একটা হাত কাটা একটা হাত ছোটোজম্পেস ঘুড়ি উড়েনাটাই ছাড়ে সুতো। নানা রঙের ঘুড়ি হাত পা মিলে সাঁটেপেটকাটা,বগ্গা শানায়হাওয়ায় প্যাঁচ কাটে। নীল আকাশে প্রকাশ পাড়ি, মন উড়ি উড়ি ভাসায়,একটা তার, পঁচিশ বেচেমায়ের, অন্ন সেবায়।
( ৩ ) সল্টলেকের দেবপ্রভ রাহা। কলতানের ফোন ধরে বললেন, ' হ্যালো ... প্লিজ হোল্ড অন ... ' বলে কার সঙ্গে যেন কথা বলতে লাগল। বেলা সাড়ে বারোটা বাজে। নিশ্চয়ই দেবপ্রভ এখন অফিসে আছে। যেটুকু আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, মনে হচ্ছে কাউকে কোন কাজের ব্যাপারে কিছু নির্দেশ দিচ্ছে। যাকে বলছে তারও গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। সে মনে হচ্ছে, দেবপ্রভর সঙ্গে কোন একটা ব্যাপার নিয়ে তর্কাতর্কি করছে। কলতান ফোন ছাড়ল না। ফোন ধরে রইল। প্রায় চার মিনিট পরে ওদিক থেকে আওয়াজ এল ... ...
কিছুদিন আগেই আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপালে অভ্যুত্থান হয়ে গেল। অনেকটাই বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানের আদলে। যদিও ভয়াবহতা এবং ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে নেপালের থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে! 'ভ্যান্ডালিজমে' বাঙালি সব সময় সর্বশ্রেষ্ঠ কিনা! তবে উভয় দেশের অভ্যুত্থানের প্যাটার্ন কিন্তু এক ও অভিন্ন। নেপালের অভ্যুত্থানের নেপথ্য কারণ নেপালে মূলত 'নেপোকিড' টার্মে স্টারকিডদের(Starkids) প্রতি স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, রাজনৈতিক নেতাদের দূর্নীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের অভিযোগে নেপালের জেন-জি প্রজন্ম রাস্তায় নামে। এই আন্দোলনকে সুসংহত করে ১জন নেপালী ডিজে এবং এক্টিভিস্ট। সুদান গুরুং 'হামি নেপাল' নামের ভলান্টারি সংগঠনে সংগঠক। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের পর এই সুদান গুরুং নিজের বাচ্চা ছেলেকে হারিয়ে এই সংগঠনের পরিকল্পনা করে এবং কার্যক্রম শুরু করে।রাস্তায় নামার ... ...
( ২ )শুদ্ধসত্ত্ববাবু ফোন তুলেই বললেন, ' ইয়েস কলতান, তোমার ফোনের অপেক্ষাতেই ছিলাম। তারপর বল, ম্যাডামের সঙ্গে কথা হল ? '--- ' হ্যাঁ উনি এসেছিলেন। একটু আগে বেরিয়ে গেলেন ... '--- ' কথাবার্তা হয়েছে নিশ্চয়ই ... '--- ' হ্যাঁ, কথা বলেছি। কাল কাজ শুরু করব ... '--- ' ওয়েল ওয়েল ... কোন হেল্প লাগলে ব'ল।--- ' শিওর শিওর। আপনার হেল্প ছাড়া তো এগোতে পারব না। আচ্ছা স্যার, আপনি ইলিনা স্নাইডারকে কতদিন চেনেন, কিভাবেই বা চিনলেন ? মানে, ইলিনা সম্পর্কে আপনার ইম্প্রেশানটা জানতে চাইছি ... '--- ' সত্যি কথা বলতে কি ইলিনার হোয়্যারঅ্যাবাউটস সম্পর্কে আমার তেমন আইডিয়াই নেই। আমরা একই হাউজিং ... ...
- "কী দেখিস ওগুলো ইউটিউবে? কোনো মাথামুন্ডু নেই। তাছাড়া ক্যারেক্টারগুলোর ছিরি দ্যাখো ! ড্যাবা ড্যাবা চোখ, ছোট্ট মুখ, প্যাংলা চেহারা, অদ্ভুত সব নানারঙের চুলের কাটিং, ঝলমলে ড্রেস আর ইচিং পিচিং লাফালাফি! অসহ্যকর!" হ্যাঁ, কোনো অ্যানিমের এপিসোড চালিয়ে দেখতে বসলে বাড়ির বড়োদের থেকে এরকম মুখ ঝামটা প্রায় সবাই খেয়ে থাকে। ওয়ান পিস ; নারুটো, লাইট ইয়োগামি বা চেইনশ' ম্যানের সঙ্গে পরিচিত নয় এমন Gen-z সদস্য পাওয়া কঠিন। আর শুধু জাপানি চিত্ররীতির অ্যানিমেটেড রূপ যার পোশাকি নাম 'অ্যানিমে' তার কথাই বা বলি কেন? চিত্ররূপ 'মাংগা' বিক্রির জন্য আজকাল কলকাতা বইমেলায় রীতিমতো 'মাংগা প্যাভিলিয়ন' তৈরী হচ্ছে। কয়েকবছর আগে পর্যন্ত মাংগা এককপি পেতে হাড়ে দুব্বোঘাস গজিয়ে ... ...
কলমের এক খোঁচায় দস্তখত করলেন মার্কিন মুলুকের রাষ্ট্রপ্রধান। আর রাতের ঘুম উধাও হলো এন আর আই জামাই প্রত্যাশী কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা মায়েদে’র! না, বিষয়টি মোটেও কাকতালীয় নয়। নতুন নিয়মে মার্কিন মুলুকের এইচ আই বি ভিসা পেতে কড়ায় গণ্ডায় মাশুল দিতে হবে ভারতীয় মুদ্রায় নব্বই লক্ষ টাকা। স্বভাবতই এই পরিমাণ টাকা তুলে নেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়, সেই কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতাই। যাঁদের স্বপ্নে এন আর আই জামাইরা ঘোরাফেরা করে নিত্যদিন। এতদিন একজন এন আর আই জামাই পাওয়ার জন্য যে পরিমাণ অর্থ লগ্নী করতে হতো, এখন সেই টাকার অংকটা অনেকটা পরিমাণেই বৃদ্ধি পেয়ে গেল। ফলে এবারে অনেকের পক্ষেই আর এন আর জামাই বাগিয়ে নেওয়ার উপায় ... ...
একটি রম্য-ভৌতিক গপ্প অমর বাবু মারা গেলেন। সেই কবেই কবি বলে গিয়েছেন অমর কে কোথা কবে। তা, অমর বাবু কে; সে বিষয়ে সেরকম কিছু বলারই নেই। এক্কেবারে ছাপোষা অম্বলে পেটের সমস্যায় জর্জরিত মধ্যবিত্ত বাঙালি। অবিশ্যি, আদিকাল থেকেই তাঁরা যে মধ্যবিত্ত ছিলেন তেমনটা নয়। অমরবাবুর প্রপিতামহ নাকি ছিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ....নাহ্, জমিদার নয়, ডাকাত। তিনি কব্জির কারিকুরিতে যা সম্পত্তি করেছিলেন তাতে অমর বাবুর অবস্থার যে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়েছিল তা বলছিনে। বরং নিজ চেষ্টায় পাওয়া নামকরা প্রাইভেট ফার্মের কেরানীর চাকরিটা নিয়ে ওনার মনে প্রচ্ছন্ন একটা অহংবোধ ছিল।বউ গত হয়েছেন প্রায় এক যুগ হয়ে গেল। ছেলে-পিলে নেই। এ হেন অমর বাবুর জীবনে বলার মতো কিছুই ... ...
( ১ ) পৌনে দশটা নাগাদ ফোনটা এল। অজানা নম্বর। আজকাল অজানা নম্বরের ফোন ধরাটা খুব ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, যদিও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে কোন তথ্য না দিলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ করা যায় না। কলতানেরও সেটাই যুক্তিযুক্ত মনে হয়। কিছু ইনপুট না পেলে জালিয়াতরা ঢোকার রাস্তা পাবে কি করে। তবে এসব ভাবলে তো কলতানের চলবে না। অজানা নম্বর থেকে তো তার কাছে ফোন আসবেই। সেগুলো এড়িয়ে গেলে ... ...
আমার একপাটি দাঁত দরকার,নিখুঁত,নিটোল,সুন্দর ঝকঝকে মুক্তোর মতো দাঁত।একেবারে ঠিক টুথপেস্টের বিজ্ঞাপণে যেমন দেখায় না,ঠিক ওরকম সুন্দর।আমার নিজের দাঁত এতটা ফাঁকা ফাঁকা,মাংস খেলে মাংসের ছিবড়ে আটকে যায়,হাসতে লজ্জা লাগে।তাই খুব ধীরে ধীরে আমার একটা ফেটিশ গড়ে উঠেছে,সুন্দর দাঁতের উপর।আমি টের পাইনি,কিন্তু যখন পেলাম,ছাড়লাম না,ঝাড়লাম না।আমি প্রাকৃতিক উপায়ে খুব বিশ্বাস করি,আমি কোনোদিন মুখে কোনো ক্রিম,ফেসওয়াশ,এমনকি গ্রীষ্মকালে পাউডার পর্যন্ত মাখি না।নেহাত না দরকার হলে ওষুধ খাই না।কিন্তু আমি অনেকবার ভেবেছি,দাঁতটা ঠিক করাব।এক হারামজাদা আবার,ডুবসাঁতার দিয়ে ঠিক আমার সামনে ভেসে উঠেছিল।তার মাথা সজোরে ঠুঁকে গিয়েছিল আমার থুতনিতে।ব্যাস,একটা দাঁতের চোকলা উঠে গেল,আর বাকি কৃন্তক দাঁতগুলো গেল নড়ে।আমি দাঁত নিয়ে আরো লজ্জিত হয়ে পড়লাম।কদিন বাদে নড়া ... ...
আমি এইজন্যই এরকম লেখা লিখি না।আনন্দের,খুশির লেখা লিখলেই কেমন খেলো হয়ে যায়।যাদের পড়িয়েছি আমার লেখা,তাদের বেশিরভাগ বলে,তুই খুশির,আনন্দের কিছু লিখতে পারিস না? তাদের কী করে বোঝাই,এরকম অখাদ্য,ন্যাকামার্কা লেখা পড়লে ওদের বমি পাবে। তাহলে আজকে কেন পোস্ট করছি? আজকে খুব পোস্ট করতে মন চাইছিল কিছু।কিন্তু নতুন কিছু লেখার চেষ্টা করেও সারাদিন কিচ্ছু লিখতে পারিনি।লেখার মতো ব্যাপার ঘটেনি এমন নয়,কিন্তু সেগুলো থেকে কিছু সৃষ্টি করতে কিছুতেই পারছিলাম না।এই আমার দোষ,যখন আসবে ধারাস্রোতের মতো আসতেই থাকবে,যখন আসবে না, শত চেষ্টাতেও আসবে না। তাই শেষে হতোদ্যম হয়ে এটাই পোস্ট করে দিচ্ছি। একদিন খুব সকালে উঠে আকাশে একখানা পর্দা টাঙিয়ে বলব,"সূর্য আজ তুমি যতখুশি আলো দাও,একটুও রাগ করব না।"সেদিন ... ...
ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো লেখার ১৪টি নতুন নিয়ম নতুন নিয়মের সৃষ্টিকারী : শংকর হালদার শৈলবালা ◆ একটি নতুন যাত্রা : একটি নতুন কাব্যিক ধারার জন্ম দেওয়া সাহিত্যের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো'র মতো একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করার এই প্রয়াস কেবল একটি নতুন লেখার শৈলী নয়, বরং আমাদের ভাষার নিজস্ব ছন্দ এবং সংস্কৃতির গভীরতাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এক অসামান্য সুযোগ। এই নতুন ধারাটি তৈরি ও এর নিয়মগুলো চালু করেছি, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে সাহিত্য কোনো নির্দিষ্ট সীমানায় আবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রতিনিয়ত বিকশিত ও নতুন রূপে নিজেকে প্রকাশ করে। ◆ "আমি বিশ্বাস করি, কবিতা মানুষের ভেতরের কথা। “ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো” ... ...
(চলুন ঘুরে আসা যাক জাদুকরদের অজানা দুনিয়ায়)আদি যুগ থেকেই ভারতীয়রা চিরকাল জাদুবিদ্যার ভক্ত। তারফলেই ভৌতিক আধাভৌতিক তন্ত্র মন্ত্র কালাজাদু ইত্যাদির এদেশে বোলবালা। প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সন্ন্যাসী এবং সাধুসন্তরা অলৌকিকতা প্রক্ষেপণ কে জাদুবল দেখিয়ে আসছেন। অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত ভারতবাসীর কাছে সেই জন্যেই সন্ন্যাসী ও সাধুসন্তদের চিরকাল প্রাধান্য। যাঁরা বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সেই জাদুকে মানুষের মনোরঞ্জনে ব্যবহার করেছেন তাঁরাই জাদুকর নামে পরিচিত হয়েছেন। জাদুবিদ্যা বলে আপাতদৃষ্টিতে কিছু হয়না। মানুষের অজানা বিজ্ঞান আর দৃষ্টি বিভ্রমকেই জাদুকররা সুনিপুণভাবে কাজে লাগিয়ে এক আশ্চর্য্য চমকের সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে দর্শকের মনোরঞ্জন করে থাকেন। জাদুকরদের ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞান বা প্রায় অশিক্ষিত বাঙালিদের জীবনে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বিশ্ববিখ্যাত জাদুকর ... ...
মেঘপিওন যেসব কথা জানাতে চেয়েছিলবৃষ্টি যেসব কথা বলেনি উত্তীর্ণ কৈশোরেআকাশের রঙ তখনও নীল না ধূসর কেউ দেখেনিশুধু বৃষ্টির আওয়াজ শুনতে পেত শনিবাররোদ তখন নরমঘাসের গায়ে লেবুর গন্ধআজ এক আশ্চর্য ভালো মেয়ের জন্মদিনআজ মেঘ এবং পাহাড়ের চূড়ায় নৈশব্দের চড়ুইভাতিসব হাতে কাজ আসুকসব পাতে ভাত কিংবা রুটিবেঁচে থাক তোমাদের আনন্দিত জুটিকিয়াএকটি নতুন হিয়াহয়ে উঠুক মানুষের অর্ণব স্রোতভালো থেকোসারাজীবন থেকে যাওঅষ্টাদশী উমাকিশোরী ... ...
কেউ হয়তো বিশ্বাস করবে না,ভাববে বানিয়ে বলছি।কিন্তু আমি এই কবিতাটা,অন্তত আমার লেখা নিরানব্বই শতাংশ কবিতা আমি কোনোদিন আগে থেকে ভেবে লিখিনি।এই কবিতাটা যেন শূন্য থেকে উদয় হল। ব্যাপারটা হচ্ছে,আমি বসে বসে পর্ণ সার্চ করছিলাম।তখন প্রথম লাইনটা মাথায় এল। ডাউনলোডে বসিয়ে লিখতে আরম্ভ করলাম।পরপর আসতেই থাকল,লিখতেই থাকলাম।লেখা শেষ হওয়ার পরে দেখি,মোটামুটি একটা দাঁড়িয়ে গেছে। চ্যাট জিপিটি আর গ্রককে দিয়ে একটা রিভিউ করিয়ে নিলাম। ততক্ষণে একটা ফাইল ডাউনলোড হয়ে গেছে।আমার লেখাও রেডি। কতক্ষণ ওর বাসায় কোনো আলো নেই!কিচ্ছু না,ভবিষ্যতের আলোও না।ওর মা শুধু গতবছর বৈশাখ মাসের তেত্রিশ তারিখে নিজের শাড়িখানার উপর আতস কাঁচ ধরেছিল,তা রাত পর্যন্ত চলে না বলে,ওর সমস্ত ডিগ্রির কাগজ,জমির দলিল সব ... ...
জীবনের যা কিছু সমস্যা তা আরও বাড়িয়ে দেয় তুলনা। নিজের অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও, অন্যের সঙ্গে তুলনা করাটা আমাদের অবস্থাকে আরো করুণ করে তোলে। নিজেদের বোনা তুলনার জালে নিজেরাই আরো জড়িয়ে পড়ি।কথায় বলে মানুষ নিজের ভবিষ্যত নিজেই গড়ে। কথাটা কে যদি আর একটু ব্যাখ্যা করি, তাহলে দাঁড়ায়; মানুষ নিজের অভ্যাস কে গড়ে। সেই অভ্যাসই তার ভবিষ্যত কে গড়ে। কিন্তু এই গড়াপেটার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই তুলনা। প্রত্যেকের জীবনের লড়াই তার নিজের। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের জীবনের লড়াই এর কোনো তুলনা করা যায়না। দাঁড়িপাল্লায় মাপা যায়না এই সদা পরিবর্তিত আপেক্ষিক পরিস্থিতি। একজনের কাছে যেটা খুব গুরত্বপূর্ণ অন্যজনের কাছে সেটা অতটা নাও ... ...
|| ৩||[সত্যকাম একটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলছে চাপাগলায়। আধো-অন্ধকার রাস্তা। একটি বাড়ির পাশে ওরা দাঁড়িয়ে। বাড়িটি গৌতমবাবুর। মেয়েটি চুমকি। তার পরিচয় তথাকথিত সমাজে 'বাজে মেয়ে'। গৌতমের বাড়ির আলো পড়েছে দুজনের উপর।] সত্যকাম: (চাপা গর্জন) : কেন এসেছিস? কতোবার বলতে হবে তোকে? চুমকি : এবার দাও না দাদা, আর এসবোনি। (কান্না) সত্যকাম : আবার ! কেন যাচ্ছিস না বল্ তো? বলেছি না আমাকে ডাকবি না ওই নামে? চুমকি : বেস্! চলে যাচ্চি। ঠিক বলেছিলো মাইরি সবনম, চুমকি, ভদ্দরলোক বনে গেচে তোর মায়ের পেটের ভাই ---যাসনে ওদের কাছে। আমিই বোকা মাইরি--- [প্রস্থান উদ্যত] সত্যকাম ... ...
কান্নার সুরমুহাম্মদ ফজলুল হকগোধূলির রাঙা আলোয় আলোকিত আকাশ। আলো চুঁইয়ে পড়ছে চারদিকে। শরতের নীরব বাতাসে বিশাল বটবৃক্ষের পাতা না নড়লেও গরম কিছুটা কমে এসেছে। বটবৃক্ষের নিচে বসে অপেক্ষা করছে কাশেম আলী। শান্ত ঝিরঝিরে হাওয়াতেও ঘেমে উঠছে সে। মাঝে মাঝে গামছা দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নিচ্ছে। অস্থিরতা যেন ক্রমেই বাড়ছে। অপেক্ষা ফুরায় না। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে বটবৃক্ষের ছায়ার বাইরে পাটখড়ির বেড়া দেওয়া ছনের চালের ঘরটার দিকে। অনেকক্ষণ কেটে গেলেও ভেতর থেকে কেউ বেরোয় না। অবশেষে বুকে বল নিয়ে ঘরের দিকে এগিয়ে যায় সে। ঘরের কাছে পৌঁছাতেই কানে আসে কান্নার শব্দ। কান্না কি আনন্দের পরিপূরক। হয়ত!আনন্দে ভরে ওঠে তার বুক। সদ্যজাত ... ...
আমরা সকলেই প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের আর চাকরি নেই। শুধুই যে রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক বিরোধীতার পরিসরেই এই বিষয়টি বারংবার উঠে আসছে, তাই নয়। মিডিয়া জুড়ে সকলেই এই একটি বিষয়ে একমত। কারণ পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিল্প তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকারখানায় তালাচাবি পড়ে গিয়েছে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের তাই চাকরি পেতে দিল্লী বোম্বে মাদ্রাজ ব্যাঙ্গালোরে ছুটতে হচ্ছে। আমাদের নিজেদের ঘরে ঘরেই তো এই ছবি। ফলে এই বিষয়ে আর যাই হোক বিতর্ক নেই যে, পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের চাকরি নেই। আর থাকবেই বা কি করে? শুধুই তো শিল্প বাণিজ্যে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে রয়েছে, তাই নয়। রাজ্যসরকারের, কেন্দ্র সরকারের দপ্তরগুলিতেও যে নিয়মিত ভাবে যথেষ্ট সংখ্যক চাকরির দরজা খুলে যাচ্ছে, তাও ... ...
দিল্লীর বৈশিষ্ট্য হলো যে সে কোন একটা নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক শহুরে বসতি নয়। তবে সে কী? অনেক দিন ধরে, অনেক রাজবংশের আমলে তৈরি নানা শহরের যোগফল হলো শহর এ দিল্লী বা দিল্লী মহানগরী। দিল্লীর ইতিহাসকে হাজার তিনেক বছর পেছনে সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায়। লোককথা সূত্রে এ হলো পাণ্ডবদের রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থ নগরী। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হয়েছিল এই ইন্দ্রপথ সহ আরো চার পথ বা জায়গায় যারা পানিপথ, সোনপথ, তিলপথ আর বাগপথ বলে পরিচিত। দিল্লীর পুরোনো কেল্লার আসপাশে ইন্দ্রপথ বলে একটা গ্রামের অস্তিত্বের জন্য অনেকে এই লোককথার কল্পনার ইতিহাসকে সত্যি বলেও মানে। একসময় নানা যুগের সাত শহর নিয়ে গড়া দিল্লীর ধারণা সবাই ... ...