এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৯০৯১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৪১658795
  • "লোকের কাজে লাগা" মানে কী একটু ডিফাইন কর। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

    ধর রোবোটিক হ্যান্ড দিয়ে রিমোটলি কোনো কাজ সামলে প্রডাকশন কস্ট লং টার্ম এ ওয়ান থার্ড করলুম। প্রোডাক্টা তুইই কিনবি। এক্ষেত্রে এটা তোর "কাজে" লাগলো নাকী কয়েকজন হিউম্যান লেবারের জব গেল বলে বলবি কাজে লাগলোনা এবং কিন্বিনা নাকী নিজে কিনবি কাজেও লাগাবি এবং জব গেলও বলবি।

    বা ধর একেবারে আমার নিজের কাজ। ডায়াবেটিসের বা বিভিন্ন হার্টের ব্যামোর ওষুধ খেলে বডি প্যারামিটার কীভাবে কী পাল্টায় লং টার্মে বিভিন্ন ডিভাইস দিয়ে রিমোটলি চেক করা এবং ফাইনালি এনালিটিক ডেটা বেচা,ডাক্তারদের সাহায্য করা এইটে আমার কাজের একটা অংশ। এটা মানুষের একটু কাজে লাগে বলেই তো জানি। মার্কেট তাই বলে।

    তবে তুই "কাজে লাগা " বলতে কী বঝাচ্চিস আগে জানা দরকার। আমরা সাধারণ আইটি গাই। এসব টুকটাক কাজই করি। ন্যাচেরালি বিজ্ঞানীরা যেরকম লেভেলের কাজ করেন আমরা করবনা। আমরা বিজ্ঞানের কেরানি। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ডেটা কে সঠিক পথে সাস্টেইনেবল বিসনেস মডেলের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের কাজ। আমাদের দৌড় ও ওই অবধি।

    এটা কে কী কাজে লাগা বলা যায় ?

    এই লিংক টায় কিছু এক্সাম্পল পাবি।

    http://articles.economictimes.indiatimes.com/2014-12-18/news/57196403_1_data-analytics-market-gvk-biosciences-mu-sigma
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৪৬658806
  • কিছু কিছু জিনিস তো কোনো না কোনো কাজে লাগে অবশ্যই। কিন্তু সব কিছু কি ?

    আর আমার প্রশ্নটা আরো বেশি করে, যে কাজগুলো অবশ্যই দরকার কিন্তু তাতে প্রচুর আন্ডারএমপ্লয়মেন্ট আছে, সেগুলো নিয়ে।
  • শ্রী সদা | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৫৪658817
  • সংহতির লেখাতা পড়লাম। পুরোটা জুড়ে বোঝানো হয়েছে পুঁজি কত খারাপ জিনিস আর সব রাজ্যগুলো পুঁজিপতিদের কাছে কাছাখোলা হয়ে কী ভুল করছে। কিন্তু অল্টারনেটিভ মডেল? না ঃ, ওটা পাঠকদের কাছে হোমটাস্ক হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ঃ)

    একটু আগে a_x মাঠেঘাটে কাজ করা ব্যাগড়াবাবুদের কথা বলছিলেন। ওনাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে, অ্যাটলিস্ট প্রিচিং এবং প্র্যাকটিশিং এ মিল পাই। কিন্তু ওনাদের মুখপাত্র কিষেনজি মূলোদের হাতে তামুক খেতে গিয়ে জান খুইয়ে বসলেন, এবং বাকীদের কাছে উদাহরন তৈরী করে দিলেন ঃ)
  • Ekak | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:৫৭658828
  • এবার তো তাহলে আবার সাউথ এর উদাহরণ দিতে হয়। নিম্হ্যানস এ বা সেইন্ট জনস এ আন্ডারএমপ্লয়মেন্ট আছে ? নেই। গুচ্ছ ডাক্তার -মেডিকাল স্টাফ।

    এনারেস-মেডিকেলে আছে। কেন ? একটা এমবিবিএস করা ছানা এমডি করতে বাইরের রাজ্যে গিয়ে যদি আর ফিরে এসে এনারেস জয়েন না করে তাহলে সেটার সমস্যা কোথায় ?
  • a x | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:০২658850
  • যাবতীয় মাঠেঘাটে কাজ করা সবার মুখপাত্র কিষেনজি? যদিও জান খোয়ালে কিষেনজিদের থিওরি'ই আরো স্ট্রং হয়।
  • T | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:০২658839
  • আমিও লেখাটা পড়লাম, কিন্তু অল্টারনেটিভ থিয়োরীটা পেলাম না। সেটা কোথায়, মানে কি করিতে হইবে?
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:০৩658861
  • মনে হয়না ২৩ নং পাতাটা ভালো ক'রে পড়েছিস বলে।
  • a x | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:০৪658872
  • অল্টার্নেটিভ মডেল নিয়ে তো বহু কথা বহু বার হয়েছে। আর কিছু না হোক অমিত ভাদুড়ীর লেখা প্রসঙ্গেই বোধহয় গোটা চারেক লেখা আছে গুরুতেই।
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:০৬658883
  • বড় বড় শহরে আর এসবে কোথায় আণ্ডারএমপ্লয়মেন্ট হয় ? কোলকাতাতেও হয়না ঃ)
  • T | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:১২658895
  • নাহ্‌, ২৩ এর পাতার সমাধান অনেক ভাসাভাসা। কোওপারেটিভ গেম খেলছে তো রাজ্যগুলো। টোটাল পে অফের ডিস্ট্রিবিউশনটা ইন্ডি ভিড্যুয়াল র‍্যাশনালিটির উপরে গেলে তবেই তো রাজ্যগুলো কোওপারেশনে যাবে। প্রথমতঃ এটা যে হবে তার কি গ্যারান্টি। দ্বিতীয়তঃ এই পে অফের ডিস্ট্রীবিউশন স্থির করবে কে? কিভাবেই বা মাপবে?
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:১৩658917
  • গ্যারান্টি তো পরের কথা। এভাবে কি কোন চেষ্টা আদৌ করা হয়েছে ?
  • শ্রী সদা | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:১৩658906
  • ২৩ এ ও কিছু পাওয়া গেলনা। প্রাইস ইত্যাদি নিয়ে কিছু আছে কিন্তু তার সাথে গাড়ি কারখানার কি সম্পর্ক সেটা মোটা মাথায় ঢুকলোনা।

    অল্টারনেটিভ মডেল নিয়ে যে কটা লেখা পড়েছি কোনোটাই পশ্টো করে কিসু বলেনা, শুধু গোল গোল ঘোরা,ইন মাই ভেরি ভেরি হাম্বল ওপিনিয়ন ঃ) অল্টারনেট মডেল অফ ডেভেলপমেন্ট ফর নন-ইন্টেলেকচুয়াল্স - এরকম কিছু একটা চাই।
  • T | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:২১658939
  • নাহ, গ্যারান্টিটাই আগের কথা। না হলে কো অপারেশনে যাবে না। তারপর এই রেজাল্ট ডিপেন্ড করে আছে প্রচুর ইন্ট্রিন্সিক আর এক্সট্রিন্সিক প্যারামিটারের উপর। পুরো ডায়নামিকাল সিস্টেমের উপর এই গুলোর এফেক্ট প্রেডিক্ট করা স্রেফ সম্ভব নয়। ফলে ভরসা করা যেতে পারে একমাত্র পাস্ট ডেটাকে মডেল করে চলা, অনবরত। তদ্দিন পুঁজিবাদকে, যে কোনো ফর্মেই হোক, খেলতে দিতে হবে। ধ্বসে পড়ার পর যাতে তখনকার মতো একটা ঠিকঠাক কিছু খাড়া করা যায়।
  • Ekak | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:২১658928
  • তাহলে তো ঘুরেফিরে আবার একই জায়গায় আসছিস। অর্বানায়সেষণ কে শহরের বাইরে ছড়িয়ে না দিলে লোকজন গ্রামে এমপ্লয়মেন্ট নেবে ক্যানো ? শো ওয়ান গুড রীসন :)

    বেইজিং এ একটা গ্রামে বহুতলে সব গ্রামবাসী। বাকি জমিতে কৃষি-শিল্প-চওড়া রাস্তা। স্কুল থেকে বাজার।

    যে ছেলে বা মেয়েটি দিন রাত এক করে খেটে ডাক্তারি তে পেয়েছে এবং সাকসেসফুলি এমডি অবধি করেছে সে ঠিক কোন কারনে শহরের বেসিক সুবিধেগুলো ছেড়ে ধ্যার্ধেরে গোবিন্দপুরে গিয়ে নিজের ছেলেমেয়েকে খারাপ ইস্কুলে পড়াবে শুনি ? আমি যদি গ্রামকে আরবান করে না তুলি তাহলে তো এই নেই তাই নেই এর সাইকল টাই চলতে থাকবে !
  • Arpan | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:২২658950
  • স্টেটগুলোর কোঅপারেশন তো অনেকবার অ্যাটেম্পট করা হয়েছে।

    যেমতি - তৃতীয় বিকল্প - ১, তৃতীয় বিকল্প - ২, তৃতীয় বিকল্প - ৩, চতুর্থ বিকল্প, রাষ্ট্রীয় বিকল্প* ইঃ।

    * লাস্টেরটি গেলবারের ইলেকশনের সবচেয়ে বড় খোরাক হয়েছিল।

    : D
  • একক | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:৫০658961
  • ঈশানের লেখাটা পড়লুম।

    ফ্রি মার্কেটের নাম দিয়ে একটি বালির বস্তা রচিত হয়েছে। কিনিসিয়ান আর অস্ট্রিয়ান এর খিচুড়ি লাগলো। ম্যাকিন্সী কী গান গেয়ে গেছে সেটাকেই কেন্দ্র করে ঘুরে সা এ আসার প্রচেষ্টার জনিত। আমি বলেই দিচ্ছি হার্ডকোর অস্ট্রিয়ান স্ট্যান্স নেবো। ঈশেন নিজের স্ট্যান্স বেছে একটু পরিস্কার ভাষায় ব্যাখ্যা করুক, শুনতে আগ্রহী। আর শেষের দিকের ওই বিজ্ঞান-আইদীয়লোজি নিয়ে একই কথা জিজেক রাত্রদিন কানের কাছে দাড়ি নেড়ে বলে চলেছেন সেই ৮৫ থেকে। তাতে কান্টিয়ান লজিক এক চুল তস্কায় নি। ওটা নিয়েও জানতে আগ্রহী। ছোটো লেখায় মোটামুটি সৃষ্টিতত্ব ঢুকে গ্যাছে :( আলাদা আলাদা করে বাতচিত হলে ভালো হয়। যদি অবস্যই এই নাচীজ কে বাতচিতের যোগ্য মনে করে।

    সর্বোপরি, যেটা নিয়ে কথা হচ্ছিল সেই অল্টারনেটিভ পেলুম না।

    [অবিস্সী আমি ঈশেনের একটা স্পিরিটের সঙ্গে একত্র, ক্যাপিটাল ওরকম ডেকে ডেকে আনা যায়না :P ]
  • Ishan | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:১২658972
  • এখন তো আলোচনা করার সময় নেই। বিমান ধরব কাল। আলোচনা করতে হলে বইমেলার পরে। এ বিতর্ক চলবে, তদ্দিনে থিতিয়ে যাবেনা। :-)

    এখন ছোটো করে দু লাইন।

    ১। বাজার অর্থনীতি থাক, কিন্তু রেগুলেশন সহ। কিছু রেগুলেশন ইতিমধ্যেই আছে। যেমন ধরুন বাজার অর্থনীতি আছে বলে আপনি মানুষ মারার কোম্পানি খুলতে পারেন না। মনোপলি বিরোধী বা অ্যান্টি ট্রাস্ট আইন নানা দেশে আছে। এইরকমই কিছু রেগুলেশন সহ বাজার অর্থনীতি থাক। রেগুলেশনের কিছু উদাহরণ দিই। একটা খুব জরুরি রেগুলেশন হল শ্রম আইন। ক্রেতা সুরক্ষা আরেকটা। বা হাসপাতালে গেলে সুচিকিৎসার গ্যারান্টি। ইত্যাদি প্রভৃতি। এসবের কোনটা থাকবে আর কোনটা দরকারি নয়, সে নিয়ে তক্কো হবে, হোক। কিন্তু কথা হল, রেগুলেশনের প্রয়োজনীয়তা আছে, স্বীকার করা হোক। রেগুলেশন-হীন বাজার-অর্থনীতি একটি দানব বিশেষ, সকলেই জানেন, সেটা মেনে নেওয়া হোক।

    ২। রেগুলেশন বললেই আমলাতন্ত্রের কথা আসবে। সরকারি লালফিতের কথা আসবে। সেগুলো বাস্তব। সেদিকে আলাদা করে নজর দেওয়া হোক। আদতে এটা করা ছাড়া কোনো ভাবেই উপায় নেই, সেটা কাছা-খোলা বাজার-পন্থীরাও জানেন। সেইজন্যই সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম, ল্যান্ড-ব্যাঙ্ক এসব বানানো। তা লালফিতে সরাবেনই যখন, রেগুলেশনেও লালফিতে সরান।

    ৩। শিল্পপতিদের বিশেষ ট্রিটমেন্ট বন্ধ করা হোক। শিল্পপতিদের নিশ্চয়ই বিনা হুজ্জুতিতে, আমলাতন্ত্রের দাদাগিরি ছাড়া বা স্থানীয় গুন্ডাগিরি বাদ দিয়ে শিল্প বানানোর অধিকার আছে। সেটুকু এনশিওর করলে কোনো অসুবিধে তো নেইই, বরং করা উচিতই। কিন্তু "শুধু" শিল্পপতিদের না। সরকারি দপ্তরে সার্টিফিকেট নিতে যাওয়া সব মানুষেরই একই রকম ট্রিটমেন্ট পাবার অধিকার আছে। শিল্পপতিরা আকাশ থেকে পড়েননি, বা দেবদূতও নন, যে বিশেষ কিছু অধিকার পাবেন। সবার জন্য অধিকার সুনিশ্চিত হোক, শিল্পপতিদেরও। সবার অধিকারের সীমানা বাঁধা হোক, শিল্পপতিদেরও।

    ৪। সব মিলিয়ে কী দাঁড়াল? আপত্তিটা সিলেক্টেড ফিউ কে অধিক সুবিধে দেওয়া নিয়ে। লালফিতে কাটালে সকলের জন্য কাটান। সুবিধে দিলে সকলের জন্য দিন। সেজ এর বিরুদ্ধে আপত্তিটা এখান থেকেই আসে। এগুলো এমন কিছু পকেট, যেখানে অত্যধিক সুযোগ-সুবিধে আছে, এবং জাস্ট কিছু মানুষের জন্য। এই ছোটো ছোটো দ্বীপের বাইরে বাকিদেরও সেগুলিতে অধিকার আছে। সেজের বাইরের কোম্পানিগুলি করছাড় পায়না, সেজে কেন পাবে? শ্রম আইন সারা দেশে এক, সেজে কেন আলাদা হবে? সারা দেশের বিদ্যুতের নাকাল অবস্থা, সেজে কেন বেশি সুবিধে?

    তা, এইসব কেন র উত্তর যা দেওয়া হয়, তা জানিনা এমন নয়। সেজে বেশি সুবিধে দিলে আখেরে লাভ। জিডিপি বাড়বে, গ্রোথ বাড়বে, সারা দেশেরই আস্তে আস্তে উন্নতি হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এর পাল্টা যুক্তিটা হল, এইগুলো আসলে ফাঁপা বুলি। গোটা দেশের ইনফ্রাস্ট্রাকচারের উন্নতি ঘটানোর গুরুদায়িত্ব ত্যাগ করার ফিকির। উদাহরণ দিয়েই বলি। ধরুন দেশে হেবি গ্রোথ। কিন্তু আয়কর দপ্তর দুর্নীতিগ্রস্ত। কোনো রেগুলেশন নেই। আর পূর্ত দপ্তর কেবল টাকা খাবার কল। এবার গ্রোথ যতই হোক না কেন, সরকারি রেভিনিউ বাড়বেনা, শুধু বাড়বে কালো টাকা। ফলে আপনি বাকি সিস্টেমের সংস্কার না করে শুধু সেজে মনোযোগ দিচ্ছেন, সেটা আখেরে কোনো ফল দেবেনা, অসাম্য বাড়ানো ছাড়া।

    তা, এই হল মতপার্থক্য। খুব র‌্যাডিকাল কিছু না। শুধু শিল্পই একমাত্র মোক্ষ ও লক্ষ্য, আর শিল্পপতিরা দেবদূত, এই মাইন্ডসেট থেকে বেরিয়ে আসতে বলা, ফাঁকিবাজি না করে পুরো ব্যবস্থাটার দিকে তাকাতে বলা। এই আর কি।

    পুঃ
    ১। এখানে জমি নীতি নিয়ে কিছু বলিনি। ভূমি সংস্কার নিয়েও না। যদিও সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    ২। এক রাজ্যে সেজ হবেনা অন্য রাজ্যে হবে, এটা খুব ফলপ্রসূ এই মুহূর্তে নয় বলেই মনে হয়। কিন্তু সেই কথাতেও ঢুকিনি।
  • pintu | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:২০658983
  • ঈশানবাবুর লেখায় অনেকগুলি 'হোক'। সবগুলি ই খুব ভাল। দুহাত তুলে সমর্থন।

    একটি কথা। বেড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধে কে? এক দল রাজ্য শিল্পপতিদের বিশেষ সুযোগ দিলে শিল্পপতিরা সেখানেই তো যাবেন। এ আটকানো যাবে কি করে?
  • !! | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০৭:১১658994
  • একেবারে ফালতু লেখা ইশানের - এখানে যুক্তি কম, জ্ঞান বেশি। আসল প্রশ্ন কে একেবারে এড়িয়ে গিয়ে চাট্টি কি হওয়া উচিত লেখা - এই নিয়ে স্তাবকের দল বাঃ বাঃ করলেও এতো কোন দিশাও নেই এবং এখনকার মডেলের কোন অল্টারনেটিভ নেই। সবচেয়ে বড় কথা সিঙ্গুরে বড় বড় জ্ঞান দেওয়া লোক, কালকের আনন্দবাজারের লেখায় ট্রিকল ডাউন থিওয়োরীর প্রমাণ পেয়েও চুপ।
    ঊল্টে পাইয়ের মতো ব্যগড়াপন্থীদের ন্যানো ভাল করছে -হুঁ হুঁ বাবা বলেছিলাম না টাইপের লিংক দিতে দেখেছি।
  • pi | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ০৯:৩৪659006
  • আমি ন্যানো ভাল করেছে বলে লিং দিয়েছি !! কবে ? কোথায় ?
  • শ্রী সদা | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:৪০659017
  • পিন্টুকে ক।
    আর এই এক্সপ্ল্যানেশনগুলো যে কলেজের শিক্ষকরা অনশন করছেন (আমি সমর্থন করি) সেইসব কলেজের চাগ্রী না পাওয়া ছাত্রদের দেওয়া হোক, দেখবেন কী রিঅ্যাকশন হয় :P
  • PM | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:০০659028
  • জব ক্রিয়েসন যদি জ্ঞান আর বাতেলার সমানুপাতী হতো তাহলে পঃবঃ চাকরী তে ভেসে যেতো আজ। জনগন সব জানে শুধু জানে না চাকরী কি ভাবে তৈরী হবে ঃ(
  • pinaki | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:০৩659039
  • সদা, এই একই কথা পিটিদাকেও বহুবার বলেছি। তোকেও বলছি, তুই যেমন বলছিস, ঠিক একই ভাবে সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ করা ঠিক কাজ হয়েছে সেই কথাটা সিঙ্গুরের জমি হারানো লোকজনকে গিয়ে বুঝিয়ে দেখাতে পারবি? দেখবি নাকি কি রিঅ্যাকশন হয়? ঃ-)

    এবার ধর গোল গোল অল্টারনেটিভ প্রসঙ্গে। এই মুহুর্তে যে ব্যবস্থা চালু আছে তার ওপর তো এত কনফিডেন্স। প্রেডিক্ট করতে পারবি আগামী পাঁচ বছরে আর একটা রিসেশন আসবে কিনা? অত বড়ও দরকার নেই, তোর কোম্পানির কথা ধর। প্রেডিক্ট করতে পারবি Q1 এর রেজাল্ট কেমন হবে? আগামী দুবছরের মধ্যে তোদের কোম্পানিতেও টিসিএসের মত লে অফ আসবে কিনা? বা কটা লোক রিক্রুট করবে? মালিকানা হাতবদল হবে কিনা? এবার সমস্যাটা দেখ, তোর কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়েও তুই যদি নির্দিষ্ট প্রেডিকশন চাস তুই কিছু গোলগোল কথা ছাড়া কিছুই শুনবি না। অথবা কিছু সংখ্যাগত প্রমিস শুনতে পারিস, যেগুলো আগামী দিনে মানা হবে কিনা সে গ্যারান্টি কেউ দেবে না। অর্থাৎ সেগুলো সবই উইশফুল থিংকিং। অবস্থা বুঝে টার্গেট, পলিসি সবই বদলাতে বদলাতে যাবে। অথচ সেই গোলগোল কথাগুলো মেনে নিতে আমাদের অসুবিধে হয় না। সেখানকার অজানা ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের মধ্যে কিন্তু একধরণের কনফিডেন্স কাজ করে। আমরা ধরে নিই কিছু না কিছু ব্যবস্থা ঠিকই হয়ে যাবে। এই কনফিডেন্সের পিছনে কারণটা কী? ভেবে দেখ। কারণটা হল, আমরা একটা চালু ব্যবস্থার মধ্যে আছি। সেই ব্যবস্থা তোর সামনে প্রতি মুহুর্তে উদাহরণ তৈরী করছে যে তোর মত পড়াশুনো করা, তোর মত উদ্যোগ সম্পন্ন অন্য একটা লোক সারভাইভ করছে, নাকি করছে না? তুই দেখছিস করছে। তাই অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও তুই যে ব্যবস্থার মধ্যে আছিস সেটা তোকে একটা কনফিডেন্স দিচ্ছে। কিন্তু যেকোনো অল্টারনেটিভ থিওরির সমস্যা হল, সেই ব্যবস্থাটা চালু নয়। কাজেই সেখানে কিছু নীতিগত অবস্থান নেওয়া যেতে পারে, আর কিছু কোয়ান্টিটেটিভ প্রেডিকশন করা যেতে পারে। কিন্তু তার একটা সীমাবদ্ধতা থাকবে। কাজেই অল্টারনেটিভ থিওরির ক্ষেত্রে কনভার্জেন্সটা মূলতঃ আসবে নীতির উপর ভিত্তি করে। সংখ্যার উপর ভিত্তি করে নয়। যে নীতিগুলো আবার তৈরী হচ্ছে চালু ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা যে সঙ্কট তৈরী করছে তার অভিজ্ঞতার উপর দাঁড়িয়ে, বর্তমান নীতিগুলোর নেগেশনের মধ্যে দিয়ে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই সিঙ্গুরে অনুসারী শিল্পের কত লোক চাকরি পাবে তার উইশফুল প্রেডিকশন বর্তমান চালু সিস্টেমের সুফল ভোগ করা একটা লোকের কাছে যে মানে ক্যারি করবে, সেই একই ব্যবস্থায় যারা ভুক্তভোগী তাদের কাছে সম্পূর্ণ বোগাস মনে হবে। উল্টোদিক থেকে দেখলে অল্টারনেটিভওয়ালারা যখন বলবে সিঙ্গুরে ন্যানো কোরো না, বরং সমবায় চাষ করো, আর কৃষি অনুসারী শিল্প করো, তাতে এই এই কর্মসংস্থান হবে - তখন সেই উইশফুল প্রেডিকশন সিঙ্গুরের চাষীর কাছে মীনিংফুল মনে হতে পারে, কিন্তু তোর কাছে গোলগোল মনে হবে। কাজেই কোয়ান্টিটেটিভ অ্যানালিসিস দিয়ে অল্টারনেটিভ থিওরিকে প্রতিষ্ঠা কর যাবে না। সেখানে চালু থিওরি কিছুটা এগিয়ে থাকবে সেটা চালু থিওরি হওয়ার কারণেই, একটা ফেইলিওরকে ঢাকা দিতে সে অন্য একটা সাফল্যকে প্রজেক্ট করতে পারে (হয়তো কিছু জল টল মিশিয়ে), কিন্তু অল্টারনেটিভ থিওরির সেই সুযোগটা নেই।

    যাই হোক, এনিয়ে অনেক ভাট দেওয়া যায়। কিন্তু এই লিখে লিখে তক্ক করতে খুব সমস্যা হয়। বইমেলায় কলকাতায় থাকবো। যদি আসিস, তখন কথা বলা যাবে।
  • ঊমেশ | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:১৮659050
  • PM কে একটা বড়ো করে ক দিলাম
  • cb | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:২৪659061
  • বলছি পিটি দাকে বইমেলায় নিয়ে যাবেন না, এই পাতা খাঁ খাঁ করবে যদি কোন মিউচুয়াল হয়ে যায় :)
  • Ekak | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:২৬659072
  • ঈশান জুডিশিয়াল রেগুলেশন আর মার্কেট রেগুলেশন কে এক করে ফেললে না ?

    হাসপাতালে গেলে বেড আছে অথচ আমাকে ফিরিয়ে দিলো এটা বাজার অর্থনীতি সাপোর্ট করেনা। আমি মামলা করতে পারি। রন পল মাঝে মাঝে এরকম "সার্ভিস প্রভায়দার্স রাইট " মার্কা বক্তব্য রাখেন বটে কিন্তু সেটা কোনো স্কুলের বক্তব্য নয়।

    মার্কেট যেটার ওপর জোর দেয় সেটা প্রাইভেট কন্ত্র্যক্ত। আমি একজন ইন্ডিভিজুয়াল। আমার সঙ্গে আরেকজনের যে কন্ট্র্যাকট হবে সেটা মেনে না চললে বা অন্যজনের অনুমতির অপেক্ষা না করে পাল্টে ফেললে যুদিশিয়ারী ইন্তার্ভেইন করে। এটা তো কোথাও অস্বীকার করা হয়নি ! এই যে শুনছি পব র ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে টিচারদের বাধ্য করা হয়েছে রেইল স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছাত্র ধরতে এটা কী বাজার অর্থনীতি নাকী ???? কোনো কন্ট্র্যাকট এ ছিল যে টিচার রা মার্কেটিং এর দায়ীত্ব নেবেন ?? যত দিন যাবে এইরকম অন্যায় -অপরাধ বাড়বে কারণ প্রাইভেট কন্ট্র্যাকট এর গুরুত্ব আমাদের কাছে পরিস্কার নয়। যে যে সম্ভাব্য বিপদের কথা বলা হয়েছে তা আসছে কোথা থেকে ?

    আসছে লীগাসী সিস্টেমে যেভাবে কালেকটিভ ন্যায বিচার করা হত, ইউনিঊন হত সেই স্ট্রাকচার টা সম্পূর্ণ ধাক্কা খাচ্ছে নতুন বিসনেস মডেলের সামনে দাঁড়িয়ে। শিল্পপতির গুন্ডামি বলো বা ইউনিয়ন এর লোকদের ব্যর্থতা, আসল ব্যর্থতা টা নতুন ডাইনামিক্স কে চিনে নিতে।

    একটা উদাহরণ দি : আইটি তে ইউনিয়ন করা নিয়ে লোকজন খুব মেতেছে। বিপ্লব প্রায় করেই ফ্যালে। এবার একটা প্রশ্নের উত্তর এরা প্রথম থেকে এড়িয়ে যাচ্ছে এবং যাওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই তা হলো, যেখানে ইন্টারেস্ট কনফ্লিক্ট আছে, যেখানে সব ইন্টারেস্ট কে কালেক্তিভে আনা যায়না সেখানে লীগাসী ইউনিয়ন মডেল আদপে কার কোন কাজে লাগবে ? আউত্সর্সিং এর ফলে সেম ফ্লোরে কাজ করা
    এমপ্লয়ী সেম পে-রোলে নয়। সেম পে-রোল হলেও একেকজনের সঙ্গে একেক কন্ট্র্যাকট। কালেকটিভ ধরতে গেলেই ইন্টারেস্ট কনফ্লিক্ট আসবে। ছড়িয়ে ছত্রিশ হবে। কাজেই এটা হোক ওটা হোক বলা সহজ কিন্তু কাল যেভাবে হচ্ছিল আজ সেভাবে হওয়ানো সম্ভব না। আইটি তে আমাদের দরকার পেইড জুডিশিয়াল কনসাল্টেন্সি মডেল। শুধু মালিক মাইনে না দেওয়া তো সমস্যা নয় ! আজ একটা নতুন কোম্পানি তে ঢুকছি,সে দশ পাতার চোথা ধরিয়েছে। এতে কোনো হিডেন গোলমেলে ক্লস আছে কিনা দেখার লোক দরকার। পিএফ মেরে দিলে, অনসাইট পেমেন্ট এর হিসেবে গোঁজামিল দিলে দেখার লোক দরকার। এটার জন্যে আমরা মাসে মাসে প্রিমিয়াম দিতে রাজি। জানব সেই টাকা টা আমার জব ইনসিউরেন্স ধরনের কিছু। রেগুলার পেপারস চেক করে ফীডব্যাক দেবে। ঝামেলায় পরলে মামলা লড়বে আমার হয়ে। এখানে আমার সঙ্গে আমার পাশের চেয়ারে বসা লোকটির কন্ত্র্যক্ত নেচার আলাদা এবং আলাদা ভাবেই ট্রিট হবে।

    মানে যেটা বলার, যুদিশিয়ারী ছাড়া অন্য যে কোনো রেগুলেটরি স্টেপ কে এন্টারপ্রেনীয়রাল মডেলের মধ্যে দিয়েই আসতে হবে। সেটাই মার্কেট। লোহা লোহা কে কাটে। ওই আমলাতন্ত্রের গল্প এনে আবার আশা করা সবাই সোনা ছেলে হয়ে যাবে ওটা বাপু স্বপ্ন :)
  • trx | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:৩৪659083
  • "আজ একটা নতুন কোম্পানি তে ঢুকছি,সে দশ পাতার চোথা ধরিয়েছে। এতে কোনো হিডেন গোলমেলে ক্লস আছে কিনা দেখার লোক দরকার। পিএফ মেরে দিলে, অনসাইট পেমেন্ট এর হিসেবে গোঁজামিল দিলে দেখার লোক দরকার। এটার জন্যে আমরা মাসে মাসে প্রিমিয়াম দিতে রাজি। জানব সেই টাকা টা আমার জব ইনসিউরেন্স ধরনের কিছু। রেগুলার পেপারস চেক করে ফীডব্যাক দেবে। ঝামেলায় পরলে মামলা লড়বে আমার হয়ে। "

    এ তো বিলেতে ট্রেড ইউনিয়নই করে দেখেছি, অন্ততঃ অ্যাকাডেমিয়ায়। AUT বা UCU দিয়ে সার্চ করেন। এবং এরা সত্যিই ট্রেড ইউনিয়ন, রীতিমতন আন্দোলন ইত্যাদি করে (অ্যাজ অপোজড টু পপুলার ভিউ ইন ইন্ডিয়া - লম্বা সময়ের ক্লাস বয়কট বা স্ট্রাইকও হতে দেখেছি)। মাসে মাসে কিন্তু চাঁদা দিতে হয়।
  • শ্রী সদা | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:৩৬659094
  • পিনাকীদা, এক এক করে লিখি।
    প্রথমত ঃ, আমি এক কোম্পানীতে সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার মেন্টালিটি নিয়ে চাগ্রি করিনা, এবং এইটুকু কনফিডেন্স আছে যে আজকে লে অফ হলে কাল আর একটা একুইভ্যালেন্ট চাগ্রী জোটাতে পারবো। সফটওয়ার প্রোডাক্ট কোং এ কাজ করে এরকম যে কাউকে জিগাও, একই কথা বলবে। আজ অব্দি কাউকে লেঅফ হয়ে বাড়ি বসে থাকতে দেখিনি। ভারতবাসীর গড় রোজাগরের বেশ কয়েকগুণ বেশী মাইনে পেয়ে এটা ভাবিনা যে জব সিকিউরিটি গ্যারান্টিড থাকবে। ওটা পসিবল নয়।
    রিসেন্টলি টিসিএস এর লেঅফ নিয়ে যে বাওয়ালটা হল, তার একটা কারণ, আমার মতে, ওদের বিজনেস পলিসির জন্যেই একটা লোক ছ-সাত বছরের এক্সপিরিয়েন্স হতে না হতেই যাবতীয় টেকনিক্যাল স্কিল বিসর্জন দিয়ে বসে থাকে।ব্যতিক্রম নেই বলবো না, কিন্তু এটা ঘটনা।

    দ্বিতীয়তঃ, আমি মনে করি চালু ব্যব্স্থার প্রচুর ভুলভ্রান্তি থাকলেও একটা উন্নয়নশীল দেশে চোখকান বুজে জাস্ট একটা থিওরির ভরসায় ঝাঁপানো ঐতিহাসিক ভুল হবে। সেই মডেল না দাঁড়ালে যে ঝাড়টা নামবে সেটা বর্তমান অবস্থার থেকে কয়েকশোগুণ খারাপ হতে পারে। তিতাসদা এই থ্রেডেই এটা নিয়ে কিছু লিখেছে।

    তৃতীয়ত ঃ অল্টারনেটিভওয়ালারা ন্যানো আসার আগের কয়েক দশকেও সমবায় চাষ চালু করতে পারেননি, এখন যে পারবেন তার গ্যারান্টি কী ? আর সিঙ্গুরের চাষী আগামী কয়েক প্রজন্ম ধরে চাষী থাকতে চায়, এটা কি অলরেডি প্রমাণিত হয়ে গেছে, নাকি উইশফুল থিংকিং ?

    বইমেলায় মনে হয়না যেতে পারবো ঃ(
  • একক | ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:৪৬659117
  • টিআরএক্স

    চাঁদা নয়, একেবারে কনসাল্টেন্সি প্রিমিয়াম হিসেবেই দিতে আগ্রহী। সেখানে এডভোকেট থেকে একাউন্টেন্ট সবাই থাকবে। আমাদের দেশের মার্কেটে এটার ভীষণ প্রয়োজন আছে। ইন্ডিয়াতে যেভাবে ইউনিয়ন হয়ে এসেছে সেটাকেই কপি-পেস্ট করে জাস্ট কোনো লাভ নেই :/
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন