সপ্তম পর্ব: বিশুর কাছে এরকম অলৌকিক কান্ড শুনে গণশা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ল! সচরাচর গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এরকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া অসম্ভব! এ তো সাধারণ তুকতাক হওয়ার কথা! কিন্তু রূপার এইরকম আশ্চর্যজনক পরিবর্তন দেখে গনশা বিশুকে এক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিল,"শোন বিশু, রূপাকে দেখে আমার ভাল কিছু মনে হচ্ছে না। আমার মনে হয়......!" গণশার কথা শেষ না হতেই বিশু বেশ উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করল,"কী মনে হয়? "মনে হয় এ সাধারণ কিছু নয়! কোন অশরীরী আত্মা ভর করেছে রূপার ওপর!" বিশু শুনেই প্রচণ্ড রেগে গিয়ে গণশাকে সপাটে এক চড় মারল! গনশার জামার কলার ধরে চিৎকার করতে করতে বলল,"তোর কি মনে হয় আমার বউকে ভূতে ধরেছে? আমি জানি তোরা ... ...
( ৩৯ ) বিভূতিবাবুর জ্বর আজ নিয়ে চারদিনে পড়ল। নীতিন বিশ্বাস পুরণো দিনের ডাক্তার। পঁচাশি বছরে পদার্পণ করেছেন গত মাসে। এখনও আগেকার দিনের মতো লাল রঙের মিক্সচার দেন। সঙ্গে পেন্টিডস ফোর হানড্রেড জাতীয় কোন বড়ি। স্টেথোস্কোপ কানে লাগিয়ে শরীরের ভিতরের যাবতীয় নাড়িনক্ষত্রের খোঁজখবর পেয়ে যান। কোন এক্সরে টেক্সরের ধার ধারেন না। চতুর্থ দিন দুপুরের পর থেকে শরীরের তাপ খানিক কম মনে হচ্ছে। বিভূতিবাবু কিছুক্ষণ উঠে বসেও থাকলেন। একটু পরে অবশ্য অবসন্নতা বোধ করায় আবার শুয়ে পড়লেন। তবে পরের দিন ... ...
এ গল্পের নায়িকার নাম বিলি। বিলি নামটা আমার মেয়ের দেওয়া।আমরা যখন রামকৃষ্ণ পুরম সেক্টর নয়-এ থাকতাম তখন এই গল্পের সূত্রপাত।বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরছিলেন পার্শ্ববর্তিনী। হঠাৎ চমকে ওঠেন পায়ের কাছে কেউ একটা বেড় দিয়ে ঘুরছে। রোঁয়া রোঁয়া গাঁ! শাপ ভেবে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখেন কুট্টি একটা বেড়াল। মুখের দিকে তাকিয়ে ম্যাও করছে আবার ঘুরছে। হাত দিয়ে তুলতে যেতেই পালিয়ে গিয়ে শুকনো ড্রেনে ঢুকে গেল সে। মনে হয় কুট্টি বয়সেই মাকে হারিয়েছে।এভাবেই পার্শ্ববর্তিনীর সঙ্গে আলাপ হয়ে গেল, তিনি আমাদের সঙ্গেও আলাপ করালেন। কিন্তু আদর করতে গেলেই পালিয়ে যায়। তারপর কী হল বেশ কিছুদিনের মতো গায়েব হয়ে গেল!আমাদের ফটিক, আমাদের আদা! এই নিয়েই সময় ... ...
আজ শমীক ভট্টাচার্য দ্বিতীয় ভাগ। এত লোক ছেড়ে এই দিগগজকেই সভাপতি করা হল কেন? কেনই বা এত চোখে লাগার মতো ফোকাস? টিভিতে দেখে মনে হচ্ছিল, বিরোধী দলের রাজ্যসভাপতি না, যেন মহারানী ভিক্টোরিয়া এসেছেন। নেহাৎই একটা দলের একটা রাজ্যের সভাপতি হয়েই এত অভ্যর্থনা আমার জীবদ্দশায় দেখিনি। দিলীপ ঘোষ বা সুকান্ত তো ননই, যা পড়েছি, শেষ পেয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু, কংগ্রেস সভাপতি হয়ে। তিনি অবশ্য সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছিলেন, অভ্যর্থনা মানুষের কাছে পেয়েছিলেন। এখানে মানুষ নেই, তাই মিডিয়া। তো, এইটা কেন? ওঁর ইতিহাসের দৌড় তো আগেরদিনই লিখেছি, মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত, আর হিন্দুবীরের দৌড় হোয়াটস্যাপ অবধি। আজ অন্য বক্তব্যগুলো একটু ধরা যাক। আমাকে পছন্দ করুন, না করুন, এটা একটু মন দিয়ে পড়বেন, নইলে রাজনীতিটার তল খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ওঁর ... ...
(এগুলো ঠিক লেখা নয়, এগুলো টেখা। মাঝে মাঝে একটা-দুটো কি চারটে-পাঁচটা কবিতা মনে পড়ে। ভুলে যাওয়ার আগে একটা খাতাতে টুকে রাখছি।) শক্তির এই কবিতাটি বহুপঠিত, অন্তত আমার বা আমার আগের প্রজন্মের। একাধিক বন্ধুকে বিভিন্ন সময় ঐ যে অমোঘ শেষ লাইনটি, ঐটি আওড়াতে শুনেছি। অথবা, প্রথমটি, অনেক সময় প্রথমের পরেই এক লাফে শেষ, দুটি "চাই না" মিলিয়ে দিয়ে। আমিও কি বলিনি? কোনো একদিন কোনো এক আড্ডার পরে সিগারেট ধরিয়ে বাঁচতে চাই না বলেছি তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে, স্পষ্ট মনে পড়ে।অবশ্য তখন বয়স ব্যাপারটা ছিল সেই বাঘের মত যার পিঠে দিব্যি উঠে পড়া যেতো, নেমেও পড়া যেত ইচ্ছে করলে। আর এখন যখন মাঝে-মাঝেই বয়স-বয়স ... ...
মন ভালোর গল্প এখনও রাতের অন্ধকার ফিকে হতে অনেকটাই সময় বাকি। বিছানা ছেড়ে উঠে পড়েছে গুলাব, গুলাব যাদব। গরমের আঁচ এখনও তেমন প্রখর হয়নি তাঁদের এলাকায়। ছোটবেলায় নানীর মুখে শোনা কথা মনে পড়ে গুলাবের – হোলি পর্যন্ত সাবধানে থাকতে হবে। ঠাণ্ডার আমেজ এখনও বেশ রয়ে যায়। বিস্তর ছেড়ে ওঠার সময় বিলকুল মালুম হয় গুলাবের। পাশেই শুয়ে আছে অভিষেক, গুলাবের এক লৌতা বেটা। নিজে উঠতে উঠতেই বেটা অভিষেকের গায়ে আলতো করে টোকা মারে। তারপর চাপা গলায় ডাকে - উঠ যা বেটা। সেহরি কা ওয়াক্ত নিকল জায়গা। সবকো জাগানা হ্যায় বেটা। কথাগুলো শোনার পর বিছানা লেপ্টে আর পড়ে থাকেনা অভিষেক – পিতাজী সিনিয়র বচ্চন ... ...
ষষ্ঠ পর্ব: বেশ কয়েকমাস ধরেই গভীর রাতে রূপার এই আচরণ অক্ষুণ্ন রইল। যেদিন থেকে সে তান্ত্রিকের দেওয়া মালা ধারণ করেছে, তান্ত্রিক বাবার দেওয়া বোতলের বিশেষ জল সেবন শুরু করেছে, সেদিন থেকেই রূপার গভীর রাতে উঠে দরজার কাছে গিয়ে আপন মনে ভয়ংকর রূপ ধারণ করে দরজায় মাথা ঠোঁকা যেন অভ্যেসে পরিণত হয়েছে। রোজই ঘুমের ঘোরে সে দরজায় গিয়ে নিথর হয়ে মাথা ঠুঁকে ঠক ঠক শব্দ করে আর বিশুর সেই শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। বিশু তখন রূপাকে ধরে বিছানায় শুইয়ে দেয়। প্রত্যেকদিনের আঘাতে কপালের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে গভীর ক্ষত। তবে রূপার এই আচরণগত পরিবর্তন শুধুমাত্র রাতটুকুই থাকে। সারাদিন অবশ্য তার ব্যবহারে কোনরকম অস্বাভাবিকতা চোখে ... ...
না ইয়ে চাঁদ হোগা। না তারে রহেঙ্গে মগর হাম হামেশা তুমহারে রহেঙ্গে মায়ের কাছে শুনেছিলাম আমার দিদিমার নাকি ভারী পছন্দের গান ছিল এটি। অনেক পরে জেনেছি গানটি 1954 সালের "শর্ত" সিনেমার। সুর হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের। গায়িকা গীতা দত্ত। আমার দাদু দিদিমার বাড়িটি ছিল, ঝিলমিল সীতারো কা আঙন হোগা রিমঝিম বরসতা শাওন হোগা অ্যায়সা সুন্দর স্বপ্না আপনা জীবন হোগা দাদু দিদিমার সম্পর্কের রসায়নটি ভারী মধুর ... ...
শুরুটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে দিয়েই করি। উনি একদা মন্তব্য করেছিলেন - " বাঙলা দেশে জন্মিয়াছে বলিয়াই যে সে বাঙালি তা নয়, বরং সে বাঙলা ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্য দিয়া চিত্তলোকে যাতায়াত করিতেছে বলিয়াই, তাহারা বাঙালী " ... বলার উদ্দেশ্য এই যে বাংলা ভাষা বাঙালি অনেকদিন আগেই উচ্ছন্নে পাঠিয়েছে এটা প্রমাণিত, বাকি যেটা রইলো তা হল বাঙালি সংস্কৃতি। এই বাঙালি সংস্কৃতি যা নিয়ে কিনা বাঙালি গর্ব করতো, যা নিয়ে বিদেশ থেকে স্বয়ং অস্কার দেবতা সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে এ বঙ্গে এসে ... ...
শমীক ভট্টাচার্য নাকি এখন বাংলার নতুন নায়ক। চ্যানেলে চ্যানেলে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার। একটা সময় এরকম দিচ্ছিলেন ভগবান অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁর প্রথমে জজিয়তি গেল, এবার ভগবানের পোস্টও গেল, তাই এবার নতুন মুক্তিসূর্য। যেমন বাগ্মী, তেমন জেন্টলম্যান, যেমন বুদ্ধিজীবী তেমন পণ্ডিত। তা, চ্যানেলরা তাদের কাজ করুক, আমাদের একটু দেখে নিতে হবে, শমীকবাবুর দৌড় কেমন। সভাপতি হবার পরেই তিনি একটা সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন। সেখানে দেখলাম, অনেকক্ষণ ধরে তিনটে পয়েন্ট বললেন। এক এক করে দেখা যাক। ১। শমীকবাবু বললেন, সুভাষ বসুর কথা। ১৯৩৯ সালে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হবার পরেও তাঁকে কমিটি গঠন করতে দেয়নি কংগ্রেস। বরং হটিয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস প্রণম্য বিপ্লবীদের মিসগাইডেড প্যাট্রিয়ট বলেছে। কোনো কোনো জায়গায় সন্ত্রাসবাদীও বলেছে। কথাটা ভুল না। কংগ্রেস এইসব পাপকর্ম করেছে। কিন্তু তার ... ...
এক সেনানী মায়ের গল্প - পর্ব-২সাগরময় মণ্ডলকোলের বাচ্চা দুটোকে অসংরক্ষিত কামরায় বাবা-মার সঙ্গে তুলে দিয়ে ভগ্ন হৃদয়ে ইন্দ্রাণী তার সঙ্গের হাবিলদারদের সঙ্গে স্টেশনের বাইরে বাড়িয়ে এলো। তাদের মিলিটারি ট্রেন এসে গেছে। সেটা স্টেশনের পাশের সাইডিং এ দাঁড়িয়ে আছে। তাদেরকে সেখানে যেতে হবে। ইন্দ্রাণী দেখল সারি সারি লরি মালপত্র পিঠে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সব ওই ট্রেনে উঠবে। পিছনের দুটো বগি খুলে নিয়ে সেখানে এ্যাম্বুলেন্স এবং গাড়ি নিয়ে নতুন ফ্ল্যাট ওয়াগন জুড়ে গেল। একটা বগিতে ওয়ারলেস সেট বসে গেল। বাকি মালপত্র বিভিন্ন বগিতে তোলা হোল। এবার সবাই ট্রেনে উঠে পড়েছে। ট্রেনের পাশে যুদ্ধ যাত্রীদের আত্মীয়স্বজনের ভিড়। সবার হৃদয় ভারাক্রান্ত। কেউ তার প্রিয়জনকে ... ...
সুদীপ চ্যাটার্জী বড় সরকারী অফিসার। ওঁর স্ত্রী মধুরার স্বভাবটা তাঁর নামের সঙ্গে মিলিয়েই চলে যেন। বয়সে সুদীপের থেকে দু’বছরের ছোট। তিনি একটা স্কুলের শিক্ষকা। ওঁদের ছেলে অর্ণব আর মেয়ে অমৃতা। সুদীপের বয়স এখন প্রায় পঞ্চাশ। সকাল সাড়ে ন’টায় তিনি বাড়ি থেকে বেরোন সরকারি গাড়িতে অফিসের উদ্দেশে। মধুরাও স্কুলে বেরোন সকাল আটটায়। অর্ণব পড়ে বি টেক আইআইটি বম্বেতে আর অমৃতা পড়ে প্রেসিডেন্সি কলেজে পলিটিক্যাল সায়েন্স। সুদীপের বড় দোতলা বাড়ি সল্টলেকে প্রায় ছ’কাঠা জমির ওপর। বাড়ির চারদিক ঘিরে বড় বাগান। সামনে ফুলের আর পেছনে সব্জির। ছুটির দিনে অনেকটা সময় কাটে সুদীপের বাগান পরিচর্যায়। বাগান করাটা সুদীপের প্যাশন। বাগানের প্রত্যেকটা গাছকে সুদীপ ভালবাসে ... ...
( ৩৮ )অশোক পালের ঘরে খাটটা শেষ পর্যন্ত পেতে দিয়ে গেল দোকানের দুজন লোক এসে। তার ওপর তোশক, চাদর, বালিশ ফেলল পালগিন্নী। বেশ খুশি খুশি লাগছে তাকে। আজ আর মেঝেতে শুতে হবে না।একটু পরে বাইরে থেকে আওয়াজ এল, ' এটা অশোক পালের বাড়ি ? 'পালবাবু বললেন, ' হ দাঁড়ান, যাইত্যাসি ... 'বাইরে বেরিয়ে দেখলেন একজন রোগা চেহারার বছর পঁয়ত্রিশের শার্ট প্যান্ট পরা লোক দাঁড়িয়ে আছে। সঙ্গে একটা এগারো বারো বছরের ছেলে। দোহারা চেহারা। নিরীহ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। দুজনেরই পায়ে ছেঁড়া চটি।অশোক পাল বললেন, ' হ বলেন ... কি সমস্যা ... বসেন বসেন ... এহানে বসেন ... 'দুটো বেতের মোড়া রয়েছে ... ...
সম্পাদিত পর্ব দেখার আমন্ত্রণ রইলো। সর্বশেষ পর্বে ঢু দিয়ে দেখুন।
ভয়ানক রুশ ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে বসে জনৈক রুশ সেনার গাওয়া গানকেমন আছিস, কেমন তুই সোনাতুলোর মতোন পেঁজা মেঘে হয়তবাড়ির ওপর শরৎ আকাশ ঢাকছে। সকালের সোনা রোদে পথ করে লাইশাইচেনস্কেতে তারা টুকরোরা পড়ছে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি। সকালের সোনা রোদে পথ করে ভিটলোডাস্কে তারা টুকরোরা পড়ছে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি।গতকাল রাতে বন্ধু মরেছে ইউক্রেন বাচ্চাদের পোঁতা মাইনে।বেড়াতে গিয়ে ফিরছে এরোপ্লেনে গায়েকালো টিউলিপ রঙা জামা এক ভাইবাজি ধরেছি আমি আর দোস্ত ম্যাক্সিমফেরে যেন সে নিরাপদে। কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি। বাজি ধরেছি আমি আর দোস্ত ম্যাক্সিমফেরে যেন সে নিরাপদে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি।ও ঘাড় ঘুরিয়ে চলে যাবে, ... ...
কিছুদিন আগে পর্যন্তও ‘নতুন যুগের’ কর্পোরেট সংস্থাগুলি ছিল উদারতাপন্থার ধ্বজাধারী। সিলিকন ভ্যালির তরফে একের পর এক রেনবো মার্চেন্ডাইস, #MeToo ওয়ার্কশপ, বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব অঙ্গীকার — প্রগতিশীলতার হদ্দমুদ্দ যাকে বলে। নারী অধিকার, জাতিগত সমতা, LGBTQ+ অন্তর্ভুক্তি — এসব বুলির ছড়াছড়ি ছিল কর্পোরেট পলিসিতে। কিন্তু ট্রাম্পের উত্থান আর সাম্প্রতিক ‘কালচার ওয়ার’-এর মধ্যেই সুর কেমন পাল্টে গেলো। ডিইআই (ডাইভার্সিটি, ইকুইটি, ইনক্লুশন) টিম গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে, গর্ভপাত সংক্রান্ত সুবিধা আংশিক/ সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, জলবায়ু প্রতিশ্রুতিও আর্থিক চাপের অজুহাতে স্থগিত। নিউ ইয়র্ক টাইমস (2024)-এর ভাষায়, কর্পোরেট উদারতা যেন হঠাৎই ফিকে হয়ে গেল। প্রশ্ন জাগে — হঠাৎ এই বিপরীতমুখী সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কি সত্যিই বিশ্বাসের বদল, নাকি ... ...
তোমাকে ও আর বিশ্বাস করিনা নিঃশ্বাস।যদি অভিমানে আর ফিরে না আসো?
ঘোড়া ছিল মঙ্গোল বাহিনীর আরেকটি গোপন অস্ত্র। মঙ্গোল বাহিনীর প্রতিটি যুদ্ধে অপরিহার্য অংশ ছিলো তাদের ঘোড়াগুলো। অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ছুটতে পারতো মঙ্গোল ঘোড়া। দিনে প্রায় ১০০ মাইল পথ পাড়ি দেয়া সম্ভব ছিলো তাদের দ্বারা। ফলে পদাতিক বিশাল বিশাল বাহিনী এদিকে পিছিয়ে পড়তো মঙ্গোলদের চেয়ে। এই ঘোড়াগুলো ছিলো তুলনামূলক ছোট আকারের। তবে তাদের শক্তি ছিলো চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা দৌঁড়ে যেতে পারতো ঘোড়াগুলো। ফলে মঙ্গোল বাহিনীর ঝড়ের বেগে গিয়ে কোথাও আক্রমণ হানার পেছনে অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে যে দ্রুতগামী এ ঘোড়াগুলো কাজ করতো, তা বোধহয় না বললেও চলে। এছাড়া ঘোড়ার দুধ থেকে তৈরী করা হতো দই, পনির ও আইরাগ নামক একপ্রকার ... ...