• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  বিবিধ  শনিবারবেলা

  • নুড়িতলার বাঁকে - পর্ব ৪

    কেকে
    ধারাবাহিক | বিবিধ | ২৯ মে ২০২১ | ৭৬০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • ১.


    অনেক গুলো নুড়ি এখানে ছড়িয়ে আছে। এখানে, ওখানে, সব জায়গায়। মনের মধ্যে, বাইরে, হাতের মুঠোয়, পায়ের পাতার তলায়। নুড়িরা সব জায়গায় থাকে। নিউটন সমুদ্রের তীরে ওদের খুঁজতে যেতেন। কেউ খোঁজে, কেউ খোঁজে না। কেউ পায়, কেউ পায় না। একলা নুড়ি চুপ করে তাকিয়ে থাকে। কাঁদে। ও হয়তো জানেনা একে 'কাঁদা' বলে। একলা নুড়ি। কেউ তাকে শিখিয়ে দেয়নি 'কাঁদা' কী। কারণ কী পাবে কাঁদলে ও কারুর কাছে? যেখানে কেউ নেই সেখানে 'কারুর কাছ' বলে কিছু হয় নাকি? 'কারুর দূর' বলে কিছু হয়?
    সন্ধ্যে আসে নীল হয়ে। একটুখানি থিরথিরে অস্পষ্ট ভালো থাকা ছটফটে পাখির মত হুশ করে উড়ে পালায়। পাখিরা কেন কাছে থাকে না? বলতে পারো? নুড়িতলার ঝর্না সব সময় ঝরঝর করে ঝরে পড়ছে। কোথা থেকে আসে এত জল? কোথায় যায়? বলতে পারো?
    একটা জায়গা ছিলো কোথায় যেন। জায়গা না দুনিয়া তাও জানি না। সেখানে রোদ্দুর ছিলো, মেঘও। গান করতো একটা বুলবুলি। 'ছিলো','করতো', সবকিছু কী সহজে অতীত হয়ে যায়। সময়ের থেকে বড় জোচ্চোর আর কেউ নেই! সবসময় ভুল বুঝিয়ে যাবে তোমাকে। মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে সব কেড়ে নেবে। তারপর একদিন হঠাৎ তুমি তাকিয়ে দেখতে পেলে কবে, কখন যেন সব চুরি গেছে। সময় শুধু ফাঁকা জায়গাটুকুনি রেখে দিয়ে গেছে তোমার জন্য। যাতে বুঝতে পারো কে চুরিটা করলো।
    আজকাল খুব সহজে চুরি করা যায় সবকিছু। হেমন্তের গাছের পাতাহীন কাঠি কাঠি ডালপালার ডগায় বৃষ্টির বিন্দু চুপচাপ তাকিয়ে আছে। আজকালকার সবকিছু ঐ বিন্দুদের মত ক্ষণস্থায়ী। একবার জোরে নিঃশ্বাস ফেললেও ঝরে যায়। পরীদের বাচ্চার মত নিষ্পাপ, সরল জলের ফোঁটারা; কত সহজে ঝরে যায়। কেউ এর প্রতিকার করতে পারলো না আজ অব্দি। ভয় এসে ওদের জায়গায় পা উঠিয়ে আরাম করে বসে। ছোটছোট তেলগা সাপের মত ভয়। বড়বড় প্যাঁচানো নীল ড্রাগনের মত ভয়। শেষহীন অতল ভয়, যে এত বড় তার কোনো আকারই হয় না। ভয় বড় বিশ্বাসী লোক। তোমাকে আগলে রাখবে সবসময়।
    ভয় বড় দুঃখী লোক। আমি চাই ওর ভালো হোক। আমি ওকে বলি "তোমার মুক্তি হোক"। কে মুক্তি দেবে ওকে? সবাই ওকে ঝাঁটা মেরে তাড়িয়ে দেয়। ছুঁচলো লাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রোয়াক থেকে নীচে ফেলে দেয়। ভয় ছোট্ট একটা কান ছেঁড়া, লোমওঠা কুকুর বাচ্চার মত তোমার পায়ে পায়ে ঘুরবে। একবারটি তাকিয়ে দেখে না কেউ ওর দিকে। শুধু তাড়িয়ে তাড়িয়ে দিলে ও ফিরে আসবে না তো কী করবে? আমি ভয়কে বলি "ভালো হোক তোমার, দুঃখী বন্ধু"।



    ২.


    দিন যায়, কাল যায়। ঢেউ ওঠে, ঢেউ পড়ে। চোখের ভুল সবটাই। কেউই যায়না কোত্থাও। দিন, মাস, বছর, জীবন, জোয়ার, ভাঁটা। সবকিছু চোখের ভুল। মনের ভুল। অন্ধ মানুষ কী দেখে কী ভাবে। হয় এক, মানুষগুলো বোঝে আরেক। বোকা মানুষ সব। বোকা নাহলে কেউ সুখ খোঁজে? সুখ জিনিষটা কিনতে প্রচুর দাম দিতে হয়। এমনি এমনিইই পাওয়া যাবেনা কিছুতেই। অ-নে-ক দাম। অথচ মজা এমন, যা দিয়ে তুমি দাম দেবে সেই জিনিষটা মিনিমাগনায় সারাক্ষণ এসে পড়ছে তোমার কাছে। সুখ কিনতে হয় দুঃখ দিয়ে। যন্ত্রণা দিয়েও পাওয়া যায়। কান্না দিয়ে। সেগুলো বিনি পয়সায় ঢের করে পাবে তুমি। নিয়ে যেও সুখ কিনতে। যদি সে বাজারের ঠিকানা জানা থাকে।
    দুঃখ এসে ওর সব কিছু উজাড় করে দেয় আমার কাছে। নিঃশেষে। আমার শরীর, মন, সত্তা, তারও আড়ালে আরো যা কিছু অদেখা হয়ে রয়েছে, সব কানায় কানায় ভরিয়ে দেয় দুঃখ। অকূল দুঃখ। আকূল।
    সিদ্ধার্থ তখন গভীর সমুদ্রের গভীরতম তলদেশে ধ্যানে থাকেন। সোনালি আলো তাঁর চারপাশের জলকে ছুঁয়ে থাকে। আমি জানতে পাই সিদ্ধার্থ ধ্যানে বসেছেন। দেখা, শোনা, ছোঁয়ার অনেক অনেক উত্তরে সেই জানা। কোনো কথা দিয়ে তার প্রকাশ হয় না।
    মন এসে কেঁদে যায় আমার কাছে। জিজ্ঞেস করে "কেন এমন? এমন কেন?" আমি শুধু চুপ করে দেখি ওকে। কোনো কথা দিয়ে এর জবাব হয়না। থের বলেছিলেন "সবাইকেই থাকতে দিও ঘরে। কাউকে দূরে ঠেলে দিও না।" আমি দুঃখকে থাকতে দিই, ভয়কে, কান্নাকে। ওরা ঠেলে ফেলে দেয় আমাকে। আমি কাঁটার ঝোপের ওপরে শুয়ে থাকি। আমি জানতে পারি সিদ্ধার্থ আছেন, কোথাও কোনোখানে।
    দুঃখ আমায় দুই হাতে জড়িয়ে থাকে। কত গভীর থেকে সেই দুঃখ উঠে এসেছে তা প্রকাশ করার ভাষা জানা নেই আমার। আমি ভেবে পাই না, একটা মানুষের অশ্রু-গ্রন্থি কত জল তৈরী করতে পারে। আমি সমুদ্র। জল আর নুন। নুন আর জল। আর ঢেউ। শুধু ঢেউ। অতল, অসীম, অশেষ সমুদ্র।

    দুশ্চিন্তা ওর যমজ বোন। দুঃখের। ওর পোশাক গাঢ় ছাই রঙের। ওর হাতে একটা ধাতুর যন্ত্র থাকে সবসময়। তাই দিয়ে ও কুরে কুরে কাটে অনেককিছু। র‌্যাঁদা চালানোর মত। র‌্যাঁদা চালায় ও, আমার তুলতুলে আঢাকা মনের ওপরে। বিরামহীন। প্রমিথিউসের যকৃতের মত রোজ রাতে ঘুমের সময় সেই মন পুরো হয়ে ওঠে। যাতে পরদিন আবার ঘষে ঘষে কুরিয়ে নিতে পারে দুশ্চিন্তা। বিরামহীন।




    আমি হাতের মুঠো আলগা করতে চাই। আমি 'আপন' শব্দটা মুছে ফেলতে চাই। আমি আমার 'আমিত্ব', 'আমাত্ব' সব নিঃশেষে বিলীন করে দিতে চাই। ওরা এসে কানে কানে ফিসফিস করে বলে -- "এত সহজে ছাড়ান পাবে ভেবেছো? ছাড়বো না, তোমাকে ছাড়বো না।" দুঃখ, ভয়, দুশ্চিন্তা। ওরা আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে আমাকে। ওদের হিম ঠান্ডা ধাতব হাত আমার হাড়ের মধ্যিখান পর্যন্ত জমিয়ে পাথর করে দিতে চায়। চায়, কিন্তু দেয় না। পাথরের তো ব্যথা লাগে না। ওরা পাথর হতে দেবে না তোমাকে। শুধু জল। ঝরঝর করে সারা দিনরাত ঝরে চলতে পারে যে জল। সমুদ্রের মত, সীমাহীন।



    ৩.


    এই পৃথিবীতে কোমল-মনদের জন্য কোনো জায়গা আছে? তিতির পাখি, খরগোশ ছানা, হরিণ ছানার জন্য? ঝোপেঝাড়ে, ডালপালায় থাকেনা ওরা। মানুষের মধ্যেই আছে; মনগুলো, ভীষণ নরম। কারুর দুঃখ দেখলে একলা একলা কাঁদে। রাগের, তিক্ততার দম বন্ধ করা ঝাঁঝালো ধোঁয়ার মধ্যে থেকে কষ্ট পাওয়া রাগী মানুষকে, তিক্ত মানুষকে হাত ধরে বার করে আনতে চায়। হরিণ ছানা, খরগোশ ছানা, তিতির পাখি, কাউকে চেঁচিয়ে বলতে পারেনা " তোমার কষ্ট তুমি নিজে বুঝে নাও"। প্রকৃতি এদের গলায় স্বর দেননি। দিয়েছেন শুধু অদ্ভুত এক ভাষা, হাওয়ার শিসের মত। অন্য তরঙ্গের মানুষ সে ভাষা বোঝেনা। যাকে বোঝেনা তাকে দূরদূর করে মানুষ। কালি ছেটায়, কাঁটা দিয়ে চেরে ফাঁড়ে, রস চিপে চিপে বোতল ভরে নিয়ে ছাইয়ের গাদায় ছুঁড়ে ফেলে। তাই জিজ্ঞেস করছিলাম, কোনো জায়গা নেই না? কোমল-মনদের জন্য? এই পৃথিবীতে?



    ৪.


    কতকিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটে এইখানে। এই পৃথিবীটাতে। কালো মেঘ চুপচাপ বসে ভাবছিলো আজ সারাদিন। ও কবিতা লেখে। কিম্বা বেহালা বাজায়। আজ সারাদিন সেসব কিছুই না করে শুধু উদাস আনমনে চুপ করে তাকিয়েছিলো। কালো মেঘের ধৈর্য্যের অভাব নেই। জানলার সামনের পাতা না আসা গাছে ঝুপসি বাসা থেকে বারবার বেরোয় ঢোকে এক জোড়া ব্লু জে। কতবার ডাকলো ওরা। মেঘ কারু কথার উত্তর দেয়না। কারু দিকে তাকায়না। ও যে ভাষায় কথা বলে তার জন্য শব্দ লাগেনা, দৃষ্টিও না। অন্য রকম তরঙ্গ আছে এক। তুমি যদি জানো তো বুঝতে পারবে। যে জানে সে জানে। সবাই এর খোঁজ রাখে না। কিন্তু ঐ তরঙ্গ দিয়েও কথা বলেনি আজ সে। একএকদিন চুপ করে থাকতে হয়। যে অনুভুতির কোনো নাম নেই, তার সাথে কথা বলার জন্য অন্য সব ভাষা থেকে ছুটি নিতে হয়। এক একদিন।

    তারপর এলো চুপচাপ বৃষ্টি। সব লোকে কত কী বলে। ঝরঝর বৃষ্টি, ঝমঝম। ঝিরঝির, ফিসফিস। সবকিছুই শব্দ দিয়ে বলা। এগুলো ছাড়া অন্য বৃষ্টি নেই ভেবেছো নাকি? আছে। শব্দের বাইরেকার বৃষ্টি। বললাম তো, চুপচাপ। শব্দ করছিলো অন্য একজন। চিমনির ভেতরকার লোহার ঝাঁজরি। ও খুব আস্তে আস্তে নরম করে বলছিলো "টুং টুং টাং।" বৃষ্টির হয়ে চিমনি কথা বলছিলো আজ।

    তখন দেখলাম ছবিটা। অদ্ভুত এক আলোয় আঁকা। অমন নরম মায়াবী রং আর কে বানাতে পারে বলো? নিঃশব্দ মেঘ, নিঃশব্দ বৃষ্টি ছাড়া? আলো যে কত ভালোবাসা ভরে আকাশের দিকে তাকিয়েছিলো তা কোনো কথা দিয়ে বোঝানো যায় না। আকাশের দিকে তাকিয়েছিলো। মাটির দিকে। গাছের দিকে। আমার দিকে। আলোর কোমল চোখের মধ্যে আমি আজ অঙ্গুলিমালকে দেখতে পেলাম। তিনি গভীর শান্তি পেয়েছিলেন। যখন সবাই ওঁকে পাথর ছুঁড়ে ছুঁড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিলো, তারপরে। আমি 'সত্যি'কে দেখতে পেলাম। আজ। শব্দহীনতায়।

    কত কী অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। যেগুলো আসলেই অদ্ভুত নয়। আমরা ভাবি অমন। আমরা দেখতে জানি না বলে।



    ছবি- ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৯ মে ২০২১ | ৭৬০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Prativa Sarker | ২৯ মে ২০২১ ১৯:৪৯106584
  • এ তো কবিতা ! নিখাদ শুদ্ধ কবিতা ! 

  • r2h | 2405:201:8005:9947:b0a3:9c17:8e58:b5ab | ২৯ মে ২০২১ ২২:৩১106597
  • এই লেখাটার জন্যেই অপেক্ষা করছিলাম, কেকের এই লেখাগুলোর জন্যেই অপেক্ষা করি।

  • | ২৯ মে ২০২১ ২৩:৪০106600
  • কেকের এই লেখা পড়ে চুপ করে থাকতে হয়।


    কিন্তু...  কিন্তু আমি চুপ করে থাকতে পারছি না। কারণ অ্যাডমিন গুলিয়েছে। এটা চার নং পর্ব। হেডিঙে চারই আছে। কিন্তু পর্বের ট্র‍্যাকারে পর্ব তিন করা রয়েছে। ফলে পাশাপাশি দুটো পর্ব তিন হয়ে রয়েছে। 

  • r2h | 2405:201:8005:9947:b0a3:9c17:8e58:b5ab | ২৯ মে ২০২১ ২৩:৪৯106603
  • এহেহে। ঠিক করে দিলাম।

  • aranya | 2601:84:4600:5410:fd40:5734:61f1:f561 | ৩০ মে ২০২১ ০১:৩৭106610
  • 'মেঘপিয়নের ব্যাগের ভিতর মন খারাপের দিস্তা' - মনে পড়ল এই লাইন টা 

  • শঙ্খ | ৩০ মে ২০২১ ১১:৫১106628
  • পড়ে গেছি, কিন্তু কী লিখবো না ভেবে পেয়ে বেরিয়ে গেছি। আবার এসেছি, বেরিয়েছি, রিপিট। তারপর এই লাইনটা পথ দেখালোঃ 


    একএকদিন চুপ করে থাকতে হয়। যে অনুভুতির কোনো নাম নেই, তার সাথে কথা বলার জন্য অন্য সব ভাষা থেকে ছুটি নিতে হয়। এক একদিন।

  • &/ | 151.141.85.8 | ৩১ মে ২০২১ ০০:৫৯106652
  • কেকে, এই পর্ব পড়ে একেবারে নিস্তব্ধ। এই ধ্যানলীন লেখার প্রতিক্রিয়া তো কথায় বলা যায় না।

  • moulik majumder | ০১ জুন ২০২১ ০১:০৯106681
  • সুন্দর

  • পিউ | 115.187.55.40 | ০৩ জুন ২০২১ ১৩:৪৫494509
  • আমি যে নুড়ি নই তাই জেনে কানছি ...

  • বিপ্লব রহমান | ০৪ জুন ২০২১ ১১:৪০494539
  • শান্ত প্রকৃতি কত সুন্দরভাবেই না প্রকাশিত। ব্রেভো!

  • &/ | 151.141.85.8 | ১০ জুন ২০২১ ০৫:১০494794
  • ওহ কবে যে নতুন পর্ব আসবে! উদগ্রীব অপেক্ষায়-

  • Ranjan Roy | ১০ জুন ২০২১ ০৬:৪৯494795
  • প্রতিভা ঠিক বলেছেন। সত্যিই কবিতা; কবিতা আর ছবি, বড় মায়ায় আঁকা। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন