• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • মোটা মাথার বোকা প্রশ্ন ১

    Abhijit Majumder
    বিভাগ : ব্লগ | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ | ১০৪ বার পঠিত
  • মোটা মাথার বোকা প্রশ্ন (১)

    আমি অর্থনীতিবিদ নই। অর্থনীতির কিছু বুঝিও না। আর বুঝি না বলেই বোকা মাথায় কিছু সোজাসাপ্টা প্রশ্ন আসে। সেইসব প্রশ্নদের এক জায়গায় করার জন্যই এই লেখা।

    আজকের লেখার বিষয় ব্যাংক কর্মী। ব্যাঙ্কে যখন প্রথম কম্পিউটার এল তখন বলা হয়েছিল যে এর ফলে দশজন লোকের কাজ একটা মেশিন করবে। ফলে, কর্মীদের ওপর কাজের চাপ কমবে। ভাল কথা। কিন্তু আদতে সেটা হল কি? ব্যংকিং সেক্টরের সঙ্গে যুক্ত লোকজনের ওপর কাজের চাপ কমল কি?

    আজকের দিনে যে কোনও ব্যাংক কর্মীকে জিজ্ঞেস করলেই উত্তরটা পেয়ে যাবেন। বেসরকারি ব্যাংকের কথা তো ছেড়েই দিন, এমনকি সরকারি ব্যাংকেও আর দশটা পাঁচটার কাজ করলে এখন চলে না। সব জায়গাতেই দিনে আট ঘন্টার অনেক বেশি কাজ করতে হয়।

    কিন্তু কেন? কম্পিউটার এসে না কাজের চাপ কমানোর কথা ছিল? আসলে কম্পিউটার কাজের চাপ কমায় নি, কমিয়েছে কর্মীর সংখ্যা। আর সাথে সাথে বাড়িয়েছে একজন মানুষ কতটা কাজ করবেন সেই প্রত্যাশা। আগে যদি একজন কর্মী গড়ে দিনে দশজন গ্রাহককে সামলাতেন, এখন তাঁকে সামলাতে হয় একশজনকে।

    আপনি বলবেন, সে তো হবেই। গ্রাহকসংখ্যা বাড়ছে, কাজের চাপ তো বাড়বেই। সেই জন্যই তো কম্পিউটার আনা।

    আমার মোটা মাথা বলে, কর্মীর সংখ্যা না কমালে, কম্পিউটারের সাহায্যে সহজেই এই বাড়তি গ্রাহকদের চাপ সামলানো যেত। তাতে কর্মীদের ওপর কাজের চাপও এইভাবে বাড়ত না।

    অর্থনীতিবিদরা বলবেন, কর্মীসংকোচন না করলে ব্যাংক চলবে কি করে? কি করে কম্পিটিশনে টিঁকে থাকবে? সেইজন্যই তো আর্থিক সমস্যায় পড়লেই যে কোনও সংস্থার প্রথম পদক্ষেপই হয় কর্মী ছাঁটাই। সহজেই যেন কেমন করে কালকের দক্ষ কর্মীরা আজ বাড়তি হয়ে যান। যাকে সংবাদপত্রের সুন্দর ভাষায় বলে, “বাড়তি মেদ ঝরিয়ে নতুন উড়ানের জন্য তৈরী এক্স ওয়াই জেড সংস্থা।”

    আচ্ছা, তর্কের খাতিরে না হয় তাও মেনে নিলাম। আর্থিক মজবুতির জন্য এইসব “বাড়তি” কর্মীদের ছাঁটাই না করে কোনও উপায় নেই। তাহলে, এই কর্মীসংকোচের পর এখন তো ব্যাংকগুলোর লাভের মুখ দেখা উচিৎ? তা না হয়ে এখনও কেন ধুঁকে চলেছে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক? কেন উত্তরোত্তর খারাপ হয়ে চলেছে তাদের আর্থিক অবস্থা?

    ঠিক কতটা খারাপ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর স্বাস্হ্য? বেশ খারাপ। শুধু গত ত্রৈমাসিকেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির মিলিত ক্ষতির পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন ডলার। কতগুলো শূন্য যেন? এর মধ্যে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ারই ক্ষতির পরিমাণ পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

    কোথায় যাচ্ছে এত এত টাকা? যাচ্ছে অনাদায়ী ঋণে, যাকে বলা হয় নন-পারফর্মিং অ্যাসেট। এই মুহুর্তে আমাদের রাস্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ চার লক্ষ কোটি টাকা। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। চার লক্ষ কোটি। সংখ্যাটা কত বড়। একটু তুলনা করলে বুঝতে সুবিধে হবে। ইন্ডিয়ার স্বাস্থ্যখাতে বাজেট হল ষাট হাজার কোটি। অর্থাৎ, এই অনাদায়ী ঋণ দিয়ে ভারতের মত সাতটি দেশের স্বাস্হ্য বাজেট চালানো যায়। আরেকটা ছোট তথ্য। এই বছরের উনিশে ফেব্রুয়ারি ইটালিকে পেছনে ফেলে অনাদায়ী ঋণের অনুপাতে ভারত উঠে এসেছে বিশ্বের এক নম্বরে।

    মজার কথা হল, এই অনাদায়ী ঋণের বোঝার পুরোটাই প্রায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কাঁধে। প্রাইভেট ব্যাংকগুলির অনাদায়ী ঋণের পরিমান দশ ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ চল্লিশ হাজার কোটি।

    তাহলে কি দেখলাম? একদিকে বাড়ল বেকারি, বাড়ল কর্মীদের ওপর কাজের চাপ, অন্যদিকে ব্যাংকগুলো সম্মুখীন হল এক বিশাল পরিমান আর্থিক ক্ষতির।

    কি হল আসলে? কোন ঝণখেলাপি পিঁপড়ে খেয়ে গেল
    লাভের গুড়, আমার আপনার কষ্টার্জিত টাকা?

    (চলবে)
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ | ১০৪ বার পঠিত
আরও পড়ুন
Run for Unity - Abhijit Majumder
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • Shibir | 340112.227.89900.39 (*) | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৩১48018
  • "অর্থনীতিবিদরা বলবেন, কর্মীসংকোচন না করলে ব্যাংক চলবে কি করে?" ক্যাপিটালিস্ট ইকোনমি তে কোনো অর্গানাইসেশনের মূল কাজ কিন্তু প্রফিট মাক্সিমাইজেশন, এমপ্লয়মেন্ট জেনেরেশন নয় । না হলে টিকতে পারবেনা ।
    "তাহলে, এই কর্মীসংকোচের পর এখন তো ব্যাংকগুলোর লাভের মুখ দেখা উচিৎ?" উত্তর না। রেভিনিউ না বাড়িয়ে খালি খরচ কমালে লাভ এর মুখ কি করে দেখবে ?

    নন-পারফর্মিং অ্যাসেট হতে পারে প্রসেস ইনেফিসিয়েন্সির ফল আবার কর্মী সংকোচনের ফলে প্রসেস এফিসিয়েন্সি বাড়তে পারে । এমন হতে পারে সরকারি ব্যাংকে প্রসেস এফিসিয়েন্সি কম বলে নন-পারফর্মিং অ্যাসেট বেশি ।
  • রঞ্জন | 238912.69.8967.226 (*) | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:২৮48019
  • আমি একটি ছোট পাবলিক সেক্টর ব্যাংক ছত্তিশগড় রিজিওনাল রুরাল ব্যাংক থেকে রিটায়ার করেছি, ন'বছর আগে।
    ঘটনচক্রে শাখার দায়িত্বও সামলেছি, আবার কর্পোরেট অফিসে গোটা ব্যাংকের প্ল্যানিং , অ্যাডভান্স(লোন) ও রিজিওনাল অফিসের দায়িত্বও সামলাতে হয়েছে। আমার রিটায়ারমেন্টের ছ'মাস আগে ব্যাংক পুরো কম্পিউটারাইজড হয়, কোর ব্যাংকিং শুরু হয়। সেই ফোকাস থেকে কিছু বলছি ।
    লাভ কী হয়েছে?
    সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে উন্নততর গ্রাহক সেবায়। আগে কেউ যদি কোন ফিক্সড ডিপজিট বা রেকারিং এর রি-নিউয়াল বা প্রিম্যাচিওর পেমেন্টের জন্যে আসত , তো স্টাফের মুখ ব্যাজার হত । স্ট্যান্ডার্ড রেস্পন্স হত ঃ কাগজ রেখে যান, বিকেল পাঁচটার পর এসে খোঁজ করবেন। নইলে কাল সকালে আসবেন।
    এখন ? দু'মিনিটে হয়ে যায় । উন্নত টেকনোলজির ফলে ইন্টারেস্টের ক্যাল্কুলেশন হয়ে তক্ষুণি হাতে হাতে। আগে তিন চারটে লেজারে পাতা খুঁজতে হত , সেখানে ক্যালকুলেশন লিখে রেখে চার থেকে ছ'টা ভাউচার বানাতে হত ।
    আর লাভ হয়েছে ইন্টারনাল হাউস কিপিঙয়ে ।
    আগে নন-প্রোডাক্টিভ কাজে স্টাফের অনেক ( বেশির ভাগ সময় ) নষ্ট হত । যেমন বুক ব্যালান্সিং।
    প্রতিমাসে যতগুলো লেজার আছে (জমা এবং লোন) সেগুলো লম্বা লম্বা খাতায় ম্যানুয়ালি জট করতে হত । নাম, খাতা নম্বর, ব্যালান্স, ইন্টারেস্ট এবং তার টোটাল । তারপর পাতার পর পাতা ভার্টিক্যালি এবং হরাইজনটালি যোগ করে মেলাতে হত । এবং ফাইনাল ব্যালন্স জেনারেল লেজারের সঙ্গে না মেলা অব্দি শান্তি নেই । তারপর বুক যদি ব্যালান্স না হয় , যদি কয়েক মাস পেন্ডিং থাকে তখন কন্ট্রোলিং অফিস থেকে টিম এসে সেই কাজ করত। তাদের পেছনে থাকা-খাওয়া ও ডেপুটেশন ভাতা আরেক ইনকাম লিকেজ।
    ফলে ফিল্ডে গিয়ে বিজনেস ফলো আপ এবং নতুন বিজনেস ধরা নেগলেক্টেড হত ।
    এখন সেসব ইতিহাস। এসব কম্পিউটারে দু'মিনিটে হয়। আগে অ্যানুয়াল ক্লোজিং একমাস ধরে উৎসব ও টেনশনের ব্যাপার ছিল। কয়েক রাত জাগতে হত । ব্যাংকেই ঘুমতে হত । এক্ষণ সব সেন্ট্রালাইজড। সারাভারতের সমস্ত ডেটা মুম্বাইয়ের বেলাপুর বা ভারবেলিতে একটা মাস্টার কম্পিউটারে জমা হয়ে একদিনেই প্রফিট বা লস ধরা পড়ছে।

    ফলে এক্ষণ স্টাফের উপর বিজনেসের চাপ বেশি। কম্পিটিশন বেশি। আগে বলা হত যেচে কাউকে লোন দেবে না । যার পেটে খিদে সে নিজে হেঁটে আসবে। লোন জমা অনুপাত ৬০% বা ৬৫% হলে হেলদি বলা হত । একহন লোকের ঘরে বা ওয়ার্কিং প্লেসে গিয়ে লোন দাও ফিলজফি।
    খারাপ বলছি না । বরং ব্যাংকের আগের হোলিয়ার-দ্যান-দাউ অ্যাটিচুড দুই লাথি খেয়েছে।
    এসেছে ক্রস সেলিং কনসেপ্ট। ব্যাংকারকে লোনের সঙ্গে ইন্সিওরেন্স পলিসিও বেচতে হবে। একহন এটিএম এর ফলে ব্যাংকের শাখায় টাকা জমা বা তোলার ভিড় কম। এটা ভাল।
  • রঞ্জন | 238912.69.8967.226 (*) | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৪৮48020
  • ্তাহলে খারাপটা কী ? কেন স্টাফের বাড়ী আসতে দেরি হয়?
    এক, আগেও শুধু শহরের শাখায় স্টাফ বেশি থাকত। সেখানে নন-অফিসাররা (ওয়ার্কম্যান) সন্ধ্যেবেলা বাড়ী ফিরত। অন্যেরা সেই আটটার পরে । বড় শাখায় অনেক স্টাফ, নানা কারণে। সেখানে কিছু লোক ফাঁকি দিলে চোখে পড়ে না । দুধে জল মেশানোর মত। ছোট শাখায়, বিশেষ করে শহরের বাইরে স্টাফ কম দেওয়া হয়। তাদের হাতে হ্যারিকেন। বিজনেস কম হলেও গাদাগুচ্ছের রিটার্ন/স্টেটমেন্ট বানাতে অতগুলো রো-কলাম ভরতেই হত।
    একহন সেন্ট্রালাইজড কন্ট্রোল। আপনি চাইলেই নিজের কম্প্যু বন্ধ করে কলিগকে ভাই, একটু দেখিস বলে কেটে পড়তে পারেন না । আপনার আলাদা পাসওয়ার্ড আছে। বন্ধ করলে মুম্বাইয়ে জেনে যাবে আপনি কখন কাটছেন।।

    ২)
    সুকি ঠিক বলছেন-- রিক্রুটমেন্টের অবস্থা খারাপ।
    এন পি এ কেন বাড়ছে?
    বাড়ছে সামগ্রিক এনভায়রনমেন্টে ব্যাংকের টাকা নিয়ে নয়ছয় করার কালচার বাড়ছে বলে।
    মব লিঞ্চিং কেন বাড়ছে?
    সবাই জানে যে দেশপ্রেমিকরা লিঞ্চ করে না , করতে পারে না । কাজেই কমপ্লেন ধোপে টিকবে না ।
    শুরু হয়েছে ওপরের বিগ বিজনেস থেকে ।
    দেখুন ব্যাংক ইউনিয়ন এবং আর টি আই অ্যাক্টিভিস্টরা সমানে ক্রনিক এবং উইলফুল ডিফল্টারদের নাম সার্বজনিক করার দাবি জানিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ফল?
    ৩৬জন দেশের বাইরে পালিয়েছে।
    আই সি সি আই ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদের মহিলা ও ডায়রেক্টরদের যখন কেস দেওয়া হল তখন অসুস্থ বিত্তমন্ত্রী আমেরিকায় বসে টুইট করছেন এইসব অপমানজনক স্টেপ নেওয়ার সমালোচনা করে!
    এরপর রয়েছে পলিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল থেকোআর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে নন-ভায়বল লোন দেওয়া।
    মুদ্রা প্রোজেক্টএ লোন দেওয়ার সাকসেস স্টোরির নীট ফল হয়েছে বেশির ভাগ এক বছরে এন পি এ হয়ে যাওয়া।
  • sm | 2345.110.9002312.191 (*) | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৩৯48022
  • আসল এন পি এ আরো অনেক বেশি।ওপরের লিংক পড়ুন।
    এবার কিছু প্রশ্ন।
    সরকারী ব্যাংক গুলো যখন এতো আর্থিক সংকটে ধুঁকছে,তখন এতো পার্মানেন্ট কর্মী নিয়ে চলতে পারবে?
    এন পি এ হয়েছে,কিছু অসাধু আধিকারিক,বড় শিল্পপতি ও রাজনতিক আঁতাতের যোগ সাজশে।তা,দিনের পর দিন তাঁরাএতো অপকর্ম চালিয়ে যেতে পারলো কি করে?
    ইউনিয়ন এর বিরুদ্ধে কতটা জোরদার আন্দোলন করেছে?
    কর্মীদের বৃহত্তর স্বার্থে,এই নেক্সাস বন্ধ করা আশু প্রয়োজন।নতুবা পুরো ব্যাংকিং শিল্পই পথে বসে যাবে।
    আজ বিভিন্ন ব্যাংক মার্জার হচ্ছে।যেমন বিজয়া,দেনা ও বরদা ব্যাংক।নিশ্চয় কর্মী সংখ্যা প্রভুত কমবে।আর কোপ পড়বে নিরীহ কর্মীদের ওপর।
    বৃহৎ লোন গুলি স্যানকশন এর সময় ইউনিয়ন এর রিপ্রেজেন্টেটিভ বাধ্যতা মূলক করা উচিত।এই দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে না লড়লে, এই বৃষ বৃক্ষ উৎপাটন সম্ভব নয়।এই সব নিয়ে কি কি স্টেপ ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  • রঞ্জন | 238912.69.8967.226 (*) | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:১১48023
  • @এস এম,
    আমি এই ইস্যুতে আপনার সংগে পুরোপুরি একমত।
    প্রসঙ্গতঃ কয়েকবছর আগে গুরুর পাতায় ভারতে সরকারি ব্যংকের আর্থিক সংকট নিয়ে একটি সুতোতে আপনি আশঙ্কা প্রকাশ করলেও আমি বলেছিলাম আপনি বাড়িয়ে বলছেন, খামোকা ডুমস ডে'র প্রবক্তা হচ্ছেন।
    আজকে লজ্জার সংগে স্বীকার করছি আপনি ঠিক ছিলেন, আমি ভুল।
    আর আমি রোজ পড়ি দুটো কাগজ-- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও বিজনেস ষ্ট্যাণ্ডার্ড । ফলে মোটামুটি এগুলো খেয়াল করি ।
    ঘটনাচক্রে আমার প্রাক্তন ছোট ব্যাংকটি প্রতি বছরের মত এবছরও নেট প্রফিট ১০০ কোটির উপরে করেছে।
    গ্রস এনপিএ সামান্য বাড়লেও নেট এন পিএ কন্ট্রোলে আছে।

    @অভিজিত,
    সরি। আগের একটা পোস্টে মন্তব্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভুল করে 'সুকি' লিখে ফেলেছিলাম।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত