• বুলবুলভাজা  খবর  খবর্নয়

  • রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

    অভিষেক সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | খবর্নয় | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ | ৪৩১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • গতরাতে আমরা যখন সবাই ঘুমোচ্ছি, তখন রাজারহাটে টিসিএসের গীতাঞ্জলী পার্কের সামনে  আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল প্রায় - পনেরো কুড়িটা অস্থায়ী দোকান।

    আগুনের আঁচে কিম্বা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে নষ্ট হল আরও অন্তত কুড়ি-তিরিশখানা ছাউনি এই উপরে বলা সম্পূর্ণ পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়া দোকান ছাড়াও। সবই নানা রকমের খাওয়ার দোকান। মিষ্টি- ইডলি-দোসা- চা- আখের রস- চাওমিন- শরবৎ এই রকমেরই আর কি। দোকানিদের অধিকাংশই স্থানীয় মানুষ। হাতে গোনা কয়েকটা দোকান চালান বিহার এবং উৎকলবাসীরাও। বাঁশের এবং সরু কংক্রীটের স্তম্ভের ওপরে দরমা-পলিথিন শীট দিয়ে ঢেকে তৈরি এই দোকানগুলো ছিল বেশ কিছু চাকুরের নিত্য প্রয়োজনীয়তা এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভাবে অন্তত দোকানপিছু একটা বা দুটো পরিবারের জীবিকাও।

    শোনা খবর অনুযায়ী বারোটা গ্যাস সিলিন্ডার একে একে ফেটে আগুন ছড়িয়েছে একটু একটু করে। ধীরে ধীরে নয় বরং বেশ হন্তদন্ত হয়েই। আগুন নেভাতে সাহায্য করেছে সামনের তথ্যপ্রযুক্তি কম্পানী TCS। আরও ভালো করে বললে এই কম্পানীর সিকিউরিটি গ্রুপ।

    মূলত এই গ্রুপ G4S নামে সংস্থা থেকেই সংগ্রহ করা হয় - অন্তত টিসিএসে। এরা গতকাল খুব তৎপর ভাবে আগুন নেভাতে এগিয়ে এসেছিলেন স্থানীয় দুর্ভাগা মানুষদের পাশে। আগুন নেভাতে গিয়ে সিলিন্ডার ফেটে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ভাবে মারা যান এক সিকিউরিটি সুপারভাইজার - জয়ন্ত মন্ডল। মধ্য তিরিশের জয়ন্ত বাবুর পরিবারে একটা ছোটো ছেলে আছে।  আশা করা যায় যে G4S এবং TCS নিশ্চয়ই এগিয়ে আসবেন জয়ন্তবাবুর পরিবারের পাশে।

    এই সব খবরের মতন বলে যাওয়া ধারাবিবরণীর চেয়েও এক আশ্চর্য কথা শুনুন এবারে। চট করে  এমন আর শোনা যায়না এখন। নিশ্চল করে চলা আশপাশের অজস্র অসংখ্য ঘটনা এবং সময়ের বিষাদ যখন আমাদের খুব তীক্ষ্ণ ভাবে সিনিক করে তোলে তখন এমন দু চার দৃশ্য দেখা জরুরী।

    স্থানীয় অঞ্চল মুসলমান প্রধান। স্থানীয় দোকানীরাই সবচেয়ে বেশী,বাইরের লোক ২০% হবেন। সকাল নটার মধ্যেই প্রচুর স্থানীয় মানুষ নতুন ঘর তোলার উপকরণ নিয়ে হাজির। এদের সবার কিন্তু দোকান পোড়েনি। প্রায় আপতিক তৎপরতার মধ্যে দিয়ে সূর্যাস্ত হওয়া অব্দি সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাপজোখ করে বাঁশ পুঁতে আর ছাই-কয়লা সরিয়ে ঘরের কাঠামো তৈরি করে ফেললেন। কেউ খোঁজ নিলেন না যে যার হয়ে, যার জন্যে তারা কাজ করছেন তারা মুসলমান না হিন্দু, বাঙ্গালি না বিহারী।  প্রায়োরিটি কিভাবে সেট করেছেন জানিনা কিন্তু আলো নিভে যাওয়ার আগেই প্রায় আশি শতাংশ কাঠামো নির্মাণ সমাপ্ত। কেউ হাঁকডাক করেননি, দোষারোপ করেননি কাউকে - শুধু চোয়াল শক্ত করে নিজেদের কাজ করে গ্যাছেন। ওনারা বোধহয় এমন ভাবে কাজ করতে,জীবন কাটাতে এখনও অনভ্যস্ত হননি। 

    দেখে বড় ভালো লাগলো যে এই দোকানীরাই যাদের মধ্যে চলাচল করে নিশ্চিতভাবেই হাজার সূক্ষ্ণ এবং মোটা ভেদাভেদ,খদ্দের নিয়ে রেষারেষি এবং সাম্প্রদায়িক উৎকর্ষ বোধ তাদের সবার আজ নিজেদের পাশে দাঁড়ানোর মুহূর্তে শুধু পাশে থাকার প্রয়োজনটাই মনে রাখা। বেছে নেওয়া সবচেয়ে দরকারি সিদ্ধান্তটা।

    কাল পরশুর মধ্যে দোকানপাট গড়ে উঠে নিশ্চয়ই আবার সামলে ওঠা যাবে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিগুলো থেকে। বলা বাহুল্য - আজ সব দোকানই বন্ধ। জানা নেই স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো কে কেমন- কতটা সাহায্য করেছে। দোকানীদের ইউনিয়ন নিশ্চয়ই পাশে থেকেছে কিন্তু সব চলা ইউনিয়ন পাশে থাকলেও হয়ে ওঠে না। বিশেষত এমন অগোছালো পেশাগুলোয়। 

    মানুষের ওপর বোধহয় এখনও ভরসা রাখা যায়। অন্ত্যত আরও বেশ কিছুদিন। যদ্দিন অব্দি মানুষের কমন শত্রু এবং বন্ধুগুলো সমান সমান। 

    =============================================

    পুড়ে যাওয়া দোকানপাটের দ্বিতীয়দিনের খবর এইরকম--> TCS নাকি HIDCOর বিরুদ্ধে কেস ঠুকেছে - তাদের একজন সিকিউরিটি মারা গেছে এই কারণ দর্শিয়ে। পুলিশ এসে সমস্ত নির্মাণ এবং আস্ত থাকা দোকান বন্ধ করিয়ে গেছে। কিছু ছোটোখাটো শরবৎ, চা,আখের রসের দোকানি লুকিয়ে চুরিয়ে খুলেছেন অবশ্য। নেহাতই এক আঙ্গুলে গোনা যায় এমন তারা।

    আধ খাঁচড়া কাঠামো সব প্রস্তুত হয়ে দাঁড়িয়ে।  তার পাশে খাঁ খাঁ করছে টিকে থাকা দোকান চত্বর। দোকানীরা ফ্যাল ফ্যাল চাউনি নিয়ে আশা করছেন যে আগামীকালের এক সম্ভাব্য মিটিং নাকি সব জট ছাড়িয়ে দেবে!!

    =============================================

    ছবিঃ

  • বিভাগ : খবর | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ | ৪৩১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
লিফট - Parikshit Manna
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | 55.124.7.95 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৫:২৩82228
  • আমিও আজ গেছিলাম TCS গীতান্জলি পার্ক এ । একটা মিছিল গেলো-- স্মার্ট সিটি চাই না বলে।

    রাতে দেখলাম ভাঙ্গা দোকানগুলো ঠিক করার কাজ চোলছে
  • d | 144.159.168.72 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৫:৪৬82224
  • এত চেনা জায়গা .... ছবিগুলো দেখে এমন লাগল!
    সেই মিটিং কি হয়ে গেছে?
  • শেসে | 113.216.206.127 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৩১82225
  • অভিষেককে ধন্যবাদ ছবি ও প্রতিবেদনের জন্য ় ভবলীলা সাঙ্গ হলে যেমন সবাই সমান, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও তেমনি জাতি ধর্ম নির্বিশেষে ক্ষতিগ্রস্হ সব মানুষকে এক মঞ্চে দাঁড় করায়় বিপর্যয়ের মোকাবিলায় সব দোকানদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা সেই সত্যকে মনে করিয়ে দিল়

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইছি যে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো কি আবার নতুন করে গড়ে উঠেছে এবং চালু হয়েছে?
  • নাগরিক | 127.194.237.213 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:১০82226
  • আমি এখানে চাকরি করি। জয়ন্তকে সাহায্য করার জন্যে কম্পানির মানবসম্পদ বিভাগে যোগাযোগ করেছিলাম। গতকাল সেখানকার এক আধিকারিক ফোনে মিষ্টি করে জানিয়ে দিলেন যেহেতু জয়ন্ত G4Sএর কর্মী তাই এই নিয়ে এদের কিছু করার নেই। তবে আমার সহৃদয়তার জন্যে ধন্যবাদ ,হাততালি ইত্যাদি ... আশা করব ইনি ভালো জানেন না , নিশ্চয়ই কম্পানীর বড় আধিকারিকরা জয়ন্তের জন্যে কিছু করবেন। জয়ন্ত G4S এবং ক্যাম্পাসের বাইরে মারা গ্যাছেন নিজের রিস্কে - এমন অজুহাতে হাত ধুয়ে ফেলবেন না।
    অভিষেক যেটা বলেনি সেটা হলো কম্পানীর ভেতরের গুঞ্জন।এখানে কাজ করি তাই এর কথা ভালো করেই জানি। অগ্নিকান্ডের সাথে খাগড়াগড় এবং কুৎসিত এবং বেআইনি এবং অস্বাস্থ্যকর ঝুপড়ি না হটানোর সাথে স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের তোষোন প্রক্রিয়ার মেলবন্ধন। এর দায় অবশ্য কম্পানীর নয়। মানুষেরাই বলছেন। মানে ভদ্র-শিক্ষিত-প্রকৌশলী সুনাগরিকবৃন্দরা আর কী!
  • h | 184.79.160.147 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৫০82229
  • যে নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন, তাঁর পরিবারের জন্যো ফান্ড গড়ার খবর কেউ পেলে জানিয়ো কেউ।

    খাগড়াগড় গসিপ ইত্যাদি প্রসঙ্গে, নিজেকে শিক্ষিত বলতে লজ্জা করে আজকাল।
  • h | 184.79.160.147 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৫২82230
  • যাদের দোকান পুড়ে গেছে তাদের জন্য যদি কোনো ফান্ড চালু হওয়ার খবর পেয়ে কেউ থাকে, তাও জানিও।
  • আইটি কুলি | 52.110.179.204 (*) | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ১১:২৫82227
  • স্থানীয় জায়গায় চাকরী করি। খবর শুনে দেখতে এসেছিলাম ঘটনাস্থলে,দুপুরবেলায়। আজ বুধবার,অগ্নিকান্ডের পর তৃতীয় দিন।
    সমস্ত দোকান বন্ধ। জ্বলে যাওয়া দোকানের জায়গায় বাঁশের কাঠামো প্রস্তুত হয়ে দাঁড়িয়ে- ছাউনিহীন। আস্ত থাকা দোকান সব শুনশান। দু একটা ডাবওয়ালা বাইরের দিকে দাঁড়িয়ে।
    খবর পেলাম যে মিটিং হয়েছে সকালে।সবাই মিলে নিউটাউন থানাতেও যাওয়া হয়েছে তবে আশু কোনো সমাধান মেলেনি।
    জয়ন্ত বাবুর বয়েস ওপরে মধ্য তিরিশ বলা হয়েছে সম্ভবত আন্দাজে।আসলে ৩২। তবে এটা এত গুরুত্ববহন করে না।
  • শান্তনু | 57.11.1.166 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৩১82231
  • একটি বিষয় মনের ভেতর খচখচ করছে । রুজি রোজগারের জন্য অথবা বলা যায় খড়কুটো আঁকড়ে বেঁচে থাকার জন্য যে লোকগুলি সারা সল্টলেক রাজারহাট নিউটাউনের ফুটপাথে খাওয়ার দোকান করে আছেন তাঁদের সুরক্ষা নেই বললেই চলে । এই দোকানগুলিতে রান্নার গ্যাস ব্যবহার হয় । ঊথচ, যতদূর জানি বাঁশের কাঠামোর মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার থাকার আইন নেই । আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো । এই ধরনের দোকানদারদের জন্য বিকল্প কোনও ব্যাবস্থা হতে পারে কিনা ভেবে দেখা উচিত সব পক্ষের ।
  • sch | 37.251.71.51 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৩৩82232
  • @নাগরিক
    আপনার লেখার " গতকাল সেখানকার এক আধিকারিক ফোনে মিষ্টি করে জানিয়ে দিলেন যেহেতু জয়ন্ত G4Sএর কর্মী তাই এই নিয়ে এদের কিছু করার নেই।" পরিপ্রেক্ষীতে

    TCS-এর HR কে বলবেন ratan tata কি কি করেছিলেন ৯/১১ মুম্বাই তাজ আটাক ভিকটিমদের জন্যে, কন্ট্রাক্ট এমপ্লয়ীদের জন্যও কিন্তু করা হয়েছিল - না জানলে এটা পড়ে নিতে বলবেন। না জানাটা লজ্জার না - কিন্তু মূর্খের মতো কথা বলাটা লজ্জার (অবশ্য TCS কলকাতার HR er লোকজন শিক্ষিত এমন বড়াই কেউ করবে না)
    https://asiancorrespondent.com/2009/12/what-tatas-did-post-2611/#pDkATpMSmGE7ymEG.97
  • আপডেট | 52.110.190.188 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ১১:১৫82234
  • হিডকোর সাথে একটা বোঝাপড়া হয়েছে দোকানীদের। দোকান তৈরী চলছে- খুলছে।
    হিডকোর বদান্যতার কারণ যাই হোক- খোলাখুলিই ধন্যবাদ জানিয়ে গেলাম। মানুষের জন্যেই আইন- আইনের জন্যে মানুষ নয়..
  • pi | 57.29.207.67 (*) | ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ০৫:৫৫82235
  • এখনকার আপডেট কী ?
  • নাগরিক | 52.110.157.245 (*) | ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৩০82236
  • পুড়ে যাওয়া দোকান প্রায় সব নতুন করে তৈরি হয়েছে । একটা দুটো বাদে। স্থানীয় tmcসাহায্য করেছে।দোকানীদের ইউনিয়নের শক্তিদা বলে একজনের নামে সব দোকানীরা খুব প্রশংসা করছেন। হিডকোর সাথে দোকানীদের রফা হয়েছে যে কেউ দোকান বন্ধ করলে,গ্যাস সিলিন্ডার বাড়ি নিয়ে যেতে হবে। তবে দু:খের কথা হলো tcsনিকটতম গেট বন্ধ রেখেছে এখনও। অনেক দূরের গেট দিয়ে লোকজন এই গরমে আসছে খুব কম। বিক্রি তাই ৫০% কমে গ্যাছে। tcs-hidcoকেস চলছে। যিনি মারা গেছিলেন তিনি G4S থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন+ সমস্ত সিকিউরিটি গার্ডরা কিছু কিছু তুলে দিয়েছেন। এক সূত্র বলছে যে tcs hrথেকেও নাকি কিছু দেওয়া হয়েছে। কত পেয়েছেন ওনার পরিবার সেই সংখ্যা অবশ্য জানিনা।
    তবে দু:খের কথা হলো tcsএর অধিকাংশের কোনো হেলদোল নেই। কেউ খাগড়াগড় খুঁজছেন তো কেউ খুশী এই বলে যে food এবং fire security ছাড়া এই সব বেয়াইনি দোকানের এই অবস্থাই প্রাপ্য!!
    জানিনা TCS এর কর্মীরাই শুধু এমন না এটা পয়সা এবং ক্ষমতার সাধারণ চরিত্র..
  • Rabaahuta | 233.227.45.7 (*) | ০১ মে ২০১৭ ০৪:০৮82239
  • এসি ছাড়া অস্বস্তি হওয়াটা কি খারাপ কাজ?
  • pi | 57.29.214.56 (*) | ০১ মে ২০১৭ ০৫:১৮82237
  • তো লোকজন খেতে যাচ্ছেন কোথায় ?
    তবে রাস্তার দোকানের ফুড ফায়ার সিকিওরিটি আর হাইজিন নিয়ে কাজ হওয়া দরকার মনে করি, দোকানি, ক্রেতা সবার স্বার্থেই, পাব্লিক হেল্থের স্বার্থে।
  • নাগরিক | 52.110.157.245 (*) | ০১ মে ২০১৭ ০৫:৪৭82238
  • লোকজনের আশী শতাংশ খেতে যান ক্যান্টিনে।এসি না হলে তাদের অস্বস্তি হয় কিনা..
    বাইরের ফুড সিকিউরিটির তুমুল খারাপ অবস্থানের নিন্দায় পঞ্চমুখ জনতার জন্যে একটা মজাদার রিটার্ন দিয়েছে শুনলাম টিসিএস ক্যান্টিন(বাইরের ভেন্ডার)। আরশোলা আর পেরেক নিত্য দিচ্ছে ফ্রিতে খাওয়ারের মধ্যে। এ নিয়ে জনতা ক্ষেপে উঠেও সেই ভেতরের এসি ক্যান্টিনেই যাবে আর লাঞ্চে বেঁচে থাকা খাদ্য চটকিয়ে বানানো বৈকালিক চপ- সিঙ্গারা খাবে আর অফিসের বাইরের ওই হুডলম এলিমেন্টদের মধ্যে খাগড়াগড় খুঁজবে। আর এক গ্রুপ আরও সরেস। নিস্পৃহ হয়ে বলবে যে এই সব ঠিক হয়ে যেতো অনেক আগেই। আরও দুজ্ঞাপুজো আটকে মহরম করাও আর তোষণ করে যাও.. অমিতজি কি এমনি এমনি দয়া করে এসেছেন আমাদের ভালো করতে..
  • R | 113.216.207.237 (*) | ০৪ মে ২০১৭ ০৭:৫৭82240
  • টিসিএস ক্যান্টিনে নিত্য খাবারে আরশোলা আর পেরেকের ব্যাপারটা পুরো গুজব। আমি ঐ একই ক্যাম্পাসে বসি। এসব ব্যাপারে টিসিএস অ্যাডমিন খুব কড়া। আমরা নিজেরাই বলি, টিসিএসে কাজ না করর যত লোকের চাকরি যায়, তার থেকে ঢের বেশি লোকের চাকরি যায় বিভিন্ন কম্প্লায়েন্সের চক্করে।

    G4S , সব সিকিউরিটি গার্ড ও টিসিএসের পক্ষ থেকে ছাড়াও, বেশ কতগুলি প্রোজেক্ট থেকে জনসাধারন চাঁদা তুলে কিছু টাকা তুলে দিয়েছে।

    টিসিএস নিকট্তম গেট বন্ধ রাখবে না দূরবর্তী গেট, তা টিসিএসের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। অত্যন্ত রূঢ় হলেও যা সত্যি, তা হলো এই দোকানগুলি সবই বেআইনি, জবরদখলে গড়ে তোলা। যদিও এটাও জানা যে, অদূর ভবিষ্যতে সরকার থেকেই এই লোক্জনের জীবিকা স্বার্থে পাকা দোকানঘর, বা হকার মার্কেট গড়ে দেওয়া হবে। খাবারের দোকানের জন্য যে ন্যূনতম পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা দরকার, তা একেবারেই নেই। এক গামলা জলে সারাদিনের বাসনপত্র ধোয়া হয়। এই চেহারা টিসিএস ক্যান্টিনের হলে নাগরিক এতোদিনে পাতার পরে পাতা ভরিয়ে দিতেন।
  • Du | 57.184.47.34 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৩:১৮82246
  • এটা হল এ সি শহরগরিমা ঃ)
  • আরশোলা | 77.205.187.39 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৫:১০82241
  • দু হপ্তা আগেই বন্ধুর প্লেটে আরশোলার ডিম বেরিয়েছে।ওই গীতাঞ্জলী ক্যাম্পাসেই।এডমিন আর ক্যান্টিন ভেন্ডারদের ছবি সমেত মেল চালাচালি করতে তারা ওটাকে ভেজেটেবিল বিন বলে কাটিয়ে দিয়েছে।এটা নিজের চোখে দ্যাখা। এর আগেও ডালে পেড়েক পেয়েছি খোদ নিজেই। কাজেই নাগরিক যা বলেছেন তার সবটা গুজব বলে উড়িয়ে দিতে পারছিনা।
    জয়ন্তের বাড়ির লোক কিছু পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো।
    কোন গেট বন্ধ থাকবে তা নাহয় টিসিএস ঠিক করবে।কিন্তু কথা হলো গেট ওই হাডকোর সাথে কেস চলার সময়েই বন্ধ করাটা একটু বিশ্রী ব্যাপার।
    আইনের কথা না তোলাই ভালো কারণ রাস্তার ৮০% চাএর দোকানই তাই। জবরদখলটা বুঝলাম না! অন্য ককারুর জায়গা দখল করে একটাও দোকান নয়। সব হিডকোর জমি,ভাড়া নিয়ে।
    আর হাইজিন কিম্বা রান্নার মান খারাপ কিনা তা তো ক্রেতারা জেনেই কিনে খাচ্ছিলেন।সে সিদ্ধান্ত তাদের ওপরেই থাকনা। জোর করে বিক্রি বন্ধ করার জন্যে কাছের গেট বন্ধ রাখা নেহাতই ছোটোলোকমি।
  • Arpan | 92.150.18.118 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৫:২৫82242
  • আরিব্বাস, কলকাতা টিসিএসে এসি ক্যান্টিন নাকি?!!
  • Arpan | 24.195.224.232 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৫:৩৭82247
  • দুদি ঃ))
  • d | 144.159.168.72 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৬:১৩82243
  • আপিসের ভেতরের ক্যান্টিন তো এসিই হয়।
  • d | 144.159.168.72 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৬:১৯82244
  • রাস্তার দোকান তো এরকমই হবে নিশ্চয়।

    এগুলো সব আরো কিছুটা পরিচ্ছন্ন হলে ভালই।

  • Arpan | 92.150.18.118 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৬:২৮82245
  • আরে আমাদের সব ওপেন এয়ার কাফেটেরিয়া।
  • 4z | 209.167.35.20 (*) | ০৫ মে ২০১৭ ০৬:৩৪82248
  • বোঝা গেল টিসিএস কলকাতা অ্যাডমিন টিমও গুচ পড়ে
  • সিকি | 116.222.112.16 (*) | ০৬ মে ২০১৭ ০২:৪০82249
  • ইয়ে, দিল্লিতেও সবই এসি চালানো ক্যাফেটেরিয়া। লুরুর মতন সেন্ট্রালি এসি নয় কিনা।
  • আপডেট | 148.197.192.65 (*) | ১১ মে ২০১৭ ০৩:০৯82250
  • দুর্ঘটনায় মৃত জয়ন্তবাবুর পরিবার পেয়েছেন ১৩.৫ লাখ টাকা।
    g4s ৮ লাখ
    tcs ৫ লাখ
    সিকিউরিটি স্টাফেরা তুলেছেন ২৬ হাজার
    কিছু প্রোজেক্ট এবং tcs এডমিন থেকে ২৪ হাজার

    এইটা গতকাল একজন সিকিউরিটি স্টাফ বললেন। কী আশ্চর্য! এই tcs adminই মেইল করে সাহায্য করার কথা বলতে ভাগিয়ে দিয়েছিলো! চাপে পড়েছিল তাহলে..
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন