
প্রশ্ন: ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর হিসেবে যেটা পরিচিত ছিল, সেই জাদুঘর ৫ আগস্টের পর বিনষ্ট করা হলো। ১৫ আগস্টে সরকারি যে ছুটি ছিল, সেটাও আপনার সরকার বাতিল করেছে। বঙ্গবন্ধুর বহু ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ নিয়ে বেশ খানিকটা সমালোচনাও হচ্ছে। আবার অনেকেই বলছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁরা ফ্যাসিবাদের আইকন হিসেবে দেখছেন। তাঁরা বলছেন, এ কারণেই এটা ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জাতির জনক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বীকৃত। এ ব্যাপারে আপনার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী? ড. ইউনূস: আপনি পুরানো দিনের কথাবার্তা বলছিলেন। এর মধ্যে একটি গণ–অভ্যুত্থান ঘটে গেছে, এটা বোধ হয় আপনার স্মরণে নেই। আপনি এমনভাবে কথা বলছেন যেন এসব ঘটনা ঘটেইনি। কাজেই নতুন ভঙ্গিতে যা হচ্ছে, সেটাকে দেখতে হবে তো। কত ছেলে প্রাণ দিল, সেটা নিয়ে আপনার প্রশ্ন নেই। কেন প্রাণ দিল। সেগুলো আসুক। কাজেই প্রথমে স্বীকার করতে হবে যে, ছাত্ররা বলেছে, আমরা রিসেট বাটন পুশ করেছি। এভরিথিং ইজ গন। অতীত নিশ্চিতভাবে চলে গেছে। এখন নতুন ভঙ্গিতে আমরা গড়ে তুলব। দেশের মানুষও তা চায়। নতুন ভঙ্গিতে চলার জন্য যেটা আছে, সেটা আমাদের সংস্কার করতে হবে। ... ...

আদর আহ্লাদ ভালবাসা বোঝানো - দিব্যি তো এসব দিয়েই ঠাসা ছিল। ভালো কথা কানে ঢুকলো না। তাই শুধু শেষের একটা লাইনে গিয়েই যতো সব গোলমাল, হুমকি সংস্কৃতি ..... থ্রেট কালচার? তা যদি সত্যি হয় তবে বলতে হয় রাজনীতির গোড়ার কথাই হল থ্রেট কালচার। রাষ্ট্র বিজ্ঞানী এলান বল লিখেছেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি, প্রশাসন, তারা সবাই তার নিজস্ব মতে, পথে অন্যকে প্রভাবিত চালিত করতে চায়। এই প্রভাবিত করার সামর্থ্য দুই রকম। প্রথমত অনুনয়, বিনয়, বুঝিয়ে বলা, এটা দেব, ওটা দেবো, পাইয়ে দেবো, খেতাব দেবো, পুরস্কার দেব, এমন কত কিছু। এতে যদি কাজ না হয়, তার জন্য থাকে তিরস্কার, হুমকি, একটু ভয় দেখানো, হালুম, ফোঁসস। এই গোটাটা মিলেই একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বাবা বাছায় কাজ না হলে ফোঁসস করা। কথা হলো পুরস্কার আর তিরস্কারের অনুপাতটা কেমন থাকবে। কারণ আল্টিমেটলি সব রাষ্ট্রের শেষ অস্ত্র ফোঁসস করা। ... ...

সুপ্রিম কোর্টের শুনানি হয়েছে আজ। তার তিনটে জিনিস অদ্ভুত। এক, গত তিনটে শুনানিতে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে নানা চাপান-উতোর শোনা গেছে। ফুটেজ কতটা দেওয়া হয়েছে, সাতাশ মিনিট না পুরোটা। টুকরো দেওয়া হয়েছে না গোটা। সেই নিয়ে গোটা বঙ্গদেশ উত্তাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই শুনানিতে বিষয়টাই পুরো গায়েব। নিশ্চয়ই মিটে গেছে বিষয়টা। কিন্তু গোটা দেশ শুনানি শুনছে, শেষমেশ কী দাঁড়াল বলার প্রয়োজন বোধ করলেন না কেউ। ... ...

কলকাতার ট্রামের সাথে অদ্ভুত ভাবে জড়িয়ে ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর যুগের শ্রেষ্ঠ কবি জীবনানন্দ। তার বহু কবিতায় ট্রামের অনুষঙ্গ উঠে এসেছে অবধারিত ভাবে। যে ট্রামলাইন ধরে অজস্র বার হেঁটে গেছেন, সেই ট্রামলাইনেই ট্রামের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন অন্যমনস্ক কবি। সেই আঘাত আর সামলে উঠতে পারেননি। শেষ পর্বে তাই কবি ও ট্রাম। যখন লিখেছিলা্ম তখন ও তিনটে রুটে ট্রাম চলত টিম টিম করে। আর এখন তো তার মৃত্যু ঘন্টা বেজে গেল। ... ...

আজকের শুনানির দুটো কৌতুহলোদ্দীপক জায়গা। এক, গত তিনটি শুনানি ধরে সিসিটিভি সাতাশ মিনিটের নাকি পুরো আছে, এ নিয়ে প্রচুর জল্পনা শুনেছি। আজ সেটা ভ্যানিশ। আশা করি বিভ্রান্তি মিটেছে, কিন্তু পাবলিককে জানানোর কোনো প্রয়োজন কেউ বোধ করেননি। দুই, জুনিয়ার ডাক্তারদের আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার সারাক্ষণ বলে গেলেন জু-ডা রা সমস্ত এসেনশিয়াল সার্ভিস পালন করছেন (যার মধ্যে আইপিডি এবং ওপিডি অন্তর্ভুক্ত)। এটা কি ডাক্তাররা জানেন? নাকি জেনে বুঝেই এইরকম কৌশল নেওয়া হয়েছে। যা হোক, এই হল আজকের মোটামুটি অনুলিপি। হুবহু শব্দ ধরে ধরে নেই। মোটামুটি ভাবানুবাদ আছে। কানে শুনতে শুনতে লেখা। ফলে একটু আধতু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। ... ...

স্কুলজীবনের শেষ বেলায় ট্রাম ছিল রোজকার বাহন। সকাল -বিকেলের সেই যাতাওয়াতে লেখা হত অনেক গল্প। এইবারের পর্বে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর এক দল কিশোর-কিশোরীর গল্প। ... ...

১৯৮০ এর শেষের বছরগুলোতে ট্রামে করেই স্কুল যাতাওয়াত ছিল। বেহালা থেকে বালিগঞ্জ। ২৭ নং আর ২৪/৩৭ ! তখন ঐ রুটে স্কুল কলেজের সবাই ঝেঁটিয়ে ট্রামেই যেত। ট্রামে বসার জায়গা পাওয়া যেতনা। পাদানী থেকে ঝুলত প্রায় লোকজন। এখন সে কথা মনে করলে অবিশ্বাস্য লাগে। একটা প্রজন্মের অনেক গল্প তৈরি হত ঐ যাওয়া আসাতে। ... ...

আবার খান দুই বিপদ সংকেত। গত দুদিনে 'ফাঁস' হয়েছে কিছু চাঞ্চল্যকর নথি। ময়নাতদন্তে অনিয়ম নিয়ে চাপান-উতোর চলছিলই। কেন আরজিকরে, নিয়মমাফিক হয়েছে কিনা ইত্যাদি। 'ফাঁস' হওয়া নথি থেকে দেখা যাচ্ছে, আরজি করেই ময়নাতদন্তের দাবী জুনিয়ার ডাক্তারদের এবং নির্যাতিতার বাবার। আরজি করের অধ্যক্ষকে উদ্দেশ্য করে জুনিয়ার ডাক্তারদের পক্ষ থেকে লেখা ওই চিঠিতে হলা হচ্ছে, তাঁরা যে জিনিসগুলি চান বা সহমত পোষণ করছেন, তা হলঃ ১। জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আরজি করেই ময়নাতদন্ত হবে। ২। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রহণ হবে। ৩। টিমে একজন ময়নাতদন্ত শল্যচিকিৎসক এবং অন্তত দুজন মহিলা শল্যচিকিৎসকের উপস্থিতি থাকবেন। ৪। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্ত চাই। ৫। চারজন মহিলা জু-ডা উপস্থিত থাকবেন ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়ায়। এতে সই করেছেন মৃতার বাবা, সঞ্জীব মুখার্জি (সম্ভবত 'কাকা'), এছাড়াও জুনিয়র ডাক্তাররা (তাঁদের তরফে কারা পড়া যাচ্ছেনা)। এই চিঠি দেওয়া হয় বিকেল ৩ঃ৫৫ তে। চিঠিতেই সময় উল্লেখ করা আছে। ... ...

এলাকাটা ইতিমধ্যেই ভুতুড়ে আকার ধারণ করেছে! এই দাবদাহেই বিদ্যুতটা দরকার সব থেকে বেশী, অথচ প্রতি বছর এই সময়েই লোডশেডিংয়ের ভূতটা চেপে বসে! কর্তৃপক্ষ অবশ্য হরহামেশাই ‘সীমিত সম্পদ’ কার্ডটা ছেড়ে দেয় বাজারে! কিন্তু মাটির নীচে ও উপরে এত সম্পদ আছে আর কয়টা দেশে? ... ...

বিদিশার বাহুপাশে আবদ্ধ হয়ে তন্ময় ভাবে এই সেই দেহ যার মনের খবর না জেনে ক্ষণিকের দুর্বলতায় নিজের মত করে পেতে গিয়ে খোয়া গিয়েছিল তার প্রেম। ... ...

আর জি কর, এনআরএস এসব তো বড় বড় ক্ষেত্র। চন্দননগর মহাকুমার ছোট হাসপাতাল। সেখানে নামি দামি ভালো মেডিসিনের ডাক্তার আসেন। কিছুদিনের মধ্যেই মারধর খেয়ে চলে যায়। কেউ থাকেন না। তালিকায় নামিদামি ডাক্তার আছেন। ডক্টর জেএন নসিপুরি, ডক্টর এস ডি রায়, ডক্টর অলোক ঘোষ, ডক্টর সুজিত মিত্র, কে নেই তালিকায়। এরা কেন থাকেন না? কেন এদের মার খেতে হয়? কারণ এলাকায় এক বা একাধিক ডাক্তার আছেন, হাসপাতালে ভালো মেডিসিনের ডাক্তার এলে তাদের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। তাই এরা কোন না কোন ইস্যুতে এদের ওপর হামলা চালায়। এটারই চরম রূপ ছিল রানাঘাটে ডাক্তার চন্দন সেনের খুন হওয়া। মনে রাখবেন এসব আশি নব্বই এর দশকের কথা। তখন বাম শাসন, আর চন্দননগরে দুজন মন্ত্রী, শ্রী রাম চট্টোপাধ্যায় ও শ্রী ভবানী মুখোপাধ্যায়। আমরা দেখেছি তখন নেতা ডাক্তার অঞ্জন পান, ডাক্তার অমিত পান, ডাক্তার তাপস সেন। কাকে দূরে পাঠাতে হবে, কাকে কাছে আনতে হবে জানতেন তাপস সেন।কথায় কথা বাড়ে। অসুস্থ অবস্থায় একবার চন্দননগরের এক নেতা ডাক্তার কে দেখাচ্ছি। কদিন পর জেলা অফিসে গেছি। নেতা মহিতোষ নন্দী বললেন, তুমি আর ডাক্তার পাওনি, অমুকে পার্টি করে, নেতাগিরি করে, ও ডাক্তার না। ওর বউ ডাক্তার। এই সব নেতারা আই এম এ চালায়, একে বসায় ওকে দাঁড় করায়। ... ...


এই পর্বে পঞ্চাশের দশকের এক পয়সা ট্রাম ভাড়া বৃদ্ধির আন্দোলনের শেষ কিস্তি। ... ...

ডক্টর ইউনুস তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন এই আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড হিসেবে। সেখানে তিনি বলেন, "He (Mahfuz) is known as Subedar behind the whole revolution, he denied repeatedly it’s not me many others …but now we recognise that there brain behind the whole thing … it’s amazing meticulously designed thing…it’s not just suddenly came it’s not like that…very well designed … even the leadership pattern …people don’t know who is the leader…you can’t catch one and say it’s over…it’s not over" ... ...

ধপাস করে সোফায় বসে পড়ল বিনীতা, তার হাতে এখন একটা প্লাস্টিকের ফোল্ডার, তাতেই রয়েছে সুপ্রিয়া ম্যাডামের দেওয়া প্রশ্নপত্র। সেটা আর নিজের ব্যাগটা পাশে রাখল সে। কী করবে, কী বলবে কিছুই ভেবে পাচ্ছে না সে। নেশা হয়ে গেলে গাড়ি চালিয়ে ফিরবে কী করে? এখানে তাদের খাওয়ার কথা ছিল, খিদেও পেয়েছে অল্প, কিন্তু এখন খাওয়াটারই বা কী হবে? রঙিন বাইরে রয়েছে, তাকে তোলার কথা ছিল ফেরার সময়ে; সেটারই বা কী করা যাবে? কতটা মদ খেয়েছে অরুণাভ? বেশি তো খায় না কখনই। তার স্বামীর মধ্যে যে সব বদল দেখছে গত কয়েক মাসে, এটাও কি তার মধ্যেই পড়ে? কিন্তু ডাক্তারই বা কী করে মদ খাওয়া অ্যালাও করল? ... ...

গতকাল সিবিআই অভিজিৎ মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষকে শিয়ালদা কোর্টে হাজির করে। নজিরবিহীনভাবে আদালতেই বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীরা। বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অভিযুক্তদের তরফে কেউ মামলা লড়বেন না। সেই ইস্যুতেই এদিন বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীদের একাংশ। এরপর সিবিআই-এর আইনজীবী ‘ইন ক্যামেরা’ শুনানির আবেদন জানায়। সিবিআই-এর আইনজীবী বলেন, আদালতের ভিতরে যেভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে, এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। অভিজিৎ মণ্ডলের আইনজীবী জামিনের আবেদন জানান। তিনি সওয়াল করেন, পুলিশের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে গ্রেফতারের আগে অনুমতি চাওয়া হয়নি। সাতবার নোটিস পেয়েই হাজিরা দিয়েছেন তিনি, দুবার মৌখিকভাবে ডাকা হয়েছে, তখনও গিয়েছেন। কোন গ্রাউন্ডে গ্রেফতার, তা এখনও জানানো হয়নি। সিবিআইএর আইনজীবী জানান, তাঁরা সন্দেহ করছেন, টালা থানায় সাক্ষ্যপ্রমাণ বদলে দেওয়া হয়েছে, রেকর্ড নষ্ট করা হয়েছে ( রিমান্ড কপিতে কী লেখা আছে জানা যায়নি, এটা আইনজীবীর বক্তব্য)। তিনি জামিনের বিরোধিতা করেন। ... ...

ট্রাম কিভাবে কলকাতার ব্যক্তি মানুষ এ সমাজের সংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে ছিল গত শতাব্দীতে এ লেখা তাকে ধরতে চেয়েছে। এটি প্রবন্ধ না আবার ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা ও নয় পুরোপুরি। নিজের অভিজ্ঞতাকে ট্রামের মিথের সাথে মেলানোর এক চেষ্টা মাত্র। ... ...

আপনজনেরা বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে চেষ্টা করেছে আমার কক্ষচ্যুত বিক্ষিপ্ত মনকে জীবনের সঠিক ট্র্যাকে পুনঃস্থাপন করতে, কিন্তু ধীরে ধীরে ভাবনায় পরিবর্তন এলেও বাস্তবে তার কোন প্রতিফলন হয়নি। প্রথমদিকে চাইনি আর পরে চেয়েও পারিনি। বাধ সেধেছে চক্ষুলজ্জা। ... ...

ভারতের প্রধানমন্ত্রী যেমন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী, তেমনই ভারতের এজেন্সিই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। এতদিন দেখে-দেখে যা বুঝেছি, ওরা প্রথমে কাউকে গ্রেপ্তার করে। তারপর বলে ৯০ দিন বাদে চার্জশিট দেব। নব্বই দিন শেষ হলে আরও ছমাস চায়। ছমাস শেষ হলে কিছু একটা জমা করে বলে সাপ্লিমেন্ট দেব পরে। তারপর কোনো একদিন সপ্লিমেন্ট দিয়ে বলে, এতে কিছু বোঝা যাচ্ছেনা। আরও কাগজ চাই। সব শেষ হলে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রমাণটা কই, তখন তারা বলে, ওটা তো মিডিয়া থেকে টুকেছিলাম। ... ...

আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নৃশংস খুন ও ধর্ষণের ঘটনার পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গ সাক্ষী থাকল এক অভুতপূর্ব আন্দোলনের যা আমার মতে, রাজনীতির পুরনো ছক ভেঙ্গে দিয়ে তৈরি করেছে এক নতুন, বিকেন্দ্রীকৃত রাজনীতি। সেই রাজনীতির নির্মাণে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং সমাজে সেই রাজনীতির প্রভাবকে ক্ষমতা-তত্ত্বের লেন্সে দেখার একটি প্রয়াস। ... ...