এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আধুনিক কবিতা আর আম জনতা

    shyamal
    অন্যান্য | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ | ২৩৮৫১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kanti | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১৯:৫৮421859
  • তাহলে বুঝবেন নাআআআআ, বলে পন কোরেছেন, নিশ্চয়।
  • d | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২০:০২421860
  • আর শমীক তো টিটি-ও খেলত কোথায় যেন। ক্যামনে খেলত?
  • Bratin | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২০:০৯421861
  • আমার মনে হয় এখানে একটা বেসিক গন্ডগোল হচ্ছে কবিতা র interpretation উদাহরন দিতে অনেকে এ অঙ্কের কথা বলেছেন, আমাদের একটা সহজ জিনিস মনে রাখতে হবে, একটা দ্বিঘাত সমীকরনে র সমধান হিসাবে দু টো রূট ই বেরোবে তা যে মেথড ফলো করা হোক না কেন।

    কিন্তু কবিতার বেলায় তা হবার যো নেই। এক ই কবিতা র লাইন র আমার, interpretetion, Mr X র সাথে না ও মিলতে পারে বা ২ জনের কারো চিন্তা ভাবনা কবি র সাথে না ও মিলতে পারে। কিন্তু কেউ ই ভূল নয়। 'in between lines' চিন্তা করার জন্যে ই কবিতা পড়া.....
  • arjo | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২০:১৪421862
  • না না কেসটা ঠিক অমন না। বুঝিয়ে বলি। এই যেমন আমি ক্রিকেট ভালবাসি, প্রচণ্ড ভালবাসি কিন্তু ডাংগুলি মানে টি২০ ভালবাসি না। এইরকম আর কি। তার মানে আবার বুঝবেন না যেন আমি ""আধুনিক"" কবিতার সাথে টি২০ র তুলনা করছি। একটা জিনিষের একটা ফর্ম ভাল লাগে বলে সমস্তটাই ভাল লাগতে হবে এমন নয়। আর সবাই এমন ভাবে বললে যে কবিতা বুঝতে হলে আগে এই করুন, সেই করুন, রেনেশাঁ বুঝুন, ফরাসী সিম্বলিজম বুঝুন, ছন্দ বুঝুন, শক্তির সুবর্ণরেখা বুঝুন, তাতে বেশ চাপ। এবারে বডিলাইন সিরিজ পড়তে হলে লারউডের শ্রমিক সঙ্কÄ¡ ও তৎকালীন ব্রিটেনের আর্থ সামাজিক অবস্থা পড়ে উঠতে হয় তাহলে খুব চাপ। দুটো কারণে এই চাপ নেওয়া যায়। এক, পরীক্ষা পাশ করতে হবে, দুই, প্যাশনটা প্রবল। প্যাশনটা কেমন ভাবে তৈরি হয় এটা বলা খুব মুশকিল। ছোটবেলার ভাল লাগা, অনেক দেখা, শোনা, পড়া, বা তাতিন বর্ণিত লাইম লাইট সিনড্রোম সব কিছুর একটা কনভেক্স কম্বিনেশন মনে হয়।

    আর একটা ব্যপার আছে অনেকেরই একটু বাইনারি সিস্টেমে ভাবা অভ্যেস আছে (আমারও আছে)। সমস্ত কিছুই হয় প্রুভড নয়ত ওপেন প্রবলেম, মানে কোনদিন প্রুভড হবে। কবিতা পড়তে গেলে এই ধরণের লোকেদের একটু অসুবিধা হয়। ইন্দ্রিয় গুলো একটু সজাগ থাকলে আর বাইনারি সিস্টেমের বাইরে ধূসর কিছুও হয় সেইটা ভেবে নিতে পারলে ভাল লাগে। যত ভাল লাগে তত পড়ি, যত পড়ি ততই একটা একটা করে দরজা খোলে এমন আর কি। কিন্তু যদি ভালই না লাগে তাহলে চাপ নিয়ে লাভ নেই। কবিতা নিজে যেমন ঠিক সাদা আর কালো নয়, কবিতা ভাল লাগা বা না লাগাও ঠিক তেমন সাদা বা কালো না।
  • shyamal | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২০:২২421863
  • কান্তিবাবু,
    আপনি কি এই টইয়ের টাইটলটা পড়েছেন? আমি কবিতা বুঝি কি না বুঝি সেটা কিন্তু নয়। দেখি আমার প্রশ্নটা আপনাকে বোঝাতে পারি কিনা। এক্ষেত্রে আম জনতা বলতে অবশ্য ঠিক আম জনতা বোঝাইনি। বুঝিয়েছি কয়েক কোটি মধ্যবিত্ত বাঙালী যারা কলকাতা ও জেলাগুলোর বড় শহরে থাকেন, কেউ কেউ গ্রামেও থাকেন, তাঁদের একটা বড় অংশ গল্প, উপন্যাস পড়েন। সত্যজিত, সুনীল, শীর্ষেন্দু, শংকর, সুচিত্রা ভট্টাচার্যের বই শুধু পড়েন না, পয়সা দিয়ে কেনেনও। বেস্ট সেলার লিস্ট দেখুন। আমি তাদের একজন উদাহরণ মাত্র। এদের অনেকেই রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনেন, ঋতুপর্ণ, অপর্ণা ইত্যাদির ছবি দেখেন।

    এদের জাস্ট অশিক্ষিত, আনকালচার্ড, নবকল্লোল-টাইপ বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আমার প্রশ্ন ছিল যে যথেষ্ট কালচার্ড হয়েও কেন এরা কবিতার বই কেনেনা বা পড়েনা?
    শমিকের খেলার ইন্টারেস্টের সঙ্গে তুলনা করা যাবেনা কারণ আম জনতার একটা বড় অংশের কোন না কোন খেলায় ইন্টারেস্ট আছে নিজে না খেললেও। কিন্তু আপনার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সঙ্গে বিশেষভাবে তুলনীয়। এখানে আমি গজল, ঠুংরি, ধ্রুপদ, ভজন বাদ দিচ্ছি কারণ এদের প্রচুর মানুষ ধ্রুপদাঙ্গের রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলের গজল, জগজিত সিং, গুলাম আলি, অনুপ জালোটা আগ্রহ নিয়ে শোনেন। আপনার বক্তব্য হার্ডকোর খেয়াল বা সেতার, সরোদ। সেটা সত্যিই আধুনিক কবিতার মত রেয়ারিফায়েড আর একলেকটিক। কিন্তু সেটা পাঁচশো বছর আগেও ছিল। অন্যদিকে ভারতে সাহিত্য বলতে একমাত্র কবিতাই ছিল। রামায়ণ, মহাভারত, জয়দেব, চন্ডীদাস, পাঁচালী সবই কবিতা। গ্রামের মানুষও এগুলোকে নিজের বলে মনে করত।
    সেখান থেকে কি বিপর্যয় ঘটল যে আজ আধুনিক কবিতা সাধারণ মানুষের কাছে অচ্ছ্যুত হয়ে উঠল?

    রবীন্দ্রনাথ ছেলেবেলায় বিহারীলালের দ্বারা প্রভাবিত হলেও অল্পদিন পরেই নিজের একটা স্টাইল তৈরী করেছেন। পরে সেই স্টাইল বহুবার ভেঙেছেন অন্য স্টাইল গড়ার আনন্দে। কিন্তু তিনি বিহারীলালকে অবজ্ঞা করেননি।

    কিন্তু তিরিশের দশকে, যখন রবীন্দ্রনাথ একা ধরুন রিয়াল মাদ্রিদ আর উঠতিরা বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, সুধীন দত্ত এরা সবাই হাওড়া ইউনিয়ন, জর্জ টেলিগ্রাফ জাতীয় তখন এনারা অনেকে দল বেঁধে রবীন্দ্র সাহিত্যকে হ্যাটা দিতে লাগলেন।
    একই সঙ্গে জোর করে রবীন্দ্র প্রভাব থেকে বেরোতে চাইলেন। আধুনিক কবিতা হয়তো তারই ফল। আজ কজন রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়ে আর কজন বুদ্ধদেব বসু বা বিষ্ণু দে? কালিদাসের মতই রবীন্দ্রনাথও চিরন্তন, বাকিরা হল তুবড়ি। সময়ই একমাত্র সত্যিকারের সমালোচক।

    আর শমীক যে বলেছ আমার অভিমানের কথা। না না অত নয়। আমি শুধু সামারাইজ করেছি। ওমনাথের 15 Sep, 5:54 PM এর পোস্টটা দেখ। সেখানে মধ্যমেধা কথাটা ব্যবহার হয়েছে।
  • ranjan roy | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২০:২৪421864
  • শ্যামল,
    প্লীজ, কোন মেধা-টেধার ব্যাপার নয়। আপনি যে প্রফেশনাল জগতে বিশিষ্ট মেধার অধিকারী তা সবাই জানি।
    একবার লাস্ট চেষ্টা করুন, ""বনলতা সেন'' ভালো লাগতে পারে। মানে মনদিয়ে পড়লে ছন্দ, সুর চিত্রকল্প মিলে মিশে অন্য দুনিয়ায় চলে যেতে পারেন, খানিকটা গাঁজা খাওয়ার মত, সদর্থে।
    বাজারের ফর্দ মেলানোর মত করে মানে ধরার চেষ্টা না করে কোচিং ক্লাসে কোন মেয়ের সলজ্জ হেসে চোখ নামানো দেখে আনন্দ পাওয়ার মত পড়ুন।
    সুকুমার রায়ের সব কবিতার কি আর অভিধান ধরে মানে হয়? তবু ভালো লাগে। ওটাই আসল।
    প্লীজ, তিনবার পড়ুন। তিন সংখ্যাকে অবজ্ঞা করবেন না।
    "" ত্র্যম্বকের ত্রিনয়ন ত্রিকাল ত্রিগুণ,
    শক্তিভেদে ব্যক্তিভেদে দ্বিগুণ, বিগুণ।
    অতি বড় গুহ্যকথা সহজে প্রকট,
    সংক্ষেপে বলিতে গেলে "" হিং টিং ছট''।।
  • kanti | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২১:৫৪421865
  • শ্যামল বাবু,আপনারে খোচাইবার ইচ্ছা আমার নাই। আমি একেবারেই পাতি জনতা।টৌ-এর আড্ডায় আসি যাই।কিছুমজা পাই। কিছু জ্ঞান বাড়াই। তবে সাহস করে একটা কথা কই। আপনারে দেখে আমার রক্তকরবীর অধ্যাপকের কথা খালি মনে পড়ে।সব বিষয়েই তঙ্কÄ-কথা আলোচনায় তিনি বড় আনন্দ পান।নন্দিনীকেও তিনি একবার ফুলের গূঢ় তঙ্কÄ বোঝাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। আপনার শক্ত শক্ত পোশ্‌ন্‌গুলো মাঝে মাঝে হাতে পেয়ে অনেক পাকা মাথারা নড়ে চড়ে বসেন ঠিক ই। কিন্তু আমার মত পাতি পাবলিকের মাথার উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। তবে না বোঝার মধ্যেও একটা আমোদ আছে।
    কান্তি।
  • dd | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২২:৪০421866
  • কিন্তু এই ম্যাংগো পিপল কারা,সেটা কি ঠিকমতন এস্টাব্লিশ করা গ্যাছে? নইলে তো তক্কোটাই বিথা।
  • dukhe | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:২২421867
  • বুদ্ধদেব বসু রবিবাবুর লেখাকে হ্যাটা করেছেন? কবে? কোথায়? শ্যামলবাবু, বুঝায়ে দেন স্যার, নইলে আপনার পোস্ট আধুনিক কবিতার চেয়েও দুর্বোধ্য মনে হবে।
    আধুনিক যে কোন জিনিসই দুর্বোধ্য। স্ট্রিং থিয়োরির কথাই ধরুন না।
  • Bratin | ১৯ মে ২০১১ ১১:৪৬421869
  • এই টই টাও ভালো লাগতো!!
  • Lama | ১৯ মে ২০১১ ১৩:৩৩421870
  • এই পোসোঙ্গে:

    "কবিতা তোমায় ভালোবাসে, ভালোবেসো তাকে তুমিও।
    কবিতা তোমার বুকে ছুরি চেপে শেখায় না সহবত, তুমি শিখে নিও।'

    আমাদের ছোটবেলার আরাধ্য আঁতেল পল্লবদা লিখেছিল
  • ! | ০৯ জুন ২০১২ ০৫:৪৬421871
  • .
  • একক | ০৯ জুন ২০১২ ০৬:১২421872
  • কই গ্যালো সব ? এখানে তো দেখছি বিশাল তক্কো হয়েছে . অবিশ্যি যুক্তির চেয়ে টেবিল চাপড়ানো টা বেশি . আচ্ছা যাঁরা এই "রবীন্দ্রনাথ এখনো সবাই পড়ে কিন্তু বু.ব. কে ভুলে গেছে " টাইপ হ্যাজান তাঁরা আয়ত কষ্ট না করে বললেই তো পারেন যে লোকে বাইবেল এখনো পড়ে বা কাক-চরিত্র বা তিল-তত্ত্ব !

    কত লোক পড়ে তাই দিয়ে কবে থেকে বিচার হচ্ছে ? রবীন্দ্রনাথের ২০০০ গুণ বেশি পাঠক আছে প্রচুর নিউইরক টাইমস বেস্ট সেলার -এর . তারা তারমানে আরো বড় লেখক নিশ্চই ?

    যারা এসব ভুলভাল যুক্তি আনে তারা রোবিবাবু কেই ছোটো করে, কারণ প্র্যাকটিকালি রবীন্দ্রনাথ অনেকেই পাঠ্যপুস্তকের বাইরে পড়েনা (আনডারলায়ন্দ) . বাঙালির সবেতেই একটা ডিলিউশন অফ গ্র্যনজার না থাকলে চলে না . কী না বিশ্বকবি ! আর কেও নবেল পায় নি ? তারা তাদের কবিকে বিশ্ব কবি বলে নাকি ? বলার দরকার হয়না . আমার কবি আমার কাছে . তাদের সেই আত্ম-সমীকরণ আছে . বাঙালির নেই .

    পৃথিবীর সমস্ত ভালো জিনিষ অনেক লোক কম সময়ের জন্যে এবং কম লোক অনেক্ সময়ের জন্যে ভোগ করে থাকেন . কালিদাস বা রোবিবাবু যদি বিশাল বড় কবি হয়েও থাকেন তার প্রমান এটা নয় যে "এখনো সবাই পড়ে ", বরং প্রমান এটা যে একটা নির্দিষ্ট অংশের পাঠক পড়ে .

    সবসময়ের জন্যে সর্বজনপ্রিয় লেখা মানে হয় বাইবেল নয় পানু !
  • Debashis | ০৯ জুন ২০১২ ১২:৩৯421873
  • Name: একক

    IP Address : 24.99.255.184 (*) Date:09 Jun 2012 -- 06:12 AM

    "যারা এসব ভুলভাল যুক্তি আনে তারা রোবিবাবু কেই ছোটো করে, কারণ প্র্যাকটিকালি রবীন্দ্রনাথ অনেকেই পাঠ্যপুস্তকের বাইরে পড়েনা (আনডারলায়ন্দ) . বাঙালির সবেতেই একটা ডিলিউশন অফ গ্র্যনজার না থাকলে চলে না . কী না বিশ্বকবি ! আর কেও নবেল পায় নি ? তারা তাদের কবিকে বিশ্ব কবি বলে নাকি ? বলার দরকার হয়না . আমার কবি আমার কাছে . তাদের সেই আত্ম-সমীকরণ আছে . বাঙালির নেই ."

    বাকী লেখার সম্বন্ধে কিছু বলার নেই (একমত)। বলার শুধু এই অংশটির সম্পর্কে। রবি ঠাকুর নোবেল পাওয়ার জন্যে বিশ্ব কবি নন। রবি ঠাকুর তাঁর কীর্তির জন্যে বিশ্বকবি। যদি তিনি নোবেল না পেতেন তিনি হয়'ত বিদেশে এত প্রচার পেতেন না। কিন্তু তাতেও তাঁর রচনার গুণগত মানে কোনও প্রভাব পড়ত ব'লে মনে হয় না। সুমন চট্টোপাধ্যায় তাঁর "দূরের জানালা" নামের বইয়ে লিখেছেন, "আধুনিক সাহিত্যের তিনটি হিমালয় আছে। শেক্সপিয়র, গ্যেটে ও রবীন্দ্রনাথ। বাকী যারা তারা এঁদের কাছে পৃথিবীর বাকী পর্বতসমূহ।" আমিও এই মতেই বিশ্বাসী। ব্রিটিশ ভি. এস. নইপলও নোবেল পেয়েছেন ও শেক্সপিয়র পাননি। তার মানে এই নয় কেউ শেক্সপিয়রের সঙ্গে ভি. এস এর তুলনা করবে। ঠিক তেমনই অন্য সাহিত্যিকরা নোবেল পেলেও রবি ঠাকুরের সঙ্গে তুলনীয় হয়ে গেলেন এমন আমি মনে করি না। সে তো আইনস্টাইনও তাঁর থিওরী অব রিলেটিভিটির জন্যে নোবেল পাননি। পরে নোবেল কমিটির মোটামাথারা (রিলেটিভলি ঃ) ) বিপদ বুঝে কিছু হাবিজাবি কারনে (ফোটো ইলেক্ট্রিসিটির ওপরে কাজের জন্য) তাঁকে নোবেল দেয়। তাবলে কি আইনস্টাইনের সেরা কাজ ব্যর্থ হয়ে যায়, না কি তিনি অন্য যে কোনও নোবেল লরিয়েটের সমতুল্য হয়ে পড়েন।

    অবশ্যই কত লোকে পড়ে এটা কোনও সাহিত্যের গুণমানের বিচার্য্য হতে পারে না। কিন্তু কতদিন পড়ে, তা বিচার্য্য বই কি। কারন যুগে যুগে রুচি পাল্টায়। তাই যুগ বদলের সঙ্গেও যদি কেউ কন্টিনিউয়াস প্রাসঙ্গিক রয়ে যান, তাহলে তাঁকেই কালজয়ী বলা হয়। তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তার নিরিখে অনেকেই বেষ্ট সেলারের মর্যাদা পেতে পারে। কিন্তু কালের কষ্টিপাথরের ঘসা লেগেও যদি তার রং উজ্জ্বল থাকে তবেই তা সোনা বলে মেনে নেওয়া চলে, নতুবা নয়। রবি ঠাকুরের লেখার রং কিন্তু এখনও উজ্জ্বল।
  • Debashis | ০৯ জুন ২০১২ ১২:৫৭421874
  • একটা ডিসক্লেইমার। আমার পোষ্ট খালি এই দশের পাতা পড়ে। আগের পাতাগুলো পড়ার চেষ্টা করছি এখন ঃ))।
  • blank | ০৯ জুন ২০১২ ১৩:০৮421875
  • নোবেল না পেলে রোবিন্দোরনাথ কি এত পপুলার হোতো !!! পাড়ার পিকনিকেও কি গান বাজতো ? রোবিন্দোরসোঙ্গিতের জোনোপ্রিয়্রতা কি পুরোনো জিনিস ?
  • Debashis | ০৯ জুন ২০১২ ১৩:১৩421876
  • আর. ডি কিন্তু কোনও নোবেল পাননি ঃ))। তাঁর সুর করা গানও কিন্তু যথেষ্ট জনপ্রিয়। নোবেলের সঙ্গে জনপ্রিয়তার খুব বেশী যোগাযোগ আছে কি?
  • Blank | ০৯ জুন ২০১২ ১৩:১৫421877
  • আর ডি জনপ্রিয়, আর রোবিন্দর স্যার আলট্রা-জনপ্রিয়। নোবেল টোবেল না পেলে ওমোনি কি হোতো?
  • Blank | ০৯ জুন ২০১২ ১৩:১৭421878
  • রবিন্দর সঙ্গীত কি স্যার বেঁচে থাকতেও এত জনপ্রিয় ছিল। যদ্দুর জানি - না
  • Debashis | ০৯ জুন ২০১২ ১৩:৩৯421880
  • "কাগজ কে ফুল" বলে গুরু দত্তের সিনেমা প্রথম রিলিজে হিট হয় নি কিন্তু। বা ঋত্বিকের ছবিগুলি নিয়েও একই কথা বলা চলে। তাঁরাও কিন্তু কেউই অস্কার পান নি। কিন্তু তাতেও তাঁদের কালজয়ী হওয়া আটকায় নি। আসল কথা হল উপাদান। নোবেল-টোবেল নিয়ে পাঠক/শ্রোতারা খুব বেশী মাথা ঘামায় বলে মনে লয় না। তাদের কাছে উপাদানটা কতটা গ্রহণযোগ্য সেটাই মাপকাঠি। আর রবীন্দ্রসঙ্গীত এই মুহূর্তে যুবাদের কাছে ঠিক কতটা জনপ্রিয় তা তর্কযোগ্য। আমি তাই জনপ্রিয়তা কথাটির একটু বিরোধী। তার চেয়ে প্রাসঙ্গিকতা শব্দটি বেশী অ্যাক্যুরেট বলে মনে হয়।
  • Arin | ০৯ জুন ২০১২ ১৪:০২421881
  • রোবিন্দর স্যার আলট্রা-জনপ্রিয়। নোবেল টোবেল না পেলে ওমোনি কি হোতো?" (১:১৫ dupur) (১)
    তারপর
    "রবিন্দর সঙ্গীত কি স্যার বেঁচে থাকতেও এত জনপ্রিয় ছিল। যদ্দুর জানি - না" (১:১৭ দুপুর) (২)

    রবীন্দ্র নাথ নোবেল পাওয়ার পর আরো প্রায় ৩০ বছর বেঁচে ছিলেন। তিরিশ বছরেও যদি গান জনপ্রিয় না হয়, তাহলে আর নোবেল নিয়ে তর্কে (২) টা (১) কে contradict করলো কিনা?

    :-)
  • একক | ০৯ জুন ২০১২ ১৮:৪৬421882
  • আমার পোস্ট টা মন দিয়ে পড়লেই কী বলতে চেয়েছি বোঝা যেত . ভালো জিনিষ যখন বেশি সময়ের জন্যে জনপ্রিয় হয় তার একটা নিশ্ সম্প্রদায় তৈরী হয়ে যায়. এটাই কালের নিয়ম . "বিশ্বকবি"-র তকমা এবং তার যথেচ্ছ ব্যবহার নবেল পরবর্তিকালেই শুরু হয় তার আগে আম বাঙালি অত মাথা ঘামাতই না.
    আমার এখানে বক্তব্য ছিল একটাই . রবীন্দ্রনাথের আজ ও "প্রচুর পাঠক " এই সংখ্যাতত্ত্ব কিচ্ছু প্রমান করেনা, কারন অধিকাংশই ভুসি মাল. ডালে-ঝোলে-অম্বলে স্টাটাস সিম্বল করে রবিবাবুকে ব্যবহার করে . ওরে আর যাই হোক পাঠক বলে না . আর নিশ্ পাঠক চিরকাল ছিল-আছে এবং থাকবেন. এ নিয়ে সন্দেহের জায়গাটাই নেই . কাজেই নবেল নিয়ে যেটা বলেছি সেটা ওই রবীন্দ্রনাথ ব্র্যান্ড মার্কেটিং এর নিরিখে যেটা আমার মনে হয়েছে প্রচুর ভুষি "পাঠক" বাড়িয়েছে ছাড়া কিচ্ছু নয় .

    আর সুমন যখন সাহিত্য নিয়ে বলছেন টলছেন তখন এই হরিদাস পাল ছারে কেন ?
    ৩ তে বড় নাম পেলুম আর পানাগরের ল্যান্গ্চার মতো ড্রপ করে দিলুম .
    কেন ভার্জিল নন ? কেন পুশকিন নন ?? সুমন ব্যাখ্যা করতে পার্বেন ? কেও সুমন কে সামনে পেলে একটু বলবেন খন ...যদি পরের এডিশন-এ ব্যাখ্যা টা জুড়ে দেন :)

    এই রোগ তাকেই আমি ডিলিউশন অফ গ্র্যনজার বলেছি !! একটা বড় কাল্ট না বানাতে পারলে বাঙালিদের ভাত হজম হয় না . সে মালটা বুঝুক না বুঝুক .
    সেক্সপীঅর এর নাটক মানুষ এখনো ভালোবাসে . এটা সত্যি . নাটকের পৃথিবী অনেক এগিয়েছে . শ থেকে শুরু হয়ে হ্যারল্ড পিন্টার বারবার মানুষ পরেছে . তারপরেও শেক্সপীয়র -এর জায়গা আছে . কিন্তু কোথাও দেখেছেন কোনো সিরিআস লিতেরারী পেপার -এ "ইন্টারনেশনাল পয়েট " বলে ক্লেম করে নাচানাচি হয়েছে ? এই "গ্রেট " / "ইন্তার্নাশানাল" এসব ভাট ইংরেজদের থেকে কেরানি বাঙালি শিখেছিলো আর এখনো চালিয়ে যাচ্ছে . যেখানেই পায় ৩-৪ টে নাম মুড়ো বেঁধে দিয়ে কিচ্ছু একটা "আন্তর্জাতিক" বা "বিশ্ব" প্রমানের চেষ্টা . এর দরকার কী ? এগুলো করার চেয়ে মন দিয়ে রবীন্দ্রনাথ পড়লে অনেক কাজের কাজ হবে .
  • ranjan roy | ০৯ জুন ২০১২ ২২:১৫421883
  • একককে সাপোর্টালাম। প্রবাসে এই হুজুগে বাঙালী ব্যাপারটা ভাল বুঝতে পেরে্ছি। রবীন্দ্রনাথের কিছু ঠিক করে পড়া নয়, খালি বিশ্বকবি, গুরুদেব!
  • দেবাশিস | ০৯ জুন ২০১২ ২২:২০421884
  • প্রথমতঃ আপনার আগের পোষ্টে বলেছেন "প্র্যাকটিক্যালি অনেকেই রবীন্দ্রনাথ পাঠ্যবইয়ের বাইরে পড়ে না (আণ্ডারলাইনড্‌)"। আমার প্রশ্ন, এদের কি রবি ঠাকুরের পাঠক বলা যায়? মনে হয় আপনিও নিশ্চিত যে এদের আর যাই বলুক পাঠক বলে না। তাহলে ভুষি পাঠক কারা। আজও যারা রবীন্দ্ররচনাবলী কিনে পড়ে (আণ্ডারলাইনড পড়ে, কিনে আলমারি সাজায় না) তাদের ঠিক ভুষি পাঠক বলাটা বোধহয় ঠিক নয়। কারন তাদের ভালো লাগে বলেই পড়ে, নোবেল পেয়েছিল বলে নয়, এবং তারা সংখ্যায় খুব বেশী নয় বলেই আমার ধারনা। সুতরাং রবি ঠাকুরের অনেক ভুষি পাঠক, এ কথাটা মানা গেল না (আপনিও বলেছেন, কিন্তু একটু কন্ট্রাডিক্টরি ভাবে)।

    দ্বিতীয়তঃ সুমন বলেছেন বলেই ওঁরা হিমালয়, অব্শ্যই তা নয়। ওঁরা হিমালয়, তাই সুমন বলেছেন। ভার্জিল এই জন্যই নন, কারন আধুনিক সাহিত্যের কথা বলা হয়েছে। আর পরবর্তীকালিন সমাজ ও সাহিত্যে পুশকিনের প্রভাব কি রবি ঠাকুর, শেক্সপিয়র বা গ্যেটের সঙ্গে তুলনীয়। বা রবি ঠাকুর ও গ্যেটের রচনা সম্ভারের সঙ্গে কি পুশকিনের রচনা সম্ভারও সংখ্যার বা ভার্সাটিলিটির দিক দিয়েও তুলনীয়। আর যদি পুশকিনের নাম নিতেই হয়, কবি হিসেবে জুখোভস্কি কেন নয়। বা সাহিত্যিক হিসেবে ডয়েটভস্কি বা টলস্টয়। অবশ্যই এনারা প্রত্যেকেই মহীরূহ। কিন্তু পরবর্তীকালিন সাহিত্যে বা সমাজে রবি ঠাকুর বা শেক্সপিয়র অনেক বেশী প্রাসঙ্গিক নয় কি?

    আর হয়'ত এই ভার্সাটিলিটির কারনেই ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি অভিধা দিয়েছিলেন, যা পরে তাঁর নামের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে। এর সঙ্গে নোবেল পাওয়ার কোনও সম্পর্ক ছিল কিনা আমার জানা নেই।
  • একক | ১০ জুন ২০১২ ০৪:০৬421885
  • যাক, রোবিবাবুর লেখার "বাজার" কে নিয়ে তক্কো এই টই এর অবজেক্টিভ নয় .
    এখন,
    শ্যামল বাবুর সমস্ত বক্তব্য পড়ে আমার যা মনে হয়েছে তা হলো এই

    ১) ইতিহাস-ভূগোল এর মতো ছন্দ-নন্দনতত্ত্ব এগুলো কিছুটা রাখা উচিত ইস্কুল-কলেজের কোর্সে.

    কারন : "পাখির নীড়ের মতো " এই তুলনা -কে কিভাবে পড়তে হয় এটা উনি জানেন না বলেই অত এঁড়ে তক্কো করেছেন . ফিসিক্স থেকে বায়লোজি অঙ্ক থেকে রান্নাবান্না সবকিছুই ফান্ডামেন্টাল জায়গা টা ক্লিআর থাকলে তারপর নিজের মতো এক্সপ্লোর করা যায় . এটা ভুলে গেলে মহা বিপদ . ওনার সেই দশা.

    ২) "আমি বুঝছিনা" মানেই "যারা বলছে 'বুঝেছি' তারা সবাই ভন্ড" এটা একটা ফালতু অবস্থান . সেরকম ভন্ডামি কেও কেও করেন না তা নয় কিন্তু একটু টানলেই সেই কাছা খুলে পড়ে .

    ৩) আর্ট কে অনুধাবন করার দুটো প্রক্রিয়া আছে সাধারনত . আরোহী এবং অবরোহী .

    একটা হলো সেই আর্ট সংলগ্ন ইতিহাস-সমাজ-রাজনীতি-সংস্কৃতি সব বুঝে তার মধ্যে দিয়ে বুঝতে চাওয়া শিল্পী কেন এমন লিখেছেন . এই পথেই আর্ট সংক্রান্ত বেশিরভাগ আলোচনা চলে .

    আরেকটি হলো সময় নামক প্যারামিটার কে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে এবস্ত্রাকত ফর্ম হিসেবে রেকগ্নায়স করে নান্দনিক ভাবে তাকে চেনা . এটা বেশ কঠিন পথ কিন্তু মুশকিল হচ্ছে বহু অলস লোক এটাকে তাদের এস্কেপ রুট হিসেবে ব্যবহার করে বেশ একটা "আমি বাপু অত কিচ্ছু বুঝিনা" নামক কোকুন -এর মধ্যে বসে থাকতে ভালোবাসেন . কাজেই যারা এমন মৌনী তাদের একটু খুঁচিয়ে দেখতে হবে আদতে তারা নাক-কাটা সাধু কিনা .

    ......দুটোর ক্ষেত্রেই সত্ভাবে এগোতে গেলে শিক্ষা এবং অথবা দীক্ষা জরুরি . এবং সর্বপরি মুক্ত মন দরকার .

    তর্ক স্বাগতম ||
  • / | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ১৫:৩৩421886
  • /
  • দিলীপ দাসবিশ্বাস | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৫:১৩741547
  • কবিতার সাথে ছাড়ার তফাত কোথায় জানতে ইচ্ছে করে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন