• বুলবুলভাজা  অন্য যৌনতা

  • বস্টনে বংগে : পঞ্চম পর্ব

    বর্ন ফ্রি লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্য যৌনতা | ২৬ জুলাই ২০১৩ | ১২৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ঘরে বাইরে

    আদিপর্বেই বলেছি, বস্টনে আসার এক মাসের মধ্যে কিভাবে আমি ড্যাডাং ড্যাং করতে করতে বস্টন প্রাইড মার্চে পা মিলিয়েছিলাম। সেটা বলা যেতে পারে এদেশে আমার "কামিং আউট" পর্বের সূচনা। তারপর হুগলি আর চার্লস দিয়ে এই ক’মাসে অনেক জল বয়ে গেছে। আমিও একটু একটু করে আমার চারপাশের লোকজনকে আমার সেক্সুয়ালিটির ব্যাপারে হদিশ দিতে শুরু করেছি। এখানে, অন্ততঃপক্ষে বস্টনে, “কামিং আউট” খুব একটা কোনো বিশাল ব্যাপার নয়। প্রায়শই রাস্তাঘাটে সমপ্রেমী যুগল দেখতে পাওয়া যায়। যদিও আগেই বলেছি, তার মানে এই নয় যে এই রকম সমর্থন সর্বত্র সুলভ। বরং অনেক জায়গাতেই সমপ্রেম-বিরোধিতা বেশ প্রবল। সে যাই হোক, মোদ্দা কথা হল, আমার উর্ধ্বতন সপ্তপুরুষের সৌভাগ্যক্রমে বস্টনে কলার তুলে গে-বাজি করা যায়, এবং তাতে কোনো বৃহত মাথায় ক্ষুদ্র ব্যথা উৎপন্ন হয় না। এই পর্ব আমার সেই ধারাবাহিক কামিং আউটের তিন খণ্ডে সমাপ্য কন্সাইজড দাস্তান।

    ১। হ্যারি ও তার বন্ধুরা

    বস্টন গে প্রাইডে গিয়ে আলাপ হল হ্যারির সাথে। পেশায় ডাক্তার, আমারই বয়সি, বেশ খাতা পিতা চেহারা, সর্বদাই হাসিখুশি আর বেশ মিশুকে। আমি আবার অচেনা পরিবেশে গোমড়াথেরিয়াম। থ্যাঙ্কস টু হ্যারি, ওই নিজে থেকে এসে আলাপ করে নিল। গপ্পগুজব করে, প্রাইড-টাইড শেষ করে একই ট্রেনে বাড়ি ফেরার সময় হ্যারি জিজ্ঞাসা করল যে আমি সন্ধ্যেবেলায় ফ্রি আছি কি না। ওয়াও, নির্ঘাত ডেটে নিয়ে যাবে, আমার তো মনের মধ্যে গঙ্গাফড়িং। নাহ, সেসব কিছু নয়, সন্ধ্যেবেলা ওর এক বান্ধবীর জন্মদিনের পার্টি, আমি যদি চাই তো আসতে পারি। কাজ তো কিছু নেই, আর আগেই বলেছি মিশ্র কালচার চেটে দেখার শখ, আমি এক পায়ে খাড়া। সন্ধ্যেবেলা সাজুগুজু করে পৌঁছে গেলাম পূর্বনির্দিষ্ট জায়গায়। সেখান থেকে হ্যারি এসে আমাকে নিয়ে গেল ওর বান্ধবীর বাড়ি।  এরকম দুম করে রবাহুত হয়ে কারোর পার্টিতে চলে যেতে একটু কিন্তু কিন্তু লাগছিল, গিয়ে দেখলাম, আড্ডা জমতে দেরি লাগল না। বান্ধবীটি পূর্ব ইওরোপিয়ান, তার বয়ফ্রেন্ড ভারতীয়। ঠাকুর আসনে জেসাস এবং গণেশ, শান্তিপুর্বক সহাবস্থিত। খোঁজ নিয়ে জানলাম, গনেশটি মা জননীরই কেনা। বয়ফ্রেন্ডটির সাথে পরিচয় হওয়ার আগে গণেশঠাকুরের স্থান ছিল শোকেসে, ইন্টারেস্টিং শো-পীস হিসেবে, পরিবর্তনের জমানায় তাঁর পদোন্নতি হয়েছে।
    সম্ভবতঃ ওনার পূর্ব ইতিহাস জেনে ফেলায় গণেশঠাকুর একটু অস্বস্তিতে পড়ে থাকবেন। তাই, দু মিনিটের মধ্যেই আমাকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য তিনি মঞ্চে নিয়ে এলেন আমারই ল্যাবমেট জিমকে, সস্ত্রীক। জানলাম, জিমের স্ত্রী, বার্থডে গার্লের সহকর্মী ও বন্ধু। জিম তো আমাকে দেখে অবাক। কী ব্যাপার, আমি এখানে? ছোট্ট করে জানালাম যে আমি হ্যারির সাথে এসেছি। লাভ হল না, কেননা দেখা গেল যে এরা হ্যারিকেও আগে থেকেই চেনে। অতএব কোশ্চেন নাম্বার টু, আমি কী করে হ্যারিকে চিনলাম। ঝটপট মনে মনে একটা গপ্প বানিয়ে ফেললাম। কিন্তু মারে হ্যারি, রাখে কে? আমি কিছু বলার আগেই তিনি ঘোষণা করে দিলেন যে আমাদের আজই আলাপ, গে প্রাইড মার্চে। আমি বস্টনে কাউকে বিশেষ চিনি না তাই হ্যারি আমাকে নিয়ে এসেছে ওর গে বন্ধুদের সাথে আলাপ করিয়ে দেওয়ার জন্য। আর কিছু বলার দরকার ছিল না। জিম যা বোঝার বুঝে নিল, আমারও মিথ্যে বলার পাপ কমল আর গণেশ ঠাকুর আড়াল হইতে সিটি মারিয়া উঠিলেন।

    ২। বাড়ির লোকজন

    পরের কামিং আউট, বাড়ি, মানে বস্টনের বাড়ি। আগেই বলেছি, আমার বস্টনের বাড়ি সর্বধর্মসমন্বয়। আমরা বাড়িতে তিনজন ছেলে ও দুজন মেয়ে। তারমধ্যে মারিয়া আর ওর ফিয়াঁসে ড্যানের সাথে আমার শুরু থেকেই বেশ ভাল বন্ধুত্ব হয়ে গেছিল। এখানে আসার আগে আমাকে লোকজন বলেছিল যে আম্রিকায় যে যার মত থাকে, বেশি দোস্তি টোস্তি হয় না। কিন্তু এরা দুজন বেশ বন্ধুত্বপ্রবণ, বিশেষতঃ মারিয়া। গপ্প শুরু করলে আর থামতে চায় না, জীবনে জানার আগ্রহ প্রবল, মনে রাখার ক্ষমতা সেই তুলনায় সীমিত। ফলে, তাকে যদি একদিন বলি যে আমার কাজ ডায়াবেটিস নিয়ে, দুদিন পরেই ওর বন্ধুদের কাছে আমার পরিচয় দেয় ক্যান্সার স্পেসালিস্ট হিসেবে।  তাতে আমার কিছু যায় আসে না, দিনের শেষে বাড়ি ফিরে কারোর সাথে আড্ডা মারা যায়, সেটাই ইম্পর্ট্যান্ট। তার ওপর মাঝে শরীর খারাপ হওয়ায়, ওরাই আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল, আরেকদিন নিয়ে গেল কাছেই একটি বীচে। সব মিলিয়ে দিনগুলি মোর ভালোই কাটছিল।
    এরই মধ্যে আমার আলাপ হল সেহজাদের সঙ্গে। সেহজাদের বাড়ি পাকিস্তানের করাচিতে, দেখতে ঝকঝকে আর হাসিটি ভারি মিষ্টি। তো সেই সেহজাদ একদিন বিকেলে আমাকে ফোন করে বিয়ার খেতে ডাকল। বিয়ার, তাও আবার সেহজাদের সঙ্গে? আজু রজনি হাম ভাগে পোহায়ঁলু। আমার বুকের মধ্যে উথালপাথাল, পেটের মধ্যে গঙ্গাফড়িং। চটপট চুলে জেল, গায়ে ডিও লাগিয়ে আমি পাবে হাজির। এবং তার পরেই আবিষ্কার, আমার আই ডি কার্ড তো আমি বাড়িতেই ফেলে এসেছি। পাবের লোকজন খুবই নিয়মনিষ্ঠ, বয়স না দেখে তারা ভেতরে ঢুকতেই দেবে না। সেহজাদের সামনে নিজের বেখেয়ালিতে যখন বেশ বিব্রত বোধ করছি, তখন ওই বলল যে বাড়ি তো বেশি দূরে নয়, গিয়ে নিয়ে আসলেই হয়। আমার তো মেঘ না চাইতেই চেরাপুঞ্জি, প্রথমে বিয়ার এবার বাড়ি, কে জানে এরপর হয়ত...।
    কিন্তু বাড়ি ফিরতেই ধুক করে নিভে গেল বুকভরা আশা। দেখলাম বসার ঘরে মারিয়া বসে আছে, এবং আমার ঘর অব্দি পৌঁছনর আগেই ও সেহজাদকে কব্জা করে নিল আর তারপর তারপর শুরু হয়ে গেল ওদের গপ্প। আর সে কি গপ্প, থামতেই চায় না, ভারত-পাকিস্তান-শিয়া-সুন্নি-কীর্তন-ক্যান্সার কিছু আর বাকি রইল না। আমি যত উশখুশ করি, ওদের গপ্প ততই বেড়েই চলে। অবশেষে আমি তড়াক করে উঠে দাঁড়িয়ে পড়লাম। তখন তেনাদের হুঁশ ফিরল। মারিয়া জানতে চাইল আমরা কোথাও বেরোচ্ছি কি না। আমি মিষ্টি হেসে বললাম, তোমাদের কথা শেষ হলে আমরা বিয়ার খেতে যাব ভাবছিলাম। তাতে মারিয়া ভীষন লজ্জা-টজ্জা পেয়ে একগাদা সরি টরি বলে তারপর বলল, আমি তোমাদের সঙ্গে এলে কি তোমরা কিছু মনে করবে? ওহ, কে বলে, আমেরিকানরা মিশুকে হয় না? কপাল খারাপ থাকলে মিশুকের বাবা হয়। তবে দেখলাম, হয়ত ওদেশে অনেকদিন থাকার জন্যই হবে, সেহজাদ জানে কী করে এইসব পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। সেহজাদ ওর ভুবনমোহন হাসি হেসে বলল, তুমি এলে আমাদের খুব ভালই লাগত, তবে কি না আজকে তো আমরা দুজন ডেটে যাচ্ছি, প্রথমবার, তাই মে বি নেক্সট টাইম। সেই শুনে আমার কান টান সব লাল হয়ে গেল, মারিয়া আমার দিকে ভুরু তুলে তাকিয়ে একটা ফিচেল হাসি হাসল, আর সেহজাদ আমার দিকে তাকিয়ে নিষ্পাপ সরল মুখে জিজ্ঞেস করল, "ইনকো পাতা নেহি থা কেয়া?"
    মনে মনে ভাবলাম, আর পাতা দিয়ে কি হবে ভাই, তুমি তো পুরো খাতাই সামনে খুলে দিলে (সুধী পাঠক দোষ ধরবেন না, ওই মুহূর্তে ডেটকেও ভাই বলে মনে হয়)।
    তবে স্বীকার করব, সেহজাদ ওই দিন একটা ভাল কাজ করেছিল, বস্টনের বাকি দিনগুলো আমাকে আর লুকোছাপা করতে হয় নি, বরং মারিয়া আমাকে বেশ কিছু ভাল গে বারের হদিশ দিয়েছিল।

    ৩। ন্যাগিং বুদ্ধ।

    শেষ কাহিনি, আমার ল্যাব। সত্যি কথা বলতে কি, এটাই আমার বস্টনে প্রকৃত কামিং আউট। কেন না আগের দুটো ঘটনাকে কামিং আউট না বলে ক্যাচ আউট আর বোল্ড আউট বললে বোধ হয়, ঠিক বলা হয়। কিন্তু ল্যাবের কামিং আউটটা একেবারে স্টেজে দাঁড়িয়ে, মাইক হাতে নিয়ে ঘোষণা। আর তার সঙ্গে একটা মজার ঘটনা জড়িত, সেটা বুদ্ধদেবকে নিয়ে। বুদ্ধদেব আমার ল্যাবের বাঙালি সহকর্মী। আমার থেকে একটু বড়, বিবাহিত, একটি বেশ মিষ্টি দু বছরের ছোট্ট ছেলে রয়েছে। বুদ্ধদেব দেখলাম দারুণ মিশুকে, প্রথম দিনেই আমাকে বাড়ি নিয়ে চলে গেল, তারপর যা হয়, গপ্পো, আড্ডা, কফি। প্রথম দু-একদিন খারাপ লাগে নি, কিন্তু তারপর বুঝলাম, ওর জীবনের ফিলসফি হল, এই দুনিয়ার সব কিছুই খারাপ। কালোরা খারাপ, মুসলিমরা খারাপ, মিডল ইস্ট খারাপ, মেক্সিকানরা খারাপ, ডেমোক্র্যাট খারাপ, ইন্ডিয়া খারাপ তো বটেই, কলকাতা আরো খারাপ। কিছুদিনের মধ্যেই বুঝলাম, এর সাথে বেশিক্ষণ সময় কাটালে নির্ঘাত ডিপ্রেসড হয়ে যাব। অতএব, বুদ্ধং শরণং থেকে আমাকে পালাতে হবে। কিছুদিন অল্পবিস্তর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করলাম, তাতে দেখলাম ও ভারি দুঃখ পেয়ে গেল। কী করি, কী করি ভাবছি, টুরিং পথ দেখালেন।
    আমাদের ল্যাবে রিসার্চের বাইরে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে মাঝে মাঝে বলতে হত। আমি ঠিক করলাম, কিংবদন্তী বৈজ্ঞানিক এলান টুরিং-কে নিয়ে বলব। সেটা ছিল, টুরিং-এর জন্মশতবার্ষিকী-র মাস। টুরিংএর পরিচয় এ লেখার পরিসরে দেওয়ার দুঃসাহস করব না, তবে অনুরোধ করব, যদি তার সম্পর্কে না জানেন, তাহলে প্লিজ গুগল করে নিন, কিছুটা সময় খরচ হবে কিন্তু নষ্ট হবে না।

    যাই হোক, আমার টুরিং-কে নিয়ে বলা শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আমি টুক করে নিজের সেক্সুয়ালিটির কথাও জানিয়ে দিলাম (গুগল করুন, প্রসঙ্গ বুঝতে পারবেন)। দেখে বেশ ভালো লাগল যে তাতে কারোর কোন হেলদোল হল না। খালি একজন ছাড়া, ঠিক যেমনটা আমি আশা করেছিলাম। সে আর বাকি সাতমাসে আমার বিশেষ ধারেকাছে ঘেঁষল না। বুঝলাম, কালো, মেক্সিকান, মুসলিম, দেশি, মিডল-ইস্টের মতই হোমোরাও একই রকম পরিত্যাজ্য। গে হওয়াটা অবশেষে কাজে এল।
    স্মৃতি-তর্পণ। টুরিং।
  • বিভাগ : অন্য যৌনতা | ২৬ জুলাই ২০১৩ | ১২৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | 69.144.58.2 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০১:০১77724
  • চমৎকার !
  • kk | 78.47.250.76 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০১:৪৫77725
  • খুব ভালো লাগলো। আগের পর্বগুলোও ভালো লেগেছে, জানানো হয়নি। বর্ন ফ্রী, লিখতে থাকুন।
  • পেপে | 84.194.36.85 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০৫:০১77720
  • খুব ফ্রেশ লেখা
  • dd | 69.92.167.177 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০৫:৩৭77721
  • খুব হাসি খুসী ল্যাখা, যেটার জন্য ভালো লাগছে।
  • মৌ | 24.99.246.6 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০৭:২৭77722
  • এটা দারুন হয়ছে। এই পর্বটি আমার সব থেকে বেশী ভালো লেগেছে। :)
  • Ekak | 125.115.139.226 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৩ ০৭:৩৯77723
  • খুব সহজ ভঙ্গীতে লেখা । ভালো লাগে পড়তে । সব পর্বই পড়ছি ।আসতে আসতে আলাপ পেরিয়ে দানা বাঁধছে । চলতে থাকুক ।
  • | 24.97.171.218 (*) | ২৭ জুলাই ২০১৩ ০৩:০৬77726
  • ভারী আন্তরিক লেখা।
  • sosen | 218.107.178.181 (*) | ২৭ জুলাই ২০১৩ ০৪:০২77727
  • বেশ ভালো লাগলো! চলুক!
  • generic letter | 69.188.42.39 (*) | ২৮ জুলাই ২০১৩ ০৮:২৯77728
  • ভীষণ ভাল্লাগছে।
  • kd | 47.228.106.81 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৩ ১০:১৩77729
  • গ্রেএএএএট ! অ্যাদ্দিন বাদে একজন ফেলো বস্টনিয়ান গুরুতে ! আম্মো ৬৯ থেকে আছি ও'পাড়ায় (অ্যাটেলবোরো) ৷ এখন অবিস্যি রিটায়ার করে বেশীর ভাগ সময় কলকাতায় ৷ এনজয় দ্য সিটি অফ বেকড বীনস অ্যান্ড রেড সক্স :)
  • de | 190.149.51.67 (*) | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৮:৩১77730
  • কি ভালো লেখা! আরো চলুক!
  • বিপ্লব রহমান | 127.18.230.54 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৩ ০৫:২১77731
  • খুব ভালো হচ্ছে। প্রথম দিককার নোটগুলোর চেয়ে অনেক সাবলীল, ঝরঝরে। লেখায় পুরো দমে হাত এসে গেছে। আরো লিখুন।
  • san | 133.63.112.87 (*) | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩ ০১:১৯77733
  • লেখার স্টাইল আগের পর্বগুলোর মতই বেশ ভাল্লাগল।
  • notun | 34.98.197.245 (*) | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩ ০২:৩২77734
  • শেষ হয়ে গেলো নাকি? পরের পর্ব কই?
  • shampa | 125.114.8.251 (*) | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩ ১২:১০77732
  • খুব ভালো লাগলো।
  • Born Free | 24.99.145.123 (*) | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৪:৩২77736
  • সবাইকে থাঙ্কু। সরি, কমেন্টস-গুলো বহুদিন পরে দেখলাম। নতুন, পরের পরর্ব আসবে। একটু ল্যাদ খাচ্ছিলাম। ভাগিদার, লিংক-তার জন্য ধন্যবাদ। :)
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত