• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:২৭56531
  • ২০০৩-এ শুধু ফাইনাল দেখেছিলাম, ঐ যে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারল - ঐটা তো? ঐ যে জাহির খান প্রথম ভারেই এক গুচ্ছ ওয়াইড বল করল।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩০56532
  • ঐ ম্যাচে শ্রীনাথ প্রায় ইচ্ছে করেই বাজে বল করেছিলো যাতে ইন্ডিয়া না জেতে।
  • avi | 113.24.84.88 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩১56533
  • ঠিক। একদিনের ম্যাচের ব্যাকরণ পাল্টে দিয়েছিল ফিল্ডিং, প্রথমেই ঝোড়ো মার, আর মাঝের ওভারে দ্রুত এক-দুই নেওয়ার ক্লিনিক্যাল প্রিসিশন। ভারত ব্যাপারটা ধরতে ধরতেই নব্বইয়ের দশক পেরিয়ে যায়।
    টেস্টে অস্ট্রেলিয়া সুপারপাওয়ার হয়ে ওঠে ২০০০-২০০৮ এই সময়ে। ভয়ঙ্কর দল, হেডেন থেকে ম্যাকগ্রা, কিন্তু আমার কাছে এক্স ফ্যাক্টর ছিল গিলক্রিস্ট। মোটামুটি ভালো একটা দল দিনের শেষে ৩০০+ পাঁচ উইকেটে হয়েই যায়। কিন্তু তারপর এত তাড়াতাড়ি সেটা ৫০০ পেরিয়ে যেত চিন্তার বাইরে। বিপক্ষ দল এই দ্বিতীয় আক্রমণটা একেবারেই সামলাতে পারে নি। বোলারেরাও অনেকটা বাড়তি সময় পেয়ে যেত। তবে যদ্দূর মনে পড়ে, গিলি ভারতের সাথে তত সফল ছিলেন না।
    একটা খেলা দেখেছিলাম। পাকিস্তান আর অস্ট্রেলিয়া। পাক পেসাররা আগুন ছোটাচ্ছেন। অজিরা ৭০ ন ৮০ তেই পাঁচজন ফেরৎ। গিলি এসে সেই অবস্থাতেও ১৬০ বলে ১৭০ এর মত করে গেলেন। মারের কি লেভেল! আর এত ক্যাজ অ্যাটি, দেখলে ভয় লাগে।
    S, হেডেনকে সামনে দেখে ইডেনে রীতিমতো ভয় লেগেছিল। ঃ) লং অন / থার্ডম্যানে ফিল্ড করছিলেন। আমরা দেখলাম মোটামুটি ওনার কব্জির বেড় আমাদের কাফ মাসলের মতো। ঃ)
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩২56558
  • জন্টির ফিল্ডিং এর সৌন্দর্য্য ছিলো অসামান্য, যে কারণে জাদেজা ইত্যাদির থেকে আমার এখনো জন্টি বেশি প্রিয়। খেলা যেদিন থেকে শুধু টেকনিকালি নিখুঁত রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম হয়ে যায় সেদিন থেকেই তার আকর্ষণ কমে যাওয়া নিশ্চিৎ, তা সে যেকোনো খেলাই হোক না কেন (ব্যক্তিগত মত)। এবার, জিততে হলে লোকে ভুল এলিমিনেট করবেই, সুতরাং এসকেপ রুট সেভাবে নেই, মেনে নিতে হবে। সেম গোজ উইথ টেনিস, ফুটবল ইত্যাদি।
  • dc | 132.178.19.147 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩৩56559
  • আমার দেখা বেশ কয়েকটা অসাধারন ইনিংস আছে, তার মধ্যে কালু-জয়সূর্য্য, হেডেন-গিলক্রিস্ট, আর স্টিভ ওয়ার কিছু ইনিংস তো আছেই। বিশেষ করে কালু-জয়া প্রথমদিকে কিছু ম্যাচে যে বিভৎস ক্যালানো শুরু করেছিল সেগুলো। আর এগুলোরও আগে রাখবো সৌরভএর দুয়েকটা ইনিংস, যেগুলোর প্রায় সবকিছু মনে আছে। যেমন বাংলাদেশে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে একটা সেঞ্চুরি আর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মেলবোর্নে একটা।

    কিন্তু যে ইনিংসটা মিনিট বাই মিনিট এখনো চোখের সামনে ভাসে সেটা শচীনের মরুঝড়ের প্রথমটা। ওটা পরে ইউটিউবেও দেখেছি, কিন্তু ঐ একটা ইনিংস যেটা লাইভ না দেখলে কেউ বুঝবে না কি অতিমানবিক একটা ম্যাচ হয়েছিল। প্রথম হাফে যথারীতি বেভান সেঞ্চুরি মেরেছিল আর মার্ক ওয়া ৮৭।

    ম্যাচটা আমাদের বাড়িতে দেখেছিলাম, আমি বাবা আর আমার মামা মিলে। বালির ঝড়ে একটা বড়ো ইন্টারাপশান হয়েছিল বোধায় রাত্তির সাড়ে নটা কি দশটা নাগাদ, সেইসময়ে খেয়ে নিয়েছিলাম। আর মোটামুটি এগারোটা কি ওরকম সময়ে শুরু হয় আসল চেজ। আর খেলাটা দেখতে দেখতেই আমরা বলাবলি করছি যে আজকে যে ইনিংস দেখছি সে বোধায় আর কখনো দেখবো না। প্রতি দশ পনেরো মিনিটে ছোট ছোট ইন্টারাপশান হচ্ছে, আবার খেলা শুরু হচ্ছে, আর শচীন টেনে নিয়ে চলেছে। একেকটা শট নিচ্ছে আর টিভিতে মার্ক আর স্টিভ ওয়ার মুখ দেখাচ্ছে। আর টোনি গ্রেগের কমেন্টারি। ওই একটা ইনিংস কখনো ভুলব না।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩৯56534
  • সব খেলা কি করে দেখা যায়। হয় নাকি।
    তাছাড়া, এপাড়ার ফেনোমেনন গুলো তো ছাড়া যায় না - এই যে স্টিফেন কারি ইতিহাস রচনা করছে, ওএ ঐতিহাসিক খেলাগুলো ছাড়া কি সম্ভব ! বা, কেপারনিক যখন শুরু করল, অবশ্য শুরু করেই উবে গেল।
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩৯56560
  • মরুঝড় দেখি হোস্টেল থেকে অনেকে মিলে। ঝড়ের সময়ে শচীন হেলমেট খোলে নি যদি কনসেন্ট্রেশন নষ্ট হয়ে যায়। আর টনি গ্রেগের নাটকীয় কমেন্ট্রি। ওটা দেখতে দেখতে আমরা বলাবলি করছিলাম নাতিকে বলার মতন কিছু দেখলাম - "এই ম্যাচটা আমরা লাইভ দেখেছিলাম"।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪২56562
  • জন্টির খেলা যখন দেখতাম তখন মনে হত অন্য গ্রহের প্লেয়ার, সমকালের চেয়ে অন্তত কুড়ি বছর এগিয়ে আছে। সেই মুগ্ধতা এখনো আছে, কিন্তু এখনের সময়টাই তো সেই কুড়ি বছর পরের সময়। এখন যখন ইউটিউবে জন্টির খেলা দেখি, খুব চেনা লাগে, কারণ এখন তো ওই জিনিসগুলো নিয়মিত দেখি, হয়তো আরো সুইফটলি। জন্টির পরে পরেই যারা এসেছিলেন, মানে পন্টিং, গিবস, বা যুবরাজ কাইফ - এদের দক্ষতা জন্টির তুলনায় কমই বলবো। কিন্তু এখন জিনিসটা অনেক বেশি ডেভেলপড। রবীন্দ্র জাদেজা বাউন্ডারি লাইন থেকে এক কোয়ালিটির থ্রো করেন, ফ্ল্যাট থ্রো, যেটা আগে পয়েন্ট বা কভার থেকে করা হত। ওইখান থেকে করা থ্রোয়ের উদ্দেশ্যও কিন্তু আউট করা, জাস্ট ফেরৎ দেওয়া নয়। শার্প ক্যাচ, থ্রো, ফিটনেস, রানিং স্পিড - সত্যি বলতে কি দশ বছর আগের থেকেও পুরো পরের ভার্শন এসে গেছে। তবে এখনের কেউই শুধু ফিল্ডিং এবিলিটি দেখিয়ে টিমে আসবেন না, কারণ জেনারেল স্ট্যান্ডার্ডটাই অনেক ওপরে। :)
    সময়ের সাথে এটা হওয়াই কিন্তু স্বাভাবিক। সব ফিল্ডেই। স্পেশালি যেখানে শারীরিক সক্ষমতা জড়িত। যেমন স্প্রিন্ট বা সাঁতার। আগে যেগুলো ছিল চ্যাম্পিয়ন বা সুপারম্যানদের বেঞ্চমার্ক, এখন সেই রেঞ্জে অন্তত দশজন ঘোরাফেরা করে, ফলে ওটাই এখন গড়পড়তা লেভেল হয়ে গেছে। :)
  • Robu | 11.39.137.104 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪২56561
  • নাতিকে বল্লেন?
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪২56535
  • দাদাগিরিতে গাঙ্গুলি একবার বলেছিলো যে হেডেনকে আউট করবো কি, ও দাঁড়ালে তো বোলার উইকেটই দেখতে পায়্না।

    ভারতের ওয়ান ডে তে ডেপথটা ছিলোনা যতদিন না সেওয়াগ আর যুবরাজ আসে। তার আগে সচিন সৌরভ - এরা আউট হয়ে গেলে দ্রাবিড়ও চাপে পড়ে ঠুকতে শুরু করতো, আর সময় মত আউট। তার পরে আর কেউ নেই বললেই চলে। পরে ঐ দুজন এসে আর কায়িফ ইত্যাদির ফলে ব্যাটিঙ্গ (ম্যাচ উইনিঙ্গ) লাইন আপ লম্বা হয়। ৯০ এর দশকেই ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের গেমে পরিণত হয়েছে। আর স্পেশালিস্ট বোলারের দরকার হয়। সঙ্গে প্রিসাইস ফিল্ডিঙ্গ।

    ক্রোনয়ে না বব উলমার বলেছিলেন যে ওয়ান ডে খেলা সোজা। তার আগে সবাই ভাবতো টেস্টে অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। একটু ঠুকলেই ড্র, প্রেসার কম ইত্যাদি। উনারা বললেন যে প্রথমত মোটে ৫০ ওভার খেলতে হচ্ছে - এর মধ্যে আউট না হলেই চলে। বিপক্ষকে মোতে একবার আউট করতে হবে, দরকারও নেই - কাম রানে আটকে রাখলেই হয়। বিপক্ষের কোনো বোলার খুব ভালো হলেও সে ১০ ওভারের বেশি বল করবেনা। ঐভাবে তার আগে কেউ ভাবেইনি।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৪56563
  • সরি,আমার পোস্টটা আগেই যাওয়ার ছিল, ইন্টারনেট সমস্যায়... ব্যাপারটা আগেই কভার হয়ে গেছে। :(
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৭56564
  • ঐ খেলাটাতেই শচীন মনে হয় ম্যক্গ্রাকে উইকেট ছেড়ে একটা ছয় মেরেছিলো। আর অউটটাও তো ছিলোনা - স্টিভ বাকনার।
  • সে | 198.155.168.109 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৮56536
  • নব্বই এর দশকের গোড়ায় তো স্যাটেলাইট টিভি এসে গেছল। সব খেলাই বিদেশে (হলধর মার্কা বিদেশ নয় বলা বাহুল্য)বসে দেখেছি। অবিশ্যি প্যারাবোলিক অ্যান্টেনা না থাকলে অন্যকথা। তবে অ্যামেরিকায় তো ওসব চ্যানেল পাওয়া যেত বলেই জানি।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫১56565
  • টিম-দা, টেকনিক্যালি নিখুঁত খেলার সৌন্দর্য কমে যাবে, এই ভয়টা সব খেলায় একটা সময় এলেও সৌন্দর্য কিন্তু কমে নি। সাম্প্রাসের পরে পরে টেনিসের সৌন্দর্য কমে গেল, এখন শুধুই পাওয়ার হিটিং - এই মর্মে অনেকেই দুঃখ করেছেন। ফেডেরার কিন্তু সেসব নিয়েও এক ফেনোমেনন। একই কথা ফুটবলেও। তাই, সৌন্দর্য, শিল্প, সূক্ষ্মতা থাকবেই। বড়জোর তার অলঙ্কারের রকমফের হতে পারে।
  • avi | 113.24.84.88 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫১56537
  • হুঁ, উলমারের ফান্ডা। বেশ প্রভাবিত হয়েছিলাম বলতে হবে। বল হাতে উইকেট পাওয়ার চেয়ে মেইডেন দিলে বেশি খুশি হতাম। ফ্যানি ডেভিলিয়ার্সের ফ্যান ছিলাম। বাউন্ডারির ধারে কখনো ফিল্ড করছি, ক্যাচ উঠেছে যেটা বেশ আগে পড়বে। ধর্মসংকটে পড়তে হত, দৌড়ে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা ভালো (মিস হলে বল বেরিয়ে যাবে), নাকি পিছিয়ে ওয়ান ড্রপ আটকে রান বাঁচানো।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫২56538
  • নোপ। নো ক্রিকেট চ্যানেল ইন নাইন্টিস।
    ১৯৯৬এ কিছু খেলা উইলো টিভিতে দেখিয়েছিল, তাও সেটা কানডায় হয়েছিল বলে, ভারত-পাকিস্তান। কেব্‌ল চ্যানেলে উইলো ছিল না তখন, অ্যান্টেনা লাগিয়ে সীমিত গোটা ছয়েক ম্যাচ লাইভ দেখা।
  • S | 202.156.215.1 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫৩56566
  • জন্টির সময়ে ইন্ডিয়াতে দুজন ভালো ফিল্ডারঃ জাদেজা আর আজহার। পরে যুভরাজ আর কায়িফ। এখন অনেকেই আছে টিমে যারা খুব ভালো ফিল্ডার। কিন্তু যন্টি যেটা করেছিলো সেটা হলো ফিল্ডিঙ্গের ইনোভেশন। এখন সেগুলোর রেপ্লিকা চলছে। খুব উঁচুতে যাওয়া বল গোলকিপারের মতন ফিক্স করে ক্যাচ নেওয়া বা সেই মাটির পারপেন্ডিকুলার ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেওয়া বা পুরো বডি স্ট্রেচ করে বল আটকানো এগুলো ঐ তৈরী করেছিলো - ঐ সময়েও দক্ষিন আফ্রিকা বা অস্ট্রেলিয়ার অনেকেই এটা করতে শুরু করে। হিরো কাপে ডেভিলার্স (বোলার) একটা ক্যাচ নিয়েছিলো সেটা এখনো আমার চোখে লেগে আছে। এখন ওগুলো অনেকেই (ইন্ডিয়ারও) নেয়, নতুন কিছুই না। কিন্তু জন্টি না দেখালে জানতাম না যে ঐরকম ক্যাচ বা রানাউটও হয়।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫৫56567
  • গুরুর চেয়ে শিষ্যের দল বেটার হয়ে যায় তো হামেশাই। :)
  • a | 11.39.32.248 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫৮56568
  • Lara r ekta innings chilo vs Australia 4th innings.e ১৫৩ kore match jetalo.just epic batsmanship.
  • Rit | 213.110.242.5 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:০৭56569
  • সৌন্দর্য্য নিয়ে কতা হচ্চে আর এবিডেভির নাম শুনছি না!
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:১১56570
  • সি কী কতা! এবি বেবির নাম আমি অন্তত পেরায় একডা ছাড়া পোস্টে করিচি যে!
  • Rit | 213.110.242.22 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:১৭56571
  • ওহো সোওও সরি।
  • b | 135.20.82.164 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:১৮56539
  • আমার প্রতিপাদ্য অবশ্য অন্য ছিলো। এই যে সাউথ আফ্রিকা এসে ওয়ান ডে পাল্টে দিলো, সেটার একটা পজিটিভ এফেক্ট টেস্টেও পড়েছে। আর এই শিক্ষাটা সবচেয়ে ভালোভাবে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এমন এগ্রেসিভলি খেলো যে, টেস্ট ম্যাচেও ওয়ান ডে-র মতো সিওর রেজাল্ট আসে।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:২১56540
  • ঠিক কথা। একটা ভিডিওতে দেখছিলাম দাদা বলছেন যে আজকের প্লেয়াররা এতো চাপের মধ্যেও ভালো খেলে তার কারণ টি২০।
  • সে | 198.155.168.109 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:২৪56541
  • বলেন কী!
    আর্লি নাইনটিজে উজবেকিস্তানের মত গণ্ডগ্রামে বসে প্যারাবোলিক অ্যান্টেনা কিনে লো নয়েজ অ্যাম্পলিফায়ার নিজেরাই ধরে ধরে টিউন করে বসিয়ে কোনো অতিরিক্ত দক্ষিণা ছাড়াই সমস্ত ক্রিকেট ম্যাচ দেখলাম যে! জয়সুরিয়া ইত্যাদিদের দেখলাম। সমস্ত ম্যাচগুলো ইন্ডিয়ান পাকিস্তানী সিংহলীরা একসঙ্গে মাল খেতে খেতে দেখা হতো। ১৯৯৩/৪ এর ম্যাচের দিনগুলো পর্যন্ত মনে আছে। বলছেন তখন স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন ছিল না? জাস্ট মানতে পারলাম না।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:২৪56572
  • অভি,
    পুরোনো টেনিসের ঘরানাই ছিলো এলিগেন্ট। এখন ঘরানা পাওয়ার আর নিখুঁত বেসলাইন প্লে'র, ফেডেরার আউটলায়ার। সৌন্দর্য্য, আমার মতে অনেকটাই কমেছে।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৩৬56573
  • আশির ঘরানা তো দেখি নি। আগাসি সাম্প্রাসের পরেই ফেডেরার। আউটলায়ার হতেই পারে, জাত শিল্পী আর কটা হয়। দেখি আর এমন আসে কি না। আমি আশাবাদী। :)
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৩৮56542
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৩৯56574
  • হ্যাঁ আগাসি থেকে দেখলে তফাৎটা কম। বেকার, এডবার্গ, লেন্ডল থেকে দেখলে আরো বেশি। কোনর্স, ম্যাকেনরো থেকে দেখলে আরো অনেক বেশি। ব্যালেন্স থাকলে ভালো হয়, এই আর কি। ঃ-)
  • avi | 113.24.84.88 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৬:৪০56543
  • টেস্টের দর্শক স্নায়ুর ওপর কম চাপ তৈরি করেন। পাকিস্তানের সাথে ইডেনে এক খেলায় (ঐ যাতে সৌরভ ইডেনে তাঁর একমাত্র সেঞ্চুরি করেন) শেষদিন সকাল সকাল গিয়ে বসেছি। শোয়েব আখতার হাঁটু থেকে দৌড় শুরু করে গাঁতিয়ে বল করছেন। সৌরভ গাঙ্গুলি দৃশ্যতই অস্বস্তির সাথে ব্যাট করছেন। শেষে ৪৪ মত করে বোধ হয় আখতারের বলেই ফিরলেন। দর্শকেরা বেশ ফর্মাল দুঃখ প্রকাশ করলেন, বিশেষ বাড়াবাড়ি ছিল না। এরপর পাকিস্তানের হয়ে মরা খেলায় শেষ বিকেলে সেঞ্চুরি করলেন ইউনিস খান। চাপ শুষে নিয়ে কিভাবে ব্যাট করতে হয়, দেখিয়ে দিয়েছিলেন। এবং টিভিতে যে ফিলটা পাই না, সেটা বুঝেছিলাম। টিভি দেখার সময় প্রতিটা বল দেখি আলাদা ভাবে, ভাবি এতে কোনো ঘটনা ঘটবে হয়তো। এখানে কিন্তু প্রতিটি প্লেয়ারের হাবভাব, হাঁটাচলা, ফিল্ড প্লেসমেন্ট, গ্যালারি মনোভাব নিয়ে একটা কন্টিনিউয়াম তৈরি হয়। সেদিন যেমন চায়ের পরেই প্রত্যেকে বুঝে গিয়েছিলাম ইউনিস আজ অপরাজেয়। এবং ইডনের দর্শক কোনোরকম অসহিষ্ণুতা দেখান নি, মরা বিকেলে অভিনন্দনের সাথেই ব্যাট করেছিলেন ইউনিস খান।
    বছর তিনেক আগে ইংল্যান্ড ভারতে এসে সিরিজ জিতে যায়। মন্টি - সোয়ানের স্পিনের সামনে দাঁড়াতে পারে নি ভারতের নতুন প্রজন্ম। একইভাবে কুক - কেপির কোনো উত্তর ছিল না ভারতীয় বোলারদের সামনে। আমাদের বসার জয়গায় গিয়ে দেখি আমরা দুজন, আর চারদিকে বার্মি আর্মি। ওদিকে মাঠে তখন ফুল ফোটাচ্ছেন অ্যালিস্টার কুক। একটা কভার ড্রাইভ। শব্দ যখন কানে এল, বল ততক্ষণে তিরিশ গজ ছাড়িয়ে, মাটি থেকে এক ইঞ্চি ওঠে নি। বল যখন সীমার দড়িতে আছড়ে পড়লো, কুক একইরকম ভঙ্গিতে স্থির, ব্যাট ফলো থ্রু-তে একটু একটু করে উঠছে। এক একটা মুহুর্ত একটা কন্টিনিউয়ামের মাঝে কিরকম আলাদা জায়্গা করে নিচ্ছিলো। পুরো ইডেন অভিনন্দন জানিয়েছিল, আর পাশের বার্মি আর্মি মেম্বার, যিনি এতক্ষণ একটা বড় পতাকা বাঁধার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন, এসে বলে গেলেন, তোমাদের শচীন আমাদের দেশে এরকম অ্যাপ্লজ পায় জানো? তারপর আবার সবাই মিলে গান গাওয়া শুরু হয়ে গেল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন