• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

  • বিজ্ঞানের পদ্ধতি পর্ব চার : বিজ্ঞান ও অপবিজ্ঞান

    Abhijit Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | ২০ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব তিন: সাধনা ও নিষ্ঠা | পর্ব চার : বিজ্ঞান ও অপবিজ্ঞান
    এবারের গল্পটা শুরু করব আমার পোস্ট-ডক মেন্টর প্রোফেসর জ্যোৎস্না ধাওয়ানের একটা কথা দিয়ে। একবার একটা গ্রুপ মিটিং-এ জ্যোৎস্না বলেছিল যে বায়োলজিতে হোয়াই বলে কোনও প্রশ্ন হয় না। যেটা হয় সেটা হল হাউ। যেমন, আচমকা শোওয়া থেকে উঠে দাঁড়ালে আমাদের অনেক সময় মাথা ঘোরে। কেউ প্রশ্ন করতে পারেন কেন এমনটা হয়। জ্যোৎস্নার কথায়, আমরা এক্ষেত্রে “কেন” ব্যবহার করি বটে, কিন্তু আসলে কেন-র এখানে কোনও অর্থ হয় না। “কেন?” প্রশ্ন করা মানেই হল এর পেছনে কী উদ্দেশ্য আছে তা জানতে চাওয়া। এই মহাবিশ্বের চলন গমনের পেছনে কোনও উদ্দেশ্য আছে ভাবার অন্তর্নিহিত অর্থ এই যে এই সৃষ্টি কারওর পরিকল্পনাপ্রসূত, অর্থাৎ এই সৃষ্টি পরিকল্পনা করার কেউ আছে। এই ভাবনা বিজ্ঞানের প্রমাণ তথা গণ্ডীর বাইরে। কোনও সৃষ্টিকর্তা (বা কর্ত্রী) আছেন কি নেই, এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে না। বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে “কীভাবে” প্রশ্নের উত্তর। শোওয়া থেকে হঠাৎ উঠলে যে অনেক সময় মাথা ঘোরে, তা কীভাবে হয়, তার পেছনে কী কী শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া আছে, তার বিস্তৃত বিবরণ দেওয়া বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে। কিন্তু সেই বিবরণের পুরোটাই “হাউ”-এর উত্তর, “হোয়াই”-এর নয়।

    এই প্রসঙ্গে আজ আমার স্কুলের বন্ধু অনির্বাণের সাথে কথা বলছিলাম। ওকে আমরা ড্যানি বলে ডাকি। ড্যানি একটা ভিডিও-র কথা মনে করিয়ে দিল। বিখ্যাত পদার্থবিদ প্রোফেসর ফাইনম্যানকে একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিল চুম্বকের সমমেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে কেন। ফাইনম্যান এর যে উত্তর দিয়েছিলেন তা এককথায় অনবদ্য। ফাইনম্যান বললেন যে হোয়াই প্রশ্ন চলতেই থাকে এবং ক্রমশ গভীর থেকে গভীরতর প্রশ্নে নিয়ে যায়। ফাইনম্যান তাঁর বক্তব্য বোঝাতে যে উদাহরণ দিয়েছিলেন তা যেমন রসবোধ টইটম্বুর তেমনই গভীরভাবে দার্শনিক। আমি নীচে ওই ইন্টারভিউর লিংক দিয়ে দিলাম। অনুরোধ করব সম্ভব হলে পুরো ভিডিওটা দেখতে। নিতান্তই সম্ভব না হলে, পনেরো মিনিটের পরের থেকে দেখা শুরু করুন।

    একটু আগেই বললাম যে কিছু প্রশ্ন বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে না। বিজ্ঞানের আওতায় সেই সব প্রশ্নই পড়ে যা ঠিক বা ভুল প্রমাণ করা যায়। যেমন, রোজ একটা করে কমলালেবু খেলে ওজন বাড়ে কি না সেটা খুব মেথডিক্যালি পরীক্ষা করা যায়। রোজ একটা করে কমলালেবু খেলে মন ভালো থাকে কি না, সেটা ওজনের মত অতটা নির্দিষ্ট করে বলা না গেলেও, বিভিন্নভাবে মাপঝোপ করে একটা উত্তরে পৌঁছন যায়। কিন্তু, রোজ কমলালেবু খেলে আত্মার উন্নতি হয় কি না, সেটা বিজ্ঞান দিয়ে বলা যায় না, কেন না এখনও অব্দি কোনও বিজ্ঞানস্বীকৃত উপায়ে আত্মার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয় নি। তাই কেউ যদি বলে অমুক কাজ করলে আত্মার উন্নতি হয়, আমি তাকে ঠিক বা ভুল বলব না, কিন্তু তাকে বিজ্ঞানও বলব না। তবে কেউ যদি তার সেই বক্তব্যকে বিজ্ঞান বলে চালাতে চায়, তবে আমি তাকে অপবিজ্ঞান বা সিউডোসায়েন্স বলব।

    কয়েকদিন আগে এক বন্ধুর সাথে ফোনে কথা হচ্ছিল। সে বীরপুরুষ, করোনাকে ভয়টয় পায় না। আর ভয় পাবেই বা কেন, ও তো নিয়মিত করোনা প্রতিরোধী আর্সেনিকাম নামে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খায়। এই গল্পে ধরা যাক, ওর নাম হর্ষ। কথায় কথায় হর্ষ জানালো যে ওরা কয়েকজন বন্ধু মিলে দিন কতক আগে একদিনের জন্য ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে যাওযার সময় ও গাড়ি শেয়ার করেছিল সাগরের সাথে। ফিরে আসার পর সাগরের করোনা ধরা পড়লেও হর্ষর হয় নি। হর্ষর মতে এটাই হল অকাট্য প্রমাণ যে আর্সেনিকাম করোনা প্রতিরোধ করতে পারে।

    প্রশ্ন, হর্ষর এই সিদ্ধান্ত কি বিজ্ঞানসম্মত? দেখা যাক।

    আপনাদের কাছে আমার প্রথম প্রশ্ন, এখানে হর্ষর হাইপোথিসিসটা কী? ওর হাইপোথেসিস সম্ভবত এই যে আর্সেনিকাম খেলে করোনা হয় না। এবার এই হাইপোথিসিসের যাথার্থ্য কী ভাবে প্রমাণ করা যেতে পারে? এইখানেই চলে আসছে একটা শব্দ যেটা এর আগে অনেকবার বলেছি। সেই শব্দটা হল “নৈর্ব্যক্তিক”। এখানে হর্ষর পর্যবেক্ষণ নৈর্ব্যক্তিক নয়, বরং বড় বেশি ব্যক্তিনির্ভর। হর্ষর করোনা হয় নি বলেই যে আর্সেনিকা খেলে অন্য আরেকজনেরও করোনা হবে না, সে কথা হর্ষর পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করে বলা যায় না। সে কারনেই হর্ষর এই আর্সেনিকাম খেয়ে করোনা না হওয়াটা অ্যানেকডোট মাত্র, এভিডেন্স নয়।

    কেন নয়, সেটা আরেকটু বিশদে বলা দরকার।

    প্রথমত:, আমরা জানি না হর্ষর এই করোনা না হওয়াটা নিতান্তই কাকতালীয় কি না। কাকতালীয় কাকে বলে? ধরা যাক, গাছে কাক বসল, আর তার পরেই গাছ থেকে তাল পড়ল। এটা হল কাকতালীয় ঘটনা। দুটো ঘটনা পরপর ঘটেছে বলেই এটা বলা যাবে না যে দুটো ঘটনা সম্পর্কযুক্ত। হতেই পারে, এটা দৈবাৎ হয়ে গেছে। পরের বার কাক বসলেও আর তাল পড়বে না, অথবা কাক না বসলেও তাল পড়বে। সেরকমই হতেই পারে যে অন্য অনেক কারণে হর্ষর করোনা হয় নি। কিন্তু তা বলে যে পরের বার হবে না, একথা কেনওভাবেই বলা যায় না। আর বলা যায় না বলেই, আর্সেনিকাকে এক্ষেত্রে ক্রেডিট দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ, ডেটায় যথেষ্ট পরিমাণে পুনরাবৃত্তি বা রেপ্লিকেশন নেই।

    কিন্তু রেপ্লিকেশন থাকলেই কি তাকে প্রমাণ হিসেবে ধরা যাবে? যদি পাঁচশ জনও এসে বলে যে তারা আর্সেনিকাম খেয়েছে এবং তাদের করোনা হয় নি,তাহলে কি বলা যাবে যে আর্সেনিকাম খেলে করোনা হয় না? যদি পাঁচশোবার দেখা যায় যে ঘটনা ক ঘটলে ঘটনা খ ঘটছে, তবে কি বলা যেতে পারে ঘটনা ক এবং ঘটনা খ-এর মধ্যে কার্য কারণ সম্পর্ক আছে?

    চলুন, এবার সেইটা দেখা যাক।

    এখানে বেশ কয়েকটা ব্যপার আছে। একটা একটা করে বলি।

  • ধরুন, পাঁচশো জন পুরুষ কন্ডোম পরে এক বছর সেক্স করলেন (না, না, একই কন্ডোম পরে এক বছর ধরে কন্টিনিউয়াসলি সেক্স করা বলি নি)। আপনি এক বছর পর ডেটা সংগ্রহ করে দেখলেন যে ওই পাঁচশো জনের মধ্যে একজনও প্রেগন্যান্ট হন নি। তার থেকে কি আপনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেন যে কন্ডোম পরে সেক্স করলে গর্ভাধান আটকানো যায়? মজাটা লক্ষ্য করে দেখুন। আপনার সিদ্ধান্তটা ঠিক। কিন্তু আপনার পদ্ধতিটা ভুল। কোথায় ভুল হল? ভুল হল এই জায়গায় যে আমি যদি আরও পাঁচশো জন পুরুষকে স্টাডি করতাম যাঁরা ওই এক বছর কন্ডোম পরেন নি, তাঁদেরও কেউ গর্ভবান হতেন না। অর্থাৎ, পুরুষরা প্রেগন্যান্ট হন নি, অন্য কারণে, তার সাথে কন্ডোম ব্যবহারের কোনও সম্পর্ক নেই।

    বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তুলনামূলক আলোচনা করার জন্য এই দ্বিতীয় গ্রুপটার থাকা খুব জরুরী। দ্বিতীয় গ্রুপ, মানে যাঁরা ওই আলোচ্য পদ্ধতির ব্যবহার করেন নি। এই আলোচ্য পদ্ধতি হতে পারে কন্ডোম পরা, ওষুধ খাওয়া, ভ্যাকসিনের বদলে নুনজল বা প্ল্যাসিবো নেওয়া, যে কোনও কিছু। এই দ্বিতীয় গ্রুপকে বলে কন্ট্রোল গ্রুপ যারা “নাল হাইপোথেসিস” টেস্ট করবে। (নাল হাইপোথেসিস কাকে বলে সেটা আগে বলেছি)। যদি প্রথম গ্রুপের ফলাফল দ্বিতীয় গ্রুপের থেকে আলাদা হয়, তখনই বলা যাবে, যে ফলাফল দেখা গেল (পুরুষরা প্রেগন্যান্ট হলেন না) আর যে পরীক্ষা করা হয়েছিল (কন্ডোম পরা), এই দুটি সম্পর্কিত।

    দ্বিতীয় সমস্যাটা হল, কজেশান আর কোরিলেশনকে আলাদা করা। এটাও করা হল কন্ট্রোলের কাজ। কিন্তু এইটা করতে হলে খুব ভেবে চিন্তা কন্ট্রোল গ্রুপ ঠিক করতে হয়, যাতে করে যেই জিনিষটার এফেক্ট পরীক্ষা করতে চাই, সেটা ছাড়া বাকি সব কিছু এই দুটো গ্রুপে (যারা আর্সেনিকাম খেল আর যারা খেলো না) প্রায় একই রকম থাকে।

    এই সম্পর্কে একটা মজার গল্প বলি। বছর কয়েক আগে একটা পেপার বেরিয়েছিল, যাতে দেখানো হয়েছিল যে যেই দেশ গড়ে যত বেশি চকোলেট খায়, সেই দেশে বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ তত বেশি।

    এইটা আমরা একটু ধরে ধরে বুঝব পরের পর্বে। আর আলোচনা করব “পাঁচশো জনের আর্সেনিকাম খেয়ে করোনা হয় নি, অতএব আর্সেনিকাম করোনা প্রতিরোধে কাজ করে”, এই আর্গুমেন্টের তিন নম্বর ও সবথেকে মৌলিক সমস্যাটাকে নিয়ে।

    ততক্ষণ, আপনাদের জন্য হোমওয়ার্ক।

    ****
    পর্যবেক্ষণ: যেই দেশ গড়ে যত বেশি চকোলেট খায়, সেই দেশে বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ তত বেশি।
    সিদ্ধান্ত: চকোলেটে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড বুদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করে।
    ****
    এই সিদ্ধান্তে ভুল কোথায়?

    (চলবে)

    ফাইনম্যান এর ইন্টারভিউর লিংক:

    পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব তিন: সাধনা ও নিষ্ঠা | পর্ব চার : বিজ্ঞান ও অপবিজ্ঞান
  • বিভাগ : আলোচনা | ২০ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রাজর্ষি রায়চৌধুরী | 80.194.86.114 | ২০ ডিসেম্বর ২০২০ ২২:৩৪101210
  • আহাঃ! নোবেল প্রাইজ এল কি না, তা দিয়ে কি এসে যাবে! 


    চকলেট তো খাওয়া হল! 


    একটু আগে ডিপার্টমেন্টের বারোজন নার্সকে জিজ্ঞেস করলাম! Random স্যাম্পল! 


    প্রত্যেকে এক কথা বললো!!!! 

  • Ramit Chatterjee | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:৪৩101226
  • চকলেটের ব্যাপারটা রিলেটেড হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। চকলেট একটা কিছুটা হলেও লাক্সারি আইটেম। লোকে প্রাথমিক খাবার, বাসস্থান, পরিচ্ছদ ইত্যাদি চাহিদা মিটিয়ে যে ডিস্পোসেবল ইনকাম থাকবে তা থেকে চকলেট কিনবে। এবার যে দেশের মানুষের বেশ ভাল ডিস্পোসেবল ইনকাম আছে তাকে ধনী দেশ বলা চলে। তাহলে সেই দেশ মানুষের পুষ্টি, শিক্ষা ইত্যাদি বিষয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে এটা ধরা যায়, এটাও ধরা যায় যে তাদের হয়তো উচ্চশিক্ষার ভালো পরিকাঠামো আছে। সেখান থেকে বলা যায় এই কারনে হয়তো  নোবেল লরিয়ট বেশি  পাওয়া যাচ্ছে।   


    এখানে বলা হয়নি যে দেশে টোটাল চকলেট কনসম্পসন বেশি না পার ক্যাপিটা কনসম্পসন। যদি দুটোই হয় তবে এখান থেকে আমরা এটাও পাবো যে দেশের একটা সাইজেবল পপুলেশন ও আছে। সুতরাং সেখান থেকে যদি x পার্সেন্ট লোক যদি উচ্চ শিক্ষিত হয় তবে x এর মান উচ্চ হওয়া স্বাভাবিক। 


    এভাবে গোটা টাকে ব্যাখ্যা করা যায় বলে আমার ধারনা।

  • অরিন | 121.99.61.182 | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:৫৫101227
  • "এভাবে গোটা টাকে ব্যাখ্যা করা যায় বলে আমার ধারনা।"


    ইকোলজিকাল ফ্যালাসির গল্পের কথা হচ্ছে বুঝি? 

  • Ramit Chatterjee | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ০৯:১২101234
  • না, আমি বলছি চকলেট আর নোবেল এর ব্যাপারটা কো রিলেশন হতে পারে কজেশন নয় সেটা তো 100%।  আমি কো রিলেশন টা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছিলাম।  যে হেতু লেখক হোমটাস্ক দিলেন তাই। :-))

  • Ramit Chatterjee | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ০৯:১২101235
  • না, আমি বলছি চকলেট আর নোবেল এর ব্যাপারটা কো রিলেশন হতে পারে কজেশন নয় সেটা তো 100%।  আমি কো রিলেশন টা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছিলাম।  যে হেতু লেখক হোমটাস্ক দিলেন তাই। :-))

  • অরিন | 121.99.61.182 | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ১২:০০101241
  • @ramit, বুঝেছি। তো এরকম আরো বহু উদাহরণ আছে। তারা সম্মিলিতভাবে অবাস্তব fallacious, তারা নাম ecological fallacy।  তাদের সকলেরই এক ব্যাখ্যা। 


    এ নিয়ে Tyler Vigen এর একটা চমৎকার কালেকশান আছে, দেখতে পারেন 


    https://www.tylervigen.com/spurious-correlations

  • dc | 103.195.203.126 | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ২১:২৯101268
  • আমার মনে হয়, এটা ঠিক কোরিলেশান কজেশান এর অংক নয়, কনফাউন্ডিং বা হিডেন ভেরিয়েবলের অংক। অর্থাত কিনা, চকোলেট খেলে ফ্লাভানয়েড বুদ্ধি বাড়ায়, আর সেই  দেশের লোক নোবেল পায়, এর মাঝখানে বেশ কয়েকটা কনফাউন্ডিং ভেরিয়েবল আছে। যেমন ধরুন এডুকেশান লেভেল, রিসার্চ ফেসিলিটি ইত্যাদি। সব কটা বেরিয়েবল ধরে বেশ সুন্দর একটা স্ট্রাকচারাল ইকুএশান মডেলিং করা যেতে পারে :-)

  • অরিন | 118.149.87.216 | ২১ ডিসেম্বর ২০২০ ২২:২০101270
  • :-), dc কে ক ! 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন