এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • jhiki | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৮182250
  • ডার্ক ব্লু পার্ল ও আছে, তবে সেটা চন্দ্রানী পার্ল!
  • jhiki | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৬182249
  • এতজ, আমার গোলাপী মানে হাল্কা গোলাপী মুক্তোর ব্রেসলেট আছে। জাপানীজ পার্ল।
  • h | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৬:০৪182248
  • ও এটা তো পাঁচ বছর আগে। প্রথম দিকের 'সৃষ্টি' তো তাই মনে নেই ;-)

    বাই দ্য ওয়ে, পুনরায় ডিসেম্বরে সিকিম/নর্থ বেঙ্গল যাচ্ছি।
  • Abhyu | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৫:৫৮182247
  • বটে?

    Name: h Mail: Country:

    IP Address : 203.99.212.224 Date:12 Dec 2008 -- 01:48 PM

    হাওড়া থেকে রাত পেরিয়ে পটনা, সেখেন থেকে গয়া(পুরি সব্জী), দুপুর দুপুর কাশী(রুটি সব্জী), তার পর সন্ধেবেলা লক্ষ্ণৌ (রুটি মাংস), সেই রাত পেরোলে সক্কাল সক্কাল সমতলে শিবশম্ভূর প্রথম ঠেক। হরিদ্বার। সেখেন থেকে আবার বাসে মুসোরী(স্ট্রবেরি), তেহরী(কমলালেবুর রস) হয়ে উত্তরকাশী। উত্তরকাশীর কিলোমিটার দশেক আগে একট পুঁচকে বাজার, তার নাম ডুন্ডা(শুধুই মিছরি)।
    সেইখানে একটা ছোট্টো স্কুল। সাকুল্যে ছাত্র ছাত্রী জনা তিরিশেক। তাদের জন্য মাশটার আর দিদিমণি আর প্রিন্সিপাল ও আকাউন্টান্ট, প্লাম্বার আর ইলেকট্রিশিয়ান, ম্যানেজার ইত্যাদি মিলিয়ে জনা পনেরো। খাজনার চেয়ে বাজনা ডেফিনিটলি বেশি।
    অপূর্ব সুন্দর জায়্‌গা। উত্তরকাশী যাওয়ার রাস্তাটার উপরে যেখানে দেবিধরের ঝর্না টা আছড়ে পড়ছে
    তার থেকে ফিট পঞ্চাশেক দুরে ভাগীরথী। তিহরি ড্যাম চালু হয়ে গেলে এই স্রোত টি থাকার কথা নয়। তো পাকা রাস্তা ধরে দুশ গজ গেলেই, ডান পাশে একটা ছোটো টেবিল টপ ভ্যালি। নামহীন। সেইখানে ইশকুল। রাস্তার এক পাশে বিরাট বিরাট সব পাইনে ঢাকা পাহাড়, অন্য পাশটায় এই টেবিল টপ। টেবিল টপ কেনো? কারণ ভ্যালিটির দৈর্ঘ্য আধ কিলোমিটার হলেও, প্রস্থ পঞ্চাশ মিটারের বেশি নয়। এই পঞ্চাশ মিটার টুকু পেরিয়ে গেলেই ভাগীরথীর খাদ। শ দুয়েক ফিট। তবু শীত পেরিয়ে বসন্ত যখন আসে একটু একটু, উপরের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করে, তখন ঐ শ দুয়েক ফিট নীচ থেকেই, বাড়তে থাকা জলের একটা শোঁ শোঁ আওয়াজে কানে তালা লাগে। সারারাত শোঁ শোঁ। বর্ষাকালে তো কথাই নেই।

    সেখানে সকালের দিকে পাখি সব করে রব ইত্যাদি। ছেলে মেয়েরা অংক শিখতে শিখতে স্ট্রেট গাছ ধরে ঝুলতে আরম্ভ করলে, বা ঘাড়ের উপরে উঠে আজ গণিত নহী করেঙ্গে, আজ স্যার কহানী সুনায়েঙ্গে বলে তারস্বরে চেঁচায়, তাহলেও কিছু বলার নেই। কারণ বিদ্যালয়ে শাসন, পুরষ্কার,শাস্তি নিষিদ্ধ। অনুশাসন শাসনে আসে না ঠিক, কিন্তু সেক্ষেত্রে হেলমেট ও গার্ড, কানে তুলো ও নাকে অক্সিজেন, সহ ফুল ক্রিকেট কিট ও কোমরের অর্থোপেডিক বেল্ট কিম্বা নভোচারীর ফেলে দেওয়া পোশাক মাষ্টার দের পক্ষে বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত ছিল। তো দিনের বেলা গুলি প্রাণান্তকর মাঝে মাঝে হলেও হানিকারক নয়।
    রাতি পোহানোটা একটু চাপ। কারণ রাত টুকুর জন্য ক্ষুদেরা যাদের হাতে ধেড়ে মাষ্টারদের ছেড়ে দিয়ে যায় তারা একটু প্রকৃতির কোল ঘেঁষা। ধরুন বারান্দায় বসে সন্ধের মুখে ভাগীরথের ওপারের পাহাড় আর পেঁয়াজের স্টেপ ক্ষেত দেখছেন সিলভার ওক বা বার্চের ফাঁক দিয়ে, এমন সময় যদি ঘনবাদামী রোঁওয়া ওঠা কেউ ফস করে সামনে দিয়ে পেরিয়ে যায়, চমকানোর কিছু নেই, ও ভ্যালির পরিচিত শেয়াল। প্রিন্সির নির্দেশ, শি হ্যাজ আ নিউ ফ্যামিলি, প্লিজ বিহেভ রেসপন্সিবলি। মাঝে মাঝে যদি মালী ভাইয়ার মেয়ে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলে যায়, তাদের আরেকটি মুর্গীও কাল রাতে বাগীরা টেনে নিয়ে গেছে, তাহলেও চমকানোর কিছু নেই,বারান্দার কোণার সিঁড়ি বেয়ে যদি আপনারি ঘরে আপনার আগে ঢুকে যেতে চায়, বিভিন্ন ধরণের পেল্লায় সাপ, তাহলেও পিতৃপুরুষ তথা বীরেন্দ্রকেষ্টর মৃনময়ী বা বাংলা কালীঘাটের ন্যাংটামার নাম জপতে জপতে বীর পাচক ভজন সিংহ কে ডাক
    দিলেই চলবে। সে এসে তাকে টরচের আলো মেরে মেরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বের করে তাড়িয়ে দেবে, এবং বলে যাবে ইয়ে কাটতে নহী হ্যায়, ঠন্ড হোনে সে অন্দর আ যাতেঁ হ্যায়। প্রচন্ড ভয়ে ঠক ঠক করে সমতলসন্তানদের কাঁপতে দেখলে কারবোলিক অ্যাসিডের কেন্দ্রীয় বোতল টি থেকে ছিটে ফোঁটা দিয়ে যান সিঁড়িতে বা চৌকাঠে। সে অ্যাসিড ও অবশ্য মোল্লা নাসিরুদ্দিনের সুরুয়ার মত। অ্যাসিডের জলের অ্যাসিডের জলের অ্যাসিডের জলের অ্যাসিড। তাতে পাহাড়ি সাপেদের অসুবিধে হওয়ার কথা নয়, তারা দু একদিন আসে না, ভজন সিংহের গুডউইলের সম্মানে। আমরাও নৈসর্গ উপভোগের বদলে দরজা জানলা বন্ধ করে, রুম হিটার চালিয়ে ইষ্ট নাম জপতে জপতে রাত কাটাই। তখন পুস্তক চয়নে একটা ভুল হয়েছি্‌হল, এ কথা মনে পড়লে এখনো কষ্ট পাই। ছাই পাঁশ বিলিতি নবেল বা পোবোন্দো না পরে তখন এক্কেরে তুলসীদাসী রামায়ণটি মুখস্থ করা উচিত ছিল। ঠাকুরের নামে পূণ্য ও হত আর যাবতীয়
    বনবেড়াল, সাপ, বেজী এবং শেয়াল বা বাগীরা দের প্রাণে একটু অযোধ্যার ক্রাউন প্রিন্সের কড়া শাসনের ভয় ঢোকানো যেত।
    তো এহেন স্কুলে একদা প্রারম্ভিক গ্রীষ্মে, হই হই করে ব্যস্ততা বেড়ে গেল। কি এক মিটিং এবং শিক্ষা কনফারেন্স হবে। জনা পঞ্চাশেক আঁতেল অথবা ছাত্রছাত্রী আসবেন। আতিথেয়তায় পিছিয়ে থাকা চলে না, তাই রান্নাঘর সামলাতে এলেন স্বয়ং মিশ্রজি। ইনি মূলতঃ বেনারসী কুশ্তিগির। অবসরে মেঠাই, পেঁড়া, জলেবী, রাবড়ি, সমোসা কচৌরি বানিয়ে থাকেন। চেহারাটি বড়ে গোলাম আলি সাহেবকে লজ্জা দেবে। আর গো,ন্‌ফ লজ্জা দেবে নাথুলালকে। ইনি যখন গসিপি জোগাড়েদের মাঝে মাঝে কেয়া হো রহা হ্যায় বলে ধমক দ্যান, তখন নিশ্চয় বীর হনুমান কোথাও একটা ন্যাজ মুচড়ে একটু আত্ম প্রসাদ লাভ করেন, ভাবেন, যাক এখনো কাশীর গঙ্গাঘাটের আখড়া গুলোতে অন্তত শৌর্যের ভারতীয় ঐতিহ্য এখনো মৃত নয়। সে হুংকারে রোগাপাতলা পেটরোগা পটলাদের অথবা নাদুস নুদুস রসগোল্লা প্রেমীদের যে পিলে চমকে আঠাশ হয়ে যাচ্ছে, সেদিকে তাঁর নজর দেওয়ার টাইম
    নেই।সারভাইভাল অফ দ্য ডেফেস্ট।
    তো দুদিন ধরে জলেবী সমোসা চলছে। ভজন সিংহের কালনিনারি সৃজনপ্রতিভা যে উপত্যকায় বছর দুয়েক ধরেই মূলতঃ সুকনো রুটি বা পেঁয়াজের ঝোল কিম্বা বেসনের বড়ায় বড়জোর রাজমার ডালে সীমিত সেখানে মনপাগলা যে অচিরেই মিশ্রজিকে সর্বশক্তিমান নরসিংহ হিসেবে মনে মনে পুজা করবে তাতে আর সন্দেহ কি। চেহারাতেও একটা ভক্তি আসে।
    সেবার কোন কারণে ভালুকের উপদ্রব একটু বেড়েছিল। প্রায়শঃই শোনা যাচ্ছিল আশে পাশের গ্রাম গুলোর নানা গল্প। এই সেদিন জানলা দিয়ে মুখ বড়িয়েছে। এই সেদিন রান্ন ঘরে ঢুকেছে। এই সেদিন দুধওয়ালা র মেয়ে মোষ চড়াতে গেছিল নদীর ওপারে, তাকে নাকি টানা দশ মিনিট দাঁত খিঁচিয়েছে ইত্যাদি। তো আমার এমনিতে ভয় ডর কম। একা একা হেঁটে ঘুরে বেড়াই পাহাড়ে পাহাড়ে। দেবীধরের ঝর্নার উৎস সন্ধানে তিনটে পাহাড় পেরিয়ে ঘুরে এসেছি একা একা। ৭ কিলোমিটার দূরের রানাড়ি গ্রাম সেইখান থেকে মধ্য রাতে ফিরেছি একা একা। প্রচন্ড সাহস। তার উপর একটা গ্রামের কোণায়, ভাগেরথী ব্রীজ পেরিয়ে, জমিদারেরে পাথরের দেওয়াল দেওয়া জমির পাশে, অফ অল থিংস একটি কাস্তে হাতুড়ি খচিত রক্ত পতাকা সজ্জিত সিপিআইয়ের আপিস দেখার পর থেকেই মনের মধ্যে কিরকম একটা চে চে ভাব। শুধু রাত্রে যখন ঘরে গিয়ে শুই তখন মনে হয় এই অপেক্ষা আর সইতে পারিনা ওগো
    মহামতি নীল কিম্বা বসুকী বংশীয় গণ আমাকে তোমরা এইবার তোমাদের মাঝেই নিয়ে যাও আমি তোমাদের যাও, আমি তোমাদের রবীন্দ্র সঙ্গীত গেয়ে শোনাবো, আমি তো তোমাদেরি লোক। এই অপেক্ষা আর সইতে পারি না। একটাই বুক আর কত দুরুদুরু একটা ই পেট আর কত গুড় গুড় করবে?
    তো সেদিন রাত্রে গরীবের পেটে একটু পরোটা ভাজি পড়েছে। সঙ্গে দুপুরে ভাজা জলেবি। রাত্রে একটু ওয়াকম্যান বাহিত পশ্চিমী মার্গ সঙ্গীত চচ্চা করছি।উত্তরকাশীর বাজারে প্রাপ্ত ব্যাটারিতে ব্রাহমস শোনার একটাই শর্ত, মিনিট পনেরোর মধ্যে যা শোনার শুনে নাও, পরেরে ভাগ শুনবে আগামী মঙ্গল বার জগদীশের দোকানে নতুন ব্যাটারি আসার পরে। আর অল্প স্বল্প বাকি থাকলে শুনো পরের মাসে। ১৮০০ মাস মাইনের সবটাই ব্যাটারি তে যাওয়া তো ঠিক কনজার্ভেশনের বিজ্ঞান নয়। আমি দুবারে বিএসসি বলে কথা।তায় ভুতের গল্পবলা মাস্টার হিসেবে ক্ষুদেপ্রিয় বিজ্ঞাণশিক্ষক। ব্যাটারি হাফ ও ফুল লাইফ কাটিয়ে ক্ষ্যান্ত দিয়েছে। আমি সদ্যশ্রুত ব্রাহমস সম্পর্কে সদ্যছিন্ন বান্ধবীকে একটি কালপনিক বক্তৃতায় মুগ্‌ধ করছি, চোখ মুদে সংগীত চর্চা ও অন্যান্য আলাপের স্বপ্ন দেখবো দেখবো কর্ছি, এমন সময়
    হঠাত গভীর রাত্রে আর্ট টিচার মিস বোসের গলায় বাবারে মারে মারে বাবারে চিৎকার। আমি পুনরায় জুবুথুবু হয়ে কম্বলেই বসে রইলাম। একে সগীত চর্চায় বাধা তায় বাইরে বিভিন্ন ঈশ্বরেরে চতুষ্পদ সন্তানের ঘন ঘন আনাগোণার কুখ্যাতি।
    এছাড়া আমার লোকজনের ব্যক্তিগত জীবনে ইন্টারফিয়ার করার অভ্যেসটা তদ্দিনে ঈষৎ মৃত। বিভিন্ন প্রেমে ও গণাঅন্দোলনে ঘা খেয়ে খেয়ে পরোপোকারী জিন ফাইনালি সেল্ফিশ হতে শিখেছেন।
    প্রতিবেশীর বিপদের রাত্রে না বেরোনোর অপরাধেবাকি রত আর ঘুমোতে পারলাম না।

    পরের দিন বেরিয়ে যা শুনলাম তা মোটামুটি এই।মিসেস বোস ঘরের ভেতর থেকে বারান্দার জানলা টা বন্ধ করতে না পেরে বারান্দায় বেরিয়েছিলেন জানলাটা বন্ধ করতে। কাকতালীয় ভাবে ঠিক ঐ সময় দিয়েই মিশ্রজি গায়ে কম্বল দিয়ে লোকসঙ্গীত চর্চা করতে করতে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে নিজের ঘরের দিকে যাচ্ছিলেন, মিসেস বোসের যেকোন কারণেই হোক মনে হয় এই বুঝি সেই গ্রামাঞ্চল দাপিয়ে বেড়ানো ফল খেকো ভল্লুক। চেহারায় সামান্য মিল থাকলেও ভালুকের পক্ষে যে বেনারসের জনপ্রিয় লকগীত এমনকি গুন গুন করেও গাওয়া সম্ভব নয় এটা তাঁর খেয়াল হয় নি। এবং শুধু তাই নয়, আরো কোন আশ্চর্য্যজনক কারণে নার্ভাস হয়ে তিনি নিজের ঘরের ভেতরে না ঢুকে ঊর্ধশ্বাসে স্কুলের সর্বময় কর্তা সেক্রেটারি সাহেবের কোয়ার্টারের দিকে দৌড়ন। ততক্ষণে বৃদ্ধ সেক্রেটারি সাহেব বেরিয়ে এসেছেন। মিসেস বোস মধ্য রাত্রে তাঁকে প্রণাপণে জড়িয়ে ধরে বলতে থাকেন আপনি ওকে কিছু বলুন, আপনি ওকে কিছু বলুন।

    সেক্রেটারি র পক্ষে বাংলা বোঝা এবং ভালুজের পক্ষে হিন্দী বোঝা দুটৈ যে স্রেফ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতিতে ঠিক অত তাড়াতাড়ি সম্ভব নয় এটাও তাঁর খেয়াল হয় নি।

    সম্পূর্ণ বিমূড় হয়ে মিশ্রজি এবং সেক্রেটারি সাহেব কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরে, আলো জ্বালিয়ে আত্মপরিচয় ব্যক্ত করে মিসেস বোসকে শান্ত করে তাঁকে নিজের ঘরে পাঠান।

    পরের দিন বিকেলে সেমিনারের উদ্বোধনী ভাষনে সেক্রেটারি সাহেব আগত অতিথি ছাত্র ছাত্রীদের আহ্বান করে বলেন, উমর সে ম্যায় বুড়া হুঁ, লেকিন দিল মে আভি ভি হুঁ জওয়াঁ ;-)
  • h | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৫:২২182246
  • অভ্যু, কেমন আছো, কিন্তু আমি তো কিছু লিখিনি। অন্য কারো সংগে গোলাচ্ছো।
  • a x | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০৪:০০182245
  • কালকে ল' অ্যান্ড অর্ডার - এসভিইউ দেখতে গিয়ে এই আর্টিকলটার কথা জানলাম - সায়েন্সে পাবলিশড এই লেখাটা একটা এক্সটেন্সিভ স্টাডি, দেখিয়েছে, যেসব বাচ্চারা গান-ভায়োলেন্সের সাক্ষী হয়, তারা অনেক বেশি প্রোন টু গান ভায়োলেন্স। আপাত দৃষ্টিতে মনে হবে, সেতো বটেই। কিন্তু স্টাডিটা বহু ভেরিয়েবল কম্পেয়ার করেছে - দারিদ্র্য, জেনেরাল ভায়োলেন্স, ড্রাগ অ্যাবিউস ইত্যাদি ইত্যাদি। এদের বক্তব্য অনুযায়ী, গান ভায়োলেন্স অনেকটা ইনফেকশাস অসুখের মত। তুমি এক্সপোসড হলে, তোমার ইনফেকটেড হবার চান্স সিগনিফিকান্টলি হাই। কেন এই পেপারটা ইম্পর্ট্যান্ট? গান লবির একটা স্লোগান এবং জোরালো দাবী হচ্ছে গান্স ডু নট কিল পিপল, পিপল কিল পিপল ইত্যাদি। এই স্টাডি বলছে আদৌ তা না।

    এইটা অ্যাবস্ট্র্যাক্ট - To estimate the cause-effect relationship between exposure to firearm vio-
    lence and subsequent perpetration of serious violence, we applied the analytic
    method of propensity stratification to longitudinal data on adolescents resid-
    ing in Chicago, Illinois. Results indicate that exposure to firearm violence ap-
    proximately doubles the probability that an adolescent will perpetrate serious
    violence over the subsequent 2 years.

    লেখাটার ওপরে শর্ট কমেন্টারি সহজবোধ্য ভাষায় - http://scienceblog.com/8055/

    আর অরিজিনাল আর্টিকল - http://www.sciencemag.org/content/308/5726/1323.full.pdf
  • π | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:২০182244
  • *স্লেভারি নিয়ে স্টাডি
  • Arpan | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:১৯182243
  • না, মোদিকে ঠুসে লিখলে কং সমর্থকরা উৎসাহ ভরে রাহুলবাবার র‌্যালিতে ডেকে পাঠাবে।

    লেবেলিং সর্বত্র হয় দাদা!
  • Arpan | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:১৪182241
  • সারাদিনই তো তাই করি, হয় ক্লায়েন্ট নয় আপিসের বস এবং তস্য বসকে।
  • a x | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:১২182239
  • অর্পণ কেমন ডিপ্লোম্যাটিক উত্তর দিসে!
  • রোবু | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:১২182240
  • ষোমজপ-র একটা, সে ত আমি কখনই বললাম। কেউ পাত্তাই দেয়না আমায় :-(
  • achintyarup | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০৯182237
  • সংস্কৃত থেকে বদলে যাওয়া ভাষা প্রাকৃতকে দু ভাগে ভাগ করা হয়। মাগধী এবং সৌরসেনী, সেইটে জানি। মাগধী থেকে বাংলা এসেচে, সৌরসেনী থেকে হিন্দি।
  • Lama | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০৯182238
  • আমার একটা লেখা থেকে আবৃত্তি। শিল্পী নিজেই এই লিংকটা পাঠিয়েছেন। সম্মানিত বোধ করছি।

    http://www.bengaliaudiobook.com/poem-of-sankha-karbhaumik-tustuke-baba/
  • π | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০৮182236
  • কুন্তীর বাবা বোধহয় শূরসেন। সুরসেন বা সুরসেনা নামে একটা জনপদের ও নাম পেলাম। সৌরসেনী ভাষা কি সেখানকার ই ভাষা ?
  • Arpan | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০২182235
  • লিখে দিলাম।

    এবার শান্তিতে ঘুনু কত্তে যাই।

    It looks like a political campaign for Mr. Narendra Modi, who is a prime ministerial candidate from one of the national level party in India…with elections round the corner, I can only apprehend of getting bombarded by more of such messages from all political parties and with due respect to all I would like to tell you that I will be glad if I am excluded from such messages in future – as a dutiful citizen I do participate in certain democratic processes for my country but at the same point in time I do prefer to exercise my right in more silent and secluded manner!

    As for making India "the" best place et all - this is a debatable matter, do not want to get into that.
  • sosen | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০০182234
  • কার্তিকের নাম সৌরসেন ? ঠিক জানিস? শাপমোচনে সৌরসেন ঠিকই।

    সুরসেন কি কুন্তীর বাবার নাম, আর কুন্তীর অপর নাম সৌরসেনী?
    ডিডিদা বা আর কেউ কাল একবার কনফার্ম করবেন নিশ্চয়।
  • π | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৫২182232
  • শাপমোচনে গন্ধর্ব সৌরসেন।
  • Blank | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৫২182233
  • সুরসেন মনে হয় এক কিন্নরের নাম
  • Arpan | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৫০182230
  • হ হ, বৈয়াই রিপ্লাই করুম! লাগতাসে হালারা সাপের পাস পা দ্যাকসে!
  • π | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৫০182231
  • কার্তিকের মেয়ে ?! অবশ্য হতেই পারে। অবিবাহিত ছিলেন কিন্তু লিঃ টুঃ তো করেই থাকতে পারেন।
  • mohor | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৯182229
  • সেটা সুরসেন না?
  • phutki | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৮182227
  • হতেই পারে। হলেই বা আটকাচ্ছে কে।
  • phutki | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৮182228
  • হতেই পারে। হলেই বা আটকাচ্ছে কে।
  • Blank | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৭182223
  • সৌরসেন কার্তিকের নাম
  • Arpan | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৭182224
  • রোবু ঃ)))))
  • sosen | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৭182225
  • তাইলে রিপ্লাই করেন। ইন্ডিয়ার একটা সুবন্দোবস্ত হওনের দরকার, হেইডা তো ঠিক্কথাই কৈসে। আর আই টির লোকেদের হেই আইডিয়ালি বৈয়া থাহনের অভ্যাস ভালো না। হেইডা হককথা।
  • রোবু | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৭182226
  • সৌরসেন মানে পল্লবগ্রাহী নয় তো?
  • π | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪৫182222
  • সৌরসেন শাপমোচনের রাজার নাম না ?
  • phutki | ১২ নভেম্বর ২০১৩ ০০:৪২182221
  • আইয়া পড়লে জানাইয়া যামুখনে। আপাতত নিরীহ একটা শব্দের মানে জানতে চেয়েছিলাম দাদা। ঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত