এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৯০৯৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • trx | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:৫৩659128
  • চাঁদাটাই ধরেন কনসাল্টেন্সী ফী। নেহাত কম নয় - http://www.ucu.org.uk/index.cfm?articleid=1675&detailid=1693 - গড়ে মাসে কুড়ি পাউন্ড।
  • pinaki | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৩২659139
  • আমার এখানে ইউনিয়ন ফী মাসে ২০০ সুইডিশ ক্রোনার। এখানে ইনক্রিমেন্টের ব্যাপার নিয়ে ইউনিয়নের সাথে কোম্পানির রফা হয়। রফা বলতে ইনক্রিমেন্টের একটা ব্যান্ড ঠিক হয়। ইউনিয়নের মেম্বার হলে কোম্পানি সেই ব্যান্ডের ন্যূনতমটা দিতে বাধ্য। এছাড়া কখনো লেঅফ হলে ইউনিয়ন শেষ স্যালারির ৮০% পে করে ৬ মাসের জন্য। প্লাস কিছু ট্রেনিং ইত্যাদিতে সাহায্য করে নতুন কাজ খুঁজে নেওয়ার জন্য। ইউনিয়ন ফী টা খানিকটা ইনসিওরেন্স টাইপ। এছাড়াও ইউনিয়নের অনেক ব্যাপারে সে থকে। যেমন বিদেশ থেকে যখন হায়ার করা হচ্ছে, যেমন আমার ক্ষেত্রে, তখন ইউনিয়নকে জাস্টিফাই করতে হয়, কেন লোকাল লোককে দিয়ে হবে না, আর কিছু প্রোটোকলও ফলো করতে হয়। যেমন লোকাল এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সীতে দু সপ্তাহ সেই পজিশন এর অ্যাড রাখতে হবে, ইত্যাদি। ইউনিয়ন দ্যাখে সেই প্রোটোকলগুলো সব ঠিক ঠিক ফলো করা হয়েছে কিনা ইত্যাদি। এসব দেশে ইউনিয়ন, বিশেষতঃ হোয়াইট কলারদের, সাধারনভাবে নখদন্তহীন। তবে ওভার অল কোম্পানি নিয়মকানুন মেনে ব্যাবসা করছে কিনা সেটা এরা এনসিওর করে। আর বাকিটা মিডিয়েটর বা নেগোশিয়েটর এর কাজ করে।
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:০৩659150
  • !!, কোথায় লিখেছি জানাবেন কিন্তু।
  • Arpan | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:১৪659161
  • পিনাকীকেঃ Q1-এর প্রেডিকশন অবশ্যই করতে পারি। মানে কিছু লোকই তো পোষা হয় এসবের জন্য।
  • !! | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:২৬659172
  • pi ওটা ন্যানো ভালো করছে "না" - আপনি তো ন্যানো তাড়ানোর পক্ষে - পরবর্তী অংশ্টুকু পড়লেই বোঝা যাবে যে একটা না বাদ পড়েছে।
  • sm | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪২659183
  • Q1 প্রেডিকশন করা বড় ব্যাপার না। তবে কোম্পানির বারোটা বেজেছে কিনা, সেটা জানা যায় লালবাতি জ্বলার পরে। যেমন ধরুন কিং ফিশার, , সত্যম ইত্যাদি।ওই পোষা লোকগুলোই ভুল ভাল হিসেব দেয়।
  • PT | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩০659194
  • "School headmaster beaten up by angry guardians in Burdwan......
    Some angry women entered the room of the headmaster and allegedly beat him up with shoes, they said."

    টিভিতে এই খবরটি দেখলে বোঝা যায় যে নন্দীগ্রামের বিপ্লব থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে পব-র মহিলারা কেমন সকল ব্যাপারে অগ্রণী ভুমিকা পালন করছে!!
  • robu | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৪০659205
  • ^ কী অদ্ভুত কমেন্ট! কিছু বলার নেই। সুস্থ থাকুন।
  • সিকি | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৮659216
  • আমি প্রথমে পব-কে ফব পড়ছিলাম।
  • একক | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০৮659228
  • হ্যা', এটা একটা ডেটা পয়েন্ট। কিন্তু এরকম কী ঘটছে যে ছেলদের ক্রাইম রেট্ কম ?
    বা, এরকম কী সিরিয়াস রিসার্চে জানা গ্যাছে যে ক্রিমিনাল সাইকোলজি জেন্ডার ডিপেন্ডেন্ট, মেয়েদের দিকে আলাদা অন প্রায়োরিটি নজর দেওয়া দরকার ?

    নইলে আলাদা করে জেন্ডার হায়লায়ত করব কেন ?
  • Arpan | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০৯659239
  • গোরু রচনার জন্য।
  • একক | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:১১659250
  • আপনি বলতে পারেন পসিবিলিটি হিসেবে না ধরলে অব্সার্ভেশন শুরু হবেনা। সেটা অলরেডি বিদেশে হয়। এদেশে হয় কিনা জানিনা।
  • sda | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৪৩659261
  • পিটিদার পছন্দের বিষয় সিঙ্গুর নিয়ে লিখছিলাম, একটু এগোলে হয়তো বুজিতত্বও এনে ফেলতাম, এমন অবস্থায় এরকম সেমসাইড গোলের কোনো মানে হয় !!!
  • Arpan | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৪৫659272
  • পিনাকী কবে বইমেলায় আসছে সেটা জানলে ঠিক করতাম পিনাকীর বক্তব্যের কাউন্টার করে মাউস ধরতাম কিনা।
  • দেব | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:৪৫659294
  • ১১-৩০ - এটা কি আদৌ পিটির কমেন্ট? নাকি ট্রলাচ্ছে কেউ?
  • দেব | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:৪৫659283
  • ১১-৩০ - এটা কি আদৌ পিটির কমেন্ট? নাকি ট্রলাচ্ছে কেউ?
  • pinaki | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০২:৫৪659305
  • আরে অর্পন, আসছো নাকি? আমি ২২ থেকে ৭ থাকছি কলকাতায়। এর মধ্যে শুধু ১ তারিখটা বর্ধমান যাবো। সারাদিনের প্রোগ্রাম। তা বাদে মোটামুটি কলকাতায়। চলে এসো। দেখা হবে। কলকাতার নাম্বারটা ফেবুতে মেসেজ করে দিও।
  • SC | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৪৬659316
  • এই পিনাকি দার সুদীপ্ত সেন নিয়ে আপত্তির জায়গাটার পোস্ট তা কে অনেকগুলো ক।
    কিন্তু শেষ পোস্টে কি লিখেছে, সেটার সাথে একমত নই। ডেটা তো নম্বর, তার কোনো শ্রেণীচরিত্র নেই, তাকে কিভাবে interpret করছ, তার চরিত্র থাকতে পারে।
    সিঙ্গুরে ন্যানো হলে কি হতে পারত, তার অবশ্যই একটা প্রেডিকশন সম্ভব। আর সেই প্রেডিকশন কতখানি ঠিক্ভুল হবে, সেগুলো কে
    bound করাও ভীষণ ভীষণ ভাবে সম্ভব। সদা একটা চালু ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করছে কোনো গোলগাল 'ভরসা থাকুক' এর উপরে বেস করে নয়।
    নিজের অভিজ্ঞতার উপরে বেস করে। ১০০০ বার একটা এক্ষ্পেরিমেন্ত করলে কতবার সফল হব? ৫ বার, না ৯৯৫ বার?
    সদা যদি অর আগের ১০০০ তা কেস বিচার করে ৯৯৫ দেখে, কিংবা ৫ দেখে, তার উপরে ভিত্তি করে ধারণা করছে, এটা মোটেও গোলগাল নয়। সেখানে uncertainty আছে, কিন্তু সেই uncertainty র একটা bound ও আছে।
    এরপরে কেউ এসে থিওরি দিল, এই তো অল্টারনেট, পুরোটাই uncertain, কোনো bound এর পরোয়া করিনা, তাহলে লোকে সেই থিওরি মানবে কেন?
    কৃষি অনুসারী শিল্প, সমবায় চাষ, এগুলো সিঙ্গুরের আগে সারা বিশ্বময় কথাও হয়নি, এমন তো নয়। সেখান থেকে ডেটা এনে ব্যাগরাবাবুদের বাউন্ড তৈরী করে দেখাতে হবে কোনটা বেটার। হ্যান, বেটার মানে কি, সেটার একটা শ্রেণীগত অবস্থান হতে পারে, সেইটা আমি মানি।
    মানে কেউ বলবে, এই তো, আমার গ্রামে সকলে খেতে পায়, কোনো বৈষম্য নেই, সবার মাস গেলে হাজার রোজগার হয়, কারো কম নয়, কারু বেশি নয়, খুব ভালো ব্যবস্থা।
    আবার অন্য কেউ বলবে, এই তো, আমার গ্রামে যে প্রচুর খাটে তার ৫০০০ রোজগার, আর না খাটলে ০ রোজগার, বৈষম্য, আমার এটাই ভালো লাগে।
  • SC | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:০২659327
  • অন্য প্রসঙ্গে, তিনুদের দল ভাঙ্গার যে প্রেডিকশন আগের দিন দিয়েছিলাম (প্রায় ১০০% কনফিডেন্স ) সেটা এবারে শুরু হলো।
    মমতা কতদিন ঘর বাঁচাতে পারে দেখা যাক। আমার মতে বড়জোর কয়েক মাস, ৪-৬।
  • pinaki | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:৩৪659340
  • অল্টারনেট থিওরি সায়েন্সের বেলায় পরীক্ষা করে ভেরিফাই করে দেখতে তো বাধা নেই। সেখান থেকে এক্সপেরিমেন্টাল ডেটা তৈরী হবে। কিন্তু সমাজব্যবস্থায় অল্টারনেট থিওরি কি প্র্যাকটিস করার সুযোগ দেওয়া হবে? বিশেষতঃ যে অল্টারনেট থিওরি পুঁজিবাদের চালু মডেলের উল্টোদিকে? দুটোর কোনো তুলনাই চলে না। সেইজন্যেই তো বললাম। সদা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নেবে। সিঙ্গুরের চাষী তার অভিজ্ঞতা থেকে। যে সাফল্যের মডেল বেশী দেখেছে তার কাছে পুঁজিবাদের চালু থিওরি সফল। তাই তার কনফিডেন্স আছে। সে সিঙ্গুরের জমি দেওয়ার পক্ষে কথা বলে। যে সেটা দেখে নি তার কাছে পুঁজিবাদের থিওরি ব্যার্থ। সে সিঙ্গুরে জমি দিতে চায় না। এমনকি ক্ষতিপূরণও প্রত্যাখ্যান করে। সায়েন্সের সথে তুলনাটা আসতে পারে যখন অল্টারনেট থিওরি নিয়ে রিসার্চ করার জন্য ফান্ডিং চাওয়া হচ্ছে, সেই স্টেজের সাথে। তা সেই স্টেজে কে আর ডেটা দিয়ে থিওরি এস্টাব্লিশ করে। তখন তো পুরোনো থিওরির লিমিটেশনগুলৈ হাতিয়ার। আর কিছু যৌক্তিক (বা ম্যাথামেটিকাল) এক্স্ট্রাপোলেশন। রিসার্চ করতে এলাও করলে তবে না প্রমাণ হবে নতুন থিওরি ঠিক না ভুল। কৃষিতে সমবায়ের ধারণাটা আসে ঐ যৌক্তিক এক্স্ট্রাপোলেশনের জয়গা থেকে। ছোটো জমির কারণে উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। তাই সমবায় করো। অন্যদিকে অপশন হল কর্পোরেটকে দাও। তার কি কি ক্ষতিকারক দিক তার অনেকটাই জানা। তাই সেটাকে নীতিগতভাবে নেগেট করো। এই তো থিওরির ভিত্তি। এরপরে হয়তো এই থিওরিটকে আর একটু জোরেসোরে প্রতিষ্ঠা করার জন্য অন্য বিভিন্ন সফল সমবায়ের এক্সপেরিমেন্টের উদাহরণ দেওয়া হল। কিন্তু একজ্যাক্টলি এরকম সমবায়ের উদাহরণ না-ই পাওয়া যেতে পারে। আবার ধরা যাক শিক্ষানীতি। কর্পোরেট চায় শিক্ষাক্ষেত্রকে অবাধ ব্যাবসা করার জন্য খুলে দেওয়া হোক। উচ্চশিক্ষায় গুচ্ছ গুচ্ছ ফী বাড়ুক। ইত্যাদি। তার স্বপক্ষে হাজার একটা যুক্তি দেওয়া হয়। এবার এর উল্টোদিকে অল্টারনেট পন্থীদের বক্তব্যটা মূলতঃ নীতিগত। যে শিক্ষা বাজারের আলুপটল নয়, তাই 'পয়সা যার শিক্ষা তার' এই নীতি শিক্ষার জন্য ভ্যালিদ নয়। এটা আসলে সমাজের বিকাশের পথে বাধা, বৈষম্য বাড়ায় ইত্যাদি। এবার খেয়াল করে দ্যাখ, অল্টারনেট বক্তব্যটা মূলতঃ নীতিগত। কেউ যদি বলে ডেটা দিয়ে প্রমাণ করে দেখাও ফ্রী হায়ার এডুকেশন কিভাবে পয়সা দিয়ে কেনা হায়ার এডুকেশনের চেয়ে বেশী উৎকর্ষ তৈরী করতে সক্ষম - সেটা কিভাবে দেখানো যাবে? তখন মূল জোরটা থাকবে নীতির ওপর, তার সাথে বিপ্লবের পরের রাশিয়ার কিছু উদাহরণ, আজকের স্ক্যান্ডিনেভিয়ার কিছু উদাহরণ - এইসব দিতে হবে সাপোর্টিং এভিডেন্স হিসেবে। কিন্তু এই সব এভিডেন্সগুলৈ আংশিক। তাদেরকে হুবহু কপি করা যাবে না, কারণ তাদের মধ্যেও প্রচুর সমস্যা বেরোবে। তাহলে চালু থিওরির বিপরীতে অল্টারনেট থিওরি 'ডেটা দিয়ে' কিভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবে?
  • PT | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:১৫659362
  • "নইলে আলাদা করে জেন্ডার হায়লায়ত করব কেন ?"
    "^ কী অদ্ভুত কমেন্ট! কিছু বলার নেই। সুস্থ থাকুন।"
    '১১-৩০ - এটা কি আদৌ পিটির কমেন্ট? নাকি ট্রলাচ্ছে কেউ?"

    নন্দীগ্রামে পুলিশের সামনে মহিলাদের সামনে দাঁড় করিয়ে "বিপ্লব" করার কথা মনে পড়েকি? আর সেই প্রসঙ্গে মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে মন্তব্য?
  • Arpan | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৩১659373
  • কমরেড পিনাকী, তালে মিলনমেলাতে দেখা হবে। আমার এখানকার নম্বরটাই কলকাতায় চলবে।
  • dc | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৪০659384
  • আমার মনে হয় এখনকার ক্যাপিটালিস্ট সিস্টেমের অনেক কিছুই ভালো দিক আছে। এই সিস্টেম অবশ্যই ভবিষ্যতে রিপ্লেস হয়ে অন্য কিছু হবে, কিন্তু যতোদিন না হচ্ছে ততোদিন সরকার ন্যশনাল আর রাজ্য লেভেলে কিছু জিনিষ এন্সিওর করতে পারেঃ

    ১। শিক্ষা আর স্বাস্থ্যে অনেক বেশী জোর দেওয়া উচিত। অন্তত বেসিক স্বাস্থ্য আর প্রাইমারি-সেকেন্ডারি শিক্ষা সবার জন্য ফ্রি করা উচিত। ফ্রি না করতে পারলে একটা নমিনাল চার্জ নিয়ে কোয়ালিটি শিক্ষা-স্বাস্থ্য ডেলিভার করা উচিত। হায়ার এডুকেশন আর অ্যাড্ভান্সড হেল্থ কেয়ারে মার্কেট ইনভেস্ট করুক।

    ২। ইনফ্রা সরকারের ডেভেলপ করা উচিত, বিশেষ করে রাস্তা, রেললাইন, ব্রিজ ইত্যাদি। খুব বড়ো বা কমপ্লেক্স ইন্ফ্রাতে পিপিপি মডেল ফলো করতে পারে।

    ৩। সরকারের পলিসি, ন্যশনাল আর রাজ্য স্তরে, হওয়া উচিত ব্যবসা আর ইনভেস্টমেন্টকে এন্কারেজ করা আর ফেসিলিটেট করা। পরিবেশের ওপর একটু কম গুরুত্ত্ব দিয়ে বিজনেসের ওপর একটু বেশী জোর দেওয়া যেতেই পারে।

    ৪। সরকারের কাজ গভর্নেন্স, ব্যবসা করা না। সরকারের উচিত রুলস এন্ড রেগুলেশন্স ইম্প্লিমেন্ট করা, সেগুলো প্রাইভেট পার্টিরা ফলো করছে কিনা দেখা। ফেভারিটিজম না করা। একটা প্লেন কোম্পানি যদি বছরের পর বছর লসে চলে তো সরকারের উচিত সেই কোম্পানিটাকে উঠে যেতে দেওয়া।
  • s | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:০৫659406
  • সেজ নিয়ে আলোচনা করতে হলে, কেন সেজ চালু হয়েছিল সেটা একবার দেখা দরকার। GOIর সাইট থেকেঃ
    India was one of the first in Asia to recognize the effectiveness of the Export Processing Zone (EPZ) model in promoting exports, with Asia's first EPZ set up in Kandla in 1965. With a view to overcome the shortcomings experienced on account of the multiplicity of controls and clearances; absence of world-class infrastructure, and an unstable fiscal regime and with a view to attract larger foreign investments in India, the Special Economic Zones (SEZs) Policy was announced in April 2000.
    This policy intended to make SEZs an engine for economic growth supported by quality infrastructure complemented by an attractive fiscal package, both at the Centre and the State level, with the minimum possible regulations. SEZs in India functioned from 1.11.2000 to 09.02.2006 under the provisions of the Foreign Trade Policy and fiscal incentives were made effective through the provisions of relevant statutes.
    To instill confidence in investors and signal the Government's commitment to a stable SEZ policy regime and with a view to impart stability to the SEZ regime thereby generating greater economic activity and employment through the establishment of SEZs, a comprehensive draft SEZ Bill prepared after extensive discussions with the stakeholders. A number of meetings were held in various parts of the country both by the Minister for Commerce and Industry as well as senior officials for this purpose. The Special Economic Zones Act, 2005, was passed by Parliament in May, 2005 which received Presidential assent on the 23rd of June, 2005. The draft SEZ Rules were widely discussed and put on the website of the Department of Commerce offering suggestions/comments. Around 800 suggestions were received on the draft rules. After extensive consultations, the SEZ Act, 2005, supported by SEZ Rules, came into effect on 10th February, 2006, providing for drastic simplification of procedures and for single window clearance on matters relating to central as well as state governments. The main objectives of the SEZ Act are:
    (a) generation of additional economic activity
    (b) promotion of exports of goods and services;
    (c) promotion of investment from domestic and foreign sources;
    (d) creation of employment opportunities;
    (e) development of infrastructure facilities;
    It is expected that this will trigger a large flow of foreign and domestic investment in SEZs, in infrastructure and productive capacity, leading to generation of additional economic activity and creation of employment opportunities.
    সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উন্নত বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য / সেবা রপ্তানির জন্য (সাধারণ অবস্থায় যার অন্তরায় পরিকাঠামো, সরকারী / প্রশসনিক দুর্বলতা ইঃ) এবং তার ফলে বিদেশী মুদ্রা / বিদেশী লগ্নি আসার জন্য। এটাই প্রধান কারণ।
    এবং এর ফলে অর্থনৈতিক বিকাশ, চাকরি তৈরি, পরিকাঠামো উন্নয়ন ইঃ হবে।
    এসবকে উৎসাহ দিতেই কর ছাড়, শ্রম আইন পরিবর্তন ইঃ।

    এখন বর্তমান অব্স্থায়, আইটির ক্ষেত্রে অন্তত ভারত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রধান রপ্তানিকারক হিসেবে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত। ভারত সরকারের কাছে আজকের দিনে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিদেশী মুদ্রা আছে। এছাড়া অন্যান্য সংস্থায়, শেয়ারবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ আরো কয়েক্শো বিলিয়ন হবে। এমত অবস্থায় আইটি কোম্পানি সেজে কাজ করে রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে না (যেটা প্রধান কারণ)। 'সুবিধা পাচ্ছে না' কথাটা বোঝানো দরকার। ট্যাক্স ছাড় দিলে তো বিলক্ষণ সুবিধা পাচ্ছে। তার জন্য জিনিস কম দামে বিক্রি করতে পারছে। এবং যেহেতু বড় বড় দেশী কম্পানি একই মার্কেটে প্রতিযোগিতা করছে, তো মূলত প্রতিযোগিতা হয়ে গেছে কে কার থেকে কম পয়সায় কাজ ধরতে পারে। সেজ ওর নন সেজ সার্ভিস কোয়ালিটির ইতরবিশেষ ফারাক হয় নি। একই স্কিলড জনতা সেজেও আছে নন সেজেও আছে। ফারাক শুধু শস্তার প্রতিযোগিতায়। দিনের শেষে অতিরিক্ত মুনাফা মালিক ও শেয়ারহোল্দারের পকেটে যাছে এবং সরকার লবডংকা চুষছে।
    আর বেশী বেশী বিদেশী মুদ্রা আনার যা চাহিদা আগে ছিল, বর্তমান অবস্থায় তার অনেকটাই লোপ পেয়েছে।
    তাই সেজ এখন কোম্পানিগুলোর সরকারের সংগে দরাদরির জিনিস হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন সেজ হলে প্রথম ৩ বছর ট্যাক্স ফ্রি, স্বভাবতই কোম্পানিগুলো এমন সোনার চামচ ছাড়বে কেন। পঃবঃয়ে তো সেজের বিরোধীতা করার মানেই নেই। ট্যাক্সে ছাড় তো কেন্দ্রীয় সরকারের। সেজ হলে চাকরী হবে। লোকের পকেটে পয়সা এলে রাজ্যের বাজারে সে পয়সা ঘুরবে। আর শ্রম আইন টাইন তো পরে, আগে তো শ্রম দেবার সুযোগ তৈরি হোক। আইটির ক্ষেত্রে পঃবঃয়ে বর্তমান ক্ষেত্রে সেজের বিরোধীতা পাতি ছাগলামি।
  • s | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:১৩659417
  • বাপরে আবাপ এই খবরটাতেও তিনোমুল এনে ফেলেছে! এটা অন্যান্য কাগজগুলোতেও দেখলাম প্রথম পাতায়, কিন্তু তিনোমূল যোগ লেখে নি। ভেবেছিলাম প্রথম একটা তিনোমুক্ত বাওয়াল হয়েছে।
    অবশ্য আবাপ তো অভিযুক্তের খুড়্শ্বশুরের ভায়রাভাই তিনোমূল করলেও, পুরো ঘটনা তিনোমূলের বিরুদ্ধে বলে চালিয়ে দেবে।
  • - | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:২১659428
  • কোন খবরে অযাচিত যোগ?
  • - | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:২৫659439
  • ও! হেড মাস্টারকে গার্জেনরা মেরেছে। আবাপ যেমন তিনোকে আনছে, আপ্নেও তেমন বলে দিন ৩৪ বছরের অবক্ষয়। বিষে বিষক্ষয় ঃ-)
  • s | ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:২৬659451
  • পিটির দেওয়া মহিলাদের দাদাগিরির খবরে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন