এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বিশ্ববন্দিত কঃক, সদ্যপ্রয়াত মহলানবীশ এবং আজও অপরিচিত  শম্ভূনাথ। কলকাতায় এক বিস্মৃত আবিষ্কারের কাহিনী।   

    ANIRBAN MITRA লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২০ নভেম্বর ২০২২ | ৫১৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  •  
     
    গ্রাম থেকে যখন ভোর হতে লোকে পালায়, তখনও বারবার ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখে, ওলাবিবি তাড়া করে আসছে কি না।  এই ওলাবিবিই পরে এশিয়াটিক কলেরা নাম চিহিন্ত হয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম মানবধ্বংসকারীর ভূমিকা নিয়েছে।  
    - 'সেই সময়' , সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।  

    ১৮১৭ খৃস্টাব্দে এই ভীষণ মড়ক বঙ্গদেশ হইতে দিগ্বিজয় করিতে বাহির হইয়া সিন্ধু, য়ুফ্রাটিস, নীল, দানিয়ুব, ভল্গা, অবশেষে আমেরিকার সেন্টলরেন্স এবং মিসিসিপি নদী পার হইয়া দেশবিদেশে হাহাকার ধ্বনি উত্থিত করিয়াছিল।  
    - 'ওলাউঠার বিস্তার', রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 

    'আমি নিশ্চিত যে কলকাতায় আমরা কলেরা' জন্যে দায়ী জীবাণুকে খুঁজে পেয়েছি।  ব্যাকটেরিয়াটি দন্ডাকৃতি ব্যাসিলাস হলেও ঠিক সোজা নয়, বরঞ্চ comma মত ব্যাঁকা; অর্ধগোলাকৃতিও বলা চলে ...  মাইক্রোস্কোপের তলায় দেখেছি এরা বেশ নড়েচড়ে বেড়ায়। ...কলকাতায় এখনো অবধি ১১জন কলেরা রুগী' মল এবং ২২জন কলেরায় মৃত ব্যক্তির পোস্টমর্টেম করা হয়েছে। লক্ষণীয় ব্যাপার হল যে প্রত্যেক কলেরা শিকারের অন্ত্রে এই comma ব্যাকটেরিয়া পেয়েছি, কিন্তু অন্যান্য পেট-খারাপ রুগীদের শরীরে পাইনি.....এমনকি ১৭ জন কলেরা আক্রান্ত যে জলাধার থেকে পানীয় জল সংগ্রহ করতেন সেই জলেও আছে এই  জীবাণু।...  গত বছর মিশরে কলেরা মড়কের সময় ১০জনের শরীরে এই একই ব্যাকটেরিয়াকে দেখেছিলাম ...
    - ১৮৮৪'র জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে জার্মান সরকারকে লেখা রবার্ট কঃকের রিপোর্ট'র অংশবিশেষ। 

    মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজির জনক হিসেবে যিনি আজ বিশ্ববন্দিত, লুই পাস্তুর আর যাঁর নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হয়, সেই রবার্ট কঃক যখন জার্মান বৈজ্ঞানিক দলের নেতা হয়ে  ১৮৮৩র ডিসেম্বরে  'সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় শহর' কলকাতায় পৌঁছন তার কয়েক বছর আগে থেকেই তাঁর খ্যাতি দেশেবিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ, ততদিনে কঃক এনথ্রাক্স এবং যক্ষার জীবাণু আবিষ্কার করে ফেলেছেন, তাঁর সহকারী-ছাত্র লেফলের আবিষ্কার করেছেন ডিপথেরিয়া'র জীবাণু। মাইক্রোবায়োলজি গবেষণায় আজও যেসব নিয়মাবলী মেনে চলা আবশ্যক ততদিনে তার অনেকগুলির প্রচলন করে ফেলেছে কঃকের ল্যাবরেটরি। 


     কিন্তু, সারা পৃথিবীর ত্রাস, কলেরার জীবাণু এখনো অধরা।  এবং তাই ১৮৮৩তে মড়ক চলাকালীন কলেরা জীবাণুর সন্ধান করতে তাঁর মিশর হয়ে কলকাতায় আগমন। কলকাতায় কলেরা লেগেই আছে, তাই এখানে অচেনা জীবাণুর খোঁজ পাওয়া যাবে বলেই বিশ্বাস।  আর এখানে শিয়ালদহ হাসপাতালে ( পরবর্তীকালে নাম বদলে ক্যাম্পবেল হাসপাতাল, এবং আজকে এন.আর.এস) গবেষণার ভাল ব্যবস্থা করে দিয়েছে ইংরেজ সরকার। অন্যান্য হাসপাতাল থেকেও কলেরা রুগী এবং মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে। ফরাসি পাস্তুরের সঙ্গে সূক্ষ প্রতিযোগিতাও মনের মধ্যে কাজ করছে।  কঃক কাজে লেগে পড়লেন এবং মাসখানেকের মধ্যেই দেশে সাফল্যের রিপোর্ট পাঠালেন। জয়জয়কার পড়ে গেল। মে মাসে দেশে ফিরলে জার্মান সম্রাট নিজে তাঁকে সংবর্ধিত করেন।    

     
     অবশ্য, কঃকের বহু আগে ১৮৫৪য় ইতালিয় বিজ্ঞানী ফিলিপো পাসিনী সর্বপ্রথম কলেরা রুগীদের অন্ত্রে এই জীবাণুর সন্ধান পান।  কিন্তু, সে কথা কেউ বিশ্বাস না করায় স্তুপীকৃত জার্নালের না-পড়া পৃষ্ঠার মধ্যে হারিয়ে যায় পাসিনীর গবেষণা। তিরিশ বছর পরে কঃক যখন কলেরা জীবাণু পুনরাবিষ্কার করেন তখন তাঁর জগৎজোড়া খ্যাতি এই গবেষণাকে আরো দ্রুত স্বীকৃতি দেয়। আজকে কঃকের এই কলকাতা-ভিত্তিক আবিষ্কারের কাহিনি প্রায় অবধারিত ভাবে মনে আনে রোনাল্ড রসের ম্যালেরিয়া পরজীবী আবিষ্কারের কথা। উল্লেখ্য, ১৯০২তে রসের নোবেল প্রাইজ পাওয়ার ব্যাপারে সুইডেনের কমিটির কাছে কঃকের সুপারিশ বেশ কাজ করেছিল। কিন্তু, অবাক কান্ড - রসের সেই গবেষণার আজ এ শহরের 'গর্বের ব্যাপার', অথচ কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে কলকাতায় কঃকের কলেরা কাহিনী।  
     
    অবশ্য, জীবাণু চিহ্নিতকরণ সফল হলেও কঃক একটি ব্যাপারে ব্যর্থ হলেন।  শিয়ালদহ হাসপাতালের গবেষণাগারে ইঁদুর, গিনিপিগ একাধিক প্রাণীর শরীরে comma ব্যাক্টেরিয়াটি ইনজেক্ট করলেও কলেরার কোন উপসর্গ দেখা গেল না। অথচ কঃকের পূর্ব গবেষণা দেখিয়েছে কোন একটি নির্দিষ্ট জীবাণু থেকে একটি রোগ হয় কি না তার জন্যে এই প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ। হতাশ কঃক জানালেন কলেরা একান্তভাবে মনুষ্য প্রজাতির অসুখ, তাই অন্য প্রাণীর রক্তে ঢুকলেও এই ব্যাকটেরিয়া অসুখ করাতে অক্ষম। 

    আসলে, শ্রেষ্ট খেলোয়াড়ও যেমন অপ্রত্যাশিত ভুলে আউট হন,  এক্ষেত্রে কঃকের মত প্রবাদপ্রতীম বিজ্ঞানী একটি ভুল করে ফেলেছিলেন। কলেরা আক্রান্তদের জ্বর, জলের মত পাতলা মল,  জলশূন্যতা, হৃদযন্ত্র'র ওপর গুরুতর প্রভাব দেখে তিনি ভেবে বসেন এসবই হল রক্তে কলেরা জীবাণু'র বিষক্রিয়ার ফল।  তাই, গবেষণাগারে তিনি ইঁদুর গিনিপিগ খরগোশদের রক্তে জীবাণু ইনজেক্ট করে রোগটি বিশ্লেষণ করা শুরু করেন।  আর মাইক্রোবায়োলোজিতে কঃক-নির্দেশিত পথ এমনই 'বেদবাক্য' যে কঃক ব্যর্থ হলেও মোটামুটি একই চেষ্টা চলতে থাকে পরের ৫০ বছর ধরে! ফলস্বরূপ ব্যর্থতা আর ব্যর্থতা, বহু দশক থমকে থাকে কলেরা গবেষণা।  অবশেষে ১৯৫১'য়  নতুন পথ দেখালেন সেই একই হাসপাতালে (ততদিনে এন.আর.এস)'র  প্যাথোলজি বিভাগের বাঙালি অধ্যাপক। এমন এক অসাধারণ বিজ্ঞানী যাঁকে সদ্য-প্রয়াত ডঃ দিলীপ মহালানবীশের মতোই ভুলে গেছে তাঁর স্বজাতি - ডঃ শম্ভূনাথ দে।  

    চন্দননগরের নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান মেধাবী শম্ভূনাথ বৃত্তি অর্জন করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন ৩০র দশকের মাঝামাঝি। পাস্ করে কিছুদিন প্র্যাকটিস করলেও গবেষণাতে বেশি আগ্রহ বলে লন্ডনের খ্যাতনামা গবেষণাগারে গিয়ে ডক্টরেট হন এবং ১৯৪৯ দেশে ফিরে এন.আর.এস হাসপাতালে যোগ দেন। ততদিনে দেশভাগের ভয়ানক উদ্বাস্তু সমস্যা এবং তজ্জনিত কলেরা'র প্রকোপ এন.আর.এস-কে করে তুলেছে কলেরা চিকিৎসা'র প্রাণকেন্দ্র। শম্ভূনাথ এখানেই পেলেন তাঁর জীবনের ব্রত - কঃক-আবিষ্কৃত কলেরার জীবাণু কেমন করে মানবদেহে অসুখ করায় জানতেই হবে।  


    পরবর্তীকালে জোসুয়া লেডারবার্গ'র মত নোবেল বিজয়ী-সহ  একাধিক খ্যাতনামা বিজ্ঞানী শম্ভূনাথের গবেষণাকে স্বশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেছেন। কারণ জগদ্বল পাথরের মত মনে বসে থাকা কঃক-নির্দেশিত পথকে সরিয়ে তিনি ব্যাকটেরিয়া ইনজেক্ট করলেন, রক্তে নয়,  খরগোশদের  ক্ষুদ্রান্তে। তাঁর বিশ্বাস, রক্ত নয়, এই জীবাণুর আক্রমণ প্রাথমিক ও মূল লক্ষ্য রুগীর ক্ষুদ্রান্তের কোষ।  

    কলেরার মূল উপসর্গ ডায়ারিয়া অবশ্য দেখা গেল না। কিন্তু, খরগোশগুলি কয়েকদিনের মধ্যেই মারা পড়ল।  এবং মৃত খরগোশদের অন্ত্র পরীক্ষা করে সবাই চমকে উঠলেন।  বৃহদান্ত্রের প্রথম অংশ সিকাম - যা খরগোশের তৃণভোজী প্রাণীদের বেশ বড় হয় - সেখানে জমে আছে প্রায়-জলের-মত পাতলা মল;  অবিকল যেমন কলেরা রুগীদের হয়! আর সেই মলে ভর্তি কলেরার জীবাণু। হ্যাঁ, খরগোশগুলি কলেরাতেই মারা পড়েছে। কিন্তু, মানুষের তুলনায় ওদের সিকাম অনেকটা বড় বলে ডায়ারিয়া হয়ে শরীর থেকে মল নিষ্কাশিত হয়নি, জমা পড়েছে সিকামের বন্ধগলিতে। শম্ভূনাথ সফল। 

    পরের এক্সপেরিমেন্ট -  সার্জারিতে ব্যবহৃত সুতো দিয়ে খরগোশের ক্ষুদ্রান্ত্রের  দুই প্রান্ত বেঁধে দিলেন শম্ভূনাথ। তারপর দুই সুতোর মধ্যবর্তী অঞ্চলে জীবাণু ঢুকিয়ে দিলেন।  আবার অন্ত্র পরীক্ষা।  এবারও ফলাফল দুর্দান্ত  -  ক্ষুদ্রান্তের যে অংশে জীবাণু ঢুকিয়েছিলেন  শুধুমাত্র সেই অঞ্চল জলের-মত মলে ফুলে ঢোল হয়ে আছে। অন্ত্রের বাকি সবকিছু 'একদম নরম্যাল' . ১৯৫৩য় বিখ্যাত আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হতে সবাই 'ধন্য ধন্য' করলেন। আর কোন সন্দেহ নেই  রক্তে নয়, কলেরা ব্যাকটেরিয়া 'লোকাল আক্রমণ' করে ক্ষুদ্রান্ত কোষকে।  প্রাণীদেহে রোগসৃষ্টিও  করা গেছে।  শুধু কলেরা নয়, অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া-ঘটিত আন্ত্রিক রোগবিরোধী লড়াই এবার করা সম্ভব হবে।  

    শম্ভূনাথ ক্ষান্ত দিলেন না।  হাসপাতালে অত্যাধুনিক গবেষণার পরিকাঠামো নেই বলে বসু বিজ্ঞান মন্দিরে কাজ শুরু করলেন। প্রতিদিন হাসপাতালে কাজ শেষ করে চলে যেতেন নতুন গবেষণাগারে, রবিবারেও অন্যথা নেই।  সাধনার ফল মিলল ১৯৫৯এ । বিশ্ববিখ্যাত 'নেচার' পত্রিকায় প্রকাশিত হল গবেষণাপত্র। বৈজ্ঞানিক কূলে লর্ডসে দ্বিশতরানের সমগোত্র এই সম্মান।  শম্ভূনাথ প্রমাণ করেছেন কলেরা জীবাণু'র কোষ থেকে নিঃসৃত একটি বিষাক্ত অনু (বিজ্ঞানের পরিভাষায় নাম 'এক্সওটক্সিন') ক্ষুদ্রান্তে কোষগুলিকে আক্রমণ করে। আধুনিক গবেষণার ফটক খুলে দিলেন শম্ভূনাথ। কয়েক বছরের মধ্যে জানা গেল  কলেরা-এক্সওটক্সিন ক্ষুদ্রান্তের কোষে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জৈব-আণবিক পথকে বিকল করে দেয়। ফলে ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে হুড়মুড়িয়ে বেরিয়ে আসে সোডিয়াম পটাসিয়াম ক্লোরাইড আয়ন, আর শরীরের যাবতীয় জল।  এমন কালান্তক জলশূন্যতায় ৩০-৫০% ক্ষেত্রে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী।  আর সেই সূত্র ( এবং আরও অনেক গবেশনা) ধরে ষাটের দশকে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কলকাতার মার্কিন এবং বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকরা বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে প্রমান করলেন ওরাল রেহাইড্রেশন থেরাপি কেন অপরিহার্য।  বোঝা গেল কেন শুধু জল বা নুন-জল খেলে রুগী সারবে না।  নুন, গ্লুকোজ (বা চিনি) জল তিনটিই প্রয়োজন।  আজ জৈবরসায়ন এবং শারীরবিদ্যার সব পাঠ্যবইতে এই আশ্চর্য প্রাণদায়ী গবেষণার স্থান অবধারিত। 
     

     তবে গবেষণাগার এবং হাসপাতাল এক জিনিস। কিন্তু যখন বনগাঁ'র উদ্বাস্তু ক্যাম্পগুলিতে কয়েক লক্ষ শরণাগতের মাঝে কলেরার মহামারী ছড়িয়ে পড়ে? কিভাবে অতি সহজে ওআরএস তৈরি করে সাধারণ মানুষকে চলিত ভাষায়  চিকিৎসাপদ্ধতি বুঝিয়ে হাজার হাজার রুগী’র প্রাণ বাঁচানো যায় সেই রোমাঞ্চকর কাহিনী'র সঙ্গে আজ নতুন করে সবার পরিচয় ঘটছে। কারণ, সদ্য-প্রয়াত ডঃ মহলানবীশকে জীবদ্বশায় যে সম্মান বাঙালি দেয়নি তাঁর প্রয়াণের পরে গত কয়েক দিন সমাজমাধ্যমে 'দেরিতে পূজো' চলছে। তবে প্রশ্ন জাগে - আজকের মুনাফা-সর্বস্ব চিকিৎসাব্যবস্থায় এমন 'সস্তার ওষুধ' সম্ভব হত কি? 


     আর শম্ভূনাথ? নোবেল কমিটি  বিশেষ অধিবেশনে তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সন্মানিত করলেও দেশের কোন বিজ্ঞান একাডেমির সাম্মানিক সদস্যপদ তাঁর জোটেনি, কোন সরকারি  পুরস্কার তো দূরস্থান। জগদীশচন্দ্র, প্রফুল্লচন্দ্র, মেঘনাদ, প্রশান্তচন্দ্র  এবং সত্যেন্দ্রনাথ  বছরে অন্তত একদিন  বাঙালি-জনমানসে বেঁচে আছেন।  কিন্তু, মৃত্যুর প্রায় চার দশক পরে নিজভূমে শম্ভূনাথ আজও উপেক্ষিত। বাঙালি নাকি বিজ্ঞানমনস্ক!?
  • ব্লগ | ২০ নভেম্বর ২০২২ | ৫১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সংহিতা সিংহ | 2409:4060:39d:16a2::2372:60b1 | ২২ নভেম্বর ২০২২ ২১:১৩514048
  • বিজ্ঞানী শম্ভুনাথ এর যুগান্তকারী আবিষ্কার এর ভালো ফল আমরা পাচ্ছি ও রোজকার জীবনে নুনচিনির জলে উপকার পাচ্ছি। কিন্তু ভাবলে আশ্চর্য লাগে, এর আবিষ্কার যিনি করেছেন, তাকে আমরা স্মরণ করছি না। এই লেখনীর মাধ্যমে শম্ভুনাথ ছাড়াও আরো বিজ্ঞানীদের অবদান সম্পর্কে জেনে ঋদ্ধ হলাম। লেখকের সাবলীল রচনা জানার ইচ্ছে বাড়ায়। ভবিষ্যতে আরো লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করে রইলাম।রইলাম 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৩ নভেম্বর ২০২২ ০০:১০514052
  • অতি মূল্যবান দলিল। লেখককে অজস্র ধন্যবাদ এই মহান বিজ্ঞানীর কথা বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে আনার জন্য। আশা করি আরও অনেকে এই লেখা পড়বেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন