ ইসলাম যে সরাসরি জাতির জনককে অস্বীকার করল তা শপথ ভঙ্গের ভিতরে পরে নাই? আমাদের সংবিধানের চারের ক ধারায় স্পষ্ট করে বলা আছে - "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।" নাহিদ সাহেবসহ সবাই যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলছেন তা শপথ ভঙ্গ করে নাই? আপনি মানেন না, জাতির জনককে বদলে দিবেন সব বুঝলাম। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত না করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত এই সংবিধান মেনে চলতে আপনি বাধ্য। আইনের লোক এইটা তো না জানার কথা না! না এখানে আমরা যা করব তাই হচ্ছে সঠিক বাকি গুলো সব ভুয়া। কিংবা আমরা যা বলব তাই সত্য, আমরা যাকে মিথ্যা বলব তা মিথ্যা! আমরা যাকে অপরাধী বলব তারাই অপরাধী। ইউনুস রাজ বলে কথা, হতেও পারে! তবে আজকে আপনের ক্ষমতা আছে, যা ইচ্ছা করে গেলেন, বলে গেলেন, এইটাই শেষ না। ইতিহাসে এগুলা লেখা থাকবে। আপনারা সংবিধান ভঙ্গ করেছেন, করেছেন, করেছেন! ... ...


সরকার- জুডা আলোচনার পুরোটা শুনলাম। আগেই লিখেছিলাম, এই দাবী-টাবীগুলো মোটের উপর মিটে গেছে, একটা বাদে। স্বাস্থ্যসচিবের পদত্যাগ। সেটা বেশিদূর যাবেনা, সেটাও বলেছিলাম। সেটা নিয়ে চারটি কথা হল। ওঁকে আদৌ অভিযুক্ত বলা যায় কিনা, আইনগতভাবে। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, বলা যায়না। ওঁরা বললেন যায়। এবার অভিযোগ কোন পর্যায়ে গেলে সেটা ফর্মাল হয়, আইনত আমি বলতে পারবনা। তবে ওটা এক্তিয়ারের বাইরে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং সেখানেই কথা শেষ। ডাক্তাররা মেনে নিয়েছেন, অনশনও তুলে নিয়েছেন, ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ঠিকই বলেছিলাম, ওটা বড় কোনো ব্যাপার ছিলনা। ... ...

সুবর্ণ গোস্বামী এখনও ইন্টারভিউ দিচ্ছেন দেখে একটু আশ্চর্য হলাম। কাল কলকাতা টিভিতে দেখলাম, বেশ ক খানা কথা বলেছেন। গোটা তিনেক পয়েন্ট বেশ ইন্টারেস্টিং। এক, ওঁর বিরুদ্ধে ( ২০০১ সালের) অভিযোগ প্রসঙ্গে বললেন, "...আমাদের খবরের কাগজগুলোর কোয়ালিটির কথা বলছি। তারা ভেরিফাই করেনা, লিখে দেয়..." এইটা শুনে বেশ ভালো লাগল। খানিকটা একমতও। কেবল না-যাচাই করা 'সূত্র' এর 'খবর' গুলো নিজের পক্ষে গেলে সুবিধাজনকভাবে চুপ থাকেন কেন, আর বিপক্ষে গেলেই কেন গর্জে ওঠেন, এইটা বোঝা গেলনা। ... ...



এবারের দুর্গোৎসব অন্যরকম। ঘরে, বাইরে, সর্বত্র। তাই ভিড় থেকে নির্জনে এসেছি আমরা। কিন্তু কোথায় কী — বনপথে পাখি ও ঝিঁঝির কলতানে কান পাতা দায়। দিগন্তে ত্রিশূল, নন্দাদেবী, পঞ্চচুল্লীর বড় বড় মণ্ডপ দেখতে ভিড় করেছে পাইনের লাইন। আর আলোসজ্জা তো নক্ষত্রের — তেমন আর কখনও দেখিনি আগে… ... ...

শেরপুরের বন্যার অবস্থা ভয়াবহ। পাহাড়ি ঢল এমন ভাবে আসছে যে এখন মনে হয় বন্যা হইছে না যেন টর্নেডো হয়ে গেছে। সব বাড়িঘর ভেঙ্গেচুরে শেষ। সরকারি সাহায্য নাই। ইউনুস সাহেব ফেনি কুমিল্লার সময় এক হাজার কোটি টাকার ত্রাণ তহবিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ঘোষণাতেই মোসাহেবিরা বাহ বাহ! কি দারুণ কাজ বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছিল। কিন্তু দেখা গেল সেই তহবিলের কোন খবর নাই। আমরা বাংলাদেশী না অন্য কোন দেশের অংশ তাও ঠিক মতো ঠাওর করতে পারছি না। মানুষের কোন বিকার নাই। সরকার তো দায়িত্ব পালন করবে? তারও কোন হুশ নাই। এইটা বলার জন্য এই প্রসঙ্গ আনি নাই। পূজার ছুটিতে জেলার সকল এবং সফল ছেলেমেয়েরা সব বাড়ি ফিরেছিল। বন্যার জন্য সবাই ঝাঁপিয়ে পরে কাজ করেছে। এক সাথে কাজ করেছি আমরা। এদের মধ্যে একজন সচিবালয়ে আছেন। মানে হচ্ছে প্রশাসনের একদম টপ লেবেলেই কাজ করেন তিনি।শেষ দিন, ছুটি শেষ, পরেরদিন চলে যাবেন। আমি সুযোগ পেলাম কথা বলার। বললাম ভাই, অবস্থা কী? ভিতরে কী চলছে? তিনি যা বললেন তা হচ্ছে কিছুই ঠিক নাই। সব অগোছালো। আগা থেকে পাতা পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা চলছে। কোন নিয়ম নীতি নাই। আর? আর শিবির আর জামাতের কর্মীরা সমানে ঢুকছে প্রশাসনে! উনার বক্তব্য হচ্ছে শোন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি, শিবির দেখলেই চিনি। এরা সব মিছিল করে নানা পোস্টে ঢুকছে। বিএনপির পুলাপান তো তৈরিই না যে ঢুকবে। আর এরা সব তৈরি হয়েই বসে ছিল। ইউনুস কী প্লান করছে জানি না। যা দেখলাম তাই কইলাম। ... ...

বিনীতার মোবাইল বাজছে। ইন্দ্রনীল নিশ্চয়, নাহ - গায়ত্রী। “হ্যালো?” “দাদার ডাক্তারের নাম ইন্দ্রনীল বিশ্বাস তো?” “হ্যাঁ, কেন?” “ওনাকে নিয়ে আজ হসপিটালে কিছু একটা হয়েছে।” “কী হয়েছে?” উৎকণ্ঠিত হয়ে জিজ্ঞাসা করল বিনীতা। “এক এমএলএ-র আত্মীয় ওনার পেশেন্ট ছিল, সে আজ মারা গেছে। তাই নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। টিভিতে দেখাচ্ছে।” সেই জন্যই কি ফোন ধরছিল না ইন্দ্রনীল! ‘না ধরলেও চিন্তা করবেন না’ এই কথার সাথে হাসপাতালের ঝামেলার কোনও যোগ আছে না কি! “কী হয়েছে? ওনাকে মারধর করেছে? হাসপাতালে ভাঙচুর হয়েছে?” “না, তবে জোর হল্লাবাজি হয়েছে। হাসপাতাল বলেছে তাদের কোনও দোষ নেই। যে কোনও তদন্তের মুখোমুখী হতেও তারা রাজী।” বিনীতা টের পেল আর একটা কল আসছে তার ফোনে, এক ঝলক তাকিয়ে দেখল - ইন্দ্রনীল। ... ...

তাহলে দেখা যাচ্ছে, যৌন চক্র অন্তত বছর তেইশ ধরে চলছে, যদি সূত্রের খবরে আস্থা রাখতে হয়। নতুন কী বেরোলো তাহলে বর্তমানে? তিনটে নতুন জিনিস পাচ্ছি। ১। শিয়ালদহ আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে আর জি করের হস্টেল থেকে পর্নোগ্রাফির শ্যুটিং সংক্রান্ত ট্রাইপড, লাইট রিফ্লেক্টার সহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করেছিল সিআইডি। এমনকী সিআইডি তার রিপোর্টে লিখেছিল, যৌনকর্মী ভাড়া করে এনে শ্যুটিং হতো সেখানে। ২। সে বছরের ১২ নভেম্বর সাংবাদিক সম্মেলন করে সরাসরি এসএফআই নেতাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এনেছিলেন (মৃতর মা ) সবিতাদেবী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ‘কলেজ ব্যাগের নাইলনের স্ট্র্যাপ দিয়ে ওকে ঝোলানো ছিল। মুখের মধ্যে ঠেসে রুমাল গোঁজা ছিল। দরজা খোলা। এভাবে কেউ আত্মহত্যা করে? ঘটনার পরদিন ২৬ আগস্ট চিৎপুর থানায় এফআইআর করি এবং তদন্তকারী অফিসারদের সমস্ত বিষয়টি জানাই। এরপর সুবিচারের জন্য কলেজ প্রিন্সিপাল, পুলিস কমিশনার, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও বারবার প্রার্থনা জানিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর (প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য) অফিস থেকে পাঁচবার আমার জমা দেওয়া আবেদনপত্র হারিয়ে যায়। আজ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পেলাম না।’ ৩। যেটা বিস্ফোরক, সেটা হল, সেই সময় যিনি আরজি করে এস এফ আই এর নেতা ছিলেন, তাঁর নাম সুবর্ণ গোস্বামী। ... ...


এসজি (SG): চার্জশিটের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০২৪। সিজেআই (CJI): (নির্দেশ দেন) সিবিআই কর্তৃক জমা দেওয়া ১৫ অক্টোবরের ৫ম স্ট্যাটাস রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, এ পর্যন্ত হওয়া তদন্তের ভিত্তিতে ৭ অক্টোবর তারিখে সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে বি.এন.এস এর ধারা ৬৪, ৬৬ অনুযায়ী অপরাধের জন্য একটি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এ.সি.জি.এম. শিয়ালদাহের একটি আদেশ অনুযায়ী মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিচার বিবেচনার শুনানির তারিখ ৪ নভেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। সিজেআই: সিবিআই এর রিপোর্টে বলা হয়েছে অন্যান্য অভিযুক্তদের ভূমিকা সংক্রান্ত চার্জশিট এখনও তদন্তের বিষয়। সিবিআই কিছু পক্ষ থেকে সংযোগও পেয়েছে, সেগুলোও সিবিআই পর্যালোচনা করছে। ... ...