নমস্কার সবিনয় আবারো আপনাদের সকলের কাছে একটি আপতকালীন আর্জি! আমরা অর্থাৎ 'বিসর্গ' বিগত ২০০৭ সাল থেকে চোদ্দো বছর ধরে কেবলমাত্র নাটক করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করি।এবং নাটকের পর মাধুকরী করে থাকি।তা থেকে যা উপার্জন হয় সেটাই আমাদের একমাত্র উপার্জন।এমতাবস্থায় আমাদের সকল প্রয়াস স্থগিত করা হয়েছে দেশের সুস্থতা কামনায়।সঙ্গে বন্ধ হয়েছে দিন আনি এর কর্মসম্পাদন।ভাড়ার শূণ্য!অগত্যা হাত পাতচ্ছি আপনাদের কাছে;আপনাদের আন্তরিক প্রশ্রয় বেঁচে থাকার রসদ সংগ্রহ করার জন্য আপনারা যদি আমাদের সহযোগিতা করেন এই আশায় একটি খোলা চিঠি। আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন ঘরে বসেই,আপনার নির্ধারিত অর্থ সহযোগিতা পাঠাতে পারেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এ! ACCT HOLDER- BARRACKPORE BISARGOPanjab National BankAccount - 0677010708579BRANCH- SBDO DUM DUM (PNB)IFSC- PUNB0067720 গুগল ... ...
নমস্কার
এটা কতটা পরীক্ষিত? 6 ঘন্টাই করোনা আসবে না কেন? প্রতি স্প্রেতে ছ’ঘণ্টা দূরে থাকবে করোনা, অভিনব আয়ুর্বেদিক মাউথ স্যানিটাইজার আনল হিন্দুস্তান অ্যান্টিবায়োটিকস লিমিটেড বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: হলুদ, অ্যালোভেরা, গ্রিন টি’র নির্যাস সহ বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ওষধি দিয়ে তৈরি মাউথ স্যানিটাইজার আনল দেশের নামকরা কেন্দ্রীয় সরকারি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যান্টিবায়োটিকস লিমিটেড (হ্যাল)। সংস্থার দাবি, এই স্যানিটাইজার মুখের ভিতর স্প্রে করতে হবে। প্রত্যেকবার চার থেকে পাঁচটি স্প্রে করলেই অন্তত ছ’ঘণ্টা করোনাও থাকবে দূরে! এভাবে ছ’ঘণ্টা অন্তর পুরোটা পড়ুন ... ...
ওষ্ঠে তোমার আগ্নেয়গিরির লাভা / আমার পিপাসু সাধে আগুন জ্বালায়
আজ এক সপ্তাহ হল বাড়িতে, বিশেষ কোন কাজ নেই। বেশিরভাগ সময় কাটে গল্পের বই পড়ে আর মোবাইল ঘেটে।তাই হরদম ই মায়ের বকা শুনতে হয় যে আমি নাকি দিন দিন অলস হয়ে পরছি আর মোটা হয়ে যাচ্ছি। প্রথম কিছু দিন খুব একটা রিয়াক্ট করিনি, কিন্তু আজ নিজের বৈপ্লবিক রূপ ধারন করলাম, চিৎকার করে নিজের অভিমান জানালাম। কিছুক্ষণ পর আমার হাতে একটা ঝাড়ু ধরিয়ে দিয়ে বললো "আজ আমি ছুটি নিলাম তুই কর দেখি"। নিজেকে প্রমাণ করতে গিয়ে অগত্যা তুলতে হল ঝাড়ু। ঠিক মনে হল স্বচ্ছ ভারতের পুরো দায়টা পরল আমার ঘাড়ে। লেগে পরলাম ঝাড়ু নিয়ে, পুরো ভারত পরিস্কার করতে। একবার এদিক ... ...
১বাঙালি ভ্রমনপাগল জাতি, চিরায়ত প্রবাদ। সেই আদিকাল থেকে তারা পাড়ি দিয়েছে নানা দেশে বিদেশে ভ্রমনের নেশায়। দেশে বিদেশে তো দিয়েছেনই তাছাড়া ও পাড়ি দিয়েছে বঙ্গভূমির নানা জানা ও অজানা প্রান্তে।সময়টা ১৮৭১ সাল। হুগলির বিজয়নারায়ণ কুন্ডু নামক এক মহাশয় প্রথম পাড়ি দিয়েছিল অবিভক্ত বাঙ্গলার পশ্চিমপ্রান্তে, বনে জঙ্গলে ঢাকা পাথুরে মালভূমি অঞ্চল সাঁওতাল পরগণায়। মধুপুর-গিরিডি শাখার রেল লাইন পাতার ঠিকাদারির কাজ নিয়ে। তখন সেখানে মানুষ বলতে ছিল আদিবাসী কোল,ভিল, সাঁওতাল।শিকার ছিল তাদের প্রধান জীবিকা।বন থেকে পেত ফল, মধূ।পরে সেখানেই থেকে যান তিনি। সেই থেকে শুরু হয় বাঙালির সাঁওতাল পরগনায় আসা।তারপর একেরপর এক বাঙালির চরনধুলো পরল সেই ভূমিতে, গড়ে উঠল একটি ... ...
বেচারা ঈশ্বর! সর্বশক্তিমান অথচ একা, একাকিত্বের উত্তম ও একমাত্র উদাহরণ। ঘর নেই, বাড়ি নেই, আত্মীয় নেই, পরিজন নেই- আছে কেবল দায়িত্ব, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের দায়িত্ব। জীব-অনুজীব-জড় পদার্থের হিসেব-নিকেশ; পাপ-পুণ্যের। নেই কোন বিশ্রাম। ঐশী ক্ষমতার বলে নিজের শ্রান্তিকে দূরীভূত করার এক অনন্য গুণ আছে বলেই তিনি ঈশ্বর, আর ঠিক তাই তিনি সদা জাগরুক বিশ্রামহীন ক্লান্ত পথিক। যার কোন গন্তব্য নেই, নেই কোন শুরু। কেমন অদ্ভুত ব্যাপার! বৃত্তাকারে বৃত্তবন্দি! সর্বত্র তার জয়জয়কার অথচ নিজের সৃষ্ট স্বর্গ-নরকের সুখ কিংবা যন্ত্রণা ভোগ করার নেই কোনো অধিকার। এ যেন বিশাল অট্টালিকার নির্মাণ শ্রমিক; নিজের সৃষ্ট কর্মের সৌন্দর্য ভোগ করার অধিকার রয়েছে, ফল ভোগের নয়! হায় ঈশ্বর যদিও গীতায় তিনি ... ...
ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুদিনে ..."জানা হবে না নিজের মৃত্যুদিন" : স্মরণে ঋতুপর্ণ ঘোষ -- লিখেছেন শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরীতাঁর চলে যাওয়ার দিনে, আজ, মনে আছে শহরে বৃষ্টি হয়েছিল খুব। মনে আছে, যে গাড়িতে শায়িত ছিলেন তিনি, জলের ধারা গড়িয়ে পড়ছিল তার কাঁচ বেয়ে। যেমনটা নিজেই লিখেছিলেন, নিজের মৃত্যুদিন জেনে যেতে পারেন নি তিনি; পারে না কেউই। কারণ, মৃত্যু তো আসলে তাঁদের যারা রয়ে গেল সেই খবর শোনার জন্য। পুরোটা পড়ুন ... ...
রেড ভলান্টিয়ার্স আজ তিলোত্তমার অঙ্গে অঙ্গে রোগের ভ্রুকুটি। যেন সে এক নগ্ন রোগজর্জর শরীর নিয়ে হতাশ হয়ে বসে আছে। শুধু তিলোত্তমার নয় সহচরীদেরও একই দুরবস্থা। কিছুদিন তারা নিজেদের সামলে রাখতে পেরেছিল নায়িকার সাথে আড়ি আড়ি খেলার জন্য নিজেদের মধ্যে কেউ একটু ছিমছাম হয়ে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু কি বলব. খেলা তো হরেক রকম। কত নতুন খেলার যে জন্ম হয় এ জগতে।যেমন ভোট ভোট খেলা। ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রিয় খেলা। সেই খেলাতে কেউ দূরে বসে থাকতে পারেনা রীতিমত গা ঘেঁষাঘেঁষি ঘসাঘসি সবই করতে হবে। যারা যত ঘেঁষাঘেঁষি হবে তত লাভ তাদের, অন্তত সেটাই সবাই ভেবে নেয়। সেই খেলাটা খেলতে ... ...
উদায়ন পণ্ডিত যতই পাঠশালা চালু রাখতে চান না কেন, হীরক রাজা মনে করেন, "লেখাপড়া করে যে, অনাহারে মরে সে"। করোনা আবহে বঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থাও এখন সেই পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্কুল-কলেজ খোলা না থাকুক, বিকল্প পথে পড়াশুনা চালু রাখা যেতেই পারত। কিন্তু সরকারের অনীহা বাধ সেধেছে তাতে। প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুলের মাধ্য়মিক বা উচ্চ মাধ্য়মিক পরীক্ষার্থীটি কোন ভরসায় পরীক্ষা দেবে, ভাবলে শিহরিত হতে হয়। গত বছর লকডাউন হওয়ার পর টানা স্কুল বন্ধ। গরমের ছুটি, পুজোর ছুটি মিলেমিশে একাকার। এখন শুধুই ছুটি। শহরের কিছু স্কুলে চক্ষু লজ্জার খাতিরে অনলাইন ক্লাস করিয়েছেন শিক্ষকরা। তবে, তাঁরা মেনে নিয়েছেন, ক্লাসের মোট ছাত্র-ছাত্রীর মাত্র ২০ শতাংশকে শিক্ষাদান করা সম্ভব ... ...
চর্যাপদের মহাসুখতত্ত্ব -- লিখেছেন Lipikaa Ghoshপ্রাচীন কাল থেকেই তন্ত্রসাধনায় কল্পিত হয়েছে মানব শরীরের দুটো নাড়ী। শরীরের বামদিকে যে নাড়ী থাকে তাকে বলে ‘ইড়া’,আর ডানদিকে যে নাড়ী থাকে তাকে বলে ‘পিঙ্গলা’। বৌদ্ধ সাধনায় এই দুটি যথাক্রমে শুন্যতা ও করুনার প্রতীক। পুরোটা পড়ুন
গুরুচণ্ডা৯-র পালবংশের এই হরিদাসের পাতা (শুদ্ধ বাংলায় ব্লগ যাকে বলে) আজ ল্যান্ড করছে সন্ধে নাগাদ। আজ থেকে প্রতি রোববার সে পাতায় ঝুড়ি সাজানো থাকবে, হরেকরকম স্বাদ-গন্ধ নিয়ে। কী কী পাবেন ঝুড়িতে? বই-সিনেমা-নাটকের কথা (ট্যান যাবে না, গ্যারান্টিড্)বেড়াতে যাওয়ার গপ্পো (সবসময় কিন্তু দূরপাল্লার চাপাতে পারবো না; কলকাতার রাস্তাঘাটে বেড়ানোর গুস্তাখিও নিজগুণে মাফ করে দেবেন)অনুবাদ (মূলের ভাব অণু পরিমাণ বাদ গেলেও, যা থাকবে তা নেহাৎ মন্দ নয়, প্রমিস!)নির্ভেজাল স্মৃতিলেখা (প্রয়োজনমতো একটু এলোমেলোড্রামা মেশানো থাকবে। দুপুর আড়াইটে থেকে পাঁচটার মধ্যে পড়া সবচেয়ে উপাদেয়; মনকেমন দীর্ঘায়ু হয়!)হাহা-হিহি-হুম (মোটকথা, রম্যরচনা। এটা অনেকটা গুরু-র বিবিধ সেগমেন্টের মতো। বাঙালির সঙ্গে বাথটাবের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা থাকতে পারে, উৎপল দত্তের মতো 'দাঁতক্যালানে বাঞ্ছারাম' মর্মে স্যাটায়ারও থাকতে ... ...
একান্ন কোটি গনদেবতার টীকা প্রদান / মুদ্রাদোষে অস্ত না যায় দেবীর বিধান / সময় বুঝে সাগর ফাঁপে গ্ৰহের টানে /, যতই কাঁদো মরবে সেই যে দিন আনে