• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • জার্ণাল ২০১৯ - ২

    ফরিদা লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৩৫০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়।

    আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল।

    http://www.guruchandali.com/blog/2019/01/06/1546743042533.html

    পরের থেকে এখানে জুড়বে

    ২১ জানুয়ারি ২০১৯

    রান্নাঘর সাজগোজ করছে বলে বাড়িশুদ্ধু তোলপাড়
    প্রতিবেশী বাড়ির জলে তেষ্টা নিবারণ, রান্নার কাজ
    আপাতত ডাইনিং হলে। সব মশলার কৌটোরা দল বেঁধে
    সারাবাড়ি গুটি গুটি হেঁটে বেড়াচ্ছে, দরকারে বেপাত্তা।
    যত্রতত্র প্যাকিং বাক্স, মাঝে মাঝে যুদ্ধভূমির ধুলো বালি
    পাউডার ঘসছে রান্নাঘর। নতুন পোশাক চকচকে টালি।

    এই ভাল, এতদিনের ঝুল কালি তেলচিটে দাগ মুছে যাবে
    হয়ত মনে পড়বে না চটজলদি মুখে মুখে বানানো ছড়াগুলি
    যা প্রায়শই লিখিত রেসিপি থেকে অনেক দূরে গিয়ে অচেনা
    স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে পা নাচাত দেহাতি নেড়ির সমীপে।
    বাড়িতে অতিথি এলে খুশি হ'ত খুব। ভোরে গরম চা নিয়ে
    ডেকে দিত ম্যারিনেট করা মাংস চাপাতে। মশলার কৌটরা
    একে একে সামনে দাঁড়াত যেন প্রার্থনাসভায় স্কুলের জামায়
    এক হপ্তার চড়ুইভাতি। তাকে সারা বাড়ি ভালবাসা জানায়।


    কালো মেঘগুলো সচরাচর আকাশের এক কোণ থেকে
    গুড়ি মেরে উঠে ঢেকে দেয় পৃথিবীকে অন্ধকারে
    বৃষ্টিও এসেছে এক্ষুণি।
    দাঁতের ব্যথাটি যেন, আচমকা ছুরি ঠেকিয়েছে গালে —
    পাথরের মুখ। সাদা পোশাকের পেশাদার খুনি।

    অথবা তোমার প্রথম চিঠি, অপ্রত্যাশিত গ্রীষ্ম অবকাশে
    টুমান-ডুংরি থেকে সাদা পাতায় নীল কালি মাখা
    অক্ষরে অক্ষরে টুপটাপ গার্হস্থ্য বৃষ্টি, যাতে —

    আজীবন শস্যশ্যামলা হয়।

    ২২ জানুয়ারি ২০১৯

    আকাশ কালো করে এল ফের,
    চলন্ত পিঁপড়ে রেলগাড়ি দেওয়ালে চঞ্চলতর
    বারান্দার বাইরেটা আবছা হতে হতে
    অদৃশ্য হয়ে গেল দেখতে দেখতে।
    জলের ছাট লাগে, হাওয়ার ঝাপটে
    দরজারা সশব্দে খোলে আর বন্ধ হয়।

    দেখার কিচ্ছু নেই, মেঘের ওপারেই সমুদ্রে বড় বড় ঢেউ
    অথবা কাঞ্চনজঙ্ঘা এখন হয়ত রৌদ্রকরোজ্জ্বল
    নয়ত ঘরের টালিচাল থেকে জরি-সুতো বৃষ্টি লাইনে
    মা কাকিমা রা বালতি পেতে দেয়, রাতের এঁটো বাসনও
    ইস্কুল অফিস দোকান — আজ কেউ কোত্থাও যাবে না
    শুধু জানলার গরাদে গাল ঠেকিয়ে বৃষ্টির ছাট, দমকা হাওয়া
    ভিতর বাইরের দরজা জানালাগুলি সশব্দে খোলা বন্ধ হয়।


    সব কথা শোনা হয়ে ওঠে না, দেখা ও,
    দুর্দান্ত শব্দের ঘুড়ি এক পেট মাঞ্জা নিয়ে
    বারান্দায় হাতের নাগাল এড়িয়ে পালায়।

    সকালে বৃষ্টির ঠিক পরে ছোট ছোট পাখিরা
    জল ছুঁই ছুঁই খেলা খেলে, যখন শাকের ক্ষেত
    রোদ্দুরে বৃষ্টির অক্ষর লেখা খাতা মেলে ধরে।

    কে দেওয়ালে জলের ছোপ ছবি এঁকেছিল?
    কবে ফাঁকা ক্লাসঘরে রবীন্দ্রসঙ্গীতের গেলাস
    ভরে দিয়েছিল সামান্য অজুহাত দেখিয়ে।
    সব নয়, বৃষ্টির দিনে খুব সামান্যই দেখা যায়।

    পায়ে পায়ে ঘুরি, ডানা থেকে জলকণাগুলি
    আঙুলের ফাঁক থেকে প্রিয় মুহূর্তরা তখনই
    ধীরে ধীরে নামে। জন্মের শোধ পৃথিবীতে
    তারই কিয়দংশ শেষ অবধি লিপিবদ্ধ হয়।

    ফেব্রুয়ারি….

    ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯

    যেভাবে নিজস্ব হয় জলে ভেসে যাওয়াটুকু
    স্রোত মুখাপেক্ষী যদিও, দৃশ্যান্তর, শব্দের বদল
    এত চমৎকার চোখে পড়ে, ছোটখাট ঘূর্ণিতে পড়ে
    পাক খেয়ে নাগরদোলার কথা মনে পড়ে।

    প্রথম খেলনা বেলুন, প্রথম রঙিন কাগজ,
    আঠার শিশি কাঁচি নিয়ে ইস্কুলে গিয়ে আম কাটি, সবুজ
    আঁকাবাঁকা লাল আপেল। সেটা খাতায় জোড়ার আগেই
    ঢালু ডেস্ক থেকে আঠার শিশি পড়ে চুরমার।
    একলা সবুজ আম ভেসেছিল হাতের কাজের খাতায়।

    একা একা ঘুরে ঘুরে যাওয়া ইস্কুল বাড়ির চারপাশে
    অনেকগুলো ছোট ছোট খেলা।
    হঠাৎ একটা বল হারিয়ে গেলে তাকে যেন নিজস্ব মনে হয়।

    ৫ ফেব্রুয়ারি

    কিছুটা দূরত্ব ছাড়া কিছুই দাওনি তুমি
    সেটাকেই সেতু ভাবি, যতদূর চোখ যায়
    কাঁপা কাঁপা হাওয়ায় মিশে যায় ল্যাম্পপোস্ট গুলি
    কুয়াশায় তার বেশি কিছুই দেখা যায় না।
    যদিও দিনমানে লোকে আসা যাওয়া করে, পাখিরাও,
    জলপথে পণ্য পরিবহণ, হাঁকডাক চিঠি যায় আসে।
    লোকের মুখেই পাওয়া কথা কাগজের নৌকায় ভাসে।

    বয়সের ঝোঁকে মাঝে মাঝে পাড় ভেঙে যায়
    উত্তাল জলের স্রোতে হিমশিম খাই,
    শীতে ভিজে কাঁপি ঠকঠক করে
    সতৃষ্ণ তাকিয়ে থাকি, যতক্ষণ না ওই পাড়ে
    তোমার অন্তত একটি আলো চোখে এসে পড়ে।



    বিদ্যুতের লাস্যলতাগুলি একটা দূরত্বের চেয়ে কাছে এলে
    সবকিছু নিয়ে আঁকড়ে ধরে দম বন্ধ করে দেয়
    কতদিনের পুরনো গন্ধ, যারা এতদিন যেন খুঁজে খুঁজে হয়রান
    তাদের প্রত্যেকের সব কথা যেন তক্ষুণি সব বলে দিতে চায়
    শুনে নিতে চায় সব - এতদিন এত দূরে আমি ছিলাম কীভাবে

    খুব ঝড় জল। ভীষণ তেষ্টা। দমকা হাওয়ায় জানলার পাল্লা
    খুলে গেলে ঝড়ের যাবতীয় ধুলো বালি ফুল পাতা কাঁকড়
    শরীরে চাবুকের মতো লাগে, তার মধ্যেই ছুঁচবৃষ্টি ফলা
    খুব কাছে এসে এত জোরে কথা বলে। এত ঘন ঘন শ্বাস
    উতরোল পৃথিবীতে এর বেশি ঢেউ কোনও সুনামিও
    দিতে পারে নি। এত রেগে গিয়েছিলে। এতটা আগুন যদি
    বুকে নিয়ে এতদিন ছিলে - একবারও জানালে না তুমি!


    এত ভণিতার দরকার ছিল না, যদি না সময়মতো
    ঠিক কথাগুলো বলে দেওয়া যেত। সহজে তাকিয়ে
    দৃষ্টি ফেরৎ দেওয়া যেত ন্যুনতম রুচির খুঁটি ধরে।
    তাতে সৌন্দর্যের সামনে নিজেকে চোরের মতো লাগত না।

    যদি অল্প কিছু টাকা থাকত। আর একটু পড়াশোনা,
    নিদেনপক্ষে একটা দোতলার টানা বারান্দা,
    দু একটা ফুলগাছ, এক প্রস্থ সাফসুতরো পাঞ্জাবী পাজামা
    একটু সাবেকি বাড়ি, পদবীটি অনেকেরই জানা।

    তাহলে কি পাখি এসে বসত এ কাঁধে? তখনও কি
    এতদিন পরে এতখানি লিখতাম রাতের শেষবিন্দু আলো
    কায়ক্লেশে দু'হাতে আঁকড়ে এতটা আদিখ্যেতা করে?

    ৬ ফেব্রুয়ার, ১৯

    আমাদের অজান্তে প্রচুর শ্যাওলা জন্মায়
    মাঝ-মধ্যিখানে না বলা কথারা অপরের দৃষ্টি বাঁচিয়ে
    মাথা নিচু করে চলে যায় বলে রাস্তার ধুলো মাটি নুড়ি
    মাথায় ঝমঝম করে বাজে।

    মাঝে মাঝে ট্রেন থামে, পুরনো কথারা, গন্ধ
    জানলার পাশের স্টেশনে বসে চা খায়
    খয়ের ছাড়া একশো বিশ জর্দার পান সাজতে বলে
    আর তখনই, বাঁশি বেজে ওঠে বলে দ্রুত ফেরে কামরায়।

    যারা অভিমানে একবারও সে ট্রেনে আসে না
    তাদের জানলায় কি ট্রেন থামে? জানতে ইচ্ছে হয়।

    ৮ ফেব্রুয়ারি

    মনে হয় বিদ্যুতের মাঝামাঝি একটা প্রশান্ত দ্বীপ আছে
    কালো বালির উঠোন, সামান্য গাছপালা
    একটা গাছের গুঁড়ি নিজে নিজে চেয়ার টেবিল হয়ে বসে
    দিবারাত্রি সমুদ্রের তরঙ্গ গোণে।

    দু একটা ছোটখাট দোকান,বাড়ির আলমারির মতো
    দু'জনের ঘুমোনর জন্য বেলুন আর একটা
    আখাম্বা বেখাপ্পা বেয়াড়া অঙ্ক আছে খিদের জন্য।

    বিদ্যুতের মধ্যে প্রশান্ত দ্বীপ আছে, এক অ্যাস্ট্রে ভরা অরণ্য।

    ১০ ফেব্রুয়ারি



    সরলরৈখিক ছিল পুরোটাই, এ যাপন পতনের
    গোঁত খাওয়া ঘুড়ি নয়, যেন বা তপ্ত অঙ্গার খণ্ড
    হীরকের উজ্জলতা পেয়েছে ভেবে থেকে নেমে আসে
    অভিকর্ষ জনিত ত্বরণে আরও দ্রুতি আরও উত্তাপ
    মাটি ছুঁতে ছুঁতে ছাই পুরোটাই, সামান্য অবশেষটুকু
    হাতে পেতে দেখি শুধু ঠান্ডা অন্ধকার গায়ে লেগে আছে।

    মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ মনে পড়ে ইতিহাস বইতে
    কয়েক পরিচ্ছদের শেষে থাকত, তার আগে জিতে নেওয়া
    মানচিত্রের মাপ, শাসনব্যবস্থা, তাজমহল লাল কেল্লাও ছিল
    তোমার তো শুরু থেকে শুধু নেমে যাওয়া ক্রমশ অতলে
    ঝুঁকে দেখি, অন্ধকার কুয়োর মধ্যে নেমে গেছ, ডাক দিলে
    সাড়া তুমি কখনও দাওনি, শুধু প্রতিধ্বনি ফিরে এসেছিল
    মাঝে মধ্যে পাতা উলটে দেখতাম বাকিরা একত্র হলে
    সেই শুরুর দিকের হলদে হওয়া ছবি, যখন উজ্জ্বল ছিলে।


    যদিও পৃথিবী কারুরই মালিকানাধীন নয়
    তবুও প্রত্যেকের নিজস্ব পৃথিবী থাকে
    লাইব্রেরী, সাদা পাতা, রঙিন নোট, পাখি
    ফুল মৌমাছি মায় ভাঙা মাছের বাজার অবধি
    এক একটা আস্ত পৃথিবী নিয়ে লোকে মশগুল থাকে।

    যে যতটুকু পারে ভালোবাসে, দূরে যায় অভিমানে
    কখনও হয়ত ফেরে, কখনও বা বদলায় পৃথিবীর মানে।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৩৫০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ফরিদা | 12.38.45.13 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৮:০৫49989
  • তোলা থাক।
  • প্রতিভা | 670112.199.9001212.46 (*) | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১০:১৭49990
  • থাকার জন্যই এসেছে এই লেখারা। তোলা থাক।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন