আবার বৃষ্টি শুরু হল।হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টি, তার সাথে এলোমেলো বাতাস। বৃষ্টির ফোঁটাগুলি যেন মসলিনের একটা পর্দা জানালার বাইরে ঝুলিয়ে দিয়েছিল। বাতাসে সেই পর্দা মাঝে মাঝে ছিঁড়ে গিয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসছিল। রবিন জনসনের ড্রয়িং রুমের বড় ফরাসি জানালাগুলো জলের নাজুক ফোঁটায় ভরে উঠেছিল। সেগুলোর ওপারে, বাগান যেন সবুজ ও ধূসর রঙের অস্পষ্ট এক স্বপ্নের মতো ঢেকে ছিল।আজহার চৌধুরী হলুদাভ গরম আলোর মধ্যে বেজ রঙের নরম সোফায় বসেছিলেন, দুই হাতের আঙুলে দার্জিলিং চায়ের কাপটিকে ধরে তার উষ্ণতাটা নিচ্ছিলেন। তার সামনে, রবিন একটি খোদাই করা সেগুন কাঠের সোফায় বসে স্বচ্ছ কাঁচের গ্লাসে দামী স্কচ হাতে নিয়ে দোলাচ্ছিলেন। গ্লাসের ভেতর বরফগুলো অস্থিরভাবে ... ...
আপনারা সবাই জানেন, যে, বিশ্বগুরু উনিজির আমলে ভারত স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ঘরে ঘরে দুধ, বাটিতে বাটিতে মধূ, হাতে হাতে পনেরো লাখ। চোর-ডাকাতের উপদ্রব তো একেবারেই নেই। কারণ, চোরদেরই চৌকিদার করে দেওয়া হয়েছে। বহিঃশত্রুরা খতম, সন্ত্রাসবাদ শেষ, পাকিস্তান আর উঠে দাঁড়াতেই পারছেনা। আক্রমন তো পরের কথা। ভারতে এখন অপার শান্তি, সংখ্যালঘুরা আনন্দে, মেয়েরা সারা রাত নিরাপদে হিরে জহরৎ পরে ঘুরছে। বাঙালিরা দু-হাত তুলে নাচছে। যেকোনো সময় তাদের পিটিয়ে বাংলায় ফেরত পাঠানো হতে পারে, তারপর বাংলাদেশে। কিন্তু তাতে সমস্যা কিছু নেই। বাঙালিরা তো সবাই এমনিই বাংলাদেশী। সবই ভালো, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, উনিজির এই বাণী বিশ্বসংসারে কেউ বিশ্বাস করছেনা। এমনকি পরম মিত্র আমেরিকাও না। এই কয়েকদিন আগে আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট ... ...
ইহুদী বলতেই আমাদের চোখের সামনে নিউ ইয়র্কের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার, ধনকুবের রোটশিল্ড, সিলিকন ভ্যালির নানা টেকনোলর্ড, নোবেল বিজয়ী কোন বিজ্ঞানী, ইস্রাঈল এবং বর্তমানে জেম্স বন্ড স্টাইলের কোনো মোসাদ এজেন্টের কথা মনে আসে। নেতুরেই কার্তা আর হোমায়ুন সামেহ এদুটো নাম আমাদের কাছে একেবারেই পরিচিত হবার কথা নয়। ইহুদীদের সম্বন্ধে আমারো জ্ঞান গড়পড়তা পাঁচটা বাঙালীর থেকে খুব বেশি কিছুই নয়। গুরুচন্ডালীতে আমার প্রিয় লেখক হিরেনদার "ইহুদী রসিকতা" আর "পবিত্র ভূমি" পড়েই কিছু জেনেছিলাম ইহুদীদের সম্বন্ধে তাই রেফারেন্সে ওনার বইদুটোর নাম ... ...
বর্ষায় প্রেমমুহাম্মদ ফজলুল হকজীবনে অনিবার্য কিছু নেই। সময়ের আবর্তে বহুকিছু অনিবার্য হয়ে উঠে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে অনিবার্যতা বাড়তে থাকে। কখন কি অনিবার্য হয়ে উঠবে তা ব্যক্তি নয় সময়ই নির্ধারণ করে। আমীর আলীর একদা ইসমাইলকে ভালো লাগত। মাঠে, ঘাটে, গোসলে, বৃষ্টিতে কিংবা অলস দুপুরে পাখীর বাসা ভাঙ্গতে সর্বদা সঙ্গী ইসমাইল। এমন কোন কর্ম নেই এই মানিক জোড় করেনি।কৈশোর ডিঙ্গিয়ে যৌবনে পদাপর্নে আমীর আলীর মোহ পরিবর্তন হয়। তার জীবনে অনিবার্য হয়ে উঠে সুলতানা। টান টান ত্বক, ডাগর চোখ, ঢেউ খেলানো চুলের মেয়েটি তাকে স্তব্দ করে রেখেছে। নাওয়া-খাওয়া, ঘুম বন্ধ হয়ে আছে। সুলতানা তার আরাধ্য। সুলতানার চলন, বলন, তাকানোর ধরণ, ... ...
( ৩৬ ) শিয়ালদা স্টেশনের সামনে চায়ের দোকানে অশোক পালের ঠিকানা নেওয়া লোকজন তিন চারদিন পর থেকেই আসতে শুরু করল। স্পন্ডিলাইটিস থেকে ফিটের ব্যামো, বাচ্চা কাচ্চা না হওয়া থেকে চোখের বিভ্রম মানে হ্যালুসিনেশান সব ধরণের বিপত্তিতে পড়া মানুষ একজন দুজন করে হাজির হতে লাগল অশোক পালের ঠিকানা খুঁজে খুঁজে। রেইকি শুশ্রূষা ছাড়াও তার জানা আরও নানাবিধ টোটকার বিদ্যা প্রয়োগ করতে লাগলেন অশোক পাল। আটাত্তর নম্বর বাসের ঘোলানিবাসী ... ...
অনুক্ত সবার DNA টেষ্ট হয়ে গেছে, দেশে। আধার কার্ড হওয়ার মতোন। এখন থেকে বোঝা যাবে। কে? কোথায়? দক্ষ..! সবাই সবার দক্ষতা হারিয়ে ফেলেছে। শুধু পশু-পাখি-গাছ তাদের দক্ষতা হারায়নি। পাখিরা এখনও গান গায়, চিৎকার চেঁচামেচি করে, সন্ধ্যেবেলা; আর আজকে সন্ধ্যেবেলা, লটারির দোকানে তর্ক হচ্ছিলো। যে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীরা নাকি তাদের ডি.এন.এ. টেস্ট করায় না। নইলে তারা যে কতোটা অদক্ষ, সেটা বেরিয়ে পড়বে। ~। শুভঙ্কর বৃক্ষ ... ...
সম্পাদিত পর্ব দেখার আমন্ত্রণ রইলো। সর্বশেষ পর্বে ঢু দিয়ে দেখুন।
( ৩৫ ) রাত্রে সাবিত্রীর ব্যাপারটা তুলল রাত্রি। সব শুনে সাগর বলল, ' ভদ্রমহিলা মেন্টাল অ্যাংজাইটিসের মধ্যে আছেন। অপারেশানটা কালকেই সেরে ফেলতে পারলে ভাল হত। কিন্তু বেপাড়ার ব্যাপার। তিনটে ছেলে লাগবে চেম্বার নিয়ে। মোনাবাবুকে বলা যেত একটু দেখে নেবার জন্য। ওদিকেই তো ওদের আসল ঠেক। কিন্তু এখন সময়টা একটু গোলমেলে। ওদের মধ্যে গ্রুপবাজি চলছে। কাউকেই ঠিক ভরসা করা যায় না। আমাকেই ব্যাপারটা ... ...
( ৩৪ ) সুমনা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল ভদ্রলোকের দিকে। পরিচিত মানুষ ছাড়া একজন মহিলার দিকে কেউ এভাবে তাকিয়ে থাকে না। ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একটা অস্পষ্ট স্মৃতি, আবছা মুখের রেখা আঁকা হতে হতে আবার মুছে যেতে লাগল। মনে হচ্ছে একে কোথাও দেখেছে, কিন্তু তেমনভাবে দেখেনি। কেমন যেন চেনা মানুষ মনে হচ্ছে, কিন্তু ঠিক ধরা যাচ্ছে না স্পষ্ট। প্রায় আধ মিনিটের বিভ্রান্তির ... ...
উড়িছাদএরই মধ্যে ঢুকে গ্যাছে,গোপনগন্ধকিছু।গোপনই আমার ভাল। গোপনেই, উড়িছাদ। ঘনিষ্ঠজড়াবসেকথা আমি ভুলতে পারব না।ভুলতে চাইও না।যখন পড়বে মনে–তখন একটিবার, ঘনিষ্ঠজড়াব! এখন বড় হ’য়ে গেছিবাজারমুদিখানাসাইকেল—যেতে আসতে হাসিবিনিময়।এখন বড় হ’য়ে গেছি, পারব না ছোট হতে তাই। ধ্বংস, ধ্বংসইজলের ছাপ। কালরাতে ধ্বংস এসেছিল।ধ্বংস যখনই আসে,আমরাও ভাবি লড়ে জিতব।ধ্বংস একাই পারে–ক’রে দিতে আমাদের ধ্বংস! বিপদপ্রস্তুতিআকাশছাদ, আকাশলোক।বারান্দা, পুজোর ঘর।মাথায় ছাদ, আচমকা আচমকা আচমকা! ... ...
প্রতিদিন দুর্ঘটনা। ২০২৫১২ জুন গুজরাট বিমান দুর্ঘটনাতারপর প্রতি দিন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা১৫ জুন দুটো সেতু ভেঙে পড়ল। মহারাষ্ট্র পুনে। ১৬ জুন লোকাল ট্রেনে আগুনমধ্য প্রদেশে ভেঙ্গে পড়ল সেতু। এত দুর্নীতি?. এত উদাসীনতা?
? গোদিয়ার প্র চারে দেশের এক নম্বর রাজ্য। সেই রাজ্যের মতো হতে চেয়ে ২০১৪ র ভোট হয়ে গেল। রাজ্যের প্রা. মুখ্যমন্ত্রীর মৃতদেহ পেতে চারদিন লেগে গেল। এয়ার ইন্ডিয়া ছিল সরকারের সংস্থা। বেচে দেওয়া হল তিনসঙ্গী-র একজনকে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায়মোট মৃতের সংখ্যা জানা নেই আজও! সবই ভাসা ভাসা
গাজায় হলে সুড়ঙ্গ। সেখানে বিমান হামলার সময় ঢোকা মানে সন্ত্রাসী। ইজরায়েলে সুড়ঙ্গ মানে বাঙ্কার। আশ্রয়ের সন্ধানে। বাঁচতে।
উৎস: ১৪ই জুন, ২০২৫ এক শতক পরঃ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের বিরুদ্ধে খোলা চিঠি ১৯২৫ এর ১লা মে, মুসোলিনি তখন ক্ষমতায় এসে গেছেন, এক দল ইতালীয় বুদ্ধিজীবী প্রকাশ্যে মুদ্রিত খোলা চিঠির মাধ্যমে মুসোলিনির ফ্যাসিস্ত শাসনতন্ত্রের সমালোচনা করেন। এই চিঠির স্বাক্ষরকারীরা – বিজ্ঞানী, দার্শনিক, সাহিত্যিক, শিল্পীরা - একটি স্বাধীন সমাজের মৌলিক কিছু সূত্রের সমর্থনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন – আইনের শাসন, ব্যাক্তিস্বাধীনতা, স্বতন্ত্র ভাবনা, সংস্কৃতি, শিল্প এবং বিজ্ঞান। নিজেদের জীবনের প্রতি প্রবল ঝুঁকি সত্ত্বেও ফ্যাসিস্ত মতাদর্শের স্বৈরাচারী উৎপীড়নের বিরুদ্ধে তাদের অদম্য প্রতিবাদ প্রমাণ করেছিল যে বিরোধিতা শুধু সম্ভব নয়, প্রয়োজনীয়ও ... ...
সম্পাদিত পর্ব দেখার আমন্ত্রণ রইলো। সর্বশেষ পর্বে ঢু দিয়ে দেখুন।
সারা দেশে ইরানের হামলা। তাই ইজরায়েলের সৈন্যরা উদ্ধার কাজ করছে। জানাচ্ছে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ফেসবুক। নিজের গদি বাঁচাতে সারা বিশ্বে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দিল নেত্যানহু। তেল গ্যাসের দাম বাড়বে। পরিবেশ দূষণ বাড়বে। পারমাণবিক দূষণ বাড়বে। যুদ্ধ থামুক
১৯৬৭ সালের ৫ই জুন দখলদার হিজড়াইলী বিমানবাহিনী মিসরের উপর আক্রমণ করে। হিজড়াইলের এই অন্যায় আগ্রাসনের দ্বারা সূচনা হয় ৬ দিনের আরব হিজড়াইল যুদ্ধের। হিজড়াইলের লক্ষ্য ছিল মিসরের শক্তিশালী বিমানবাহিনীর দিকে। ধূর্ত হিজড়াইলী পাইলটেরা মিসরীয় রাডারকে ফাঁকি দিতে উত্তর দিকে ভূমধ্যসাগর ঘুরে ভিন্ন রাস্তা দিয়ে মিসরের দিকে উড়ে যায় এবং সফলভাবে মিসরীয়দের বোকা বানায়। মিসরীয়রা অবশ্য "বোকা" হবার জন্য যেন বসেই ছিল। ৩০০র বেশি বিমানকে তারা কোনো প্রকার বাঙ্কার বা সুরক্ষা ছাড়াই বিমানঘাঁটির মধ্যে ল্যান্ড করিয়ে রেখেছিল। আকাশ থেকে বিমানগুলো একেবারে সহজেই দেখা যাচ্ছিল। মিসরীয় সামরিক বিশ্লেষক হুসাম সোয়েইলাম ১৯৬৭র যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেনঃ "আমাদের (যুদ্ধ) বিমানগুলো এমনভাবে ল্যান্ড করে রাখা ছিল যেন ... ...
. . আইসিস আল কায়দা সব ইজরায়েল আমেরিকার তৈরি। এদের কাউকে গাজায় প্যালেস্টাইনে গিয়ে লড়তে দেখলেন? ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে? হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে নির্বাচনী লড়াইয়ে ট্রাম্প খোলাখুলি বলেছিলেন, এগুলো হিলারি ও ইজরায়েলের তৈরি।