এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৮৭৯৯৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pharida | ১৭ আগস্ট ২০১২ ১৯:৩৮507473
  • পুরনো ধারাপাত
    সুমন মান্না

    জলের দাগে ভিজে নিজের পটভূমি
    রেখেছি মনে তাকে নিভৃতি কাঁথা চেপে
    যোজন দূরে একা জাগাল সারারাত
    নতুন খাতা লেখে পুরনো ধারাপাত।

    সেদিন মেঘ ছিল বলেই কথা রটে
    আকাশ ভিজেছিল অসীম ছায়ানটে
    নূপুর ভেবে তুমি সেধেছ পথচলা
    তোমার কথামালা নিবিড় আরশিতে
    ঝরেছে দেখ তুমি রাস্তা জলময়
    সে ঘাটে পাড় ভাঙা নিছক পাড়াগাঁয়ে
    বেঁধেছ নৌকাটি হঠাৎই নিজ হাতে
    ঠাকুর ভাসানের মুখর ধারাপাতে।

    হিসেব ভাবি তুমি দেখনি কোনোদিন
    কতটা শোধবোধ একটি চিরঋণ
    মেঘেরা কানাকানি করেছে রাতভর
    শিথিল উঠোনেতে দিনের ঘুমঘোর
    থেকেছে জায়মান ঘুরেছি একলাটি
    নৌকা ফিরে গেলে তখন বাসনাটি
    ফিরেছে পাখিরাও এখন শেষরাত
    সেসব কথামালা কবরে আলো জ্বলা
    নতুন খাতাটিতে পুরনো ধারাপাত।

    -আনন্দবাজার পত্রিকা, –শারদীয়া সংখ্যা ১৪১৯

    এখানে সবার সঙ্গে মিলে মিশে থাকুক।
  • তাতিন | ২২ আগস্ট ২০১২ ২১:৪৯507484
  • তোমারই অপর নাম-
    বিকেলের পাড়ে
    সিঁথির আগুন জ্বালো নীল মহাদেশ
    নদীর প্রলেপ নাও
    নাও পলিমাটি
    বৃষ্টি লিখেছে মোহে ছায়ার আবেশ
    ত্বকের মোহন গ্লোরি
    গ্রামে প্রান্তরে
    তুমিই অপরাজেয়া, বাসস্টপে তুমি
    এসো কান্নার ধারে
    ফড়িং-এর তারে
    রাত্রি যখন ছোঁবে পরবাস ভূমি --

    সেলফোনে রিনরিন
    দুপুরের গ্লানি
    অমন কাজের দিনে নামভূমিকায়
    মেঘের মিলনে তুমি
    গাঢ় ক্যান্টিন
    বৃষ্টির দড়িগুলি আকাশে শুকায়
    দুহাতে মেখেছি আমি
    পাপড়ির কাদা
    পাহাড়ের রোদে তাকে ধুয়ে নাও নীল
    তোমাকে অপর নামে
    ডেকে তুলি ভোর
    জানলায় এঁকে যাও রঙের মিছিল
  • তাতিন | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৬:২৯507495
  • রেখেছ বাঙালি করে--

    স্বর্গ যখন হিমসাগরের শাঁসে
    স্বাদকোরকের সার্থকতায় আসে
    কিম্বা যখন কাগজি লেবু ডালে
    চাঁদ জাগানো গন্ধসুধা ঢালে-
    ঠিক খুঁজে পাই এই জীবনের মানে
    ফুললে লুচি ডালডার কল্যাণে
    যেমন করে ইলিশ মাছের তেলে
    ঘরজুড়োনো শিহর খুঁজে পেলে
    উষ্ণ-মিলন শহরভাসা রাতে
    ঘি গলে যায় ভুনখিচুড়ির সাথে
    অথই জলে ওই দ্যাখা যায় চড়া
    ভাতের পাশে কুমড়োফুলের বড়া
    পূর্বস্মৃতির রোদ খেলে যায় চোখে
    কাঁকড়াদাঁড়া সর্ষেবাটার ঝোঁকে
    পোস্তডোবা সবুজ সজীব ঝিঙে
    লাউয়ের ফলায়, চিংড়ির সঙ্গিনে
    হাল্কা পেঁপে-আলুর ঝোলে, ঝালে
    পাঁঠার কচি মাংসকে সাঁতলালে,
    মাটির ভাঁড়ে লালচে মাথার দধি
    বাইতে শেখায় বৈতরনী নদী-
    ক্ষীরের পুরে নারকোল মিলমিশ
    সিম্ফনি-সাত ঘরবাড়ি মজলিশ
    উড়িয়ে দিল পক্ষীরাজের ডানা
    নতুনগুড়ের সোহাগ মাখা ছানা
    পায়েস পুলির অনুগ্রহের মুখে
    পরমপাওয়া, নরমপাকের সুখে
    একটা জীবন, এই যে তাতে বাঁচি
    বিট লবণে কামরাঙাটির ছাঁচি
    স্বাদসাগরে রূপের সম্মোহনী,
    ভাগ্যে তুমি ‘মানুষই করোনি’
  • pinaki | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:৫০507506
  • উফ, জিবে জল আনা কবিতা তো পুরো
    :-P
  • aranya | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০১:২৮507517
  • অনেকদিন পর এই টইতে। ফরিদা, তাতিন - ভাল লাগল খুব।
  • pharida | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২১:২২507528
  • কুমুদি র জন্য -

    চশমার ভেতর যেমন বিভ্রান্ত, বাইরে মেঘেরা আছে
    অনধিক চারটি শব্দে মেঘ যেন প্রত্যয়ে অবিচল থাকে
    সিন্নি প্রসাদে বাতাসায় লাগা পিঁপড়ের মতো বুঁদ হয়ে
    চশমার মিথোজীবি কামনার দেখা পাই। কিছু বুঝি
    ধানের অক্ষরমাখা পথ, কিছু বুঝি স্মিত রোদ সময়ের
    স্থিত অবয়ব লেগে থাকো বিভ্রমে তুমি। সেইমতো
    তোমাকেই দেখে দেখি শিখি আমি প্রমত্ত শান্তি প্রজননে
    হৃদয়ের স্বাদু বিজারণে রাঁধি বাড়ি সারা সন্ধে জুড়ে।

    রঙের মতোই তুমি পালটিয়ে যেও, ভুলক্রমে চেনা বাসে
    যেখানে তোমার কথা মনে আসে নিয়মিত বিকেলের দিকে
    চায়ের দোকানে বাসী কাগজের মতো পর্যায়বিহীন মিয়োনো
    বিস্কুটে কথা হত আলো ঘোলা হয়ে এলে কখনো সখনো।
    খোঁজা হত তোমাদের অলীক ব্যাপ্তি ঋতুভেদে স্থানকালভেদে
    যেমন স্থিরতা মেঘে ভিজে থাকে বিজ্ঞপ্তি হারানো প্রাপ্তির।
  • শ্রাবণী | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২২:০৬507539
  • আমি কি কুমুদির আগে পড়ে ফেললাম? অনেক কিছু পড়ে কিছু বলার থাকেনা তাই বলাও হয়্না......এটাও কিছু না বলার মত!
  • sosen | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২২:৪৯507550
  • দা-রু-ণ!
  • nina | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০২:৫৭507561
  • বাহ!!

    ফরিদা এবারে কোনো পূজোসংখ্যায় আছে নাকি তোমার ক্থামালা?
  • xi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:৫৬507573
  • আগস্টের শেষ প্রায়,
    ক্লোরোফিল স্বচ্ছ রোদে ভরেছে ধমনী
    আকাশ বড়ই নীল, তরল সামার,
    এখনো হয়নি শেষ, উচ্ছল রেডিও ডাকে
    কাম সেপ্টেম্বর।
    কচিকাঁচাদের দল,
    নতুন ক্লাসের দিন শুরু হল বলে
    বাবা মার হাত ধরে চলে গেলো ইস্কুলের দিকে,
    গতকালো পিকনিক করেছিলো ছায়ার তলায়,
    বাকলে নরম স্পর্শ স্মৃতির পুকুরে
    মসৃণ ঢেলার মত, ঢেউ ওঠে, নামে।

    ক্যালেন্ডারে, পাতার ওপাশে,
    ক্লোরোফিল স্বচ্ছ এই বিদেশি বাতাসে,
    কখন এসেছে চিঠি, বুকের ভিতরে পাই টের,
    শান্ত প্রাজ্ঞ সরীসৃপ অক্টোবর প্রতীক্ষায় আছে।
  • xi | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১০:৪৩507584
  • শহরে বন্দরে নয়, পড়ে আছি দিগন্তের কাছাকাছি মাঠে
    প্রসন্ন ধানের শীষ জড়িয়ে ধরতে চায় সহজ আবেগে
    চাপা হাসি ঠোঁটে নিয়ে বৃষ্টি নামের এক রহস্যকিশোরী
    আমাকে বেঁধেছে স্মৃতি বাউলের একতারা রূপসনাতন
  • Tim | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১১:৫২507595
  • ফরিদাকে-

    যেমন স্থিরতা মেঘে থাকে খোলা খামের মতন
    ছিঁড়লেই গলে যায়, তৎপর চৌখুপি শব্দের দল
    অসংখ্য যুদ্ধদামামা পার হয়ে আসা কলমের স্বর
    চিঠি যেন প্রশ্বাস, দিনভর খবরের মগজ বদল

    রক্তকণিকা থেকে শিরা উপশিরা বেয়ে ছবি
    পৃথিবীও গ্রহ আর সূর্যের অপার আকাশ
    রোজকার অভ্যাস, দিনবদলের প্রিয় কবি
    ছন্দেরা জীবন্ত, অবরেসবরে বারোমাস।
  • শিবাংশু | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১২:৩৪507606
  • ফরিদা এখানে সারা মাঠ জুড়ে খেলে। মাঝে মধ্যে এক আধটা বল ছাড়ে তাতিন আর টিমের জন্য।

    দুরন্ত খেলা। ঃ-)
  • শিবাংশু | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৪:২২507617
  • নিনাকে

    তোমার সে ছেলেবেলা মনে পড়ে? নাহ, মেয়েবেলা তোমার জন্য নয়। কতোদিন আগে ছিলো? গঙ্গাপারের স্টিমার ছিলো উত্তরবাহিনী। সন্ত জোসেফের ইশকুল ঘেরা ছিলো প্রাংশু পামবীথি। সবুজ দরজার উপর বিনিদ্র যীশু, কচিমানুষ আর কোরক চরাচর। ইয়ারপুরের রেলডিপো কাঁপিয়ে পেরোতো রাজধানী আর কালীবাড়ি পুজোবাড়ি ইতিউতি আবছায়া খোঁজা অমুক তমুক ছেলেমেয়ে। পার্ল টকিজের রোববার বাংলা ছবি অবরসবর। মজে থাকা জাদুঘরে সদ্যভাজা সিলাওয়ের মায়াবী সুরভি। বঙ্গালি অখাড়ার পুজো, নেতাজি আসতেন নাকি ধুতি পরে। আমাদের শুধু মনে আছে তার ভোগ আর লাবড়ার স্বাদ।

    এখন অনেক দূরে থাকো, অনেক যোজন দূর কদমকুঁয়ার রিক্শা আর আতাগাছেদোলা তোতাপাখি। শীত আর শালীন পৃথিবী ঘেরা পুরিয়াকল্যাণ নিয়ে আছো। তোমারও মেয়ের বিয়ে। ঠিক যেইভাবে বিয়ে হয়েছিলো তোমার বা তোমার মায়ের বা আমাদের সীমান্তবিহীন মায়েদের গাছকৌটো চেলির পৃথিবী। সবুজ পাতার মধ্যে টুকটুকে লাল ফুটে থাকা আনারকুসুম।

    মেয়ের জন্য রেখো রাতের রেলগাড়ি ঝাঝা জংশনের উঁচু টিলা, তাদের জন্য থাক মহেন্দ্রুঘাটের ভোর। স্টিমারের বাঁশি চিনে যেভাবে আলোর বৃষ্টি নামে, যেভাবে প্রথম রোদে ঝিলমিল ডেলাওয়্যারের হিম জল.......
  • kiki | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৯:২২507628
  • শিবাংশুদা,
    ঃ)

    দিদিয়াকে গুচ্ছ হিংসে।
  • nina | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২৩:২৩507639
  • শিবাজি
    কাঁদালে তুমি মোরে
    ভালবাসারি ঘায়ে----

    এক সঙ্গে হুড়মুড় করে এনেদিলে সেই যে আমার সোনারংএর দিনগুলি-----
    তোমার আমার জন্মসাল এক ঃ-) সময় আমাদের তাই একই সুরে বাঁধা--
    সেই স্টিমারে ই ছিল যাতায়াত পাটনা মজ;ফরপুর--মায়ের কোল থেকে দিদিমা
    যাকে ডাকতেম নানু--তার কোলে---
    ছিল কত শত নিবিড় আনন্দের ক্ষণ---সিলাওর খাজা থেকে মনেরের লাড্ডু
    স্কুল-কলেজের কত কথা হিন্দী ও ইংলিশে
    তারের ট্রেনেই তো আমার পরিচয়, আমার নাম ধার্য্য হল--নিনা-----
    এক অদ্ভুত ভাবে নাস্তিক স্বদেশীবাবু পরাজিত হলেন
    অঘটন আজও ঘটের কছে----
    সেই আমার মেয়েবেলার--কত সে রঙীন মুহুর্ত্তেরা----

    আজ অনেক পথ চলে ----এসেছি যেখানে---যেখানে আজ আমার দ্বিতীয় পরিচয় ---আমি মা! মেয়েকে দিয়ে যাই প্রাণভরে যা কিছু আছে আমার ----কিছু সে নেবে কিছু থাকবে পরে এই পথের ধারে ----হয়তবা সে যবে হবে --মা---
    মনে পড়বে তার---আসবে কি তার এই পিছনে ফেলে আসা পথে আবার?!
    নেবে কি সে কুড়িয়ে আরও কিছু-----
    সুখে থাক শান্তি পাক --আর পাক তার মায়ের মতন বন্ধুভাগ্য!!
  • nina | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২৩:২৪507650
  • * রাতের ট্রেনে
  • pharida | ২৪ অক্টোবর ২০১২ ০৮:৪১507661
  • ও হরবোলা

    লেখার খাতায় আলো পড়লেই বুঝতে পারি কোথায় ধুলো
    কোথায় একটু থমকে যাওয়া কোথায় লেখা ছুটতে থাকে
    ফেলে আমায়, তোমার সঙ্গে কাঙালপনার ক্ষেত্র শাকের।

    তুমি আমার অন্ধকারটি দেখা তোমায় বন্ধ চোখেই
    কবন্ধময় হৃদয় খানি তোমার সুরেই পা ফেলতেই
    নরম ঘাস বা পিচরাস্তা কিম্বা নুড়ি এবরোখেবরো
    হয়ত এখন মজা নদী সেখান দিয়ে বইত কোনো
    নির্জন এক দুপুরবেলায় তোমার লেখায় তোমার লেখায়।

    এখন আলো কী গদ্যময় সমালোচক সম্পাদকের
    ছিটের বেড়া ঘরের সবই ফাঁকফোঁকড়কে দেখায় ডেকে
    কোথায় ধুলো অপর্যাপ্ত কেন এত অবিন্যস্ত তথ্যাবলী
    কোথায় তুমি থামলে এমন ছিটকে পড়া শব্দগুলি
    ছড়িয়ে যায় স্নায়ুকেন্দ্রে, শিথিল হল কিশোরবেলা
    বাংলাভাষা দেখছে তোমায় অবাক চোখে ও হরবোলা।
  • Tim | ২৬ অক্টোবর ২০১২ ০০:২২507672
  • এখন আমায় দুঃখটুঃখ স্পর্শ করে--
    নিত্যনতুন মৃত্যু আসে। অকাল মৃত্যু, সময়োচিত,
    বার্ধক্যে, ভিন্ন ভিন্ন কারণ কিংবা অকারণেই
    মানুষ মরে। মরার পরেই জলজ্যান্ত-
    মৃত্যু আমায় স্পর্শ করে।
    গ্লানির তাড়ায় ভাবতে বসি, ভাবার সময়
    ঘোর লেগে যায়, দু দশটা লাশ এদিক সেদিক
    দামাস্কাসের কাছেই কোথাও মৃত্যুবোমা
    মধ্যপ্রাচ্যে তেষ্টা এবং খাবারটাবার--
    সমস্তটাই দাগ ফেলে যায় অন্য কোথাও
    দিব্য দেখি, অন্য কোথাও গভীর ক্ষত, দগদগে ঘা-
    সেসব ক্ষতস্থানের বিষয় নিষ্ক্রিয়তায় জমছে জমুক-
    কারণ, এখন আমায় দুঃখ স্পর্শ করে।
  • dd | ২৬ অক্টোবর ২০১২ ০০:৪৩507684
  • অবিনাশ,মাঈরী, দ্যাখরে,দেখে যা,
    কি ভাবে বেঁচে আছি আমরা
    ছলছল্লাৎ চ্ছল, ঢেউতে কামড়ায়
    গুমড়ে মরে যতো কিশোর স্বপ্নেরা
    হা। মর্চে ধরে যতো শ্যাম রায়।

    রাধিকা, ধিকি ধিকি, তুষ, তুষের আগুনে
    খা খা করে (এটা তো জানতামই) নীলেরই ফাগুনে
    শিউড়ে ওঠে যতো নীল অরণ্য,
    দিবারাত্রি যেনো রানীর গুনগুনে
    বাধিত উইপোকা পয়সনড চামড়ায়।

    আ হা হা। হা।খুব গহীনে গোপোনে
    একটু মদালসা, ল্যাদিত ঘুমভাতে
    মৃত্যুশোকে খুব প্লাবিত বিল্লম্বেতে
    প্রস্তাবিত পথে টোটালি থমকাই।।
  • pharida | ০২ নভেম্বর ২০১২ ২৩:১৩507695
  • তুললাম
  • pharida | ০২ নভেম্বর ২০১২ ২৩:৪৭507706
  • এখন রাত উপরি হল বুকের জমা পাথর
    নিচে নামায় এইটুকু লাল মিথ্যেবর্ণ আদর
    তা হোক তবু পুড়তে দিও ভীষণ ঠাণ্ডা গা -

    ঠিকানাহীন - রাস্তা বলতে হাত থেকে দুই পা
  • Tim | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:০১507717
  • ঠিকানাহীন, গল্প শোনো পায়ের কাছে
    বন্ধকী এই কারবারে তার স্বপ্নকথা
    ছিলেই যদি মধ্যরাতে, পিছল পথে
    তখন সময় নিরুদ্দিষ্ট, তঞ্চকতা।
  • সায়ন | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:০২507728
  • সুখ আর দুখ ব্যবধান ভুলে ভ্রান্ত সাকীন গন্ডিতে
    স্মৃতি বিরহিত স্মৃতি পুড়ন্ত কালোয়াতিময় সঙ্গীতে
    রূহ থেকে তাই পর্দা হঠাও মিথ্যেকথার প্রান্তরে

    নাই বা ঘুমালে আজ প্রিয়সখা রূপের এই শঠ রূপান্তরে
  • pharida | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:০৫507739
  • কিছু বা তার বদলেছিলে কিছু নিছক ঝুটো
    সোনাবর্ণ কৌটো ভরে রাখলে যে খড়কুটো
    চোতবাতাসেও রইলে ভিজে ভীষণ ঠান্ডা গা-

    ট্রেন ছাড়ল - শরীর, তুই অন্য বাড়ি যা।
  • Tim | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:১১507750
  • বড়ো বিষন্ন, সুর খেলছে নিশ্চুপে
    রাতের আকাশ সাইরেন যেন, ঝঙ্কারে
    চিরে দেয় এক নিশাচর কবিকল্পনা
    পায়ে পায়ে আসে গল্প ছুঁতে, প্রত্যহ
  • Milli | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:১৩507761
  • নিশিডাকা রাতে ছায়াপথ জ্বলজ্বলে
    মায়াছবি পড়ে চোখপুকুরের জলে
    ওম ছুঁয়ে গেছে শঙ্খপৃথিবী ত্বকে
    মেঘমোহনার খাতে?

    কোথাও ছিলো কি খোলা সাগরের হাওয়া
    কোথাও ছিলো কি বারেবারে আসা যাওয়া?
    কোথাও ছিলো কি খাপখোলা তরোয়াল
    তারা-শনশন রাতে?

    সাগর থেকে কি ফিরেছিলো সে নাবিক?
    চাঁদছলছল ঢেউকথাদের পথে?
    নাকি ডুবে গেল কালিগোলা কালীদহে
    ভুল আলেয়ার হাতে?

    নিশিডাকা রাতে আজও ছায়াপথ জ্বলে
    মায়াছবি নেই অথৈ গহনজলে
    লোহা গেঁথে আছে দুগ্ধপৃথিবী ত্বকে
    মৃত্যুমোহনা খাতে।
  • সায়ন | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:১৫507772
  • রঙীল খামে কাটাকুটি লেখা
    কৈশোরের ওই যতেক নাম
    বৃষ্টিবিভোর ঠান্ডা রাতে
    বিনবুলায়ে স্কচের ধাম

    ...

    প্রতিটা ঘাস যদি আলাদা করে তুলে রাখো
    প্রতিটা দিশা যদি আলতো হাতে তুলে নিতে (কার্টেসিঃ কেনজো আমোর)
    সুগন্ধী রংমশাল হতাম কপালে মস্ত বড়ো টীকা
    পরাজয়ের ধ্বজা উড্ডীয়মান, ইতিকথা - গালিগালাজ
    নাহি বর্ণ, নাহি মোক্ষ, নাহি কোনও লাজ
  • Milli | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:২৬507783
  • বর্ণমালা মিলিয়ে গেছে তৃণে তৃণে-
    আলোয়, আকাশে ও জলে।
    বৃষ্টির প্রতিটি বিন্দু এখন বাঙ্ময়
    ঝড়ের মেঘে সমুদ্রের উড়ন্ত নাভি।

    এখানে মুক্তির খোঁজে কোন্‌দিকে যাবো?
    দিকদিশাহারা দিগন্তবিসারী মৃত্যুর দিকেই?
    নাকি তমিশ্রা পার হয়ে পুনর্জন্মের দিকে?
  • Tim | ০৩ নভেম্বর ২০১২ ০০:২৯507795
  • অন্ধকার সিঁড়ির নেশা দুধসাদা জলে
    সে মুহূর্তে চাঁদ ডোবে-শব্দখেয়ায়
    ছিন্ন জ্যোৎস্নার জলে ঢেউ তুলে
    জলপরী চুপিসাড়ে উড়েছে হাওয়ায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন