ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ভ্রমণ

  • অচিনপুরের বালাই 

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ভ্রমণ | ২২ জানুয়ারি ২০২২ | ১৭০ বার পঠিত
  • বোল্ডার আর মাটিতে বানানো পোক্ত বাঁধের ডানদিকের কোল বরাবর শালবল্লা গেঁথে সুরক্ষার ব্যবস্থা। নামটা “শাল-বল্লা” ঠিকই, কিন্তু সভ্য মানুষের ভদ্র কামড়ে শালগাছ আর কোথায়? যেটুকু পাওয়া যায় তাও অগ্নিমূল্য। মানুষের বিজ্ঞান আর লোভের গুমোরে প্রকৃতিতে অন্য কারো টিকে থাকার জো আছে? প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে জঙ্গল সাফ হয়ে চলেছে, পাহাড় সাফ হয়ে চলেছে নগর সভ্যতার পাথরে আর কংক্রিটে। আজকাল বিপন্ন পশুপাখিদের জন্যে সুসভ্য মানুষ কেঁদে ভাসায়। অনন্ত লোভে মানুষ যেদিন নিজেদেরই শেষ করবে, সেই দিনই মানুষ পৌঁছবে সভ্যতার চূড়ায়। রিক্ত প্রকৃতি সেদিন হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে।

    নামে শালবল্লা হলেও, এখন এসব কাজে ইউক্যালিপ্টাসের লগ ব্যবহার করাই দস্তুর। এই গাছ বাড়ে তাড়াতাড়ি, অতএব বনসৃজনের পরীক্ষা পাসের সিওর সাকসেস স্টোরি ইউক্যালিপ্টাসের জঙ্গল। যদিও আমাদের দেশে ইউক্যলিপটাস আদৌ পরিবেশবান্ধব কিনা সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়ে গেছে। তবু তো আসে বনসৃজনের সাফল্য। আর মেলে সস্তায় বল্লির উৎপাদন, যা দিয়ে বাঁধকে বেঁধে রাখার ব্যয়কেও বেঁধে রাখা যায় আয়ত্তের মধ্যে।

    বাঁধের ওপরে মাঝখান বরাবর কংক্রিটের রাস্তা, দুপাশে বোল্ডার-মাটির শোলডার। এপথে পাশাপাশি দুটো টোটো দিব্বি চলতে পারে। চারচাকার গাড়িও চলতে পারে, কিন্তু উল্টোদিক থেকে গাড়ি এলে কংক্রিট ছেড়ে চাকা নামাতে হবে ওই শোলডারে।

    দশ-বারো ফুট উঁচু বাঁধের কোল থেকে সোনালি বালির চর শুরু হয়ে, মিশেছে বহুদূরে নীলাম্বরী শান্ত সাগরের জলে। বাঁধনহারা দৃষ্টির সেই সুদূর দিগন্ত থেকেই বয়ে আসছে মন জুড়োনো হাওয়া। সেই একটানা হাওয়ায় সবই যেন ফুরফুরে হাল্কা হয়ে উঠল, এমনকি আমার ভারিক্কি শহুরে মনের ভারও। বাঁধের গায়ে সারে সারে লাগানো রয়েছে যে ইউক্যালিপ্টাস আর বাবলা গাছ। হাওয়ার বাচালতা সেই গাছের পাতায় পাতায় – সারাক্ষণ চলছে তাদের ঝরঝর মর্মর। আকাশের অভিলাষে তাদের শাখাপ্রশাখা যত উচ্ছল, তার থেকেও নিবিড় সম্পর্ক তাদের মাটির সঙ্গে। মাটির গভীরে শিকড়ের বাঁধন যত পোক্ত হয়, ততই নিশ্চিত হয়ে ওঠে ওদের এবং মানুষের গড়ে তোলা এই বাঁধের অস্তিত্ব।

    “গরম চায়ে গলাটা এট্টু ভিজিয়ে নেবেন নি, বাবু”? এতক্ষণ চারদিকের পরিবেশ প্রকৃতি দেখতে দেখতে যে ভাবনায় ডুবে ছিলাম, বালাইয়ের কথায় সেটা টুটলো। হেসে উত্তর দিলাম, “চা একটু হলে মন্দ হত না, বালাই। কিন্তু এখানে পাব কোথায়?” বালাই মুখ তুলে আমার দিকেই তাকিয়েছিল। তার মুখে বাবলাগাছের ঝিরিঝিরি পাতার ফাঁক দিয়ে ঝরে পড়া রোদ-ছায়া খেলে বেড়াচ্ছে। ভুরুর ওপরে হাতের আড়াল করে হেসে সে বলল, “আছে বৈকি বাবু, সব ব্যবস্থাই আছে। মোড় ঘুরলেই মালতীমায়ের চায়ের এসটল”।

    গাছপালার আড়ালে চোখে পড়েনি, বালাইয়ের কথায় এখন লক্ষ্য করলাম, সামনে একটু এগোলেই বাঁধ এবং কংক্রিটের রাস্তা মোড় নিয়েছে বাঁদিকে। তারপর একদম নাক বরাবর সোজা চলে গেছে বালির চর ধরে। এই মোড়ের কাছটিতে রাস্তাও একটু চওড়া, চওড়া বাঁধটাও। আর সেখানেই রাস্তা ছেড়ে গাছের ছায়ায় প্লাস্টিকের টেবিল। একজন মহিলা সে টেবিলে পসরা সাজিয়েছেন। তার ওপর রাখা প্লাস্টিকের কিছু বয়ামে ক্যাণ্ডি আর দিশি বিস্কুটের সম্ভার। সিগারেট-বিড়ি-দেশলাইও রয়েছে। আছে গুটখা-জর্দার পাউচও! অর্থাৎ তরিবতের অভাব নেই কোথাও। টেবিলের পাশে গুটিকতক প্লাস্টিকের চেয়ার রাখা আছে, হাওয়ার দাপটে সেগুলো উলটে যায় বলে, একের ভেতর আরেক করে সাজিয়ে রাখা আছে। তাছাড়া একটা বাবলা গাছের নিচে দুটো বেঞ্চ - বাঁশের খুঁটিতে পেরেক ঠুকে আধলা বাঁশের ফালি বসানো। সেই বেঞ্চে জনা চারেক লোক বসে আছে, কিছু ছেলে মেয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টেবিলের আশেপাশে।

    আমরা মোড় ঘুরতেই বালাইকে দেখতে পেয়ে সকলেই হৈ হৈ করে উঠল, ছেলেমেয়েরা যে যার মতো সম্বোধনে বেজে উঠল। তারা উল্লসিত হয়ে বলে উঠল, “আরে রে রে বাউলদাদু এস্‌চে রে”...। চার পাঁচজন মিলে, দৌড়ে এসে বাউলদাদুকে পাঁজাকোলায় তুলে ধরল। তারপর দোকানের বেঞ্চিতে যত্ন করে বসিয়ে দিল তাদের বাউলদাদুকে। এমন আন্তরিক অভ্যর্থনায় বালাইয়ের চোখে কৃতজ্ঞতার হাসি, কিছু বলতে পারল না, কিন্তু উদ্গত অশ্রু সংবরণের চেষ্টায় চোখ দুটি মিটমিট করে সবাইকে দেখতে লাগল পরমস্নেহে।

    দোকানের মালকিন সম্ভবতঃ বালাইয়ের মালতীমা এক মুখ খুশির হাসি নিয়ে বললেন, “একটু আগে কাকিমাকে দেখেই বুঝেছি, তুমি আসছো কাকা। কদ্দিন পড়ে ফিরলে বল দিকি? বাইরের পানেই তোমার যত মনের টান, ভুলে থাকো আমাদের - ঘরের লোকদের”। মালতীমায়ের গলায় অকৃত্রিম অনুযোগের সুর। বালাই একটু অপ্রস্তুত হল বলেই মনে হল, লাজুক হেসে বলল, “মায়ের ওপরেই দুঁদে ছেলেপিলেদের যত্তো চোটপাট, দেখিসনি মা? বাইরে বাইরে তারা যতই ফচকেমি করুক, বজ্জাতিতে ফিরুক, ঝাঁপাই ঝুরুক – পোড়ার মুখোরা মনে মনে জানে মা ঠিক দেঁড়িয়ে আছে দোরটি ধরে...ওই বুঝি খোকা এল... কী বল?”

    বালাইয়ের এই কথাটুকুতেই মালতীমায়ের চোখ উঠল ছলছলিয়ে। আঁচলে নাক আর মুখ চেপে কিছুক্ষণ নিজেকে সামলে নিয়ে ধরা ধরা গলায় বললেন, “তোমার মতো মন ভোলানো কথার ছল আর কে বলতে পারে কও দিকি কাকা? জন্মের সময় তোমার মুখে কত মধুই যে ঢেলেছিল তোমার মা, ধন্যি বাপু”।

    বালাই আমার দিকে তাকিয়ে মিচকে হাসি মাখা মুখে গেয়ে উঠল,

    “মন মানে না, খুঁজে ফিরি বিশ্ব মায়ের অকূল কোল,
    ফিরলে ঘরে আদর করে মা, নে না আমায় বক্ষে তোল”।

    গান শেষ করেই বালাই বলল, “বাবুরে ধরে নিয়ে এলাম ইস্টিসান থেকে, খুব ভাল করে চা খাওয়া বাবুকে, আর সবথে ভালো চেয়ারখানায় বসা দিকি। মা পুতের ঝগড়ার কী আর অন্ত থাকে মা, সে যে আঁতের কথা, আঁতের ব্যথা। বসেন বাবু, নিজের মনে করে বসেন”। শেষ কথাটা আমাকেই বলল, বালাই। হাল্কা-পল্কা প্লাস্টিকের চেয়ারের থেকে বাঁশের বেঞ্চিই আমার বেশি নিরাপদ মনে হল। আমি বাবলা গাছের নিচে বেঞ্চিতেই বসলাম। মালতী মা হৈ হৈ করে বললেন, “বেঞ্চিতে বসবেন কেন বাবু, ও কী আর আপনাদের বসার? চেয়ারে বসেন না”।

    বালাই চোখ পিটপিট করে মিচকে হাসল, বলল, “বাবু বসুক না বেঞ্চে, ক্ষেতি কী? তুই যেমন ভাবচিস এ বাবু তেমন নয়, এ বাবুর বুকখান যেন হুদোস কপাট। যখন কুলুপ আঁটেন তখন মাথা খুঁড়লেও সাড়া মিলবে না, কিন্তু যখন খোলা - সাত হাতি দেখ-না-দেখ ঢুকে পড়বে...”।

    বালাইয়ের কথায় অবাক তো হলামই, বিরক্তও হলাম, কিন্তু কিছু বলতেও পারলাম না মুখ ফুটে। ও কী আমার নিন্দা করল, নাকি প্রশংসা করল, নাকি আমার শহুরে দেমাককে বিদ্রূপ করল? আমি বালাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম, এখন ঘাড় ঘুরিয়ে মালতীমায়ের মুখের দিকে তাকাতেই অপ্রস্তুতের একশেষ। মহিলার ডাগর দুই চক্ষু যে আমার মুখেই স্থির। সিঁথিতে উজ্জ্বল সিঁদুরের রেখা, কপালে সিঁদুরের টিপ, সে কপালে অভিজ্ঞতার অজস্র আঁকিবুঁকি। তাঁর মাথার কাঁচাপাকা চুলেও সাদা-কালো জীবনস্মৃতির ঠাস বুনোট।

    আমি খুব কুণ্ঠিত গলায় বললাম, “বালাইবাবুর কথায় কিছু মনে করবেন না, কি যে বলে...তার মাথামুণ্ডু নেই”।

    মহিলা চোখ সরিয়ে ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস ফেলে জিজ্ঞাসা করলেন, “চায়ে চিনি দেব? লিকার চা না দুধ চা, কী খাবেন?”

    “আমার কিছুতেই আপত্তি নেই, যেটায় আপনার সুবিধে”। বালাইয়ের কথার কারিকুরির ফাঁদ থেকে মুক্তি পেয়ে আমি একটু উৎসাহ নিয়েই বললাম। পাম্প দেওয়া স্টোভে আগুন জ্বলল, কেটলিতে জল নিয়ে স্টোভে চাপিয়ে, মালতীমা গম্ভীর মুখে চায়ের সরঞ্জাম গোছাতে লাগলেন।

    মাটিতে উবু হয়ে বসে থাকা চারজন লোক এতক্ষণ কোন কথা বলেননি। এবার তাঁদের একজন বালাইকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তা বাবুকে কোথায় ধরলে হে? একদম মেলা থেকে নাকি”?

    একমুখ হেসে বালাই বলল, “না গো না, ফেরার পথে আমাদের ট্রেনে। চলার শুরুতে কত লোক ছিল ট্রেনে। যার যার ইস্টিসনে সব লোক নেমে গেল, এই বাবু একলা পড়ে রইল আমাদের লাস্ট ইস্টিসন তক। সবার যে যাবার জায়গা আছে, বাবুরই নেই। শুধোলাম, কোথায় যাবেন, বাবু, কাদের বাড়ি? তো বাবু বলল, কোথাও না, জায়গাটা শুধু দেখব, চিনব, জানব...”।

    ভেবেছিলাম মালতীমার মন চা বানানোতেই বুঝি নিবিষ্ট, এদিকের কথায় মন নেই। সে ভুল ভাঙল তাঁর টিপ্পনিতে, “ব্যস, তুমিও ওমনি বাবুকে দেশ চেনাবার দায়িত্ব তুলে নিলে নিজেরই কাঁধে, তাই না, কাকা?”

    আমি বালাইয়ের মুখের দিকে তাকালাম, সে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে, তারপর সামনের দিকে তাকিয়ে গুনগুন করে গান ধরল,

    “মন বাদামে লাগলে বায়, আর কী তারে বাঁধা যায়,
    ভেসে চলে পরাণ খানা অকূল দরিয়ায়।
    ও সেই মন-মাঝি হায়, বসত করে মনপবনের নায়”।

    বালাইয়ের গানটার ধরতাইয়ের মাঝে আমি একটু ডুব দিয়েছি কী দিইনি, চারজন লোকের মধ্যে আরেকজন আমাকেই জিজ্ঞাসা করলেন, “তা বাবুর কোথা থেকে আসা হচ্ছে? কলকাতা থেকে বুঝি?”

    বালাইয়ের কথা ও সুরের জাল কেটে আচমকা বেরিয়ে আসতে হল বাস্তব জগতে। বালাই না হয় তার মনের আসন মেলে ধরেছে – এস জন বসো জন, গরম ভাতে চুনো মাছের সরষে ঝাল বেড়ে দিই, খেও জন। তা বলে সবাই কেন মানবে? উটকো লোক যখন, কে না কে? তার মতলব কী? সে পরিচয় দিতে হবে না? পাসপোর্ট, আধারকার্ড না হোক, পুছতাছ থেকেই অনেকটা টের পাওয়া যাবে, তুমি বাপু মানুষটা কেমন হে?

    (চলবে)
  • | বিভাগ : ধারাবাহিক | ২২ জানুয়ারি ২০২২ | ১৭০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন