• বুলবুলভাজা  পড়াবই  মনে রবে

  • যেভাবে দেখেছি তোমাকে

    শ্যামল অধিকারী
    পড়াবই | মনে রবে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১১৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কুমুদি চলে গেলেন, ছয় মাস হল। কুমুদি রয়ে গেলেন। তাঁর গ্রন্থিত , অগ্রন্থিত গল্পে, প্রবন্ধে, কবিতায়।
    কুমুদি রয়ে গেলেন স্মৃতিতে।
    গুরুচণ্ডা৯ র 'মনে রবে' তে কুমুদি, এবং শুধুই কুমুদি।
    আমাদের সবাইকে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অনেকগুলো অধ্যায় অতিক্রম করতে হয়। প্রতিটি অধ্যায় হলো এক একটি জীবন।হোক তা ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী। ছোট্ট এই জীবনে সুখে দুঃখে পাশে থাকার কত আলপনাই আমরা এঁকে ছিলাম, কত ছেলে মানুষই না করেছি, ভাবলে এখন অবাক হই। এই লেখাটি কোনো একাডেমি ধাঁচের রচনা নয় জাস্ট একটা ডায়েরির মতো। জয়ন্তীকে নিকট থেকে দেখার এবং ওর গভীর সান্নিধ্যের কিছু বিশেষ সময়ের, বিশেষ মুহূর্তকে, ছোট ছোট গদ্যের কোলাজে এক ফ্রেমে তুলে ধরার প্রয়াস।

    শিক্ষাজীবন

    লেখাপড়ায় ও ছোট থেকেই ভালো, তেমনি ওর ভাই। মা স্কুলে পড়াতেন আর বাবা পশ্চিমবঙ্গের এডুকেশন ডিপার্টমেন্টে চাকরি করতেন। ও পড়তো বেথুন স্কুলে আর ভাই হেয়ার স্কুলে। ভালো আবৃত্তি করতে পারতো বলে অনেক মেডেল পেয়েছিল। যা আমি এখন মাঝে মধ্যে দুহাতে ধরে থাকি আর অন্যমনস্ক হয়ে যাই। স্কুল পেরিয়ে ও প্রেসিডেন্সি কলেজে যায় ন্যাশনাল স্কলারশিপ নিয়ে। ভাইও তাই পরে ভর্তি হয় ওই প্রেসিডেন্সি কলেজে। সেবারে ভাই হায়ার সেকেন্ডারিতে চতুর্থ স্থান লাভ করে। এখন ভাই সাইন্স কলেজের ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর।

    ধুস

    এই ধুস শব্দটি যেটা অনেকেই বলে "ধুৎ" অথবা "ধ্যাৎ তেরক্যা", সেটি জয়ন্তী বলেছিল কোনো একটি কারণে।
    আমরা সায়েন্স কলেজে আসতাম বাসে চেপে। ও আসত বেলগাছিয়া মিল্ক কলোনী থেকে আর আমি শ্যামবাজার থেকে। মাঝে মাঝে আমি আসতাম পাইকপাড়া থেকেও কারণ ওখানে আমাদের নতুন বাড়ি হয়।
    প্রায়ই দেখা হয়ে যেত বাসে, নয়তো কলেজের বাস স্ট্যান্ডে। আমাদের বাস স্ট্যান্ড একেবারে ব্রাহ্ম বালিকা স্কুলের সামনেই।
    আমরা দুজনে একসাথে ট্রামলাইন পার হয়ে ফুটপাথে উঠতাম। এরই মাঝে হয় ওর কোমর থেকে রুমাল পড়বে অথবা ফুটপাথে ওঠার সময় হোঁচট খাবে। এটা প্রায়ই হতো। আমি যখন রুমাল তুলে দিতাম ও বিরক্তিভরে বলতো- "ধুস"। এই শব্দটি এখন মনে বার বার উদয় হয় আর ঘটনাটি মনে পড়ে যায়।

    জয়ন্তী বাবার লেখালেখির কাজে বেশ সাহায্য করতো। বাবার লেখা পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের ঘরে নিয়ে যাওয়া আসা সবই ওকে করতে হতো পড়াশুনার মাঝে। কলেজ জীবন পার হয়ে জয়ন্তী WBCS এ বসে এবং তাতে ওর পজিশন হয় সিক্সথ। এ সব বড়াই ও কখনো করতো না। WBCS ছেড়ে ও ঢুকলো কিনা সাইন্স কলেজে গবেষণা করতে। দেখতাম কথা বলতো খুব শান্তভাবে এবং তা ছিল বেশ মার্জিত। তবে আড্ডা হলে ওকে দেখে কে, বেশ হইচই করে বসতো। ইদানিং যে সমস্ত কথা বা কিছু শব্দ মনের মধ্যে বার বার ঘুরে ফিরে আসে তা পুরোনো দিনগুলোকে ফিরিয়ে আনে। বেশ ভালো লাগে, সুখ পাই ভাবতে।

    ঠিক আছে জানি

    গবেষণাকালে আমাদের দুজনের গাইড একই। আমাদের মাষ্টারমশাই প্রফেসর মণীন্দ্র মোহন চক্রবর্তী। উনি দুইটি ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন - প্রথমটি কল্যাণী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, অপরটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা ঘোষ স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডি করতাম। আমি ছিলাম সিনিয়র স্কলার, ও ছিল জুনিয়র। প্রফেসর রাসবিহারী ঘোষ স্কলারশিপ ছিল বেশ প্রেস্টিজিয়াস। আমি পেতাম ৮০০ টাকা স্কলারশিপ আর ও পেতো ৪০০ অথবা ৬০০ টাকা (যতটা মনে পড়ে)। আমরা সবাই মন দিয়ে পিএইচডি করতাম, গল্পো করতাম, টুকটাক খেতাম।

    আমার কয়েকজন ক্লাস বন্ধু যারা বিটেক, এমটেক করে চাকরি করে, তারা আসত Saturday club করতে প্রতি শনিবারে সাড়ে তিনটের সময়। তখন তারা এসে আমাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দিয়ে বলতো - অনেক হয়েছে, এবার চল এসপ্লানেডে। আমি কী করবো, এক্সপেরিমেন্ট চলছে, তখন একমাত্র ভরসা জয়ন্তী। ওর কাছে এগোতাম। ও জানতো এটা প্রতিটি শনিবারের ব্যাপার এবং সবিনয়ে বলতো "ঠিক আছে ঠিক আছে জানি" - আপনি যান। পরের দিন এসে দেখতাম ও সুন্দর ভাবে সমস্ত এক্সপেরিমেন্ট রেজাল্ট আমার খাতায় নোট করে দিয়েছে। এটি বার বার চোখের সামনে জ্বলজ্বল ভাসে।

    ল্যাগ ব্যাগ করতে করতে

    সে এক ঘটনা। কলেজের মেটালার্জি ডিপার্টমেন্টের হেড এসে বললেন, শ্যামল তোমাকে পরীক্ষা (বিএসসি প্রাক্টিকাল) নিয়ে আসতে হবে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন কলেজ থেকে, ধর চিঠি। আমি তো অবাক। ওনার সাথে আমার খুব একটা কথাই হতো না, আর মেটালার্জি এই সাবজেক্ট নিয়ে ওনার সাথে কখনোই আলোচনা করি নি। কখনও হয়তো অল্পস্বল্প কথা হয়ে থাকতে পারে।চিঠি খুলে দেখি কলকাতা ইউনিভার্সিটির লেটার হেডে লেখা আমার নাম, বিবরণ এবং পরীক্ষার তারিখ। বেশ চিন্তা হলো, কখনও আগে এমন পরীক্ষা নিতে যায়নি। কী করা, সেই জয়ন্তীর কাছেই এগোলাম। ও অনেককিছু জ্ঞান দিল, আর বললো "যান ল্যাগ ব্যাগ করতে করতে "। একদিন আগে গিয়ে স্যাম্পল তৈরি করে আসুন, পরের দিন পরীক্ষা। সেইমত করলাম। এই দিনটি ভীষণ মনে পড়ে।


  • এ মা হেরু বলবো

    সেবারে ক্যারাম প্রতিযোগিতা হলো আমাদের অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে। ক্যারাম খেলতে আমি খুব ভালোবাসি। বেশ উৎসাহ নিলাম, ভেনুটা দেখে এলাম। বেশ কয়েক দিন অন্যদের খেলা দেখেও এলাম চুপি চুপি, তারপর নাম লেখালাম। আমাদের সাইন্স কলেজে অনেকগুলো ডিপার্টমেন্ট, বেশ অনেকেই নাম দিয়েছে। ল্যাবে সবার জানাজানি হয়ে গেল। যেদিন খেলতে যেতাম, সেদিন জয়ন্তী আর ওর বন্ধুরা বলতো, হেরে আসবেন না যেনো তাহলে আমরা "এ মা হেরু বলবো"।
    যেদিন ফাইনাল সেদিন আমাদের বন্ধুরা - প্রদীপ, বুদ্ধদেব, চন্দন, জয়ন্তী, কল্পনা এবং সুনন্দা, এরা সবাই উপস্থিত ছিল। ফাইনালে জিতলাম এবং চ্যাম্পিয়ন হলাম। শেষ ঘুটির ফিনিসটা আমার এখনও মনে আছে। মনে আছে বন্ধুদের হাত তুলে একসাথে উল্লাসে লাফিয়ে ওঠার দৃশ্য। ওরা বললো পার্টি দিতে হবে। আমি ওদেরকে আমাদের গেটের সামনে বসতো ঝালমুড়ি, মটর বাদাম নারকোল দিয়ে মাখানো খাওলাম সবাইকে। কি করে ভুলি ওই দিনটি, এখন এই সবই মনে পড়ছে।

    বিবাহ প্রস্তাব

    বেশ কয়েকজন মিলে ঠিক হলো যে আমরা কফি হাউস যাবো, তারপর ওখান থেকে জরুরি একটি কাজে। সকাল সকাল কফি হাউসে গিয়ে দেখি জয়ন্তী বসে আছে টেবিলে, নাক ঘষছে, সিগারেটের গন্ধে হয়তো নাক সুড় সুড় করছে। তখনও কেউ আসেনি। আমিও সুযোগ টা নিলাম। অনেকদিন ধরে মনে হচ্ছিল কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। আমি ওর কাছে এসে, পড়ে যাওয়া রুমালটি তুলে ওর হাতে দিলাম আর বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। ও রাজি হয়েছিল।

    ফুলশয্যা রাতে

    তত দিনে পিএইচডির কপি আমরা দুজনে একসঙ্গে গিয়ে কলকাতা ইউনিভার্সিটিতে জমা দিই। তারপর বিয়ের দিন ঠিক হলো। ফুলশয্যা রাতে আমরা পরস্পরে আংটি বিনিময় করলাম। তারপর যেটা হলো সেটা সিরিয়াস আলোচনা। তার কয়েক দিন পরই আমাদের পিএইচডির ভাইবা। মনের মধ্যে চিন্তা ছিল, মন অশান্ত। আমি ওকে বললাম আসল কাজ কিছুই হচ্ছে না "শুধু গান আর বাজনা, আউটপুট নিল"। এই ফাঁকে কি একটু পড়াশুনার আলোচনা করা যায়, তাতে ও রাজি হলো। আমরা দুজনের সাবজেক্ট জানতাম, একটু ঝালিয়ে নিলাম, মন শান্ত হলো।এগুলো বড্ড নাড়া দেয় এখন।

    সোনার ফসল সাহিত্যে

    দেখতাম শুধু দিনরাত্রি পড়াশুনা করতো সাহিত্য নিয়ে। তার ফাঁকে ওকে পড়তে হতো বিভিন্ন মিটিং এর প্রস্তুতি নিয়ে, অবশ্য এটা সবাইকেই করতে হয়। তবে সাহিত্যে ভীষণ ঝোঁক ছিল, বলতে গেলে পাগল। একজন সাহিত্যানুরাগী এক কথায় বললে। ওর জীবনপ্রবাহ কোনো নির্দিষ্ট গতিপথ ধরে এগোয়নি। হায়ার সেকেন্ডারি থেকে পিএইচডি, তারপর চাকরি জীবন ও হাঁড়ি ঠেলা। কাজ করেছে বিভিন্ন গবেষণা এবং শিল্পসংস্থায়। বিশেষজ্ঞ হিসেবে কয়েকটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রবন্ধ, রম্যরচনা, গল্পো ও কবিতা লিখেছে। ওর কবিতা চর্চার পর্যায়ক্রম ক্রমশ বদলে গেছে সময়ের তালে। বদলে গেছে ওর কবিতার দার্শনিক এবং গঠন শৈলী ও প্রকরণ। পেশায় বৈজ্ঞানিক হলে কি হবে, সর্বভারতীয় শিশু সাহিত্য রচনায় ছিল ও সিদ্ধহস্ত। সরস গল্পে ও পার্টিকুলারকে ইউনিভার্সাল করে তোলার পরীক্ষায় সচেষ্ট হয়েছে ও অসাধারণ ক্ল্যাসিকতায় উত্তীর্ণ হয়েছে। যেভাবে ও জীবনযাপন করেছে তার প্রতিটি বিশেষ মুহূর্ত, অনুভব, উপলব্ধিকে অতি সহজে সঞ্চারিত করেছে পাঠক মনে।

    আছো তুমি হৃদয় জুড়ে

    ১২ই মার্চ, ২০২১, ও নিজেই ওলা ডাকলো। আমাকে বললো তুমি গাড়িতে বস আমি আসছি। আমি গাড়িতে গিয়ে বসলাম উদ্বোধনী বইপত্র ব্যাগে নিয়ে। দেখি ও সিঁড়ি দিয়ে নামলো। ড্রাইভার বললো স্যার ম্যাডামের কিছু পড়ে গেলো। আমারও নজরে পড়েছিল ওর রুমাল মাটিতে পড়তে। রুমাল এবার কোমরে ছিল না, ছিল হাতে। আমি গাড়ি থেকে নেমে রুমাল তুলে আনলাম আর আসার পথে বললাম তুমি গাড়িতে বস। দেখি ও গাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। আগে আমি বসবো তারপরে ও বসবে। এমনটাই ছিল ওঁর কর্ত্তব্যনিষ্ঠা। পাশে বসলে বললাম ধরো তোমার রুমাল। ও রাখলো ওর ব্যাগে। আমার হাতে একটি লবঙ্গ দিল (এটা আমার অভ্যাস গাড়িতে বসলে) পরে ও নিজেও একটা নিলো।
    ভেবেছিলাম দিনটি খুব ভালো কাটবে কিন্তু অভিশাপ নেমে এলো, কে জানতো এমনটা হবে, জীবনে আর কখনোই রুমাল তুলতে হবে না ....

    "যে কর্ত্তব্যনিষ্ঠা তুমি দেখিয়েছো, যে ভালোবাসো আমাকে তুমি দিয়েছো, তা আমার কাছে অমূল্য এবং আমি তা সারাজীবন বহন করবো"।
  • বিভাগ : পড়াবই | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১১৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Reshmi Manna | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:৪৮498013
  • সেদিনেও রুমাল কুড়িয়ে দেওয়া! পড়ে কেমন থমকে গেলাম.....
  • Jaya Chaudhuri | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:০২498021
  • "সহজ কথায় লিখতে আমায় কহ যে
    সহজ কথা যায়না লেখা সহজে"--- অথচ কি সুন্দর সহজ ভাষায় সহজ ভাবে গভীর প্রাণের অনুভূতি জানালেন শ্যামল অধিকারী ।               
  • সুকি | 49.207.207.157 | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:৪৪498024
  • এমন লেখায় আলাদা করে মন্তব্য কি আর করব!   কুমুদির অজানা গল্প পেলাম, প্রবল ভালোবাসা জড়ানো
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৩০498039
  • এই লিংকটা থাক, বানিয়েছিলাম বই হওয়ার আগে। অন্য ছবি
    https://tinyurl.com/je5swye3
  • সন্তোষ বন্দোপাধ্যায় | 2401:4900:3147:fa05:0:64:ab9:3101 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:২৮498069
  • অনুপ্রেরণা পাই এনাদের জীবন যাত্রা, শিক্ষা, মতাদর্শের সমানতা থেকে, ভাবি, প্রেম.…বিয়ে... সন্তান উৎপাদন, হাঁড়ি কুঁড়ি, বাজার, পূজো আচচা... অতঃপর ..নিমতলা বা কেওড়াতলা, এর বাইরেও যে জীবন থাকতে পারে। মনে থাকবে।
  • শ্যামল অধিকারী | 2401:4900:1f34:5608:44ae:7c9a:68b:96f | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:৩৯498150
  • সবাইকে আন্তরিক ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা জানাই।
    শ্যামল দা
  • মুনিয়া | 162.229.184.102 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:৪৬498262
  • হঠাৎ করে লেখাটা চোখে পড়ল। পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। আমি ওনাকে চিনতাম না। কখনো ন' মাসে ছয় মাসে গুরুতে এলে ওনার এক আধটা মন্তব্য পড়েছি। এত গুণী মানুষ---- শেষটুকুও  নিখুঁত করে এঁকে গেলেন! 
    প্রণাম জানাই। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন