এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • মিলেনিয়াম মলঃ পর্ব আট 

    Ranjan Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২৮ অক্টোবর ২০২৩ | ২৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • তৃতীয় অধ্যায়

    সদাশিবনের কথা

    (১)

    সেদিনের সন্ধ্যাকে ভোলা কঠিন।
    আমার গাড়ি রমেশ উর্ফ বড়ে ভাইয়ার পোর্টিকোতে দাঁড়াতেই উনি নিজে বেরিয়ে এলেন।
    -- “ছোটের কাছে গেছলেন? আমাকে একবার ফোন তো করতে পারতেন!”
    -- “আসলে রাস্তায় হঠাৎ ওর ফোন এল। আপনাকে খামোকা টেনস করতে চাই্নি।”
    -- “তাই তো হল! সে যাকগে, এখন ভেতরে চলুন। কিছু খেয়েছেন? ফ্রুট্স নেবেন? নাকি সেই তিতকুটে কালো আইরিশ কফি?”

    সব কথা বলে ফোল্ডারটি ওর হাতে দিলাম।
    -- “এবার তাহলে চলি?”
    -- “চলি মানে? খেল তো সবে শুরু। বসুন। কোচকে লুকিয়ে স্ট্র্যাটেজি হয় নাকি!”
    উনি ফোল্ডারটি খুলে কাগজ পাল্টে যেতে লাগলেন। বেশ ক'টি ডকুমেন্ট ও ফোটোগ্রাফ।
    আমি অন্যমনস্ক হবার ভান করে দেয়ালের ছবি ও পেইন্টিংগুলো দেখছিলাম।
    উমম্‌ !
    অঞ্জোলি এলা মেনন। বি প্রভা। অর্পিতা সিং। অপর্ণা কৌর। কিন্তু হাতে রিস্ট ওয়াচ বাঁধা ওই নগ্নিকা! এত জীবন্ত। আরে অমৃতা শেরগিল। আসল নাকি? অর্থের অহংকার? না কি শিল্পকলার মর্মজ্ঞ এক পরিশীলিত মন?
    -- “কী ভাবছেন? ওই পেইন্টিংগুলো আসল কি না? দূর মশাই! ক্ষেপেছেন? আমরা এগুলো কিনে পয়সা নষ্ট করার বান্দাই নই। এসব আমার শ্রীমতীজির মানে এবাড়ির বড়ী বহুরাণীজির পছন্দ। কিন্তু এসব ভোপালের ভারত ভবনের প্রশিক্ষিত শিল্পীদের দিয়ে করানো নকল, ব্যস্‌। এক-একেকটার পেছনে হাজার বিশেক গাঁটগচ্চা দিয়েছি। এবার ওসব ছেড়ে কাজের জিনিস দেখুন। এটা পড়ে বলুন, কী বুঝলেন?”
    এই বলে ফোল্ডার থেকে একটি চার-পাঁচ পেজের ডকুমেন্ট উনি আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
    দশ মিনিট। তারপর চোখ তুলে ওঁর দিকে তাকালাম, আরে, উনি তো হাসছেন।
    --- “ছোটের ঘোড়ার চালটা দেখলেন? ও হারা খেলা জিততে চায়! নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করে লাভ নেই বুঝে অন্য দিক দিয়ে ঘেরাবন্দীর চেষ্টা। প্রথম দিন নির্বিঘ্নে কেটে গেলে আমার বিশেষ কোন লাভ নেই। এ তো নিত্যিকর্ম; করলে পূণ্যি নেই, না করলে পাপ। কিন্তু ও হবে বাপের সুপুত্তুর। আমার স্ত্রীর করা অভিযোগ অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে। কিন্তু ওর টার্গেট হল যুবসম্প্রদায়। আমার আগে থেকে ঘোষণা করা প্রোগ্রাম ক্যানসেল করিয়ে লোক্যাল ট্যালেন্টদের চান্স দিয়ে ও ওদের চোখে আমাকে ছোট করবে আর নিজে উনলোগোঁ কী দিল পর রাজ করেগা। ওর গোপন মাদক ও সেক্স পার্লারের গ্রাহক তো এদের থেকেই আসে। এক তির পর দো শিকার! উসকী দিমাগ কী দাদ দেনী হোগী।”
    --- “আপনি কী করতে চান?”
    --- “আপনি নয়, আমরা। যো ভী করনা হ্যায় হম দোনো মিলকর করেঙ্গে। ঝুলেলাল কী কৃপা সে সব দাঁও সহী পড়েগা।”
    আমি তাকিয়ে থাকি।
    --- “আপাততঃ ওর সন্ধিপ্রস্তাব আমরা মেনে নেব। জেসমিনের জন্যে কোন প্লেনের টিকিট কাটা হবে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ইয়ুথ নাইট আমরা ওর জিম্মায় দিয়ে দেব। কোন ওয়াক ওভার নয়।”
    --- “তাহলে?”
    --- “তাহলে জেসমিনকে অন্য পথে আনতে হবে। মিলেনিয়াম মল ইনঅগারেশনের রাতে ও দিল্লির কোন হোটেলে প্রোগ্রাম করবে। রাত্তিরে সেই হোটেল থেকে নিজের সুইটে ফিরে আবার একঘন্টা পরে নীচে নেমে অন্য গাড়ি করে রায়পুরের জন্যে রওনা দেবে। আর পরের দিন দুপুর নাগাদ রায়পুর শহরের বাইরে ধরসীবায় আমাদের একটি রিসর্টে উঠে বিশ্রাম করবে। তারপর সন্ধ্যেটা ওর।”
    --- “কী বলছেন! রাজকুমার কি এতই বোকা? শুধু মুখের কথায় বিশ্বাস করবে যে আপনি ওর শর্ত মেনে নিয়ে জেসমিনের প্রোগ্রাম ক্যানসেল করিয়েছেন? ও তো প্রমাণ চাইবে, সলিড প্রুফ!”
    --- “আমিও কি অতটাই বোকা? প্রমাণ দেব তো! প্রথম দিন মুখ্যমন্ত্রীর ফিতে কাটা এবং মলের ডোম খুলে আকাশে বেলুন উড়ে যাওয়ার পর মঞ্চ থেকেই ঘোষণা করে দেব যে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মিস ক্যামেলিয়া আগামী কাল ইউথ নাইটে আসতে পারছেন না। উনি আগামী মাসে কোন এক তারিখে আসছেন, বদলে কাল ছত্তিশগড়ি ফোক ড্যান্স ও সং হবে। ছলিউড তারকারা আসবেন। ফলে কোন গন্ডগোল হবে না। এ পর্য্যন্ত স্ক্রিপ্টটা ছোটের ছকে দেওয়া।কিন্তু পরের দিন নাটকীয় ভাবে ক্যামেলিয়া স্টেজে উঠলে একেবারে হলিউড-জলিগুড এফেক্ট হবে।আর তখন ছোটের মুখের চেহারা!”

    আমার গলা শুকিয়ে ওঠে। এ আমি কোথায় এসেছি! কী সব পারিবারিক ষড়যন্ত্রের ভেতরে পার্টনার হতে যাচ্ছি। না, না! এসব ঠিক---।
    --- “আপনাকে কিছু ভাবতে হবে না। গোটা ব্যাপারটা আমি ছকে ফেলেছি। দিল্লি থেকে জেসমিনকে আনার গাড়ি, ড্রাইভার ও সিকিউরিটির দায়িত্ব আমার নিজস্ব লোকজনের। আপনার দায়িত্ব শুরু হবে দ্বিতীয় দিন দুপুর বেলায় জেসমিন রায়পুর পৌঁছলে পরে। তখন আপনি ফ্রি। তাই জেসমিনের রায়পুরে এন্ট্রি, সন্ধ্যেয় প্রোগ্রাম ও পরের দিন দিল্লির জন্যে প্লেনে তুলে দেওয়া অব্দি আপনি ওর পার্সোনাল সেফটির জন্যে দায়ী থাকবেন। এর জন্যে আপনাকে বোনাস পেমেন্ট দেওয়া হবে। কাল আরেকটা এগ্রিমেন্ট তৈরি হবে। পরশু সাইন করে দেবেন।”

    আমার ভাবার জন্যে একটু সময় চাই। চুপচাপ নিজের ঘরে ফিরে আসি।

    (২)

    আজ ২৬শে ডিসেম্বর। আর মাত্র সাতদিন বাকি। নাওয়া খাওয়া শিকেয় উঠেছে। সার্কিটগুলো কম্প্লিট। তিনদিন আগেই রান করিয়ে দেখেছি, চমৎকার। কাল থেকে রোজ একবার থরো ইন্স্পেকশন করব। রাজকুমারকে বিশ্বাস নেই।

    ২৪শে ডিসেম্বর রাত্তিরে গির্জায় গিয়েছিলাম। তখন রাত বারোটা। বাইরন বাজারের সেন্ট পলস্‌ গির্জা। একশ' বছরের পুরনো। আলোয় আলো। রায়পুর শহরে এত ক্রিশ্চান থাকে? কিন্তু সবকিছুতেই কেমন গেঁয়ো ছাপ। একে অন্যকে অভিবাদন করছে-- ঈশু! ঈশু!
    কারও কারও জামায় লেখা- জেসাস সেভস্‌! গিটার হাতে কয়েকটি ছেলেমেয়ে গাইছেঃ
    “খুশি খুশি মানাও,
    খুশি খুশি মানাও,
    বোলো প্রভূ কী জয় জয় জয়।
    মেরে লিয়ে আয়া, মেরে লিয়ে জিয়া—”

    এমন দিনে আমাদের কেরালার গ্রাম আর তার চার্চে কয়ার গানের প্রতিযোগিতা আর কোথায় --! ধেত্তেরি! কিছু ভালো লাগছে না। মালবীয় রোড থেকে একটা বড় কেক কিনে নিয়ে এলাম। কাল রবিন মানে চমনলাল ও তার বাবাকে দেব।
    রাত্তিরে ঘরে ফিরে দেখি আমার জন্যে দুটো সুন্দর কেক আর সঙ্গে ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা লেখা দুটো কার্ড। একটা রমেশের আর একটায় রাজকুমারের নাম।
    মোবাইলে অন্ততঃ একডজন মেরি ক্রিসমাস। তার মধ্যে একটা দিল্লি থেকে জেসমিনের। সাতদিন পরে এই শহরে ওর শারীরিক সুরক্ষার পূর্ণ দায়িত্ব আমার ঘাড়ে; ও কি জেনে গেছে?
    চমকের আরও বাকি ছিল।
    শুতে যাওয়ার আগে রবিন বলল মেরি ক্রিসমাস ব্যাটম্যান! তারপর লজ্জা লজ্জা মুখ করে হাতে একটা ছোট প্যাকেট ধরিয়ে দিল। বলল, “আমি চলে যাওয়ার পরে দেখো ব্যাটম্যান।”
    খুলে দেখি একটা ডিভিডি, তাতে মিস্‌ ক্যামেলিয়ার এক ডজন গান। ওই সব Baby, Baby, its time গোছের। কোন মানে হয়?
    গতকাল চমনকে চেপে ধরেছিলাম।
    ও বলল ও নাকি ক্যামেলিয়ার বিরাট ফ্যান। ওর সব গান ওর কাছে একটা পেনড্রাইভে তোলা আছে। ইউটিউবে শোনে। ওর মতে ক্যামেলিয়া নাকি প্রতিভায় শাকিরা বা আমাদের সময়ের ম্যাডোনাকে ছাড়িয়ে গেছে। দারুণ গায়,অসাধারণ স্টেজ প্রেজেন্স।
    -- “ব্যাপার কী রবিন?”
    -- “না,না; যা ভাবছ তা নয়। ওর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখবে--একদম দেবীর মত। ওঁর সম্বন্ধে হালকা কোন চিন্তা মাথায় আসতে পারে না। আমার একটা রিকোয়েস্ট রাখবে ব্যাটম্যান?”
    --“সেটা কী আগে শুনি।”
    -- “না, আগে কথা দাও রাখবে?”
    --- “সরি! আমি না শুনে আগাম কোন কথা দিই না।”
    কিন্তু কিন্তু করে বলল—“ যেদিন মিস্‌ ক্যামেলিয়া রায়পুরে আসবেন, সেদিন আমাকে ওঁর কাছে যেতে দেবে?”
    আমি হেসে ফেলি। কী পাগলামি!
    -- “আচ্ছা, অটোগ্রাফ নিতে চাস তো? আমি তোকে ওঁর সাইন করা ফোটোগ্রাফও দিইয়ে দেব।”
    -- “আরে সে তো আমার কাছে একডজন আছে। নেট থেকে ডাউনলোড করা আর ওঁর সেক্রেটারিকে মেইল করে আনানো। তোমাকে দেখাবো?”
    -- “না, না। আমাকে দেখাতে হবে না। কিন্তু তুই তাহলে কী চাস?”

    -- “আমি চাই ওঁর কাছে সারাক্ষণ থাকতে, মানে ওঁর খাওয়া দাওয়া, জলখাবার, ড্রিংক্স, লঁজারি , মেক আপ, স্টেজে যাওয়ার জন্যে গাড়ি-- সবসময়।”
    -- “ধেৎ, ওর জন্যে তো আলাদা আলাদা প্রফেশনাল লোক আছে।”
    -- “সে তো থাকবেই। দেবীজি কত বড় মাপের মানুষ। কোঈ এ্যাড়ে গ্যাড়ে থোড়ি হী! কিন্তু আমি চাই তোমার লোক হিসেবে ওইসব দেখভাল মানে ওই কি যে বল--ম্যানেজারি করতে।”
    -- “ক্যামেলিয়া রায়পুরে আসছে তোকে কে বলল? কোথাও তো পোস্টার নেই। এখনও কিছু ঠিক হয় নি।”
    -- “আরে গোটা রায়পুর জানে যে উনি ঠিক আসবেন। ওই ক্লাউন কথা ছড়াচ্ছে যে উনি আসবেন না; তুমি নাকি দিল্লি গিয়ে রাজি করাতে পারো নি। কিন্তু আমি তোমাকে জানি ব্যাটম্যান। তুমিই জিতবে। আর আমাকে দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে দেখ, কোন এদিক ওদিক হবে না। কোঈ মাঈ কা লাল পয়সেওয়ালেকো উনকে পাস হম ফটকনে নহীঁ দেঙ্গে।”
    এক অস্বাভাবিক উত্তেজনায় চক্চক করে চমনলালের কৈশোর পেরোনো মুখ। আমার অবাক লাগে। ও কী ঠিক সুস্থ? কথাটা নতুন করে আবার মাথায় ঘুরতে থাকে।

    কিন্তু বেশিক্ষণ চমনলালের কথা মাথায় রইল না। আজ একটি নতুন ইলেক্ট্রিশিয়ানকে নিয়ে ঘুরে ঘুরে কাজ দেখছিলাম। একটা সুইচ ঠিকমত কাজ করছে না। সঙ্গের প্রেশার গজের কাঁটা অনেক বেশি শো করছে। চিন্তা বাড়ল।
    আমার ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়র যে সেন্সর সিস্টেমটা ইনস্টল করেছে তাকে দেখাতেই চমকে উঠল।
    -- “সুইচটা বদলে দেওয়া হয়েছে!”
    -- “কী বলছ! আরেকবার চেক করে দেখ।”
    -- “ঠিকই বলছি স্যার! আমি যে সুইচটা লাগিয়ে ছিলাম , সিমেন্স কোম্পানির, এটা সেইটা নয়।”
    -- “কে বদলে দিয়েছে?”
    -- “তা কী করে বলব?”
    -- “হয়ত ওই সুইচটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।”
    -- “হলে আমি জানতে পারতাম। দু'বছরের গ্যারান্টি; আমাকে না জানিয়ে কেউ পাল্টে দেবে কেন?”

    সন্ধ্যেয় রমেশকে জানালাম। কিন্তু ও বিশেষ পাত্তা দিল না। বলল — “সবসময় রাজকুমারের ভূত দেখবেন না। ও বুঝে গেছে যে এখন কিছু গড়বড় হলে দোষটা ওর ঘাড়েই পড়বে। আমার যাত্রাভঙ্গ করতে গেলে আগে ওর নাককাটা যাবে।”
    আমি একটু আশ্চর্য হলাম। এত নিশ্চিন্ত হলেন কেন রমেশ?
    উনি যেন আমার মনের কথা পড়তে পারলেন।
    --- “ও, আপনাকে বলতে ভুলে গেছি। ক্রিসমাসের দিন আমার বাবার বন্ধু রিটায়ার্ড ডিজি বিক্রমজিৎ নিজে এসে গোটা সিস্টেমটা বাবার অনুরোধে ইনস্পেকশন করে গেছেন।”
    --- “সে কী?”
    --- “ইয়েস্‌। আর উনি হাইলি স্যাটিসফায়েড। বাবাকে রিপোর্ট দিয়েছেন যে আমার তৈরি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রফেশনালি এবং টেকনিক্যালি সাউন্ড। এতে ফাটল ধরাতে পারে শুধু ঈশ্বরের হাত। ব্যস-! আমার কোন চিন্তা নেই। ফার্স্ট রাউন্ডের খেলাটা মনে হয় জিতে গিয়েছি। আপনাকে ধন্যবাদ। বাকি আছে পরের রাউন্ড, ইয়ুথ নাইট।”

    কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। শেষে উনি আমার কথামত ওই সেকশনের নতুন যোগ দেওয়া তিনজন স্টাফকে বদলে দিলেন। বদলে ওঁর বিশ্বস্ত পুরনো তিনজন স্টাফকে অন্য সেকশন থেকে এখানে নিয়ে আসা হল।

                                                                                                                                    (চলবে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২৮ অক্টোবর ২০২৩ | ২৯৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    চিরুনি - Rashmita Das
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন