• টইপত্তর  অন্যান্য

  • মুভি রিভিউ এর নাম করে রাজনৈতিক প্রপোগান্ডা

    Arindam Mahanty লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ০৪ মে ২০২০ | ৬৭২ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • আমি বেশ কিছু দিন ধরে ইউটুবে চ্যানেল এ দেখছিলাম এবং আপনারাও এটা ভালো করে লক্ষ্য করে দেখবেন মুভি রিভিউ এর নাম করে কিছু youtuber রাজনৈতিক প্রপোগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমি একটা জিনিস দেখলাম ধরুন আমি ইউটুবে এ সার্চ করলাম তানজি মুভি রিভিউ । সাধারণত মুভি রিভিউ এ কি দেখানো উচিত যে সিনেমা টি কেমন হয়েছে , যেমন তার পরিচালনা , অভিনয়, ক্যামেরা এর কাজ, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট , গল্প টা কে কত ভালো করে সিনেমা তে দেখিয়েছে, এই সব কিছু। আর আমি দেখলাম কি হিন্দুত্ব , কিভাবে মুঘল রা দিনের পর দিন আমাদের উপর অত্যাচার করে আসছে, কি ভাবে হিন্দুত্ব আমাদের দেশে বিপন্ন, NRC , CAB সব একেবারে ওখানে আলোচনা মুভি রিভিউ তে হয়ে গেলো। এর ফলে কি হলো ফিল্ম এর বাকি দিক গুলো আর আলোচনাই হলোনা । যিনি ফেমিনিস্ট , লিবারেল , তিনি সব জায়গা তে নারীবাদিত্ব, কাজে পেতে চান, তিনি বলে দিলেন এই ফিল্ম ভালো নয়। কারণ এই জায়গা তে নারীবাদী দেখানো হয়নি। কাজল এর চরিত্র , অজয় দেবগান এর থেকে বেশি গুরুত্ব পায়নি কেন, এই নিরিখে উনি ফিল্ম টা কে বাজে বলে দিলেন। আমার যতদূর মনে পড়ছে , কবির সিং এর বেলা তে এই একই ব্যাপার হয়েছিল, সব নারীবাদী এর দল পুরো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল , কি না মেয়ে টির গালে একটা চাপড় মারার জন্য। কেন মারবে???সুতরাং ফিল্ম বাজে। আপনাদের কোথায় যাই লিবেরালিজম ???
    এরকম পলিটিকাল ধ্যানধারণা নিয়ে দয়া করে মুভি রিভিউ করতে আসবেন না। ডানপন্থী এবং বামপন্থী , নারীবাদী সবাই ক বলছি দয়া করে এই জায়গা তে একটু বুদ্ধি বিবেচনা করে কাজ করবেন। কারণ মনে করবেন, সিনেমা আমদের মনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। আপাদের জন্য নরেন্দ্র মোদী [ বিবেক ওবেরয় অভিনীত সিনেমা ] , এবং ফোর মোর শর্টস প্লিজ [ আমাজন প্রাইম এর ওয়েব সিরিজ ] এর মতো জঘন্য , নোংরা , জিনিস বাজার এ চলছে। দয়া করে নতুন জেনারেশন এর কথাটা ভাবুন। এরকম দয়া করে মগজ ধোলাই করবেন না।
আরও পড়ুন
লোনার - Saswati Basu
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 162.158.50.247 | ০৫ মে ২০২০ ১০:৩০731148
  • ফিলিম রিভিউ আর রাজনৈতিক সমালোচনা তো অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত মশাই! চ্যপলিনের ফিল্মের রিভিউ রাজনীতি না এনে হয় নাকি! তবে কোন রাজনীতিকে কে কিভাবে প্রোপাগান্ডা বলবে এটা তার নিজের ব্যপার।

    ডিঃ আপনার লেখায় যে সব মুভি আর অভিনেতাদের নাম আছে আমি সেগুলো বা তাঁদের সিনেমা দেখিনি, এটা ইন জেনারাল বললাম।
  • ক.কৈ.বা. নিপাত যাক | 185.220.101.28 | ০৬ মে ২০২০ ০৮:৫১731191
  • চালচিত্র ছাড়া চলচিত্র হয় এটি একটি  পেটি বুর্জোয়া প্রতিক্রিয়াশীল ক.কৈ.বা. অবস্থান।

  • | ০৬ মে ২০২০ ২২:০৪731256
  • এহ এক্কেরে র‍্যাঙ্ক বাজে লেখা। 

    কবির সিঙ সিনেমাটায় ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স গ্লোরিফাই করেছিল। পরিচালকটা আবার সেটা বারফট্টাই মেরে বলেওছিল। নারীবাদিরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেশ করেছেন। 

    আর ওই রাজনীতি সরিয়ে রাখা গাধাটে সারল্য লইয়া আমরা কী করিব অ্যাঁ?

  • সমালোচক | 162.158.158.142 | ০৭ মে ২০২০ ২০:০৭731282
  • "Extraction" (নেটফ্লিক্স) রিভিউঃ

    "Extraction" একটি অসামান্য ফিল্ম। দুর্দান্ত গল্প। শুধু গল্পের গোরু গাছে ওঠার বদলে ঢাকার বাড়িঘরে, ঝোপেঝাড়ে, আঁদাড়েপাঁদাড়ে ঢুকে ঘুপঘাপ গুলি চালাচ্ছে! এই সিনেমার নায়ক ক্রিস হেমসওয়ার্থ। এই সিনেমার নায়ক উনি না হয়ে সলমন খান হলে লোকে গুছিয়ে খিস্তি করত এবং তারকোভস্কি-সেকিরেবলিস্কি-পোঁদেপুরেদিন দেখা আঁতেলরা এই ছবি কতটা খারাপ, কতটা নির্লজ্জ পুরুষতান্ত্রিক ইত্যাদি নিয়ে তিন চার পাতা নামিয়ে দিত। কিন্তু একে হলিউড সুপারস্টার, তারপর সাহেব হয়ে তিনি বাংলায় একবার "প্রামান ডাও" বলেছেন। বাঙালি এই শুনে লুঙ্গি তুলে ক্রিসদার প্রেমে পাগল হয়ে গেছে। আমিও পুরো সিনেমাটা দেখলাম, ক্রিসদা আর কী কী বাংলা ডায়লগ দেন৷ কিন্তু আর একটিও বাংলা বলেননি। বাঙালি অল্পেই খুশি। তারা সাহেবের মুখে প্রামান ডাও-তেই ডগোমগো হয়ে গেছে। কলোনিয়াল হ্যাংওভার আর কাকে বলে।

    এই সিনেমায় ক্রিস হেমসওয়ার্থ ঠিক কীসের রোল করেছেন বোঝা যাচ্ছে না। কারণ শুরু থেকে শেষ অবধি তিনি শুধু একটিই কাজ করেছেন। তা হল ধুমধড়াক্কা গুলি চালানো। তাঁর একার কাছে যে পরিমাণ অ্যামোনেশন ছিল, অত গুলিগোলা, স্মোকবোমা, হ্যান্ড-গ্রেনেড বিএসএফের একটা ব্যাটেলিয়নের স্টকে আছে কিনা সন্দেহ। তিনি একাই দুই ঘন্টার সিনেমায় যতজন বাংলাদেশ এলিট গার্ডের কমান্ডোকে মারলেন, ১৯৭১ সাল থেকে Extraction তৈরির আগে অবধি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত কমান্ডো শহীদ হননি। মাঝে একবার ক্রিস হেমসওয়ার্থ রণদীপ হুডার সঙ্গে ছুরি নিয়ে ঢাকার রাস্তায় ফ্রাইডে নাইট স্ম্যাকডাউন লড়ছিলেন। একটা গাড়ি এসে ধাক্কা মেরে ছিটকে ফেলে দিল। দুই মিনিটের মধ্যেই দেখি ক্রিসভাই লরি নিয়ে হাজির, কাউন্টার অ্যাটাক করতে। ঢাকা খুবই ডেঞ্জার জায়গা। ঢাকার এক ডন একটি বাচ্চাকে কিডন্যাপ করেছে। হেব্বি খচ্চর মাল। বাচ্চাকাচ্চাকে কেলিয়ে দেয়। এদিকে তার কথায় পুলিশ ওঠে বসে। পুলিশ শুধু নয়, প্যারামিলিটারিও। পুরো ঢাকা শহর লকডাউনে চলে যায়। ছবির স্ক্রিপ্ট লিখেছেন মার্ভেলের অ্যাভেঞ্জার-খ্যাত রুসো ব্রাদার্স। ফিল্মিং-এর সময় ভাইরা জানতেন না, এইভাবে করোনাভাইরাস হুড়কো দেবে৷ ফলে লকডাউন করা এত সহজ না, এটা এখন আমরা জানি। বাচ্চাকে যেখানে বাংলাদেশ স্পেশ্যাল ফোর্সই উদ্ধার করতে পারত, সেখানে তারা আগাগোড়া মাফিয়া ডনের কথায় জান লড়িয়ে দিল। এদিকে ক্রিসভাই গুলিগোলা ছুঁড়ে, লরি চালিয়ে, হাইড্রেনে ঢুকে, মাঝে একটু বন্ধুর বাড়িতে মালফাল খেয়ে শেষে... যাক গে, সেটা বাদ থাক।

    ছবির নাম শুনলাম শুরুতে ছিল "ঢাকা", তারপর হয়েছিল "আউট অফ ফায়ার", শেষে নেটফ্লিক্স দেয় "এক্সট্র‍্যাকশন।" আমার ধারণা, এই ছবির কোনো বাংলাদেশী রিমেক হলে তার নাম রাখা উচিত "বুলেটের হিসাব দ্যান ভাই"! গোটা সিনেমা জুড়ে যত গুলি চলেছে, স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ বা গালফ যুদ্ধেও অত গুলি চলেনি। সব মিলিয়ে এক্সট্র‍্যাকশন তুমুল ফিল্ম। সারা সিনেমা জুড়ে শুধু হুল্লাট ক্যালাকেলি আছে। আর চোখের আরামের জন্য গোলশিফতেহ ফারাহানি আছেন। এছাড়া আছে ঢাকা শহর, ফিল্ম এডিটর কোনো এক অপার্থিব ফিল্টারের জন্য দিনের আলোর ঢাকাকে কীরকম ১২-১৩ কাউন্ট বিলিরুবিন জন্ডিস রুগীর মত হলুদ বানিয়ে দিয়েছে। ঢাকা এরকম কুকমির হলুদগুঁড়োর মত হলুদ, আমি জানতাম না। এর পিছনে কী কারণ আছে বা থাকতে পারে, তা অনেক ভেবেও বের করতে পারিনি। আপনারা দেখুন, যদি কিছু বের করতে পারেন। শুধু হাইপোথিসিস দিলে হবে না, আমি কিন্তু বলতেই পারি, "প্রামান ডাও!"
  • রিভিউ | 162.158.134.77 | ০৭ মে ২০২০ ২০:৪৭731283
  • এইত্তো, কোতায় চিলে ওস্তাদ, কোতায় চিলে!!
    এক্স্ট্র‌্যাক্শন দেকিসি। খুপ খ্রাপ। ঃ-(
  • ar | 162.158.62.108 | ১০ মে ২০২০ ০৩:৩৪731332
  • কোথায় থর আর কোথায় প্রেমনাথ!!!

    Thor, বজ্রের দেবতা, son of Odin, and the current king of Asgård, একাধারে Norse দেবতাদের রাজা তায় আবার Iron Man এর ডানহাত।

    প্রেম নাথ, কৈলাশ নাথের ভাইপো, নিশা চৌধুরীর প্রেমিক বৈ আর কিছু নয়। তাকে বড় জোর প্রেম চৌধুরী বলে চেনা যেতে পারে।

    ত, Extraction দেখবো না??!!!!!
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন