• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • গর্ডন রামসে

    সুকান্ত ঘোষ
    বিভাগ : টুকরো খাবার | ৩০ মার্চ ২০২০ | ৪৭৩ বার পঠিত
  • গর্ডন রামসের সাথে পরিচয় হয় সে প্রায় বছর আঠেরো আগে। তখন চ্যানেল ফোর-এ হত ‘কিচেন নাইটমেয়ার’, যত দূর মনে পড়ছে প্রতি মঙ্গল বার রাত নটায়। হাঁ করে গিলতাম, তখন তো আর ইউ টিউব বা নেটফ্লিক্স কিছুই আসে নি। সেই শুরু, গত দুই বছর বাদ দিলে তার আগে পর্যন্ত গর্ডন রামসের যত টি ভি প্রোগ্রাম ছিল, প্রায় সবই দেখে ফেলেছি – সেই ‘কিচেন নাইটমেয়ার’ দিয়ে শুরু, তারপর ‘হেল’স কিচেন’, আমেরিকার ‘মাষ্টারশেফ’ – সব দেখা হয়ে গ্যাছে এক এক করে।

    এমন নয় যে রামসে-ই পৃথিবীর সব থেকে ভালো শেফ, সেই নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। কিন্তু গর্ডন সবচেয়ে বিখ্যাত, সেই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। মিচলিন স্টারের দিক থেকে দেখতে গেলে গর্ডন তৃতীয় স্থানে, ১৬টা স্টার নিয়ে। সেই যখন প্রথম প্রথম দেখতাম গর্ডন-কে, তখন তার প্রতিপক্ষ মিডিয়া খাড়া করেছিল জিমি অলিভার-কে। আর আজ অলিভার প্রায় দেউলিয়া ঘোষিত হয়েছে। এই তো সেই দিন সিঙ্গাপুরে জিমি অলিভারের ইতালিয়ান রেষ্টুরান্টে দেখে এলাম লাঞ্চ আওয়ারে কি বিশাল ছাড় দিচ্ছে – দুজন খেলে একজন ফ্রী বা এই জাতীয় কিছু। একজন বিখ্যাত শেফের রেষ্টুরান্টে যেটা ভাবাই যায় না!

    একদিন প্রোগ্রামে এক প্রতিযোগীর রান্না করা ডিস চেখে দেখছে গর্ডন – চাখার পর বক্তব্য নিক্ষিপ্ত হল, “ইউ ইউজড সো মাচ ওয়েল, দি ইউ এস ওয়ান্ট টু ইনভেড দি ফাকিং প্লেট!” এর পর আর ভালো না বেসে থাকা যায়! তার পর একে একে অবিষ্মরণীয় সব উক্তি শুনলামঃ

    “ইউ গাইজ কুক লাইক ওল্ড পিউপিল ফাক”

    “দেয়ার ইজ এনাফ গার্লিক ইন হিয়ার টু কিল এভরি ভ্যাম্পায়ার ইন ইউরোপ”

    বেফালতু পিৎজা বানালে গর্ডন যে কথাগুলো বলত, আমার তা বলতে ইচ্ছা করে ভারতে বেশীর ভাগ রেষ্টুরান্টে পিৎজা খেয়েঃ

    “দিস পিৎজা ইজ সো ডিসগাষ্টিং, ইফ ইউ টেক ইট টু ইতালি, ইউ উইল গেট অ্যারেষ্টেড”

    আবার সেই কারি ফ্লেভার, ভারতীয় টুইষ্ট দেওয়া পিৎজা খেয়েও আমার গর্ডন-কে অনুকরণ করতে ইচ্ছা করেঃ

    “দিস ইজ নট এ পিৎজা, দিস ইজ এ মিসটেক। দিস ইজ অ্যান ইতালিয়ান ট্রাজেডি”

    এ সব শুনি আর বেশী করে ভালোবেসে ফেলি গর্ডন-কে। গর্ডন-কে আমার ভালো লাগার প্রথম কারণ ছিল – সে নিজেই একটা প্যাকেজ। শুধু রান্না করা বা উপস্থাপনা করা নয়, নিজের রসিকতা বোধ এবং তাৎক্ষণিক বিদ্রুপ জনিত কথা বার্তার মাধ্যমে টি ভি প্রোগ্রাম পরম উপভোগ্য করে তুলত।

    জীবনানন্দের যেমন ‘হিম’ শব্দ নিয়ে একটু দূর্বলতা ছিল, বারে বারে ঘুরে এসেছে তাঁর কবিতায়, তেমনি গর্ডনের নানা জায়গার মন্তব্যে ঘুরে এসেছে আন্ডার-কুকড খাবার নিয়ে হতাশা। আন্ডারকুকড মাছ, মাংস ইত্যাদি নিয়ে বারে বারে সেই হতাশা ফুটে বেরিয়ে এসেছে তার ডায়লগেঃ

    “দি ল্যাম্ব ইজ সো আন্ডারকুকড, এ সুইডিশ ম্যান ক্যান স্টিল মেক লাভ টু ইট”

    “দি স্কুইড ইজ সো আন্ডারকুকড, আই ক্যান হিয়ার ইট টেলিং স্পঞ্জ-বব টু ফাক্‌ অফ্‌”

    “দি ল্যাম্ব ইজ সো আন্ডারকুকড, ইট’স ফলোয়িং মেরী টু স্কুল”

    একদিন রেগেমেগে গর্ডন ঘোড়ার বাঁড়া-র উল্লেখ ও করে ফেলল! এর পর গর্ডন তো প্রায় ঘরের লোক হয়ে গেল! একটা রেষ্টুরান্টে মালকিন গর্ডন-কে বোঝাচ্ছে, “দি ফিস স্যান্ডুইচ ইজ আওয়ার বেষ্টসেলার, আওয়ার কাষ্টমার টেলস্‌ ইট টেষ্টস লাইক --”, এদিকে সেই স্যান্ডুইচ খেয়ে গর্ডনের ঝাঁট জ্বলেছে আগেই, তাই আর মালকিনকে বাক্য শেষ করতে না দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করে দিল – হর্সকক্‌?

    যাক গে, অনেক ফালতু কথা বকলাম – যে বইটা আজ আবার হাতে নিয়ে এত সব কথা, আমার গর্ডন প্রীতি চেগে উঠল সেটা হল, “গ্রেট এসকেপঃ ১০০ অব মাই ফেবারিট ইন্ডিয়ান ডিস”। গর্ডন ২০০৯-২০১০ সাল নাগাদ প্রথমবারের জন্য ভারতে এসেছিল খাবার সংক্রান্ত একটা ট্যুর করতে। সেই ট্যুরেরই ফলশ্রুতি এই বই – কিছু কিছু বই হাতে নিয়ে তার গঠন, পাতার কোয়ালিটি, উপস্থাপনা, ছবি সব মিলিয়ে অত্যন্ত ভালো লেগে যায় – এই বই আমার কাছে তেমন। গর্ডনের আরো অনেক বেষ্ট সেলার বই আছে – কিন্তু আমি এইটাই মাঝে মাঝে উল্টেপাল্টে দেখি।

    প্রায় ২৭০ পাতার বই, রেসিপি ভাগ করা আছে সাত ভাগে – স্টার্টার, মাছ, মাংস, নিরামিষ, চাট ও চাটনী, ভাত ও রুটি, এবং মিষ্টি ও পানীয়। সব মিলিয়ে অনবদ্য রেসিপি ৯৮টি ডিসের। কলকাতার বেশ কিছু ছবি খুঁজে পেলেও, খুব বেশী ‘বাঙালী’ খাবারের রেসিপি পেলাম না। মাছের বিভাগটা আবার খুঁজলাম, দেখলাম আর কোন বাঙ্গালী ডিস স্থান পেয়েছে কিনা। পেলাম না বাড়তি কিছু – সেই চিঙড়ির মালাইকারী ছাড়া। স্টার্টারে স্থান পেয়েছে কলকাতা থেকে রোল, আর মিষ্টিতে স্থান পেয়ে বাঙলা থেকে রসমালাই। এটা কি হল গুরু? গুলাব জামুন স্থান পেল, কুলফি পেল, আর রসগোল্লা/সন্দেশ বাদ? আমার মনে হয় গর্ডন-এর যে ভারতে সহকারী ছিল, যে দিল্লীর বা উত্তর ভারতের দিকের লোক। স্বাভাবতই দিল্লীর দিকের বেশী ডিসের নাম এসেছে – কুছ পরোয়া নেহী। ভালো খাবার হলেই হল।

    এই বই উলটে পালটে দেখলেই ভালো লাগে – আর যদি শনি-রবিবার করে রেসিপি দেখে পছন্দ মত দু-একটা নামিয়ে ফেলা যায়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা!











    “Gordon Ramsay’s Great Escape” Harper Collins Publishers, London 2010.
  • বিভাগ : টুকরো খাবার | ৩০ মার্চ ২০২০ | ৪৭৩ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • একলহমা | 162.158.186.107 | ৩০ মার্চ ২০২০ ২২:৪৫91892
  • :)
  • Ramit Chatterjee | 162.158.166.56 | ৩০ মার্চ ২০২০ ২৩:২০91893
  • গর্ডন র‍্যামসে কে রিয়েলি দারুন লাগে, আমি চ্যানেল 4 দেখিনি কিন্তু ফক্স ট্রাভেলার (এখন ফক্স লাইফ) এ ওর প্রচুর শো দেখেছি। হেলস কিচেন , কিচেন নাইটমেয়ার সত্যি দারুন করত। লোকটার নিজের কাজের প্রতি একটা প্যাশন আছে। আর রেস্টুরেন্ট গুলো যে ভাবে রিওপেন করত, দম আছে ভাই।
    তবে জিমি অলিভার কে কোনোদিনই তেমন পছন্দ হতো না আমার। তার থেকে ডেভিড রকো বেটার।

    অন এ সাইড নোট ফুড সাফারি অনুষ্ঠান টাও ব্যাপক হতো। মিভ এর প্রেজেন্টেশন সত্যি অনবদ্য লাগে।
  • S | 162.158.106.95 | ৩১ মার্চ ২০২০ ০০:২৬91894
  • গর্ডন র‌্যামসের গ্রেট এসকেপের তিনটে ভিডিও আছে ইউটিউবে। ইন্ডিয়ার বিভিন্ন কর্নারে গিয়ে রান্না করেছে আর খেয়েছে। তার প্রথমটা এইখানেঃ



    লোকটা ইণ্ডিয়াতে এসে একটা কথা বলেছিল যে ইভেন পুওর ইট লাইক কিঙ্গস।
  • সম্বিৎ | 172.68.142.46 | ৩১ মার্চ ২০২০ ০৯:২৭91899
  • দেখুন, আমি যেরকমই রাঁধি না কেন, ভাল রেসিপির বই দেখলেই চিনতে পারি। সেই সুবাদে বলছি, ওসব সেলিব্রিটি শেফ-টেফ ছাড়ুন। পুষ্পেশ পন্থের ভারতীয় রন্ধনপ্রণালীর লেটেস্ট এনসাইক্লোপিডিয়াটি কিনুন, ঠকবেন না। আমি নিজে কটা রান্না করে দেখেছি, আমার হাতেও উৎরে গেছে। কোন রেসিপি বইয়ের জন্যে এর থেকে বড় প্রশংসা আমি জানিনা।

  • সুকি | 162.158.167.139 | ৩১ মার্চ ২০২০ ১১:০২91902
  • একলহমা, রমিত, বড় এস, ন্যাড়াদা অনেক ধন্যবাদ।

    রমিত, জিমি ওলিভারকে আমার কোনদিনই ভালো লাগে নি - সবাইকেই ওর থেকে বেটার মনে হয় :)

    ব্ড় এসঃ লিঙ্ক দেবার জন্য ধন্যবাদ। এটা মনে হয় আমাজন প্রাইম/হটস্টার/নেটফ্লিক্স কোথাও একটা ছিল - দেখেছিলাম।

    ন্যাড়াদা,
    এই বইটা তা হলে কিনতে হবে। তবে আমি কিন্তু গর্ডন- এর শো রেসিপি এর জন্য দেখি না। আমি শিওর ওর থেকে আরো অনেক ভালো শেফ আছে। আমি এটা ফুল মস্তি টাইপ টাইম পাশ এবং রিয়েলিটি শো বলেই দেখি।
  • বিপ্লব রহমান | 172.69.135.51 | ৩১ মার্চ ২০২০ ১২:৫৯91906
  • গর্ডনের রান্নার চেয়ে অ্যাডভেঞ্চারগুলোই বেশী ভাল লাগে। সবচেয়ে বেশী ভাল লাগে তার আদিবাসী ও প্রাচীণ ঐহিত্য রীতিনীতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। আর আবশ্যিকভাবে রান্না তার কাছে শিল্পই। 

    এখনো ফক্স লাইভে সুযোগ পেলেই তার শো গুলো মুগ্ধ হয়ে দেখি। 

    উড়ুক। 

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত