• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৪১56544
  • নাইনটিজে ভারতীয় উপমহাদেশের লাইভ টেলিকাস্ট আটলান্টিকের ওপারে দেখা মুশকিল ছিল।
    ইন ফ্যাক্ট, টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট এখনও খুব কম ইভেন্টেই দেখায়। ইন্টারনেট বা আইপি টিভির কথা বলছি না।
  • Rit | 213.110.242.22 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৪৪56575
  • মেয়েদের টেনিসে অবশ্য সেটা বলারও প্রয়োজন পড়ে না। মার্টিনার খেলা দেখিনি (মিক্সড ডাবলস ছাড়া)। তবে স্টেফি-সেলেস-কাপ্রিয়াতির পরের যুগে শুধুই উইলিয়ামস বোনের পাওয়ার। আর কিছু নেই।
  • সে | 198.155.168.109 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫০56545
  • ওহ্!
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৬56546
  • অভি হেব্বি লিখেছে
  • দ্রি | 186.126.252.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৭56576
  • সেই, এখনকার ক্রিকেট নিয়ে আর কতটুকু জানি? ম্যাচ বাই ম্যাচ আর ফলো করা হয় না। লাইভ দেখা হয় না। তবে টিটোয়েন্টি যখন এলো, কয়েক বছর আগে, দেখার চেষ্টা করেছিলাম, পজিটিভ মাইন্ডসেট নিয়েই। কিন্তু আনফরচুনেঅলি, ভালো লাগে নি। ভালো লাগে নি ঐ ব্যাটসম্যান্‌স গেম। মনে হয়েছিল, এই খেলায় বোলারদের জন্য কিছু নেই। তারা শুধু পাঞ্চিং ব্যাগ। এখন যদি কিছু বদলে থাকে সেটা আশার কথা। কিন্তু ঐ, শুরুর অভিজ্ঞতার জন্য টিটোয়েন্টির ওপর একটা নেগেটিভ বায়াস আমার হয়েই গেছে।
  • দ্রি | 186.126.252.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:০০56577
  • আর ফিল্ডিংএর ওভারঅল উন্নতির জন্য মনে হয় নানারকম রিসেন্ট ড্রাগ্‌সেরও বড় ভুমিকা আছে।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:০৫56578
  • আহহা, এটা বড় পছন্দের বিষয়ে ঢুকছেন দ্রি-স্যর। এ নিয়ে একটু আলাদা এবং বড় করে লিখুন, অনেক গল্প বলার ও শোনার আছে। :)
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:০৬56579
  • আর ওইটি শুধু ফিল্ডিং-এ না, সবেতেই। :)
  • দ্রি | 56.166.188.229 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:১১56580
  • ইয়েস, সবেতেই।

    গেল বিশ্বকাপ ফুটবলে, কত্তগুলো গোলকীপার দারুণ কীপিং করল। আমার তো দেখে মনে হল রিফ্লেক্স বাড়ানোর নতুন কোন ড্রাগ ডিসকাভার্ড হয়েছে যেটা এখন এদের ওপর টেস্ট করছে।
  • Arpan | 24.195.233.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:৩২56582
  • আর দ্বিতীয়ত আমরা পাড়ায় গলিতে দশ ওভার - পনেরো ওভারের ম্যাচ খেলে বড় হয়েছি। প্লেয়ারের অপ্রতুলতা, কমে আসা আলো - অনেক কারণ। কিন্তু এগুলো সিরিয়াস ক্রিকেট ছিল না। যেমন অফ আর অনে বেশি জায়গা নেই বলে রাস্তার ক্রিকেটে জনতা প্রায়ই দিলস্কুপ শট নিত। টি টোয়েন্টি ক্রিকেট এসে হলটা কী, ঐসব গলিক্রিকেটের শট মেনস্ট্রিম ফর্ম্যাটে হইহই করে ঢুকে পড়ল।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪৬56583
  • মার্টিনা-স্টেফির খেলা দেখেছি, কয়েকটা। স্টেফিকে সাপোর্ট করতে করতেও স্বীকার করতেই হতো যে মার্টিনার শটগুলো কী ভীষণ এলিগেন্ট হতো বেশিরভাগ সময়। মজার কথা হলো, সেই সময়েও পাওয়ার আস্তে আস্তে জায়গা তৈরী করছিলো। স্যাঞ্চেজ ছিলো মূলত ঐ ঘরানার।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪৯56584
  • গলি ক্রিকেট ও বিশ্বক্রিকেটে তার অবদান বলে প্রবন্ধ ফাঁদা যায়, বিষয় মোটেই অবহেলার নয়। পাকিস্তানের অনেক বাঘা বাঘা প্লেয়ার জাস্ট গলি থেকে উঠে এসেছে। এই যে ইনজামাম উল হক। পাড়ার মাঠে নিয়ম ছিল কেউ সেঞ্চুরি করলে নিজেদের ফিল্ডিং-এর সময় সে মাঠের বাইরে খাটিয়া নিয়ে শুয়ে থাকবে, মাঠে আর নামতে হবে না। সেই লোভে ইনজামাম নাকি প্রায় হর ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকাতেন। খাটিয়ার ইনসেন্টিভ না থাকলে হত? আর আজ আমরা ফানি ইনজামাম রান আউট ভিডিও দেখে খিল্লি ওড়াই। প্রেক্ষিত ছাড়া বিচার হয়?
    বা এই আমার কথাই ধরুন না। মাঠে শক্ত অসমান বাউন্সে জীবনে সুইপ মারতে যাই নি, জানতামই না। হস্টেলের ছাদে নিয়ম হল যেকোনোভাবে, মানে গড়িয়ে, উড়ে, মোদ্দা বল বাইরে গেলেই আউট। ওদিকে ডানহাতিদের পয়েন্ট থেকে ডিপ সিলি অব্দি উঁচু দেওয়াল। তারা মনের আনন্দে ব্যাকফুটে যায়, কভারে খেলে। আর বাঁহাতি আমি সেসব খেললেই বল ড্রপ খেয়ে আড়াই ফুটের প্যারাপেট টপকে আউট। তখন কি কল্লুম? মনে মনে ডারউইন সাহেবকে প্রণাম করে কষে সুইপ মারা প্র‍্যাকটিস করলাম। শেষে এমন হল যে স্টেপ আউট করে সুইপ মারছি। আজ অব্দি দেখেছেন? :) দুদিন পরে এও হয়তো লোকজন নামিয়ে দেবে রয়্যালটি ছাড়াই। :(
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:০০56585
  • গলি ক্রিকেটে বা মাঠেও টেনিস বলে খেলা হলে সুইপ মারা আত্মহত্যার সামিল। তাই সুইপ সেখানে কমন না। এরকম ব্যাপার অনেক হতো। আমাদের একটা পপুলার ভার্সন ছিলো, ওয়ান ড্রপ ক্যাচ অ্যালাউড করে দেওয়া, যাতে জাজমেন্ট আর গ্রাউন্ড শট খেলতে লোকে বাধ্য হয়। ক্লোজ ইন ফিল্ডিং এরও দারুন উন্নতি হয়। ঃ-)
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:০৩56586
  • হ্যাঁ আমিও টি২০ পজিটিভ মাইন্ড নিয়েই দেখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু বড্ড ব্যাটসম্যান সর্বস্ব গেম, যেমনটি দ্রি বললেন। তাছাড়া সৌন্দর্য্য নস্ট হচ্ছে, লোকে তারু চালিয়ে হাবিজাবি শট খেলে প্রচুর রান তুলছে - ঐ দেখে হাততালি দিতে মন চায় না।

    আর ফিল্ডিঙ্গের উন্নতির জন্য প্র্যাক্টিস দায়ী। বেসবলে ওরকম ফিল্ডিঙ্গ ক্যাচ হামেশাই নেওয়া হয়, কলেজ লেভেলেও। আগে বেশিরভাগ টিমে ফিল্ডিঙ্গ প্র্যাকটিস ছিলই না। থাকলেও তা ছিলো সক্কলে মিলে গোল করে দাঁড়িয়ে ক্যাচ প্র্যাক্টিস করা। ওটা কোনো ট্রেনিঙ্গই না। সাউথ আফ্রিকা যখন প্রথম কয়েক ওভারে ৪-৫ উইকেট হারিয়েও ম্যাচ জিতছে তখন শুনেছিলম ওরা নাকি ঐভাবেই প্র্যাক্টিস করে। মানে ৫-৬ নম্বর ব্যাটসম্যান নেমেছে ৩০ ওভারে ২০০ তুলতে হবে - এইরকম সিনারিও ধরে ধরে প্র্যাক্টিস। তখনো ইন্ডিয়াতে ব্যাটিঙ্গ প্র্যাক্টিস মানে বোলার বল করবে আর ব্যাটসম্যন নেটের মধ্যে ব্যাট চালাবে/ ঠুকবে। এগুলো তো লোকে টিমে ঢোকার আগে বা অফ সিজনে করতে পারে।

    আমার কিন্তু পারফেকশন খুব ভালো লাগে। যেমন ইপিএলে দেখেছিলাম প্লেয়াররা থ্রো লাইন ধরেও পাস দিচ্ছে, মানে বল লাইন ধরে অন্য প্লেয়ারের কাছে চলে যাচ্ছে, মাঠের বাইরে যাচ্ছে না। লিগের খেলাতে ক্রুশিয়াল মুহুর্তে প্লেয়াররা এটা তখনই করে যখন সেই নিয়ে গুচ্ছের প্র্যাক্টিস থাকে, আগে থ্রো লাইনকে মাঠের বাইরে ধরে নিতো প্লেয়াররা। শুনেছিলাম ইউরোপে গোলকিপার বল পাওয়ার পরে কাকে পাস দেবে সেটাও নাকি আগে থেকে প্ল্যান করা থাকে আর প্র্যাক্টিস করা থাকে। পুরো খেলাটাই কতগুলো প্ল্যানের সমষ্ঠি।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:০৬56587
  • বা ক্রিকেট বলেও, বাঁকুড়ার কাঁকুরে মাঠের ঈশ্বর জানেন কি পিচে। :)
    শচীন নাকি একবার কোন এক জায়গায় বৃষ্টিতে প্র‍্যাক্টিস সেশন বন্ধ থাকায় হোটেলে ওই ওয়ান ড্রপ ওয়ান হ্যান্ড খেলেছিলেন। শ্রীনাথ কুম্বলে বোলার ছিলেন। এবং শচীনকে নাকি আউট করা যায় নি।
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:১১56588
  • টেনিসের টাচ প্লে বলতে হলে রমেশ কৃষ্ণান আর অঁরি লেকতে।

    লেকতের খেলার গ্লিম্পস।

  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:১২56589
  • সাব কন্টিনেন্ট ক্রিকেটে গলি ক্রিকেটের বিশাল অবদান। কিন্তু ওতে আল্টিমেটলি ক্ষতিই হয়েছে। শচিনের মতন ট্যালেন্ট নিয়েও ইনজির রেকর্ড অনেক পিছিয়ে। ৪০ বার রান আউট হয়েছে। রানিঙ্গ বিটুইন দ্য উইকেট খারাপ না হলে আরো রান আসতো। এছাড়া অন্যকে যে কতবার রান আউট করেছে তার ঠিক নেই। তারপরে আছে ফিল্ডিঙ্গ। উল্টোদিকে সচিন তৈরী হয়েছে শিবাজি পার্কে, ফলে ফিটনেসে কোনো খামতি নেই। আজকের দিনে এইগুলো খুব ইম্পর্ট্যান্ট। নইলে আপনার প্রিয় প্লেয়ার মাঝে মাঝে দারুন ইনিন্গ্স খেলবে, আর দল নিয়ম করে ভালো খেলেও হারবে। আজকের কোহলিকে দেখুন, রোহিত শর্মা বা ধাওয়ানকে দেখুন, এমনকি ধোনিকেও দেখুন - ম্যাচটা জিততে জানে।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:২০56590
  • আহা, তা তো বটেই। :-)
    তুলনার জায়গা নেই। গলি ক্রিকেট হল ক্রিকেটের রোম্যান্টিক ঐতিহ্যের একটা পরম্পরা। ভাবতে ভালো লাগে। যেমন রাস্তার ভিখারিকে রাজার হাতি মাথায় তুলে রাজা বানায়। তাতে রাজ্য কি ভালো চলে? কিন্তু গল্প তৈরি হয়। শুনতে, শোনাতে ভালো লাগে।
    তবে এই পথেরও মহাপ্রস্থান ঘটে গেছে। আর পাবেন না।
  • দ্রি | 209.87.154.251 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:২৪56591
  • হ্যাঁ, প্র্যাকটিশ আছে, ব্যায়াম আছে, ড্রাগ্‌স আছে, বেটিং আছে , সব আছে গো এস-বাবু। ক্রীড়া মাত্রেই এই সবের সমষ্টি।

    আসলে খেলা দেখানোর আসল ফাংশান হল, আমাদের মত সাধারণ মানুষের সুপারহিউম্যান ইচ্ছেগুলোকে চোখের সামনে ফুলফিল করে দেখানো। এতে করে প্রজাদের মধ্যে একটা সুখের ইলিউশান হয় তো। তাই রাজাদের কাছে এটা ইম্পর্ট্যান্ট। যারা খেলার স্পেক্ট্যাক্‌লটা অর্গানাইজ করে তারা প্লেয়ার পোষে, তাদের তৈরী করে, গ্রুম করে, যা যা দরকার দেয় (ট্রেনিং, ড্রাগস হোয়াটেভার)।

    রোমান সম্রাটরা প্রজাদের সার্কাস দেখাতেন। ক্রীতদাসের সাথে সিংহের লড়াইটা এই পোলিটিকাল কারেক্টনেসের যুগে আর তত প্যালেটেব্‌ল নয়। তাই আমরা ক্রিকেট, ফুটবল এইসব দেখি।
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৩১56592
  • তাহলে কেনিয়ানরা নিয়মিত লঙ্গ ডিসটেন্স যেতে কেন? শর্ট ডিস্টেন্সেও? আর কিউবানরা বক্সিঙ্গে এতো ভালো কেন? এগুলোর সবথেকে রমরমা তো আম্রিগায়। তা আম্রিগা ক্রমশঃ খেলাধুলার জগতে এতো পিছিয়ে পড়ছে কেন? বা বৃটেন?
  • দ্রি | 209.87.154.251 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪০56593
  • সেটা তো ভাবতে হবে।

    কিন্তু অলিম্পিকে মেডেল তো ইউজুয়ালি তারাই বেশী পায় হিস্টোরিকালি। আমেরিকা পিছিয়ে পড়ছে ... এমন কি হতে পারে যে এইসব ড্রাগ রিসার্চে চায়নার মত দেশ আর ক্যাচিং আপ?
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৫56594
  • পারফরমেন্স এনহ্যান্সিঙ্গ অনেক রকম টেকনিক তৈরী হচ্ছে। মাসলের রিফ্লেক্স বাড়ানো হচ্ছে। এক্সারসাইজ করেই। কিন্তু বেশিরভাগ টিম গেমেই ঐসবের ইম্প্যাক্ট সামান্য বলেই মনে হয়। মারাদোনা ইজ মারাদোনা।
  • Sakyajit Bhattacharya | 229.64.77.203 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৭56547
  • অভি, দারুণ :)

    এরকম আরো কয়েকটা স্মৃতিচারণা হোক

    স্কোরবোর্ড তো আসলে গাধা। দিনের শেষে এরকম কিছু স্মৃতি-ই শুধু মায়া রাখিয়া যায়
  • দ্রি | 209.87.154.251 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৮56595
  • ঃ), ম্যারাদোনা ইজ ম্যারাদোনা, বাট ড্রাগ ইজ ড্রাগ।
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫১56596
  • জার্মানীর কি হলো? রাশিয়ার? তাদের কি ড্রাগস কম পড়লো?
  • দ্রি | 209.87.154.251 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫২56597
  • এরা তো অলিম্পিকে দারুণ করে বরাবর।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫৮56598
  • দ্রি, প্লিজ, এরকম না। ড্রাগ বললে একটা সমসত্ত্ব প্যানাশিয়ার ধারণা আসছে। কোন কোন ড্রাগ, কোন সময়ের, কোন দেশের, কোন পারফরমেন্স বাড়ায়, কিভাবে কাজ করে, তাদের লং টার্ম রেজাল্ট কী - একটু ডিটেলে বলতে শুরু করুন না একদিন।
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫৯56599
  • আগের থেকে অনেক খারাপ।

    ১৯৮৮ অলিম্পিক (সোনা টোটাল মেডেল)ঃ
    ১) রাশা ৫৫ ১৩২
    ২) জিডিআর (পুর্ব জার্মানী) ৩৭ ১০২
    ৩) আম্রিগা ৩৬ ৯৪
    ৪) দক্ষিন কোরিয়া (আয়োজক) ১২ ৩৩
    ৫) পস্চিম জার্মানী ১১ ৪০
    অনেক পরে
    ১১) চীন ৫ ২৮

    আর এখন?
  • দ্রি | 209.87.154.251 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৯:০০56600
  • অভিবাবুর আবার হাঁড়ির খবরে বেশী লোভ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন