এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  পরিবেশ

  • জাগছে সেঙ্গল! অরণ্য আর আদিবাসী উৎপাটনের হুংকার

    নরেশ জানা
    আলোচনা | পরিবেশ | ১৫ জুন ২০২৪ | ৮১৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • পর্ব-১ | পর্ব-২

    ছবি: রমিত চট্টোপাধ্যায়



    ২০২৩ সালে ২৮ মে স্বাধীন ভারতের নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন কালে চোল সাম্রাজ্যের রাজদণ্ডের প্রতীক সেঙ্গল প্রতিষ্ঠা করেন প্রজাতান্ত্রিক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সময় একটা বিতর্ক উত্থাপিত হয়েছিল অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে। সমালোচকদের একাংশের দাবি ছিল হিন্দু কুল ঐতিহ্য অনুসারে এই 'পবিত্র' অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত করা হয়নি ভারতীয় সংসদের প্রধান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কে। কারণ তিনি উপজাতি জনজাতির মানুষ। বিতর্ক যাই হোক না কেন ঘটনা এটাই যে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বিজেপির ভারতের প্রথম 'আদিবাসী' রাষ্ট্রপতিকে।

    অথচ ২০২২ সাল থেকে ভারতের ১৫ তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার সময় বিজেপির দাবি ছিল দেশের আদিবাসী জনজাতি গোষ্ঠীকে সম্মান ও মর্যাদা দিতেই এই ভূমিকা নিয়েছে তারা। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই মনোনয়নকে সন্দেহের চোখেই দেখেছিলেন দেশের বিভিন্ন ব্যাক্তিত্ব। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আদিবাসী জনজাতির ব্যাক্তিত্বকে সামনে রেখে মোদী সরকার আদতে আদিবাসীদেরই সর্বনাশের ফাঁদ পাতছেন কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব এবং স্বাধীন ভারতে জন্মগ্রহণকারী প্রথম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কার্যকালের দু'বছরের মধ্যেই সমস্ত প্রশ্ন ও সন্দেহের নিরসন ঘটেছে। দেশের বিস্তৃত অরণ্যের একটা বড় অংশই লুণ্ঠনের দায়িত্ব নরেন্দ্র মোদী তুলে দিয়েছেন তাঁর কাছের মানুষ সেই আদানি এণ্ড কোম্পানির হাতেই। শুরু হয়ে গেছে নির্বিচার অরণ্য ছেদন।
    ২০১৮-র ডিসেম্বরে পার্লামেন্টে সরকার জানায় যে, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মোট ২০,৩১৪.১২ হেক্টর বনভূমি কর্পোরেট সংস্থার হাতে খনিজ পদার্থ উত্তোলনের জন্য তুলে দেওয়া হয়েছে। যদিও আদিবাসীদের আন্দোলন, গ্রামসভা গুলির আপত্তি ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে কর্পোরেট সংস্থাগুলোর পক্ষে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় কিছু সমস্যা হচ্ছিল, বিশেষ ছত্তিশগড়ের গভীর অরণ্য বেষ্টিত আদিবাসী জনজাতি নির্ভর এলাকাগুলিতে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ছত্তিশগড়ে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে বিজেপি।‌ এখানেও কায়দা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করা হয় বিজেপির আদিবাসী নেতা বিষ্ণু দেও সাই কে। ২০২৪ ডিসেম্বর মাসে শপথ নেন তিনি আর জানুয়ারি থেকেই গৌতম আদানির কোম্পানি শুরু করেছে নির্বিচার অরণ্য নিধন।

    ২০১৯-র মার্চ মাসে আদানিদের কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল হাসদেও-আরন্দ বনভূমির ১ লক্ষ ৭০ হাজার হেক্টর (১৭০০ বর্গ কিলোমিটার) বনভূমি। ভারতের মধ্যভাগের এই অঞ্চলকে গন্দোয়ানাল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাবের বহু আগে যে আদিম মহাদেশ থেকে ভারত ভূখণ্ড তৈরি হয়েছিল সেই আদিম মহাদেশ ছিল এই গন্ডোয়ানাল্যান্ড। একসময় এই অঞ্চলটি ‘নো গো’ অঞ্চলভুক্ত হওয়ায় ওখানে যে কোনো ধরনের প্রকল্প রূপায়ণ আইনবিরুদ্ধ কাজ বলে চিহ্নিত করা হয়। মোদী গদিতে বসার পর থেকেই সেই সব বিধি নিষেধ শিথিল করা হতে থাকে। মধ্য ভারতের এই প্রাচীন বনভূমির তলায় রয়েছে বিশাল কয়লা ভান্ডার। লুটেরা কর্পোরেট সংস্থাগুলোর চোখ ছিল ওই অঞ্চলের দিকে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে আদানিরা সেই সুযোগ নেয়।ছত্তিশগড়ের সাতটি কয়লা খনির পাশাপাশি দুটি লোহা আকরিক খনির মালিকানা অর্জন করে গৌতম আদানির কোম্পানি। দেখা যাচ্ছে এই প্রক্রিয়ার ফলে দেশের মধ্যদিয়ে ব্যক্তিগত মালিকানায় এটি দেশের বৃহত্তম খনি-অঞ্চলের দখল নিয়েছে এই আদানিরাই। । ভারত সরকারের কয়লা মন্ত্রক হাসদেও অরণ্যে তিরিশটি কয়লা ব্লক চিহ্নিত করেছে।

    ভারতের অরণ্য গবেষণার সর্ববৃহৎ এবং একমাত্র সরকারি বন গবেষণা সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন ( আইসিএফআরই)-এর সাম্প্রতিক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এই অঞ্চলের প্রস্তাবিত কয়লা ব্লক কম করে ১৪টি ঘন বনাঞ্চলের মধ্যে অবস্থানের কারণে সেগুলিকে ছাড়পত্র দেওয়া উচিত নয়।

    আইসিএফআরই বলছে, “খনির সাথে সম্পর্কিত ভূমি-ব্যবহারের পরিবর্তনগুলি বনের আচ্ছাদন/ঘনত্ব, বনের ধরন এবং অরণ্যকে খণ্ডিত করে বড়ো পরিমাণ ক্ষতি করবে। শুধু তাই নয় জঙ্গল বিভাজনের ফলে বন্য প্রাণীদের যাতায়াতের পথের প্রভূত ক্ষতিসাধন হবে। খণ্ডিত বনভূমির প্রান্তীয় প্রভাব অর্থাৎ বনভূমির প্রান্তে মনুষ্যকৃত বা অন্যন্য ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। এর ফলস্বরূপ বনভূমির মধ্যে মাইক্রোক্লাইমেটের পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ধরনের আক্রমণাত্মক প্রজাতি-র প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাবে।”

    অন্যদিকে এই অঞ্চলের গ্রামবাসীদের দাবি হলো যে, এই ধরনের এক গুরুত্বপূর্ণ বনভূমি এবং বিভিন্ন উপজাতির যেমন, গোন্ডদের মতো একটি আদিম বনবাসী গোষ্ঠীর বাসভূমি হওয়ার কারণে ভূমিব্যবহারে যে কোনো পরিবর্তনের আগে এখানকার বনবাসী-আদিবাসীদের সঙ্গে আলোচনা জরুরি ছিল। তাদের দাবি হলো, বন অধিকার আইন-২০০৬ অনুযায়ী এই আলোচনা বাধ্যতামূলক। খনি স্থাপনের আগে সংশ্লিষ্ট গ্রামসভাগুলির লিখিত সম্মতিপত্র জরুরি ছিল। সালহি, হরিহরপুর, ফতেহপুর এবং ঘাটবাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলিতে ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের অরণ্য অধিকারের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

    এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরে, ছত্তিশগড় বাঁচাও আন্দোলন এবং ছত্তিশগড় বন অধিকার ফোরাম এই বিষয় সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানায়। কিন্তু এখনও কোনো সুরাহা হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার শুধুমাত্র কর্পোরেটদের মুনাফা নিশ্চিত করার জন্য আদিবাসী- বনবাসীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে শুধু নয়, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্যোগও ইতিমধ্যে অনেক দূরে সরে গেছে। এটি প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই প্রতারণা সংবিধানের পঞ্চম তপশিলে হাসদেও-আরন্দের আদিবাসী-বনবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের এক স্পষ্ট নজির। এই একই চলছে ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। শুধু যে অরণ্য নিধন ও সেই সম্পর্কিত পরিবেশ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে তা নয় পাশাপাশি এই জঙ্গল উচ্ছেদের ফলে আদিবাসী জনজাতি ও বিভিন্ন বনবাসী গোষ্ঠীগুলোর জীবন জীবিকা বিপন্ন হচ্ছে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
    পর্ব-১ | পর্ব-২
  • আলোচনা | ১৫ জুন ২০২৪ | ৮১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Prativa Sarker | ১৫ জুন ২০২৪ ১৪:৩৮533194
  • খুবই প্রাসঙ্গিক বিষয়।  বনবাসীদের অনুমতি নেবার সমস্ত আইনকে ঠুঁটো করে দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনের ফলাফলের পরও কি এই প্রবণতা কমবে না? 
  • Naresh Jana | ১৫ জুন ২০২৪ ১৪:৫২533195
  • আমার তো ভয় হচ্ছে এবার ওড়িশা লুণ্ঠনের ষোলকলা পূর্ণ হবে।
  • প্রসূনকুমার পড়িয়া | 59.95.50.23 | ১৫ জুন ২০২৪ ১৮:৫১533213
  •  ওড়িশা তে কি তাহলে তাই হবে? আমার তো প্রথম মনে হয়েছিল যে দ্রৌপদী মূর্মুকে রাষ্ট্রপতি করার মাধ্যমে জনজাতি আদিবাসী মূলবাসী  মানুষের প্রতি বর্তমান সরকারের নমনীয় মানসিকতা প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু এই লেখা পড়ার পর আমার আশঙ্কা হচ্ছে তাহলে আগামী দিনে উড়িষ্যার অন্তর্গত যে বনজ  সম্পদ আছে, তাও লুণ্ঠিত হবে ওড়িশায় রাজ্য সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। অন্তত সে কাজ সহজ হয়ে গেল রাজ্য সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে। 
     
  • Debasis Sarkar | ১৫ জুন ২০২৪ ১৯:৪৩533217
  • মণিপুরেও তো একই ধরণের কায়দায় অরণ্য ছেদন ও প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন হচ্ছে ! কে জানে জোট সরকার এবারে ব্যাপারটাকে আরো  ত্বরান্বিত  করবে কিনা ! 
  • মিঠু মণ্ডল | 2409:4088:8695:bffb::10a1:70a1 | ১৬ জুন ২০২৪ ০০:০১533245
  • এই অরন্য নিধন যজ্ঞ যে আমাদের দীন থেকে দীনতম করে দিচ্ছে, আর কবে বুঝবেন আমাদের দেশ দরদী জননেতারা। ভীষন প্রাসঙ্গিক ও বলিষ্ঠ লেখা।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৬ জুন ২০২৪ ১২:০৮533306
  • প্রাসঙ্গিক লেখা। আশঙ্কা হয়, উড়িষ্যার রাজনৈতিক পালাবদল এই লুন্ঠনের পক্ষে যাবে। তবে আশা করি, লোকসভা নির্বাচনের ফল লুঠের পক্ষে সুবিধার হবে না। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৬ জুন ২০২৪ ১২:৪২533307
  • আমার ধারণা, লুন্ঠনের লাইসেন্স পাওয়ার জন্যই উড়িষ্যায় এই রাজনৈতিক পালাবদল ঘটানো হল। ত্রিপুরায় যেমন করে হইহই করে দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিল, তেমনই হঠাৎ করে এমন ভাবে এরা সরব হলো যেন অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কি না কি কাণ্ড চলছে, আর নতুন শাসকদল এলে যেন দুর্নীতি নিমেষে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে। 
  • SUSANTA GUPTA | ১৬ জুন ২০২৪ ২৩:৪৮533348
  • এই চক্রে ইতিমধ্যেই নাম লিখিয়েছে আমাদের রাজ্যের লুটেরা সরকার , দেউচা-পাঁচামি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
  • Subhro Bhattacharyya | ১৭ জুন ২০২৪ ০০:০২533349
  • সমস্ত বন্দর গুলো আদানি দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, বিমান বন্দর গুলোও তাই, রেল স্টেশন,  ট্রেন, আইন বদল করে খনি, বাচ্চা সবকিছুর ই মালিক আদানি ।  এরপর ওই খনির কয়লাই সরকারি সংস্থা গুলো বেশি দামে কিনবে, ফলে বিদ্যুতের মাশুল বাড়বে। আর এত পরিমাণ বনভূমি কমার ফলে উষ্ণায়ন আরও বাড়বে। এরপর কি .... ক্রমশ শেষের পথে ?
  • Abak Chittri | ১৭ জুন ২০২৪ ১০:১৪533364
  • ভযঙকর  সাংঘাতিক ব্যাপার ।অবশ্যই সকলের  প্রতিবাদ  করা উচিত ।এবং লেখাটি র প্রচুর প্রচার  প্রযোজন।
  • চিন্ময় কর। | 2401:4900:744e:c64a:dcdc:d963:7d99:269a | ১৭ জুন ২০২৪ ২০:৩৩533387
  • পুরো দেশটা কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষার সাথে দালালি করে লুঠে খাওয়ার পাকাপাকি বন্দবস্ত। 
     
    চিন্ময় কর। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন