• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বিজ্ঞানের পদ্ধতি পর্ব ২ : সখী, হাইপোথেসিস কারে কয়

    Abhijit Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ১২৪৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • বিজ্ঞান গবেষণার আলোচনায় যে কয়েকটা শব্দ খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাদের মধ্যে একটা হল এই হাইপোথিসিস। বেশীরভাগ গবেষণাই শুরু হয় এই হাইপোথেসিস নামক আমড়াতলার মোড়ের থেকে। তবে শুধু বিজ্ঞান গবেষণাই বা বলি কেন, আমাদের জীবনের প্রতিটা পদেই মিশে রয়েছে এই হাইপোথিসিস। ব্যপারটা কী রকম একটু বিশদে বলি।

    ধরুন, গতকাল রাত্রে আপনি আপনার সোনামনা বা সোনামণির সাথে মেসেজ চালাচালি করছিলেন। উনি আপনাকে ভালোবেসে লিখলেন “আমার সোন্টুমনা বিড়ালছানাটা ডিনারে কি খেয়েছে?” আপনারও মনে হল এর একটা সমান ভালোবাসাভরা উত্তর দেওয়া দরকার। আপনি লিখলেন, “আমি ভাত খেয়েছি। আমার গুল্লুগাল্লু হিপোর ছানা কি খেয়েছে?” তারপর এক চরম নৈশব্দ্য। সারা রাতে আর কোনও মেসেজ এল না। এমন কি সকালের গুড মন্নিং মেসেজও নয়। এইবার আপনি ভাবলেন যে আপনার গুল্লুসোনা হয়তো আপনার ওই হিপোর ছানা বলাটা খুব একটা ভালোভাবে নেন নি। এই যে আপনি ভাবলেন বা অনুমান করলেন, এটা হল আপনার হাইপোথিসিস। এখানে দুটো জিনিষ লক্ষ্য করার আছে।

    এক, আপনি প্রথমে পর্যবেক্ষণ করলেন যে সকালে মেসেজ আসে নি, এবং তারপর আপনি এই হাইপোথিসিসটা করলেন। এটা হল পর্যবেক্ষণ পরবর্তী হাইপোথিসিস। আপনি উল্টোটাও করতে পারতেন। অর্থাৎ, আপনার ওনাকে “হিপোর ছানা” বলার আগে ভাবতে পারতেন যে, এই মেসেজটা পাঠালে অন্যপ্রান্ত খুব একটা আহ্লাদিত হবে না। সেটা হত পর্যবেক্ষণ পূর্ববর্তী হাইপোথিসিস বা প্রেডিক্টিভ হাইপোথিসিস। বিজ্ঞান গবেষণাও এই ভাবে হয়। কখনো আমরা প্রথমে একটা ঘটনা পর্যবেক্ষণ করি। তারপর তার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য হাইপোথিসিস তৈরী করি। যেমন, প্রাচীনকালের মানুষ বৃষ্টি পড়া দেখে ভেবেছিল যে আকাশে নিশ্চই কেউ আছে, যে এভাবে জল ঢালে। বৃষ্টি পড়ছে, এইটা দেখাটা হল পর্যবেক্ষণ, আর বৃষ্টির দেবতার রূপকল্পনা হল হাইপোথিসিস। যেহেতু অন্য কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সে সময় করা সম্ভবপর ছিল না, তাই এই হাইপোথিসিটা একরকম অবশ্যম্ভাবী ছিল। সেই কারণেই প্রতিটা প্রাচীন জনগোষ্ঠী ইন্ডিপেন্ডেন্টলি একজন করে বৃষ্টি দেবতার কল্পনা করে নিয়েছিল। ভারতে তার নাম ছিল ইন্দ্র, বরুণ, পর্যন্য, গ্রীসে নাম ছিল জিউস, আফ্রিকায় বুনজি। এটা হল পর্যবেক্ষণ পরবর্তী হাইপোথিসিস। গবেষণার ক্ষেত্রে এরকম পর্যবেক্ষণ পরবর্তী হাইপোথিসিসই সবথেকে বেশি দেখতে পাওয়া যায়।

    পর্যবেক্ষণ পূর্ববর্তী হাইপোথিসিসেরও অনেক উদাহরণ আছে। যেমন, মনে করা হল যে একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদার্থর ক্যন্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংসের ক্ষমতা আছে। এইবার গবেষণা করে দেখা হবে যে সেই ধারণা বা অনুমান সত্যি কী না।

    কিন্তু যে ধরণেরই হাইপোথিসিস হোক না কেন, তার একটা যৌক্তিক ভিত্তি থাকা প্রয়োজন। আমি যদি মনে করি যে একটি কোনও বিশেষ তরল পান করলে ক্যন্সার সেরে যায়, তবে সেই ভাবনার পেছনে কিছু যুক্তি থাকতে হবে। না হলে, অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়াই সার হবে। যে কোনও জায়গার মাটি খুঁড়লে পরিশ্রমই সার হবে, গুপ্তধন পাওয়া যাবে না। গুপ্তধন পেতে হলে এমন জায়গায় মাটি খুঁড়তে হবে যেখানে গুপ্তধন পাওয়া গেলেও যেতে পারে, এমন ভাববার কিছুমাত্র কারণ আছে। আরেকটা সমস্যা হল, আমরা সাধারণ জীবনে হাইপোথিসিসেই থেমে যাই, সেটা টেস্ট করে দেখি না। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করব।

    হাইপোথিসিস সংক্রান্ত আরেকটা বিষয় হল যখনই আপনি কোনও একটা হাইপোথিসিসকে সত্যি বলে ধরে নিচ্ছেন, তার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি অন্য সম্ভাবনাগুলোকে আপাতত নাকচ করে দিচ্ছেন। যেমন, আপনি যখন মনে করছেন যে আপনার সোন্টুমনা রাগ করে আপনাকে মেসেজ করেন নি, তখনই আপনি অন্যান্য সম্ভাবনা, যেমন ওনার ফোন খারাপ হয়ে গেছে, নাকচ করে দিচ্ছেন। এই সমস্ত নাকচ করে দেওয়া সম্ভাবনাগুলোকে বলে “নাল হাইপোথেসিস”। যেমন, ওমুক ওষুধে ব্লাড প্রেশার কমবে। এটা হল আপনার হাইপোথেসিস। আর, ওই ওষুধ খেলে আপনার ব্লাড প্রেশার বাড়বে বা একই থাকবে, এটা হল নাল হাইপোথিসিস। আমাদের বেশিরভাগ গবেষণাই চলে এই হাইপোথেসিস আর নাল হাইপোথেসিস-এর মধ্যে কোনটার সম্ভাবনা বেশি তাই নিয়ে।

    হাইপোথিসিস নিয়ে আরও কিছু কথা বলার আছে। সেটা পরের পর্বে বলব। এবারের পর্ব শেষ করব একটা কথা পরিষ্কার করে বলে। সেটা হল, আমার এই সিরিজ গবেষণা নিয়ে, পিএইচডি নিয়ে নয়। পিএইচডি ছাড়াও গবেষণা হয়, আর দুর্ভাগ্যজনক ভাবে প্রকৃত গবেষণা ছাড়াও পিএইচডি হয়। আমি এখানে কথা বলব গবেষণার খুঁটিনাটি নিয়ে। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে যাচ্ছে আরেকটা ঘটনার কথা। আমি তখন বাঙ্গালোরের এন সি বি এস-এ (NCBS) পোস্ট ডক করছি। একদিন ক্যান্টিনে বসে কফি খাচ্ছি, পাশের টেবিলে এসে বসলেন প্রোফেসর ওবেইদ সিদ্দিকি। ওবেইদ এনসিবিএস-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ, প্রবাদপ্রতিম বৈজ্ঞানিক। তখন ওবেইদ আশি ছুঁই ছুঁই। রোগা অথচ টানটান শরীর, উজ্জ্বল চোখ, প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর। ওবেইদ কথা বলছিলেন তাঁর ল্যাবের ছাত্রছাত্রীদের সাথে। আমার কানে ভেসে এল ওবেইদের দু-একটা টুকরো টাকরা কথা। ওবেইদ বলছিলেন, “রিসার্চাররা হলেন দু-ধরণের। একদল হল ক্রাফ্টসম্যান। তাঁরা সারাজীবন ধরে ঠুকঠুক করে কিছু বানিয়ে চলেন। সারাজীবনের চেষ্টায় হয়তো কিছুটা বানাতে পারেন। আরেকদল হল সেলসম্যান। তাঁরা যাই হাতে পান না কেন, সেটা সুন্দর করে প্যাকেজ করে বেচে দিতে পারেন।”

    আমাদের চারপাশে,শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের সর্বত্রই গবেষণার জগতে সেলসম্যানদের সংখ্যা বাড়ছে, আর ক্রাফটসম্যানদের সংখ্যা কমছে। তবে সেটা বোধ হয় শুধু গবেষণা নয়, রাজনীতি থেকে সংস্কৃতি, সর্বত্রই সত্য।

    (চলবে)
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ১২৪৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ramit Chatterjee | ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১০:৩৯101071
  • টাইটেল টা এক্কেবারে ঘেেঁটে   গেেছে

  • গুরুপোকারী | 99.0.80.158 | ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১১:০০101072
  • ঠিক করে দেওয়া হয়েছে

  • Rajarshi Raychaudhuri | ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ ২৩:৩০101110
  • আর একটা ব্যাপার আছে। ওই হাইপোথিসিসের প্রমাণ দাখিল করার যে পরীক্ষা হবে, সেগুলো repeatable হতে হবে।


    ধরুন, করোনায় রেমডেসিভির কাজ করে, না "রাম-দেশি-বীর" কাজ করে, দুটোকেই একই ভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

  • অরিন | 161.65.237.26 | ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ ১১:১৮101145
  • "কখনো আমরা প্রথমে একটা ঘটনা পর্যবেক্ষণ করি। তারপর তার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য হাইপোথিসিস তৈরী করি"


    পর্যবেক্ষণ আর হাইপোথিসিসের মাঝে রয়েছ থিওরি। আমরা সাধারণত পর্যবেক্ষণ করি, তার পর থিওরি বিস্তার করি। থিওরি থেকে আমাদের হাইপোথিসিস গুলো বিস্তারিত হয়। থিওরি ঠিক করে কি হতে চলেছে। সেই মত পুনরায় দেখা হয়, সে পরীক্ষা হতে পারে, আরেকবার পর্যবেক্ষণ হতে পারে। 

  • Abhijit Majumder | ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭:৪৩101152
  • না। যেটা আপনি "থিয়োরি বিস্তার" বলছেন সেটা আসলে হাইপোথেসিস। আগে থিওরি পরে হাইপোথিসিস নয় , বরং উল্টো । অনেক সময় বহু হাইপোথেসিস জড়ো করে তবে থিওরি হয়। 

  • অরিন | 118.149.86.123 | ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১২:৩০101161
  • থিওরি ও হাইপোথিসিস খুব আলগা ভাবে অনেকে এক করে ফেলেন। সাধারণত আমি যতটুকু জানি, ঘটনা বা তথ‌্য > তাকে ব্যাখ্যা করার একাধিক থিওরি > থিওরির ভিত্তিতে প্রেডিকশন > null hypothesis গঠন > তাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা বা নতুন তথ্য আহরণ > নানান null hypothesis এর মধ্যে একটি ভুল প্রমাণিত, মে থিওরি থেকে তার উৎপত্তি, সেই থিওরি সাময়িক ভাবে গ্রাহ্য। 


    খুব "গোদা" ভাবে দেখলে অন্তত public health epidemiology medicine এ এইভাবে দেখা হয়। আপনি বহুপঠিত কেন রথম্যানের লেখা epidemiologyর বইতে এইভাবে দেখতে পাবেন। এই পদ্ধতি অবলম্বন করেই সাধারণত আমার Discipline (Medicine/Epidemiology/Public health)  এ গবেষণা চলে আসছে। তাই লিখলাম। 


    হ্যাঁ/না, ভুল ঠিক, জানিনা! 

  • dc | 136.185.68.47 | ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩:১৩101162
  • লেখাটা পড়ে ভারি ভাল্লাগলো। আজকাল খুব বেশী আসতে পারছি না, এরকম ভালো ভালো কতো লেখা মিস করছি কে জানে! 


    হাইপোথিসিস এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি টেস্টেবল বা ফলসিফায়েবল হতে হবে। যে স্টেটমেন্ট টেস্টেবল নয় সেটা হাইপোথিসিস নয় (লেখক হয়তো উল্লেখ করেছেন, আমার চোখ এড়িয়ে গেলে সরি চেয়ে নিলাম)। 


    অরিনববাবু আর অভিজিতবাবু, ব্যপারাটা বোধয় এরকমঃ দুরকম প্রসেস আছে, ইনডাকটিভ আর ডিডাকটিভ। ইনডাকটিভ প্রসেসে আগে অবসার্ভেশান করা হয়, তারপর সেগুলো ব্যখ্যা করার জন্য থিওরি বিল্ড করা হয়। অর্থাত জেনারাল অবসার্ভেশান থেকে স্পেসিফিক থিওরির দিকে যাওয়া হয়। আর ডিডাকটিভ প্রসেস উল্টো, থিওরি অনুসারে হাইপোথিসিস প্রোপোস করা হয় (নাল আর অল্টার্নেট)। এবার ডেটা যোগাড় করে হাইপোথিসিস টেস্টিং করা হয়। অর্থাত স্পেসিফিক ডেটা থেকে জেনারালইজেশানের চেষ্টা করা হয়। কিছু ভুল বলে থাকলে দুজনেই ধরিয়ে দেবেন।  

  • অরিন | 118.149.86.123 | ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩:২৫101163
  • যে স্টেটমেন্ট টেস্টেবল নয় সেটা হাইপোথিসিস নয় 


    এইটা হচ্ছে সার কথা। 


    এই ফলসিফায়েবিলিটা বা testable ব্যাপারটা থিওর থেকে আসে। ডিডাকটিভ, ইনডাকটিভ, যে লজিক ই হোক। 

  • Abhijit Majumder | ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১৮:৪৪101167
  • Inductive logic এর কথা পর্ব ৩-এ আছে। 


    The United States National Academy of Sciences describes what a theory is as follows:

    "Some scientific explanations are so well established that no new evidence is likely to alter them. The explanation becomes a scientific theory. In everyday language a theory means a hunch or speculation. Not so in science. In science, the word theory refers to a comprehensive explanation of an important feature of nature supported by facts gathered over time. Theories also allow scientists to make predictions about as yet unobserved phenomena."

    থিওরি হাইপোথেসিস-এর পরে। শুধু ক্রনোলজি-তে নয় কমপ্লেক্সিটি -তেও।

    "হাইপোথিসিস এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি টেস্টেবল বা ফলসিফায়েবল হতে হবে। যে স্টেটমেন্ট টেস্টেবল নয় সেটা হাইপোথিসিস নয়"

    পপার-এর দেওয়া ফলসিফিয়েবিলিটি মোটের ওপর হাইপোথিসিস এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলেও সেই বক্তব্যের অনেক বিরোধিতা আছে। বিশেষত ফিজিক্স-এ। এই লেখায় সেই তাত্ত্বিক জটিলতায় ঢুকতে চাইছিনা। 

    Just for an example and further food for thought:

    “It would be completely non-scientific to ignore that possibility just because it doesn’t conform with some preexisting philosophical prejudices,” says Sean Carroll, a physicist at Caltech, who called for the “retirement” of the falsifiability principle in an essay for Edge last year. Falsifiability is “just a simple motto that non-philosophically-trained scientists have latched onto,” argues Carroll.

    তবে ক্যারোল-er এই মন্তব্য-ও আবার অনেক বিতর্কিত। 

     

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন