এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৮৭৯৯৯ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sam | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:১০508147
  • আজ মনে হয়েছে আমি একা,
    একা যারা তাদের খেয়াল....
    তাদের সময়টুকু পৃথিবী র স্বচ্ছ দেওয়াল.
    সে দেওয়ালে ছাই জমে ইঁট হয় ...
    ভিড় করে হরেক কবিতা,
    একাকিত্বের ছাই হাসির মোড়কে ঢেকে-
    জ্বেলে দিই ছন্দের চিতা.
  • ranjan roy | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:৩০508158
  • বইমেলায় সপ্তর্ষি প্রকাশন থেকে বেরিয়েছে নতুন কবি হিয়া
    মুখোপাধ্যায়ের চটি কাব্যসংগ্রহ "" মোহময় পেস্ট্রির দিন''।
    যদ্দূর জেনেছি উনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার
    ছাত্রী। আমার ভাললাগা কবিতা:

    হল্লাপ্রিয় আটজন
    ---------------
    তারা হল্লাপ্রিয় আটজন
    আর নবমজন গর্ভে
    যার চোখের কোণে অঙ্গার
    আর পায়ের ফাঁকে সর্ষে
    তারা নদীর মুখ খুঁজতে গেল
    অন্ধকারে হাতড়ে
    পথে ভুতুড়ে কিছু বাড়িঘর
    আর অচেনা কিছু লোকজন
    শুধু অন্ধকারে ঘুরপাক
    খেয়ে হাঁপিয়ে গেল আটজন
    আর বন্য কিছু জন্তু
    পিছু নিতেও পারে জানতো
    যারা নদীর মুখ খুঁজতে গিয়ে
    ধাক্কা খেল চার্চে
    বুকে আহাম্মক ঈশ্বর
    তারা ফেরার পথ ধরল
    ফের কাঠের সোঁদা বাংলো
    একা লন্ঠনের চিৎকার
    দূরে হাইওয়ে জুড়ে হেডলাইট
    আর মৃগনাভির গন্ধ
    তারা অন্ধকারে বসল
    হাতে চকমকি আর পাত্র
    তাতে কালচে সবুজ পানীয়
    কিছু আড্ডাঘন বুদবুদ
    তারা বসিয়েছিল মজলিস
    তারা রাতের মত জ্যান্ত
    যেই কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি
    ওরা জয়ধ্বনি তুলল
    আর রাত গিয়েছে সেঁদিয়ে
    আরো অন্ধকার কোটরে
    তারা চিঠির কথা তোলেনি
    কোন বাতিল অনুষঙ্গে
    ঘন সন্দেহের চাঁদোয়া
    নীচে তর্কপ্রিয় আটজন
    শুধু নবমজন গর্ভে
    একা সন্দেহের উর্ধ্বে
    আর অনেক দূরে বাজছে
    কালো জঙ্গলের সাইরেন
    শুধু রিসর্টের জানালায়
    সেই ভূতের খেলা চলছে
    শুধু বেজেই চলে সাইরেন
    ওরা বাঘের কথা শুনলো
    একা লন্ঠনের কান্নায়
    কিছু হরিণছানা নির্ঘুম
    শেষে যৌথভাবে আটজন
    সব যে যার মত গর্তে
    ওরা কান্নাপ্রিয় আটজন
    আর নবম জন গর্ভে
  • aka | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:৩২508169
  • এটা একদম অন্যরকম কবিতা। ভালো লাগল।
  • pharida | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২২:২৭508180
  • রঞ্জন দা, বইটার এক কপি পাইদিদির হাতে পাঠানো যায়? দারুণ লাগল লেখাটা।
  • pharida | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২২:২৯508191
  • জলজ প্রেম আসন মুঢ় স্থিরতা ভেবে স্তব্ধদিন
    ডেকেছ গহন প্রাক দিগন্ত বিমূর্ত্ত প্রায় সন্ততি
    খেলেছে অলীক সন্ধ্যা একলা পৃথিবী জুড়ে ব্যস্ততা
    এমন রীতি ছুঁয়েছে হাত নিগুঢ় রাত যন্ত্রণার।

    ভেঙেছ ঋণ দু-হাতে রক্ত ঝরছে কিছু ব্যর্থতা
    লুকনো শিখা ভুষো কালিমার নিবিড় পরমার্থতা
    রেখেছ নীল গহন কোণে মনে রাখার অঙ্গীকার
    এমন স্থিতি রিক্ত হলে কী নাম দেবে ভ্রান্তিটার?
  • tatin | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২২:৫৭508202
  • খেলেছে সন্ধ্যা একা পৃথিবী জুড়ে - হবে কি?
  • tatin | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:০০508213
  • আই মীন,
    'খেলেছে অলীক সন্ধ্যা একা পৃথিবী জুড়ে ব্যস্ততা' -- এরম
  • pharida | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:০৬508224
  • আমি একা লিখে খানিক পরে একলা করে দিলাম - বোধ হয় একটু সময় গেলে একা আস্তে আস্তে একলা হয়ে যায় :)
  • tatin | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:০৯508235
  • :)
  • dd | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২২508247
  • ছেন্নাইতেও, জানেন, একেক দিন
    একাকী সন্ধ্যায় খুব উথাল পাথাল হাওয়া
    খুব জোরে নারকেল গাছে সড় সড় আওয়াজ হয়
    হেডলাইট ম্লান হয়ে আসে
    ছেন্নাইতে একেকেদিন অঝোর ঝরে
    বাড়াবাড়ি রকমের বৃষ্টি
    ফুটপাথের কাছে স্পষ্ট একটা ঘুর্নি
    আর শাঁখের মতন শোঁ শো আওয়াজ

    ঝেন্নাইতেও
    নাগরিক আকাশ রাঙিয়ে ১০০% চাঁদ ওঠে
    আগুন ঝরানো পুর্ণিমায়
    শুকনো পাতারা ঠোক্কোর মারে নিভৃত বারান্দায়

    আর ভুতগ্রস্থ রাতে
    আচমকা ইলিশ মাছ ভাজার গন্ধ পাই।
    চকিতে।

    সত্তি।
  • pharida | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৪৭508258
  • আপনার কথাই ভাবছিলাম - সত্যি !!!

    :))
  • pharida | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৪৯508269
  • বিমনা নিষেধ চলে ওষুধের মতো তেতো বারোমাস
    ঠোকাঠুকি চলে ছুতোনাতায় চুর মুখ দেখাদেখি বন্ধ
    ঘরের আড়াল থেকে বাক্যবাণ ছুটে ঘায়েল করলে
    তাথৈ তাথৈ নাচ ঘুঙুরের দানাগুলো গড়িয়ে গড়িয়ে
    গেল মুগ্‌ধকর প্রতিধ্বনি রেখে শেষের বিকেলে।

    এসেছিলে এইমাত্র জেনেই ছুটেছি ফের জান কবুল
    হে পরমার্থ নাথ – কোথায় লুকোলে বলো অবেলায়
    ঘুরে অসুখের মতো বেশ ছায়া দেবে ভেবে ভেবে
    আমি হেঁটে গিয়েছি সকলের শেষে যাত্রার আসরে
    ডোবা ঘিরে গাছের ছায়ারা তার মাইফেল বসাল দেখি
    রাত গভীরের দিকে গেলে ঘাই দেবে মাছ কেয়াবাত
    জৌলুশহীন কৃষ্ণাষ্টমী চাঁদের সাদামাটা পার্ষদ নক্ষত্র
    এঁটোকাঁটা ছুঁড়ে দেবে – ঠনঠন খুচরো আমি কুড়িয়েছি
    শুধুই বিফলে? হে পরমার্থ, নামো দেখি নিখাদ বাস্তবে।
  • nk | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৫৬508280
  • পরমার্থ শুনলেই নিবারণদা কে মনে পড়ে। :-)
  • dd | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:১৬508291
  • চুল ঝাঁকিয়ে,মুঠিয়ে তারে জিগাই
    "তুমি, আমায় চিনতে পারছো? না কি?"
    মুচড়ে যাচ্ছে, কিন্তু কি হেল্পলেস
    তাঁহার চোখে গভীর অবিশ্বাস

    "নাম মনে নেই, কিন্তু যেনো চেনা...."

    এবার আমার ভেঙে যাওয়ার পালা
    রোম্যান্টিক এক কাব্যিক উচ্ছ্বাসে
    বিরহ হবে বিরহ নিয়ে খেলা

    ...........

    কিন্তু এক বিষাক্ত নির্যাস, রিক্ত করে
    ছন্দ এবং গ্রামার। দীর্ঘ জীবন। কেবল
    ফিরে চাওয়া।
  • Sam | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:২৮508302
  • আমার ঘরে রোদ ঢুকেছে..অন্যরকম রোদ,
    সহজ করে বলতে গেলে দূরের কথা ওঠে-
    যে দূরে আজ বহুবছর পায়ের চিহ্ন নেই,
    আঁকড়ে ধরে আকাশটা কে ও হারিয়ে ফেলি যদি?

    আমার ঘরে রোদ ঢুকেছে....বিকেলবেলা র রোদ,
    যে বিকেলে আলসে দুপুর গড়িয়ে যেত সুখে-
    পথের থেকে পথের শেষে অনেক দেখা হলো,
    এবার থেকে পথিক তুমি নিজে ই দিও ধরা.

    আমার ঘরে রোদ ঢুকেছে...চোখের জল এর রোদ,
    মানুষ হলে মানুষ দেখে, চেনা জানা র ভিড়ে-
    শক্ত হৃদয়, নরম সকাল, প্রদীপ সন্ধ্যেবেলা,
    শাঁখের ডাকে ঝিলের ধরে শোলা র মুকুট পরি.

    আমার ঘরে রোদ ঢোকেনা... কখনো কোনদিন,
    রোদ বিকেলের স্বপ্নে ভেজা চিঠি র পাতা আছে-
    কুয়াশা দেখা ভোরগুলো কে চোখের কাঁচ এর সাথে...
    আবার কোনো ট্রেন সফরে রোদ ধরতে যাব.
  • tatin | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:৫২508313
  • পরমার্থ, রাত্রির বিশদে বসিও
    বিষ হয়ে, ঘুম হয়ে, ফাঁকি হয়ে এইখানে থাকো
    প্রতিমার অবলেপে আরাধনা করেছি যা কিছু
    ঘট হয়ে থাকো অসম্বিতে
    যেমন পূজারী, জিভের প্রমাদে
    শরণ্যেত্রং, বকে গৌরী - ব'লে ফ্যালে
    তেমনি বসিও তুমি এযাবৎ ভুলের শিহরে
    নির্মাণে ঈষদ্‌ ঐ ত্রুটি
    জানুভঙ্গে মাটির ফাটাদাগে
    প্রকাশে আসুক সেই ক্ষত-
    এমনই একলা শীতে, নিজের থেকেও দূরে
    সরে যাচ্ছি- এই শীতে
    পরমার্থ রাত্রি হয়ে এসো তুমি
    এই রাত্তিরে
  • ranjan roy | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৫২508324
  • ফরিদা,
    কাল চেষ্টা করব, হতেও পারে। ওর আরও কিছু কবিতা আমার ভাললাগায় তুলে দিচ্ছি:

    স্যাফো যা বলতে পারতেন
    -----------------------
    ঠোঁটের কাছে একটু দূরেই
    উথলে ওঠে আর একটা ঠোঁট
    বিপজ্জনক--বিপজ্জনক!

    হাতের চাপের আলতো হিসেব
    কে রাখছে এই হেমন্তে আজ?
    তুমিই আমার আগুনদেবী

    আমিও ভীষণ আগুনলোভী
    কবুতরার অবাধ্যতায়
    ঠোঁট বসাব তোমার ডানায়

    ভাবছি শুধুই ভাবছি জেনো
    খেলাচ্ছলে কপাল ছুঁলেও
    জানবে ওটা অসহ্য ভান

    সারল্য আজ ভীষণ দামী
    এবং ওটাই আমার মুখোশ
    কন্ঠে পাতা মিথ গালিচা

    বুকের নীচেই থমকে থাকে
    দ্বীপান্তরের স্বপ্নপ্রয়াস
    আমরা দুজন বান্ধবী না?
  • ranjan roy | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:০১508335
  • Prologue
    -----------
    নির্লোম ঊরু দেখে যে বালক অন্ধ হয়ে গ্যালো
    পিরীচের নীচে বসে শিখে নিল রতির ধরণ

    রাত্রি গভীর হলে যে বালিকা সিলিংমুখর
    নিজেরই অতল খুঁড়ে ডেকে ওঠে -""মাথুর! মাথুর!""

    ভাষাশ্রমিকের কাছে খুলে রেখে নিজের পালক
    আমি শুধু লিখে গেছি--""উহাদের পরিচয় হোক''।
  • Sam | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:২৬508346
  • প্রগতিকে আমি বৃত্তের কেন্দ্রে রেখেছি..
    আর তার পরিধি র পাশে-
    দারিদ্‌র্‌যসীমারেখা সমান্তরাল থেকে হাসে.
  • Sam | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:১৪508358
  • ঘুমাও তুমি...
    আমার লেখার পাতা,
    আমার বুকে লেখার গজাল গাঁথা.
    পারব কি না পারব ভাবছি না আর...
    ঘুমাও তুমি....আদর করে যাব.

    ঘুমাও তুমি...
    জ্যোত্‌স্‌না ভরা কালি,
    আমার খাতায় হাত রেখেছেন দালি.
    লিখতে গিয়ে দেখছি ধোঁয়া মেঘে....
    ঘুমাও তুমি... আদর দেব চোখে.

    ঘুমাও তুমি...
    শেষের দিকে ছবি,
    শেষ তো আমার বুক-ব্যথা-বান্ধবী.
    শেষ কি হলো শেষ জানে না আজ ও...
    ঘুমাও তুমি...আদর দেব শেষে.
  • Pharida | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৬:৫৯508369
  • যখনি এসেছি

    যখনি এসেছি -দেখি ছায়াময় ডালপালা মেলে আছো
    আনাচকানাচ সংসার জুড়ে বাসা বাঁধা, পার্বণ সম্‌ব্‌ৎসর
    যাতে জুড়ে যায় সব,মায় চিমনির ভুষো লাগা কাঁচ।

    তার পাশে ছোট্ট তোয়াটি নিয়ে একরাশ বালি নুড়ি
    ছড়িয়েছে তটখানি জুড়ে। আপনমনেই সে সারাদিন
    ঐখানে ঘুরে ঘুরে কুলকুল কলকল কথার পাশে কথা
    জুড়ে জুড়ে খেলে দিনরাত। দেখে ফেলে ডেকে নেয়
    খেলাছলে একথা ওকথা বলে যেন হঠাৎই ভিজিয়েছে
    পায়ের পাতা সে, ছবি ফোটে খোলা চুল উড়ছে বাতাসে।

    তখনি, স্নান সেরে ফিরে কলকাপাড় পুরোনো ঢঙে এসে
    শুধোবে মামুলি কিছু বাড়ির সবাই ভাল? কাজকারবার,
    ওদের আমার কথা বোলো – বেলা হলে ডাক দেবে
    পাত পড়ে আসন প্রশস্ত, কলাপাতায় ভাত বেড়ে দিয়ে তুমি
    ও বাঙলাভাষা, ছেড়ে যাবে না তো যতক্ষণ জেগে থাকি অন্তত:।
  • Nishan Chatterjee | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:৪৬508380
  • কলমে আগুন ঝরাই....
    বিকেলে ছাত্রী পড়াই...
    কমাস হোলো ...
    মোলো যা বিশ্রী ছেলে...
    আসলে মাইনে পেলে...
    পুরছে ষোলো....
    কলা চাঁদ পকেট মাঝে...
    নেশাভাং সকাল সাঁঝে...
    কাব্যি করে...
    মানিব্যাগ ডলার গুণে...
    কয়েনের আওয়াজ শুনে...
    বৃষ্টি ঝরে...

    আসলে সেই খবরও...
    ডুবে যায় সাত সতেরো...
    কাজের ফাঁকে...
    সাতে আমি পাঁচেও থাকি...
    আজ ধার কালকে বাকি...
    মাছের ঝাঁকে...

    ঝাঁকে মাছ বাড়ছে কেবল...
    নদীতে স্রোত ও প্রবল...
    চল ভেসে যাই...
    ভেসে যাই ভীষণ জোরে...
    হাঙ্গরের দাঁতের ঘোরে...
    খড়কুটো পাই...

    কুটোখড় আঁকড়ে ধরি ...
    এভাবেই বাঁচায় মরি...
    মাসের শেষে ...
    মানিব্যাগ হচ্ছে খালি...
    রাতে জল গলায় ঢালি...
    অল্প কেশে....
    যা দেখি তাইতো লিখি...
    পকেটের খুচরো সিকি...
    তাদের বলা...
    কথা নয় বুঝতে পেরে...
    লেখো না কলম ঝেড়ে...
    মনের তলা...

    চেপে যায় যৌন খিদে...
    যদি পাই আলগা সিধে...
    চিন্তাতে এই...
    রূমরেন্ট ভাত কাপড়ের ...
    বাহবার পিঠ চাপড়ের...
    ভরসাতে নেই...

    পাশে পেনসিলভানিয়া ...
    এনে দেয় এক বানিয়া...
    সস্তা দামে...
    সিগারেট নেশার জিনিস...
    আমিও তাতেই ফিনিশ...
    কাঁচ বমে...
    হই মাছ কৃতজ্ঞতার ...
    ঝাড়ি রোজ সস্তা কথার...
    কি ফুলঝুরি...
    এভাবেই সস্তা বাঁচা...
    চারিদিক বদ্ধ খাঁচা...
    ডিমের ঝুড়ি...

    এমনি ফ্রাস্ট্রেশন এ
    এ বাঁচার কনসেশনে ...
    জবর থাকি...
    কলমেও আগুন ঝরাই...
    বিকেলে ছাত্রী পড়াই ...
    দিচ্ছি ফাঁকি...
    কবিতায় অঙ্ক খাতায়...
    পকেটের সবুজ পাতায়...
    শীতের কালে...
    ঝরে যায় আনন্দ সব...
    ঠেকে যায় বিত্ত বিভব...
    হাঁড়ির হালে....

    অতএব ভাবনা ছাড়ো...
    মগজের চিন্তা কাড়ো...
    বিপদ বাধাও...
    ভোলে বম ববম ববম...
    মারো টান বেজায় বেদম...
    কলকে ফাটাও...
  • Nishan Chatterjee | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:৫১508391
  • আমি ও চন্দ্রবাবু
    ************
    আমি ও চন্দ্রবাবু মাঝে মাঝে মতান্তর হলে,
    ফাৎনায় সুর্য গেঁথে ছিপ ফেলি,
    পানাপুকুরের জলে,

    যদি কিছু তারামাছ ধরা পড়ে ভাগ্যের কবলে,

    সমস্ত দুপুর, পৃথিবী অচেনা গন্ধ, নোনা রোদ নিয়ে,
    অবিশ্রাম বসে থাকি, বৃক্ষছায়ে ছিপে চোখ রেখে,

    অবশেষে রাঙা হলে রোদ, ম্‌ৎস্যের আতান্তর দেখে ধরি গৃহপথ!

    আমি ও চন্দ্রবাবু মাঝে মাঝে মতান্তর হলে,
    বালিশে ঝগড়া পুষে
    রাত্রিতে ঘুমাই!
  • Nishan Chatterjee | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:৫৬508402
  • আমি ও চন্দ্রবাবু
    ************
    আমি ও চন্দ্রবাবু মাঝে মাঝে মতান্তর হলে,
    ফাৎনায় সুর্য গেঁথে ছিপ ফেলি,
    পানাপুকুরের জলে,

    যদি কিছু তারামাছ ধরা পড়ে ভাগ্যের কবলে,

    সমস্ত দুপুর, পৃথিবী অচেনা গন্ধ, নোনা রোদ নিয়ে,
    অবিশ্রাম বসে থাকি, বৃক্ষছায়ে ছিপে চোখ রেখে,

    অবশেষে রাঙা হলে রোদ, ম্‌ৎস্যের আতান্তর দেখে ধরি গৃহপথ!

    আমি ও চন্দ্রবাবু মাঝে মাঝে মতান্তর হলে,
    বালিশে ঝগড়া পুষে
    রাত্রিতে ঘুমাই!
  • puuh bhat | ০৭ মার্চ ২০১২ ২১:১৯508413
  • তমার স্তনের ঘন মেদ
    যোনির আবরে মিহি রোম
    সম্রাটও জানিয়েছে খেদ
    চলে গেছে অনাথাশ্রম
    দরবার ভেঙে গেল, ঘর
    পুড়েছে জঘনে নখদাগে
    আর জন্মে শ্রেয়সীর বর-
    হবে ভেবে রাজপথ জাগে
    ঝরে পড়ে ফুলের আবির
    নাভির আবেশে রাখে মিতা
    চক্রবর্তী ক্ষত্রমহাবীর
    স্বপ্নেঘ্রাণে সেও পরিচিতা
    চিতার গরম মনে আছে?
    শ্রোণিভাঁজে মিমি রেখে দিলো
    প্রাজ্ঞঋষি পর্নোভ্রমে নাচে
    অনাথাশ্রমে সেও ছিলো-

    গুপ্তরাগ সুপ্ত অলঙ্কার
    বারণ যদি গাহিবেনা কেহ
    বিচিত্ররকম ব্যভিচার
    নাম রাখি শ্রদ্ধা কিম্বা স্নেহ
    পথ ভেঙে ভিখারির গাড়ি
    দাঁড়িয়েছে ঝুলনের মোড়ে
    ঝোলা থেকে বিসর্গ দাঁড়ি
    উপচে পড়ে, ঘুপচি ওঠে ভরে
    কলিযুগ সত্য বড়ো পাঁক
    বিষগন্ধ বিষম আকৃতি
    মনে যা যা, বনেই তা থাক
    গৃহে শুধু বনজন্ম-স্মৃতি......

    আমরা অস্‌ৎ গান গাই
    আমরা বানিয়ে তুলি বাড়ি
    আমাদের ম্লান ছোটোভাই
    আমাদের সাথে তারই আড়ি
    আমরা অনৃত কথা বলি
    আমরা কথায় মাখি সুর
    আমাদের বেশ্যাপাড়া গলি
    অনাথাশ্রম থেকে দূর-
  • Nishan Chatterjee | ০৭ মার্চ ২০১২ ২১:৫৩508435
  • সেই যে জারজ পিঁপড়ে, জারে জন্ম যার
    জারে মৃত্যু জারে বিয়ে জারেতে সংসার

    এদিকে আরশোলা কিছু আনাচে কানাচে
    সিঙ্কধারে, ক্যাবিনেটে, টেবিলের কাচে

    সেই যে জারজ পিঁপড়ে কোথা ছিলে তুমি?
    কি লেখ লেহন কাব্য নতজানু ভূমি

    তলে বস, হাতে পাতা, আঙুলে লেখনী,
    আমি বলি চিঠি তুমি লিখতে শেখোনি

    তাকাও জারের কাচে, কাচেদের পারে,
    দেখেছো সমুদ্র এসে নিয়ে গেল সারে

    জঁহাসে আচ্ছা আর শহর, স-কলি
    গোলাপের ডাল আর মোহরের থলি?

    আরশোলা টেবিলের আনাচে কানাচে,
    কেননা সমস্ত ঘর সাগরে ভাসছে,

    ঘর ভাসছে জলে, আর ঘরমধ্যে জার,
    জারেতে তুমি, আর তোমার সংসার।
  • Nishan Chatterjee | ০৭ মার্চ ২০১২ ২১:৫৩508424
  • সেই যে জারজ পিঁপড়ে, জারে জন্ম যার
    জারে মৃত্যু জারে বিয়ে জারেতে সংসার

    এদিকে আরশোলা কিছু আনাচে কানাচে
    সিঙ্কধারে, ক্যাবিনেটে, টেবিলের কাচে

    সেই যে জারজ পিঁপড়ে কোথা ছিলে তুমি?
    কি লেখ লেহন কাব্য নতজানু ভূমি

    তলে বস, হাতে পাতা, আঙুলে লেখনী,
    আমি বলি চিঠি তুমি লিখতে শেখোনি

    তাকাও জারের কাচে, কাচেদের পারে,
    দেখেছো সমুদ্র এসে নিয়ে গেল সারে

    জঁহাসে আচ্ছা আর শহর, স-কলি
    গোলাপের ডাল আর মোহরের থলি?

    আরশোলা টেবিলের আনাচে কানাচে,
    কেননা সমস্ত ঘর সাগরে ভাসছে,

    ঘর ভাসছে জলে, আর ঘরমধ্যে জার,
    জারেতে তুমি, আর তোমার সংসার।
  • Moumita Ghosh | ০৭ মার্চ ২০১২ ২১:৫৪508446
  • কাল ‘দোল’। বসন্ত উৎসব। রঙের উৎসব।৭/৮ বছর আগে, আজকের দিন, মানে, দোলের ঠিক আগের দিনটা ছিল আমাদের আসল দোলের উৎসব। আজ ‘বুড়ির ঘর’ পড়ানোর দিন। জানতাম না বুড়ির ঘর পড়ানোর পিছনে কি করণ ছিল, তবে মজা হতো চুটিয়ে। সারা দুপুর সব বন্ধুরা ছড়িয়ে পড়ে এবাড়ি-ওবাড়ি গিয়ে শুকনো নারকোল পাতা, সুপুরি গাছের পাতা, খড়-কুটো জোগাড় করতাম। কখনো বাড়িওয়ালা ‘চোর চোর’ বলে ডাক ছাড়ত, কখনো ডাণ্ডা নিয়ে তেড়ে আসতো। আমরাও বেশ ভাল দৌড়াতে পারতাম। তার পর সূর্য ডুব মারা বিকেলে, রাজ্যের ধুলো বালি মেখে, কারো বাড়ি থেকে চুরি করে আনা ভাঙ্গা বাঁশের সাথে সেই পাতা-খড় বেঁধে যতটা পারা যায়ে উঁচু করে ‘বুড়ির ঘর’ তৈরি করতাম। পাতার ভিতর আটকে দিতাম কালি পটকা। নিজেদের বাড়ি থেকে চুরি করে আনা কেরোসিন তেল পাতার নীচে ছড়িয়ে দিয়ে দেওয়া হতো আগুন। কালি পটকার পট পট আওয়াজের সাথে চলতো আমাদের তান্ডব নৃত্য।
    এখন আমাদের পাড়া কেমন নেতিয়ে গেছে। আজও না, এমনকি গত ৫ বছর কাউকে বুড়ির ঘড় পোড়াতে দেখলাম না। সব বন্ধুরাও হঠাৎ হারিয়ে গালো। যখন ছোট ছিলাম, সাংঘাতিক বড় হওয়ার সাধ ছিল। এখন ভাবি, ধ্যাততারিকা!!
  • sam | ০৭ মার্চ ২০১২ ২২:৩২508457
  • উদার ট্রিগার,
    উষ্ণ বুলেট,
    বিপ্লব হবে-
    ক্ষুধার্ত পেট.
    দীর্ঘ লাইন,
    গুলি র জন্যে?
    অর্ধেক দেশ-
    ও রাজকন্যে.
    দারুন স্লোগান,
    শহর সাজছে,
    বিপ্লবের মা-
    বাসন মাজছে.
    আমাদের হিরো-
    হেলিকপ্টারে-
    অথবা বইয়ের -
    থার্ড চাপ্টারে.
    জঙ্গলে গুলি-
    খেয়ে মরে যান.
    ভিলেন মানে ই -
    আমজাদ খান.
    গামছা পরেছ?
    তুমি মাওবাদী.
    জোড়া কনডম-
    আনবে বুলাদি.
    দিদিদের দেশে-
    দাদা রা ও ভাই,
    যানজটে ফেঁসে?
    লালবাতি চাই.
    লালবাতি আছে,
    কই য়াম্বুলেন্স?
    মরে যাওয়াটাই-
    শ্রেষ্ঠ ডিফেন্স.
    রামলীলা আজ,
    অনশন কাল,
    সপ্তাহান্তে-
    সোনামুগ ডাল.
    পাছায় অর্শ?
    চিন্তা টা কিসে?
    ব্যথা হলে যেও-
    পার্টি আপিসে.
    আপামর জন,
    পশ্চাতে বাঁশ.
    কাঁধে বইছেন-
    নীতিগত লাশ.
    গণধর্ষণ?
    প্রোভোক করেছে -
    যেমন কম্ম-
    তেমন মেরেছে.
    আমি বাবা ঘরে-
    আরাম করছি.
    মাঝখানে থেকে-
    কাগজ পড়ছি.
    সব মরে গেলে-
    ডেকে দিও ভাই,
    শ্রাদ্ধ খাওয়ারও-
    কিছু লোক চাই.
  • Anupam Das Sharma | ১১ মার্চ ২০১২ ২৩:০১508469
  • ভরা সিঁথি..............
    --অনুপম দাশশর্মা
    ===============

    ভালো আছো, নন্দিনী............
    অনেক বসন্তের মেদ আজ শরীরে থিতু
    তবুও এই ফাগবেলায় আবীরে উজ্জল তোমার পেটেন্ট সিঁথি।
    ঠিক এমনই বসন্তের মুগ্‌ধ দিনে
    কলেজ ব্যলকনি ছিল স্বস্তির খনি,
    দুই হাতের মুঠোয় রক্তিম আবেগ
    তোমার ননীগলা ত্বকে একরাশ ভালবাসা হয়ে ঝড়ত
    চোখের আমন্ত্রণে তৃপ্ত করতে রক্তিম সিঁথিতে।

    মনে আছে নন্দিনী, কলেজের প্রথম দিন
    শরীর ছোঁয়া মত্ততা স্বীকৃতি পেল-
    আলো আঁধারির ঘেরাটোপে, অবাধে।
    অথচ আমার পাকা জমির অপেক্ষায় নারাজ বাস্তববোধ
    অস্বস্তিকাঁটায় ভরে দিল হঠাৎ বাসাবদলে।

    আজ যখন স্থুলতা মন-গবাক্ষে ঘন হয়েছে
    একা থাকার দলিল কার্যকরি বহু বছর,
    চেতন কন্দরে ঘুমিয়ে থাকা অতৃপ্ত ইচ্ছে
    টেনে নিয়ে গেল সেই বাড়ির শ্যাওলা ছাদে,
    মুহূর্তের জন্য অপলক বিস্ময় স্থবির।

    কাচ পর্দায় কালি পড়া চোখ আবার ঝলসাল,
    ঝাপসা হয়ে আসা আমার ভিক্ষুক চোখ
    জলের পর্দায় ভিড়ে যায় তোমার সিঁথিতে,
    এক মুঠো আবীর তখনো আমার
    হাতের মুঠোয় কাঁপছে থরথরিয়ে..!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন