• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:১৭56508
  • ইয়েস মাইকেল বেভান - ওয়ান ডে স্পেসালিস্ট।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:১৮56509
  • শ্রীলন্কার ডিসিলভা।
  • অভি | 113.24.86.192 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:১৯56510
  • S, ঐ ৬-৭ জন কর্ণাটকের প্লেয়ারের ব্যাপারটা সম্ভব্ত শচীনের অধিনায়কত্বে হয়েছিল। শ্রীনাথ, প্রসাদ, গণেশ, কুম্বলে, জোশী, দ্রাবিড় ইত্যাদি। জনসন বা সুজিত সোমসুন্দর-ও সেই সময়ের যদ্দূর মনে পড়ে।বস্তুত শচীন নিজে একবার কোন একটা ইন্টারভিউতে বলেওছিলেন একথাটা।
    শচীনের আমলে টাইটান কাপ আর টরন্টো ছাড়া আর বলার মতো কোনো জয় ছিল না। গোদের ওপর বিষফোঁড়া ছিল ডারবানের ৬৬ আর বার্বডোজের ৮১। ৯৭এর ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপ। খুব মন দিয়ে দেখলাম। ভারতের তখন কি ভয়ানক বোলিং! প্রথম ম্যচে অ্যাস্টলে করলেন নিরামিষ ১১৭, শচীন সৌরভের পার্টনারশিপে ভারত জিতে গেল। পরের ম্যাচে জয়সূর্য ১২৯ বলে ১৫১। আর তার পরের ম্যাচে আনোয়ারের সেই মেগা ১৪৭ বলে ১৯৪। সে কি ক্যালানি! ঐ সময় সাহারা কাপের পরে পরেই ভারত পাকিস্তানে গিয়েছিল তিনটে একদিনের ম্যাচ খেলতে। একটা জিতেওছিল সৌরভের ৮৯ না কত রানের জোরে। শেষেরটায় ইজাজ আমেদ আর শাহিদ আফ্রিদি ইজ্জতের পুরো ফালুদা বানিয়ে দিয়েছিলেন। ভারতের ২২০ মত রান পাকিস্তান ২৭-২৮ ওভারেই তুলে নিয়েছিল সেই যুগে। কি বাজে লেগেছিল দেখে! তখন দেখতাম একদিনের খেলায় মোটামুটি সৌরভ চললে টিম চলতো টাইপ। শচীন নিজে খুব বাজে ফর্মে কাটিয়েছেন নিজের আমলে। আবার আজহার এলে শচীনের ফর্ম ফিরে আসে। তারপর তো শারজায় মরুঝড় ইত্যাদি।
    ভালো কথা, আবাপ সেই সময়েও বেশ নির্মল আনন্দ দিত। একবার খেলার পাতায় দেখি হেডিং "শারজায় মরুঝড়" ইত্যাদি, ক্রিকেটের রিপোর্টিং, সাথে একখানা ধনরাজ পিল্লাইয়ের ছবি। ঃ)
    সব্যসাচী সরকার সৌরভের ঐ সময়ের ওপর একটা ধারাবাহিক লেখা লিখতেন, "লর্ডস থেকে ঢাকা"। তখন পড়তাম। পরে আর বই হয়ে বেরিয়েছিল কি ন কে জানে। ভালো লাগত।
  • অভি | 113.24.86.192 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:২৩56511
  • মাইকেল বেভান সম্পর্কে একটা গল্প শুনিয়েছিলেন তখনকার ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন, স্টুয়ার্ট মনে হয়, ভুলে গেছি। শেষ ওভারে জেতার জন্য ১২ দরকার। সেই বাজারে প্রায় অসম্ভব। তাও ইংলিশ ক্যাপ্টেন বাউন্ডারিতে লোকজন বাড়ালেন। আর বেভান ৬টা দুই নিয়ে ম্যাচ জিতিয়ে দিলেন।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:২৬56551
  • সাধারণত।
  • দ্রি | 186.10.107.180 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:২৭56552
  • এসব তো আমাদের ছোটবেলার খেলা। দেখা ম্যাচ।

    এখনকার ম্যাচগুলোর তুলনায় পিচ অনেক বেশী বোলার ফ্রেন্ডলি ছিল। আনিভেন বাউন্স। বড় মাঠ, স্লো আউটফিল্ডে ফিল্ডারদেরও রান বাঁচানোর সুযোগ থাকে। চার ছয় মারতে বেশী খাটতে হয়।

    আসলে লো স্কোরিং ম্যাচ দেখার মজাটাকে ধীরে ধীরে অবসোলিট করে দেওয়া হয়েছে।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:২৮56512
  • হতে পারে শচিনের সময়। তখন কর্ণাটক লবি খুব শক্তিশালী। তার আগে ছিলো বম্বে - রবি, গাওস্কার, বেঙ্গসরকার, সরদেশাই থেকে শচিন, কাম্বলি, মন্জরেকার, আগরকার। আর দাদা আসার পরে উত্তর ভারত - দিল্লি, পান্জাব। অবশ্য শ্রীনাথ, কুম্বলে, আর দ্রাবিড় থেকেই গেছে।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩০56513
  • গল্প না, সত্যি। খেলাটা দেখেছিলাম। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এখানেই আগে অন্য কোনো টইতে লিখেছিলাম। ১২ মানে যে ৬X২ সেইটা সেদিন শিখেছিলাম।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩২56553
  • এইটা ডালমিয়া করেছিলো। ইন্ডিয়ার ব্যাটিঙ্গ শক্তিশালি বলে ব্যাটিঙ্গ সর্বস্ব গেম তৈরী করা হয়েছিলো। বাউন্সার ব্যান, ফাস্ট আউটফিল্ড, স্লো পিচ, ফ্লিড রেস্ট্রিকশন (এইটা আগেও ছিলো), ছোটো মাঠ। ফলে ৩০০ করেও টিম হেরে যাচ্ছে। ছোটোবেলায় জানতাম ২৫০ মানে ভালো স্কোর, সেইটাঅ আর থাকলোনা।
  • avi | 113.24.86.192 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩৫56514
  • ঃ) ঃ)
    নিউজিল্যান্ড তাহলে।
    আহা, অজিত আগরকর। এই এক সত্যিকারের বিস্ময় বালক!
  • Arpan | 24.195.238.28 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩৮56515
  • ফিনিশিঙের কথা বলতে গেলে বেভানের সাথে আরেকজনের নাম আসবে। ল্যান্স ক্লুজনার।

    যদিও দুইজনে দুই রকমের ফিনিশার।
  • b | 24.139.196.6 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩৯56554
  • এখনো অব্দি আমার দ্যাখা সেরা ওয়ান ডে ম্যাচ ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ। ২১৫ রান টু উইন।
    আর ১৯৮৩-র ফাইন্যাল তো আজ সম্ভবেই না। পুরো ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম সিদ্ধি টিদ্ধি খেয়ে ব্যাট করতে এসেছিলো নেমেছিলো। একদিকে গ্রীনিজ, হেইন্স, লয়েড, রিচার্ড্স, অন্য দিকে কপিল বাদ দিলে মদনলাল, বিনি, বলবিন্দার সিং সান্ধু, অমরনাথ ইত্যাদিরা।
  • avi | 113.24.86.192 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৪৩56516
  • আমার যন্ত্রণা ছিল বারবার অস্ট্রেলিয়ার সাথে হেরে যাওয়া দেখা। মানে এই সৌরভের জমানায়, যখন দুটো একটা করে জিতেও যাচ্ছে। কিন্তু ফাইনাল, বা ২-২ সিচুয়েশনের শেষ খেলা, অবশ্যম্ভাবী হার হত। হয় বেভান, নয় ব্রেট লি; হয় পন্টিং, নয় গিলখ্রিস্ট; হয় কবরডাঙা, নয় কামচাটকা - কেউ ঠিক ম্যচ বের করে নিত। আর সব হত যেদিন আমি মন দিয়ে দেখব ভেবে বসতাম। পরে একটা কার্যকারণ আবিষ্কার করেছিলাম। আমার জন্মের দিন বিশ্বকাপে ভারত অস্ট্রেলিয়ার কছে এক রানে হেরে গিয়েছিল। ওখানেই ট্রেন্ড সেট হয়ে গেছে, ভালো খেলিয়াও পরজিত হবার। ঃ) ঃ)
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৪৫56517
  • এখনকার ধোনিও ভালো। খেলাটা জিতে তবে মাঠ ছাড়ে। বেভান প্রথম দেখায় যে ওয়ানডেটা আলাদা খেলা। তার আগে লোকে মোটামুটি টেস্টের মতই খেলতো - একটু বেশি রানরেটে আর একটু কম টেকনিকালি।

    ৯০ দশকে অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, আর শ্রীলন্কার যা ব্যাটিঙ্গ ডেপথ ছিলো শুনি আজকাল ইন্ডিয়ার নাকি সেইরকম? বাউচার, মহানামার মতন প্লেয়াররা আসতো ৭/৮ নম্বরে।

    বেভানের ইনিঙ্গসটা কিছুতেই পাচ্ছিনা।
  • avi | 113.24.86.192 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫১56518
  • সৌরভের ২০০২-০৩ এর টিমটাও খুব ভালো ছিল, শুধু একটা ধোনি কম ছিল। ভালো উইকেট কীপার আর ফিনিশারের অভাবটা দৃষ্টিকটুভাবে চোখে পড়ত।
    অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট টিম সম্পর্কে বলা হত, যে টিমে অ্যাডাম গিলখ্রিস্ট সাত নাম্বারে ব্যাট করতে নামেন। কি ভয়ানক ইম্প্যাক্ট! ৫টা উইকেট পড়ার পর ভয় আরো বেড়ে যেত।
  • b | 135.20.82.164 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫৪56519
  • এল সি এম দা যে ১৯৮০-র পরে টেস্ট দ্যাখেন নি, কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে টেস্ট ক্রিকেটে একটা বড় পরিবর্তন আসে। এর প্রধান কারণ মনে হয় অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিলো, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আমার একগুচ্ছ অসম্ভব ট্যালেন্টেড খেলোয়াড়ের সমষ্টি ছাড়া মনে হয় নি। সে তুলনায় মধ্য নব্বই থেকে অস্ট্রেলিয়া ওয়েল অয়েলড একটা মেশিনের মত খেলতো, টেস্টে ড্র নয়, হারবার জন্যেও নয়, বিপক্ষকে দুরমুশ করে জেতবার জন্যে। তুমি যদি ভাবো যে অস্ট্রেলিয়ার সাথে তুমি খেলবে ড্র করার জন্যে, তবে হারবেই। এর মধ্যে এসে গেছে ভিডিও রেকর্ডিং যার ফলে ব্যাটসম্যান বা বোলারের সমস্ত খুঁটিনাটি প্রতিপক্ষ টিমের কাছে থাকে। এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা যারা সেরেফ ফিল্ডিং দিয়ে যে কোনো দিন ম্যাচ জিতিয়ে দিতে পারে। এই সব কিছুর একটা গোদা এফেক্ট টেস্টের উপরে পড়েছে বলে মনে হয়। মানে, টেস্ট ম্যাচে খেলোয়াড়দের কাগজ পড়া এখন অতীত বললেই ভালো।
  • avi | 113.252.164.223 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫৫56556
  • লো স্কোরিং ম্যাচ এখনো যথেষ্টই ভালো লাগে তো। জাস্ট শেষ হওয়া এশিয়া কাপের খেলাগুলোই ধরুন না। ২০-২০, কিন্তু মোটেই বেসবলয়েড নয়। ১২০-১৩০ রানগুলোই পার স্কোর ছিল। বিরাট কোহলির ৪৯ বেশ চ্যালেঞ্জিং আর খেটে বানানো ছিল। আর ফাস্ট আউটফিল্ড ব্যালান্স করতে ফিল্ডারদের এবিলিটি-ও প্রচুর পাল্টেছে। এখনকার এবি, ম্যাক্সওয়েল, জাদেজা, রাহানে এদের সামনে জন্টিকেও শিশু লাগে, তার আগের ছেড়েই দিন। ফিল্ড রেস্ট্রিকশনের নিয়মও ইদানীং আবার বদলানো হয়েছে, শেষ ১০ ওভারে ইনসেন হিটিং গত একবছরে অনেকটাই কম। বরং উইকেট হাতে রেখে সেন্সিবল ব্যাটিং-এর পুরনো তত্ত্ব আবার সামনে এসেছে। বল হাতেও স্রেফ রান আটকানোর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উইকেট নেওয়াকে, যার চরম সফল প্রয়োগ দেখালেন ব্রেন্ডন ম্যাকালাম, গত বিশ্বকাপে। বেশিরভাগ খেলায় প্রধান পেসার বোল্টের ১০ ওভার প্রথম ৩০ ওভারের মধ্যেই করিয়েছেন, টানা আক্রমণ। আমার তো এই পরিবর্তনগুলো ভীষণই পজিটিভ লাগে। :)
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫৫56555
  • দুটো ম্যাচই বেটিঙ্গের সন্দেহে জড়িত। ঃ(
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০০56557
  • না জন্টিকে আমার এখনো মহামানব মনে হয়। ঐরকম ফিটনেস আর কারো ছিলো/আছে বলে মনে পরেনা। লোকটা শুধু ফিল্ডিঙ্গের জোড়েই টিমে থাকতো। ঐ ব্যাকোয়ার্ড পয়েন্ট জায়্গাটা ব্যাটসম্যানের জন্যে বন্ধ হয়ে যেতো। নো রান, আর মাটি ঘেঁষে না মারলেই ক্যাচ।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০১56521
  • অভিবাবু হেডেনকে ভুলে গেলেন? উইকেট দেখা যেতোনা। আর ভালো খেলে হারার মানসিকতার সমালোচোনা করেছিলেন গাওস্কার অনেক পরে। বলেছিলেন ওরকম খেলাটা কোনো কাজের কথা নয়।

    তবে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর আনন্দ পেয়েছিলাম কোলকাতা টেস্টে নয় - পার্থ টেস্টে। তার আগের ম্যাচেই ইন্ডিয়াকে জঘন্য ভাবে হারানো হয়েছে থ্যান্ক্স টু ভুল ডিসিশান আর পন্টিঙ্গের চুরি। কুম্বলে বলে দিয়েছে "ওনলি ওয়ান টিম প্লেয়ড ইন দ্য স্পিরিট অব দ্য গেম"। অস্ট্রেলিয়ার ইজ্জত ফালুদা করে দিয়েছে (এই উক্তিটা বডিলাইন সিরিজের পরে অসি কাপ্তান উডফুল বলেছিলেন)। আর তারপরে ওরকম একটা জয় - তাও আবার পার্থে। আর ইশান্ত শরমার সেই ঝোরো স্পেল - সামনে পন্টিঙ্গকে মনে হচ্ছে এলিমেটারি স্কুলের শিশু - একটা বলেরও লাইন বুঝতে পারেনি। অনেক্ক্ষন ধরে বল করে ইশান্ত ক্লান্ত - কুম্বলে সরিয়ে দিচ্ছে - ইশান্তের দিল্লি টিমের কাপ্তান শেওয়াগ এসে কুম্বলেকে বললো "সামনে পন্টিঙ্গ হ্যায়"। কুম্বলে ইশান্তের দিকে জিগালো "অঔর এক করেগা"। ইশান্ত বল নিয়ে ওভার শুরু করলো। প্রথম বলেই পন্টিঙ্গ কট বিহাইন্ড। সব্বাই শেহওয়াগকে গিয়ে জড়িয়ে ধরছে। এই সিরিজটা দেখার পরে কুম্বলের উপরে সব রাগ জল হয়ে গেছিলো।
  • Arpan | 24.195.238.28 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০১56520
  • এলসিএমদা সবি দেখেছেন। না দেখলেও ফলো করেছেন। ওটা একটু হলধরগরিমাকে প্রোমোট করার জন্য বলা।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৪56522
  • বি,
    ঠিক। দুর্ভাগ্য, ক্রিকেটে এই পরিবর্তনটা অনেকটা মিস করেছি।
    ভারতীয় ক্রিকেটের নব্বুইয়ের দশকের বিবর্তন মিস করেছি।
    অপ্পোন/রোবুদের সঙ্গে এ নিয়ে ভাট হয়েছিল, ওরা যেমন বলেছিল ব্রায়ান লারা আর জয়সূর্য-র ব্যাটিং না দেখা মানে ক্রিকেটের এক অধ্যায় মিস্‌ করা।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৬56523
  • হেই অপ্পোন, ব্রায়ান লারা, জয়সূর্য তো দেখি নি। কিন্তু ওদের কথা শুনেছি। এই যে যাদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এখানে মাইকেল বেভান, ল্যান্স ক্লুজনার - আরো যারা , এদের তো এক্কেবারে দেখি নি। শুনিও নি তেমন।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৭56524
  • বি,
    ১৯৮০ না, ১৯৯১ এর পর দেখা হয় নি।
  • Arpan | 24.195.238.28 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৮56525
  • সে তো আমিও বেকেনবাওয়ারকে দেখিনি। কিন্তু ইউটিউব খুললে তো সবই দেখা যায়।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:১২56526
  • আরে ধুর, তখন, সেই সময়, লাইভ দেখা। তার এফেক্ট আলাদা। এই ফেনোমেনন গুলো রিয়ালাইজ করা। পুরোনো ক্লিপ দেখে হয় নাকি।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:১৩56527
  • দক্ষিন আফ্রিকা প্রথম ক্রিকেটকে অন্কের মতন করে খেলতে শুরু করলো। কি দুর্ধর্ষ অ্যাকিউরেসি। বোলার ১০ ওভার বলে করে ওয়ানডেতে ১৯ রান দিচ্ছে। জন্টি রোডস ফিন্ডিঙ্গকে নতুন করে আবিষ্কৃত করাচ্ছেন। মনে হচ্ছে যেন মানুষ নয় আতিমানবরা খেলছে মাঠে - কোনো ভুল করছেনা কেউ। সাউথ আফ্রিকাই মনে হয় ৯০এর ক্রিকেট পাল্টানোর মুল ক্যাটালিস্ট।

    আর শ্রীলন্কার সেই প্রথম ১৫ ওভারের ঝড়। জয়সুর্য্য যেকোনো বলকে মাঠের বাইরে পাঠা পারতো। এইরকম খেলা পরে শেওয়াগকে খেলতে দেখেছি। কেলিয়ে টেস্টে দাবল ট্রিপল সেন্চুরি করে যাচ্ছে একজন।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:১৪56528
  • আর ইউটিউবে এইসব ভিডীও তো এসেছে হালে, বছর দশেক আগেও কিস্যু ছিল না। বড়জোর গ্রোসারি স্টোরে, শচীন-সেহাগের ব্যাটিং-এর ভিএইচএস টেপ পাওয়া যেত।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:১৭56529
  • তবে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে আরেকজন খুব ভালো খেলে গেছে - স্টিভ বাকনর। একটা টিমের বিরুদ্ধে কন্সিস্টেন্টলি এমন খারাপ আম্পায়ারিঙ্গ করার নজির আর বোধয় নেই।
  • Arpan | 24.195.238.28 (*) | ২২ মার্চ ২০১৬ ০৫:২১56530
  • লারা আর জয়সূর্য তো ২০০৩ ওয়ার্ল্ড কাপেও খেলেছিল। আর সেই খেলা ঐ দেশে বসেই আমি দেখেছিলাম। এছাড়া ক্রিকইনফো দিয়ে তো সব হলধরেরাই স্কোর ট্র্যাক করত।

    লসাগুদা দেখি হলধরদেরও ০.৫%।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন