• আমার দেবব্রত শোনা

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২২ আগস্ট ২০১৮ | ২৪৮ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • দেবব্রত বিশ্বাস খুব সম্ভবত: সর্বোচ্চ আলোচিত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। দিস্তে দিস্তে লেখা হয়েছে ওনার গান গাওয়া সম্পর্কে, তাঁর জনাদর সম্পর্কে, বিরুদ্ধতা ও তৎসহ তাঁর অভিমান সম্পর্কে। কিছু আমি পড়েছি।

    ওনার গানের যে দুটো দিক নিয়ে আমি বিশেষ উৎসাহী, সে নিয়ে খুব লেখাপত্তর চোখে পড়েনি। এক, ওনার গানের যন্ত্রানুষঙ্গ ও বিন্যাস (arrangement) আর দুই, গানকে নিজের strength -এর জায়গা থেকে গড়ে নেওয়া।

    প্রথমেই ধরুন যন্ত্রের ব্যবহার। শান্তিনিকেতনী ঐতিহ্যে রবীন্দ্র গানের সঙ্গে সঙ্গতে বেজেছে এসরাজ, তালে কখনও পাখোয়াজ, কখনও তবলা, কখনও কিছু না। শান্তিনিকেতনের বাইরে আগে বাজত অর্গ্যান, পরে হারমোনিয়াম। তালবাদ্য ঐ একই। এটা আমি traditionally বলছি।

    দেবব্রতর প্রথম দিকের রেকর্ডও তাই। এটা আমার ধারণা যে ওনার হাঁপের কষ্ট শুরু হবার পর উনি যখন দেখলেন যে দম আর ধরে রাখা যাচ্ছে না, একটা বিরাম দরকার - তখন সেই বিরামের ফাঁকগুলোয় আর এই ট্র্যাডিশনাল যন্ত্র মিউজিকাল ইন্টারেস্ট ধরে রাখতে পারবে না। উনি তখন পশ্চিমি কায়দায় যন্ত্রানুষঙ্গের ব্যবস্থা করলেন।

    এর পাশাপাশি আর একটা ঘটনা ঘটছিল। মোটামুটি একষট্টি সালের আগে অব্দি, মানে রবীন্দ্র-শতবর্ষের হুজুগের আগে অব্দি, রেকর্ডিং-এ যন্ত্রানুষঙ্গ পুরোন যাত্রা ঘরানার ইন্টারলিউড-প্রিলিউডের ছকে বাজান হত। সেটা কী? সেটা হল গানের প্রথম লাইনটা একবার বাজিয়ে যে নোটে পরের লাইন শুরু হবে সে নোটে এসে অর্কেস্ট্রা বা হার্মোনিয়াম দাঁড়াবে, গায়ক গান শুরু করবে। ব্যতিক্রম কি ছিল না? ছিল। পঙ্কজ মল্লিক। মনে রাখতে হবে পঙ্কজ মল্লিক শুধু ডাকসাইটে রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়কই ছিলেন না, তিনি নিউ থিয়েটার্সের অগ্রগণ্য সঙ্গীত পরিচালক ও অর্কেস্ট্রার কন্ডাকটরও ছিলেন। তার ফলে ওনার গানে যন্ত্রানুষঙ্গের বৈচিত্র্য দেখা যায়। কিন্তু পঙ্কজ মল্লিক ব্যতিক্রম। তাই নিউ থিয়েটার্সের রবীন্দ্রসঙ্গীতও ব্যতিক্রম। বিনতা রায় কি সাইগলের গানের যন্ত্রানুষঙ্গ শুনুন, বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাইছি। সাইগলের 'তোমার বীণায় গান ছিল'র ইন্টারলিউড আজকে শুনলেও আধুনিক লাগে।

    তো এই একষট্টি সাল নাগাদ থেকে যন্ত্রানুষঙ্গ আমাদের ট্র্যাডিশনাল ইন্টারলিউড-প্রিলিউড বাজানোর ছক থেকে বেরিয়ে এসে অন্য সুর বাজাতে আরম্ভ করল। আর সে করতে গিয়ে এল অন্য যন্ত্রের ব্যবহার - বিশেষত: বেহালা।

    এই দুইয়ের মিশেলে দেবব্রত যেটা করলেন সেটা হল নিজের প্রতিটা গানকে একটি অখন্ড সৃষ্টি হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা। রবীন্দ্রনাথ, যিনি একদিকে গান রচনা করেছিলেন হিন্দুস্তানি ধ্রুপদের আঙ্গিকে, অন্য দিকে পশ্চিমি সঙ্গীত ঘরানা থেকে composed music -এর আদর্শ ধার নিয়ে নিজের গানের সংরক্ষণকে রেজিমেন্টেড করতে চেয়েছিলেন - আশ্চর্য লাগে তিনি কেন গানের যন্ত্রানুষঙ্গ ও বিন্যাসকেও সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত করলেন না। এক দিক থেকে এইটা ওনার গানের একটা খামতি, আবার অন্যদিক থেকে দেখতে গেলে এখানে গানের মুক্তিও বটে।

    দেবব্রত সেই খামতিকে পূরণ করার চেষ্টা করলেন নিজের মতন করে। কিরকম? তবলা ও অন্যান্য মজলিশি তালবাদ্যর ব্যবহার সীমিত করে দিলেন। তার বদলে কোথাও পিয়ানো, কোথাও রিদম গিটার দিয়ে ছন্দ ধরে রাখলেন। এবং আমার যেটা সবচেয়ে আশ্চর্য লাগে, কোথাও আবার ডাবল বেস প্লাক করে তাল ধরে রাখার অনুষঙ্গে গান সাজালেন, ঠিক যেমনটা করা হয় জ্যাজে (জ্যাজে অবশ্য ডাবল বেস কখনও রিফও বাজায় আবার কখনও হাই-হ্যাট তাল ধরে রাখে)। সুরের জন্যে ব্যবহার করলেন পিয়ানো, বেহালা, ভিয়োলা, চেলো, অ্যাকর্ডিয়ান, লীড গীটার ইত্যাদি। সঙ্গে এফেক্টসের জন্যে রইল ভাইব্রাফোন।

    অ্যাকর্ডিয়ানের ব্যবহার খুবই নন-ইন্টুইটিভ এবং আকর্ষনীয়। শোনা কথা যে দেবব্রতর যন্ত্রানুষঙ্গ করেছেন ওয়াই এস মুলকি। তাই যদি হয় তাহলে অ্যাকর্ডিয়ান ব্যবহারের একটা যুক্তিগ্রাহ্য কারণও খুঁজে পাওয়া যায়। ওয়াই এস মুলকির প্রধান যন্ত্র অ্যাকর্ডিয়ান।

    কয়েকটা গানের উদাহরণ দিয়ে আমি কি বলতে চাইছি সেটা পরিষ্কার করার চেষ্টা করি।

    প্রথম দিককার কটা বিখ্যাত গান নিই -

    এই তো ভাল লেগেছিল: এখানে দেখুন ট্র্যাডিশনাল অ্যারেঞ্জমেন্ট। খোল আর মন্দিরা বাজছে তাল ধরে রাখতে। গানের সুরের সঙ্গে বাঁশি বাজছে, হয়তো একটা ছড়টানা কোন যন্ত্রও আছে আর ড্রোন রাখছে হারমোনিয়াম বা অর্গ্যান। প্রিলিউড আর ইন্টারলিউড বলছে গানের শুরুর 'এইতো' অংশ।


    এমনি করেই যায় যদি দিন : এখানেও পরিষ্কার তবলা শুনবেন। বাঁশি গানের সঙ্গে সুর ফলো করে চেলেছে। প্রিলিউড আর ইন্টারলিউড গানের প্রথম লাইনের সুর বাজিয়েছে। তবলা বাজছে ট্র্যাডিশনাল স্টাইলে। অন্যরকম বলতে আছে শুধু শুধু স্লাইড (হাওয়াইয়ান) গিটারের ব্যবহার।


    তুমি রবে নীরবে : এখনেও তবলা শুনবেন। শুনবেন এসরাজ গানকে ফলো করছে। শুনবেন ইন্টারলিউড-প্রিলিউড 'তুমি রবে নীরবে' অংশের সুর বাজাচ্ছে।


    এবার পরের দিকের কটা বিখ্যাত গান নিন -

    প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে - গান শুরু লীড গিটার, বেহালা আর অ্যাকর্ডিয়ানের প্রিলিউডে, গানের মেলডি থেকে আলাদা। সঙ্গে স্ট্রিংস গানের পেছনে একটা কাউন্টার পয়েন্ট যোগ করছে। গান শুরুর পরে রিদম গীটার ওয়াল্জ্ বাজাচ্ছে - বুম চাক চাক, বুম চাক চাক। ফলে পুরো গানটা একটা অসম্ভব প্রাণবন্ত পশ্চিমি নাচের ছন্দ পেয়ে যাচ্ছে। বাজছে প্লাকড ডাবল-বেস। তার সঙ্গে কী শুনছেন? ম্যারাকাস। ভাবা যায়! রবীন্দ্রনাথের গানে! অথচ মুহ্যমান রবীন্দ্র-গেঁড়েদের মনমরা সারি সারি মুখের সামনে দিয়ে ম্যারাকার বাজাতে বাজাতে বুক ফুলিয়ে হেঁটে গেলেন দেবব্রত। কারণ এই ম্যারাকাস গানের কাঙ্খিত ছন্দকে অ্যাক্সেনচুয়েট করে দিল। নো উচ্চকিত তবলা বিজনেস। ব্রিলিয়ান্ট।


    মেঘ বলেছে যাব যাব : শুরু হচ্ছে মূলত: পিয়ানো আর ভাইব্রাফোনের প্রিলিউডে। সারা গানেই পিয়ানো আর বিশেষত: ভাইব্রাফোন বেজে গানের অ্যাম্বিয়েন্স তৈরি করেছে। একটা স্লাইড গীটারও আছে। প্রিলিউড-ইন্টারলিউডে মূল গানের মেলডি কিন্তু কোথাও বাজছে না। তবলা-টবলাও নেই। তাল রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি প্লাকড ডাবল-বেসকে। আরেকটা লক্ষ্য করার মতন জিনিস হচ্ছে গানের অ্যামবিয়েন্স তৈরি করতে দেবব্রতর গলায় রিভার্ব সাধারণের থেকে অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


    আমি চঞ্চল হে : প্রিলিউডে স্ট্রিংস, পিয়ানো আর স্লাইড গীটার (তাতে ভাইব্রাফোন এফেক্ট এনে) বাজছে। গানের মেলডি নয়, অন্য মেলডি। ইন্টারলিউডেও। সারা গানে বেহালা আর ভাইব্রাফোন বাজছে, কিন্তু গানের সুর ফলো করছে না। তাল রাখছে শুধু প্রতিটা মেজারে একটি করে ঘা দিয়ে।
    (
    )


    স্ট্রেংথের যে জায়গাটা বলছি সেটাকে বরং নিজের খামতি বুঝে গাওয়ার ক্ষমতা বলা যাক। হাঁপানির কারণে নিজের দমের ঘাটতি কীভাবে যন্ত্রানুষঙ্গ দিয়ে মিটিয়েছেন সেটার উল্লেখ আগে করেছি। এর সঙ্গে ওই কারণেই গানের লাইনের শেষের সুর ধরে রাখার ব্যাপ্তিটাও ছোট করে নিলেন। তার ফলে অন্য শিল্পীর লিগ্যাটো গায়ন দেবব্রতর গলায় স্ট্যাকাটো হয়ে গেল। একটাই উদাহরণ দিচ্ছি, কিন্তু অন্য গানেও খুঁজলে এরকম অনেক উদাহরণ পাবেন। ধরুন "সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায়" গানটা। কনক দাস আর দেবব্রত দুজনেই নিজেদের মতন করে গানটি গেয়েছেন। দুটোই হল-অফ-ফেমে যাবার মতন গাওয়া। কিন্তু গান দুটো শুনলে বুঝতে পারবেন কী বলতে চাইছি। যেখানে কনক দাসের গানের আগের লাইন সুরের অনুরণন রেখে পরে লাইনে যাচ্ছে, সেখানে দেবব্রতর গায়নে লাইনগুলো ছাড়া-ছাড়া। এ গান বোধহয় দেবব্রত হাঁপানি খুব বেশিরকম জাঁকিয়ে বসার আগের রেকর্ডিং, কিন্তু তাও প্রথম লাইনে দেখুন, "কে যায়" বলার আগে একটা দম নিচ্ছেন, কনক দাসকে সেই দমটা নিতে হচ্ছে না। উনি বরং পজটা দিচ্ছে "সকরুণ বেণু" আর "বাজায়ে"-র মাঝে।

    কনক দাসঃ


    দেবব্রত বিশ্বাসঃ


    আরেকটা ব্যাপার ছিল, দেবব্রতর ভারী গলায় তান ভাল হতনা, টপ্পার দানা তেমন খেলত না বলে টপ্পাঙ্গের গান এড়িয়ে গেছেন। এড়িয়ে গেছেন ধ্রুপদ-ভাঙা গানও - "বাণী তব ধায়", "মহারাজ, এ কী সাজে" অল্প কিছু গান বাদ দিলে। যদিও আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় ওনার গলায় ভাল খেলতে পারত। সেও কি ধ্রুপদের টাইট তাল হাঁপানিজনিত খামতিতে পারবেন না বলে?

    আরেকটা জিনিসও দেবব্রত খুবই কন্ট্রোলড ভাবে ব্যবহার করেছেন, সেটা হল মীড়। কিন্তু যেখানে সেটা লাগিয়েছেন, সেখানে একেবারে অব্যর্থ। "বহুযুগের ওপার হতে" (
    )
    "ওপার" শব্দে।

    মুক্তকচ্ছ হয়ে লিখতে গিয়ে লেখাটা বড় ও কচকচি হয়ে গেল। কিন্তু দেবব্রতর গান নিয়ে কিছু বলতে গেলে যিনি নালেঝোলে হন না, তিনি বরং হানি সিং শুনুন।

    (লেখাটা গেল বছর দেবব্রত বিশ্বাসের জন্মদিনে, মানে আজকের তারিখে, প্রকাশিত)
  • বিভাগ : ব্লগ | ২২ আগস্ট ২০১৮ | ২৪৮ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
বদল - ন্যাড়া
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | 90045.207.0156.235 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৪:২২63883
  • উফ, হাত্তালির চোটে কান ফেটে গ্যালোরে বাবা।
    গান বুঝি না বলে আর কোনো দুক্ষ থাকলো না ।
  • PM | 2345.110.892312.224 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৫:১০63884
  • দুর্ধর্ষ
  • b | 562312.20.2389.164 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৫:৫৭63885
  • ন্যাড়াস্যারের এই লেখাটার কিছু অংশ গুরুতেই পড়েছিলাম না? অন্য কোনো প্রসঙ্গে?
    (লেখাটা দারুণ, সে তো হয়েই থাকে)।
  • pi | 2345.110.9004512.57 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৬:৪৭63888
  • জমিয়ে রাখলাম, শুনতে শুনতে পড়ার সুযোগসময় আসার জন্য।
  • শিবাংশু | 5645.249.2378.207 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৭:০৪63886
  • লেখাটি আগে থেকেই বেশ কিছুবার পড়া ও 'শোনা'। একটাই মুশকিল, ন্যাড়ার লেখার সঙ্গে কিছু জুড়তেও পারিনা, আবার লড়তেও পারিনা। শুধু পড়তেই পারি।

    দীর্ঘতর মকশোটি রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে আমার বৃহৎ ধারাবাহিকটির অংশ। ওটার সঙ্গেই আসবে।
  • PT | 340123.110.234523.25 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৮ ০৭:২৫63887
  • এই গানটা শুনে খুব বিব্রত হয়েছি। এটা কি গানটির অন্য সুর নাকি বহুচর্চিত দেবব্রতর ইচ্ছামত সুর পরিবর্তন?


    স্বরলিপির সুরে গাওয়াঃ
  • বিপ্লব রহমান | 340112.231.126712.74 (*) | ২৩ আগস্ট ২০১৮ ০২:৫২63889
  • ”ম্যারাকাস। ভাবা যায়! রবীন্দ্রনাথের গানে! অথচ মুহ্যমান রবীন্দ্র-গেঁড়েদের মনমরা সারি সারি মুখের সামনে দিয়ে ম্যারাকার বাজাতে বাজাতে বুক ফুলিয়ে হেঁটে গেলেন দেবব্রত। “

    গানগুলো শুনতে শুনতে ন্যাড়াদার বাদ্য বিশ্লেষণ – এক কথায় ব্রিলিয়ান্ট!

    টুপিটা খুলে রাখলাম।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত