• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | 113.24.86.89 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৪56430
  • বড় ভালো একটা সময়ের কথা মনে করালেন। অনেক স্মৃতি ভিড় করে এল। সেই ইডেন টেস্ট। সৌরভ গাঙ্গুলীর প্রথম ইডেন টেস্ট। নামলেন। অজয় বসু উচ্ছ্বসিত। ঝাঁকড়া চুলের ব্রায়ান ম্যাকমিলান। এবং, "বোওওওল্ড! বোল্ড হয়ে গেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী! "
    অনিল কুম্বলে আর আজহারউদ্দিনের সেই অসামান্য পার্টনারশিপ। ক্লুজনারকে এক ওভারে চারটে না পাঁচটা পরপর চার। কার্স্টেন, হাডসন আর কালিনান। ছোট বোদ্ধা তখন নিজের মনে ছড়া কাটে, "করলো সে ইডেনে কত রান, সে যে ডারেল কালিনান।"
    আমাদের বাড়ির পাশে হারুণকাকুর টেলরিং শপ। বিকেলে খেলা শেষে জমাটি আলোচনা। সন্ধ্যে নামার আগে আবার ফেরা। এর আগে টেস্ট ক্রিকেট তেমন বুঝি নি। আস্তে আস্তে আগ্রহ বাড়ছে। আজহার আর ইডেনের অন্তরঙ্গতা জানছি। একইসাথে ক্রিকেট খেলার আগ্রহ। স্টান্স পাল্টে ডানহাতি থেকে বাঁহাতি হয়ে যাচ্ছি, সৌজন্যে কাম্বলি, সৌরভ।
    আর ক্রোনিয়ে। স্টিভ আসার আগে স্টিভ ঘরানার প্লেয়ার। ব্যাট আর বল দুটোতেই মুশকিল আসান। ক্রোনিয়ের ম্যাচ ফিক্সিং আর মৃত্যু দুইই ধাক্কা দিয়েছিল ভীষণ। ক্রিকেটের কালো দিক আগে জানতাম না। ক্রোনিয়ে আর উলমার ছিলেন সেসময়ের কৌতূহলের কেন্দ্র। দুজনের শেষ নিয়েই অনেক জিজ্ঞাসা থেকে গেল। বল ছাড়তে দুজনেই কি ভুল করেছিলেন?
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৫56431
  • ক্রোনিয়ে আমারও বোধয় লাস্ট হিরো। তারপরে অনেককে খুব ভালো প্লেয়ার ইত্যাদি মনে হলেও, আনবায়াসড হতে পারিনি। এখনো মনটা খারাপ হয়ে যায়।
  • ranjan roy | 24.96.181.174 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৭:১০56432
  • ভালো লেখা।
    জীবনেও অনেক কিছু ছেড়ে দেওয়া-- আপাত লোভনীয় চাকরি, অফিসে কিছু লোভনীয় পোস্টিং, কোন মেয়ের লোভনীয় প্রস্তাব।
    আসলে ফ্রি -লাঞ্চ বলে কিছু হয় না --সেটা মনে রাখা। তাই ইম্প্লায়েড রিস্কটা নেবো কি নেবো না?--এটাই জাজমেন্ট।
  • Sakyajit Bhattacharya | 24.96.106.166 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৮:২৭56421
  • অনেক পরে জয় গোস্বামীর একটা লেখায় পড়েছিলাম, তিনি গাভাসকারকে মুগ্ধতা জানিয়েছিলেন এরকম এক ছেড়ে দেওয়া বলের জন্যই। পড়ে ভাল লেগেছিল। যখন এই পৃথিবীতে বীরের সিংহাসন নির্দিষ্ট হয়ে আছে সংহার করার জন্য, তখন কারোর কারোর একান্ত ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্যটুকু না হয় না মারার প্রতি-ই নিবেদিত থাকুক।
  • dc | 132.164.41.173 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৯56423
  • দ্য আর্ট অফ লীভিং আ বল। কিছুটা হয়ত অফ দ্য বল রানিং এর মতো। বড়ো ভাল্লাগলো।

    তবে টেস্ত ম্যাচের মতো না হলেও, ওয়ান ডেতেও কিছুটা অন্তত ক্রিকেটের স্বাদ পাওয়া যেত। টি২০ সত্যিই সব শেষ করে দিয়েছে।
  • Robu | 11.39.38.188 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৯56422
  • ম্যাচটা মনে আছে। হিরোয়ানির লাস্ট ম্যাচ বোধ হয়।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫৪56424
  • আমার একটাই বল ছেড়ে দেওয়া মনে আছে - বলবিন্দার সিং সাঁধু-র বল ব্যাট উঁচিয়ে খুব নিশ্চিন্তে ছেড়ে দিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাট্‌সম্যান গর্ডন গ্রিনিজ।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৯:২২56425
  • হ্যাঁ অফ দ্য বল রানিঙ্গ দেখতে খুব ভালো লাগতো। রোনাল্ডো খুব করতো। ডিফেন্ডাররা পাগল হয়ে যেত।
  • Sakyajit Bhattacharya | 24.96.71.86 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৯:২৭56426
  • স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা করছে। এক্ষুণি এক পাঠক জানালেন পুষ্পেন সরকার আশির দশকে মারা গেছিলেন। তাহলে কে ছিলেন? কমল দাশগুপ্ত কি?
  • dc | 132.164.41.173 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩৩56427
  • lcm দা ওটার কথা আমারও মনে এসেছিলো :d
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ১২:১৯56428
  • এরকম বল বিশ্বনাথও ছেড়েছিল ১৯৮২ র করাচী টেস্টে। ইমরান বল করছিল। ক্লিন বোল্ড।
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২০ মার্চ ২০১৬ ১২:২৪56429
  • এই দেখেন ম্যাজিকঃ


  • avi | 113.24.86.89 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০২:২০56446
  • ক্রিকেট নিয়েও। ক।
    খারাপ অবস্থার সাথে ক্রিকেট মেলানো, অভব্যতার সামনে ভাবা দিস ইজ নট ক্রিকেট, সবার ওপর এটা মেনে নেওয়া যে মাঠে সবাই কোনো এক পক্ষের হলেও দুজন আছেন যারা নিয়মের বাইরে কিছু হলে নিরপেক্ষভাবে যা ঘোষণা করবেন মেনে নিতে হবে - ক্রিকেট তো জীবনের খুব কাছে থাকা একটা খেলা আমাদের। করতে তো তেমন কিছু পারি না, "হাউজ্যাট" বলে চেঁচিয়েই দেখি না। মাঠে স্লিপ কর্ডনে দাঁড়াতাম। ওই চিৎকারটাকে এখনের জীবনে খুব মিস করি।
    আসলে ক্রোনিয়ে খেলা ছেড়েছেন ৯৯-০০ মরশুমে। স্টিভের ৯৯-০২ সময়ের খেলাগুলো বেশি চোখে ভাসে। সেই সময় তাই ওরকম মনে হত। এটা মেলাতেও ভালো লাগতো। সযত্নলালিত ভ্রান্তি। :)
  • Sakyajit Bhattacharya | 24.96.187.126 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৩:৪৭56447
  • লেখাটা ক্রিকেট নিয়ে? নাকি ক্রিকেট নিয়ে নয়? :)

    সি এল আর জেমসের একটা উদ্ধৃতি দিয়ে যাই। ওটাই আমারো উত্তর

    What do they know of cricket who only cricket know ?

    :)
  • lcm | 60.242.74.27 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৩:৫৮56448
  • গেছে সেইসব দিন... সারাদিন ধরে বল ছাড়া দেখা.... প্রত্যেক ওভার যেন আগের ওভারের অ্যাকশন রিপ্লে... প্রত্যেক বল সেই এক ভঙ্গিমায় খেলা... প্রত্যেক বলের শেষে সেই মাঝপিচ অবধি গিয়ে ব্যাট নিয়ে খুটখুট... ঘন্টাপ্রতি একটা বাউন্ডারি... চেঁচামেচি-তে রান্নাঘর থেকে প্রশ্ন - কে গেল? - না, আউট না, বাউন্ডারি হল। ওভার বাউন্ডারি তো লটারি টিকিট...

    ক্রিকেট ছিল তখন রাজার খেলা... রাজকীয়... সেসব ছিল বল ছাড়ার দিন... কারণ ছেড়ে দিলে পরের বল আসবে সেই নিশ্চয়তা ছিল... ট্রেনের টিকিট মাস্টার ক্রিকেট দলের কাপ্তেনি করবে সেদিন তখনও আসে নি...
  • lcm | 60.242.74.27 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:০৯56449
  • আর তখন ছিল মেইডেন ওভার... লোকে টিকিট কেটে পাঁচদিন ধরে মেইডেন ওভার দেখত... তারিফ করত কদাচিৎ দু-একটি বাউন্ডারি-র... অনেকক্ষণ ধরে আলোচনা চলত ঐ একটি বাউন্ডারি নিয়ে...

    সাদাদের দেশে খেলতে গেলে ব্রাউন প্লেয়ারদের মোজাচোর বলে বদনাম হত... আজকাল সাদা প্লেয়াররা ভাবে কখন ব্রাউনদের দেশের টিম থেকে ডাক আসে... ক্রিকেট বোধহয় এক বিরল খেলা যার আর্থসামাজিক কন্ট্রোল শিফ্‌ট্‌ হয়েছে - কলোনির হাত থেকে বেরিয়ে এসেছে..
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:২৩56450
  • ক্রিকেট বা ইন জেনেরাল স্পোর্টস নিয়ে লেখার সুবিধে অসুবিধে দুইই আছে। সুবিধে, জীবনের নানা অনুসঙ্গে খেলাধুলোর সাথে আমাদের দেখা হয়ে যায়। যাঁরা মাঠের লোক বা খেলা ভালোবাসেন ও দেখেন তাঁরা সেগুলো খেয়াল করে আনন্দ পান। লেখক হিসেবে এ এক অফুরন্ত ভান্ডার। আবার অসুবিধে হলো, খেলাটা মাঠে নেমে বহুদিন ধরে চর্চা করা আর গ্যালারি থেকে দেখে বিশ্লেষণ করার মধ্যে কিছু সূক্ষ্ম্য তফাৎ থেকে যায়। দৃষ্টিকোণের তফাৎ, একই অনুসঙ্গ বোঝার। এবং তেকনিকালিটি না বোঝার (লেখক অবশ্য ডিঃ দিয়েইছেন)। তো, এই লেখায় সেই তফাৎ স্পষ্ট। শাক্যর এই লেখাটার অনেক পোটেন্শিয়াল সত্ত্বেও , এক কথায় "মাঠে মারা" গেল। কিন্তু যেহেতু সব বলই মারার না, তাই ধরে নিলাম শাক্য "জাজমেন্ট দিলেন"। ঃ-)

    তবে অ্যাজ ইউজুয়াল, অনেক পুরোনো কথা মনে পড়ে যায় এইসব লেখায়। তার দাম কিছু কম নয়।
  • Arpan | 24.195.224.105 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫০56451
  • টি২০ তেও বল ছাড়তে হয়, সময় বিশেষে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইও। লড়াইয়ের পরিসর সংক্ষিপ্ত হয়েছে, তীব্রতা বেড়েছে ব্যস্তানুপাতিক ভাবে।
  • Sakyajit Bhattacharya | 24.96.97.87 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:২৬56452
  • হ্যাঁ টিম, টেকনিকালিটি বুঝি না। সেই জন্যেই ক্রিকেট নিয়ে বেশি খাপ খুলতে যাই না। তবে খেলাটাকে ভালবাসতাম খুব। আজকাল জাস্ট দেখতেই ইচ্ছে করে না। শেষ মনে হয় ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছিলাম। তাও শুধু ফাইনালটাই দেখেছিলাম।
  • Sakyajit Bhattacharya | 24.99.100.151 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩১56433
  • কোর্টনি ওয়ালশের সেই জাভেদ মিঁয়াদাদকে আউট না করে সতর্ক করে দেওয়া।

    কেউ মনে রাখেনি সেই ম্যাচটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল না হেরেছিল। কিন্তু ওয়ালশের লোপ্পা বল ছেড়ে দেওয়াটা ভুলতে পারে ক'জন? :)
  • S | 108.127.180.11 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩৪56434
  • ওঃইঃ হেরেছিলো না? আর ওয়ালশের তো এই নিয়ে সমালোচনাও হয়েছিলো। নাকি অন্য খেলা।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৬56453
  • হ্যাঁ এই জায়গায় আমার সাথে প্রচুর মিল পেলাম (আরো অনেকেই পাবে মনে হয়)। ফার্স্ট প্যারায় নির্দ্বিধায় ক।
    এই স্টিভ ওয়ার প্রথম ফেজটাও খুব ইন্টারেস্টিং ছিলো। পরের যে স্টিভকে আমরা ক্যাপ্টেন হিসেবে দেখি, সে অনেক পরিবর্তিত স্টিভ।
  • Arpan | 37.57.135.227 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫৫56435
  • অভির পোস্টটা ভালো লাগল। কিন্তু স্টিভ আসার আগে স্টিভ ঘরানার প্লেয়ার - এইটা বুঝলাম না।
  • Arpan | 37.57.135.227 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:৫৯56436
  • মিঁয়াদাদ না। সেলিম জাফর। ১৯৮৭ বিশ্বকাপ।
  • অভি | 113.24.86.89 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:১৮56454
  • একটা কথা বলা যায়। খেলাটাকে ভালো বাসলে আজ স্রেফ ২০-২০র অত্যাচারে খেলাটাকে ছেড়ে দেওয়া মানে কিন্তু অনেক কিছু মিস করা। ২০১০-১৩ সেরকম শিল্পী কম ছিল, এখন কিন্তু অনেক। পুরো ক্লাসিক ঘরানার ব্যাট নিয়ে এসেছেন কেন উইলিয়ামসন, জো রুট, হাসিম আমলা, বিরাট কোহলি, এবি ডেভিলিয়ার্স, স্টিভ স্মিথ। বল হাতে তিন বছর আগেও স্বর্ণযুগের ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিলেন স্টেইন-ফিলান্ডার-মর্কেল-কালিস জুটি; ওই সময়ের দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট রেকর্ড ছিল ঈর্ষণীয়। ইন ফ্যাক্ট এই বছর আমি নজর রাখবো পাকিস্তানের টেস্ট থাকলে। সামি-ইরফান-রিয়াজ-আমের আরেকটা স্বপ্নের কম্বিনেশন। ২০১৫ বিশ্বকাপের পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দেখে বুঝেছিলাম ৬০-৭০এ যেসব খেলা দেখিনি তাদের মেজাজ। সীমিত ওভারের একটা স্পেল, ওয়াহাব রিয়াজের। পুরো স্টেডিয়ামের সিংহভাগ দর্শকের হৃৎস্পন্দন তাল মিলিয়ে চলেছিল ব্যাটসম্যানের সাথে সাথে। এসব এখনো লোপ পায় নি।
    আবার এগুলো তারাই করছে যারা ২০-২০তেও চ্যাম্পিয়ন। অনেক ক্ষেত্রেই। এবির অস্ট্রেলিয়ায় সেই বিখ্যাত ব্লকাথন। নাগপুরে এবার এবির ৪৭ না কত রানের ইনিংস দেখে বোঝা গিয়েছিল গাভাসকারের ৯৬এর মাহাত্ম্য। উইলিয়ামসনের ব্যাটিং দেখুন। ক্রিকেট মানেই গিলিডান্ডা এখনো হয়নি কিন্তু। :)
  • অভি | 113.24.86.89 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:২২56455
  • টিম-দা, স্টিভের একদম প্রথমের খেলা দেখি নি। কিরকম রোল নিতেন? মানে, রেকর্ডিং দেখে অনেকটা ব্রায়ান ম্যাকমিলান বা অজয় জাদেজার রোল মনে হয়। সেটা ঠিক না ভুল জানি না।
  • Arpan | 24.195.224.105 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:৩৪56456
  • অভির পোস্টটা ভালো লাগল। একজনের নাম বাদ গেল। মিচেল জনসন। ব্যাটসম্যানকে রীতিমত ভয় পেতে দেখেছি। কিন্তু মজার ব্যপার সেটাও কেরিয়ারের শেষপ্রান্তে এসে।

    টি২০ লেগিদেরও আবার স্বমহিমায় ফিরিয়ে এনেছে। রশিদ আর তাহির দুজনেই খুব এক্সাইটিং প্রস্পেক্ট।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫১56457
  • প্রথমেই বলে নি, ক্রিকেট মহিমা হারায়নি। আমি তো আইপিএল প্রথম কয়েকটা দেখেছি। আমার মুশকিল হয় অ-ক্রিকেটের রমরমা দেখে। এই এত প্যাঁ প্যাঁ করে আবাজ, নেত্য, বিশাল স্ক্রিনে ঝিকমিকি ঝিকমিকি এর মধ্যে ক্রিকেট হারিয়ে যায়। প্লেয়াররা খেলে ঠিকই, তাদের এর মধ্যেই ফোকাস রাখতে হয়, কিন্তু ভাবুন কি কঠিন। আগে সাইটস্ক্রিনে একটা কালো পালক উড়লে ব্যাটসম্যান খেলা থামিয়ে দিত, এখন সেখানে টেরোডাক্টিল উড়লেও খেলা চলবে। এই হলো মোদ্দা কথা, এগুলো মেনে নিতে অসুবিধে হয়।

    জাদেজার কথা বললাম না। টেকনিক, ধারাবাহিকতা, ক্রিকেটবুদ্ধি সবেতেই স্টিভকে অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যার মত দেখাবে জাদেজার পাশে। ম্যাকমিলানের খেলা যদি দারুণ দর্শনীয় হতো, আরো একটু ডেডলি, দুই ফরম্যাটেই, তাহলে কাছাকাছি। ভারত অস্ট্রেলিয়ার খেলা হলে আমরা সেই সময়ের স্টিভকে ভয় পেতাম, কারণ তার কোনদিনই সেভাবে আলাদা করে ভালো বা খারাপ দিন ছিলোনা। দরকারের সময় সবথেকে দামী উইকেট, হেরে যাওয়া ম্যাচে পার্টনারশিপ, রান আটকানোর দরকার হলে চার পাঁচ ওভার বিরক্তিকর ভাবে দুই তিন রান করে দিয়ে জাওয়া, একটা অবিশ্বাস্য ক্যাচ, হওয়ার কথাই না এমন রান আউট। এইসব বিষময় স্মৃতির নাম স্টিভ ওয়া। পরে ক্যাপ্তেন হিসেবে এর অনেক কিছুই করতে হতোনা অত ঘনঘন, যা টিম ছিলো!
  • avi | 113.24.86.89 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৫56437
  • স্টিভ ওয়ের খেলা দেখে মনে হত এই খেলা ক্রোনিয়ের মধ্যে আগে দেখেছি। টিমের সেরা ব্যাট না, কিন্তু প্রয়োজনে নিখুঁত একটা খেটে খেলা ইনিংস থাকবে। বিপদ থেকে বাঁচাবেন অনেকবার। গণনার মধ্যে আসা বোলার না, কিন্তু মাঝে মাঝে বল করলে শচীন তেন্ডুলকরও নাজেহাল হবেন। এই আর কি। এবার যদিও স্টিভ আর ক্রোনিয়ে প্রায় একই সময়ের প্লেয়ার, রেট্রোস্পেক্টে ক্রোনিয়ে একটু আগের বলে মনে হত বরাবর। ব্যক্তিগত ভালো লাগা। :)
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৮56458
  • বর্ডারের অস্ট্রেলিয়ায় যা ফাঁক ফোকর ছিলো, সেগুলো ঢেকে দিত স্টিভ। অনেক সময়ই নতুন বলে বুন বা মার্শ হয়ত আউট হয়ে গেল, বা চালিয়ে খেলতে গিয়ে ডিন জোন্স, তখন আমাদের মনে আশা হতো এবার হলেও হতে পারে। আর তখনই স্টিভ ওয়া নেমে টেইল এন্ডারদের নিয়ে একটা মোটামুটি (এই ধরেন ২৩০ মত) রান তুলে নিত। তারপর ইন্ডিয়া ঝরাপাতার মত ১৭০ অল আউট, শ্রীকান্ত হয়ত ২৫, কপিল ৩৭ বাকি কহতব্য নয়। এগুলো এতবার হয়েছে জে টেম্প্লেট বানানো যায়। রান চেজ করার সময়ও একই গল্প। টেনশন নাই, নার্ভ বলে কিসু নাই। ঃ-)

    এই জিনিসের কিছুটা আমি পুনের হয়ে স্টিভ স্মিথের মধ্যে দেখেছিলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন