এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৮৭৯৭৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সায়ন | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:৩৭507806
  • তুমি নিয়ে চলো বিনীদ্ররাত, যেথা নির্জন
    যা অসহনীয় তেমন কোনও একা প্রান্তর
    বড়ো বাজে মরুপ্রস্থর দুঃস্থ অনির্ব্বার
    যোজন ফারাক কম্পিত জল নিষ্প্রয়োজন
  • Milli | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:৪০507817
  • কোথাও তখনো জ্যোত্স্নাপৃথিবী এলিয়ে পড়ে আছে-
    দিগন্ত থেকে দিগন্ত অবধি কোনো শব্দ নেই।
    মাতাল চাঁদ বুঁদ হয়ে আছে অশমানী মৌতাতে।
    হাল্কা কুয়াশার জাল সরিয়ে সরিয়ে উড়ছে সাদা পাখি,
    তার নিঃশব্দ ডানায় রোদ্রগন্ধস্মৃতি,
    ঘুমেলা চোখে স্বপ্ন-চরাচর।
  • Milli | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:৪১507828
  • আশমানী মৌতাতে হবে। ঃ-)
  • pharida | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:৫৩507839
  • আহা - কদ্দিন পর জমজমাট লাগছে উঠোনটা -
    এবার পড়ব- তার আগে শেষ করে দি শেষ লেখাটা -

    উৎসব ময় স্থাবর জন্মতিথির
    ফেলে আসা ঘ্রাণ স্তিমিত জন্মদাগের
    কথা ইতিউতি চাপাস্বর কথা ভালো
    সত্যগোপন, এখন সন্ধে হল -
    অবিকল মুখ এক আকাশ চিলছাতে
    জোছনা জলের হাত ধরে দুই হাতে
    ফিরে আসে রাত ঠান্ডা শরীর জুড়ে
    এখন শুধুই আগুন জ্যান্ত লাগে।
  • Tim | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০১:০৯507850
  • অনেক কথাই হলো, অনেক কথার পর
    ঢেকে গেছে এই শব, সব অবসর
    তীক্ষ্ণ প্রশ্নক্ষতে চর্চিত, সম্পন্ন সময়
    মনে পড়ে।
    আজ সশব্দে ফিরে ওড়ে তাহার পালক
    বন্য কণ্ঠে জাগে গান, সুরের আদল-
    রাত নামে নিঃশ্বাসে।
    এই সুর, বুনো গন্ধ, মৃত পাতার নির্যাসে
    শীতল ঘুমের কথা মনে পড়ে।
  • pharida | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০১:৪১507861
  • টিম (১-০৯ এ এম) এর সৌজন্যে -

    মৃত নীল কথার অক্ষর, তবু তার অহংটি দেখ
    জলে নেমে গেল একাকিনী রাত পরবাসে
    এখন বুনো ঘাসে রয়ে গেছে ছাপ, পৃথিবীর
    সব অভিশাপ নিয়ে নিয়ে চলে গেছে এই কিছুকাল
    বুকের ভিতরে রাত ডুকরিয়ে ওঠে, অবসাদ
    জেগে থাকে চোয়ালে ক্ষুরের মতো দপদপে।

    তবু কথা এলে কথা হয়, অনর্থ দিশাহীন মানুষের
    একা একা বলে যাওয়া থাকে আসা থাকে কেউ বুঝি
    ছবি আঁকে গুহার আড়ালে। দূরে কারা কথা বলে শুনি
    চোরাটান আছে বলে স্মিত হেসে উঠি বাতাস আগলে
    যেন দেশলাই জ্বলে। মুখের আদলে বুঝি চোখ পড়ে
    ঈষৎ অন্য লাগে এইখানে, মাপসই বহুদিন ভিড়ে
    দেখা যায় এই চোখমুখ - রাত্রি যেমনটি আজ
    একাকিনী জলে নেমে গেলে - ফেলে তার পরিচিত সাজ।
  • khuchro | ১১ নভেম্বর ২০১২ ০৮:০৮507872
  • pharida এবং tim এর লেখা বড়ই ভাল লাগল। বিশেষ করে ফারিদার কুমুদি কে নিয়ে লেখা টা আর টিম এর অগাস্টের শেষ প্রায়। পরের টায় অদ্ভুত মুড তৈরি হয়েছে। পরলেই মন ভাল হয়ে যাওয়া আর অল্প মন কেমন গোছের। এদের আরো কবিতা পড়ার অপেক্ষায় থাকব।
  • Kaju | ১৪ নভেম্বর ২০১২ ১২:৩৬507883
  • বাপ্তিস্ম
    ---------------------

    কিছুদিন পরিযায়ী, উড়ানপথের নীচে নিজস্ব ছায়াটি
    আস্তাকুঁড়ে ঘোরেফেরে, কম্বল জড়িয়ে গ্রীষ্মে একসাথে বাস
    লক্ষ জীবাণুর স্থায়ী সাহচর্যে যেন কোনো নগর-উন্মাদ -
    সুতী-নির্জনতা তুলে নেয় দেহে শরণার্থী ভীরু কবুতর
    এখানে রেলিঙে চিনে নেয় দাঁড়, পাহাড়িয়া স্কুল কিছু দূরে
    বেলা বাড়ে, ঘন্টাধ্বনি বাগিচা পেরিয়ে আনে ছুটির খবর
    পোড়া ডানা প্রাণপণে ঝাপটায়, জলপাত্র ভরে ইতিমধ্যে
    চলে গেছে কেউ তার অবগাহনের জন্যে, ধুয়ে যেতে থাকে
    পঙ্কিল আস্তর, নিত্য যাত্রাপথে পুরু হয়ে জমা ছিল অসহসহনে
    নীল সোয়েটারে আসে চন্দনকল্লোল, বেজে ওঠে ভায়োলিন
    খুব কাছে থেমে থাকা অর্কেষ্ট্রায় একযোগে তখনি চকিতে
    মন্দ্রসপ্তকের ধীর আবহে পঞ্চম মিশে যায় ফল্গুধারা
    চিত্রার্পিত দৃশ্যদীঘি জুড়ে তরঙ্গের খেলা বিকেলের পাড়ে
    ধুয়ো ধরে ফিরে আসে নানা অছিলায়, শেষে সন্ধ্যার আভোগে
    মিলায় মসৃণ তার সঞ্চারী সঙ্গত, মুগ্ধ কবুতর যেন
    বাপ্তিস্মের আশা নিয়ে বসে থাকে জেরুজালেমের
    অবাক পুষ্করিণীর ঠিক পাশে, বুঝি নড়ে ওঠে জলস্তর
    নেমে যাবে ত্রস্ত পায়ে, বিশ্ব-অনুকল্প মেলে ধরবে অঞ্জলি
    খুলে যাও এই লগ্নে মেঘের পিচুটিলাগা কল্পদিগন্তিকা
    শিলীভূত অঙ্গে তার কোটি কোটি জীবাশ্মের আর্তি ভেসে আসে

    'আদরের নৌকা'
    নভেম্বর ২০১২ সংখ্যা
  • ফরিদা | ২০ নভেম্বর ২০১২ ২২:৪১507894
  • শব্দডুবি

    ঐ যে শব্দ পূর্ণঘড়া বুকের মধ্যে আস্তে আস্তে যায় তলিয়ে
    জলের অত কাছে কেন? কী সে ডাকে পৌছে গেল আমার
    শব্দ গুমোট বর্ণ। আমি যখন ফিরে আসছি অসবর্ণ সন্ধে হল
    দিঘির পাশে। যখন আলো দৃশ্যাবলী না দেখিয়ে নিজের
    সাজে মগ্ন থাকে ভয় তরাসে- কীসের থেকে ভার পেল সে
    কার সে কথা ওর ভেতরে বিপন্নতা জন্ম দিল? জলের থেকে
    গেঁজিয়ে ওঠা ভ্যাপসাগন্ধ পাচ্ছিল কি? একটুখানি বাতাস
    পেলে এসব ঝুঁকি উড়িয়ে দিত কাগজকুঁচি থাকত ভেসে।

    শব্দ এখন অনেক নীচে, এসব কথায় ওর কিছু আর যায় আসে না
    কিন্তু সেদিন কী বলতে সেই জলের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম কার কাছে
    সেই কোন কথাটি ফেরৎ দিতে হিসেব কষছি – কথার ফাঁকে
    স্তব্ধতাটি বাড়ছে ক্রমে। জল বেড়েছে পায়ের পাতার থেকে এখন
    বুকের দিকে আসছে যত শব্দ আমি পাচ্ছি। সতেজ বাতাস লাগছে
    চোখেমুখে। শব্দ আমার বুকের মধ্যে মরে যাচ্ছে আজকে থেকে।
  • sosen | ২০ নভেম্বর ২০১২ ২২:৪৬507906
  • অ ফরিদা, এইটেই দেশ?
    ফরিদা ধীরে ধীরে শঙ্খ হয়ে যাচ্ছে-দারুণ লুকোনো ছন্দের খেলা!
    পূর্ণঘড়া-গুমোট বর্ণ-দিঘির পাশে-ভয় তরাসে-

    ভালো লাগলো। প্রথম ভাগ বেশি ভালো লাগলো।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১২ ২৩:০১507917
  • ওয়াহ ওস্তাদ!

    এই ফরিদা আর টিমি --- কোনও কথা হবে না। টিমিটা অনেকদিন কবিতা লেখে না ভারী গুমোর হয়েছে।
  • Tim | ২১ নভেম্বর ২০১২ ২২:৩৮507928
  • ফরিদার শব্দডুবি দারুণ, অনেকবার পড়লাম নানাভাবে ভেঙে ভেঙে। সেলাম কবি।
  • Tim | ২১ নভেম্বর ২০১২ ২৩:০৮507939
  • রাত্রী যেমন আজো একাকিনী শহরের পথে
    আলোর শিকলে বাঁধা, কষাঘাতে বিক্ষত পিঠ
    চাকতির মত আলো, অশরীরী ছায়ার পেছনে
    রক্তবীজের মত আলোকণা ফুটে আছে, স্থির।
    অন্ধকারের ছাপ জমে ওঠে রক্তরেখায়
    সে চিহ্ন দেখে আজ উল্লাসে কাঁপছে শহর
    কুয়াশার ডালপালা, প্রলোভনে তারার চমক
    একাকিনী রাত্রীর ফাঁদ পেতে বসে আছে ভোর।
  • siki | ২১ নভেম্বর ২০১২ ২৩:২০507950
  • রাত্রী-টা কি ইচ্ছাকৃত?
  • বৈড়াল | ২২ নভেম্বর ২০১২ ০৪:২৮507961
  • আমার কি নেশা হয়েছে ? #২
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~

    আসল ঘটনা হলো
    আমাদের চোখের মধ্যে দিয়ে সবুজ হাইওয়ে চলে গেছে।
    গেছে তুই বিশ্বাস কর
    বিশ্বাস করলেই দেখবি রান্গালুর মতো বিভঙ্গে কৃশকায় হয়ে আছে
    মাখন বাতাস আর হাত দিতে গেলেই
    সাপ সাপ সাপ
    হাওয়া সাপ সাপ সাপ
    হাওয়া সাপ সাপ সাপ
    সাপ সাপ না চুপ
    এইবারে
    ছুঁয়ে দেখ সমস্ত আলো কী হলুউউদ
    আর ধারগুলো বাদামি বিস্কুট
    চারপাশ উঠে যাচ্ছে নেবে যাচ্ছে জুতোয় ভর্তি মরুভূমি ধোয়ায় ঢাকছে ।
    ঢেকেছে তুই বিশ্বাস কর
    বিশ্বাস করলেই সাদা সাদা টুকরোয় বরফের মতো দাঁত আর হাঙ্গরে হাসি
    আর মুনস্টোন গলে গলে বেয়ে বেয়ে
    হারালো সবুজে আর
    পাথরে হাঁটার মতো ট্রেইন
    পাথরে হাঁটার মতো ট্রেইন
    কাঁটাবুট, আর সকলেই চুপ
    এইবারে
    একটি তালিতে দেখো বাতাসে ফাটল ধরলো
    পুড়ে যাওয়া বারুদ রঙের
    আমার দুপাশ দিয়ে পরস্পরের গায়ে গা ঠেকিয়ে দৌড়ে গেলো দুটি স্তেপের ঘোড়া।
    তুই বিশ্বাস কর
    বিশ্বাস করলেই রং মিলান্তি খরগোশ একসাথে হাথে মাথা রেখে মরে যাবে
    আর সেখানে গাছে খুব গলানো লোহার মতো ভায়োলেট রঙ্গিন হয়েছে
    ফুল ফেটে রং ধরে' বাতাসের মধ্যে কত উঠছে নাবছে টের পাচ্ছ না
    সারারাত অক্সিজেন পুড়ে যাচ্ছে ধোয়া উঠছে তারই মধ্যে হিরণ্য জেলিফিশ
    আবার নতুন করে ভেসে উঠে
    একমাথা আলো আলো জল
    একমাথা আলো আলো জল
    হাওয়া জোরে বইলেই নিশ্বাস মনে হয় জেনেরেটর
    পুড়ে যাচ্ছে পুড়ে যাচ্ছে প্রিজমের মতো কোনে ভেঙ্গে যাচ্ছে মাথা
    চোখের মধ্যে শুধু লাল জড়িয়ে রয়েছে আর টেম্পোরাল লোব জুড়ে গলা তুলে ডেকে যাচ্ছে থ্রাস ||
  • Tim | ২২ নভেম্বর ২০১২ ০৮:১২507972
  • সিকি, না, ঘুম্পাচ্ছিলো বলে কনফিউশন হলো, তাই। পরে দেখে বৌ খিল্লি করে বল্লো একাকিনী রাত্রি তাই একটা দীর্ঘ ঈ দিয়ে একটু সাহস দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। বক্তিতা দেবার সময় ভাবছি ঐটাই বলবো। ;-)
  • 3Q | ২২ নভেম্বর ২০১২ ০৮:২৮507983
  • টিম, আমি ভেবেছিলা ধাত্রী বোঝাতে চেয়েছ। মানে এরকম আরকি- আহা মায়াময়ী রাত্রি, সে যেন জগদ্ধাত্রী। ঃ-)
  • siki | ২২ নভেম্বর ২০১২ ০৮:৫৬507989
  • বাহ, উন্নতি হচ্ছে। এখন থেকেই "বৌ"-এর খিল্লিকে ছিরিয়াছলি পাত্তা দিচ্ছে তিমি। :)
  • kumu | ২২ নভেম্বর ২০১২ ১২:০২507990
  • শব্দডুবি খুব ভাল লাগল,লুকোন ছন্দের খেলা।
  • de | ২২ নভেম্বর ২০১২ ১৮:৪১507992
  • শব্দডুবি আর রাত্রী দুইই ভালো -- শব্দডুবির প্রথম প্যারাটা আবৃত্তি করতে কি ভালোই যে লাগছে!
  • sosen | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ০৮:৫৪507993
  • এই যে প্রাতের নিরাবসর কান্না খেলা, রাগ করোনি? ছন্দোভিমান
    ভুল অছিলায় ডুবতে থাকে সান্ধ্য কাগজ, চায়ের পিরিচ,
    কখন যেন দুহাত এসে আড়াল করে উপুর্ঝুপুর রেডিও গান
    আর দিওনা, আর কথা নয়, এবার শুধুই জুড়ক পাড়া
    জন্ম নামুক, একটু করে, ফোঁটার মতন, জলের ফোঁটা
    চুপ করো না, শব্দ থামাও, এত কেন আওয়াজ করো
    এত কেন উপচে পড়, তোমার কি নেই গহন পাত্র?
    নিচুর পানে অধরা টান, জড়িয়ে থাকা অন্নকবচ
    শ্যাওলা শিকড়, অত শব্দে মাছ আসে না, গান কোলাহল
    রোখো এবার চুপটি করে বৃন্তে তোমার দুকান রাখো
    শুনতে পাবে কেমন করে স্তব্ধ দুপুর পাপড়ি মেলে শেফালিরং।
  • rivu | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ০৯:১৭507994
  • সোসেন, খুব ভালো লাগলো।
  • sch | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:৪৫507995
  • ভালো লাগলো সোসেন -- আদ্ধেক কবিতাই তো মাথার ওপর দিয়ে চলে যায় - এটা আধ হাত নিচে একটা জায়গায় ধাক্কা মেরে চলে গেল
  • | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:০৪507996
  • বাঃ বাঃ
  • dd | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:২৮507997
  • তেম্নি ভালো কবিতা কিন্তু শক্তিতে মাখামাখি হয়ে আছে যে।
  • sosen | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:১৪507998
  • শক্তি ? বা:
    খুশি ই হলুম
  • dd | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:১৮507999
  • নাঃ। খুসী ক্যানো হবে? হোয়াই ?

    শক্তি লিখবে শক্তির মতোন, প্যালা লিখবে প্যালার মতোন।

    তবেই ন্না?
  • sosen | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৫:৩৫508000
  • তাতো বটেই। তবে আমি শক্তি আদৌ পড়ি না। প্রভাব পড়ার ব্যাপার নেই। দিনরাত শঙ্খ, জীবনানন্দ, অলোকরঞ্জন। তাই আপনাআপনি শক্তিময় কবতে লিখলুম ভেবে বেশ খুশি লাগলো।
  • dd | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৬:০২508001
  • তাও ও আসে। না পড়লেও আসে। হাওয়ায় ভেসে আসে। ঐ সব প্রভাব টভাব।

    আমার কানে লাগলো ....দুর,ভুলে গেছি কবিতাটা শুধু একটাই লাইন মনে আছে.... 'আমার করতলের উপর, রাখো তোমার উদ্যত পা।" দুটো কবিতায়, ছন্দে ও ভাবে একটা মিল খুঁজে পেলাম।

    কেউ চিনতে পারলে টুকে দেবেন?
  • Sibu | ০৫ ডিসেম্বর ২০১২ ১৯:১২508003
  • করতলের উপর উদ্যত পা শুনে সেই মম শিরসি মন্ডমং দেহি পদপল্লবমুদারম্‌ মনে পড়ল। কিন্তু আসল কবিতাটি পড়ি নাই। ডিডিদার লগে আম্মো পড়তে চাই-
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন