• বুলবুলভাজা  পড়াবই  মনে রবে

  • কুমুদি কথা

    কেকে
    পড়াবই | মনে রবে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৩৬ বার পঠিত
  • কুমুদি চলে গেলেন, ছয় মাস হল। কুমুদি রয়ে গেলেন। তাঁর গ্রন্থিত , অগ্রন্থিত গল্পে, প্রবন্ধে, কবিতায়।
    কুমুদি রয়ে গেলেন স্মৃতিতে।
    গুরুচণ্ডা৯ র 'মনে রবে' তে কুমুদি, এবং শুধুই কুমুদি।
    কুমুদির সাথে আমার অনেকদিন কথা হয়না। কুমুদি আজকাল আর এই বাটে পা দেননা। সময় আসে যখন মানুষ অন্য কোনো দিকের হয়ে যায়। পুরনো উঠোন, রোজকার চেনা রোয়াকে তখন আর তাদের আসার পালা থাকেনা। 'জীবন' বলে যে নাটকের খাতাটা আছে, তার পাতা রোজই উল্টে উল্টে যাচ্ছে। রোজ। নিত্যদিন। কিন্তু একেকজন মানুষ আছে, অনেকগুলো পাতা পেরিয়ে গেলেও তাদের ছবিটা চোখের সামনেই দিব্যি জেগে থাকে। কুমুদিদির ছবি, এইতো, এইখানে। আমার দেখতে কোনো অসুবিধা হয়না।

    কোনো কোনো মানুষের মধ্যে একটা ভারি আশ্চর্য ব্যপার থাকে। তাদের দুটো কথা, কিম্বা শুধু উপস্থিতিটার মধ্যেই কেমন যেন এক জাদু থাকে যাতে মনের সব গুমোট এক নিমেষে উধাও হয়ে যায়। আমি ‘কিছুতেই যায়না মনের ভার' ধরণের একটা দিনে এসে কম্পিউটার খুললাম। দেখি কুমুদি একজায়গায় লিখে রেখেছেন "উঃ, এই মেয়েগুলোর ক্যালোরব্যালোরের চোটে আসল কথাটাই ভালো করে শোনা যায়না"। অমনি সব মেঘ কোথায় যেন উড়ে গেলো। 'ক্যালোরব্যালোর' কথাটা বহুদিন ধরে বহু জায়গায় শুনে আসছি। কিন্তু তার যে এমন একটা জাদু আছে তা জানতামই না!

    আরেকদিন দীপ্তেনদা দিয়েছেন মুরগির মেথি মালাইয়ের রেসিপি। মেথিপাতা ধুয়ে, ভিজিয়ে, মুছেটুছে প্রেপ করার কথা বলেছেন। কিন্তু রান্নার সময়ে মেথিপাতা দেবার কথাটা ভুলে বাদ পড়ে গেছে। কুমুদির তাতে মন্তব্য -- "মেথিপাতা কখন দেয়া হলো? নাকি দিতে হবেনা, ধুয়ে রেখে দিতে হবে খালি?" এই পড়ে আমি সত্যিসত্যি কাজের দিনে নানা কাজের মধ্যেও জোরে আওয়াজ করে হেসে উঠি। বলার ভঙ্গির মধ্যে কুমুদির মনের মধ্যেকার হাসির রসের ধারা আমি স্পষ্ট টের পাই। মনের মধ্যেকার সব গুমোট কেটে যায়, বলছি না?
    ভাটিয়ালিতে, টইপত্তরে ওঁর অনেক মন্তব্যই আছে। কিন্তু আলাদা করে কুমুদির লেখার কথা না বললে কিছু বলাই হয়না।

    আমরা ডাকি 'কুমুদি' বলে কিন্তু তাঁর ভালোনাম হলো জয়ন্তী। জয়ন্তী অধিকারী। আসলে প্রথমে ভাটে লিখতে শুরু করেছিলেন 'কুমড়োপটাশ' ডাকনামে। তারপরে কেউ বোধহয় সাজেস্ট করলো 'কুমুদিনী'। সেই কুমুদিনী থেকেই ছোট হয়ে সবার কাছে আদরের নাম হয়ে গেলো 'কুমু'। বয়সে যারা ছোট তারা জুড়ে দিলো দিদি। তো জয়ন্তী অধিকারী নামেই আছে বেশির ভাগ লেখাপত্র। তার মধ্যে আমি প্রথম পড়েছিলাম 'না হাঁচিলে যারে'। কেবলী আর গোবু নামে দুই ছেলেমেয়ে প্রথম দেখায় ঝগড়ার থেকে শুরু করে কেমন করে প্রেমের ফাঁদে পড়লো, সেই গল্প। পড়তে পড়তে কুলকুল করে হাসি পায়। সহজ কথার সিঁড়ি বেয়ে রসবোধ তরতর করে ক্লাইম্যাক্সে উঠে যায়।

    এই কেবলী আর গোবুর আরো গল্পও এসেছে পরে। এই একটাতেই থেমে থাকেনি কি ভাগ্যি! 'প্রজেক্ট, কুতুবমিনার ও নাকছাবি' গল্পে সম্পর্কের আরো কিছু সিঁড়ি ওঠা, তারপরে 'বিয়ে করা যায়না জেনো সহজে' তে, নাম থেকেই যেমন বোঝা যাচ্ছে, কেবলী আর গোবু হয়ে গেলো পুরোপুরি বর-বৌ। পাঠকরা এতেই সন্তুষ্ট হবে কেন? তারা কেবলী আর গোবুকে এমন ভালোবেসে ফেলেছে! কুমুদি তাই তাদের জন্য আবার লিখলেন। এই গল্পে কেবলীরানি আর গোবুরাজা দস্তুর মত সংসারী। তাঁদের সাথে বড়কুমার আর ছোটকুমারও এসে তদ্দিনে রাজত্ব একেবারে জমজমাট! এই গল্পের নাম 'এলারামের ঘড়ি, মই আর ছোটকুমার'। মজার গল্প আমরা কেউই কম পড়িনি। কুমুদির মজার গল্পের এমন মজা যে চরিত্রগুলো একেবারে বইয়ের পাতা থেকে উঠে সামনে এসে দাঁড়ায়। আমি (সম্ভবত আরো অনেকেই) স্থির মনে করেছি যে এই কেবলী আর গোবু কুমুদি আর শ্যামলদা নিজেরাই। কুমুদি অবশ্য পরে বলতেন সব বানানো। অদ্ভুত ওঁর উপস্থাপনা, গল্পকে মনে হয় সত্যিকে মনে হয় গল্প। বোঝাতে পারলাম না হয়তো। সেইজন্যই তো অদ্ভুত!
    আরও পড়ুন
    বাধা - Tanima Hazra



    রম্যরচনা যদি বলেন তো কেবলী-গোবু বাদ দিয়েও কুমুদি আরো লিখেছেন। প্রবাসী বাঙালিদের নাটক করার কাণ্ডকারখানা নিয়ে দুবার লিখেছিলেন। একটির নামই 'নাটকটাটক', অন্যটা 'নীল ওড়না,গান্ধারী ও শুক্লরাতের চাঁদ'। আবার তাঁর নিজের ল্যাবের নানান চমৎকার গল্পও বললেন দুই গল্পে। সেখানে তিনি নিজে উপস্থিত 'হিড়িম্বা' নামে। 'চার ল্যাবারু খোঁজেন গরু' আর 'নিজেরে করো জয়' গল্পদুটো পড়তে পড়তে সরস মোড়কে দেখলাম কেমন করে বিজ্ঞানের রিসার্চ করতে এসে কয়েকজনা বিজ্ঞান বা রিসার্চ দুটো জিনিষেরই ভুট্টিনাশ করে ছাড়ে। রম্যরচনা যখন, সে তো মজারই হবে। তা বলা বাহুল্য। কিন্তু এত তরতরে ঝরঝরে সরসতা কুমুদির হাতে, পড়তে পড়তে বারবার লীলা মজুমদার বা নবনীতা দেবসেনের কথা মনে পড়ে। লীলা মজুমদারের লেখার খুব ভক্তও কুমুদি নিজে। কতবার বলেছেন যে মনখারাপের দিনে 'লীলুপিসির' বইগুলোর মত ওষুধ আর হয়না। কেন, নিজের ছোটবেলার গল্প নিয়ে যে লিখলেন 'একটি পাকা চাকুরীর গল্প', তাতে তো স্পষ্ট করে বলেওছেন কেমন করে লীলা মজুমদারের গল্প ওঁর ছোটবেলার দৃষ্টিভঙ্গিকে গড়ে তুলেছিলো! আরো একবার লিখলেন শুধু বাচ্চাদের জন্য। পুজোর অনুষ্ঠানের গল্প 'প্যান্ডেলের উড়ানকথা'। ছোটদের জন্য, ছোটদের মত করেই লেখা। সেখানে জয়ন্তী অধিকারী নয়, লিখছেন তাদের 'কুমুপিসি'। এ লেখাও পড়তে পড়তে মনে হয় লীলা মজুমদার সাক্ষাৎ এসে ভর করেছেন যেন কলমে! পড়লে মন ভালো হয়ে যায়, বিষন্নতা উড়ে পালায়, মনে হয় কাছের কেউ হাসিখুশির আলো দিয়ে গভীর ছবি আঁকছে।
    শুধু হাসির গল্পেই অবশ্য তাঁর লিখন ক্ষমতা শেষ হয়ে যাচ্ছে ভাবলে পুরো ভুল বলা হবে। সিরিয়াস লেখাগুলো -- লীলাবতীকে নিয়ে, ডক্টর কাদম্বিনী গাঙ্গুলীকে নিয়ে, উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীকে নিয়ে। কুমুদির গুণ একমুখী নয়, সীমিত নয়!

    ওঁর শেষ লেখা পড়ি গতবছরের পুজোর সময়। 'একটি ত্রেতা যুগের ইশকুলের গল্প'। মনটা সহজেই ওঁদের ছোটবেলার ছবিগুলো দেখতে পায়, রসবোধের জোরালো শক্তি দিয়ে জীবনের চোখ রাঙানিকে জয় করার ছবি দেখতে পায়। অনেক কঠিন কথাও যে কত সহজে, কত সরসতায় বলে দেওয়া যায় তা বুঝে মনে একটা ভরপুর অনুভূতি হয়। মনে হয় কোথাও যেন নরম ভালোবাসায় মনের একটা কলসী কানায়কানায় ভরে উঠলো।

    আমি কুমুদি'র লেখা বই পড়িনি। এখানে এই গুরুচণ্ডালীতেই তাঁর লেখার সাথে চেনা-পরিচয়। লেখার বাইরেও মানুষ কুমুদিকে অবাধে চেনা, কাছের মানুষের মত। এই ভার্চুয়াল পাতার বাইরে ওঁর সাথে কোনদিন আমার যোগাযোগ হয়নি। তবু তাঁকে নিতান্ত আপনজন ভাবতে কখনো অসুবিধা হয়না। কখন, কীভাবে, কোন জাদুতে আপনজনত্ব তৈরি হয়ে যায় তা কি আর সত্যি করেই বোঝা যায়?

    আরো অনেক গল্প শোনার ছিলো কুমুদি'র কাছে। ভেবেছিলাম একদিন সময় করে বসে বলবো "বলো এবার বড়কুমার ছোটকুমারের তারপর কী হলো'। আর আরো বাকিসব। কিন্তু বলা নেই কওয়া নেই, কুমুদি গিয়ে উঠলেন তাঁর নৌকোয়। এখন আমাদের এই ঘাটে আর খেয়াতরী বাইবেন না! এর কোনো মানে হয়?
    তবে তারার পানে চেয়ে তাঁকে ডাকতে হয়না আমার। যে অমন করে মনের ভেতরের কলসীটা ভরে দিতে পারে, তাকে আবার বাইরে কোথাও খুঁজতে যেতে হবে নাকি?
    ছবিঃ ঋতুপর্ণ বসু, কুমুদির রোমহর্ষক গল্পসমূহ থেকে।
  • বিভাগ : পড়াবই | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৩৬ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্যামল অধিকারী | 2401:4900:1f34:5608:44ae:7c9a:68b:96f | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২২:৫৭498225
  • দারুন একটা লেখা পড়লাম। কুমু দি কে এমন গভীর ভাবে  চেনা  অবাক  করে।
    আমাদের নেক্সট প্ল্যান ছিল নাটক লেখা - কু মু দি নাটক লিখবে। কিন্তু হল কৈ।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন