ককরোচ জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল আমাদের সামনে এসেছে। তাদের ফলোয়ার হু হু করে বাড়ছে। এতটাই বাড়ছে যে, বিজেপির ফলোয়ারদের টপকে বহুদূর চলে গেছে। ফলোয়ার বাড়ছে মানে সমর্থক বাড়ছে। শুধু সোস্যাল মিডিয়ায় নয়, রাজপথেও নেমে পড়েছে ককরোচের সমর্থকরা। এখন কেন ককরোচের সমর্থকদের সংখ্যা ঝড়ের গতিতে বাড়ছে। এর পিছনের বড়ো কারণ বিকল্প রাজনীতি। বর্তমানে ভারতে যতগুলি আছে, তারা সবাই পরীক্ষিত। তারা কেউই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই দেওয়ার মতো লোকবল মনোবল বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলগুলোর নেই। মূলত বিজেপি বিরোধিতা থেকেই ককরোচ জনতা পার্টির জন্ম। হতে পারে কোনো বিদেশি শক্তি এই সঙ্গে আছে। থাকতেই হবে। না থাকলে এই ... ...
ককরোচ জনতা পার্টির উত্থান সামাজিক প্ল্যাটফর্মেই। বেশ কয়েকদিন ধরেই সামাজিক প্ল্যাটফর্মে AI ব্যবহার করে প্রচার চালাচ্ছিল। এখনও। এই প্রচারে সবচেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছে বিজেপি। বিজেপির যত ছোটো বড়ো মেজো চুনো নেতা সহ আইটি সেলের চ্যাঙড়ারা ককরোচ জনতা পার্টির বিরোধিতা করে চলেছে। এমনকি কীভাবে তাঁরা ককরোচকে ভ্যানিশ করে দেবে তার ফন্দিও এঁটে ফেলেছে। রেমিডি হিসাবে কেউ বলছে "লাল হিট", কেউ বলছে "কালো হিট" স্প্রে করবে। অন্যদিকে অবিজেপি যারা, তারা বলছে ককরোচ বিজেপির B টিম। কংগ্রেসের "উত্থান"-কে থিতিয়ে দেওয়ার জন্যেই নাকি ককরোচকে আবিষ্কার করা হয়েছে। এইসব যখন চলছিল, তখন ককরোচের প্রধান আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা করল, ৬ জুন দিল্লির যন্তরমন্তরে জমায়েত হবে। ... ...
রাজ্যের বিজেপি সরকার ১৫, ১৬, ১৭ জুন তৃণমূল সরকারের "দুয়ারে সরকার"কে নকল করে "জনকল্যাণ শিবির"-এর আয়োজন করেছে। পুরো ল্যাজেগোবরে অবস্থা। গোটা বিধানসভা এলাকায় মাত্র তিন থেকে চারটে শিবির। তাই নিদারুণ অব্যবস্থা। তৃণমূল সরকার প্রতিটা শিবির করত প্রতিটা ওয়ার্ডে। তাতে মানুষের অনেক সুবিধা হত। ভীড়টা তুলনামূলক ভাবে কম হত। দুই হল, শিবিরের সামনে বিরাট তোরণ। তোরণে লেখা আছে এই শিবিরে কী কী কাজ হবে। গিয়ে শুনলাম শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে কাজ হচ্ছে। বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, মানবিক ভাতা, যুবশক্তি ইত্যাদি কোনো ভাতারই কাজ হচ্ছে না। কবে হবে কেউ জানে না। লক্ষ লক্ষ মানুষকে এই তীব্র গরম আর কড়া রোদের মধ্যে গিয়ে ফিরে ... ...