• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 120.227.234.178 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:০৫83141
  • এই লেফটিস্ট রাইটিস্ট ট্যাগগুলো না দিয়ে আলোচনা করলে হয় না? লেখক একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে লিখেছেন, সেটার নানান দিক নিয়ে আলোচনার অবশ্যই দরকার আছে। I guess for leftists scrutiny is immaterial, এরকম ব্ল্যান্কেট স্টেটমেন্ট না দিয়েও সেই আলোচনা চালানো যায়।
  • de | 24.139.119.173 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪১83142
  • আলোচনাটা চলুক, ট্যাগ না লাগিয়ে দিয়ে - প্রতিভাদি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক তুলে এনেছেন -

    আমার আবার সবকিছুই এসবিআইতে। মূলতঃ ল্যাদখোর বলে, আর আপিসের মধ্যেই এসবিআই থাকায়, অন্য ব্যাংকে আর যাইই না -

    রিলায়েন্স সম্বন্ধে আমারও অতীব অশ্রদ্ধা - কিন্তু এই পার্টিকুলার কেসে, রিলায়েন্স এসবিআইকে টেক-ওভার করবে বলে আদৌ মনে হচ্ছে না। তবে এই পার্টনার্শিপে রিলায়েন্সের লাভ থাকলেও এসবিআই কি পাবে সেটাও বুঝছি না!
  • dc | 120.227.234.178 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪৮83143
  • ওহ লেখিকা, তাহলে সরি চাইলাম। এসবিআইএর লাভ বোধায় রিলায়েন্সের টেলিকম নেটওয়ার্ক পাওয়া, অন্তত সেরকমই বলছেঃ Through the partnership, SBI is looking to leverage Reliance Jio’s telecom network to connect last-mile customers, especially in the country’s unbanked rural areas. In exchange, Reliance Jio will have access to SBI’s wide customer base across the country.

    As of April 1 this year, SBI had a total of 420 Mn customers. Reliance Jio, on the other hand, boasts a user base of around 129 Mn, as per a report by the Cellular Operators Association of India (COAI)

    দুজনেরই কাস্টমার বেস বড়ো, তাই মিউচুয়াল লাভ আছে বোধায়।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৫৪83144
  • নেটওয়ার্ক পেতে চাইলে বিএসএনেল কি দোষ করল ? রুরাল আনব্যাঙ্কড সেক্টরে জিওর নেটওয়ার্ক পেনিট্রেশন বেশি না বিএসএনেল ? আমার সীমিত অভিজ্ঞতা বিএসএনেল বলে। সারা দেশের তথ্য কী বলে জানতে আগ্রহী।
  • dc | 120.227.234.178 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৫৯83145
  • বিএসএনএল এর থেকে বোধায় জিও নেটওয়ার্ক লিভারেজ বেশী ভালো করতে পারবে। মানে বিএসএনএল কাস্টমার ডেটা মাইনিং খুব একটা ভালো করে বলে মনে হয়না। অবশ্য এটা আমার আন্দাজ।
  • de | 24.139.119.172 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:০৬83146
  • জিও কে তাহলে কাশ্মীর, লাদাখ, লাক্ষাদ্বীপ, আন্দা-নিকো এইসব জায়গায়, যেখানে এখন বিয়েসএনেল ছাড়া আর কিছুই চলে না, সেখানেও ঢুকতে দেবা হবে? স্ট্র্যাটেজিক কোন অসুবিধে নেই তাতে? আমাদেরই কলোনীতে যেমন এমটিএনেল ছাড়া কিছু ঢোকার নিয়ম নেই - সে অতি জঘন্য পরিষেবা হলেও -
  • dc | 120.227.234.178 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:১০83147
  • কোথায় ঢুকতে দেওয়া হবে, তার থেকেও বড়ো কথা হলো কাস্টমার বেস থেকে কতোটা প্রফিট করার পোটেনশিয়াল আছে। মানে আমি রিলায়েন্সের ইনভেস্টর হলে ওভাবেই ভাবতাম (ইনভেস্টর নয় অবশ্য)। এসবিআই এর যদি মনে হয় ওদের কাস্টমার বেস মনেটাইজ করার ভালো পোটেনশিয়াল আছে, তাহলে হয়তো শেয়ারহোল্ডারদের কাছে এই জেভি জাস্টিফাই করতে অসুবিধে হবেনা (বিশেষ করে যখন মাইনরিটি পার্টনার)।
  • পারমিতা | 57.15.133.186 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:২৬83148
  • একটা খবর শুনলাম বিএসএনএল এর টাওয়ার রক্ষনাবেক্ষন এর জন্য আম্বানিদের দায়িত্ব দিতে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কোন প্রমান নেই হাতে তাই জানতে চাইছি কেউ কিছু জানো। অনেক মানুষ বেকার হয়ে যাবে এই কারনে।
  • sm | 52.110.196.53 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৫83149
  • মোবাইল সাবস্ক্রাইবার এর হিসাব অনুযায়ী জিও ৪নম্বরে।
    ভোদা ও এয়ার টেল এর গ্রাহক সংখ্যা জিওর দ্বিগুণের ও বেশী। সুতরাং জিও কোন বিপ্লব আনেনি, বিপ্লবের কথা মতো।
    নেট ইউজারের সংখ্যা বেড়েছে কারণ প্রমোশনাল অফারে জিও ৬মাস প্রায় ফ্রি সার্ভিস দিয়ে ছিল।
    এখন সব সংস্থাই দাম কমিয়েছে। মোটামুটি ভাবে ২০০টাকায় নেট ও কল ফ্রি।
    বি এস এন এল অত্যন্ত বাজে সার্ভিস প্রোভাইডার। যেমন সরকারী সংস্থা হয় আর কি!নেট স্লো, কল ড্রপ এর সংখ্যা প্রচুর। নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছে যাতে প্রাইভেট কোম্পানি গুলো বাজার করতে পারে।
    সম্প্রতি একটা নিউজ পেপারে পড়লাম ভারতের ব্যাংক গুলোর ৯ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে মোবাইল কোম্পানি গুলোর ধার প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা!কি বিশাল ধার রে বাবা!
    এদের সি ই ও দের বেতন আবার ২০-৩০ কোটি হতে পারে।
    এখন এই ধার সরকার কোন শুভ লগ্নে মু কুব করে সেটার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছি।
  • pi | 57.29.250.131 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:১৬83150
  • দেবর্ষিদার মন্তব্যটা রইল

    নোটবন্দীর সিদ্ধান্তের সাথে এই ব্যবসাগুলোর যোগাযোগ আছে। আগে লিখেছিলুম। http://www.guruchandali.com/default/2017/01/09/1483928277999.html

    "ভারতে পেটিএম নামে ই-ওয়ালেট কম্পানি বেশ প্রচার করছে। পেটিএমের ভ্যালুয়েশন ১৮ মাসে পাঁচগুণ বেড়েছে। পেটিএমকে আর্থিক লগ্নি যোগাচ্ছে বৃহৎ চীনা কর্পোরেট সংস্থা আলিবাবা। 10 পেটিএম ছাড়াও কিন্তু বাজারে আরো খেলোয়াড় আছে। ৮ই নভেম্বরের পর দেখতে পাচ্ছি বৃহৎ ভারতীয় পুঁজি এই বাজারে পটাপট ঢুকে যাচ্ছে। ডিসেম্বরে মুকেশ আম্বানির রিয়ায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস খুলেছে জিও মানি মার্চেন্ট সলিউশন। কী করবে এই সংস্থা? খুচরো ব্যবসা, রেস্টরান্ট, পরিবহণ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্ট নিয়ে আসবে। আগামী দিনে ১ কোটি বিক্রেতাকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসার উচ্চাশা জিও মানির। 11 প্রসঙ্গত বস্টন গ্রুপও বলছে ২০২০ সালে ১ কোটি বিক্রেতা ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যবসা করবেন। এয়ারটেলও এয়ারটেল পেমেন্ট ব্যাঙ্ক খুলে ফেলেছে ইতিমধ্যে। উদ্দেশ্য ৩০ লাখ বিক্রেতার ‘ইকোসিস্টেম’ তৈরি করা যাঁরা ফোনে পাঠানো ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করবেন। এই বিক্রেতার মধ্যে মুদি দোকান, খুদে দোকানদারদেরও রাখছে এয়ারটেল। 12 সংক্ষেপে, ভারতের বৃহৎ পুঁজিপতিরা, যাদের মূল ব্যবসা হয়তো পেট্রোকেমিকাল বা টেলিকম, হুড়মুড়িয়ে খুচরো ব্যবসায়ের লগ্নি পুঁজিতে ঢুকছে।"
  • প্রতিভা | 213.163.239.169 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৩83151
  • কিমাশ্চর্যম অতঃপরম!!! মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে কোন আলোচনা নেই, ডান বাম অব্দি চলে এল !

    ১) স্টেটব্যাংকের এই বিপুল কর্মী নেট ওয়ার্ক রেলায়েন্সের হাতে তুলে দেওয়া সাপোর্ট করেন।?

    ২) মনে করেন কি যে রিলায়েন্স প্রকল্পগুলি বেচতে গিয়ে স্টেট ব্যাংকের নিজের ব্যবসা মার খেতে পারে ?

    ৩) কেন স্টেট ব্যাংকের কর্মীরা এই সংযুক্তির বিরুদ্ধে ?

    ৪) রিলায়েন্সের যা অতীত রেকর্ড যাতে ফেক শেয়ার বিক্রিও আছে, তাতে খাল কেটে কুমীর আনা হচ্ছে কি ?

    ৫) স্টেট ব্যাংকের এতে লাভ কি? মোবাইল পরিষেবা একটি ছল কিনা। মেঘালয়ে এর স্বরূপ নিজে দেখে এসেছি।

    এই মোদ্দা কথাগুলি নিয়ে ভাবা দরকার।এটা তুলে দেওয়ার প্রথম ধাপ কিনা সেটাও চিন্তায় রাখা দরকার। লিঙ্ক, জার্ণাল এবং স্টেটব্যাংকের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এই লেখাটা নেমেছে। ফলে দুমদাম কিছু পড়ে দুমদাম লেখা বললে সেইরকমই অসৌজন্য হয়, যেরকম হয় রিলায়েন্সের কেউ কিনা জিজ্ঞাসা করলে। দ্বিতীয়টার দায় স্বীকার করছি।
  • dc | 120.227.234.178 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:১৪83152
  • ১ নং প্রশ্নটা আবারও বুঝলাম না। স্টেট ব্যাংক একটা নতুন জেভিতে মাইনরিটি শেয়ারহোল্ডার হয়েছে। তাহলে কিভাবে স্টেটব্যাংকের বিপুল কর্মী নেট ওয়ার্ক রিলায়েন্সের হাতে তুলে দেওয়া হলো?

    ২ নং, আমার মনে হয় স্টেট ব্যাংকের কোর বিজনেস, মানে ব্যাংকিং, মার খাবে না। কারন লাভ বা ক্ষতি যাই হোক সেটা ঐ তৃতীয় এনটিটির হবে, তার এফেক্ট মনে হয়না প্রথম এন্টিটি স্টেট ব্যাংকের ওপর পড়বে।

    ৩ নং, এটা জানিনা। তবে কোন কোম্পানি কার সাথে জেভিতে যাবে বা কাকে অ্যাকুয়ার করবে সেগুলো বোধায় ম্যানেজমেন্ট ঠিক করে, কারন এগুলো লং টার্ম বিজনেস স্ট্র্যাটেজির পার্ট।

    ৪ নং, বোধায় না, কারন রিলায়েন্স কিছু জালি করলে বোধায় স্টেট ব্যাংক জেভিতে নিজের ইন্টারেস্ট বিক্রি করে বেরিয়ে আসবে (এটা আমার আন্দাজ)

    ৫, স্টেট ব্যাংকের লাভ কি হতে পারে সেটা নিয়ে একটা পোস্ট করেছি। আমার মনে হয় কাস্টমার মনেটাইজেশান করে স্টেট ব্যাংকের লাভ, মানে ওয়েব সাইট পড়ে যা মনে হলো।
  • sm | 52.110.196.53 (*) | ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:১৭83153
  • স্টেট ব্যাংক কে, প্রাইভেট কোম্পানি অথবা মালিকানায় তুলে দিতে সরকারের ২মিনিট টাইম লাগবেনা। ভবিষ্যতে তুলে দেবে ও। অলরেডি কথা হয়ে গেছে সরকার রস্টায়ত্ব ব্যাংক এর শেয়ার এর পরিমান কমিয়ে ৩৩ শতাংশ করবে। অর্থাৎ বাকি ৬৭ শতাংশ প্রোমোটার ও শেয়ার হোল্ডার এর হাতে থাকবে। একটা শুভলগ্নে শেয়ার প্রাইস কমিয়ে প্রাইভে ট কোম্পানি গুলোকে বিক্রী করে দিলেই হল। তারপর যে যার মতন গুছিয়ে নেবে।
    তবে এই মুহূর্তে সরকার বিনা পয়সায় দিলেও কেউ নেবে না।
    এ তো হাজার হাজার কর্মী সমেত বিপুল অনাদায়ী ঋণে ভারাক্রান্ত এই সাদা হস্তী কেউ পালন করবে না।
    করতে আর ও কয়েক বছর লাগবে।
    প্রথমে সরকার কে দিয়ে ঋণ মুকুব হবে, কর্মী দের , দে দনাদন ছাঁটাই হবে, তারপর নারকোল ফাটিয়ে অধিগ্রহণ হবে।
  • প্রতিভা | 213.163.235.242 (*) | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:০৯83154
  • এক নম্বর প্রশ্নের পেছনের তথ্যটা এইরকম -- দেড়লক্ষ বিজনেস করেস্পন্ডেন্ট নিয়োগ করেছে এস বি আই। এদেরকেই এখন রিলায়েন্সের জন্য কাজ করতে হবে। এরা গ্রামীণ ক্ষেত্রে বিজনেস করেস্পন্ডেন্ট। তার মানে একটি নয়া পয়সা খরচ না করেই বিজনেস করেস্পন্ডেন্টেদের একটা বিশাল নেটওয়ার্ককে রিলায়েন্স কাজে লাগাচ্ছে পেমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য।
    ব্যাংক কর্মচারী নেতৃত্ব বলছে, '...no need to go in for this deal, especially in view of the fact that sbi is grappling with the post merger scenerio.sbiis grappling with manpower problems since absorbing its five subsidiaries in la

    রেলায়েন্সের টেকনোলজির ব্যাপারটাও ধোপে টেঁকে না। কারণ এস বি আই এর সাক্সেস্ফুল স্মার্ট টেকনোলজি ইনিশিয়েটিভ আছে -- sbi buddy, sbi mobi cash, sbi anywhere. অগুন্তি এ টি এম ছাড়াও।
  • sm | 52.110.222.179 (*) | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:৫৩83155
  • স্টেট ব্যাংক আদ্যন্ত ফালতু ব্যাংক। পরিষেবা ভয়নক খারাপ। অধিকাংশ সময় কাউন্টারে লম্বা লাইন।
    নতুন নিয়ম করেছে পার্সোনালি গেলেও এ টি এম কার্ড ছাড়া টাকা জমা নেবেনা। অর্থাৎ নিজের টাকা নিজের একাউন্ট জমা করতে কার্ড লাগবে। এদিকে ৩ বারের বেশি কার্ড ইউজ হলে পয়সা চার্জ করবে।
    বিভিন্ন ছুতো নতায় গ্রাহকের পয়সা কাটছে।
    এই অকর্মণ্য ব্যাংকই লক্ষ কোটি টাকা ধার দিয়েছে শিল্প পতিদের। যা আজ অনাদায়ী ঋণ বলে ঘোষণা করতে হচ্ছে।
    রিজার্ভ ব্যাংক এর বেস রেট কমলেও এর ঋণের সুদ তেমন কমায় নি।
    এদিকে ডিপোজিটের সুদ প্রচুর কমিয়েছে।
    আজ পর্য্যন্ত জনগন জানতে পারেনি কত জন ম্যানেজার ও অফিসার কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ও শাস্তি দেওয়া হয়েছে, এই অনাদায়ী ঋণের জন্য।
    এই ব্যাংককে প্রাইভেট ব্যাংক করলে বিশেষ কিছুই এসে যাবেনা।
  • sm | 52.110.204.67 (*) | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:০৯83157
  • ভুল সংশোধন। স্টেট ব্যাংক সাধারণত প্রত্যন্ত গ্রামে সার্ভিস দেয় না। এদের ব্রাঞ্চসাধারণত একটু গঞ্জ এলাকায় থাকে। প্রত্যন্ত প্রান্তে সার্ভিস দেয় পোস্ট অফিস। হেল্থ পরিষেবা দে য় প্রাইমারি হেলথ সেন্টার। এল আই সির এজেন্ট রাও প্রত্যন্ত প্রান্তে কাজ করে।
    কিন্তু পরিহাস এটাই যে এল এই সি এজেন্ট বা ডাকঘরের এজেন্টরা একেবারেই কমিশন ভিত্তিক কর্মী। আর ব্যাংকের কর্মীরা অধিকাংশই পার্মানেন্ট!
    এরা কি এমন পরিষেবা দেয় !
    দুই,পেনশন প্রসঙ্গে আসি। আমাদের দেশের এক শতাংশ লোক পেনশন পায় না।
    যাঁরা পেনশন পায়, তাঁদের অধিকাংশের ই পেনশন আসে স্যালারি ব্যাংকে। অর্থাৎ কর্মস্থলের নিকটবর্তী স্থানে।কি এক অজ্ঞাত কারণে পেনশন অফিসের পারমিশন নিয়ে বাড়ির কাছের ব্যাংকে একাউন্ট ট্রান্সফার করতে হয়। বহুৎ হ্যাপা!
    মজা হলো এখন কো র ব্যাঙ্কিং সর্বত্র চালু। তাহলে পেনশনার দের এত হ্যারাশমেন্ট কেন?
    তিন ,বছরের পর বছর একজন ডাক্তারের সই লাগে লাইফ সার্টিফিকেট দাখিল করার জন্য। কেন ব্যাংকের কর্মীরা অসুস্থ ব্যক্তির বাড়ি পরিদর্শন করেন না?
    এই সকল ব্যক্তির স্যালারি এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের সম স্ত টাকা ,স্টেট ব্যাংকে গচ্ছিত থাকে। কারণ ক বছর আগে অবধি ,স্টেট ব্যাংক ছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা কোথাও রাখা যেতো না।
    অথচ এই স্টেট ব্যাংক, এই পেনশন ভোগীদের সঙ্গে কেমন সু ব্যবহার করে তাঁদের জিগলেই পাবেন।
    এমন কি এতো বড় ব্যাংক হওয়া সত্বেও একটু বুদ্ধি এপ্লাই করেনি যে ,এই অবসরপ্রাপ্ত লোকেদের জন্য বিনা চার্জে কোন এটিএম কার্ডের ব্যবস্থা করা যায়। যাতে কিনা, তাঁরা যেকোনো ব্যাংকের শাখা থেকে টাকা তুলতে পারে ও স্টেটমেন্ট নিতে পারে।মাসে মাসে স্টেট ব্যাংকের দোরগোড়ায় লাইন দেবার হাত থেকে বাঁচতে পারে।
    পরিশেষে ওইসব গাওনা গেয়ে তো, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা অনাদায়ী ঋণের পাপ মোচন হবে না। কতজন ম্যানেজার বা অফিসার শাস্তি পেল বা কতটাকা রিকোভার করা গেলো তা, জানা দরকার।
    জনগণের ট্যাক্সের টাকা নয়ছয় এর দুটি অপশন আছে,; দোষীদের কড়া শাস্তি ও কৃচ্ছ সাধন।
    এই দুটো র সম্পর্কে কি খোঁজ আছে কি?
  • PT | 125.187.44.48 (*) | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৫৪83158
  • "স্টেট ব্যাংক সাধারণত প্রত্যন্ত গ্রামে সার্ভিস দেয় না।"
    প্রত্যন্ত গ্রামে কোন সার্ভিসই নেই। এমনকি খর্গপুর নামক শহরটিতে উচ্চমানের কোন হাসপাতালও নেই। তার জন্যে শুধু SBI-এর কান ধরে টানাটানি কেন?

    "একটু বুদ্ধি এপ্লাই করেনি যে ,এই অবসরপ্রাপ্ত লোকেদের জন্য বিনা চার্জে কোন এটিএম কার্ডের ব্যবস্থা করা যায়। "
    তো গ্রামীণ পেনশনাররা কোথায় যাবে?
    (বড়দিনের দিন এ প্রশ্ন করা যেতেই পারে যে যারা রুটি পায়না তারা কেন কেক খায়্না!!)
  • sm | 52.110.204.67 (*) | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৪৫83159
  • এতো ভারি আশ্চর্য! প্রত্যন্ত গ্রামে পোস্ট অফিস বা হেল্থ সেন্টার থাকে তো। আই মিন ৫ কিমি রেডিয়াস এর মধ্যে মিলেই যায়, সাধারণত।
    অবসর প্রাপ্ত দের প্রতি মাসে ব্যাংক অবধি দৌড়তে হয় কেন?
    গ্রামীণ পেনশনার রা গ্রামীণ ব্যাংকে যাবে, পোস্ট অফিসে যাবে। তাদের টাকা যাতে বৈদ্যুতিন ট্রান্সফার করা যায়, তার ব্যবস্থা ওই স্টেট ব্যাংকেরই করা উচিত। নয় তো বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসা উচিত। কারণ ওই ব্যক্তির সারা জীবনের সঞ্চয় স্টেট ব্যাংক খাটিয়েছে।সম্প্রতি কোর্ট ও ওই রকম একটি সাজেশন দিয়েছে।
  • PT | 125.187.44.48 (*) | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৪৩83156
  • হে...হে......গুটি কয়েক বড় শহরের বাইরে ব্যাঙ্ক পরিষেবা ঐ SBI-এর মত আদ্যন্ত ফালতু ব্যাঙ্কই জোগায়। প্রান্তিক মানুষ, লিখতে-পড়তে পারেননা এমন মানুষজন, বা হাজার-দুহাজার টাকার পেনসনভোগীদের কাছে তথাকথিত পরিষেবাব্রতী প্রাইভেট ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধ। মাসের প্রথম সপ্তাহে কোন গ্রামীণ বা মফস্বলের SBI-এর শাখায় গেলে বোঝা যাবে যে আসল পরিষেবা কারে কয়!!
  • PT | 125.187.44.48 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:০৪83160
  • মহায় নিশ্চয় বড় শহরে থাকেন আর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাচনমুগ্ধ। "They rushed him to the hospital on campus, where he was detected with serious fractures on both legs and other injuries and referred to West Bank Hospital in Howrah, 125km away.........." আসল "হাসপাতাল" ১২৫ কিমি দূরে.....ব্যাপারটি বোধগম্য হচ্ছে?
    আর গেরামের পোস্টাপিসের চেহারা কেমন সেটা শেষ কবে নিজ চর্মচক্ষে দেখেছেন?
  • কল্লোল | 233.191.12.40 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:১২83164
  • অদ্ভুত তর্ক। একজন বলছে রসগোল্লা ভালো। অন্যজন বলছে জিটি রোডের অবস্থা ভালো না।
  • sm | 52.110.202.62 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৫০83161
  • পোস্ট অফিস এর এজেন্টরা তাও বাড়ী বাড়ি ঘুরে টাকা কালেক্ট করে। ব্যাংকের লোকজন তো সব বাবু!
    সরকারী ব্যাংক লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা অনাদায়ী করেছে।
    পোস্ট অফিস থেকে এখনও সেরকম রিপোর্ট আসে নি।
    এই অনাদায়ী ঋণের সিংহ ভাগ কিন্তু শিল্পপতিরা পেয়েছে। আমেরিকা , ইউরোপে ব্যাংক ক্রাইসিস মূল ঋণ গ্রহীতা কিন্তু ছিল সাধারণ মানুষ।
    আর কি বলবো!
  • dd | 59.207.60.233 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৫৬83165
  • কল্লোলের কমেন্টটা দুর্দান্তো হয়েছে।
  • PT | 125.187.44.48 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:২৬83162
  • এমন ভাব কচ্চে মানুষজন যেন SBI ছাড়া ভারতের আর সব কিছু সত্যম-শিবম-সুন্দরমের সাধনায় রত। ক্ষমতাসীন সরকারের প্রচ্ছন্ন মদত ছাড়া এত ঋণ অনাদায়ী থাকে কি করে? গুরুদাস দাসগুপ্ত সারাজীবন ঐ ঋণ নিয়ে গলা ফাটিয়েছেন-কেউ পাত্তাও দেয়নি। উল্টে তাঁকে হারানোর জন্যে উঠে-পড়ে লেগেছিল সকলে। এখন সেইসব দুঃখ কুম্ভিরাশ্রু হয়ে চাগাড় দিয়ে উঠেছে দেখছি!!
  • শিবাংশু | 55.249.72.159 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৩১83166
  • কল্লোলদা, ddকে ,

    কী যেন বলে 'ক'.....

    প্রতিভার এই লেখাটি যে বিষয়গুলির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, সেগুলি এখানে করা অধিকাংশ মন্তব্যেই নিতান্ত অবহেলিত। কেউ কেউ তো ভেবেছেন স্টেট ব্যাংকের পরিষেবার 'অধোগতি' নিয়ে আলোচনা করার জন্যই প্রতিভা লেখাটি লিখেছিলেন।

    একজন দীর্ঘকালের 'ইনসাইডার' হিসেবে ভেবেছিলুম এই আলোচনাটিতে পাঠকের ভূমিকাতেই থাকি। কিন্তু 'প্ররোচিত' হবার দায়টিও উপেক্ষা করতে পারলুম না।

    একটা 'গল্প হলেও সত্যি'র কথা বলি। তা প্রায় বছর চল্লিশেক হয়ে গেলো। প্রথম যখন স্টেট ব্যাংকের একটি শাখায় যোগদান করেছিলুম, দিন দুয়েক পর আমার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আমায় একান্তে ডেকে বললেন, দেখো, তোমরা 'হোনহার' তরুণ। কেন স্টেট ব্যাংকে এলে? তোমায় বলি, এই ব্যাংকটা কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে। কোচিংটোচিং নিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসো। এক-দুবার পরীক্ষা দিলে নিশ্চয় পেয়ে যাবে। আমার কথা শোনো, এই চাকরির ভরসায় থেকোনা।" প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, সেকালে স্টেট ব্যাংকের অধিকারীদের প্রাথমিক বেতন আই-এ-এসদের প্রাথমিক বেতনের থেকে বেশি থাকতো। এহ বাহ্য, তাঁর কথা শুনিনি এবং ঊনচল্লিশ বছর নানা ওঠাপড়ায় এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে নানা স্তরে বিজড়িত থেকে এর শক্তি ও দুর্বলতা বিষয়ে কিছু ধারণাও তৈরি হয়েছে। তবে সেসব নিয়ে কোনও কথা বাহুল্যবোধে বলছি না।

    স্টেট ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক নয়। চিরকালই এর ব্যক্তিগত শেয়ার হোল্ডিং রয়েছে। সময়ের সঙ্গে তার অনুপাতে পরিবর্তন হয়েছে অবশ্য। কিন্তু দল-মত-নির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় সরকার নিয়মিতভাবে এই সংস্থাটিকে কামধেনু হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছে। তবে যখন থেকে রিজার্ভ ব্যাংকের মালিকানা থেকে অর্থমন্ত্রকের মালিকানা জারি হয়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অবস্থার আরো অবনতি হয়। সাম্প্রতিককালে ব্যাংকজমার বিমা ও অন্যান্য কিছু জরুরি প্রসঙ্গে যে আইন আনার প্রয়াস চলেছে তা বর্তমান সরকারের বাকি সব অর্থনৈতিক মিথ্যাচার ও ফাটকাবাজির অংশ মাত্র। প্রতিভা সেই বিষয়েই পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিলেন।

    গত বছর কুড়ি ধরে গ্রাহক আকর্ষণের ক্ষেত্রে স্টেট ব্যাংক আলাদা কোনও সুবিধে পায়না। তবু কার্যত এখনও তারাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির মাপে একনম্বরে থাকে। প্রতি বছর দেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিশ্বসনীয়তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে যেসব সমীক্ষা করা হয়, স্টেট ব্যাংক তার 'আদ্যন্ত ফালতু' মান নিয়েও সব সময় শীর্ষের দিকেই থাকে। অতএব ধরে নেওয়া যেতে পারে অধিকাংশ মানুষের ভরসা আছে এই ব্র্যান্ডটির প্রতি। কারণ কার্যত এই সংস্থাটি ভারতীয় অর্থনীতির মুখ। এর ওঠাপড়ার সঙ্গে দেশীয় অর্থনীতির ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে। তাই একে হীনবল করার কোনও চক্রান্ত সাধারণ মানুষকেই বিফল করতে হবে। এই লেখাটি সেই আহ্বানই জানাচ্ছে।

    পেনশন প্রদান করে বিভিন্ন সরকারি বিভাগ। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পেনশন কোন শাখা থেকে দেওয়া হবে, তার নির্দেশ ব্যাংককে সেই বিভাগ থেকেই জারি করা হয়। সেটি বদলাতে গেলে কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। তার অনুপালন করতে হয়। ব্যাংক থেকে সব পেনশনধারীকেই এটিএম কার্ড দেওয়া হয়। প্রতিমাসে মহানগরে আটবার এবং অন্যান্য জায়গায় দশবার এটিএম ব্যবহারে কোনও অতিরিক্ত শুল্ক লাগেনা। কোন পেনশনারের মাসে দশবারের বেশি নগদ টাকা তুলতে হয়, জানা নেই। প্রতিমাসে ব্যাংকের দোরগোড়ায় লাইন দেওয়া পেনশনারদের ব্যাপারটা বহুকাল আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।

    স্টেটব্যাংকের টেকনোলজি প্ল্যাটফর্মের বিশালত্ব বিষয়ে সঙ্গত কারণেই অধিকাংশ মানুষেরই ধারণা নেই। এবিষয়ে রিলায়েন্সের মতো একটা আদ্যন্ত দুনম্বরি বণিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেবার কোনও প্রয়োজন নেই। এদেশে অনাদায়ী ঋণ সম্পূর্ণত সরকারি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের জন্যই বেড়ে ওঠে। স্রেফ ভোটে জেতার জন্য সহস্র সহস্র কোটি টাকা সাধারণ ঋণ মাফ এবং তার একশো গুণ বেশি মাফ করা হয় সরকার আশ্রিত বণিক পরিবারগুলিকে। অস্ট্রেলিয়ার কয়লা ব্যবসায়ে আদানিকে ঋণ দিতে রাজি না হওয়ায় স্টেটব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অনেক হেনস্থা হতে হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের যে কনজর্টিয়ামটি বিজয় মালিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছিল তার নেতৃত্বে থাকা স্টেট ব্যাংকের একজন শীর্ষস্থানীয় অধিকারীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে চূড়ান্ত হেনস্থা করা হয়েছে। ভূষণ, বেদান্ত বা জিন্দলের পর এবার আম্বানির পালা।

    রাষ্ট্রশক্তির স্পর্ধা ও মদগর্ব এই মূহুর্তে এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে তাঁরা নিজেদের অজেয় মনে করতে শুরু করেছেন। যেসব বণিক এই রাষ্ট্রশক্তিকে পরিপুষ্ট করতে লগ্নি করেছে, তারা প্রতিদান চায় সাধারণ মানুষের সঞ্চয়কে নয়ছয় করা সত্ত্বেও যেন তাদের কেশাগ্র স্পর্শ না করা হয়। সাধারণ মানুষ জাগরুক না হলে এদেশেও অর্থব্যবস্থা ধ্বংস করতে বহু ক্ষমতাশালী মানুষ আজ অতি তৎপর। এই লেখাটি সেই সব বিষয় নিয়েই সরব হয়েছিলো।
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | 233.191.47.140 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৫৪83163
  • নিজের চোখে দেখা কয়েক মাস আগে।

    স্থান - জঙ্গলমহল।
    গ্রামের নাম উহ্য থাক, কখন কী ঘটে যায়।

    খান সাতেক গ্রাম মিলিয়ে একটা ইন্ডিয়া পোস্ট অফিস। হপ্তায় আধবেলা খোলা থাকে। ব্যাঙ্ক, হাসপাতাল সব বারো কিলোমিটার দূরের সদরে। অমুক রাস্তা প্রকল্প, তমুক শৌচাগার প্রকল্প, বা বাড়ি প্রকল্পের ঢাকের বাদ্যি এখানেও বেজেছে, কিন্তু টাকার বেশিটা গেছে...যাই হোক, একটা দেওয়ালের পর আর কিছু হয়নি।
  • b | 24.139.196.6 (*) | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:০৪83167
  • নিটপিকিংঃ

    "ব্যাংক থেকে সব পেনশনধারীকেই এটিএম কার্ড দেওয়া হয়। প্রতিমাসে মহানগরে আটবার এবং অন্যান্য জায়গায় দশবার এটিএম ব্যবহারে কোনও অতিরিক্ত শুল্ক লাগেনা। কোন পেনশনারের মাসে দশবারের বেশি নগদ টাকা তুলতে হয়, জানা নেই। প্রতিমাসে ব্যাংকের দোরগোড়ায় লাইন দেওয়া পেনশনারদের ব্যাপারটা বহুকাল আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।"

    এই আইন সরকার টু সরকার ভ্যারি করে নিশ্চয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ট্রেজারীর রুল আছে যে, পেনশন অ্যাকাউন্টে এ টি এম কার্ড দেওয়া যাবে না। বস্তুত আমার বাড়িতে এটি এম কার্ড সারেন্ডার করে, ব্যাংক থেকে লিখিয়ে এনে তবে ফ্যামিলি পেনশন চালু করা গেছিলো। ২০১৭ সালেই।

    এতদ্সত্ব্বেও ব্যাঙ্ক হয়ত ট্রেজারীকে না জানিয়েই এ টি এম কার্ড দিয়ে দেয়। অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে।

    আর ইয়ে, এ টি এম কার্ড ব্যবহার করে ব্যালান্স দেখলেও দেখছি একটা করে ট্রানজ্যাকশন কমে যাচ্ছে।
  • শিবাংশু | 113.249.4.18 (*) | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:২৬83183
  • sm,
    "কিছু আধিকারিক ও রাজনৈতিক নেতাদের কারচুপির জন্য গোটা ব্যাংকিং সিস্টেম কলাপস করতে পারে। তখন ভুক্ত ভোগী হবে আমজনতা ও ব্যাংকের নিচু তলার কর্মীরা।"
    মনে হয় আপনি মূল লেখিকার বক্তব্যটি বুঝতে পেরেছেন। তবে ব্যাংকের আধিকারিকদের সততা সম্পর্কে আপনার পূর্বাগ্রহটি একটু বেশি নেতিবাচক। ব্যাংকিং ব্যবসাটি সর্বদেশে সর্বকালে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসার মধ্যে গণ্য হয়। শতকরা একজন আধিকারিকও যদি অসৎ হতো তবে ভারতীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়তো। পুরোপুরি অপারেশন্যাল ব্যাংকার ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্যাংকের অডিট ও ভিজিল্যান্স কাজকর্মের ব্যাপারে। সেই সূত্রে বলতে পারি উপর তলাতে উৎকোচ নিয়ে আপোস করার উদাহরণ এখনও নগণ্য। যেটা ঘটে, তা চাপের কাছে নতিস্বীকার। আমাদের দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারীদের নৈতিক মান নিয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। তাঁদের মুখপাত্র আমলা দলের একটা অংশ দুর্নীতির খেলায় আসল ভূমিকা পালন করেন। অর্থমন্ত্রকের একজন জয়েন্ট সেক্রেটারিও একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে যৎপরোনাস্তি হেনস্থা করতে পারেন। তফাৎটা হলো রাজনীতিক বা আমলাদের কোনও অ্যাকাউন্টেবিলিটি নেই আর ব্যাংকের ছোটোবড়ো সব কর্মচারীই আশিরনখর অ্যাকাউন্টেবল।

    কার্পেটের তলায় কুকর্ম লুকোনোর ব্যাপারে আপনার ধারণায় শ্রেয়তর বেসরকারি ব্যাংকগুলি সরকারি ব্যাংকদের গুনে গুনে দশ গোল দেবে।
  • PT | 213.110.242.23 (*) | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:৪৩83168
  • কল্লোলদার গা-বাঁচানো মন্ত্যব্যের মাথা-মুন্ডু কিছুই বোঝা গেল না। তবে যেটা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে ঢুকছে না সেটা হচ্ছে যে SBI যা করছে সেটা সরকারের অনুমোদন ছাড়া করছে কিনা!! আমার তো মনে হয় SBI-এর ল্যাজ ধরে টানাটানি না করে সরাসরি সরকারের নীতির তীব্র বিরোধীতা দরকার। তবে সেসব কি হবে তারা.....অনেকেই মনে হয় শ্রীজাতর লাইন ধরে রোলের দোকান খুলেছে।
  • sm | 52.110.193.126 (*) | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:০৯83169
  • অদ্ভুত যুক্তি!রাজনৈতিক নেতাদের ও সরকারের চাপে জন্য এত লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ অনাদায়ী!এ কি ছেলে খেলা নাকি!
    একটি সংস্থা কে ঋণ দিতে গেলে হাজার টা দিক দেখতে হয়।সংস্থার ক্রেডিবিলিটি, ঋণ শোধের ইতিহাস,প্রজেক্ট ভাইয়াবিলিটি, গচ্ছিত সম্পদের পরিমাণ ইত্যাদি। মালিয়ার কেস কেই ধরা যাক। গচ্ছিত সম্পদ নিলাম করে কয়েক শো কোটি উঠবেনা ,এটা ব্যাংক কতৃপক্ষের কাছে অজানা ছিল?এমন কি ওঁর মেইন কোম্পানি ইউনাইটেড ব্রিয়ারিস এর কতটা শেয়ার গচ্ছিত ছিল?
    নিশ্চয় নগণ্য বা কিছুই না। যে কারণে, এতো লেখা লেখি ও জানাজানির পর ও বিজয় বাবু ডিয়াগো কে কোম্পানি বেচে লন্ডন পাড়ি দিলেন।
    এসবের জন্য রাজনৈতিক চাপ কে দোষী করে হাত ঝেড়ে ফেললেই হল!
    যখন কোন শিল্পপতি ৩০-৪০হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয় সে কি একদিন বস্তা ভরে টাকা নিয়ে যায় নাকি!
    নিশ্চয় ধাপে ধাপে নেয়। ব্যাংক আধিকারিক রা নিশ্চয় প্রজেক্ট এর অগ্রগতি সরেজমিনে দেখে ঋণ প্রদান করতে থাকে।
    কিস্তির টাকা না মেটানো হলে নিশ্চয় অডিট রিপোর্ট উল্লেখ করে ও একশন নেয়। সাধারণ মানুষ হলে তো বাড়িতে রিকভারি টিম কে পাঠায়। এসব কি অজানা?
    কোন রাস্তার তোলাবাজ কে ধরলেও সে একই সাফাই দেয়। এই তোলাবাজির ভাগ পুলিশ থেকে রাজনৈতিক নেতা সব্বাই পায়। তাতে করে কি তার অন্যায় লাঘব হয় যায় নাকি?
    শুধু জানতে আগ্রহী এই অনাদায়ী ঋণের জন্য কজন আধিকারিক শাস্তি পেয়েছে ও কি শ্বেত পত্র প্রকাশিত হয়েছে ব্যাংকের তরফ থেকে?
    মনে রাখা উচিত, ব্যাংকের অনেক কর্মী সৎ। তাদের ওপর ও এই কলির ছিটে পড়ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন