• বস্টনে বংগে : সপ্তম পর্ব

    বর্ন ফ্রি লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্য যৌনতা | ৩১ মে ২০১৪ | ৫০৪ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • শুকনো পাতা ঝরার বেলায়

    ঝরে যাওয়ার আগে গাছের পাতায় এখন নানা রঙ। তরুনী সবুজ, কাঁচা হলুদ, আগুনে কমলা, সিঁদুরে লাল, শুকিয়ে যাওয়া রক্তের মত কালচে মেরুন। শরত এখানে শেষ চুমুর দাগের মত বিষাদরঙীন। এরপর বড় দীর্ঘ রাত, এর পর বড় দীর্ঘ উষ্ণতার খোঁজ।

    তাই চারদিকে, বিজয়ার দিনের সিঁদুর খেলার মত, শেষবেলার আনন্দটুকু চেটেপুটে নেওয়ার কি নিরন্তর প্রয়াস। কখনও আপেল কুড়োনো, কখনো অক্টোবরফেস্ট, কখনও বা হ্যালোউইন। প্রতিদিন-ই কোথাও না কোথাও কিছু না কিছু লেগেই রয়েছে। আমাদের মসালা গ্রুপ থেকেও আমরা দু-বার ট্রেক-এ গেলাম, ছোট্ট সহজ ট্রেক। বস্টনের এত পাশেই যে এরকম একটি গ্রাম্য পরিবেশ আছে, জানা ছিল না। এর মধ্যে একটি ট্রেক করার সময় আমরা জঙ্গলের মধ্যে প্রায় হারিয়ে গেছিলাম। কোথায় ভয় পাব, তা না, আমরা সব হ্যা হ্যা হি হি করা শুরু করলাম, যাবতীয় ফ্যান্টাসি ঝাঁপি খুলে বেরিয়ে এল। এবার কি হবে- একজন সুদর্শন ফরেস্ট রেঞ্জার আমাদের উদ্ধার করতে আসবে এবং তারপর আর যা কিছু আমরা কল্পনা করেছিলাম এবং বলেছিলাম সেসব লিখলে সম্পাদক নির্মমভাবে সেন্সর করে দেবেন। দুর্ভাগ্যক্রমে সেসব কিছুই হল না, আমরা একটু বাদেই ফেরার রাস্তা খুঁজে পেয়ে গেলাম। 

    আরেকবার মসালা গ্রুপ থেকে গেলাম একটি গে বার-এ। তারা বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছিল তাদের ইন্ডিয়ান স্পেশাল নাইটের কথা। তাই পড়ে আমরা সব লাফাতে লাফাতে চলে গেলাম। যারা পুরোনো পাপী, তারা বলল যে ইন্ডিয়ান নাইট মানে সেদিন বলিউড মিউযিক আর নাচ থাকবে। কি আনন্দ। ও হরি, গিয়ে দেখা গেল, সেখানে ফ্রিতে হাতে মেহেন্দি লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর তার-ই নাম, ইন্ডিয়ান স্পেশাল। 

    গে বারের কথাই যখন উঠল, তখন আমার স্বর্গলোক দর্শনের অভিজ্ঞতাটা বলে নেওয়া যাক। স্বর্গলোক আমার দেখা দ্বিতীয় গে বার। এর আগে একবারই গে বারে গেছিলাম, সেটা টেক্সাসে। টেক্সাসে যে হোটেলে উঠেছিলাম, তার যোগ (ইয়োগা) প্রশিক্ষক গলায় ঝোলানো নেমকার্ডে ইন্ডিয়া দেখে আমার সাথে এসে আলাপ করছিল। তারপর কথায় কথায় যখন রতনে রতন চিনলাম, তখন আর আমাকে পায় কে। সেই যোগ প্রশিক্ষক ছেলেটি আর তার গ্লাস পেন্টিং আর্টিস্ট বয়ফ্রেন্ড আমাকে প্রথম গে বারে নিয়ে যায়। এই  দুজনকে এই সুযোগে একটা ধন্যবাদ দিয়ে রাখি। তারা যেভাবে আমার মত একজন অচেনা অজানা মানুষকে অস্টিন ঘুরিয়ে দেখিয়েছিল, তা অভাবনীয়। বিদায় নেওয়ার সময় আমার হাতে উপহার গুঁজে দিতেও তাদের ভুল হয়নি। 

    এই স্বর্গলোক গে বার, এম আই টি-র ঠিক উল্টো ফুটপাথে। আমি ইন্টারনেট সার্চ করে যখন দেখলাম, আমি যেখানে কাজ করি সেখান থেকে দু পা হাঁটলেই এই বার, আমি তো আহ্লাদে আটখানা। কিন্তু, সমস্যা হল টাইমিং-এর। আসর জমে রাত দশটার পরে, আমি অফিস ছাড়ি আটটায়। বাড়ি গিয়ে আবার আসা যায় বটে, কিন্তু আমি স্বভাব কুঁড়ে। তাই বহুদিন যাচ্ছি, যাব করে চলেছিলাম, যাওয়া আর হয়ে উঠছিল না। একদিন ফ্রাস্টু খেয়ে রাত আটটাতেই ইদিক-উদিক তাকিয়ে ঢুকে পড়লাম। ঢুকে দেখি আমি একা, আর কেউ কোত্থাও নেই। একটা বিয়ার নিয়ে আধা ঘন্টা কাটিয়ে দুচ্ছাই বলে উঠে পড়লাম। 

    আমার ত্রাতা হয়ে আবির্ভুত হলেন স্বয়ং সিদ্ধিদাতা। মসালার বাইরে খুঁজে পেলাম গণেশকে। কিছুদিন আলাপ পরিচয়ের পর, গণেশ আমাদের বাড়িতেই উঠে এল। এতে আমার বেশ একটা সুবিধে হল। ছেলেটা ভাল রান্না করে আর আমাকে খাওয়ায়। আমিও মাঝে মাঝে ইন্টারনেট দেখে রান্না করি, আর গণেশকে দিয়ে ঘাড়ে ধরে সেগুলো শেষ করাই। আমার ওই দেবভোগ্য রান্না একমাত্র কার্তিক গনেশের মত দেবতারাই হাসিমুখে গলাধঃকরন করতে পারেন। এছাড়া, গণেশ আমাদের বাড়িতে চলে আসায় আরেকটা মজার ঘটনা ঘটল। আমাদের বাড়িতে আমরা সেক্সুয়াল মাইনরিটি থেকে সেক্সুয়াল মেজরিটি হয়ে গেলাম, পাঁচজনের মধ্যে দুজন গে আর একজন লেসবিয়ান। যদিও তাতে আমাদের গে ফ্রেন্ডলি বাড়িতে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হওয়ার ছিল না, হলও না।

    এই গণেশকে সঙ্গে নিয়েই একদিন আমি পৌঁছে গেলাম স্বর্গলোকে, এবার ঠিক সময়ে। মেহফিল তখন সবে জমে উঠেছে। স্বর্গলোক দ্বিতল বিশিষ্ট। উর্ধভাগে গন্ধর্ব-কিন্নরদের নাচ, ভূ-গর্ভস্থ কক্ষে সর্বসাধারণের জন্য নৃত্যাঙ্গন। দেখলাম সেই অনিন্দ্যসুন্দর স্বল্পবসন দিব্যপুরুষদের নাচ দেখার জন্য শুধু আমরা সমকামি পুরুষরাই নই, বহু নারীরাও ভিড় জমিয়েছেন। স্টেজের ওপর নাচের সঙ্গে সঙ্গে বহু ডলারের টিপ্‌সও হাওয়ায় উড়ে চলেছে। পরে অবশ্য দেখলাম, যা কিছু নোট উড়ে চলছে তার বেশির ভাগটাই এক ডলারের নোট। 

    রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ আরো উদ্দাম হতে লাগলো। আমাদেরও তখন অল্প অল্প নেশা হওয়া শুরু হয়েছে। স্টেজ থেকে নেমে এসে একজন দিব্যপুরুষ আমাদের সঙ্গে এসে বসলেন। সাধারনতঃ এই সময়, আধো আলোছায়াতে, একটুকু ছোঁওয়াছুঁয়ির ফাল্গুনি শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু আমার কপাল খারাপ। গণেশ আই আই টি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং করে এসে এম আই টিতে সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র। বামপন্থী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী। অতএব ও গে বার ডান্সারদের সমাজতাত্তিক ইতিবৃত্ত জানতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কিউটি (দিব্যপুরুষের এই নামই আমি দিয়েছিলাম) খানিকবাদে বিরক্ত হয়ে অন্য টেবিলে উঠে চলে গেল। গণেশ অবশ্য তার আগে ওর হাতে বেশ একটা ভালো টিপস দিয়ে দিল। 

    ওর এই টিপ্‌সের সুফল অবশ্য পরে পাওয়া গেল। তারপর থেকে আমি হাতে সময় থাকলে অফিসের পর প্রায়ই স্বর্গলোকে চলে যেতাম। একটু তাড়াতাড়িই হত, মেহফিল তখনো শুরু হত না। কিউটি আমাকে চিনে গেছিল তাই এসে আমার সঙ্গে আড্ডা মারতে বসত। ধীরে ধীরে ওর অন্যান্য সহকর্মী-বন্ধুদের সাথেও আলাপ হয়ে গেল। তাদের মধ্যে সব থেকে ভাল বন্ধুত্ব হয়েছিল স্মার্টির সঙ্গে (নামকরণ আমার)। স্মার্টি দিনে নার্সিং পড়তে যায় আর উইক-এন্ডে এই বারে নাচ করে। 

    স্মার্টির মধ্যে একটা অদ্ভুত মিষ্টি লাজুক ব্যাপার আছে। কিউটি এবং অন্যরা যেখানে সাধারনভাবে বেশ লাউড, সেখানে স্মার্টির ওই চুপচাপ ভাবটাই ওকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেয়। ও একটা মোটা ফ্রেমের কালো চশমা পরে, যেটা ও স্টেজে নাচার সময়ও খোলে না।  আমার মনে হয়, ওই চশমাটাই যেন ওকে আরো দূরবর্তী, আরো ধরা ছোঁওয়ার বাইরে করে রাখে। বুঝতে পারি, আজকাল স্বর্গলোকে স্মার্টির সাথে গপ্পো করার জন্যই যাই। মেহফিল শুরু হলে উঠে চলে আসি। ওদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যাওয়ার পর, কেন জানি না, ওদের চারপাশে ওই টাকা ওড়াটা দেখতে ভালো লাগে না। তবে একটা কথা বলে রাখা ভালো, ওদের মধ্যে গে বারে নাচ করা নিয়ে কোনও লজ্জা বা সংকোচ দেখতে পাই নি। জানি না, সেই  নিঃসংকোচ ব্যবহার ওদের পেশাদারিত্বের অঙ্গ কি না। তবে এই অন্যরকম বন্ধুত্ব, আমার খোলস মোড়া মধ্যবিত্ত জীবনে একটা বিশেষ পাওয়া। 

    আগেই বলেছি, এই পাতা ঝরার সময় আসলে রঙ বদলের সময়। আমার সঙ্গে সেহজাদের সম্পর্কটা আমি যেরকম ভেবেছিলাম সে রকম এগোল না। সেহজাদ জানাল, ও করাচিতে একজনকে ভালবাসে। আমার হাতে থাকল, একটা সুন্দর সন্ধ্যা, আধো আলো বারান্দা, ওয়াইনের গ্লাস, সুগন্ধী হুঁকো, পাকিস্তানি গজল আর ঠোঁঠের কোণে রেখে যাওয়া শেষ চুমুর দাগ, শরতের ঝরা পাতার মতই বিষণ্ণ-রঙীন। এরপর বরফ বিছনো শীতকাল। 

    সিঁড়িওয়ালা

    আমার একজন সিঁড়িওয়ালা আছে। সে সারাদিন বসে বসে গল্প বলে আর সিঁড়ি বানায়। কখনো কখনো আমি বুঝতে পারি না, ও সিঁড়িওয়ালা না গল্পওয়ালা। তবু আশা রাখি, হয়ত ওর বানানো সিঁড়ি দিয়েই একদিন এক পা দু পা করে পৌঁছে যাব মনমহলের জানলায়। প্রথম প্রথম ও খালি গল্পই করত। তারপর দেখলাম, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে ও ছোট্ট ছোট্ট তিনটে ধাপ বানিয়ে ফেলেছে। একবার দুবার কিছু লোক হইচই করেছিল বটে, কেউ বলেছিল বড় সিঁড়ি বানাও, কেউ বলেছিল, এখানে সিঁড়িটা মানাচ্ছে না, আমার সিঁড়িওয়ালা পাত্তা দেয় নি। ওর খুব সাহস। ও একটা করে ধাপ বানায়, আর ওই উঁচু বন্ধ জানলাটা আমার আরেকটু করে কাছে চলে আসে। আমি দিন গুনি।

    একদিন সকালে উঠে দেখি, আমার সিঁড়িওয়ালা তার শেষ না হওয়া সিঁড়ি ফেলে রেখে কোথায় চলে গেছে। আমি কত ডাকলাম, কত খুঁজলাম, কিন্তু ওকে কোথাও খুঁজে পেলাম না। তারপর ফিরে এসে দেখি, তিন নম্বর ধাপটার ওপর ইঁট চাপা দেওয়া একটা কাগজ। তাতে লেখা, “বোকা ছেলে, একজনের সিঁড়ি কি অন্য কেউ বানিয়ে দেয়, না বানিয়ে দিতে পারে? নিজের সিঁড়ি নিজেকেই বানিয়ে নিতে হয়”। 

    ঠিক বলেছ, তোমার কাছে বড় বেশি অন্যায় আবদার করে ফেলেছিলাম। 

    ভালো থেকো সিঁড়িওয়ালা, ভালো থেকো ঋতুপর্ণ।

  • বিভাগ : অন্য যৌনতা | ৩১ মে ২০১৪ | ৫০৪ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | 52.104.26.22 (*) | ৩১ মে ২০১৪ ০১:০৬87896
  • খুব ভাল লাগছে।
  • Pramit | 113.21.126.60 (*) | ৩১ মে ২০১৪ ০২:২৩87897
  • খুব ভালো লাগলো। বিশেষ করে শেষটা। অসাধারণ শ্রদ্ধার্ঘ্য ঋতুপর্ণ-র প্রতি। অনেক লেখা-ই পড়্লাম কাল থেকে। সবই সেই এক-ই কথার চর্বিতচর্বণ। এই রকম চিন্তাশীল অভিব্যক্তি কোথাও দেখ্লাম না। দেখতে পাওয়ার আশাও রাখি না।
  • Pathak | 34.98.197.245 (*) | ৩১ মে ২০১৪ ০৬:০৭87898
  • লেখা নিয়মিত পড়ি ও ভালো লাগে (বিশদে লিখতে হবে একসময়)। আপনার সাথে যোগযোগ করার ই্চ্ছে ছিলো, সেটা কীভাবে করা যায়? কোনো মেইল-আইডি এখানে দিতে পারেন?
  • dd | 132.172.75.154 (*) | ৩১ মে ২০১৪ ১১:০২87895
  • ফাস ক্লাস লাগলো। প্রতিটি পর্বই য্যামন ভাল্লাগে।

    আরো হোক।
  • kk | 117.3.196.87 (*) | ০১ জুন ২০১৪ ০১:১৩87900
  • খুব ভালো লাগলো।
  • aranya | 78.38.243.218 (*) | ০১ জুন ২০১৪ ০৫:২৫87901
  • দারুণ। আর শেষে ঋতু-কে নিয়ে যে লাইনগুলো - জবাব নেই
  • Soumyadeep Bandyopadhyay | 127.194.27.14 (*) | ০১ জুন ২০১৪ ১০:৩৫87902
  • বাহবা।।।।।
  • born free | 52.104.1.180 (*) | ০১ জুন ২০১৪ ১২:৫৭87899
  • লিখে ফেলে রাখা বহুদিনের বদভ্যাস । তাই আপনাদের এই প্যাচপ্যাচে গরমে শরত, হেমন্তর কথা পড়তে হচ্ছে। তার জন্য দুখিত।
    যোগাযোগ কি ভাবে করা যায় সেটা সম্পাদকের সাথে কথা বলে জানাচ্ছি।
    সব্বাইকে থ্যান্কু ।
  • abantika | 126.202.212.41 (*) | ০২ জুন ২০১৪ ০৯:৩২87903
  • আমার বড় অল্পেতে কান্না পায় । আজও পেলো । সত্যিই তো ভেবেছিলাম ঋতুপর্ণ একটা সিঁড়ি বানাচ্ছে । এই সিঁড়িপথটা একমুখী l কেবল ওঠা যায় । আর উঠে পরলেই মস্ত খোলা ছাদ । ওখানে পৌঁছলে আমাদের সবার দুটো ডানা হয়ে যাবে । আমরা উড়তে পারবো ইচ্ছেমতো, ইচ্ছে হলে কার্নিশে বসতে । ছাদটা কিন্তু এখনও আছে, তাই না ? আর ছড়িয়ে ছিটিয়ে এইসব লেখকের মতো চেনা অচেনা সিঁড়িওলারা
  • nina | 78.37.233.36 (*) | ০২ জুন ২০১৪ ০৯:৩৮87904
  • খুব ভাল লাগল----একসঙ্গে দুতিনবার করে পড়লাম----সুন্দর।
  • de | 190.149.51.69 (*) | ০৩ জুন ২০১৪ ১১:৫৯87905
  • সিঁড়িওয়ালা ঋতুপর্ণের জন্য বড়ো দুঃখ হলো - আবারো -

    লেখা অসাধারণ হচ্ছে, যেমন হয়ে থাকে!
  • Biplob Rahman | 212.164.212.20 (*) | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৫২87906
  • খুব ভালো, চলুক!
  • pi | 57.29.225.206 (*) | ৩১ আগস্ট ২০১৭ ০৪:১৮87907
  • আজ সিঁড়িওয়ালার জন্মদিন।
  • জারিফা | 127.194.201.190 (*) | ৩১ আগস্ট ২০১৭ ১১:২৯87908
  • ভারী ভালো লাগল।
  • pi | 57.29.161.147 (*) | ৩০ মে ২০১৮ ০৬:৪২87909
  • এটাও তুললাম। সিঁড়িয়ালার মৃত্যুদিন আজ।
  • তিতলি | 109.253.58.62 (*) | ৩১ মে ২০১৮ ০৯:২৬87910
  • পুরো লেখাটি কি অনলাইন এ পাওয়া যাবে?
  • নাহার তৃণা | 236712.158.5678.21 (*) | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ০৯:১০87911
  • ভারী সুন্দর লেখা। ভারী মন কেমন করে দেয়া লেখা।
  • Prithwish Basu | 2409:4060:190:ba2:6dd6:615a:f53e:a44 | ৩১ মে ২০২০ ১৯:২৪93854
  • Advut sundar laglo Siriwala lekha ta
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত