এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

    ঈশান লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ২৭৮০০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
    প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
    তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
    তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
    দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
    এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
    আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।
    তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
    দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
    আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

    পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, [email protected] এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

    পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ২৭৮০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাঠক | ১৬ মে ২০১৬ ০৬:২৬53194
  • ফেবু থেকে কমেন্টগুলোও তোলা হোক।
  • Debabrata Chakrabarty | ১৬ মে ২০১৬ ০৬:৩৭53195
  • মোটামুটি একটি বই ছাপাতে এই ধরুন ১৫০-২০০ পাতার, গুরুর ফরম্যাটে ৫০০ কপি কি ধরনের আনুমানিক খরচ হয় ? জানা থাকলে ( ইনবক্স করতে পারেন ) দু একটি বই দত্তক নিতে প্রস্তুত।
  • sosen | ১৬ মে ২০১৬ ০৬:৩৯53196
  • আমার প্রশ্নটা দেবব্রত করেছেন।
  • ঈশান | ১৬ মে ২০১৬ ০৭:২৩53197
  • এস্টিমেটেড খরচ তো? ওটা বছর বছর বদলায়। একটু দেখে বলে দেব। বা পাই ঘুম থেকে উঠে একটু দেখেশুনেও বলে দিতে পারে। আমার খাটনি কমে।

    তবে, আপাতত একটা কথা বলতে পারি। "একটা বই হবে" এরকম ভাবলেই, আমি মনে-মনে হাজার কুড়ির ধাক্কা, এরকম এস্টিমেট করি। বোল্ড এবং আন্ডারলাইন, এটা কেবলমাত্র আন্দাজের জন্য বললাম। বইয়ের সাইজ, চল্লিশ থেকে দুশো পাতা যা খুশি হতে পারে, খরচও এর চেয়ে বেশ কম এবং অনেকটাই বেশি সবই হতে পারে।
  • aranya | ১৬ মে ২০১৬ ০৭:৩২53198
  • বই দত্তক নিতে আম্মো আগ্রহী, যদি বই পছন্দ হয়, যেমন ঈশেন লিখেছে :-)

    চটি নির্বাচনের প্রসেস-টাও একটু লিখে দিলে ভাল হয়। গুরুতে নিয়মিত লেখেন না, এমন কিছু লেখকের একাধিক বই ছাপা হয়েছে, যেমন ধরা যাক মলয় রায়চৌধুরীর বই। আবার দ বা সোসেনের আত্মজীবনী মূলক যে লেখাগুলো গুরুতে বেরিয়েছে, সেগুলোর চটি দেখছি না।
    একই লেখকের একাধিক চটি বেরোচ্ছে বিভিন্ন বইমেলায়। এটা না করে কি বৈচিত্রের জন্য যাদের কোন চটি আগে বেরোয় নি, এবং অব্শ্যই লেখার মান ভাল, তাদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত?
  • ঈশান | ১৬ মে ২০১৬ ০৭:৩৯53199
  • প্রসেস তো লিখেছি।

    "মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।"

    এর পুরোটা খোলা পাতায় হবেনা। মেল গ্রুপ টুপ বানাতে হবে। কারণ নিশ্চয়ই কিছু আলোচনার গপ্পোও থাকবে মাঝখানে।
  • Debabrata Chakrabarty | ১৬ মে ২০১৬ ০৮:০৯53200
  • ভালো লেখা, বা ধরুন খুব ভালো লেখা কপিরাইট শেষ কিন্তু আউট অফ প্রিন্ট এইরকম কিছু গুরু ছাপার কথা ভাবতে পারে। যেমন ধরুন ডঃ মনু কোঠারির ক্যানসারের ওপর একটি বই আছে বিশ্বের এবং দেশের গোটা ২০ ভাষায় অনুবাদ হয়েছে, বাঙলা অনুবাদটি করেছিলেন শাঁওলি মিত্র এবং ডঃ স্থবির দাসগুপ্ত, বর্তমানে বইটি আউট অফ প্রিন্ট এবং গ্রন্থস্বত্ব প্রকাশকের কাছে নেই আমার এক বন্ধুর কাছে আছে - এই বই গুরু ছাপাতে পারে। আমার এক বন্ধু - স্তালিন যুগ (অ্যানা লুই স্টং ) অনুবাদ করেছেন, পিডিএফ আমার কাছে আছে, লেখক টাকা পয়সা চান না। মানে এই ধরনের বই যদি গুরু ছাপাতে চায় -সে লেখক গুরুর নাও হতে পারে বা হতেও পারে -একটা দুটো দত্তক নেওয়া যাবে। @ পাই কে জানিয়ে রাখলাম।
  • aranya | ১৬ মে ২০১৬ ০৮:২৯53201
  • কোন চটি ছাপা হবে, তা নির্বাচনের প্রসেস কিছু দেখছি না, এই লাইনটা বাদে -
    'আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম'

    এই সম্ভাব্য বই-এর তালিকা কি ঈশান একা তৈরী করছ না কয়েকজন মিলে করছ?

    এই সম্ভাব্য বই-এর তালিকা নির্বাচনের কি কোন গাইডলাইন আছে?

    যেমন আমি যে দুটো উদা দিলাম -সোসেন আর দ-র লেখা এখনও চটি হিসাবে বেরোয় নি কেন? গুরু সাইটে বেরিয়েছে এমন আরও অনেকের লেখার কথাই এখানে বলা যায়।

    ব্যক্তিগত ভাবে আমি প্রেফার করব এর আগে যতজন লেখকের চটি বেরিয়েছে, ২০১৭ বইমেলায় তাদের বাদ দিয়ে নতুন লেখকদের এবং বিশেষ করে গুরু সাইটে বা ফেবু গ্রুপে লেখেন এমন লোকদের চটি বের করতে।

    এখন আমি চাই বলেই তা হতে হবে এমন অবশ্যই নয়। আলোচনা হোক। ঈশন যাদের 'আমরা' বলছে সম্ভাব্য বইএর তালিকা তৈরীর ক্ষেত্রে তারা কারা সেটা স্পষ্ট করে লেখা হোক + তারা কি পলিসি ফলো করছে চটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে - কোন লেখকের কোন রচনা ছাপা হবে এটা কোন গাইডলাইন মেনে ঠিক করা হচ্ছে, সেটা পরিস্কার করে লিখলে ভাল হয়।
  • ঈশান | ১৬ মে ২০১৬ ০৯:১১53202
  • ১। চটি নির্বাচনের আলাদা কোনো 'পলিসি' নেই। এডিটিং এর কোনো নিজস্ব কিছু সাবজেক্টিভিটি থাকে। কিছু জিনিস দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গুরুর একটা আঙ্গিক এবং ব্র্যান্ড ইতিমধ্যে নির্মিত হয়েছে, সেটার সঙ্গে সাযুজ্য দেখা হয়। এছাড়াও কিছু নির্দিষ্ট ধরণের কনটেন্ট/ফর্মের উপর জোর দেওয়া হয়। মার্কেটেবিলিটির ব্যাপারও আছে। কোনটা কেমন 'চলবে' থেকে শুরু করে বইয়ের সাইজ কি, হাতে পয়সা কত আছে, কতটা ক্ষতি অ্যাফোর্ড করা যাবে, কীভাবে পয়সাটা তোলা যাবে, সবই দেখা হয়। ক্যালকুলেশনে ভুলও হয় বিস্তর। :-) আরও অনেক কিছুই দেখা হয়, যা, হয়তো বাদ গেল। তবে যেটা বোল্ড করা সম্ভব হলে বোল্ডে লিখতাম, সেটা হল, গুরুর একটা পরিচিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে লোকে এসে স্রেফ গুরুর বই বলেই তুলে নিয়ে যান, এই পরিচিতি (বা নাম বা ব্র্যান্ডভ্যালু বা বিশ্বাস) যাতে কোনোভাবেই হ্যাম্পারড না হয় সেটা দেখা হয়।

    ২।ব্যক্তিগতভাবে আমি নিশ্চয়ই একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করি বই নির্বাচনে। কিন্তু ওটা কালেক্টিভ এফর্টই। বহুরকম সাজেশন আসে, আলোচনা হয়। তবে ওভাবে নামধাম দেওয়া যাবেনা, কারণ কোনো কমিটি ইত্যাদি নাই।

    ৩। কোন কোন বই বেরিয়েছে, এবং কোনটা কেন বেরোয়নি, লেখা ধরে-ধরে আলোচনা করাটা অনুচিত হবে। এক নম্বরে মোটামুটি বিষয়টা বলেছি। সঙ্গে এখানে আরও একটা জিনিস যোগ করি, বই ( বা বুলবুলভাজার ক্ষেত্রেও) ছাপার সময় 'বাইরে' বা 'ভিতরে'র উপরে আলাদা জোর দেওয়া হয়না। সচেতনভাবেই। সবসময়ই আমরা ইনক্লুসিভ, সবাইকেই গুরুতে লিখতে উৎসাহ দেওয়া হয়, যেকোনো ফর্মে। কেউ লেখেন, কেউ লেখেননা, কিন্তু লেখেননা বলেই কম গুরুত্বপূর্ণ এমন তো না। এই জায়গায় পাড়ার সুভেনিরের সঙ্গে আমাদের একটা পার্থক্য আছে, এবং থাকবে। অতি অবশ্যই গুরুর সাইটে বা গ্রুপে যাঁরা লেখেন, তাঁদের বই ছাপতে চাই, নিশ্চয়ই চাই, কিন্তু তা বাদে বিপুলা এ পৃথিবীর লোকজনের বইও ছাপতে হবে বই কি।

    ৪। ফলে গপ্পো দাঁড়ালো এই, যে, সাজেশন যেকোনো রকম আসতে পারে, অসুবিধে নেই। কিন্তু অরণ্যদা যেটা চাইছে সেটা হুবহু ফলো করা মুশকিল। বই মানে তো শুধু ছেপে দেওয়া না, মার্কেটিং থেকে কনটেন্ট, সবই গুরুত্বপূর্ণ। 'অনন্য মহীন' এর একজন লেখকও গুরুতে কখনও লেখেননি। বা, মরিচঝাঁপিরও তাই। কিন্তু এঁদের গুরুত্ব নিশ্চয়ই খুবই বেশি। এটা কনটেন্টের গপ্পো। আবার ধরুন, একজন লেখক গুরু থেকে বই প্রকাশ করে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছেন, তাঁর আরও একটি ভালো বই বার করলে বিক্রি গ্যারান্টিড, তাঁকে কেন বাদ দেব বুঝিনি। তাঁর জানপ্রিয়তার ব্র্যান্ডটা আমরা বানিয়েছি, আমরা নিশ্চয়ই সেটা ব্যবহারও করব।

    কাজেই, এইসব মাথায় রেখেই লিস্টি হবে। যেভাবে এতদিন হয়েছে। লিস্টি সবার পছন্দ হবেনা, স্বাভাবিকভাবেই। যাঁদের পছন্দ হবেনা, তাঁরা যে ভুল বলছেন, তাও না হতে পারে। কিন্তু আপাতত প্রসিডিওর তো একটা ফলো করতে হবে। সেই কারণেই কোনো হার্ড অ্যান্ড ফাস্ট কমিটমেন্টও প্রত্যাশা করা হচ্ছেনা। লিস্টির মধ্যে থেকে যদি কিছু পছন্দ হয়, তখন, এক বা একাধিক মানুষ, যদি ইচ্ছে হয়, দত্তক নিতে পারেন। এই আর কি।
  • sosen | ১৬ মে ২০১৬ ০৯:২৮53203
  • মেইল লিস্টে রাখা হোক, মেইল করে দেবো। বই নির্বাচন নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, যদি কোনো বই পছন্দ হয়, আংশিক দত্তক নিতে ইচ্ছুক।
  • aranya | ১৬ মে ২০১৬ ০৯:৪৭53204
  • কনটেন্ট-এর ব্যাপারে একমত - অনন্য মহীন, মরিচঝাঁপি ইঃ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোন পার্টিকুলার টপিকের ওপর লেখা বার করতে চাইলে অবশ্যই গুরুর বাইরেই লেখক-দের রচনা থাকবে।
    'আবার ধরুন, একজন লেখক গুরু থেকে বই প্রকাশ করে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছেন, তাঁর আরও একটি ভালো বই বার করলে বিক্রি গ্যারান্টিড, তাঁকে কেন বাদ দেব বুঝিনি। তাঁর জানপ্রিয়তার ব্র্যান্ডটা আমরা বানিয়েছি, আমরা নিশ্চয়ই সেটা ব্যবহারও করব'
    - এটায় একমত নই। কার লেখা ভাল বিকোবে, তাই দেখে বই ছাপা সমর্থন করি না। নতুন লেখক-দের চটি দেখতে চাই। সামর্থ্য যেহেতু সীমিত, প্রতি বইমেলায় ৫-৬ টার বেশি চটি বের করা যাচ্ছে না, সেক্ষেত্রে আগে প্রকাশিত হয় নি, এমন লেখক্দের রচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত - তাহলে ব্যাপারটা আরও ফেয়ার ও হয়
  • একক | ১৬ মে ২০১৬ ০৯:৫৭53205
  • এই জায়গাটা বুঝছি না। "সামর্থ্য সীমিত " টা একটু ডিফাইন করা হোক অরণ্যদার প্রশ্নের প্রেক্ষিতে। যেখানে একটা লাইভ প্রডাকশন লাইন আছে (মানে ওই এস্ত্যাব্লিশ্দ লেখক ) সেখানে তো মিনিমাম রিস্ক। সেই এমাউন্ট টা ধরেই কি সামর্থ্য মাপা হচ্ছে ?
    সেখেন তো গুরু কর্তৃপক্ষ কনফিডেন্ট যে পয়সা উঠে আসবে। কাজেই ওটা লাইভ থাক।

    যদি সেটা বাদদিয়ে রিস্ক এনালিসিস হয় তাহলে বরং রিস্কি এরিয়াতে এডপশন মডেল টা বেশি কার্যকরী হবে। কারন দেখুন, যাঁরা এডপ্শন করবেন তাঁরা একবার লিস্টে চোখ বুলিয়ে নিজেদের ধারণা মত করবেন। ওনাদের ওই রিস্ক টা নিতে দিন। তাহলে এস্ত্যাব্লিব্দ লেখক দের পাশাপাশি নতুন লেখক দের লেখাও প্রকাশিত হবে। নইলে তো সবাই এস্ত্যাব্স্লিশ ব্র্যান্ড এই এডপ্ট করবেন।
  • ভালো উদ্যোগ | ১৭ মে ২০১৬ ০১:০২53207
  • সঙ্গে আছি। হোক আলোচনা।
  • pi | ১৭ মে ২০১৬ ০৩:১৪53210
  • কেউ কোনো কিছু করতে আগ্রহী হলে, দত্তক বা অন্য যা কিছু হোক, এখানে বলতে পারেন বা মেইল/ মেসেজ করতে পারেন।

    guruchandali জিমেইলেও।
  • sosen | ১৭ মে ২০১৬ ০৩:১৭53211
  • আমি এখানেই কয়ে দিলাম, পাই কি অ্যাডিয়ে নেবে? জিমেইল-এ নয়, ইয়াহুতে।
    আর ওমনাথকে এখানে পেয়েছি বলে, আউট অফ কনটেক্স্ট, ওমনাথ কি আমাকে ইয়াহুতে একটা টোকা দিতে পারে?
  • pi | ১৭ মে ২০১৬ ০৩:১৮53212
  • আচ্ছা।
  • পাঠক | ১৭ মে ২০১৬ ০৩:৫০53213
  • আমি মহীনের বইটার নেক্সট পার্ট ছাড়া আর কিছুতে সাহায্য করতে সম্ভবত পারব না। তবে ফিলজফি নিয়ে প্রচুর বাকবিতন্ডা বক্তিমে দিতে পারব।
    এখানে সেই বিতর্কটা আশা করছি।
  • ঈশান | ১৭ মে ২০১৬ ০৪:০১53214
  • ফিলসফি নিয়ে বাকবিতন্ডা হওয়া উচিত। কাম্যও।আমিও লিখব। কিন্তু এই টেকনিকাল ডিটেল (অর্থাৎ ওমুক নেটওয়ার্ক, তমুক গলি, ওমুক ছাপাখানা সস্তায় করে বা তমুক টেকনোলজি আরও বেশি ভালো) এই গুলো নিয়ে আলোচনা করবনা। ওমনাথও যদি এগুলো অন্যত্র বলে তো ভালো হয়।

    বাকি জিনিস নিয়ে পরে লিখব। আসলে নানা জিনিসে ফেঁসে আছি।
  • anirban | ১৭ মে ২০১৬ ০৪:৫০53215
  • আমি মেইল-গ্রুপে থাকতে আগ্রহী। পাই আমাকে অ্যাড করে নিস।
  • | ১৭ মে ২০১৬ ০৫:৩৩53216
  • ১) প্রথম কথা হল প্যারা ব্রেক না করলে মোবাইলে পড়তে খুব অসুবিধে হয়। এইটে একটু সব ব্লগের হেল্পে লিখে দিতে পারলে ভাল হয়।

    ২) আমি আংশিক বা পূর্ণ দত্তকের ব্যপারে আগ্রহী। কিন্তু মেলগ্রুপ মানেই তো শ'য়ে শ'য়ে লোক হাজারে হাজারে রিপ্লাই অল করা, মেলগ্রুপের কোনও বিকল্প আছে কী এই নির্দিষ্ট ব্যপারটায়?
  • Tim | ১৭ মে ২০১৬ ০৫:৩৮53217
  • আমার মতে এইখানে যে আলোচনাটা হচ্ছিলো সেটাই ঠিক ছিলো। মানে স্পেসিফিক বইয়ের দত্তকের আলোচনা মেইল গ্রুপে হোক, কিন্তু এই লেখার যা মূল বক্তব্য সেইসব নিয়ে আলোচনা এখানে হলেই ভালো হোত। মেইলগ্রুপে কোটি কোটি কথা পড়তে ভারি অসুবিধে হয়। সংস্থার নামধাম ইত্যাদি এখানে দেওয়ার দরকার তো নেই। এমনি পদ্ধতিগত সাধারণ গাইডলাইনগুলো নিয়ে কথাবার্তা।

    এই ফান্ড রেইজিং এর ব্যাপারটা কিভাবে হচ্ছে, মানে গুরুর বই কিভাবে ছাপা হয় তার ডিটেইল্স নিয়ে মনে হয় এই প্রথম আলোচনা হচ্ছে, এবং আমি এই ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। কথা হোক।
  • ranjan roy | ১৭ মে ২০১৬ ০৭:১৬53208
  • ফেয়ার এনাফ! হোক আলোচনা।
    মনে হয় এবার গুরু কোথাও একটা পৌঁছতে চাইছে। খুব ভালো।
  • ঈশান | ১৭ মে ২০১৬ ০৮:০৯53218
  • সাধারণ কথাবার্তায় অসুবিধে নেই। মেলগ্রুপের বদলে একটা প্রোটেক্টেড এরিয়া বানানো যায় কিনা সেটাও ভেবে দেখা যেতে পারে। তবে এট্টুস সময় চাই।
  • পাঠক | ১৭ মে ২০১৬ ১০:৫৩53209
  • "পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।"
    ----------------------

    "বিশদ"এর রাজনৈতিক দিকটায় উৎসাহী।
    এই আলোচোনায় অনেকবার দাম বাড়াবার কথা শুনেছি। ফেসবুকে ও মেলগ্রুপে।
    আমি বরং উল্টে কিভাবে দাম আরো কমানো যায় ভাবতে চাইব। রীচেবিলিটি বাড়াতে চাইব। রীডারবেস বাড়াতে চাইব। একটা বইয়ের ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে সেটার পরের এডিশনগুলো এনশিওর করলেই যথেষ্ট ভাববো। চাঁদা, ডোনেশনের সাথে অ্যাড যোগাড়ের কথা ভাববো। ইভেন্ট অর্গানাইজ করে উদ্বৃত্ত অর্থে ফান্ড বানাবো। বই ও পত্রিকা রিলিজের ইভেন্ট করে সেদিনই অনেক কপি বিক্রি এনশিওর করব। প্রবাসীদের অনেক বেশি দামে বেচব বা নমিনাল দামে ইবুক বেচার প্লাটফর্ম তৈরির জন্যে তাদের থেকে চাঁদা তুলব। টাকা তোলার ব্যবসা করলে নিজের বই নিয়ে না করে, নিজের বই ডিসকাউন্টে দিয়ে, অন্যদের আর্ট ওয়ার্ক নিয়ে ক্রাফটস নিয়ে অনলাইন বেশি মার্জিনে সেল করে লাভ করব। রাজ্যব্যপী দেশব্যপী বই বিক্রির নেটওয়ার্ক এর কথা ভাবব যা তৈরি হবে অন্যদের প্রডাক্ট-এর, নো-ইনভেস্টমেন্ট, অন কাস্টমার-ডিমান্ড, বিক্রির মাধ্যমে। ছায়া প্রকাশনীর মতো অলরেডি এগ্জিস্টিং নেটওয়ার্ক ও ইউজ করার কথা ভাবতে পারি।

    ছায়া প্রকাশনীর বিশাল বই বিক্রির নেটওয়ার্ক। রাজ্যব্যপী। টেকস্ট এবং মানে বই। কলেজ স্ট্রীট বাটার উপরে ওদের সেলস কাউন্টার। সেখান থেকে ওদের মালিক সুমিত দার কনট্যাক্ট বা সল্টলেকে ওদের মূল অফিসের ঠিকানা নিয়ে যোগাযোগ করা যেতে পারে। তবে ওদের অ্যাপ্রোচ মূলত স্কুল ও স্কুলের লাইব্রেরী ভিত্তিক। সেখানে গুরুর বই প্লেস করা যাবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া ওরা কোন কোন বই সেল করবে তা ওদের মালিকের সোল ডিসক্রিশন। বছর চারেক আগে ওরা এক বছরের জন্য কয়েক লাখ টাকায় বাংলা অমর চিত্র কথা আর বাংলায় সঞ্জীব কাপুরের রান্নার বই নিয়েছিল। এখনও বোধয় বাংলা ছোটা ভীম বিক্রি করে। তবে একইরকম নেটওয়ার্কের অন্য সংস্থার কথা ভাবা যায়।

    এছাড়া ডিস্ট্রিক্ট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন হয় ডেকার্স লেনে। ধর্মতলায় কে সি দাসের পাশের গলি দিয়ে রাজভবনের দিকে এগোলে খাবারের দোকানগুলোর পরেই ম্যাগাজিনের দোকানগুলোর শুরু। সেখানে জিগেস করে নিতে হবে রবি সাহা কে আছেন। ওরা একটা পার্সেন্টেজ নিয়ে বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে বই ডিস্ট্রিবিউশনের কাজ করেন। পিওর ব্যবসা।

    বই তৈরি করা, বই বিক্রি করা পাঠকের কাছে পৌঁছনো, বেশি লোককে নিজের পছন্দের জিনিস পড়ানো - এর সাথে ব্যবসা, লাভ এই নিয়ে অল্টার্নেট মার্কেটিং এর কথা ভাবা দরকার বলে মনে হয়। চলতি মার্কেটিং যদি বলে বইয়ের দাম বাড়ানো দরকার, আমি ভাববো কিভাবে আরো দাম কমিয়ে দেওয়া যায়। দরকারে নিউজপ্রিন্টে ছাপবো। রি-ইউজড কাগজে ছাপবো, যাতে কোনো গাছ কাটা পড়ে না বই ছাপাতে। বিভা প্রকাশণীর বইতে এই ডিসক্লেমার থাকে। প্রকাশকের বিক্রয় মূল্য আর পাঠকের ক্রয়মূল্যের মাঝখানে ডেল্টাটা কমিয়ে বা মুছে দেওয়ার কথা ও ভাবতে চাইবো। যেটা যায় এই ডিস্ট্রিনিউটার, দোকানদারদের হাতে। দোকানদারকে ৩০% দিলে পাঠককে সরাসরি বেচা সম্ভব হলে তাকেও ৩০% দেবার কথা ভাববো।

    এ নিয়ে প্রচুর লেখার ও ভাবার আছে, আগে মামু "বিশদ" লেখাটা টা লিখুক।
  • pi | ১৭ মে ২০১৬ ১২:৪৯53206
  • অরণ্যদা, শুধু কোন লেখা চলবে বা বিক্রি গ্যারান্টেড বলে বের করা হচ্ছে, এমন না। অনেক বইই এমন বের করা হয়, যেখানে লেখক মোটেই পরিচিত নন, অনেক লেখকেরই প্রথম বই বেরিয়েছে। গুরুর সাইটে পরিচিত, অন্যত্র একেবারে অপরিচিত, এরকম অনেকের লেখাই বই হয়েছে। কোন লেখা আরো চলুক,ছড়াক এই মনে হওয়া থেকেও অবশ্যই বই হয়।
    তবে মূল কথা কিছুটা এইটা, গুরু বাছাই বই করে। গুরুর বই নিয়ে লোকে বলে চোখ বন্ধ করে করে ভরসা করা যায়। সেই ব্যাপারটা যেন থাকে। বইমেলায় বহু পাঠক আসেন, গুরুর নতুন যা বই বেরিয়েছে, জাস্ট একসাথে সব গুছিয়ে দিয়ে দিতে বলেন, এমনও হয়েছে নিজেরা আলাদা ক'রে বেছেবুছে দেখলেনই না। বা, কোন পাঠক এসে প্রথম দিন বেছেবুছে দু তিনটে বই নিয়ে গিয়ে পড়ে পরে একদিন এসে বলেছেন সব বই দিয়ে দিন বা অন্য কাউকে দিয়ে পাঠিয়ে প্রায় সব না-নেওয়া বই নিয়ে গেছেন। একেবারে নতুন পাঠকও অন্যদের থেকে শুনে প্রথমবার এসে প্রায় সব বই নিয়ে গেছেন, পত্রিকাও প্রতিটি। ( এটা করতে গিয়ে অনেকে আবার গুরুর স্টলে অন্যদের অনুরোধে রাখা অন্য পাব্লিকেশনের বইও নিয়ে গেছেন ঃ))
    তো, এটা গুরুর কাছে শুধু তৃপ্তি, ভালোলাগার জায়গাই নয়, খুব গুরুত্বপূর্ণও। কারণ এই জন্যেই একেবারে আনকোরা নতুন লেখকের বইও, বা অফবিট টপিকের বই, অন্যরকমের লেখাপত্তর, সংকলন এগুলোও লোকের কাছে পৌঁছায়।
    নির্বাচনের সময় তাই এই ব্যাপারটা দেখার চেষ্টা করা হয়। ভুলভ্রান্তি ( বা বলা ভাল, ঠিকঠাক ডিসিশন হল না) এমন হতে পারেনা, এমনও বলছি না। এবার এতে ক'রে অনে টাইটেল, যা করলে ভাল হত মনে হয়, তা কি করে ওঠা যায়? না। সেটাই সৈকতদা লিখেছে যে আরো কিছু টাইটেল অবশ্যই করতে চাই, সেজন্যেই এত কথা। এর পরেও সব বই যা করলে ভাল হত, ক'রে ফেলা যাবে, এমনটাও হয়তো দুরশাই হয়ে যাবে।
    আর এই বাছাই বই, আর কিছু লেখা আরো পৌঁছে দেবার কথা মাথায় থাকা থেকেই এক লেখকের একাধিক বই হয়েছে। যে পাঠককুল তৈরি হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কারুর লেখা আরো পড়ার ইচ্ছা থাকলে সেটা তো বই করার ভাবনাচিন্তায় আসেই। ব্যাপারটা তো শুধু একজন লেখক, একটি বই বলে না। একই জনের নানা লেখার নানা আলাদা গুরুত্ব আছে বলে মনে হয়, এমনও আছে।

    বাকি কথা, হিসেব টিসেব মেইলগ্রুপে লিখছি।
  • T | ১৮ মে ২০১৬ ০৩:৪৭53219
  • এইখানে কথা হলেই ভালো হয় মনে হয়। মেল গ্রুপে অসুবিধে অনেক।
  • | ১৯ মে ২০১৬ ০৪:২৮53220
  • ঐ আংশিক ও পূর্ণ দত্তক সংক্রান্ত তথ্য মেলগ্রুপ ছাড়া অন্য কোনওভাবে জানাতে পারলে ভাল হয়। আমি ওটায় আগ্রহী।

    আর একটা প্রশ্ন হল ধরা যাক তোমরা দুটো বই মনোনীত করলে ক-বাবুর লেখা কলকাকলী সমগ্র আর খ-বিবির লেখা 'একটি খবিশ খরবুজার খিটকেল বৃত্তান্ত'। এবার কলকাকলী সমগ্রর জন্য হয়ত দরকার ৪০ হাজার আর খবিশ খরবুজার জন্য ৫০০০। আমার ধর দুটোরই কনটেন্ট সম্বন্ধে ধারণা পেয়ে আগ্রহ জন্মাল। সেক্ষেত্রে আমি মানে স্পনসরার যদি চাই/চায় যে খবিশ খরবুজার খিটকেল বৃত্তান্তটা বেশ ভাল কাগজে ভাল বাঁধাইয়ে ছাপা হোক সেইটে কি গুরুচন্ডা৯ করবে? এখানে ধরে নিচ্ছি ঐ শোভন সংস্করণের ছাপার খরচ ৪০ বা তার থেকে সামান্য বেশী।
  • potke | ২০ মে ২০১৬ ০৬:১২53221
  • ফান্ড রেইসিং এর কথা হচ্ছে যখন, ধরে নিচ্ছি গুরুর পাবলিকেশন মডেলে অথর কে চার্জ করা হয় না! গুড, ভুল শুনেছিলাম তাহলে।
  • d | ২০ মে ২০১৬ ০৬:৩৫53222
  • হুঁ আমিও শুনেছিলাম জনৈক লেখকের কাছ থেকেই। সম্ভবতঃ মডেলটা বদলেছে। এটা ভাল।
  • de | ২০ মে ২০১৬ ০৬:৫১53223
  • ফলো করব এখানেই - দত্তক বা অন্য কিছু সংক্রান্ত ব্যাপারে আছি -
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন