ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সৌপ্তিক কান্ড - ১ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ মে ২০২২ | ১৮১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • দম্পতি এসে বসে আছেন বেশ কিছুক্ষণ ধরে। কলতান চান করতে ঢুকেছিল। একটু দেরি হয়ে গেল। বাইরের ঘরে এসে বলল, ' সরি ...সরি আপনাদের অনেকক্ষণ বসতে হল। চা দিয়েছে আপনাদের ? '  
    ভদ্রলোকের বয়স বাহান্ন তিপ্পান্ন হবে। শ্যামবর্ণ দোহারা চেহারা। ভদ্রমহিলা পঁয়তাল্লিশের মতো হবেন। ভদ্রলোক বিনয়ী ভঙ্গীতে  বললেন, ' না এখন আর চা খাব না মিস্টার গুপ্ত .... ও নিয়ে  চিন্তা করবেন না। আমরা একটু আগেই ভাত খেয়েছি সূর্য সেন স্ট্রীটের একটা হোটেলে।'
    ভদ্রমহিলা মৃদু হেসে কলতানের দিকে তাকিয়ে দুহাত জড়ো করে নমস্কার করলেন। হাসিতে কেমন করুণ ছোঁয়া লেগে আছে। বাইরের প্রচন্ড গরমে দুজনেই খুব ঘেমে গেছেন।
    দুপুর দেড়টা বাজে এখন। কলতান একপাশের ছোট সোফাটায় বসল। 
    ----- ' আপনারা তো সোনারপুর থেকে আসছেন, না ? ' 
    ------ ' হ্যা.... রাজপুর থেকে .... ওই... পাশাপাশি। '
    ----- ' হ্যা .... বুঝতে পেরেছি। রাজপুরে আমি গেছি কয়েকবার। '
    ----- ' রাজপুরের একটু ভিতর দিকে ..... ইন্টেরিয়রে ...। বেশ ফাঁকা ফাঁকা ছিল এতদিন। এখন আর নেই। প্রচুর বাড়ি উঠে গেছে। তবু এখনও অনেক গাছপালা পুকুর টুকুর দেখতে পাবেন আমাদের ওদিকে গেলে। '
    ---- ' আচ্ছা... আচ্ছা .... দেখা যাক ....। আপনার নাম ? '
    ---- ' ও হ্যা .. সরি .... আমার নাম সলিল হালদার। ইনি আমার মিসেস গায়ত্রী হালদার .... ' 
    গায়ত্রীদেবী আবার একবার করজোড়ে নমস্কার জানান। কলতান সবিনয়ে প্রতিনমস্কার জানায়। 
    কলতান একটু চুপ করে থাকে। ভদ্রলোককে বলবার সুযোগ দেয়। ভদ্রলোক বোধহয় কিভাবে শুরু করবেন ভাবছিলেন। 
    কলতানই উদ্যোগ নিল।
    ----- ' কিছু সমস্যা হয়েছে আপনাদের ? '
    ভদ্রলোকের হাসিখুশি ভাব উধাও হয়ে গেল। ভদ্রমহিলাও বিমর্ষ মুখে মেঝের দিকে তাকিয়ে বসে রইলেন। 
    সলিলবাবু কোন দোনামোনা ছাড়াই সরাসরি আসল বক্তব্য বলতে শুরু করলেন।
    ------ ' আমার একমাত্র ছেলে গতমাসে দীঘায় বেড়াতে গিয়ে মারা গেছে ..... '
    ----- ' হোয়া..ট ! কি করে? কোথায় ?'
    ------ ' হোটেলের ঘরে। চার বন্ধু ছিল এক ঘরে ..... ওরা বলল আমার ছেলে সৌপ্তিক নাকি রাত্রে ঘুমের ঘোরে হার্টফেল করেছে ..... ' 
    গায়ত্রীদেবী চোখে আঁচল দিয়ে কাঁদতে লাগলেন।  
    ----- ' কত বয়স ছেলের ? এসব কতদিন আগের ঘটনা ?  '
    ----- ' তেইশ বছর। ঠিক একমাস আগের ঘটনা।  বারোই এপ্রিল। চার বন্ধু দীঘায় বেড়াতে গিয়েছিল।'
    ----- ' ও মাই গড ..... অনেক দেরি করে ফেলেছেন। পোস্ট মর্টেম হয়েছিল? '
    ----- ' হয়েছিল বোধহয়। ঠিক জানি না .... ওসব জানবার মতো মানসিক অবস্থা ছিল না.... '
    ----- ' বডি ক্রিমেশান কোথায় হয়েছিল? বার্নিং ঘাটে কারা নিয়ে গিয়েছিল? '
    ------ ' আমাদের আত্মীয়স্বজনরা নিয়ে গিয়েছিল।'
    ------ আই সি ..... কোথা থেকে আপনাদের বডি হ্যান্ড ওভার করা হল?'
    ----- ' এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ থেকে। '
    ----- ' তাহলে তো পোস্ট মর্টেম হয়েছে নিশ্চয়ই। পোস্ট মর্টেম হয় নি বলছেন কেন? '
    ----- ' হয় নি বলি নি। আমার ওসব জানার মতো অবস্থা ছিল না তখন। '
    ----- ' হুমম্ ..... কাকে বডি হ্যান্ড ওভার করা হয়েছিল? আপনি ছিলেন? '
    ----- ' না ... আমার এক ভাই এবং আরও দু তিনজন ছিল। '
    ----- ' ডেথ সার্টিফিকেট কোথা থেকে ইসু হয়েছিল? '
     ----- ' দীঘার এক ডাক্তার দিয়েছিল '
    ----- ' কে ডাক্তার এনেছিল? '
    ----- ' যতদূর জানি পুলিশ ডাক্তার এনেছিল। হোটেলের ম্যানেজার পুলিশে খবর দিয়েছিল। '
    ----- ' বডি পোস্ট মর্টেমে কে পাঠায়, পুলিশ? '
    ----- ' তাই হবে বোধহয় .... মাথার ঠিক ছিল না ..... ঠিক খেয়াল নেই ....... '
    ----- ' ডেথ সার্টিফিকেটে কি ন্যাচারাল ডেথ লেখা ছিল? '
    ----- ' তাই হবে  ......  '
    ----- ' তাহলে বডি পোস্ট মর্টেমে গেল কেন? '
    ----- ' শুনেছি ওটা নাকি ম্যানডেটরি যেহেতু হোটেলে ক্যাসুয়ালটিটা হয়েছে। '
    ------ ' হুমম্ ..... আচ্ছা ... এবার বলুন দীঘা থেকে আপনাদের খবরটা দিল কে? '
    ----- ' কোন খবরটা? '
    ----- ' আপনার ছেলের ব্যাপারে স্যাড নিউসটা। '
    ----- ' ও .... দাঁড়ান দাঁড়ান ..... ওই ... কি বলে .... স্বস্তিক .... স্বস্তিক মিত্র .... মাথা কাজ করছে না ....কি বলব .... '
    ----- ' স্বস্তিক কি, যে তিন বন্ধু সৌপ্তিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিল তার মধ্যে একজন? '
    ---- ' হ্যা ...' 
    এতক্ষণ একটানা জেরা করার পর কলতানের এবার সম্বিত ফিরল। গায়ত্রী দেবী চোখে আঁচল চাপা দিয়ে বসে আছেন বুকে পাথর চাপা দিয়ে।
    ----- ' সরি .... সরি, ভেরি সরি এত কোয়্যারি করার জন্য। আসলে মেন্টালি এত ইনভলভড্ হয়ে গিয়েছিলাম যে আমার খেয়ালই ছিল না যে আমি এখনও কেসটা টেক আপই করি নি। যাক, এখন বলুন, আমার কাছে কি জন্য এসেছেন। ম্যাডাম আপনি কষ্ট পাবেন না .... আমরা আলোচনা করে দেখি ব্যাপারটা .... আমার কাছে এসেছেন যখন ..... হ্যা বলুন সলিলবাবু ... এ ব্যাপারে আমাকে কি করতে বলেন। মানে, আপনারা আমার কাছে এলেন কেন? ' 
    ----- ' আমার ধারণা আমার ছেলের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। সে খুন হয়েছে। '
    ----- ' এরকম মনে হওয়ার কারণ ? '
    ------ ' একটা সুস্থ স্বাভাবিক পুরোপুরি ফিজিক্যালি ফিট ছেলে বেড়াতে গিয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যটাক হয়ে এক্সপায়ার করে গেল এটা আমরা একেবারেই বিশ্বাস করতে পারছি না। কোনমতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। আমরা অনেক আগেই আপনার কাছে আসতাম। কিন্তু মানসিকভাবে এত ভেঙে পড়েছিলাম যে সময় লেগে গেল ..... যাই হোক, আমাদের ইচ্ছা আপনি আমাদের ছেলের মার্ডার কেসটার রহস্য উন্মোচন করুন এবং খুনি ধরা পড়ুক। '
    ----- ' এটা যে মার্ডার কেস সে ব্যাপারে আপনি একেবারে শিওর? ' 
    ----- ' ইয়েস ... হানড্রেড পার্সেন্ট .... ' 
    সলিল হালদারের চোখ জ্বলে উঠল প্রবল অন্তর্দাহে। 
    ---- ' ও আচ্ছা  .... জিজ্ঞেস করা হয়নি .... সলিলবাবু ..... আপনি কি করেন? '
    ----- ' আমি বিল্ডিং প্রোমোটার। অবশ্য বিজনেসটা আমার একার না। চারজনের গ্রুপ আর কি .... '
    ----- ' আচ্ছা আচ্ছা ....। আপনার এরিয়া অফ ওয়ার্ক কি মেনলি আপনার ওদিকেই ? '
    ----- ' হ্যা .... তা বলতে পারেন। '
    ------ ' তাহলে তো আপনি যথেষ্ট সলভেন্ট বলতে হবে ..... '
    ---- ' না না তেমন কিছু না ..... সামান্য টার্নওভার .... চুনোপুঁটি স্যার  ...... কোন রাঘববোয়াল নয় .... রিয়্যালটি মার্কেট একদম ডাউন .... '
    ----- ' বেশ বেশ ..... এখন বলুন আপনার ছেলে কি করত? ' 
    ----- ' আইটি সেক্টরে চাকরি পেয়েছিল তিন মাস আগে .... পড়াশোনায় ভাল ছিল ..... ইঞ্জিনিয়ার ....  ' 
    বলে সলিলবাবু,  '....কি যে হয়ে গেল .... ভগবান .....পরের সপ্তাহে জন্মদিন ছিল .... ও : মাগো ..... আর পারছি না .... '।
    সলিল হালদার ডানহাত দিয়ে চোখ ঢেকে মাথা নীচু করে বিমর্ষ মুখে বসে রইলেন।
    গায়ত্রী দেবী আগের মতোই আঁচলে মুখ থেকে বসে রইলেন।
    কলতান ওনাকে সামলে নেবার সুযোগ দিল।
    দু আড়াই মিনিট চুপ করে থাকার পর হঠাৎ বলল, ' ছেলে কোন প্রেম টেম করত কি ? মানে, কোন বান্ধবীর সঙ্গে বিশেষ কোন সম্পর্ক ছিল কি ? '
    ------ ' কি জানি .... আমরা তো তেমন কিছু জানিনা .... থাকতেও পারে ..... আজকালকার ছেলে ... '
    ------ ' যে তিনজন ওর সঙ্গে গিয়েছিল তাদের আপনি চেনেন? '
    ------ ' হ্যা নিশ্চয়ই ..... ভালোভাবে চিনি।'
    ----- ' ওদের নাম, ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার ..... এই নিন .... এখানে লিখে দিন। '
    কলতান একটা প্যাড আর পেন এগিয়ে দিল সলিল বাবুর দিকে।
    ----- ' .... ফোন নাম্বারগুলো তো হয়ে যাবে .... দাঁড়ান এই ডায়েরিটায় লেখা আছে বোধহয় ..... আ...ই ..হ্যা ...…. এই যে .... আছে আছে .... কিন্তু অ্যড্রেস তো নেই এখানে .....'
    সলিলবাবু ছোট একটা ডায়েরি ঘাঁটতে থাকেন। 
    ------ ' ঠিক আছে .... ফোন নাম্বারগুলোই দিন। অ্যড্রেসগুলো নয় পরে জানাবেন। আপনাদের ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার অবশ্যই লিখবেন। আর হ্যা ... দীঘার হোটেলটার নাম এবং ফোন নাম্বারও অবশ্যই চাই। ' 
    সলিলবাবু তার ছেলের সফরসঙ্গীদের নাম আর ফোন নম্বর লিখতে লাগলেন। নিজেদের দুজনের ফোন নম্বরও লিখে দিলেন। দেখা গেল দীঘার হোটেলের নাম এবং ফোন নম্বর হালদারবাবুর জানা আছে। তিনি লিখেও দিলেন। 

    তিনজনের জন্য তিন গ্লাস ঠান্ডা ফ্রুটজুস দিয়ে গেল রাধারানী। হালদার দম্পতি কোন আপত্তি করলেন না। গ্রীষ্মের তাপে প্রাণ আইঢাই করছে।  
    কলতান এক চুমুকে আধ গ্লাস সরবত খেয়ে গ্লাসটা টেবিলে রাখল। 
    তারপর বলল, ' আচ্ছা মিস্টার হালদার ..... আপনার ছেলে এবং তার বন্ধুদের কোন কমন গার্লফ্রেন্ড ছিল কিনা বলতে পারবেন? ' 
    ----- ' হ্যা ..... তা ছিল ..... একজন কেন, দু তিনজন ছিল। '
    ------ ' না না ..... আমি ওরকম বন্ধুত্ব বলছি না। '
     ----- ' তবে? '
    ------ ' মানে, এমন একটা মেয়ে যার ওপর একাধিক বন্ধুর কমন ক্রাশ ছিল ..... '
    ------ ' ওসব বলতে পারব না। অত সময় আমার নেই .... কাজের চাপে নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসত নেই ...... ', সলিলবাবু জানান। 
    ----- ' কারো সঙ্গে আপনার ছেলের ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল বলে জানা আছে কি আপনাদের ? '
    ----- ' না না ..... ওসব কেন থাকবে? ও কোন সাতে পাঁচে থাকত না। ' 
    ----- ' হমম্ ..... আপাতত শেষ প্রশ্ন .....আপনার হাত তো অনেক লম্বা মনে হয়, আপনি লোকাল পুলিশের কাছে না গিয়ে আমার কাছে এলেন কেন? '
    ----- ' প্রথমত আমার হাত মোটেই লম্বা নয়। আমি একজন অ‌র্ডিনারি লোক। আর, লোকাল পুলিশ হোক আর দীঘার পুলিশ হোক .... তারা যে কিছুই ডিটেক্ট করতে পারে নি তা তো দেখতেই পাচ্ছেন। আমাদের সম্পূর্ণ ভরসা এবং বিশ্বাস আছে যে আপনি আমার ছেলের খুনিকে বার করে ফেলতে পারবেন। সেই জন্যই আপনার কাছে আসা। খুনি ধরা পড়ে শাস্তি না পাওয়া পর্যন্ত আমি এবং আমার স্ত্রী এক মুহুর্ত শান্তি পাব না। সন্তানবিয়োগের কষ্ট যে কি কষ্ট ...... ' 

    সলিলবাবু একটা গভীর বেদনাভরা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। 
       
    *****************************************

    হালদার দম্পতি বিদায় নেবার পর প্যাডের কাগজটা ছিঁড়ে নিয়ে কলতান চোখ বোলাতে লাগল। সৌপ্তিকের তিনজন বন্ধুর নাম লেখা রয়েছে ----- স্বস্তিক মিত্র, অভিষেক পাল এবং 
    মৃদুল ব্যানার্জী। ফোন নম্বরও দেওয়া আছে। 

    ওদের বান্ধবীদের নাম এবং ফোন নম্বরগুলো পেলে সুবিধে হত। ওগুলো জানতে হবে, কলতান ভাবতে থাকে .....বডির কোন ভিসেরা টেস্ট হয়নি বোধহয়, অন্তত সলিল হালদারের কথা অনুযায়ী। প্রাইমা ফেসি এভিডেন্স কিছু আছে কি নেই সেটা দীঘার হোটেলে গেলে জানা যাবে। হোটেল - সাগরবেলা, ওল্ড দীঘা।  যদিও, কলতান চিন্তা করল, একমাস পরে স্পটে গিয়ে কোন 'ট্যানজিবল এভিডেন্স'-এর আশা না করাই ভাল। শুধু স্পট অফ অকারেন্স টা পরীক্ষা করে আসা যায়। তার জন্য হোটেলে ওদের রুম নাম্বারটা জানার দরকার হালদার বাবুর কাছ থেকে। কলতান ঠিক করল, কালকের মধ্যেই সেটা জেনে নিতে হবে। সলিল হালদার কলতানকে তার কনস্ট্রাকশান কোম্পানির একটা ভিজিটিং কার্ড দিয়ে গেছেন বিদায় নেবার আগে ----- 'মা তারা কনস্ট্রাকশান কোম্পানি'। কলতান  ভাবল, সেখানেও একবার বেড়িয়ে আসার দরকার। বলা তো যায় না .... ‌। কিন্তু কলতান এখনও বুঝতে পারছে না এ কেসের 'মেরিট' কতখানি। সে যাই হোক, সে ভাবল - যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই ......  

    ( ক্রমশঃ ) 

    *****************************************
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ মে ২০২২ ০৫:৪৯507561
  • রহস্য ক্রমেই ঘনীভূত হইতেছে। 

    জমিয়ে লিখুন ভাই। উপন্যাসিকা হলে ভাল হয়। আপনার লেখায় ক্রিস্টির থ্রিল আছে। শুভ
  • Anjan Banerjee | ১৩ মে ২০২২ ০৮:২৪507565
  • অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা 
  • Ranjan Roy | ১৫ মে ২০২২ ২৩:০৬507697
  • আমিও বিপ্লববাবুর সঙ্গে একমত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন