• বুলবুলভাজা  পড়াবই  মনে রবে

  • ফুরায় না তো তোমায় পাওয়া

    রেশমী
    পড়াবই | মনে রবে | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কুমুদি চলে গেলেন, ছয় মাস হল। কুমুদি রয়ে গেলেন। তাঁর গ্রন্থিত , অগ্রন্থিত গল্পে, প্রবন্ধে, কবিতায়।
    কুমুদি রয়ে গেলেন স্মৃতিতে।
    গুরুচণ্ডা৯ র 'মনে রবে' তে কুমুদি, এবং শুধুই কুমুদি।
    যত মানুষের সঙ্গে এখন পরিচয় আছে, আন্তর্জালের জগৎ না থাকলে তাদের অনেককেই চেনা হত না। আর এই চেনা-জানার ব্যাপারটাও বেশ মজার। বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়ার এত রমরমা হবার আগের সময়টাতে, যখন আন্তর্জালের পত্র পত্রিকায় লেখালেখির সূত্রে কারুর সঙ্গে আলাপ হলেও, তার হাঁড়ির খবর জানার জন্য ফেসবুক ইত্যাদি ছিল না। তখন লেখা পড়েই মনে মনে মানুষটার একটা ইমেজ কল্পনা করে নিতাম। কুমুদির সঙ্গে পরিচয়ও সেইভাবেই, গুরুচণ্ডালির পাতায় ওঁর লেখা দেখে। সে আজ থেকে কত বছর আগের কথা – তা এখন আর ঠিক মনে নেই, কিন্তু এটা বেশ মনে পড়ে – তখন অফিসে এখনকার মত কাজের চাপে নাভিশ্বাস উঠত না, মাঝে মধ্যেই অবসর মিলত ভাটিয়ালি বা টইপত্তরে ঢুঁ মারার। তেমনই এক দিনে দেখলাম কুমু নামের কেউ লিখছেন ভাট এবং কোন একটা টইতে, এমন সরস প্রকাশভঙ্গি পড়ে প্রথম থেকেই একটা ভাল লাগা তৈরি হয়ে গেল আর মনে মনে দিব্যি মানুষটাকে কল্পনা করে নিলাম। মনে হয় একটু ভুল হল, শুরুতেই উনি কুমু নাম নেননি, কুমড়োপটাশ নামে লিখতেন, তারপর নীনাদি মনে হয় কুমুদিনী নাম দিলেন, সেখান থেকে ছোট করে কুমু আর আমাদের সবার কুমুদি! তা যা বলছিলাম, আমি তো কুমুদির একটা ছবি মনে মনে ভেবে নিয়েছি, খুব হাসিখুশি একটা মুখ আর আলাপ হলেই একরাশ গল্প করবেন এমন একজন। তা আলাপ আর হচ্ছে কোথায়? তাই ওই ছবি আমার মনের মধ্যে একেবারে গেঁথে বসল।

    তারপর একসময় এল গুরুর পাতায় চেনা বেশ কয়জনের সঙ্গে মুখোমুখি আড্ডার সুযোগ। যথারীতি সাল-তারিখ ভুলে গেছি, কিন্তু স্থান মনে আছে। দিল্লি-হাট, নীনাদি ইউএস থেকে এসেছেন, সেই উপলক্ষ্যে দিল্লি-হাটে এনসিআর-বাসী গুরুজনের জমায়েত (যাকে কথ্য ভাষায় ভাট বলা হয়ে থাকে)। আমরা কিনা সেই কতদূরের ফরিদাবাদ নামক গ্রাম থেকে আসছিলাম তাই যতক্ষণে দিল্লি-হাট পৌঁছলাম, বলাই বাহুল্য, অনেকেই এসে আড্ডা জমিয়ে ফেলেছেন। জনাকয়েক চেনা মুখ আগে দেখা হবার সুবাদে, আর বেশ কিছু অচেনা। আলাপ-পরিচয় পর্ব শেষে জানলাম – ওই শাড়ি-পরা লম্বা-মত বেশ গম্ভীর মুখের মহিলা, যাঁকে আমি এতক্ষণ কোনো চণ্ডালের মা ভাবছিলাম, তিনিই হলেন কুমুদি! মিথ্যে বলব না, আমার মনের মধ্যে গেঁথে বসা ছবির সঙ্গে তেমন একটা মিল না পেয়ে বেশ একটু দমেই গেলাম। দেখলাম কুমুদি কথাও বেশ কমই বলেন, আর গলা আওয়াজও খুব নরম মত, যদিও তিনি একজন রাশভারী বিজ্ঞানীও বটে! নীনাদি খুবই জমাটি, এসেই আসর মাতিয়ে দিলেন, আর আমাদের সব্বার জন্য গিফট নিয়ে এসেছিলেন। আমরা তো খুশিতে ডগমগ হয়ে সে সব উপহার নিজেদের ব্যাগে পুরে নিয়ে আবার গল্পে মেতেছি, কুমুদি দেখলাম কেমন যেন উশখুশ করছেন। তারপর নীনাদি কোন কারণে চোখের আড়ালে যেতে সেই সুযোগ আমাকে এবং উপস্থিত অন্য মহিলাদের পাকড়াও করলেন, “চলো, নীনার জন্য কিছু উপহার কিনে আনি। ও আমাদের সবার জন্য মনে করে এত কিছু কিনেছে, আমরা তো কেউ ওকে কিছুই দিলাম না।” আরে সত্যি তো! এই কথাটা আমাদের কারুর মাথাতেই তো আসেনি! অতঃপর, কুমুদির নেতৃত্বে দিল্লি-হাটের সারি-সারি দোকানে বিক্রি হওয়া নানাবিধ জিনিসপত্রর মধ্যে দেখেশুনে কেনা হল নীনাদির জন্য আমাদের ভালবাসার উপহার! এই হচ্ছেন কুমুদি! সেই প্রথম আলাপের দিন থেকে শুরু, তারপরেও বহুবার দেখা হয়েছে বিভিন্ন আড্ডায়, আর বারবার দেখেছি আমরা সবাই যখন আড্ডা-হা-হা-হি-হি তে মশগুল হয়ে যেতাম, কুমুদি বরাবর ওই নরম গলায় আমাদের কর্তব্য-কর্ম মনে করিয়ে দিতেন, যদিও গুরুজনসুলভ হম্বিতম্বির লেশমাত্র দেখিনি কখনো। নারী-স্বাধীনতা নিয়ে গুরুগম্ভীর কথাও বলতেন না কখনো, নিজের কৃতিত্বও ঢাক পিটিয়ে বলেননি কখনো – কিন্তু ভাবলে অবাক লাগে, সংসার, গবেষণা, লেখালেখি ... এই প্রবাসে একা হাতে কত কী-ই না সামলেছেন! কোথাও কোনও মেয়ের কৃতিত্ব দেখলে বা অন্য কারুর কাছে শুনলেও কী অপরিসীম খুশি হতেন। মনে আছে ... ছন্দা গায়েন যখন হিমালয়ের বুকে হারিয়ে গেল চিরতরে, তা নিয়ে ভাটিয়ালির পাতাতে কুমুদির লেখায় যে হাহাকার দেখেছি, তা একেবারে মনের গভীর থেকে উঠে আসা, কোন কৃত্রিমতা ছিলনা তাতে।

    দিল্লি-হাটে সেই প্রথম দেখার পর মাঝে-সাঝে এর-ওর বাড়ি জমায়েতের সূত্রে আরও কয়েবার দেখা হল কুমুদির সঙ্গে। টইপত্তরের পাতায় কুমুদির কলমে সেইসব ভাটের সরস বর্ণনা অনেকেই পড়ে থাকবেন। অফিস, বাড়ি সবকিছুর ব্যস্ততার মধ্যেই কুমুদি দফায় দফায় আড্ডার খুঁটিনাটি লিখতেন নিজস্ব ভঙ্গিতে। আড্ডায় দেদার মজার পর বেশ কয়েকদিন ধরে সেগুলো পড়া অনেকটা জাবর কাটার মত, আনন্দের রেশটা আরো দীর্ঘায়িত হত। তবে কুমুদি এবং শ্যামলদা-র সঙ্গে আলাপটা পাকাপোক্ত হল দিল্লির বাংলা বইমেলার সূত্রে, যা আমাদের কাছে ছিল বচ্ছরকার পার্বণের মত। বইমেলায় গুরুর স্টলের ভেতর শ্যামলদাকে যখন প্রথম দেখি, তখন কি গবু-কেবলীর গল্প অলরেডি পড়া হয়ে গেছে? মনে পড়ছে না এখন, কিন্তু আপাত-গম্ভীর কুমুদি আর সদাহাস্যময় এবং দারুণ জমাটি শ্যামলদার রসায়ন বুঝতে একটুও দেরি হয়নি! বইমেলার ওই কয়েকটা দিন আমরা সবাই সত্যি করে একটা পরিবার হয়ে উঠতাম যেন। শুরু হবার কিছুদিন আগে থেকেই কত প্ল্যান কষা, কে কবে গিয়ে স্টল সামলাতে পারবে, কার কী দায়িত্ব, সে কী উৎসাহ সবার! কোন কারণে আমাদের কেউ একটু ঝিমিয়ে পড়লে কুমুদি অবধারিত তাকে জাগিয়ে তুলবেন। সেরকমই একটা নমুনা -

    “আজি বইমেলা জাগ্রত দ্বারে,
    মার্চের রাজধানী গরম বড়ই, তবু বইমেলা কড়া নাড়ে।
    আজি ভুলিও ঘরের কাজ, ভুলিও,

  • আজি কিচেনে বিশাল তালা ঝুলিও,
    এই হৈচৈ মুখরিত মেলাতে ফোরামের স্টল তুমি খুলিও।
    আজি বয়েসের ভার-বোঝা হারায়ে,
    দিও কাঁসর বাজায়ে বারে বারে,
    আজি বইমেলা জাগ্রত দ্বারে।”

    সত্যিই কুমুদি তখন বয়স-টয়স ভুলে এক্কেবারে কিশোরী হয়ে যেতেন। আপাত-গাম্ভীর্যের আড়ালে ঢাকা থাকত এক ছেলে মানুষ মন, যা বইমেলার এই ক’দিন আর কোনো বাধা না মেনে প্রকাশ্যে চলে আসত। শুধু বইমেলার সময়টুকুই বা বলি কী করে, অন্য কত সময়েও দেখেছি কুমুদির ছেলেমানুষের মত অভিমান করা আবার কখনো বা সামান্য কোনো কারণে বাচ্চাদের মত খুশি হওয়া! – “ও কুমুদি, তুমি ওই পুরনো ডায়েরিতে লেখ কেন? তোমার লেখার খাতাও তোমার লেখার মত সুন্দর হওয়া উচিত ... আমার কাছে কয়েকটা নতুন খাতা আছে সুন্দর ডিজাইনের, একটা তোমার জন্য রেখে দেব” ... আমাদের বাড়িতে একবারই এসেছিলেন কুমুদি-শ্যামলদা। ওই নতুন খাতা দেওয়ার পর কুমুদির ঝলমলে মুখটা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল, যেন সেই রোগা দু’বিনুনি-বাঁধা কিশোরীকে দেখছি! আমার সেই ভালবাসার উপহার নাকি তারপর থেকে সবসময় কুমুদির সঙ্গেই থাকত, বলছিলেন শ্যামলদা সেদিন, যেদিন আমরা গেছিলাম ওঁদের বাড়ি ...

    কুমুদি, তোমার তো ভারি তাড়া ছিল সব রাজপাট ফেলে চলে যাওয়ার, কবে আমরা যাব সে জন্য আর অপেক্ষাই করলে না। তবুও সেদিন সেই ঘরে অজস্র বই, ছবি, লেখাপত্রর মধ্যে আমরা কিন্তু ঠিকই তোমাকে পেয়েছি। তোমার লেখা বই, পুরনো হোয়াটস্যাপ-চ্যাট বা গুরুর টইয়ের পাতায় ফিরে এলেই বুঝতে পারি, তোমার স্নেহের ওম ঠিকই জড়িয়ে রেখেছে আমাদের ... আগের মতই ... শুধু আমাদেরই নয়, আজ যখন আমার বাবার মত বই-পড়া প্রায় ছেড়ে দেওয়া কেউ তোমার লেখা হাতে নিয়ে বুঁদ হয়ে যায়, বুঝতে পারি এখনো নতুন করে জড়িয়ে নিচ্ছ সবাইকে।
    ছবিঃ ঋতুপর্ণ বসু, কুমুদির রোমহর্ষক গল্পসমূহ থেকে।
  • বিভাগ : পড়াবই | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্যামল অধিকারী | 2401:4900:1f34:5608:44ae:7c9a:68b:96f | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:৪০498139
  • অসাধারণ স্মৃতিচারণ।
    তোমার দেওয়া নতুন খাতাটি ওঁর কাছে খেরোর খাতার মতো ছিল।এটি আবার মাঝে মধ্যে জাবেদার খাতাও হয়ে যেত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন