মরিচ তোলার দিনমুহাম্মদ ফজলুল হকবেলা একটু পর পর মাথা উঁচু করে চারদিকে তাকাচ্ছে। আলো ক্রমশ কমে আসছে। দিনের শেষ রোদ মাঠের ওপর নরম সোনালি আভা ছড়িয়ে দিয়েছে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় কারো ভ্রুক্ষেপ নেই। কাজে মগ্ন। রনি, শম্পা, ইয়াছমিন, ঊষা ও পরশ দ্রুত মরিচ তুলছে। হাসিঠাট্টা, প্রতিযোগিতা ও আন্তরিকতা মিলিয়ে মাঠজুড়ে এক অদ্ভুত প্রাণচাঞ্চল্য। মাঠের কাজে সবাই মগ্ন হলেও চারপাশের মগ্নতায় মুগ্ধ বেলা। কি অপরূপ চারপাশ। চোখ তুললেই নদী। তিতাস নদীর কাজল কালো পানি। নদীর পাড়ের জমিতে সবুজের বাড়াবাড়ি। নানা রঙের ফুলের বাহার। আঁকাবাকা মেঠোপথ। বাতাসে বসন্তের গন্ধ শুকে শুকেই একজীবন শেষ করা যায়।রনি বলল, দেখি আজ কে বেশি মরিচ তোলে!পরশ ... ...
চারপাশে দেখতে পাই, এখন মানুষেরা কেমন যেন অনুভূতিহীন হয়ে যাচ্ছে। যেন আবেগ প্রকাশ করা যেন এখন দুর্বলতার প্রমাণ, আর গভীরভাবে কিছু চিন্তা করা সমাজের কাছে অস্বস্তির কারণ। মানুষের ভেতরে যে প্রাকৃতিক স্পন্দন, যা তাকে মানুষ করে তোলে—সেটাকেই যেন এখন অবলীলায় অস্বীকার করা হচ্ছে। বোধহয়, অনুভূতিহীন হয়ে যাওয়াটাই এখন ট্রেন্ড। যেকোন বিষয়ে অল্প গভীর চিন্তা কিংবা কোন গভীর অনুভূতি নিয়ে কথা শুরু হলেই মানুষেরা যেন বিব্রত বোধ করছে। তারা কি কিছু লুকিয়ে রাখতে চাইছে?যেন তারা আয়নার সামনে দাঁড়াতেই ভয় পাচ্ছে বা লজ্জা পাচ্ছে। মনুষত্ব, মানবতা, সূক্ষ্ম অনুভূতি - এই জিনিসগুলো দুষ্প্রাপ্য হতে হতে পরবর্তী কোন সময় হয়তো দেখব এগুলো অসামাজিক হয়ে উঠেছে! ... ...
আহা! নির্জন সেই বনপথ। সে পথের শেষে এক আলোজ্বলা বাড়ি। পথের কথায় আবার বাড়ি কেন? ওমা! পথ তো পথ হয় কোথাও একটা পৌঁছে দিতেই! তাও জানোনা? আহা! পথের শেষে বাড়িটি! দুটি সিঁড়ি আছে সে বাড়ির। বারান্দায় হলুদ আলো, দুর্বল হলেও কেমন তার মায়া মাখা আমন্ত্রণ! বেশী উজ্জ্বল হলে তাকে বুঝি উদ্ধত লাগতো! কারণ, সে তখন সেই বনপথের নরম ছায়াময় আব্রুর সম্মান রাখতোনা। সে উপদ্রব হত। কিন্তু এ বাড়ি তা নয়। নির্জন বনপথই যেন পৌঁছে দেয় সেই বাড়িতে। আহা! সে পথটি! সে বনপথটি! জ্যোৎস্না মেখে হাসি হাসি, কিংবা, কেবল তারার আলো মেখে রহস্য-স্মিতা! হিম ওড়না গায়ে জড়ালে সে আর যেন তোমায় এগোতে দেয়না সামনে! ... ...
তারপর তো টুপ করে সুজ্জিমামা পাটে গেলেন। হেমন্তের ঘোলাটে ধূসর আকাশে একটি দুটি করে তারা ফুটতে লাগল। কাজিবাড়ির বাস রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিশাল ঝুপসি বট গাছের মাথার ওপর মিটমিটে তারার পানে চেয়ে ছেলেবেলায় ফিরে গেলাম। মায়ের হাতের চাল বাটা মাখার যে স্বাদ, আহা! গোবিন্দ ভোগ চাল ভিজিয়ে শীলে বেটে তাতে পেয়ারা কলা আপেল আঙ্গুর কমলালেবু বেদানা খেজুর আখ কিশমিশ মুলো কুচি আদা কুচি তুলসী পাতা খেজুর গুড়, দুধ দিয়ে মেখে তাতে সন্দেশ ভেঙে ... ...
অনুগল্প: “পরিচয় বাসযোগ্য”অয়ন মুখোপাধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমটার আসল নাম “জনকল্যাণ আবাস”, কিন্তু এখন সবাই ডাকে পরিচয় বাসযোগ্য আবাস বলে।কারণ এখানে ঠাঁই পেলে বাবা-মার পরিচয় ধরা থাকে ফলে ছেলে-মেয়েদের নাগরিকত্ব ও নিরাপদ। সকাল থেকে লাইন। কেউ বাবার হাত ধরে টেনে আনছে আবার, কেউ মাকে হুইলচেয়ারে ঠেলে। বৃদ্ধ বৃদ্ধরা হাঁপাচ্ছেন, আর সন্তানরা কাগজ, ফর্ম, অ্যাপয়েন্টমেন্ট এসএমএস দেখাতে ব্যস্ত—“মা, তাড়াতাড়ি সই করো। তোমার নথিতেই তো আমাদের ভবিষ্যৎ জোড়া আছে।”নীরেনবাবু, আজীবন স্কুলশিক্ষক, ধীরে ধীরে বললেন—“অদ্ভুত তো… সারাজীবন তোমাদের মানুষ করলাম এত বছর ধরে এর কোন গুরুত্ব ... ...
SIR বলে যে জিনিসটি বর্তমানে চলছে সেটি কেবলমাত্র প্রহসনই নয়, একটা রাষ্ট্র তথা রাজ্যের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যে কতটা অস্বচ্ছ, নোংরা এবং শয়তান হতে পারে তার দৃষ্টান্তও বটে। এবং এই জিনিসটা বুথ লেভেল অফিসাররা যতটা ভালো বুঝছেন ততটা সম্ভবত আর কেউই বুঝছেন না। অবশ্য এখানকার জনসাধারণের মেজরিটিই পাঁঠা, আপন আপন রুচি অনুযায়ী চটি চাটা থেকে নাগরা (অবাঙ্গালীদের চটিজুতো) চাটা, এবং অবশ্যই apathetic এবং হিংসুটে — সুতরাং তারা যে বুঝবে না সেটা খুবই স্বাভাবিক। যাইহোক, কেউ বুঝুক বা না বুঝুক, আসলে যে কি চলছে তার একটা ছবি একজন বিএলও হিসেবে সময়ের অভাব সত্ত্বেও অল্প দু'এক কথায় পেশ করার প্রয়োজন বোধ করছি।। প্রথমত, খুব সচেতনভাবে ... ...
ধর্ম মানব সভ্যতার একটি চিরন্তন সঙ্গী। যুগ যুগ ধরে এটি মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে এসেছে। কিন্তু আজকের যুগে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রশ্ন করতে হয় - আমরা কি ধর্মের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে পেরেছি, নাকি ধর্মের নামে অধর্মকে আঁকড়ে ধরে ধর্মের পবিত্রতাকে কলুষিত করছি? একটি আধ্যাত্মিক এবং সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। আমাদের এই বিশাল পৃথিবীতে আনুমানিক ১০,০০০-এর বেশি স্বতন্ত্র ধর্ম ও বিশ্বাস ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। এই বৈচিত্র্যই প্রমাণ করে যে, ঐশ্বরিক অনুসন্ধান ও আধ্যাত্মিক অভীপ্সা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।আমাদের মধ্যে কেউ কেউ ধর্মে বিশ্বাসী, আবার কেউ কেউ কোনো ধর্মই মানেন না - তারা নাস্তিক। এই দুটি অবস্থানই ... ...
নভেম্বর মাসের কনফেশন। ১টি কবিতা পুস্তিকা। এক ফর্মা। ১১টা কবিতার সমাবেশ! ২০১৬ সালে পুস্তিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকাশক: চৈতন্য। এখানে পুস্তিকাটির সবগুলো কবিতা এবং ১টি নাতিদীর্ঘ সমালোচনাগদ্য পোস্ট করা হলো। সমালোচনাগদ্যটি Goodreads এ ২০১৭ সালে প্রকাশিত। মানে Book Review... সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: কবিতার টেক্সটগুলো বিষাদগ্রস্ত এবং আত্মহত্যার প্রতি অনুপ্রেরণাযোগ্য। আমি জানি পাঠক নিশ্চয়ই নিজেকে সামলে নেবেন। এই কামনাই করি। পুস্তিকায় বিভিন্ন শব্দের বানানে কখনো কখনো কবি প্রচলিত নিয়মভঙ্গ করেছেন। হয়তো স্পর্ধা দেখাতেই করেছেন! পাঠক যেন আবার বানানের জন্য কান্নাকাটি না জুড়ে দেন। ভাষা অশুদ্ধ হয়ে গেল, হেনতেন ইত্যাদি অনুভূতির প্রতি কবি সদা শ্রদ্ধাশীল। তবে কবি কিনা একটু ঘাড়ত্যাড়া! হুদাই একটু জ্ঞান দিলাম, শুনলে ... ...
বাতাসের ফিসফিস তোমার নাম ধরে ডাকাডাকি আমি চিৎকার করে বলি মরুভূমির যতগুলি বালুকণা আছে আমি তারচেয়েও তোমাকে বেশী ভালবাসি। এই বয়সে ভালবাসাবাসি আমাকে মানায় না সেদিন পাড়ার সন্ত্রাসীরা মেয়েটাকে তুলে নিয়ে গেল রুখে দাড়ানো উচিৎ ছিলো, ভয়ে কিছুই করিনি কাপুরুষ ভালবাসার কি যোগ্যতা আছে আমার? সাগরের ঢেউ গাংচিল এর উড়াউড়ি আমি চিৎকার করে বলি সাগরে যত পানি আছে আমি তারচেয়েও তোমাকে ... ...
বিধির বাঁধন কাটলে তুমিচিমেরিকা নিয়ে এর আগের লেখাতে দুকথা বলেছি। চিমেরিকা অর্থাৎ চীন আর আমেরিকার যুগ্ম একটি ব্যবস্থা যেটি ঠান্ডা যুদ্ধের শেষ হবার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতিকে চালিয়েছে, আমার আগের লেখাতে দেখিয়েছি। চীন আর আম্রিকা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের দুটো অর্থনীতি একথা আগেই বলেছি। চীন মূলতঃ শিল্পনির্ভর industrialized অর্থনীতি ওদিকে আম্রিকা স্পেকুলেশন নির্ভর financialized অর্থনীতি। চীন মূলতঃ সারা পৃথিবীর কারখানা এবং সারা পৃথিবীর মধ্যে হয়তোবা সবচেয়ে বেশী রপ্তানী চীন করে এবং এসব কিছুই হয় একমেরু বিশ্বের চালিকা শক্তি ডলারের মাধ্যমে এবং যে প্রচুর পরিমান রপ্তানী চীন করে ডলারের পাহাড় কামায় চীন সেটি তারা মূলতঃ আম্রিকাতেই বিনিয়োগ করতো আম্রিকি ট্রেজারী বন্ড ... ...
(৩২) গৌতম রায় বললেন, ' তাহলে ব্যাপারটা মোটামুটি জানা হয়ে গেল। আমি ডিসিশান নিয়েছি আর দশ মিনিট ওয়েট করব। তারপর ফোর্স অ্যাপ্লাই করতে হবে। আননেসেসারিলি আর কোন কোক্সিং-এর মধ্যে যাব না। এবার চার্জ করার দরকার। কাস্টডিতে নিয়ে প্রপারলি ইন্টারোগেট করলে ফ্রুটফুল আউটকাম অবশ্যই আসবে। কলতানবাবু নিশ্চয়ই প্যালপ্যাবল এভিডেন্স কালেক্ট করেছেন। হোপফুলি সেগুলো প্রোডিউসড হলে পজিটিভ রেজাল্ট আসতে পারে.... ' বলে কলতানের মুখের দিকে তাকালেন। কলতান একবার ঘড়িতে সময় দেখল। তারপর বলল, ' পজিটিভ রেজাল্ট ... ...
ধর্ম আর কত রাজনৈতিক হবে ?রাজনীতি আর কত ধার্মিক হবে ? সাংবাদিকতা আর কত কদর্য হবে ? কদর্যতা আর কতবার 'সংবাদ' হবে ? বিভেদ-মন্ত্র আর কতবার অস্ত্র হয়ে ঝলসে উঠবে ? মগজ আর কত হিংসাকে অনুপ্রবেশ করতে দেবে ? ভণ্ডামো আর কতদিন 'রাজা' সেজে থাকবে ?ইতিহাস আর কতবার নিজেকে পুনরাবৃত্ত করবে ? ইতিহাসের ক্লান্তি নেই ... ? ... ...
New RSS ১.যাঁরা বিশ্বাস করতে ভালোবাসে, ১৯৪৬ এর দাঙ্গা কেবল মুসলিম লিগের গুন্ডারাই করেছিল। ( এমন দাঙ্গা করেছিল, ৪৪% মুসলিম কমে ১০% হয়ে গিয়েছিল। এমন তাদের দাপট ছিল!) ২. মুসলমানদের পশমিন্দা মুসলিম আছে। কারণ এলিট মুসলমানরা তাদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করেনি। (রাষ্ট্রের কোনও দায়িত্ব নেই! কারণ এলিটদের তো লাখ লাখ কোটি টাকা। তারাই কর তোলে। কর দেয় না) ৩. বিজেপি তৃণমূলের মতোই একটা দল। বিজেপি এলেও যা তৃণমূল থাকলেও তা ( অন্য রাজ্যে বিরোধীদের ওপর বুলডোজার চালানোর খবর তারা জানেন না। জানলেও মানেন না)। ৪. বিজেপির বিরুদ্ধে বলা মানেই চটিচাটা। নিজস্ব কোনও মত থাকতে কারও পারে না। শুধু তেনাদের আছে। ৫. সংখ্যালঘু তোষণ চলছে রাজ্যে। তাই ... ...
রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জঘন্য, দানবিক একটা ইয়ার্কি চলছে। কোনো সন্দেহ নেই, শিক্ষক-নিয়োগে খানিক দুর্নীতি হয়েছিল, কোনো পক্ষই অস্বীকার করেনি সেটা। কিন্তু তারপর যা হল সে অবিশ্বাস্য। দুর্নীতি ধরতে নামল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা সংস্থা, বিচার-ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ নজরদারিতে, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ উকিলদের সওয়ালে, এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ গোদি-মিডিয়ার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়। প্রচুর তেল-পুড়ল, মন্ত্রীসান্ত্রীরা জেলে গেলেন, তথাকথিত বান্ধবীর বাড়ি থেকে পাওয়া গেল কোটি-কোটি টাকা। বাপরে বাপ সে কী দৃশ্য। টাকা গোণা হচ্ছে মেশিন দিয়ে, পারলে সরাসরিই দেখিয়ে দেওয়া হয় গোদি-মিডিয়ায়। ধরা পড়লেন কোনো এক কাকু। তাঁর অডিও-ক্লিপের চোটে জগৎ অন্ধকার। জীবনবিজ্ঞানের ক্লাসরুমের মতো ডায়াগ্রাম এঁকে গোদি-মিডিয়ার নাড়ুগোপালরা ঘন্টাখানেক ধরে দেখাতে থাকলেন, টাকা কোন পথে কোথায় গেছে। সবই তাঁরা জানতেন, যেমন জানতেন করাচি দখলের খবর।এরকম কয়েক বচ্ছর ধরে চলল। লোকে ভাবল, এইবার কিছু একটা হচ্ছে। এত ঢাক-ঢোল কি আর মিথ্যে হতে পারে? কিছু হলও বটে।মন্ত্রী ছাড়া পেলেন। দুর্নীতির দায়ে একজনও আদৌ ধরা পড়লেন কিনা সন্দেহ। কিন্তু ন্যায়বিচার কি তাতে আটকে থাকতে পারে? কোনো চোর ধরা পড়লনা, কিন্তু শাস্তি তো দিতেই হবে। শাস্তি পেল কারা? না শিক্ষকরা। তাঁদের বৃহদাংশকেই বলা হচ্ছে "যোগ্য", ইংরিজিতে "আনটেন্টেড", অর্থাৎ অকলঙ্কিত। এঁরা কাউকে কোনো টাকা দেননি, কোনো বেআইনী কাজ করেছিলেন বলে অভিযোগও নেই, কিন্তু তাঁদের সব্বার চাকরি গেল। এরকম কি ... ...
: একটি চিঠি তোমায় কলকাতা..প্রিয় কলকাতা,ভালো আছো?কেমন আছে তোমার ভিক্টোরিয়া, গড়ের মাঠ, হাওড়া ব্রিজ?কেমন আছে বাবু ঘাট, প্রিন্সেপ ঘাটের চত্বর আর স্রোতসিনী গঙ্গা?হাওড়া ব্রিজ তুমিও নিশ্চই ভালো আছো, জনকোলাহলে মেতে আছো,এসপ্লানেড, ডালহৌসী আর কফি হাউস তোমাদের খবরও জানিও ..সারাদিনের যানজট আর মানুষের কোলাহলে ব্যস্ত আজও ?রাতের পার্কস্ট্রিট রঙিন মোহনায় এখনো জ্বলজ্বল করো কি?শহর যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে মূর্ছনায়.....এসব কথা ভাবতে গিয়ে রাত কাবার যখনআমি তখন দূরে সাত সমুদ্র তেরো নদীর পারেমনের কোণে জমানো কথায় ব্যাথায়চোখের নিচে ধূসর ধুলোয়আর কানে হেডফোনে রবি ঠাকুরের গানে "আমার যে দিন ভেসে গেছে চোখের জলে".....খুঁজি খুঁজি ফিরি তোমায় সারাদিন সর্বক্ষণ..কত দিনএমন সময় "পুরোনো ... ...
মেঘ ব্যানার্জি ও নকল বৃষ্টিপাতের কথা।বাংলায় একটা বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে – ঢাকের দায়ে মনসা বিক্রি। এটির গূঢ়ার্থ বা মর্মার্থ হলো – ১. অতিরিক্ত আড়ম্বরের আতিশয্যে আসল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়া। ২. মূল খরচাপাতির অপেক্ষা জাঁকজমকের খরচ অনেকটাই বেশি হওয়া। এবং ৩. অনাবশ্যক আড়ম্বরের কারণে আসল উদ্দেশ্য পণ্ড হওয়া। দিল্লির বায়ুদূষণের বিষয়টি আজ আর গোপন কথা নয়, প্রকাশিত বাস্তবতা - নির্মম সত্য। এই মুহূর্তে দিল্লির তখত্ তাউসে যে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রতিনিধি আসীন তিনি, দূষণের মাত্রা কমিয়ে সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসার জন্য আর্টিফিসিয়াল রেন বা কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোর কথা ঘোষণা করলেন। বৃষ্টি হলে, বাতাসে ভর করে ভেসে থাকা ধুলোবালিছাই ... ...
খবর - এক বছর কাজ করলেই এখন থেকে গ্র্যাচুইটি পাওয়া যাবে। বাস্তব - এক বছর গ্র্যাচুইটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ের [১ বছর /২ বছর] জন্য যাদের কাজে নেওয়া হয় [কন্ট্র্যাক্ট] তাদের জন্য। তাও এগারো মাসের চুক্তি করলে এবং প্রতি এগারো মাসে সেই চুক্তি নবীকরণ করতে থাকলে গ্র্যাচুইটি দিতে হবে না। পূর্ণ সময়ের চাকরির জন্য গ্র্যাচুইটি পাঁচ বছরই থাকছে। খবর - প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটিতে এবার থেকে বেশি টাকা। বাস্তব - মোট সিটিসির ৫০% এবার থেকে বেসিক দিতে হবে এবং তার জন্যই প্রভিডেন্ট ফান্ড [১২%] , গ্র্যাচুইটি খাতে বেশি টাকা কেটে নেওয়া হবে। হাতে আগের থেকে কম টাকা পাবেন। অর্থাৎ কোনো পূর্ণ সময়ের চাকরিতে ঢুকলে পাঁচ বছরের আগে ছেড়ে দিলে ... ...