ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  ভ্রমণ  ঘুমক্কড়

  • পায়ের তলায় সর্ষেঃ মিশর

    Shuchismita
    ভ্রমণ | ঘুমক্কড় | ১৫ মে ২০২২ | ৪০৬ বার পঠিত
  • মিশরের ডায়েরিসমূহ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Shuchismita | 41.33.138.139 | ১৫ মে ২০২২ ২২:৩০736694
  • ১৩ই মে, ২০২২
     
    মিশর চলেছি। ২০২২ সালটা একাধিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। একশো বছর আগে হাওয়ার্ড কার্টারের নেতৃত্বে আবিষ্কার হয় তুতেনখামেনের সমাধি। সাড়ে তিন হাজার বছর - যে যীশুখ্রীষ্টের জন্ম দিয়ে আমরা সময়ের হিসেব করি - সেই যীশুর জন্মেরও দেড় হাজার বছর আগে মিশরের মানুষ মাটির তলার এই কক্ষে তাদের রাজাকে সমাধিস্থ করেছিল। মৃত্যুর পরের জীবনের পাথেয় হিসেবে সঙ্গে দিয়েছিল চোখ ধাঁধানো ঐশ্বর্য। কিশোর রাজা তুতেনখামেনের সোনার মুখোশের ছবি দেখেছিলাম আনন্দমেলার প্রচ্ছদে। কৈশোরের সেই দিনটা থেকে আমি মিশর যেতে চেয়েছি। বিদেশ ভ্রমণের মত টাকা রোজগার করতে পারা মাত্র প্রথম সুযোগেই চলে গেছিলাম ২০০৭ সালে - পনেরো বছর আগে। তারপর এবছর আবার। মিঠুনের সাথে সংসারের দশ বছর পূর্ণ হতে কয়েক মাস বাকি। যা কিছু প্রিয় তা ভাগ করে নিতে আর দেরি করা উচিৎ নয়। মে মাসের গরমেই তাই চলেছি মিশর। 

    গত পনেরো বছরে তুতেনখামেনের সমাধি বিষয়েও কিছু চাঞ্চল্যকর নতুন গবেষণা হয়ে গেছে। সংক্ষেপে সে গল্প করা নেহাৎ অপ্রাসঙ্গিক হবে না। রাজাদের মধ্যে যেমন তুতেনখামেন, মিশরের রাণীদের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত নেফারতিতি। এদের চেয়ে অনেক প্রভাবশালী নারী-পুরুষ প্রাচীন মিশরে ছিল। কিন্তু বিশ শতকের পপ কালচারে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে এরাই। তুতানখামেনের সোনার মুখোশ, নেফারতিতির আবক্ষ মূর্তি - এই দুটি সম্ভবত সবচেয়ে পরিচিত প্রাচীন মিশরীয় শিল্পের নিদর্শন।

    নেফারতিতি নামের অর্থ beauty has arrived. বাংলায় কি বলবো? সৌন্দর্যসম্ভবা? সম্পর্কে ইনি খুব সম্ভব তুতেনখামেনের সৎ  মা এবং নিশ্চিত ভাবেই শাশুড়ি। মিশরে ভাই বোনের বিয়ে বহুল প্রচলিত ছিল। নেফারতিতির স্বামীর নাম চতুর্থ আমেনহোতেপ। আমরা সবাই জানি প্রাচীন  মিশরীয়রা হিন্দুদের মতোই মূর্তিপুজো করত এবং হিন্দুদের মতোই তাদের তেত্রিশ কোটি দেবতাও ছিল। সেই দেবতাদের রাজার নাম আমুন। প্রাচীন মিশরের রাজধানী থিবসে আমুনের বিশাল মন্দির। এখন সেই শহরের নাম লুক্সর। প্রত্নতাত্ত্বিকরা মাটি খুঁড়ে আমুনের মন্দির বের করেছেন। কার্নাক মন্দির এর নাম। আগেরবারে দেখেছিলাম এই মন্দিরের ওপরে তৈরি হয়েছে ক্যাথিড্রাল। তার ওপর মসজিদ। প্রাচীন মিশরে আমুন ছাড়াও আরও অনেক দেবতার পুজো হত এই মন্দিরে। 

    তেত্রিশ কোটি দেবতার রমরমার কারণে স্বভাবতই পুরোহিতদের খুব দাপট ছিল। চতুর্থ আমেনহোতেপ রাজা হওয়ার বছর পাঁচেকের মধ্যে হঠাত করে ঘোষণা করলেন - এত দেবদেবীর পুজো করা চলবে না। দেবতা একজনই - সূর্য দেবতা - আতেন। শুধু আতেনেরই পুজো হবে এবার থেকে। এই বলে থিবসের মন্দির বন্ধ করে দিয়ে রাজধানী গুটিয়ে নিয়ে চলে গেলেন উত্তরে আমারনায়। সেখানে আতেনের মন্দির তৈরি হল। চতুর্থ আমেনহোতেপ নিজের নাম নিলেন আখেনআতেন অর্থাৎ আতেনের প্রতিনিধি। এই ঘটনা সম্ভবত মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম একেশ্বরবাদের সূচনা। যদিও ঈশ্বর এখানে বিমূর্ত নয়। রীতিমত মূর্তিপুজোর নিয়ম মেনেই সূর্যপুজো হতে লাগলো। 

    পাটরাণী নেফারতিতি যথেষ্ট প্রভাবশালী। কার্নাকের মন্দিরে আখেনআতেনের যত ছবি আছে নেফারতিতির ছবি তার চেয়ে বেশি। রাণীর ভূমিকাতে তো বটেই, এমনকি যেসব কাজ শুধুমাত্র ফারাওয়ের করার কথা তেমন কাজেও নেফারতিতির ছবি পাওয়া গেছে। একটা উদাহরণ দিলে স্পষ্ট হবে। সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের প্রাচীনতম ফারাও থেকে শুরু করে অপেক্ষাকৃত আধুনিক আখেনআতেনের যুগেও খুব প্রচলিত একটা ছবি হল ফারাও একজন শত্রুর চুলের মুঠি ধরে ডাঙস জাতীয় একটা অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় বাড়ি মারতে উদ্যত। বোঝাই যাচ্ছে ফারাও কত শক্তিশালী সেটা প্রচার করতে এমন ছবি আঁকা হত। নেফারতিতির ছবিও পাওয়া গেছে এমন ভঙ্গিমায়। এমনকি অনেক ইজিপ্টোলজিস্ট মনে করেন আখেনআতেনের রাজত্বের শেষের দিকে নেফারতিতি কো-রিজেন্ট অর্থাৎ সহ-রাষ্ট্রাধিপতি ছিলেন। 

    আখেনআতেনের মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই পুরোহিত গোষ্ঠী শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আতেনের পুজো বন্ধ হয়ে আবার তেত্রিশ কোটি দেবতার পুজো শুরু হয়। রাজধানী ফিরে আসে আমারনা থেকে থিবসে। এই টালমাটাল কয়েক বছর তিনজন ফারাওয়ের নাম পাওয়া যাচ্ছে। স্মেনখকারে, নেফারনেফারুআতেন এবং সবশেষে আমার বাল্যপ্রেম তুতেনখামেন। স্মেনখকারে এবং নেফারনেফারুআতেন দুজনেরই রাজত্বকালের মেয়াদ মোটে একবছর করে। সেটা আশ্চর্য কিছু নয়। ইতিহাসের টালমাটাল সময়ে এর চেয়েও কম মেয়াদের রাজা সাজা আমরা দেখেছি। কিন্তু রাণী? যতই আমরা বলি না কেন, প্রাচীন ভারতে বা প্রাচীন মিশরে, বা প্রাচীন হ্যানোত্যানোতে নারী-পুরুষের মর্যাদা সমান ছিল, আসলে তো তা ছিল না। প্রাচীন মিশরের তিনহাজার বছরের ইতিহাসে হাতে গোনা জনা চার পাঁচ মহিলা ফারাও পাওয়া যায়।  এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হাতশেপসুত। একুশ বছরের রাজত্বকাল, দুটি যুদ্ধজয়। অনেক মহিলার নাম পাওয়া যায় যারা অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন। কিন্তু ফারাও হওয়া সম্ভব হয়নি। এদের প্র-...-প্র-নাতিনীদেরও একই ভবিতব্য মুঘল অন্তঃপুরে। ইজিপ্টোলজিস্টরা বলছেন, আখেনআতেনের পরে ঐ যে এক বছরের জন্য ফারাও হয়েছিল  নেফারনেফারুআতেন - সে ঐ হাতেগোনা মহিলা ফারাওদের একজন। 

    আখেনআতেন ও নেফারতিতির ছয় মেয়ে। তাদের একজনের নাম মেরিতাতেন। বহুদিন পর্যন্ত ভাবা হত আখেনআতেনের পরের ফারাও স্মেনখকারে মেরিতাতেনের স্বামী  এবং তার পরের জন নেফারনেফারুআতেন আসলে মেরিতাতেন। তুতেনখামেন সম্ভবত আখেনআতেনের অন্য স্ত্রীর সন্তান। মনে করা হত  নেফারতিতি আখেনআতেনের অনেক আগেই মারা গেছেন। ২০১২ সালে একটা ফলক পাওয়া গেল যাতে দেখা যাচ্ছে আখেনআতেনের মৃত্যুর আগের বছরেও নেফারতিতি আগের মত পরাক্রমেই বেঁচে আছেন। শুধু তাই নয়, তাকে উল্লেখ করা হচ্ছে নেফারনেফারুআতেন নেফারতিতি নামে। তবে কি নেফারতিতিই আতেন ও আমুনের দ্বন্দের টালমাটাল সময়ের একবছরের ফারাও? প্রাচীন পৃথিবীর হাতে গোনা মহিলা রাষ্ট্রনায়কদের একজন?

    শুধু এখানেই শেষ নয়। ২০১৫ সালে ব্রিটিশ আর্কিওলজিস্ট নিকোলাস রিভস মনে করছেন তুতেনখামেনের সমাধির মধ্যে একটা গুপ্ত কক্ষে আছে নেফারতিতির সমাধি এবং তুতেনখামেনের সমাধিতে পাওয়া অতুলনীয় ঐশ্বর্যের অনেকটাই আসলে নেফারতিতির জন্য বানানো। তুতেনখামেনের সমাধি বেশ ছোটো। ইনি যেহেতু খুব উল্লেখযোগ্য রাজা ছিলেন না, তাই এটা হয়ত স্বাভাবিক। রিভসের অনুমান এই সমাধি আসলে অনেকটা বড়। তুতেনখামেনের সমাধির দেওয়ালে যে অসামান্য ছবি দেখলে মনে হয় ছবির বুঝি এখনো রং শুকোয় নি, সেই দেওয়ালের পিছনে আছে গুপ্ত কক্ষ। সেখানে সমাধিস্থ নেফারতিতি। চারটি টিম ঐ দেওয়ালে জিপিআর সার্ভে করেছে। ঐক্যমত্যে পৌঁছানো যায়নি। রিভস বলছেন তুতেনখামেনের বিখ্যাত সোনার মুখোশে অন্য একটি নাম মুছে তুতেনখামেনের নাম লেখা হয়েছে। সেই অন্য নামটি একটি উপাধি যেটা নেফারতিতি ব্যবহার করতেন যখন তিনি সহ-রাষ্ট্রাধিপতি ছিলেন। 

    সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিশরের রাজপরিবারে কি নাটকের অভিনয় হয়েছিল তা নিশ্চিত ভাবে জানতে হয়ত আরও কিছু ফলক আবিষ্কার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যদি গুপ্ত সমাধিকক্ষ পাওয়া যায়, যদি নেফারতিতির মমি আবিষ্কার হয়, হয়ত নতুন কোনো তত্ত্ব তৈরি হবে৷ আপাতত জানা গেছে, তুতেনখামেনের আমলেই আতেন যুগের সব নিদর্শন মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। নেফারতিতি ও ফারাও নেফারনেফারুআতেন যদি সত্যিই অভিন্ন ব্যক্তি হন, তবে মৃত্যুর পর তাঁকে ফারাওয়ের সম্মানে সমাধিস্থ না করা এবং তাঁর জন্য বানানো সমাধিসামগ্রী তুতেনখামেনের জন্য ব্যবহার হওয়া খুব একটা সুদূরকল্পনা নয়। অন্য মহিলা ফারাও হাতশেপসুতের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে তাঁর মৃত্যুর পর শিলালিপি থেকে নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। 

    এসব বিচার করে আধুনিক যুগটাকেই এখনো পর্যন্ত মন্দের ভালো লাগে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের পাঁচহাজার বছরের ইতিহাসে যদি বা কিছু মেয়ে পড়াশোনা শিখেছে, অর্থ উপার্জন করেছে বা নেতৃত্ব দিয়েছে, তারা সমাজের মূল স্রোতে মিশেছে এমনটা বলা যায় না। গত পঞ্চাশ বছরে সেই তুলনায় মেয়েদের প্রতিনিধিত্ব বেশি এবং তা সমাদৃতও হয়। আখেনআতেনের মৃত্যুর পর নেফারতিতির জীবন কী নাটকীয় মোড় নিয়েছিল তা এক্ষুনি জানা যাচ্ছে না। তবে কৈশোরে যে সোনার মুখোশ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম এবং যার সামনে না দাঁড়ানো পর্যন্ত থামতে পারিনি, তার পিছনের মুখটা হয়ত কোনো মেয়ের ছিল ভেবে অদ্ভুৎ রোমাঞ্চ হচ্ছে৷ মেয়েদের তো খুব বেশি সুযোগ আসে না এমন রাজাগজার ভূমিকায় ইতিহাসে নাম তোলার। হয়ত আমার জীবদ্দশায় মুখোশের রহস্য উন্মোচন হবে না। কিন্তু নিশ্চিত ভাবেই পাঁচহাজার বছর পথ চলে আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছি যখন মহিলা রাষ্ট্রনায়ককে ধামাচাপা না দিয়ে, তাকে খুঁজে বার করার জন্য পৃথিবী প্রস্তুত হয়েছে। এই পরিবর্তন আমায় তৃপ্ত করে।
     
  • Ranjan Roy | ১৫ মে ২০২২ ২২:৫২736695
  • আমেন!!
  • Shuchismita | 172.58.30.173 | ১৬ মে ২০২২ ১৭:৪৮736707
  • ১৪ই মে, ২০২২
     
    এয়ারপোর্ট থেকে বাইরে বেরোতেই ফাল্গুন মাসের মত উতল হাওয়া। মে মাসের মিশরে এমন হাওয়া কে আশা করেছিল! পনেরো বছর আগে মিশর এসে প্রথম সন্ধ্যাতেই পিরামিডের লাইট এন্ড সাউণ্ড শো দেখেছিলাম। আমার প্রথম পিরামিড দর্শন রাত্রি বেলা নিয়ন আলোয়। প্রথম দেখা বলেই হয়ত অভিঘাত খুব তীব্র ছিল। চাইলাম মিঠুনকেও ঐ অভিজ্ঞতাটা দিতে। হোটেলে ঢুকে মুখে-চোখে জল দিয়েই বেরিয়ে পড়লাম লাইট এন্ড সাউণ্ড দেখতে। পনেরো বছর আগের মিশর ভ্রমণ ছিল আমার প্রথম আর্কিওলজিকাল ট্যুর। এর মধ্যে চোখ বুড়ো হয়ে গেছে। মিঠুনও একাধিক আর্কিওলজিকাল ট্যুর করে ফেলেছে। লাইট এন্ড সাউণ্ডএর লাইট ভালো লাগলেও সাথের বক্তৃতা মেলোড্রামাটিক গ্যাদগ্যাদে লাগল। মিঠুনেরও একই অবস্থা বুঝতে পারছি। বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা কি চিরতরে হারিয়ে ফেললাম! বেশ মন খারাপ লাগছিল। হঠাত দেখি স্ফিংক্সএর মাথায় কালো ধোঁয়া কুন্ডলী পাকাচ্ছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই চোখে মুখে বালি এসে লাগলো। একটা ছোটখাটো বালিঝড়ের মধ্যে মিনিট পাঁচেক রইলাম আমরা। সামনে আলোকিত তিন পিরামিড সমেত স্ফিংক্স।এমনটা তো দেখবো ভাবিনি কখনো। এবার সত্যিই মনে হল কি ভাগ্য আমার! পাঁচ হাজার বছর ধরে কত মানুষ পিরামিড দেখেছে! তাদের মধ্যে পৃথিবী জয় করে বেড়ানো অভিযাত্রী যেমন আছে, সাধারণ মানুষও তো আছে অগুণতি! তাদের ভীড়ে আমরাও রইলাম।
     
     
     
     
  • aranya | 2601:84:4600:5410:4944:26e4:73f0:fc40 | ১৬ মে ২০২২ ২০:৫০736727
  • দারুণ। কী যে যেতে ইচ্ছে করে, এই সব জায়গায় 
  • dc | 182.65.209.119 | ১৬ মে ২০২২ ২০:৫৮736729
  • অরণ্যদা, একদম! মানুষের আয়ু হওয়া উচিত দুশো বছর, তার মধ্যে একশো বছর শুধু নানান দেশ আর জায়গা ঘুরে বেড়ানোর জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:3410:1974:1aad:3911 | ১৬ মে ২০২২ ২১:৫৬736737
  • যা বলেছ, নাথিং লাইক ট্রাভেল @ডিসি 
  • বকলমে | 2405:201:8005:9947:4d33:8c0d:1ffb:4b72 | ১৭ মে ২০২২ ১১:৫৫736767
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:b0d9:dffb:bf89:4a8a | ১৭ মে ২০২২ ১৯:৪৩736786
  • এই ত্তো, আমি ঠিক এটাই বলতে যাচ্ছিলাম যে দু একটা ছবি দেখতে পাবো না? লেখাটাও আগ্রহ নিয়ে পড়ছি। চলুক।
  • Kuntala Lahiri-Dutt | ১৮ মে ২০২২ ১৩:০৯736848
  • শুরুতেই ইতিহাস দিয়ে জমিয়ে দিয়েছেন। সত্যিই এখনই আমরা মেয়েরা বোধহয় আগের চেয়ে একটু হলেও ভালো আছি।
  • ৠৡ | 103.76.82.108 | ১৯ মে ২০২২ ০০:২৮736862
  • কদিনের ট্যুর প্ল্যান? 
    পনের বছর আগের সেই ট্রাভেলগ ওয়ার্ডে কপি করে অফিস কলিগ দাদাকে দিতে সে সেই রেফারেন্স নিয়ে মিশরের ট্রাভেল এজেন্টের সাথে আইটিনারি ঠিক করে ঘুরে এসেছিল (হুচির সাথে বোধহয় যোগাযোগও করেছিল)। আমারও একটা প্ল্যান বানানো ছিল এক্সেলে আর সেটা এখনও মাঝেমাঝে বের করে দেখি। 
    আর এই লিংক এর নিচে ডানদিকের ছবিটায় ক্লিক করে সেই যে হুব্বা হয়ে গেছিলাম সেই ঘোর এখনো কাটেনি। 
  • r2h | 134.238.14.27 | ২৫ মে ২০২২ ১৮:১১737123
  • এদের নামগুলো মজার। জড়িয়ে গিয়ে হাপুসহুপুশ, এখনতখন - এইরকম সব হয়ে যায়।

    কিন্তু তারপর কী হল?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন