এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৮৭৯৯২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anupam Das Sharma | ১২ মার্চ ২০১২ ২১:৪৩508480
  • হারিয়ে যাই......
    --অনুপম দাশশর্মা।

    অক্ষরগুলোতে রঙ দেবার সময়
    অনায়াস গতিতে নতুন বর্ণের জন্ম হয়।
    বাদামি আকাশ নেমে আসে, পংক্তিময় ছত্রে ছত্রে।
    এক দমকা উপমা বাতাস এলোমলো
    করে দেয় বিষয় বিন্যাস।

    রোজকার দু:খের ভাইরাস উড়ে ফিরে যায়
    পরিযায়ী বেশে, অভিধান ঘুমোয়,
    তাপিত যৌগে আবিষ্কৃত হয় নতুন মৌল স্বর।

    হালকা রোদের মৃদু স্নেহ অখিল জ্ঞাতব্য
    অনুভবে অভিমান ভেঙ্গে যায়।
    আবার দিনান্তে সাঁঝের প্রচ্ছন্ন নুপুর
    ক্রমশ পলাশের রঙে বৃত্তাকারে
    সাজায় কবিতার স্নিগ্‌ধ শরীর।
    আমার সংবিত হারায় আমারই সৃষ্ট কবিতার বাঁকে।
  • Anupam Das Sharma | ১৩ মার্চ ২০১২ ১৯:৩৬508491
  • এই মেয়ে .................
    অনুপম দাশশর্মা।
    (অসামান্যা লেখিকা আশাপূর্ণা দেবী কে স্মরণ করে)

    এই মেয়ে কি করছিস? সর্বনাশ!
    দেখি, খোল হাত টা। কোথায় গেল গোবড় ছড়ার গন্ধ!
    মধ্যমার গাল বেয়ে ছোপ লেগেছে কলম কালির ছন্দ।
    এমন করে গন্ডী গালে চড় মারতে আছে?
    এই মেয়ে, তোর গয়না কই? দু-হাত ভরা শব্দ
    তোর চেতনার অলংকারে হেঁসেল নিস্তব্ধ।
    এমন ভাবে শব্দ-বনে ফুল কুড়াতে আছে!

    এই মেয়ে, তোর কোথায় গেল বালুচরীর গর্ব
    স্বর্ণপ্রভা আদিখ্যেতা সতীত্বের স্বর্গ।
    টগবগে ঐ ঘোড়ার জিনে গোলাপখাসের বাস
    অপদার্থ পাগলী মেয়ের শুধুই শব্দ চাষ।
    এমন বাঁধা সোনার খাঁচায় মুখ ফেরাতে আছে!

    এই মেয়ে, তোর সৃষ্টি হাসে ভবিষ্যতের গর্ভে
    জীবন বোধের সালতামামি উপন্যাসের পর্বে,
    অনন্য স্বাদের স্বপ্ন বুনিস প্রতিশ্রুতি খন্ডে
    এমন চাকের পৌরুষে কি ঢিল মারতে আছে?
    থাক তবে, তুই বিস্ফোরনে বিপুল শ্রদ্ধামুখে..!
  • mriganka | ১৮ মার্চ ২০১২ ২১:৫৬508502
  • Name:ranjanroyMail:Country:

    IPAddress:122.163.44.160Date:03Feb2012 -- 03:30AM

    আপনার প্রিয় কবিতা পড়তে গিয়ে

    "যারা নদীর মুখ খুঁজতে গিয়ে
    ধাক্কা খেল চার্চে
    বুকে আহাম্মক ঈশ্বর"

    "একা লন্ঠনের চিত্‌কার"

    "কিছু আড্ডাঘন বুদবুদ"

    বেশ লাগলো এই জায়গাগুলি।
  • Nishan Chatterjee | ১৯ মার্চ ২০১২ ০৮:১৪508513
  • NewYorkJournal8
    *******************

    অবিনাশ
    তুমিও বিনাশ হলে
    কবিতা বিক্রি করা ধুপওলা
    উঠেছিলো আজও
    সমস্ত কাজও
    তখনি ফুরিয়ে গেলো
    সন্ধের উজান বওয়া ট্রেনে

    প্রত্যেকটা বাঁক যাতে,
    আমার সহযাত্রিণীকে আমি
    দেখতে দেখতে ক্রমশ: হারাই
    দুখানা জানলার কাচে
    আলো থমকে লেগে আছে
    পলক পড়েছে তবু
    ছবি কি হারায়

    অবশেষে বিষাদের পরে,
    সমস্ত ঘড়ির কাঁটা
    ষোলবার ষোলকলা পূর্ণ করে তবে
    আমিও ঠেকেছি এসে
    অনন্ত স্টেশন শেষে
    সিঁড়িদেরও পারে।

    কি করি সমস্ত রাস্তা,
    কোথায় তামাক সস্তা
    কোথায় ধূপের গন্ধে
    কবিতারা বাঁচে,
    সমস্ত অচেনা গন্ধ
    এদিকে রাস্তা বন্ধ
    সেদিকে সময় স্তব্ধ
    এগারোটা পাঁচে,

    এগারোটা পাঁচে,
    অবিনাশ, তুমিও বিনাশ হলে,
    তারারা বিনষ্ট হোলো,
    মেঘেদের ধাঁচে,
    তারা সব পুড়ে গেলো,
    বৃষ্টি হয়ে ঝরে গেলো,
    এ শহরে,
    সে আজও পড়ে আছে।
  • tatin | ২১ মার্চ ২০১২ ১৫:০১508524
  • আমার শরীর ভাল নেই।
    থেকে থেকে ভারসাম্য কমে যায় কানেদের
    শিরায় থমকে থাকে কিছু,
    যেমন জমাট রক্ত, পিত্তের হলুদ আর
    এই দুই চোখে যা দেখেছি সবই বড় রোদ্দুরে
    মাথা নামিয়ে নিই
    নিচু করি কন্ঠের তার
    এতই হালকা লাগে মনে হয় উড়ে যাবো
    পৃথিবী ঘুরছে বড় জোরে
    উপনিবেশের কোনও গাড়ি
    এই পথ তুলে নিয়ে ভিন্ন কলোনিতে ছেড়ে আসে
    রেললাইনের ধারে পড়ে থাকে ক্ষতর ড্রেসিং
    আমার চুলের ঘুণ, গুঁড়ো বরফের মত
    ঝরে আসা ত্বকতন্তু মিশে স্টেশন পুরোনো হয়
    পায়ে শীত করে
    আমার শরীর ভালো নেই
    আমাকে রিকশা করে ইস্কুল থেকে বাড়ি ছেড়ে আসে
  • Nishan Chatterjee | ২৫ মার্চ ২০১২ ২২:১৫508535
  • কিছুটা অসুখ
    ***********

    কিছুটা ঘামেতে ভেজা কিছুটা বমিতে
    কিছুটা আদেখলাপনা কিছুটা গণিতে,
    কিছুটা তামাকগুঁড়ো, কিছুটা শিমুল,
    কিছুটা বিছানা আর বাকি সব ভুল

    আমার একলা ঘর, শরীর খারাপ,
    আমার অজস্র রাত, অনেক প্রলাপ,
    কিছুটা লঙ্কাগুঁড়ো টমেটো কেচাপ,
    ঝালে ঝোলে অম্বলে সিঁড়িদের ধাপ

    কিছুটা আবর্জনা বাকিটা অভ্যেস,
    কিছুটা মানসিকতা, বাকি সব শেষ
    কিছুটা লবঙ্গ আর বাকিটা এলাচ
    কিছুটা ঘরের পরে কিছুটা দেরাজ

    দেরাজে আয়না আর আধোচেনা মুখ
    কিছুটা বসন্ত হাওয়া বাকিটা অসুখ
    কিছুটা বাইছে লতা, কিছুটা বনজ
    গুল্ম শাল্মলী পাতা, অথচ জলজ,

    বসন্তে ঘামছি আমি, গুটিদের ভিড়ে,
    এভাবে বসন্ত এলে? বিছানায়? নীড়ে?

    কিছুটা একলা থাকা, বাকিটা খারাপ,
    শরীর বিষন্ন হোলো, রোদের ম্যারাপ
    খাটিয়ে বসেছি আমি রাতেদের মাঝে,
    আমি ও রাত্রি কিম্বা সকালে ও সাঁঝে।

    কিছুটা হাতুড়ি আর বাকিটা পেরেক
    ঠুকে ঠুকে ভেঙে ফেলি কাকেদের ঠেক,
    জঘন্য পাখি তারা সকালের রাতে,
    আলসেয় রোদকে ডাকে, জানালায় ছাতে,

    অথচ রাত্রি তুমি, কিছুটা আঁধারে,
    ডেকে নিলে, ঢেকে দিলে কিসের চাদরে,

    কিছুটা চাদর আর বাকি ঠাণ্ডা লাগে,
    কিছুটা অসুখ আর কাকে রাত জাগে
  • ABC | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০৭:০৬508546
  • কুষ্ঠরোগকূলোদ্ভব
    ------------------------------
    আমাদের ঘাস খাওয়া কামাধির কলজেরা ! জয় !!!
    স্বচ্ছন্দ কবিতার অত্যন্ত বাল ছেঁড়া হয়।
    টম হ্যাঙ্কস মরে গেছে, পেট্রোট্যাঙ্ক বড়ি ভেজে নিয়ে,
    হলিউড-শ্রাদ্ধে মাতি গুলিছুট বদন বেঁকিয়ে।
    কিছুটা মদন আনি, কিছুটা চোদনবানী ঠুঁসি
    মনমোহন-দেবোত্তর এস্টেটের এঁটোকাটা চুষি।
    মাঝে মধ্যে ক্লান্ত হই, প্রাণান্তর পারে ঘরবাড়ি
    সেই কবে দিয়েছিনু আড়ি, আজ তারি পিছ মারি।
    সান সু কি জিতে গেলে টান, ঝুঁকি আমাদেরই কাঁধে
    এই দেশ? ছবি শেষ - হাততালী ভর্তুকীর খাতে
    কৃষিতে পয়সা নাই, পাঁচালীর তারসানাই-ওঠা !
    সব পাখি ঘরে ফেরে, অসীমের কাবাব-পরোটা
    সান্ত্বনা ! প্রাণ ঠোনা দিয়েছে ডেনিমধোনা গালে
    মাস যায়, চেক ধায় শূন্যপানে। বাঘ পড়ে পালে।
    আমাদের অন্তত: জনাবিশ ফেবু-র প্রেমিকা
    কার চোয়ালে ভার্চুয়ালি ক'টা কিস? চ্যাটে আছে লিখা।
    সকালে আরাম করি, দুপুরে গেরামভারী মুডে
    শাকে ভাতে গল্প, (হায়, কল্পনায় জমা ফাস্টফুডে
    কামড়াতে কামড়াতে) চামড়াতে হরিনাম লেখা।
    সপ্তাহে একদিন সুপ্রাচীন অটোক্যাড শেখা।
    সাকুল্যে দেড়খানি-চাকাযানই সহায় সম্বল,
    অল্টো গেলে সব ফেলে চেয়ে থাকি, বিস্বাদের ঘোল
    হজম হয় না মোটে ! পেট ছোটে। কার্মোজাইম দ,
    আমাদের স্বপ্ন সব কুষ্ঠরোগকূলোদ্ভব, ক্ষ !
  • arka | ০৯ এপ্রিল ২০১২ ০১:২৯508557
  • সরীসৃপ।

    দেওয়ালে রোদ, কে আনে আশিয়ানা,
    আমরা সবাই জবর-দখল লোভী,
    বুক- ফেয়ার এর ভীরের মতন কানা,
    হাসপাতালের বেডের মতন কবি।

    চার- অক্ষর, পিছন ফিরে বোকা,
    স্মৃতির মতই ঝাপসা ডানা রোদের,
    ঠিক বুঝিনি, বন্ধু কিংবা ব্রোকার..
    বদলে সে চাইছে টাকা, শোধের।

    মেঘের মতই পাতলা হওয়া ভীর,
    তার ভিতরে অজস্র জলকণা...
    সে জল দিয়ে একলা সরীসৃপ
    পালিয়ে যাচ্ছে, লুকিয়ে রেখে ফণা।
  • ranjan roy | ০৯ এপ্রিল ২০১২ ০৫:৫৪508568
  • অর্ক,
    "সরীসৃপ' ভালো লেগেছে। আরো লিখুন।
  • Siddhartha | ০৯ এপ্রিল ২০১২ ০৮:৪১508580
  • কার্শিয়াং-এর মেঘ আমি কখনো দেখিনি
    শুধু ভূগোলের পাতা থেকে নেমে এসেছে গোল গোল গল্পের ঢেউ
    আর পাহাড়ের সারি, আনমনা কুয়াশার শাল
    যেন আদর বিছিয়ে দিয়েছে গোটা কফিক্ষেত জুড়ে। আর ছিল লাল শাড়ি
    মোটাসোটা লালমাসি, যার লাসি নামের ধলা কুকুর হাসি হয়ে গড়িয়ে পড়ত
    ভলগার বুক ফেটে।
    তবুও কার্শিয়াং-এর মেঘ আমি কখনো দেখিনি।
    শুধু নক্ষত্রের রাত যেদিন গাঢ়তর হত
    জামের কষের গায়ে লেগে ছিল ঝকঝকে হিম, আর মেয়েদের দল
    যখন এঁকে দিয়ে যেত পাহাড়ের গায়ে গায়ে বুকচেরা পরাগের দুধ
    সেই রাতে খামারের পিঠোপিঠি লেগে যেত বিয়ে-মাদলের ধুম।
    তখন গোটা কাঞ্চনজঙ্ঘা গুটিশুটি সেঁধিয়ে যেত সাদা কালো চাদরের নিচে, আর
    এভাবেই
    আমাদের ভূগোলের পাতা ছেড়ে
    আজীবন
    বয়ে গেছে কার্শিয়াং-এর মেঘ।
  • pharida | ১৪ এপ্রিল ২০১২ ০৭:৪৭508591
  • বহুদিনের ইচ্ছে –
    ক্লান্ত, তবু স্বভাব বশে
    তোমায় খুঁজে যাচ্ছে
    ভ্যাপসা গুমোট শহর আকাশ
    প্যাচপ্যাচে ভিড় গন্তব্যের
    গভীর থেকেও আপনমনে
    সুতোয় মেঘটি বুনছে।

    আজকে তোমার সময় হল?
    ঝুপসি বসত শিরায় শিরায়
    পাক লাগান রাস্তাঘাটে
    মরীচিকায় চোখ ধাঁধাল?

    নববর্ষের নতুন পাতা
    এই গাছেদের ছাড়া জামায়
    পাক খেয়ে যায় ঘূর্ণি একা
    ফাঁকা হৃদয় কপাট ভাঙা
    ভন্যি দুপুর শুকনো খাঁ খাঁ
    সকাল থেকেই ঘুরছে।

    রঙ নেই তার ভোঁতা পেন্সিল
    ধুসর মেঘটি আঁকছে।
  • Nishan Chatterjee | ১৪ এপ্রিল ২০১২ ২১:০১508602
  • NewYorkJournal9A

    ট্রেনের চাকায় কিছু মায়ামোহ ছিলো
    কিছুটা তেলের গন্ধ কিছু পোড়া ছিলো
    অবশ্য পালিশ তার আসমুদ্র ধার
    অজস্র লোহিত কোন হিসেবের বার

    যতই নিংড়াচ্ছি যত কষে ধরছি চেপে
    সমস্ত সবুজ তারা ফিরে যাচ্ছে মেপে
    অশনি শরীর মন শহর তরিকা
    পড়ে রইল সুধাখণ্ড জীবনী কণিকা

    আমি ও শহর সঙ্গী মাত্রাছাড়া বসে
    অবিশ্রাম অ আ ক খ,প্রেমে, পরিতোষে
  • Shibanshu | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ০১:৪৭508613
  • বিশাখদত্তা

    রোদের গপ্পো সব
    ঝরে পড়ে
    রাত পহরের
    বিছানায়

    জলের গপ্পো যতো ভিজিয়েছে
    হিসেবের পাতা

    রাগশোক বীতজ্যোৎস্নার স্থির
    পলকাটা কাঁচ
    আমাকে আকূল করে
    ছেঁড়া কবিতার ধুলোখাতা

    আমার সময় শুরু

    জঙ্গলে ঝিলিমিলি
    বনরোপনের কাজ

    শুরু

    সবুজ তাহার স্বাদ
    নিবিড় তাহার রং
    নিরাকার ছায়া তাকে আসঙ্গ
    দিয়েছে

    আমাকে দিয়েছে তার
    আমূল আশ্লেষ

    আসমুদ্র পায়ে হেঁটে যাওয়া
    পায়ে হেঁটে
    ফেরারি পল্টনের বর্ষশেষ

    এবার থামুক ভাঙা
    চন্দনশকট
    স্বপন দুয়ার খোলা
    ফরেস্ট কুটীরে

    রোদ বিশাখার গাঢ় ঋতু
    নির্নিমেষ টেনে রেখেছো আমাকে

    স্থির কৃষ্ণা কোথায় রয়েছো

    পাওয়া না পাওয়ার
    ফাঁকে ফাঁকে........
  • kahiptasha | ২৩ এপ্রিল ২০১২ ২২:০২508624
  • লঘুচপলতা আর হরদম কাগজে কাগজে লেখা গানের প্রহর
    উঠি উঠি বাই শুধু পরাণের বাহিরাম গীত
    ভাড়া করা ভাষাভাষি বেনেবৌ দিবসে ও রাতে
    পরিযায়ী পড়ে গেছে সীমানায় হাঁটিতে হাঁটিতে তারকাঁটা
    নিয়ে গেছে লাশ তার খেয়েছে পাখিরা।
    উড়ে গেছে তারা ফের এই দূরদেশে, বিজলী বাতির থামে বসে থাকে তারা
    কূট স্বরে ডাকে তারা তারকাঁটা গান গায় সীমানাকে অগোছালো করে
    রথচক্র পড়ে যাবে কোনদিন খানাখন্দে এরুপ আশায়।
    দহরম মহরমে অশ্লেষা মঘা প্রতিপদে
    যাতনায়, বসন্তে উপোসে ও ত্রিপল ওড়াতে
    ভিজে যাওয়া খুকিদের গানের প্রহর
    গেয়ে যায় পাখিগুলি বাতিঘরে অবিরত দিবসে ও রাতে
    কূট স্বরে ডাকে তারা পুনরায় দশমিক ঘরে
    জমা থাকে পরিযায়ী লাশ তাকে খেয়েছে পোকারা।
    খুচরা পয়সা দিয়ে দিয়ে দিল দাম তার
    রুপোকাঠি জমে থাকা জলে
    চিলেদের ডাক
    নিজেদের ঝাউবনে উড়ে গেছে সেইসব বিষাদের পোকা
    এবার গর্তে থাকে জলে ডোবা সীমানা ও লোকের বসতি
    ভিজে যাওয়া খুকিদের ম্লান, গানের প্রহর
  • Nishan Chatterjee | ২৪ এপ্রিল ২০১২ ০৫:৪০508635
  • উন্মাদের পাঠক্রম
    ***********************


    রাত্রি যত বাড়ে তত কুকুরের ডাক,
    অবিনাশ বিনষ্ট হোলো এগারোটা পাঁচ

    এগারোটা দশে পাঁচ মিনিটের পরে
    অনিমেষ জন্ম নিলো চিলেকোঠা ঘরে!

    জন্মেই ভাসিয়ে দিচ্ছে যত কিছু ছাই
    নির্নিমেষে নিরাকার, যা চাই না চাই!



    যে ধ্বংস হয়নি তার অস্থি কোথা পেলে?
    আমার যা কিছু ভস্ম নদী জলে ফেলে,

    চলে এসো মোহানায়, মাছেদের ঝাঁক
    যা কিছু হাড়ের টুকরো লুটে পুটে খাক



    সে কাম ভাসিযে দিচ্ছি যমুনার জলে
    সমস্ত কিছুই যাহা সুফলে কুফলে

    সে কোন পুরুষ যার শিশ্ন অধোমুখী
    সমস্ত মাপের বাপ খাতা মধ্যে টুকি

    জানালা বন্ধ, দরজা, ভেজানো কপাট
    যতই দেখছি তত জ্বলে যাচ্ছে ঝাঁট



    সমস্ত নিমেষ দাও ধুয়ে অগোচরে
    রাত্রির সমুদ্র খাক পুলিশে, খোচরে!

    অনিমেষে ঘড়ি বন্ধ সময়ের ঘোর।
    খুঁটে খাচ্ছে চেটে খাক কালীতলা মোড়!
  • Nishan Chatterjee | ২৪ এপ্রিল ২০১২ ০৫:৫০508646
  • কবিতাগুলো নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা হলে ভালো হতো না? সবকটা পড়া হয়নি, আমার মতামত আমি কালকে জানাবো :) বাকিরাও বলুন না! সবাই মিলে সবার পেছনে লাগা যাক :P
  • Nishan Chatterjee | ২৪ এপ্রিল ২০১২ ১১:৪৫508657
  • উন্মাদের পাঠক্রম-২
    ***********************



    দাঁড়াও লাইন দিযে যত আছো নারী
    মৃতব্‌ৎসা, ক্ষীণব্‌ৎসা, ঘরোয়া, বাজারি!

    স্তন যার শুষ্ক অতি, আঁচলে আধুলি!
    কোলেতে অপুষ্ট ছানা, কোমরে মাদুলি!



    দুর্ভিক্ষ বাজারে আসছে, কার্তিকেয় মাসে।
    শিব জাগছে সদারঙ্গে প্রমোদ বাতাসে!



    এদিকে ব্রহ্মা ছিলো ধুরন্ধর ছেলে,
    দুটো হাত কাটা পড়লো, পেটো বাঁধতে গেলে!

    এমত আশ্চর্য রীতি তবু পঙ্গু নয়!
    বাকি দুটি হাত, তারা ভারী কর্মময়!



    দাঁড়াও নারীরা সব, তাকে দেখে শেখো!
    কিছু রুজ পমেটম বৃষ্টি গালে মেখো!

    তা যদি না হয় তবে সদারঙ্গে ভাসো!
    আগেই বলেছি শিব, ধ্বংস হয়ে আসো।



    এসো বৃষ্টি
    বন্যা এসো
    খরা এসো
    ত্বরা!

    সমস্ত দুর্যোগ
    এসো
    ভিক্ষাপাত্র ভরা!
  • tatin | ২৬ এপ্রিল ২০১২ ০১:১১508668
  • যুদ্ধের শরণে

    “অভিসন্ধিতে লিরিকে দিচ্ছি শান
    সুরে বলে যাই আজকের কথাগুলো
    একদিন হবে গণাভ্যুত্থান
    সেদিন আমার গানের ভাঁড়ার খুলো”

    এও তো ভোরের মত সকালের উচ্ছ্বাস
    সূর্যের রঙ নিয়ে সুর হয়ে ঝলসাস
    এখানে বুকের মাঝে নতুন লেখার তোড়
    এখনও জাগিয়ে রাখে ভিতরেও অন্তর
    রাগিনীর ওঠানামা, পাহাড়িয়া পথঘাট
    মেঘছেঁড়া রাস্তায় রোদে-ঘুমে সংঘাত
    বুঝিনি কি সকালেই দুর্গমতার দিন
    বিহ্বল বিউগলই শত্রুর সঙ্গিন
    ঐ সুর ঐ দিন ঐ রং পতাকায়
    আমি আসি আরও কাছে, গাঢ় নীল কুয়াশায়
    ঢেকে ফেলি দুই চোখ, ছুঁয়ে তোর সালোয়ার
    চুল ছুঁয়ে গাল ছুঁয়ে ছুঁয়েছি অন্ধকার
    উপেক্ষা ছুঁয়ে যায়, অস্বীকারের পর
    ফেলে যাস আমাকেও, গোঙানির চাপাস্বর
    চিৎকার করে বলে পালাবদলের রীতি
    পিয়ানো ভরিয়ে থাকে জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি
    আর থাকে বন্ধুরা বিপ্লবী সংঘের
    গান শুনি যুদ্ধের, ও স্বপ্নভঙ্গের।
  • Anupam Das Sharma | ২৮ এপ্রিল ২০১২ ২০:২২508679
  • ক্রমশ মগ্নতা / অনুপম দাশশর্মা।

    একটু দুরেই পর্দার দুলুনি দেখলাম
    শিরার গোপন স্নানঘরে মৃদু চঞ্চলতা
    আলো আঁধারির প্রতিফলনে ছায়ার ঢেউ
    অলীক ফোয়ারায় বুকে হাজার করতালি।
    সেদিন সন্ধ্যায় শিলাবৃষ্টি মেখেছিলে,
    ফুরফুরে বরফদলা টুং টাং উন্নতশৃঙ্গে
    বেয়াদব চোখ ভিজলো বাদামী কুঁড়িতে।
    তোমার সমুদ্র প্রশ্রয় বিমোহিত করে বারবার,
    সেলোটেপ খুলে যায় আলজিভ শুকিয়ে খুশী
    বৃষ্টির ধারায় ঘ্রাণ পাই তোমার বকুল গায়ে
    চেতনার বিমিশ্রতায় মিশে যাই নীলাভ জঙ্‌গ্‌ঘায়।
    তোমার চোখের ইন্দ্রিয় মোহে জোৎস্নাপ্লাবিত
    দিঘি হিল্লোলে মোহন স্বর্গে নিষিক্ত হই।
  • ranjan roy | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ০১:২৫508691
  • ১)
    হাওয়ায় গরম ভাপ
    আকাশেও মুষড়ে পড়া চাঁদ।
    এখানে সমুদ্র কই
    তবে কেন লবণাক্ত স্বাদ,
    সে তোমার ঠোঁটে?
    জানিনা কখন বৃষ্টি এসেছিল
    তবু দেখি ভুঁইচাঁপা ফোটে!

    ২)
    আজ বুঝি হালখাতা,
    খুলে ফেলি লালশালু দিয়ে বাঁধা পাঁজিপুঁথি
    যত দস্তাবেজ,
    দেখব কার কতটুকু তেজ।
    চলে এস তবে,
    থ্যাবড়া মেরে বসে পড়
    হিসেব মিলিয়ে দিতে হবে।
  • pharida | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ০৮:৫২508702
  • তোমাকে সাজাতে গিয়ে
    কথা বড় বেশি বলি আমি
    এতে রূপ ধুয়ে গেল জলে
    ফিরে দেখা নিখাদ বোকামি
    পড়ে আছে বইখাতা জুড়ে
    চড় জাগে একলা জ্যোৎস্না
    চোরকাঁটা পোষাকের ভাঁজে
    থেকে গেল, আমারই দোষ না।

    তোমাকে ফিরিয়ে দেব বলে
    এইবার ভাগাবাটি করে
    চুলচেরা হিসেবের কড়ি
    শব্দরা চুলোয় কবরে
    যাক গিয়ে মরে বেঁচে থাক
    ছেঁড়াখোঁড়া হতে থাক বই
    তোমাকে সাজাতে হলে ফের
    শুখা নদী বানভাসি হই।
  • Tim | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ০৯:০৫508713
  • শেষ লাইনটা। আহা, শেষ লাইনটা। ফরিদার জয় হোক!
  • pharida | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ১২:৩৪508724
  • পুরনো খাতা থেকে পাওয়া – তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০০৫ এর

    ধরেই ছিলাম হাত, কখন
    একফাঁকেতে পিছলে গেল রাত।

    শব্দ ছিল নাকো
    শুধু একটা সরু সাঁকো
    টপকে যেতেই বলে
    “তুমি, আর কিছুক্ষণ থাকো”

    জংলী নালা, বুড়ো শিমুল
    জোয়ান মদ্দ ঝোপের সারি
    পুঁইয়ে যাওয়া কুকুর বাচ্চা
    মেঠো রাস্তা গ্রামের বাড়ি
    গোলা ঘরের আভাস ছিল
    পুষ্করিণী সান বাঁধান
    কাক জ্যোৎস্নার কলসী উপুড়
    শেষ রেডিওর গান শোনানো।

    কাউকে আগে না বলিনি-
    জানত সে নির্ঘাৎ
    তাই ওভাবে আটকাল সে
    এক ফাঁকেতে-
    পিছলে গেল রাত।
  • hu | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ১৮:৪৯508735
  • আহা!
  • Malay Roychoudhury | ২৯ এপ্রিল ২০১২ ২০:৪০508746
  • 'বোধ' পত্রিকার সম্পাদক কবি অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় আজ সন্ধ্যায় মারা গেছেন।
  • টুঙ্গুস্কা | ৩০ এপ্রিল ২০১২ ১৯:২৩508757
  • হুতোর জন্য খুঁজে দিলাম ঃ))
  • hu | ৩০ এপ্রিল ২০১২ ১৯:৩৪508768
  • হুচিও কৃতজ্ঞ হল ঃ-)
  • Anupam Das Sharma | ৩০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৭508779
  • অপারগ........

    আকাশের দিকে নজর ফেরালাম
    অদ্ভুত থমথমে মুখ
    একরাশ ডিনামাইটে বাঁধা ওর চেতনা।
    জানতে চাইলাম, কোন ফতোয়ার জের!
    বিষণ্ণ চাউনি শুকনো ছাই হয়ে ছেয়ে গেল।
    সহিষ্ণুতায় হাজার ছিদ্র, কুখ্যাত ক্ষমতার চোখ
    সমাজের পিঠে ক্রমাগত বেত মারছে।
    বারবার ছুটে যাই দেবদারু বুকে
    পাক খাওয়া কালো শিকড়ে মুখ গুঁজি।
    পাপড়ি প্রলেপ মনের প্রদিগ্ধ আরাম
    দুঃশ্চিন্তার পারদ উবে গিয়ে তখনি পালক রূপ
    সাবলীল সম্ভারে বর্ণ ফেরায় উন্মুখ।

    কতটা নিংড়ালে উঠোনে চড়াই খেলবে?

    -অনুপম দাশশর্মা।
    ৩০.০৪.১২
  • Ali Reza | ০১ মে ২০১২ ০০:৫৩508790
  • অবিনাশী ভালবাসা

    অনেকতো খোঁজাখুঁজি হল
    বিচূর্ণ বিকেল জুড়ে
    অরণ্যের ডাক শুনি
    পরিচিত পাখিদের রঙে
    শুভ্র জোছনায় জলের কল্লোল মেখে
    তুমি এলে পাথরের ডানা
    ভাঙ্গা অবলুপ্ত খেয়াঘাটে।
    বিচালি প্রজ্বলিত হাসির ছটা
    প্রিয়ংবদা তোমার চাঁদ চেরা ঠোঁটের কিনারে
    গরল ঘৃণার হাসি!
    নীরবতাভুক ফণীমনসার ডালে
    লাস্যময়ী গ্রীবাভঙ্গি কাঁচা রোদ মাখে
    রুপের আয়না মেলে
    অম্নি হাসি খেলে যায়
    তার নিয়ন আলোর চোখের ছটায়
    পায়ের রুপোর মলে
    হননের কারুকাজ
    নধর নখরে বিম্বিত ইশারা
    আরো দুরে তেপান্তরে
    নদীর বনেদি পাড় ছবি
    আঁকে শৃঙ্গারের জলরঙে
    অবিনাশী ভালবাসা।
  • ranjan roy | ০১ মে ২০১২ ০৮:৫৩508802
  • মলয়দা,
    কবি অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় মানে যিনি ""সাঁঝ-বিহান'', রাঢ়বাংলার আঞ্চলিক ভাষায় বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন?
    বা, দেশ পত্রিকায় বেরিয়েছিল একটি অসামান্য কবিতা " প্রুডেন্শিয়াল কাপের গল্প''?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন