জবানবন্দী: নিষিদ্ধ বলছিশরীরের তাগিদে একদিন নটীবাড়ি গিয়েছিলাম।গিয়ে দেখি ছটফট করছে রঙমাখা সব মাদী কুকুরের দল।কে যেন কাকে চিৎকার করে বলছে, 'এইদিকে আইসো নাগরটেকা নিমু কম, সুখ দিমু এক্কেরে সানি লিওন।' ওদিকে আরোকে-একজন যেন ক্যানভেসারের মতন হাঁক দিচ্ছে,'৫০-৫০ খালি ৫০'। আমি তখন স্বর্গের পথ ধরে মাথা নিচু হোঁচটের ভয়ে। মনে হচ্ছিল কেউযদি দেখে ফেলে কেউ যদি জেনে যায় আমিও স্বর্গের পথ ধরে? ব্যবচ্ছিন্ন জীবনের তাগিদে একে একে ওরা কপাট বন্ধ করছিলশুয়োরের ধোন চুষে চুষে নেতিয়ে পড়ছিল আর ওদের তেজী পেটথেকে চিৎকার আসছিল, "ভাত দে হারামজাদা "। বিকেলের রোদেএ-মাথা হতে ও-মাথা বার দুয়েক চক্কর মেরে আমি ফিরে এসেছিলাম।আর কোনোদিন যাওয়া হয়নি সেই স্বর্গের পথে ... ...
গোধূলি গগনের মেঘ যখন তারাদের ঢাকিয়াছিল, তখন সেই একরঙা, নিবিড় মেঘখন্ডখানির নিচে তিনি বোটখানি তীরে বাঁধিয়া,আলো নিভাইয়া দিয়া সম্মুখে জনপদখানির চলমান রূপটি উপভোগ করিতে থাকিলেন। পথে কর্মময় নারী পুরুষ, মন্দিরের আরতিধ্বনি, একে একে দীপ জ্বলিয়া উঠিতেছে বাড়িগুলিতে --- আহা, সাধারণের,চলমানের কি অসাধারণ চিরায়ত রূপখানি!এই পুলক বুঝি অনন্তের সাথে হঠাৎ ই দেখা হওয়ার। তিনি তাঁর পত্রে লিখিলেন:কত লোক, কত ইচ্ছা, কত কাজ, কত শত গৃহ,গৃহের মধ্যে সেই জীবন রহস্য,সংঘাত --- জীবনের এই বৃহৎ প্রবাহ কোথাকার কোন পথ দিয়ে যে হৃদয়ের মধ্যে পথ পায় --- শুধু যেন ধ্বনি আমরা শুনিতে ... ...
(প্রথম পর্ব: ন্যাংটা ভূতের আক্ষেপ)১.আরে বাবা! এ কী কাণ্ড! আমি যেন জ্যান্ত আছি, না মরেছি তা-ও বুঝি না! কতকাল ধরে এ ভাবনাই ভুগছি। ১৬০০ সাল নাগাদ মরেছি বৈকি! কিন্তু মরণটা যে কেমন! এক বাবুর্চি রাঁধুনির সাথে ন্যাংটা পোজ দিতে গিয়ে, সেই রাঁধুনি হাঁড়ি থেকে এক কষ্কে তেল আমার গায়ে ঢেলে দিল! বলল, "উহু! মাছের কাটা ফুটেছে নাকি গায়ে? তেল মালিশ করলে সেরে যাবে!" আমি তো তেলে ভিজে পা পিছলিয়ে, মাথা খুঁড়ে মরলাম! লজ্জায় আটখানা! মরার সময়েও ন্যাংটা অবস্থায় ... ...
রাত দেড়টা বাজল। নপরাজিত আর মনসিজের সঙ্গে শিমিকা আর আলিয়া এখনও সিজলার বার থেকে বেরোয়নি। শিমিকা মনসিজের পিঠে একটা চাপড় মেরে বলল, ' চল ইয়ার .... থাইল্যান্ড থেকে ঘুরে আসি .... ' সঙ্গে সঙ্গে আলিয়া নেচে উঠল, ' ইয়েস ... ইয়েস ... ফ্যান্টাস্টিক ... নো পয়েন্ট অফ ওয়েস্টিং টাইম .... ওখানে আমাদের একটা রিসর্ট আছে .... সো লেটস ফিক্স ...নেক্সট স্যাটারডে ... ' সকলেরই কয়েক রাউন্ড করে চড়ানো হয়ে ... ...
বাবুদের সেকাল-একাল "যিনি উৎসবার্থ দুর্গাপূজা করিবেন, গৃহিনীর অনুরোধে লক্ষ্মীপূজা করিবেন, উপগৃহিনীর কথায় সরস্বতী পূজা করিবেন এবং পাটার লোভে গঙ্গাপূজা করিবেন, তিনিই বাবু। " বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (রম্যরচনা - বাবু) ঠিক তেমনি নিখিল সুর মশায় তাঁর "সেকালের বাঙালির সাতকাহন" বইতে লিখেছেন... "মানিয়া বুলবুল আখড়াই গান খোষ পোষাকী যশমী দান আড়ি ঘুড়ি কানন ভোজন এই নবধা বাবুর লক্ষণ।" যদিও এই ছড়া তাঁর নিজের রচিত না কি সেকালে কোলকাতার সামাজিক বাতাসে ভেসে বেড়ানো এরকম বহু ছড়ার মধ্যে একটা সেটা আমার ঠিক ... ...
BOOK PRELOOTHeads-up for the brave reader stepping into this haze.This book is not a neat story. It is not a smooth tale. It is a shattered mirror. Its pieces are scattered from the concrete jungles of the city to the muddy village roads. All characters here—they are not "heroes." They are prey. Prey to digital surveillance, consumerist culture, vanishing identity, and a brutal silence buried deep within themselves."Shadows & Visages" is more than a novel. It is an archive. There is no plot here, only voices—an archive of voices. Fragmented, trapped in continuous present tense, raw with the heat of ... ...
...স্পর্শ করা হচ্ছে, কিন্তু স্পর্শকর্তা অনুপস্থিত। হাতের তালু রগড়ে যাচ্ছে ধনুকের কাঠের গায়ে উৎকীর্ণ অদৃশ্য লিপি, যা পড়া যায় না, শুধু অনুভব করা যায় আঙুলের ডগায় সূক্ষ্ম কম্পন হিসেবে। কাঠ গরম, জীবন্ত, প্রাণ আছে তার ভিতরে, প্রাণ যে পালিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি স্পর্শে, রেখে যাচ্ছে কাঠফলকের শূন্যতা। স্পর্শ করা হচ্ছিল, স্পর্শ করা হচ্ছে, স্পর্শ করা হবে—এই ত্রিকাল বিন্দুতে মিশে আছে এক অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা, কিছু ধরার, কিছু বোঝার, কিছু আটকানোর।...মাটি স্পর্শ করে পা, কিন্তু পা বলে কিছু নেই, আছে স্পর্শের একটি বিন্দু যা স্থান-কালের গায়ে একটি দাগ কাটে, একটি ক্ষত সৃষ্টি করে, যে ক্ষত থেকে জন্মায় গাছ, জন্মায় নদী, জন্মায় নতুন পথ। ... ...
বইয়ের কপি হাতে পাওয়ার পর প্রথম কয়েক দিন। কোনো সাড়া না পাওয়া। নিঃশব্দতা। মনে হচ্ছিল, সব আওয়াজ তলিয়ে গেছে ডিজিটাল সাগরের অতলে। রাইসের ফোনে কেবল একবার রিং আসে। অচেনা নম্বর। তিনি কথা বলেননি। শুনেছেন। নিঃশব্দে রেখে দিয়েছেন।তারপর, হঠাৎ এক সন্ধ্যায়, মিলার বান্ধবীর ফ্ল্যাটের দরজায় কড়া নাড়া। হৃদয় দ্রুত স্পন্দন। জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়া। নিচে রাস্তায় একটি মোটরসাইকেল। দুজন যুবক। হেলমেট পরে। মুখ দেখা যায় না। তারা দরজার সামনে কোনো লিফলেট বা বিজ্ঞাপন রেখে যায় না। শুধু দাঁড়িয়ে থাকে। পাঁচ মিনিট। দশ মিনিট। তারপর চলে যায়।মিলার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া। সে বলে, "ওরা শুধু জানাতে এসেছে... যে ওরা জানে আমরা এখানে ... ...
১ কথাটা কানে যেতেই, বিরক্তিতে কুশলের মুখটা বিকৃত হয়ে গেল। ঝাঁজালো স্বরে বলে উঠল – তোমার এই বাড়াবাড়িগুলো আমার অসহ্য লাগে, মা ! কী বলছিস তুই ! – মায়ের গলায় ব্যথা মেশানো বিস্ময়। ঠিকই বলছি – দাড়ি কামাতে কামাতে, আয়নার ভেতর দিয়ে মায়ের দিকে চেয়ে কঠিন স্বরে বলল কুশল – এই সব ধান্ধাবাজ গরিব লোকগুলোকে আমি একদম টলারেট করতে পারি না ! তোমাকে ভালোমানুষ পেয়ে ভজিয়ে ভাজিয়ে ক্যাটারাক্ট অপারেশনের জন্য একগাদা টাকা নিয়েছে। কাঙ্গাল টাইপের লোক এরা। অন্যের থেকে কী করে টাকা আর সুবিধে বাগিয়ে নেওয়া যায়, শুধু সেই ফিকিরে থাকে, আর ভালোমন্দ খাওয়ার সুযোগ পেলেই এদের জিভ লকলক করে ... ...
চলছে কলকাতা বইমেলা। কলকাতার টিনএজার জেনারেশনের ভিতরে কত শতাংশ বইমেলামুখি? বইমেলামুখি টিনএজারদের কত শতাংশ বাংলা বইয়ের পাঠক? এই তথ্যগুলি আমাদের হাতে আছে কি? হাতে থাকা কিন্তু খুব জরুরী ছিল। কেননা আজকের এই টিনএজার জেনারেশনের হাতেই বাংলা বইয়ের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। আচ্ছা কলকাতার কথাই বা কেন? কলকাতাই তো আরা গোটা বাংলা নয়। কলকাতার বাইরে যে বিস্তৃত বাংলা। সেই বাংলার চিত্রই বা ঠিক কেমন? সারা বাংলায় মোট স্কুলের কত শতাংশ বাংলা মাধ্যমে চলছে। গত তিন দশকে কত শতাংশ বাংলা মাধ্যমের স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে? সেই গত তিনদশকে রাজ্য জুড়ে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের সংখ্যাবৃদ্ধির হার ঠিক কেমন? রাজ্য জুড়ে শত শত হাজার হাজার ... ...
পার্থদা, আড়াইশো মুড়ির একটা প্যাকেট দেবে আর একটা সিগ্রেট দিও প্রলয়কে দুটো জিনিস বাড়িয়ে দিয়ে পার্থ দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করতে উদ্যোগী হল। এবারের পুজোর ফাংশনে তুমি গাইলে না কেন? প্রলয় পয়সা গুনতে গুনতে পার্থর দিকে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিলো। আমি গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছি রে.. পার্থর গলায় খেদোক্তি। আরো কিছুক্ষণ প্রলয়ের সঙ্গে গান ছেড়ে দেয়া নিয়ে বাদানুবাদ সেরে দোকানের দরজায় তালাগুলো ঝুলিয়ে পার্থ হাতের ঝোলাটা নিয়ে বাড়ির পথ ধরল। মনে মনে হিসেব কষছিল, কাল ছেলের কলেজের ফিস্ জমা দিতে হবে। ছেলেটার পরীক্ষা এগিয়ে আসছে। তমালিকার দুটো ওষুধও কদিন হল একদমই শেষ হয়ে গেছে। সে দুটোর দামও নেহাত কম নয়। এই দু ... ...
হয়তো বা ঘাস হয়ে রয়ে যাবো বাটেচলে গেলে সবাই তো হয় না মহান। ভোরের শিশিরসিক্ত বেল ফুল হাটে জুটুক না জুটুক পদ্ম,দোয়েল গায় গান।
স্মৃতির রঙমুহাম্মদ ফজলুল হকনাফিস অস্থির হয়ে বসে আছে ক্লাসে। বন্ধুরা সবাই বেরিয়ে গেছে। মনে হয় সেতুর উপর বসে আনন্দ করছে। আনমনা হয়ে যায় সে। নাফিসের গ্রামে কোন স্কুল নেই। পড়ার জন্য তাকে পাশের গ্রামে যেতে হয়। পাশাপাশি গ্রাম হলেও তার গ্রামে অনেক কিছু নেই। তাতে একটুও মন খারাপ হয় না। তার গ্রামের মত সুন্দর গ্রাম কোথাও নেই সে এটা জানে। তাইতো নিজের গ্রাম নিয়ে গর্বের শেষ নেই। নিজের গ্রাম নিয়ে গর্ব হলেও পাশের গ্রামকে সে ভালোবাসে। এই গ্রামটিও সুন্দর। এখানে স্কুল আছে, মাদ্রাসা আছে, মসজিদ আছে, বাজার আছে, মেম্বার, চেয়ারম্যান সবই এই গ্রামের।আশপাশের এলাকা থেকে নানাবিধ প্রয়োজনে মানুষ এখানে আসে। ... ...
জলের কথা বলছে। না, কথা নয়, গুঞ্জন। একটানা, অনাদি গুঞ্জন, যার মধ্যে সব শব্দ ডুবে যায়, সমস্ত মানে ভেসে যায়। আমি শুনছি, কিন্তু আমার কানে পৌঁছায় অন্য কিছু: রথচক্রের শব্দ, ধনুকের ছিলার টান, সেই উচ্চ সভার হাসি। তারা মিশে যায় জলের গানে, বিকৃত করে তাকে, এক কর্কশ সুরে পরিণত করে। আমি আমার হাত ডুবাই জলে। ঠাণ্ডা। কিন্তু ঠাণ্ডাই বা কেমন? নদীর জলের এই ঠাণ্ডা, নাকি সেই সভার পাথরের ঠাণ্ডা? তারা একই, ভিন্ন নামে।সে আসে যখন আমি আমার হাত তুলে নিচ্ছি। জল ফোঁটা ফোঁটা ঝরে, প্রতিটি ফোঁটায় একটি সূর্য, ক্ষণস্থায়ী, তারপর ফেটে যায়, মিশে যায় ধূলিতে। তার পায়ের শব্দ নেই। সে ... ...
ভালোবেসে যে মানুষ বদলে যায় অয়ন মুখোপাধ্যায় তোমাকে ছোঁয়ার আগে ঘরটা নিজের নাম ভুলে যায়।আলোর সুইচ বন্ধ করলেই ভেতরে কেউদেয়ালে নখ বোলাতে থাকে। তুমি বলো—এভাবে থাকলেই ঠিক আছে।আমি দেখি, আয়নায় আমাদের ছায়া মিলছে না। তোমার ঠোঁট থেকে পড়ে যায় একটা নিষিদ্ধ শব্দ,মেঝের ফাটল দিয়ে সেটা গড়িয়ে চলে যায়। কোনো এক পুরোনো দেবতা বিছানার নীচে শুয়ে,আমাদের নিঃশ্বাস গুনে রাখে—ঘুমের ভেতরও তার হিসেব চলে। আমরা প্রেম করি—মাঝখানে একটা অশ্রুত চিৎকার।তোমার শরীর জানে, আমার আত্মা জানে না।রক্তের মতো গাঢ় হয়ে আসে রাত,আমি তোমাকে ডাকি, তুমি আরেকজন হয়ে ওঠো। ভোর হলে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে জানি,তবু প্রতিবার ভালোবাসার পরযে মানুষটা আমাকে ভালোবাসে- সে আমি নই। ছবি হিরন মিত্র ... ...
(১)সিংহাসনে নদীর শাহ্-মহান ধাপ্পাবাজ!স্বাস্থ্য মর্গে! শিক্ষা সংঘে-হাহাকারে মরে কাজ!! (২)শংসাপত্রে চায়ের দাগ টা-মুছতে পারবে না।নোবেল প্রাপ্ত হচ্ছে ব্রাত্য!-একি লাঞ্ছনা !!
বইটা বের হওনের পর একরকম শূন্যতা। হাত পা ঝিমঝিম করা। ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা। নিচের গলিতে লোকজনের হাটাহাটি। কেউ জানে না। কেউ টের পায় না। এই ইটপাথরের শহরের বুকে এক টুকরো কাগজে আটকে পড়া আমাদের হাঁপানি।তারপর... তারপর ফিসফিস ধ্বনি। পানির নিচে প্রথম বুদবুদের মতো। একটা ব্লগ পোস্ট। শিরোনাম: "নতুন এক কণ্ঠস্বর: কে এই মুখহীনরা?" লেখক: "অজ্ঞাতনামা পাঠক"। তিন প্যারা। তারপরেই সাইট থেকে উধাও। ৪০৪। "পৃষ্ঠাটি পাওয়া যাচ্ছে না।"তারপর আরেকটা। ফেসবুকে একটা শেয়ার। এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ট্যাগ করে: "একবার দেখ তো, এই বইটা কিনতে পাওয়া যাবে? 'ছায়া ও মুখশ্রী' নাম।" কমেন্টে কেউ লিখছে: "কই, শুনিনি তো।" আরেকজন: "নিষিদ্ধ না তো?" ... ...
অপর মানে আপনার কাছে মাথা নীচু করে থাকবেহেঁ হেঁ করবেহাত কচলাবে। বলবে, আপনার মতো লোক হয় নাঅপর মানে তাকে নীচু চোখে দেখবেঅপর মানে যা খুশি বলা যাবেঅপর মানে নেমন্তন্ন করে খাওয়াবেঅপর মানে ম্লান মুখে ঘুরে বেড়াবেঅপর মানে সংখ্যালঘুঅপর মানে সুবিধাবঞ্চিতঅপর মানে মহিলাঅপর মানে দলিতঅপর মানে অপরঅপর মুখ খুললে বলে দাও, কমিউনালবলে দাও, কাস্টিস্টবলে দাও, নারীবাদীবলে দাও, জঙ্গি কিংবা মাওবাদীঅপর যেদিন তোমাকে অপর বানাবেহে হোঁদল কুঁতকুঁত হায়নামুখো ... ...
...চলা শুরু হয়েছিল যেখানে শেষ হয়েছিল, শেষ হয়েছিল যেখানে শুরু হওয়ার কথা ছিল না, শুরু হওয়ার কোনো সূচনা বিন্দু নেই, আছে শুধু চলমানতা, একটি ক্রিয়ার অন্তহীন ভাববাচ্য যা নিজেরই কর্ম, নিজেরই কর্তা, নিজেরই কাল। পা বলে কিছু ছিল না, ছিল অগ্রসর হওয়ার এক প্রপঞ্চ, যা মাটির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করত না, বরং মাটিকেই সৃষ্টি করত প্রতিটি সংস্পর্শে, প্রতিটি সংস্পর্শ ছিল একটি সৃষ্টির আদি মুহূর্ত, একটি বিগ ব্যাং এর নিঃশব্দ প্রতিধ্বনি। সেখানে ছিল না কোনো নাম, কোনো পরিচয়, শুধু ছিল একটি সচেতনতা যা নিজেকে “চলছি” বলে জানত, কিন্তু সেই “আমি” ছিল একটি সর্বনাম মাত্র, একটি ব্যাকরণিক স্থানধারক, একটি শূন্য গর্ভ যা ... ...